শিরোনামঃ-

» সিলেটে কর্মকর্তার দুই পা গুড়িয়ে দিলেন মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রের পরিচালক

প্রকাশিত: ০৩. ফেব্রুয়ারি. ২০১৭ | শুক্রবার


Manual7 Ad Code

ষ্টাফ রিপোর্টার:: সিলেটে এক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান কর্মকর্তার দু’পা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রতিষ্টানের নির্বাহী পরিচালক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

পাশাপাশি অলিখিত সাদা কাগজে জোরপূর্বক দস্তখতও নিয়ে যায় তার।

ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) নগরীর নবাব রোডস্থ নিউ প্রশান্তি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রে।

Manual6 Ad Code

গুরুতর আহত শফিকুর রহমান (৪৫) বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের ৩য় তলাস্থ ৯নং ওয়ার্ডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

শফিকুর রহমানের স্ত্রী শামীমা আক্তার নূরী সাংবাদিকদের জানান, গত ১৬ জানুয়াররি ওই পুনর্বাসন কেন্দ্রের রোগী ও মালিক-কর্মচারীর মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।

এতে শফিকুর রহমান সহ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার (২ফেব্রুয়ারি) নিউ প্রশান্তি’র নির্বাহী পরিচালক জাহিদ ইসলাম বাবু তার অনুগত কর্মচারীদের নিয়ে ওই কেন্দ্রের কর্মকর্তা শফিকুর রহমানকে কেন্দ্রের একটি কক্ষে আটকে রাখেন।

পরে বেদম মারপিট করে জোরপূর্বক কয়েকটি সাদা কাগজে তার স্বাক্ষর আদায় করে তার দু’পা ভেঙ্গে দেন ও সাথে থাকা টাকা-পয়সা কেড়ে নেন।

খবর পেয়ে স্ত্রী শামীমা আক্তার নূরী ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় শফিকুর রহমানকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

Manual6 Ad Code

শফিকুর রহমান ওই পুনর্বাসন কেন্দ্রের নেটওয়ার্ক বিষয়ক কর্মকর্তা ছিলেন বলে তিনি জানান।

নিউ প্রশান্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম বাবু মারপিট ও স্বাক্ষর আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, শফিকুর রহমান অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

সুস্থ থাকাকালে তিনি আমাদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে সময় দিতেন। তবে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের কোন পদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন না বলে জানান তিনি।

Manual4 Ad Code

শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধায় সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানার সাথে যোগাযোগ করা হলে সেকেন্ড অফিসার ফজলে আজিম পাটোয়ারী জানান, এ ব্যাপারে থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

তদন্তে ঘটনার প্রাথমিক তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেলে মামলা নেয়া হবে।

 

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬০৭ বার

Share Button

Callender

September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930