- বাজারে চালের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে যথেষ্ট স্থিতিশীল রয়েছে : খন্দকার মুক্তাদির
- স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে দুই দিনব্যাপী সাহিত্য প্রতিযোগিতা সম্পন্ন
- শহীদ সাংবাদিক এটিএম তুরাব স্মরণে ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেটের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা
- নিয়ম মেনেই সিলেট রেলওয়ে পার্কিংয়ের ইজারা নেওয়া হয়েছে, অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’
- সিলেটে পাঠানটুলা জামেয়ায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
- ছাতকে চুরি মামলার আসামি সহ দুইজন গ্রেফতার
- ঢাকার মঞ্চে নাট্যায়ন সিলেটের ‘মহাকালের অন্তর্যাত্রা’
- সিলেট অঞ্চলে টেকসই মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা ও ফসল উৎপাদনের জন্য চুন প্রয়োগ প্রযুক্তি শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
- প্রধানমন্ত্রীকে সিলেটে স্বাগত জানাতে সিলেট মহানগর বিএনপির প্রস্তুতিসভা
- সিসিকের ২৩নং ওয়ার্ডে খোলা জায়গায় ময়লার স্তূপ, দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি
» বাজারে চালের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে যথেষ্ট স্থিতিশীল রয়েছে : খন্দকার মুক্তাদির
Published: ১৭. জুন. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা চালের বাজার পরিদর্শন শেষে বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি বলেছেন, বাজারে চালের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে যথেষ্ট স্থিতিশীল রয়েছে। সরকারের হাতে চাল ও গমের সন্তোষজনক মজুদ রয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাদামতলী পাইকারি চালের বাজার ও নয়াবাজারের খুচরা বাজার মনিটরিং শষে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একটি সংবাদপত্রে চালের বাজারে মূল্য বৃদ্ধির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর পরিস্থিতির সত্যতা যাচাই করতে তিনি ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে বাজার পরিদর্শনে যান।
বিভিন্ন পাইকারি আড়ত ও খুচরা দোকান ঘুরে তারা দেখতে পেয়েছেন, চালের দামে উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্তন হয়নি।
ঈদের পর কোন কোন ধরনের চালের দাম কেজিতে এক থেকে দেড় টাকা বেড়েছে বলে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন। তবে তা বাজারে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয় না।
তিনি জানান, কিছু মিল মালিক বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। কিন্তু বাজারে সেই দাম কার্যকর হয়নি এবং পরবর্তীতে তা কমে এসেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন মানের চালের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই দুই থেকে চার টাকার মূল্য পার্থক্য থাকে।
নতুন ও পুরোনো চালের মধ্যেও দাম কিছুটা ভিন্ন হয়। নতুন চালের ফলন ভালো হলে তার দাম তুলনামূলক কম থাকে। এ ধরনের এক-দুই টাকার ওঠানামা বাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতিও ভালো রয়েছে এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে।
প্রতিদিন বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বাজারের মূল্যতালিকা ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
খাদ্যশস্যের সরকারি মজুদের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের হাতে চাল ও গমের সন্তোষজনক মজুদ রয়েছে।
ভবিষ্যতে বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর প্রয়োজন দেখা দিলে সরকার তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সে ধরনের কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়নি।
বাজেট-পরবর্তী মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মুদ্রাস্ফীতির হিসাব একটি ভিত্তিমূল্যের ওপর নির্ভর করে।
গত কয়েক মাস ও আগের বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে খাদ্যপণ্যের বাজার বর্তমানে অনেক বেশি স্থিতিশীল।
সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি চার টাকা বাড়ানোর কারণও আগেই স্বচ্ছভাবে জানানো হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “বাজার পরিস্থিতি আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। বর্তমানে চালের মূল্য ও সরবরাহ-উভয় ক্ষেত্রেই সন্তোষজনক অবস্থা বিরাজ করছে। তবে প্রয়োজন হলে বাজারে হস্তক্ষেপের সক্ষমতা সরকারের রয়েছে।”
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, দেশে চালের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সচল রয়েছে।
সরকারের হাতে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ টন খাদ্যশস্যের মজুদ রয়েছে, যা নির্ধারিত আপৎকালীন মজুদের চেয়ে অনেক বেশি।
একই সঙ্গে চলমান ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি মজুদ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে চালের বাজার নিয়ে জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাজার পরিদর্শনে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চালের সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই।
বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোন ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়নি।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে দুই দিনব্যাপী সাহিত্য প্রতিযোগিতা সম্পন্ন
Published: ১৭. জুন. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধি, সৃজনশীল চিন্তাশক্তি এবং আত্মবিশ্বাস বিকাশের লক্ষ্যে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী “ইংলিশ লিটেরারি কম্পিটিশন–২০২৬” সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) শুরু হওয়া এই বর্ণাঢ্য সাহিত্যভিত্তিক প্রতিযোগিতা বুধবার (১৭ জুন) পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
এতে কলেজের ষষ্ঠ থেকে একাদশ শ্রেণির বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।
দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
যার মধ্যে ছিল- একস্টেমপোর স্পিচ (তাৎক্ষণিক বক্তৃতা), পয়েট্রি রিসাইটেশন (ইংরেজি কবিতা আবৃত্তি) এবং এ্যাসে রাইটিং (রচনা প্রতিযোগিতা)।
শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত, সৃজনশীল ও আত্মবিশ্বাসী অংশগ্রহণ পুরো কলেজ প্রাঙ্গণকে এক উৎসবমুখর মিলনমেলায় পরিণত করে।
অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে জুনিয়র গ্রুপ (ষষ্ঠ-সপ্তম শ্রেণি) এবং দ্বিতীয় দিনে ইন্টারমিডিয়েট (নবম–দশম শ্রেণি) ও সিনিয়র (একাদশ শ্রেণি) গ্রুপের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী।
তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সাহিত্যচর্চার প্রতি উৎসাহিত করে বলেন, ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক পরিসরে সফলতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ইংরেজি ভাষা ও যোগাযোগ দক্ষতায় অনন্য হতে হবে।
তিনি এ ধরনের সময়োপযোগী ও শিক্ষণীয় আয়োজনের জন্য কলেজের ইংরেজি বিভাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা করেন এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ভাষা মানুষের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।
যারা আজ সাহসের সঙ্গে মঞ্চে উঠে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার প্রকাশ ঘটিয়েছে, তারাই প্রকৃত অর্থে বিজয়ী।
তিনি শিক্ষার্থীদের নিরবচ্ছিন্ন অনুশীলন ও জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়।
এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক জাকারিয়া আল মামুন।
তিনি সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি এবং পাবলিক স্পিকিংয়ের ভয় দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দুই দিনব্যাপী এই বৃহৎ আয়োজনের বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন প্রভাষক জাকারিয়া আল মামুন, প্রভাষক মুহিয়ারা বেগম এবং প্রভাষক জাবেদ আহমদ চৌধুরী।
প্রতিযোগিতার সার্বিক পর্যালোচনা উপস্থাপন করেন প্রভাষক মো. মোনাব্বির জোহান ও প্রভাষক মো. ওমর ফারুক। ফলাফল প্রস্তুত করেন প্রভাষক মেহেদী ইসলাম তপাদার।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকারভাবে সঞ্চালনা করেন প্রভাষক সজিবুর রহমান এবং শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন, প্রভাষক তানভীর হাসান বিশ্বাস ও প্রভাষক মো. আলী আকবর।
শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হয়।
আয়োজক কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক যোগাযোগ সক্ষমতা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে এ ধরনের ভাষাভিত্তিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
» শহীদ সাংবাদিক এটিএম তুরাব স্মরণে ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেটের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা
Published: ১৭. জুন. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সিলেটে শহীদ হওয়া সাংবাদিক এটিএম তুরাব স্মরণে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিপিজেএ) সিলেট বিভাগীয় কমিটি।
এসোসিয়েশনের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কার্যকরি কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন কবির লিটনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আশকার ইবনে আমিন লস্কর রাব্বির পরিচালনায় সভায় কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামী ১ জুলাই থেকে মাসব্যাপী শোক পালন, দ্রুত বিচার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধন।
নির্দিষ্ট সূচি অনুযায়ী ১১ জুলাই স্মারকলিপি প্রদান, ১৮ জুলাই শহীদ এটিএম তুরাব স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল, ১৯ জুলাই শহীদ তুরাবের কবর জিয়ারত এবং ২৫ জুলাই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি শেখ আব্দুল মজিদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক এসএম রফিকুল ইসলাম সুজন, কোষাধ্যক্ষ জাবেদ আহমেদ, ক্রীড়া সম্পাদক রেজা রুবেল, প্রকাশনা সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং কার্যকরি কমিটির সদস্য আজমল আলী।
» নিয়ম মেনেই সিলেট রেলওয়ে পার্কিংয়ের ইজারা নেওয়া হয়েছে, অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’
Published: ১৭. জুন. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট রেলওয়ে স্টেশন গাড়ি পার্কিংয়ের ইজারা নিয়ে একটি মহল মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ইজারাদারের প্রতিনিধিরা।
তারা জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ম নীতি মেনে এবং যথাযথ রাজস্ব প্রদান করেই এই ইজারা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের হল রুমে আয়োজিত সংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় ইজারাদারের পক্ষে এসব কথা বলেন সুহেল রানা।
এসময় সুহেল রানা বলেন, “একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে যে, আমরা জোরপূর্বক রেল স্টেশন পার্কিং দখলের চেষ্টা করছি।
প্রকৃত সত্য হলো, আমরা সরকারকে নিয়ম অনুসারে সম্পূর্ণ রাজস্ব দিয়ে ইজারা নিয়ে এসেছি। এই বৈধ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চলমান অপপ্রচারে কাউকেই বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি।”
সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ে ভূ-সম্পত্তি শাখা থেকে গত ১০/১২/২০২৫ইং তারিখে (স্মারক নং-৫৪.০১.০০০০.১২.১৩.০৭০.১৮-
এ বিষয়ে গত ১৫/০৬/২০২৬ তারিখে সিলেট জেলা প্রশাসক (ডিসি) মহোদয়কেও লিখিত চিঠির মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে যে, উক্ত প্রতিনিধিগণই ইজারাদারের পক্ষে পার্কিং এলাকাটি পরিচালনা করবেন।
রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যবিবরণী সূত্রে জানা যায়, ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২০’ অনুযায়ী সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দৈনিক কালবেলা ও ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস পত্রিকায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই ইজারা সম্পন্ন হয়।
সিলেট রেলস্টেশন গাড়ি পার্কিংয়ের বিপরীতে সরকারি নির্ধারিত দর ছিল ৪,৫০,০০০/- (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা।
সেখানে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মো. মিনারুল ইসলাম ৪,৭৫,০০০/- (চার লক্ষ পঁচাত্তর হাজার) টাকা (যা সরকারি দরের চেয়ে ২৫,০০০ টাকা বেশি) এবং নিয়মমাফিক ভ্যাট-আয়কর প্রদান করে ০১ (এক) বছর মেয়াদী এই লাইসেন্স লাভ করেন।
ইজারাদার পক্ষ জানান, সম্পূর্ণ বৈধ উপায়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হয়ে এবং জেলা প্রশাসন ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেই তারা দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন।
ফলে এখানে কোনো ধরনের জোরপূর্বক দখলের সুযোগ নেই। তারা এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সর্বসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নাহিদুর রহমান, শাহিন আহমদ সহ ইজারাদারবৃন্দ।
» সিলেটে পাঠানটুলা জামেয়ায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
Published: ১৭. জুন. ২০২৬ | বুধবার
অধ্যক্ষ ফরীদ চৌধুরী (রহ.) ছিলেন ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের পথিকৃৎ : অধ্যক্ষ লুৎফুর রহমান হুমায়দী
শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা পাঠানটুলা সিলেটের অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী বলেছেন, অধ্যক্ষ মাওলানা ফরীদ উদ্দিন চৌধুরী (রহ.) ছিলেন, ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের পথিকৃৎ। তাঁর প্রতিষ্ঠিত অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর বাস্তব সাক্ষী।
» ছাতকে চুরি মামলার আসামি সহ দুইজন গ্রেফতার
Published: ১৭. জুন. ২০২৬ | বুধবার
ছাতক প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় পৃথক অভিযানে চুরি মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামি ও একটি সিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে ছাতক থানা পুলিশ।
বুধবার (১৭ জুন ২০২৬) দিনব্যাপী পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ছাতক থানায় দায়েরকৃত মামলা নং-২৮, তারিখ ১৭ জুন ২০২৬, পেনাল কোডের ৪৫৭/৩৮০ ধারায় দায়ের হওয়া একটি চুরি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ ইমাম উদ্দিন (২৫)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি উপজেলার মুক্তিরগাঁও (কোনাপাড়া) এলাকার মৃত আব্দুল কাইয়ুম (কালু)-এর ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
একই দিনে পৃথক আরেকটি অভিযানে সিআর-৯৫/২৬ (ছাতক) মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোছাঃ সুফিয়া বেগম (৪০)-কে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি উপজেলার বাজনামহল গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা ইসমাইল আলী এবং স্বামী মোঃ পারুল মিয়া তালুকদার।
দীর্ঘদিন ধরে আদালতের জারি করা পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে খোঁজা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ছাতক থানা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনের লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন মামলার পলাতক ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে বিশেষ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের অভিযানে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসছে।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত দুই আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পরে তাদের বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।
তারা অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
ছাতক থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
» ঢাকার মঞ্চে নাট্যায়ন সিলেটের ‘মহাকালের অন্তর্যাত্রা’
Published: ১৭. জুন. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
আজ ১৮ জুন ২০২৬খ্রি. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত “নতুন নাটকের উৎসব-২০২৬” এ মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে নাট্যায়ন সিলেটের বহুল প্রশংসিত প্রযোজনা “মহাকালের অন্তর্যাত্রা”।
নাটকটি মঞ্চস্থ হবে সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে।
২০২৫ সালে সারা দেশে মঞ্চস্থ হওয়া নতুন নাটকগুলোর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটটি নাটকের অন্যতম হিসেবে স্থান করে নিয়েছে নন্দিত নাট্যকার ও নাট্যনির্দেশক মোস্তাক আহমেদ নির্দেশিত এবং এখলাছ আহমেদ তন্ময় রচিত নাট্যায়ন সিলেট এর প্রযোজনায় নাটক “মহাকালের অন্তর্যাত্রা”।
সিলেট বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী নাটক হিসেবে “মহাকালের অন্তর্যাত্রা” জাতীয় পর্যায়ে মঞ্চস্থ হওয়া নাট্যায়ন সিলেটের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি সিলেটের নাট্যাঙ্গনের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।
নাটকটি এমন এক রহস্যময় জগতের গল্প বলে, যেখানে আত্মহত্যার মাধ্যমে জীবন শেষ করা কয়েকজন মানুষ মৃত্যুর পর এসে দাঁড়ায় জীবন ও মৃত্যুর মধ্যবর্তী এক অনির্বচনীয় অস্তিত্বে।
সেখানে তারা নিজেদের সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হয়, অনুশোচনায় দগ্ধ হয় এবং উপলব্ধি করতে শুরু করে জীবনের প্রকৃত মূল্য।
এই যাত্রায় এক রহস্যময় মেসেঞ্জার তাদের সামনে তুলে ধরেন জীবনের অপরিসীম গুরুত্ব এবং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে বেঁচে থাকার দর্শন।
নির্দেশক মোস্তাক আহমেদ নাটকটিতে জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণকে ইল্যুশনধর্মী এক মঞ্চভাষায় উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন। নাটকটির রচয়িতা এখলাছ আহমেদ তন্ময়ের মূল ভাষ্য- “দুঃখ, কষ্ট ও হতাশা মানুষের জীবনেরই অংশ; কিন্তু সংকটের কাছে আত্মসমর্পণ নয়, বরং তাকে মোকাবিলা করাই মানুষের সহজাত ধর্ম।”
নাটকটিতে অভিনয় করছেন মোস্তাক আহমেদ, এখলাছ আহমেদ তন্ময়, রুবেল আহমদ রাজ, শিপন আহমদ, এনামুল হক সামি, রিংকু মালাকার, মো. সাদমান তন্ময় আদিয়ান, পারভেজ আহমদ এবং রীমা দাস।
নেপথ্যে সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন নজরুল ইসলাম মনজুর ও তুহিন খান। মঞ্চ ও পোশাক পরিকল্পনা করেছেন মোস্তাক আহমেদ, আলোক পরিকল্পনা ও প্রক্ষেপণে খোয়াজ রহিম সবুজ এবং আবহ সঙ্গীত পরিকল্পনা ও প্রয়োগে রয়েছেন রীমা দাস ও উত্তম কাব্য।
জীবনের প্রতি দায়বদ্ধতা, হতাশার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং নতুন করে বেঁচে ওঠার প্রত্যয়কে কেন্দ্র করে নির্মিত “মহাকালের অন্তর্যাত্রা” সমকালীন সমাজের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।
নাট্যায়ন সিলেটের পক্ষ থেকে নাট্যপ্রেমী ও সংস্কৃতিমনা সকল দর্শককে আজকের প্রদর্শনী উপভোগের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
» সিলেট অঞ্চলে টেকসই মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা ও ফসল উৎপাদনের জন্য চুন প্রয়োগ প্রযুক্তি শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
Published: ১৭. জুন. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট অঞ্চলে টেকসই মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা ও ফসল উৎপাদনের জন্য চুন প্রয়োগ প্রযুক্তি শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই) সিলেট কতৃক মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সিলেট এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অ্যানালাইটিক্যাল সার্ভিসেস উইং এর পরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, টেকসই মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা ও ফসল উৎপাদনের জন্য গবেষণা কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি করতে হবে। সম্মিলিতভাবে কাজের মাধ্যমে এসআরডিআইকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
কৃষকদেরকে মাটি পরীক্ষায় আরও উদ্বুদ্ধ মাধ্যমে পরিমিত সার প্রয়োগ করতে হবে।
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন এর সভাপত্বিতে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সিলেট বিভাগীয় গবেষণাগারের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সালেহ আহমদ সঞ্চালনায় সেমিনারে সম্মানীত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. মোশাররফ হোসেন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব সয়েল সাইন্সের চেয়ারম্যন প্রফেসর ড. মো. আব্দুল আজিজ; সিলেট কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এর অধ্যক্ষ কৃষিবিদ সুব্রত কুমার চক্রবর্ত্তী,বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার কৃষিবিদ মো. সামছুদ্দিন আহমেদ ।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেটের উপপরিচালক মো. শামসুজ্জামান।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিলেট মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, বিভাগীয় কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দীপ্ত চক্রবর্তী।
সিলেট বিভাগের ভূমি ও মাটির পুষ্টি উপাদানের অবস্থার সাধারণ বিষয়ের উপর প্রেজেনটেশন উপস্থাপনা করেন, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট বিভাগীয় কার্যালয় সিলেটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন এবং সিলেট অঞ্চলে টেকসই মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা ও ফসল উৎপাদনের জন্য চুন প্রয়োগ প্রযুক্তি বিষয়ের উপর মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট বিভাগীয় গবেষণাগার, সিলেটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হাসান আহম্মদ খান চৌধুরী।
দুটি প্রেজেনটেশনের উপর মুক্ত আলোচনা পরিচালনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেট অঞ্চল, সিলেট এর অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. মোশাররফ হোসেন।
সেমিনারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেট-কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, কৃষি তথ্য সার্ভিস, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী বিএডিসি সিলেট, সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র বিএআরআই জৈন্তাপুর, বিনা উপকেন্দ্র সুনামগঞ্জ এর সম্মানিত কর্মকর্তাবৃন্দ এবংএনজিও প্রতিনিধি, কৃষক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
» প্রধানমন্ত্রীকে সিলেটে স্বাগত জানাতে সিলেট মহানগর বিএনপির প্রস্তুতিসভা
Published: ১৬. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
আগামী বুধবার (১৭ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সিলেটে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতিসভা করেছে সিলেট মহানগর বিএনপি।
সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে সিলেট নগরীর দরগাহ গেইটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের হলরুমে এ সভার আয়োজন করা হয়।
ঐদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে সিলেট নগরী হয়ে সড়কপথে মৌলভীবাজার যাবেন এবং ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে উৎসবমুখর পরিবেশে সফল করতে মহানগর বিএনপির এই সভা।
সিলেট মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ মঈন উদ্দিন সোহেল নুরুল মুমিন খোকন, আব্দুল হাকিম, আফজাল হোসেন ও আব্দুর রহিম মল্লিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজিবুর রহমান নজিব, আব্দুল ওয়াহিদ সুহেল, রেজাউল করিম আলো, আক্তার রশিদ চৌধুরী, মঞ্জুরুল হাসান মঞ্জু ও মতিউল বারী খূর্শেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক ও জাকির হোসেন মজুমদার, অর্থ সম্পাদক এনামুল কুদ্দুস চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মোহন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আফসর খান, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শেখ কবির আহমদ, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান আরাফাত চৌধুরী জাকি, যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ফয়েজ উদ্দিন মুরাদ, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্পাদক সবুর আহমদ, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান মোহন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ লোকমানুজ্জামান, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মফিজুর রহমান জুবেদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুফতি রায়হান উদ্দিন মুন্না, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সালেহ আহমদ গেদা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রহিম আলী রাসু, সাব্বির আহমদ ও জাহাঙ্গীর আলম জীবন, সহ- প্রচার সম্পাদক আলী হায়দার মজনু, সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালেক সেকু, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক রুবেল বক্স, সহ-জলবায়ু সম্পাদক কামাল আহমদ, সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক জালাল উদ্দীন শামীম, সহ শিল্প বিষয়ক সম্পাদক জমজম বাদশা, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এস এম সায়েম, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শাহীন আহমদ, সহ মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক শাহীন আহমদ, সদস্য জমির উদ্দিন, শাহাজাহান মিয়া, নুরুল ইসলাম বাচচু, আমিনুল ইসলাম আমিন, আব্দুল মুনিম, মতিউর রহমান শিমুল, নুরুল ইসলাম ও জাকারিয়া খান, দক্ষিণ সুরমা থানা বিএনপির সদস্য সচিব মকসুদ আহমদ, বিমানবন্দর থানা বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ সারোয়ার রেজা, ৩৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তাজ উদ্দিন তাজ, ৩৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সালেক আহমদ, ৩২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জিয়াউর রহমান সুমন, ৩৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আল মামুন খান, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজির হোসেন, ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু কালাম, ২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাহিদ আলি, হাবিবুর রহমান মাসুম, হাজী ইউনুস মিয়া, ফরিদ আহমদ, কাদির আমহদ, ১০নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন রব, ২৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়েজ আহমদ শিপু প্রমুখ।
সভায় সিলেট নগরীর চারটি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রতিটা পয়েন্টে মনিটরিং করার জন্য দুই জন সহ-সভাপতি ও দুই জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত থাকবেন।
চৌকিদেখী পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ৪, ৫, ৬ ও ৭নং ওয়ার্ড বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবকদল-কৃষকদলসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন এবং নেতৃত্ব নিবেন সহ সভাপতি জিয়াউল গনি আরিফিন জিল্লুর, সাদিকুর রহমান সাদিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মজুমদার ও মাহবুবুল হক চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব।
আম্বরখানা পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ১, ২, ৩, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ৩৬, ৩৭, ৩৮ ও ৩৯নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন এবং নেতৃত্ব নিবেন সহ সভাপতি জিয়াউল হক জিয়া ও মাহবুব কাদির শাহী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা বেলায়েত হাসান লিটন, শাহ নেওয়াজ বক্ত তারেক ও মতিউল বারী খুর্শেদ।
কুমারপাড়া থেকে নাইরপুল পয়েন্টে ট প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ৩২, ৩৩, ৩৪ ও ৩৫নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন এবং নেতৃত্ব নিবেন, সহ সভাপতি আমির হোসেন ও সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শুয়াইব আহমদ শোয়েব ও রেজাউল করিম আলো।
উপশহর রোজভিউ এর সামন থেকে হুমায়ুন রশিদ চত্বর পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩১, ৪০, ৪১ ও ৪২নং ওয়ার্ড বিএনপি ও ছাত্রদল-তাঁতীদলসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন এবং নেতৃত্ব নিবেন সহ সভাপতি সৈয়দ মঈন উদ্দিন সোহেল ও আফজাল উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল হাসান মন্জু, নাদির খান ও আবুল কালাম।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর এই সফর উৎসবমুখর পরিবেশ ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যববদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।
» সিসিকের ২৩নং ওয়ার্ডে খোলা জায়গায় ময়লার স্তূপ, দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি
Published: ১৬. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৩নং ওয়ার্ডস্থ মেন্দিবাগ মাছিমপুর এলাকার সংযোগ সড়ক পাশে খোলা জায়গায় বর্জ্য জমানো হয়।
প্রতিদিন সন্ধ্যায় এখান থেকে সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্যবাহী ট্রাক ময়লা-আবর্জনা তুলে নেয়।
নির্দিষ্ট জায়গা থাকলেও ওয়াল না থাকায় খোলা জায়গায় ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল করতে হয়।
বৃষ্টি হলেই জমানো বর্জ্য রাস্তার উপরে চলে আসে। এতে চলাচলের চরম বিঘ্ন ঘটে।
সরেজমিনে ২৩নং ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় বর্জ্যসহ নানা ধরণের ময়লা-আবর্জনা স্তূপ আকারে পড়ে আছে।
কোন নির্দিষ্ট ডাম্পিং জোন না থাকায় মেন্দিবাগ, মাছিমপুর ও দেওয়ানবাগ এলাকার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বাধ্য হয়ে এখানেই ময়লা ফেলছেন।
বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। অনেকেই নাক চেপে বা কাপড় মুখে দিয়ে চলাচল করছেন।
স্থানীয় এক ভুক্তভোগী বাসিন্দা জানান, এখানে কোনো জাম্পিং জোন না থাকায় সিসিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বাধ্য হয়ে খোলা জায়গায় ময়লা ফেলছে।
পথচারীদের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হচ্ছে না। তারা অনতিবিলম্বে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি চান।
পথচারীদের জোর দাবি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে যেন দ্রুত ময়লা ফেলার জন্য একটি নির্দিষ্ট ওয়ালসহ আধুনিক ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করা হয়।
পরিবেশবিদদের মতে, খোলা জায়গায় এভাবে বর্জ্য ফেলে রাখলে তা শুধু বায়ু দূষণই করে না, বরং বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
স্মার্ট নগরী গড়ার অংশ হিসেবে ঘনবসতিপূর্ণ এই ওয়ার্ডটিতে দ্রুত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন জরুরি।
এলাকাবাসী আশা করছেন, জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সংশ্লিষ্টরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
» প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফর; বিমানবন্দরে জেলা ও মহানগর যুবদলের বর্ণাঢ্য প্রস্তুতি
Published: ১৬. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল বুধবার (১৭ জুন) সিলেট সফরে আসছেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
তাঁকে স্বাগত জানাতে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনার আয়োজন করেছে সংগঠনটি।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার (১৭ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রী সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন।
সেখান থেকে সড়কপথে মৌলভীবাজার অভিমুখে যাত্রা করে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এবং সদর উপজেলার মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সরকারি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নিতে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদল বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
আয়োজকদের তথ্যমতে, বুধবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় বিমানবন্দর সংলগ্ন গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল এন্ড রিসোর্ট-এর সম্মুখভাগে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে সংবর্ধনা কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে আহ্বান জানিয়েছেন, সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি এডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন, মহানগর যুবদলের সভাপতি শাহ নেওয়াজ বক্ত চৌধুরী তারেক, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ এবং মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা মো. সম্রাট হোসেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরকে স্বাগত জানাতে আমরা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করছি। এই সফরকে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর করতে আমরা বদ্ধপরিকর।
বিবৃতিতে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং অধীনস্থ উপজেলা, পৌর ও মহানগরের সকল ওয়ার্ড ইউনিটের নেতৃবৃন্দ ও সমর্থকদের নির্ধারিত সময়ের আগেই উল্লেখিত স্থানে উপস্থিত থেকে কর্মসূচিকে সফল করার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।
» সাবেক এমপি ফরিদ চৌধুরী স্মরণে শাহজালাল জামেয়া এতিমখানার দোয়া মাহফিল
Published: ১৬. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার
ফরিদ চৌধুরীর জীবন ও কর্ম ইসলামী আন্দোলনের কর্মী ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেরণার উৎস্য
নিউজ ডেস্কঃ
শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা ইয়াতিমখানার সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য (এমপি) অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদউদ্দিন চৌধুরী স্মরণে এক দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে নাজিরেরগাও এলাকায় শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা ইয়াতিমখানা মসজিদে উক্ত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া এতিমখানার সাবেক সুপার ও সিলেট আইডিয়াল মাদ্রাসার ভাইস চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা আনওয়ার হোসাইন খান।
শাহজালাল জামিয়া ইসলামিয়া এতিমখানার সুপার মাওলানা আ.স.ম আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সহ-সুপার মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শাহজালাল জামিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা পাঠানটুলার অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আব্দুন নূর।
মাহফিলে ইয়াতিমখানার শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে মরহুম মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাফিজ মাওলানা আনওয়ার হোসাইন খান বলেন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের এক কিংবদন্তি সিপাহশালার ও আলেমে দ্বীন।
তিনি আমৃত্যু কুরআন ও ইসলামী আন্দোলনের খেদমতে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন।
কর্মের মাধ্যমে তিনি সকল মত-পথের আলেম-উলামাদের কাছে ছিলেন শ্রদ্ধাভাজন।
একজন সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি এলাকাবাসীর কাছে চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে।
অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর জীবন ও কর্ম ইসলামী আন্দোলনের কর্মী ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেরণার উৎসহ হয়ে থাকবে।

