শিরোনামঃ-

» সিলেট নগরীতে কুকুরের টিকাদান কার্যক্রম শুরু

Published: ১২. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

আমরা জলাতঙ্কমুক্ত নগর গড়তে চাই : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট নগরীতে জলাতঙ্কের ঝুঁকি কমাতে কুকুরের গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)।

নগরীর ৪২টি ওয়ার্ডে ১৫ দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে প্রতিটি কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হবে। টিকা দেওয়া কুকুরগুলোকে বিশেষ রং দিয়ে চিহ্নিত করা হবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে নগরীর মির্জাজাঙ্গালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে জলাতঙ্ক রোগ নির্মূল কর্মসূচির আওতায় ‘Mass Dog Vaccination Campaign’-এর উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট নগরীকে সুন্দর ও নিরাপদ করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো কুকুরের টিকাদান। প্রাণী নিধন করা যাবে না।

তাই কুকুরকে টিকা দেওয়ার মাধ্যমে নগরবাসীকে জলাতঙ্কের ঝুঁকি থেকে নিরাপদ রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কুকুরের উপদ্রব রয়েছে। বিশেষ করে যেখানে উচ্ছিষ্ট ও পরিত্যক্ত খাবার পড়ে থাকে, সেসব এলাকায় কুকুরের বিচরণ বেশি।

সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য অপসারণের আগের সময়েও কুকুরগুলো খাবারের সন্ধানে এসব স্থানে জড়ো হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকাতেও কুকুরের উপদ্রবের কথা জানানো হয়েছে।

এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নগরবাসীর নিরাপত্তার জন্য এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, কুকুরের টিকাদান করা হলে কুকুরের কামড়ের মাধ্যমে জলাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমবে।

তবে কেউ কুকুরের কামড়ের শিকার হলে কোনোভাবেই বিষয়টি অবহেলা করা যাবে না। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জলাতঙ্কের টিকা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, আগে কুকুরের উপদ্রব বেড়ে গেলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো কুকুর নিধনের উদ্যোগ নিত। বর্তমানে প্রাণী নিধনের সুযোগ নেই।

তাই টিকাদানের মাধ্যমে কুকুর থেকে মানুষের জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানোই কার্যকর পথ।

সিসিক নাগরিকদের কল্যাণে কাজ করে। তাই প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগকে সহযোগিতা করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সিটি কর্পোরেশন অর্থসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে।

নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, কোনো এলাকায় কুকুরের উপদ্রব বেশি হলে সিটি কর্পোরেশনকে জানাতে হবে।

সিসিকের হটলাইন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে তথ্য দেওয়া যাবে। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় কর্মসূচিটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন এলাকা ও প্রতিষ্ঠান থেকে কুকুরের উপদ্রব নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর সিটি কর্পোরেশন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ সমন্বিতভাবে এ কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।

সিসিকের অর্থায়নে ১৫ দিনব্যাপী নগরীর ৪২টি ওয়ার্ডে টিকাদান কার্যক্রম চলবে। প্রতিটি কুকুরকে টিকা দেওয়ার পর বিশেষ রং দিয়ে চিহ্নিত করা হবে।

এতে টিকা দেওয়া ও না দেওয়া কুকুর সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জোনায়েদ কবীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, ম্যাস ডগ ভ্যাকসিনেশন এক্সপার্ট ডা. হাবিবুর রহমান, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ভেটেরিনারি সার্ভিসের টিম কো-অর্ডিনেটর ডা. মো. কামরুল ইসলাম ও হাসান সাইয়েদুল মুরসালিন।

উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধি ডা. আবু সালমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাহিদ আরজুমান বানু, ডা. আব্দুস শহিদ হোসেন, ডা. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ও ডা. শারমিন আক্তার।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় এ কর্মসূচিতে কারিগরি সহায়তা ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে।

১৫ দিনব্যাপী কর্মসূচিতে নগরীর ৪২টি ওয়ার্ডের প্রতিটি কুকুরকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করা হবে এবং টিকাপ্রাপ্ত কুকুরগুলোকে রং দিয়ে চিহ্নিত করা হবে।

» সিলেটে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু মঙ্গলবার থেকে

Published: ১২. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

প্রত্যেক পরিবারের নারীর হাতে তুলে দেওয়া হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ : সিসিক প্রশাসক

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট নগরীতে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থেকে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে নগরীর ১, ২ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় ১ নম্বর ওয়ার্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

এ উপলক্ষে সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে নগর ভবনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম বিষয়।

এ প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে প্রত্যেক নারীর হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের ১, ২ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন।

ধারাবাহিকভাবে ৪২টি ওয়ার্ডের সব পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে নিরপেক্ষভাবে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রশিক্ষণ শেষে তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রত্যেককে ট্যাব দেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য সংগ্রহ করা যায়।

নগরবাসীর প্রতি তথ্য সংগ্রহকারীদের সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্ভুল তথ্যের ওপরই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।

এ কর্মসূচি সফল করতে সমাজসেবা বিভাগের কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন।

পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে জোনাল অফিসাররাও কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকবেন।

মতবিনিময় সভায় সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, সিলেট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুর রফিক, শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহিনূর আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

» লাউয়াই ও তপোবন আবাসিক এলাকায় সিসিক প্রশাসকের পরিদর্শন

Published: ১২. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার লাউয়াই, সুরমা আবাসিক এলাকা এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তপোবন আবাসিক এলাকা পরিদর্শন করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ও সন্ধ্যায় এসব এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি সড়ক ও ড্রেনের সংস্কারকাজ ঘুরে দেখেন এবং কাজের মান তদারকি করেন।

এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের সঠিক মান বজায় রেখে যথাযথভাবে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন, সিসিক প্রশাসক।

তিনি এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

এ সময় প্রফেসর ড. জহির বিন আলম, সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারী, সহকারী প্রকৌশলী লিপু সিংহ ও কামরুজ্জামান কামরুল, তপোবন হাউজিং সোসাইটির সভাপতি মুহিত চৌধুরী, ব্যবসায়ী মো. মাহমুদুল হোসেন সেজু, মোফাজ্জল খান, মকবুল হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার মাসুম আহমেদ, আ ন ম ওহিদ কনা মিয়া, সাংবাদিক আবু জাবের, মাইদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

» জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হতে হবে : শেখ মো. নজরুল ইসলাম

Published: ১২. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্কঃ
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেটের কলেজ পরিদর্শক শেখ মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পড়াশোনা ও জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

একই সঙ্গে তাদের বিশ্বনাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও যুগোপযোগী জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।

কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হকের সভাপতিত্বে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী।

গেস্ট অব অনার প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক শৃঙ্খলা ও শিক্ষার পরিবেশের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা ও নিয়মিত পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

তিনি উচ্চমাধ্যমিক স্তরকে শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণে এখন থেকেই সময়ের যথাযথ ব্যবহার, নিয়মিত অধ্যয়ন ও কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সংযমী ও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এসবের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

পাশাপাশি তিনি একাডেমিক সাফল্য অর্জনে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, পাঠ পুনরালোচনা, হোম স্টাডি, সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, স্কলার্সহোম শাহী ঈদগাহ ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীর আহমেদ কাদেরী (অব.), স্কলার্সহোম পাঠানটুলা ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুল আজিজ মিয়া, স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের প্রাথমিক শাখার উপাধ্যক্ষ নাহিদা খান এবং স্কলার্সহোম প্রিপারেটরি সেকশন, পাঠানটুলার উপাধ্যক্ষ জেবুন্নেসা জীবন।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেন, কলেজ শাখার একাডেমিক ইনচার্জ প্রভাষক কাজী শাখাওয়াত হোসেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নবীনবরণ আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক প্রভাষক হাসান শাহরিয়ার মজুমদার। আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন, প্রভাষক তোফায়েল আহমেদ শিহাব ও প্রভাষক সজিবুর রহমান।

দ্বিতীয় পর্বে নবীন ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গান ও নৃত্যের পরিবেশনায় একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সাংস্কৃতিক পর্ব সঞ্চালনা করেন প্রভাষক তোফায়েল আহমেদ শিহাব ও প্রভাষক পারমিতা রায়।

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল ও শুভেচ্ছা কার্ড দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

» তারাপুর চা বাগানে হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

Published: ১২. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটে চা-শ্রমিকদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে এক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর পাঠানটুলার তারাপুর চা বাগানের স্কুলসংলগ্ন মাঠে এ সভার আয়োজন করা হয়।

ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটি ও হাফিজ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় হাম ও ডেঙ্গুর সংক্রমণ, প্রতিরোধের উপায় এবং ব্যক্তিগত ও পারিবারিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটি ও হাফিজ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. ছালিম আহমদ খান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম বখত জেম, জনপ্রিয় অভিনেতা বেলাল আহমেদ মুরাদ, তারাপুর চা বাগানের কো-অর্ডিনেটর রিংকু চক্রবর্তী, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের রিপোর্টার রানা মজুমদার বাপ্পি, আরাফাত রহমান চৌধুরী, মাহমুদুল হাসান নাঈম, হাম্মাদ সরকার, আহসানুল হক রাতুল, আহমদ মারজান, অল্পিনা আক্তারসহ সংগঠন দুটির অন্যান্য সদস্য।

আলোচনায় হাম ও ডেঙ্গু সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

পাশাপাশি কোথাও যেন পানি জমে মশার বংশবিস্তার না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

আয়োজকেরা জানান, চা-শ্রমিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দেওয়াই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

আলোচনা সভা শেষে কয়েকটি চা-শ্রমিক পরিবারের মধ্যে হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ চা-শ্রমিক পরিবারগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

» পরিকল্পিতভাবে আধুনিক সিলেট নগরী গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর : ইমদাদ হোসেন চৌধুরী

Published: ১২. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

৩৪নং ওয়ার্ডের বাহুবলে উন্নয়নকাজ পরিদর্শন

 নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদৃঢ় ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশে পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব ও দৃশ্যমান উন্নয়ন করছে বিএনপি সরকার। আমাদের নেতা তারেক রহমানের দর্শন ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’-এর আলোকে এবং বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের দিকনির্দেশনায় পরিকল্পিতভাবে আধুনিক সিলেট নগরী করতে আমরা বদ্ধপরিকর।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সিলেট নগরীর ৩৪নং ওয়ার্ডের বাহুবল এলাকায় নির্মাণাধীন ড্রেন, কালভার্ট ও রাস্তার উন্নয়নকাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের সাথে কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করার তাগিদ দেন।
সভায় ইমদাদ হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, সিলেট নগরীর প্রতিটি নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট লাঘবে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে।
সিলেট নগরী হবে উন্নয়নের রোল মডেল। জলাবদ্ধতা নিরসন এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই ৩৪নং ওয়ার্ডের বাহুবল এলাকায় যে ব্যাপক উন্নয়নযজ্ঞ চলছে, তার গুণগত মানে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
আমরা প্রতিটি কাজের শতভাগ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে চাই। এ কাজে সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত থাকতে হবে।
উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাহপরাণ থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মুমিন, ৩৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছালেক আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ আলী মাছুম, ৩৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম আহমদ, মীর মুক্তার আলী শুভ, মীর কয়েছ আহমেদ, কাওসার আহমদ, ফজলু মিয়াসহ বাহুবল এলাকার সর্বস্তরের মুরুব্বিয়ান ও যুবসমাজের নেতৃবৃন্দ।

» সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের উন্নয়নে ফ্যাসিস্ট আমলে কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি : সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী

Published: ১২. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)-এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সিলেটের শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখবে।

কিন্তু ফ্যাসিস্ট আমলে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

বাণিজ্য, শিল্প-বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপির নেতৃত্বে আমরা সকলে মিলে সমগ্র সিলেটের শিক্ষার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।

তিনি যখন দায়িত্বে নিয়েছেন, কলেজের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে সিউক হলরুমে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষকবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি ও সার্বিক পরিস্থিতি সিউক চেয়ারম্যানের নিকট তুলে ধরেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করায় সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন কলেজের শিক্ষকবৃন্দ।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. সাহিদ ইকবাল, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মো. আবু নাসের মজুমদার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (সিই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সিব্বির আহমেদ, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সালাউদ্দিন আহমেদ এবং নন-টেকনিক্যাল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. খলিলুর রহমান।

» দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক

Published: ১২. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল সিলেট জেলা শাখার পরিচিতি সভা

 নিউজ ডেস্কঃ
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ক্ষুদ্র ও ঋণবিষয়ক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরই দেশ স্বাধীন করার লক্ষ্যে দেশের সাধারণ মানুষ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা এবং একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

তিনি জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল সিলেট জেলা শাখার কমিটিকে সুসংগঠিত করে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।

সোমবার (১২ অক্টোবর) নগরীর কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের শহীদ সোলেমান হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল সিলেট জেলার সভাপতি মো. মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শিহাব উদ্দিন আহমেদ শিহাবের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন ভূঁইয়া মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী, এডভোকেট বদিউল আলম লিটন, রোটারিয়ান এম এ রহিম, মো. আব্দুুল হাকিম, দেওয়ান তারাফাত চৌধুরী জাকি, হারুন অর রশিদ সরকার, হাজী কাউসার রশিদ, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হান বকস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তছির আলী, মনজুর হোসেন মজনু, সহ-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বাবু, প্রচার সম্পাদক নাজমুল হক মিলাদ, কার্যনির্বাহী সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মাসুদ বখত চৌধুরী প্রমুখ।

» তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

Published: ১১. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

উপযুক্ত পরিবারগুলো যেন ফ্যামিলি কার্ড পায়

নিউজ ডেস্কঃ

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধা যাতে প্রকৃত উপযুক্ত পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে নির্ভুলতা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা দল-মত বিবেচনা না করে যোগ্য পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ে ভুলভ্রান্তি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে, যাতে সরকারি অর্থে পরিচালিত এ কর্মসূচির সুফল প্রকৃত উপযুক্ত ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছায়।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর শেখঘাটে সমাজসেবা কমপ্লেক্সে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শহর সমাজসেবা কার্যালয় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়েছিল।

জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ইতোমধ্যে এ কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সিলেটে কিছুটা দেরিতে কার্যক্রম শুরু হলেও তা সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের উদ্দেশে সিসিক প্রশাসক বলেন, উপযুক্ত ব্যক্তি ও পরিবারকে চিহ্নিত করে তাঁদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

এ জন্য মাঠপর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে তথ্যের নির্ভুলতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

তাই তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা প্রণয়নের প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

তিনি বলেন, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাররা এ দায়িত্ব পেয়েছেন।

কয়েকশ প্রার্থীর মধ্য থেকে বাছাই হয়ে আসা এসব কর্মীকে মাঠপর্যায়ের কাজে নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।

নারীর ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে নারীদের বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নারীরা পরিবার ও সমাজে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুর রফিক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহিনুর আলম।

সমাজসেবা কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

» মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে পরিচালনার আশ্বাস

Published: ১১. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

বাণিজ্যমন্ত্রী ও সিসিক প্রশাসককে ধন্যবাদ জানালেন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের পরিবর্তে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়ায় বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে নগর ভবনে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. শহীদ ইকবালের নেতৃত্বে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এ সময় সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

প্রশাসনিক কার্যক্রম মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়ায় তারা বাণিজ্যমন্ত্রী ও সিসিক প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

সাক্ষাৎকালে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, অবকাঠামোগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে সিসিকের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

তাঁর স্বপ্ন ছিল কলেজটিকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা। কিন্তু অকালমৃত্যুর কারণে তিনি সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও এ বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক।

তিনি বলেন, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের পরিবর্তে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পাশাপাশি কলেজটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কলেজের মাঠ সংস্কারসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নেও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

এ সময় কলেজের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মো. আবু নাসের মজুমদার, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মো. সালাহ উদ্দিন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান শিব্বির আহমদ, খলিলুর রহমান, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহাদ ফয়সল ও নাঈমুর রহমান অভি, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মাজহারুল ইসলাম খান, তানভীর মাহমুদ ও মাসুদুর রহমান, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ বিন হাসান এবং কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

» মিরাপাড়া পূর্বটিলা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক

Published: ১১. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

নতুন ১৫ ওয়ার্ডের উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড সংখ্যা ২৭টি থেকে ৪২টিতে উন্নীত হয়েছে।

নতুন ওয়ার্ডগুলো থেকে এখনো সিটি কর্পোরেশন কোনো ট্যাক্স পায় না। তারপরও এসব এলাকার উন্নয়নে সিসিকের সদিচ্ছার কোনো ঘাটতি নেই।

ইউনিয়ন থেকে নগরে অন্তর্ভুক্ত হওয়া এসব এলাকা দীর্ঘদিন উন্নয়নবঞ্চিত ছিল। তাই নগরের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরও যদি এসব এলাকায় উন্নয়ন না হয়, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের মিরাপাড়া পূর্বটিলা এলাকায় সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, নতুন ওয়ার্ডগুলোর মানুষ যাতে নগরের প্রকৃত সুযোগ-সুবিধা ও শহরের আমেজ পান, সে লক্ষ্যেই সিসিক কাজ করছে। এ জন্য নতুন ১৫টি ওয়ার্ডে তুলনামূলকভাবে বেশি উন্নয়নকাজ করা হচ্ছে।

এসব এলাকায় বড় বড় সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থারও উন্নয়ন করা হবে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, বিটুমিনের সড়ক তুলনামূলকভাবে দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। তাই টেকসই উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে নতুন সড়ক নির্মাণে আরসিসি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এর ফলে সড়কগুলো দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং অন্তত ৫০ বছর টেকসই হওয়ার উপযোগী করে নির্মাণ করা সম্ভব হবে।

মিরাপাড়া পূর্বটিলা এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ এলাকার সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন করা হবে।

তবে সড়ক ও ড্রেন প্রশস্ত করার জন্য জনস্বার্থে এলাকাবাসীকে কিছু ভূমি ছেড়ে দিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে সবাইকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি মসজিদেরও উন্নয়ন করা হবে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, তিনি বারবার এ এলাকায় আসবেন এবং এলাকার মানুষের ভালো-মন্দের সঙ্গে থাকতে চান। নগরবাসীর কল্যাণে সিটি কর্পোরেশন সবসময় মানুষের পাশে থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৩২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জিয়াউর রহমান সুমন, মিরাপাড়া কেন্দ্রীয় মসজিদের মোতওয়াল্লি আব্দুল খালিক বাবর, সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ, লোকমান আহমদ, আব্দুল আহাদ, তারেক আহমদ, আব্দুল মতিন, জুনা মিয়া, সুহেল আহমদ, নজরুল ইসলাম, আদেল আহমদ, শিপু আহমদ প্রমুখ।

» ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আফসর খান পক্ষে থেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ অর্থ অনুদান

Published: ১১. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশন ৮ নং ওয়ার্ডের হাওলাদার পাড়ায় বৈদ্যুতিক সট সার্কিট থেকে ৪টি দোকান ও ২টি বসতঘর অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও সিলেট মহানগর বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয় সম্পাদক ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিল পদপ্রার্থী আফসর খান অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ প্রদান করেন, উক্ত অর্থ প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে তাদের সান্ত্বনা জানান।

এসময় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে কাউন্সিল পদপ্রার্থী আফসর খান পক্ষ থেকে নগদ অর্থ আর্থিক সহায়তা এমদাদ হোসেন চৌধুরী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে তুলে দেন। তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের এক মাসের বাজার পরিশোধ করেন তিনি।

অনুদান প্রদান কালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা আজমল হোসেন ও সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি এষ,সিলেট মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুব্রত দে, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সবুর আহমদ, কোতোয়ালি থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আমজাদ হোসেন, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল আহমদ, ব্রাহ্মণ শাসন শিব মন্দির এর সাধারণ সম্পাদক মুন্না দত্ত, জালালাবাদ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সুফিয়ান আহমেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হেলাল আহমদ, জালালাবাদ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য বিশ্বজিৎ, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা আজাদ মিয়া, লিপন আহমদ, শংকর,আছকর আলী সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031