» গোয়াইনঘাটে রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ফ্লাড ও ফায়ার সেফটি মহড়া

Published: ০৭. জুন. ২০২৬ | রবিবার

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সিলেট ইউনিটের আওতাধীন গোয়াইনঘাট উপজেলায় পরিচালিত বাংলাদেশ এনহ্যান্সড কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে বিশেষ ফ্লাড ও ফায়ার সেফটি মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের বঙ্গবীর এমএজি ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয়ে এই সচেতনতামূলক মহড়ার আয়োজন করা হয়।

মহড়ার পূর্বে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট ইউনিটের সেক্রেটারি মাহবুবুল হক চৌধুরী ভিপি-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গোয়াইনঘাট উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে মাহবুবুল হক চৌধুরী ভিপি বলেন, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ এবং সিলেট অঞ্চল বন্যা ও ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে।

দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে এ ধরনের বাস্তবমুখী ও ব্যবহারিক মহড়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

উপস্থিত ছিলেন ছিলেন, রুস্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাহাবুদ্দিন সিহাব, সিলেট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক কুতুবউদ্দিন, ডিআরসি এর টেকনিক্যাল কোঅর্ডিনেটর এসএমএম জুবায়ের আলম, বঙ্গবীর এমএজি ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, রেড ক্রিসেন্ট সিলেট ইউনিটের সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, জাতীয় সদর দপ্তরের প্রোগ্রাম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মনজুরুল ইসলাম, প্রোগ্রাম অফিসার নাজমুল হক, ফিন্যান্স অফিসার মোহাম্মদ হোসেন, সিলেট ইউনিটের যুব প্রধান চৌধুরী লাবিব ইয়াসির এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একঝাঁক উদ্যমী যুব স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ।

ফায়ার সার্ভিসের দক্ষ কর্মীদের পরিচালনায় ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীরা অগ্নিনির্বাপণ ও বন্যার সময় উদ্ধার অভিযানের বিভিন্ন কৌশল রপ্ত করে।

অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও রেড ক্রিসেন্টের জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

দুর্যোগকালীন সময়ে বন্যা (ফ্লাড) ও অগ্নিকাণ্ড (ফায়ার সেফটি) মোকাবিলায় বাস্তবমুখী মহড়ার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনগণকে সচেতন করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে জীবন রক্ষার্থে করণীয় সম্পর্কে ব্যবহারিক ধারণা প্রদান করাই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

» সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য স্মার্ট কার্ড বিতরণ

Published: ০৭. জুন. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে সমিতিভুক্ত এলাকার ব্যবসায়ীদের মাঝে ‘সদস্য স্মার্ট কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে নগরীর কালীঘাটস্থ সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।

ব্যবসায়ীদের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় নিশ্চিতকরণ এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় আনার লক্ষ্যে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সংগঠনটি।

সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম মুনিম এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাহিদ উদ্দিন।

সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-মামুন সামন এর পরিচালনায় ও সচিব মনোজ কুমার দাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সমিতির সাবেক সভাপতি ও কার্যকরী কমিটির সদস্য মো: জিয়াউল হক।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সমিতির সহ-সভাপতি হাজী মো: বাবুল মিয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাজী খুবেব হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মো. আমিনুর রহমান ইমন, কার্যকরী কমিটির সদস্য মো. আখতারুজ্জামান দৌলা, সুজন চন্দ্র দাস সুমন দাস, মো. আব্দুল ওয়াহিদ জাবেদ, হাজী মো. আব্দুল গফ্ফার মিন্টু, জেবুল আহমদ, দিলোওয়ার হোসেন রাশেদ, মো. রেজা চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান জনি, হাজী তফাজ্জুল হোসেন খাঁন, প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম মুনিম বলেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ব্যবসায়ীদের আধুনিক স্মার্ট কার্ড প্রদান একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।

এই কার্ডের মাধ্যমে সমিতির সদস্যভুক্ত ব্যবসায়ীদের ডাটাবেজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষিত থাকবে, যা ভবিষ্যতে ব্যবসায়িক সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরো বলেন, পর্যায়ক্রমে সমিতিভুক্ত এলাকার সকল নিবন্ধিত ও ব্যবসায়ী সদস্যদের মাঝে এই ডিজিটাল স্মার্ট কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আসবে।

উক্ত সদস্য স্মার্ট কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ফোরামের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সদস্যদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিজিটাল স্মার্ট কার্ড তুলে দেওয়া হয়।

» সিলেটে ক্লাসিক পেইন্টসের নতুন শোরুমের শুভ উদ্বোধন

Published: ০৭. জুন. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের নগরীর ৫নং ওয়ার্ডের আম্বরখানায় উদ্বোধন হলো রঙ প্রস্তুতকারক ব্র্যান্ড ক্লাসিক পেইন্টসের নতুন শোরুম।

রোববার (৭ জুন) বিকেলে বড়বাজার পয়েন্টস্থ ২/৩নং যুগভেরী কমপ্লেক্সে এই শোরুমের উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ।

নতুন শোরুমের যাত্রা উপলক্ষ্যে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

পরে ফিতা কেটে শোরুমের উদ্বোধন করেন, প্রধান অতিথি ক্লাসিক পেইন্টসের এ জি এম (রিটেইল সেলস্)  কর্ণধান বড়ুয়া।

মোনাজাত পরিচালনা করেন, মাওলানা আরিফ হাসান।

শোরুমটির পরিবেশক হিসেবে রয়েছে ‘এম এস খাঁন ট্রেডার্স’, যার  পরিচালক এম সফর আলী খাঁন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন, সিলেট জেলা শাখার সদস্য মো. ইউসুফ জামিল।

প্রধান অতিথি কর্ণধান বড়ুয়া বলেন, সিলেট অঞ্চলের মানুষের নান্দনিক রুচিবোধ সবসময়ই প্রশংসনীয়।

আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে, স্থাপত্যকলা ও ঘর সাজানোর এই ঐতিহ্যে এখন থেকে ক্লাসিক পেইন্টস সরাসরি যুক্ত হতে পারছে।

আমাদের মূল লক্ষ্য হলো উন্নত প্রযুক্তির টেকসই রঙ ও সঠিক সেবা দিয়ে গ্রাহকদের স্বপ্নপূরণে অংশীদার হওয়া।

আমরা আশা করি, ‘এম এস খাঁন ট্রেডার্স’-এর মাধ্যমে ক্লাসিক পেইন্টস সিলেটের প্রতিটি ঘরে ঘরে তার আস্থার রঙ ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দ রাশেদ আহমদ সোহাগ, রুহান আহমদ, জামিল আহমদ, খালেদ আহমদ, মো. জহির আহমদ, রনি আহমদ, ফেরদৌস আহমদ।

এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় ব্যবসায়ী, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

» ছাতক-কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে স্বপ্নের অগ্রযাত্রা সেতুর উদ্বোধন

Published: ০৭. জুন. ২০২৬ | রবিবার

ছাতক প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ছাতক ও সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী গাংপাড় নয়াকুট গ্রামে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতে তরুন সমাজ সেবক ও উদ্যোক্তা কামরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে  মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে নিজেদের অর্থ ও শ্রমে তারা নির্মাণ করছেন লোহার পাইপ ও কাঠের সমন্বয়ে একটি নতুন সেতু স্বপ্নের অগ্রযাত্রা।

সোনাই নদীর ওপর নির্মাণাধীন এ সেতুটি শুধু দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াত সহজ করবে না, বরং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটাবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী। এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে শিক্ষা   প্রশারে আরেকটি মানবিক গল্প।

স্থানীয়রা জানান, নদী পার হয়ে প্রতিদিন কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষকে বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসাকেন্দ্র ও কর্মস্থলে যাতায়াত করতে হয়।

কিন্তু স্থায়ী কোন সেতু না থাকায় বছরের পর বছর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাদের। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নদী পারাপার হয়ে ওঠে ঝুঁকিপূর্ণ।

কয়েক বছর আগে নির্মিত একটি অস্থায়ী সেতু ভেঙে গেলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এতে স্কুল- কলেজগামী শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীদের সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস মিললেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

এ অবস্থায় কামরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে গ্রামের সচেতন যুবক ও প্রবাসীদের সহযোগিতায় একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরে ঐ কমিটির কাছে নদীর দুপারের ১৯ জন ব্যক্তি ১৯ লক্ষ টাকা কমিটির কাছে  আর্থিক সহায়তা হিসেবে হস্তান্তর করেন।

এরপরই লোহার পাইপ সংগ্রহ করে শুরু হয় সেতু নির্মাণের কাজ। বর্তমানে কাঠ বসানোর কাজ শেষ হয়েছে  যাহার আজ উদ্বোধন হয়েছে।

গ্রামের বাসিন্দা  সেতুর উদ্যোক্তা ও সম্ভাব্য ১নং ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী  কামরুল ইসলাম বলেন, “এটি শুধু একটি সেতু নয়, দুই উপজেলার মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।

আমরা  দ্রুত কাজ শেষ করেছি, যাতে সাধারণ মানুষের কষ্ট কমে।” এছাড়াও এই সেতুটির নির্মান শেষ করে আজ আমরা উদ্বোধন করেছি।

স্থানীয় মুরব্বিরা এই অগ্রযাত্রা সেতুটি রবিবার (৭ জুন) বিকাল ৩টায় উদ্বোধন করেন মোনাজাতের মাধ্যমে।

এই সেতুর লিজ থেকে যে অর্থ পাওয়া যাবে সেই অর্থের টাকা নোয়াকুট বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুদান দেওয়া হবে, স্কুলটি পরিচালনার জন্য।

আরেক বাসিন্দা মনিরুজ্জামান সান্টুল জানান, সেতুটি নির্মাণ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত সহজ হবে, কৃষিপণ্য পরিবহনেও সুবিধা হবে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

মানবিক এ উদ্যোগ ইতোমধ্যে এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে এলে দ্রুত একটি টেকসই ও নিরাপদ সেতু নির্মাণ সম্ভব হবে।

যাদের মহতি উদ্যোগ ও অর্থায়নে এই স্টিলের ব্রিজ নিমিত হয়েছে তারা হলেন, হাজী সোনা মিয়া, হাজী মানিক মিয়া,

তাজুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, সিরাজ উদ্দীন খান, কামরুজ্জামান, মনির খান, আব্দুল মছব্বির, শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খান (মাস্টার), আব্দুল মনাফ (মাস্টার), আজাদ মিয়া (মাস্টার), নজরুল ইসলাম (ব্যবসায়ি),  আল আমিন খান, সফিক খান, মো. কামরুল ইসলাম, ডা. জহিরুল ইসলাম বিল্লাল, রিয়াজ উদ্দীন খান, আফাজ উদ্দীন, হাসান আহমদ মঙ্গল ও শিব্বির আহমদ।

উদ্বোধনী অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় মুরব্বী ও সালিশ ব্যক্তিত্ব  মাওলানা শিব্বির রআহমদ, জিয়াদ আলী চেয়ারম্যান, তাজ উদ্দিন আহমদ (সাবেক মেম্বার), আব্দুল জব্বার খোকন, মানিক মিয়া, নতুন জালিয়ার পাড়ের আসাদ মিয়া, ইয়াছিন আলী, আলতাব মিয়া, আব্দুন নূর ও নুরুজ্জামান জামাল প্রমূখ।

» আধুনিক হচ্ছে সিলেটের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন

Published: ০৭. জুন. ২০২৬ | রবিবার

গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইনের প্রশ্নের জবাবে মিললো সুখবর

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বিদ্যুৎ খাতে পুরো সিলেটের জন্য সুসংবাদ বয়ে আনলেন গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের এমপি অ্যাড. এমরান আহমদ চৌধুরী। গতকাল রবিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (প্রথম বাজেট) অধিবেশনের প্রশ্ন-উত্তর পর্বে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু)-এর দেওয়া এক জবাবে মিলে এ সুখবর।

সিলেট-৬ আসনের এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী গতকাল বিকালে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে বিদ্যুতমন্ত্রীর প্রতি প্রশ্ন রেখে জানতে চান- ‘আমার নির্বাচনী এলাকা সিলেট-৬ (২৩৪) গোলাপগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জের প্রধান বাজারগুলোতে অগ্নিকাণ্ড রোধে ভূগর্ভস্থ (Underground) বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের কোনো পাইলট প্রকল্প সরকার গ্রহণ করবে কিনা?

জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান- ‘পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতাধীন সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অন্তর্ভুক্ত গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে ওভারহেড লাইন নির্মাণের তুলনায় ভূগর্ভস্থ লাইন নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১৫ গুণ বেশি। তাই বর্তমানে সরাসরি ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা নেই।

তবে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বাপবিবো)  আওতায় অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধন (সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ)-শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারসহ সকল উপজেলায় প্রযোজ্যতা অনুযায়ী বিদ্যমান বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’

এ জবাব থেকে জানা যায়- প্রযোজ্যতা অনুযায়ী সিলেট বিভাগের উপজেলাগুলোতে বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।

এদিকে, বিদ্যুৎ খাত ছাড়াও সিলেটে গ্যাসের সংকট বিষয়ে সংসদে প্রশ্ন উত্থাপন করেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী।

বিশেষ করে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের গ্যাস স্টেশনগুলোর সংকট নিয়ে জানতে চান তিনি।

মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু)-এর কাছে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী জানতে চান- গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার গ্যাসসমৃদ্ধ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও এই দুই উপজেলার সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস সংকট প্রকট। এটি দূর করতে সুনির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা?

জবাবে মন্ত্রী বলেন- গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ক্রমবর্ধমান ঘাটতির কারণে স্বল্প জ্বালানি থাকার ফলে ২০১৫ সাল থেকে নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ রয়েছে।

একই কারণে সিএনজি স্টেশনগুলোতে মাসিক অনুমোদিত লোডের ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

দেশীয় গ্যাসের ক্রমহ্রাসমান উৎপাদন ও উচ্চমূল্যে আমদানিকৃত এলএনজি মিলিয়ে দেশের সামগ্রিক চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে।

গ্যাস সরবরাহের বর্তমান ঘাটতি পূরণের পর সারাদেশে গ্যাসের ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারের সিএনজি স্টেশনগুলোর গ্যাস সংকটও দূর হবে।

» যুব জমিয়তের ঈদ পুনর্মিলনী ও সুহৃদ আলাপনে বক্তারা

Published: ০৭. জুন. ২০২৬ | রবিবার

ইসলামী আদর্শে যুবসমাজকে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে

নিউজ ডেস্কঃ
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও সিলেট মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী জমিয়তের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রেক্ষাপট, উপমহাদেশে মুসলমানদের অধিকার আদায়ে সংগঠনটির ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জমিয়তের অবদান তুলে ধরে বলেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সবসময় দেশ, জাতি ও মানবতার কল্যাণে কাজ করেছে এবং জাতীয় যেকোন সংকটে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে যুবসমাজ নানা ধরনের অপসংস্কৃতি, মাদকাসক্তি ও নৈতিক অবক্ষয়ের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

এসব সংকট মোকাবেলায় যুবকদের কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক আদর্শে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি যুব জমিয়তের নেতাকর্মীদের সমাজসেবা, মানবকল্যাণ, শিক্ষা বিস্তার এবং নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

রবিবার (৭ জুন) বিকেলে নগরীর ক্বিনব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত যুব জমিয়ত বাংলাদেশ কোতোয়ালী থানা শাখা সিলেটের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সুহৃদ আলাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী আরও বলেন, একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও আদর্শ রাষ্ট্র গঠনে যুবসমাজের বিকল্প নেই।

দেশপ্রেম, সততা ও ইসলামী মূল্যবোধে উজ্জীবিত যুবকরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তাই প্রত্যেক যুবককে ব্যক্তিগত চরিত্র গঠন, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং সংগঠনের আদর্শ বাস্তবায়নে আত্মনিয়োগ করতে হবে।

শাখা সভাপতি হাফিজ মাওলানা শাহিদ হাতিমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর জমিয়তের সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা সৈয়দ সালিম কাসিমী।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, যুব জমিয়ত সিলেট মহানগরীর সভাপতি মাওলানা আসাদ উদ্দিন, বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, যুব জমিয়তের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাসউদ আজহার, কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সিলেট মহানগর যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার, মহানগর যুব জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা আফতাব উদ্দিন খান।

কোতোয়ালি থানা যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মুফতি নোমান বিন আফসরের পরিচালনায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন হাফিজ ইলিয়াস আহমদ।

বক্তারা বলেন, দেশ গঠন, নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং সমাজ থেকে অনৈসলামিক কার্যকলাপ প্রতিরোধে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান সময়ে মাদকাসক্তি, হতাশা ও নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অনেক তরুণ বিপথগামী হচ্ছে।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণে যুবসমাজকে ইসলামী আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে।

তারা বলেন, যুব জমিয়ত বাংলাদেশ মাদকাসক্ত ও হতাশায় নিমজ্জিত যুবসমাজকে কল্যাণ, শান্তি ও উন্নয়নের পথে আহ্বান জানিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। একটি আদর্শ, নৈতিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুবসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা জমিয়তের প্রচার সম্পাদক মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, যুব জমিয়ত সিলেট মহানগরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক দিলদার হোসেন, কোতোয়ালী থানা সহ-সভাপতি মাওলানা জিয়া উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইমাম উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান তোফায়েল, মাওলানা শামসুল ইসলাম, হাফিজ রেজোয়ান আহমদ, হাফিজ ফখরুল ইসলাম সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিবর্গ।

পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

» মে মাসে সিলেটের সড়কে ৫১ জনের প্রাণহানী

Published: ০৬. জুন. ২০২৬ | শনিবার

নিসচার প্রতিবেদনঃ
চলতি বছরে সিলেট বিভাগে এক মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বোচ্ছ প্রানহানির ঘটনা ঘটেছে মে মাসে।

মে মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫১ জনের প্রানহানি হয়েছে। এরমধ্যে ২০ জনই মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী।

মে মাসে সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি প্রানহানি ঘটেছে সিলেট জেলায়।কম সংঘটিত হয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।

মে মাসে সিলেট বিভাগে ৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫১ জন নিহত ও ৬৫ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঈদ যাত্রায় ৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে মে মাসের সড়ক দুর্ঘটনায় এতো প্রানহানি প্রধান কারন হিসাবে, চালকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর প্রবনতা, নিয়ম না মেনে ওভারটেকিং করা, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, পথচারীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব ও সড়কে নির্মান ত্রুটিকে উল্লেখ করা হয়।

শনিবার (৬ জুন) নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে মে মাসে সিলেট বিভাগে ৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫১ জন নিহত ও ৬৫ জন আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

মে মাসে সিলেট জেলায় ১৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ৪০ জন আহত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ জেলায় ১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। মৌলভীবাজার জেলায় ৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত ও ২ জন আহত হয়েছেন ও হবিগঞ্জ জেলায় ৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন।

নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট জেলার আহবায়ক জহিরুল ইসলাম মিশু গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জানান, পাঁচটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকার তথ্য, দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার তথ্য, অনুমেয় অনুজ্জ বা অপ্রকাশিত ঘটনা ও নিসচা সিলেটের শাখা সংগঠনগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে নিসচা বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মে মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ১৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২০ জন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী, ৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১জন সিএনজি ও টমটম চালক ও আরোহী, ১৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮ জন চালক ও ৯টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৯ জন পথচারী নিহত হয়েছেন।

এছাড়া নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি উল্টে ৭টি দুর্ঘটনায় ৭ জন , মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪টি দুর্ঘটনায় ১০ জন, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে আঘাতে ৩টি দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত হয়েছেন।

এছাড়া মে মাসে নিহত ৫১ জনের মধ্যে ৩৯ জন পুরুষ, ৬ জন নারী ও ৬ জন শিশু রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, এপ্রিল মাসে সিলেট বিভাগে ১৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত ও ৫৮ জন আহত হয়েছেন।

» সিলেটে হলদে পাখি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Published: ০৬. জুন. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশন সিলেট জেলা ও সদর স্থানীয় এসোসিয়েশন ২০২৫-২০২৬ অর্থবছর বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে হলদে পাখি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) সকাল ১১টায় নগরীর কাজীটুলাস্থ গাইড হাউজ মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশন সিলেট জেলার জেলা কমিশনার রোকসানা বেগম-এর সভাপতিত্বে ও ওয়ারেন্ট গাইডার পূর্ণিমা রানী দাস এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশেদ।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশন সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার বাবলী পুরকায়স্থ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হলদে পাখি সংগঠনের মাধ্যমে ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের মাঝে নেতৃত্বসুলভ গুণাবলী, শৃঙ্খলাবোধ এবং মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে। প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কার্যক্রমের সফল সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি দক্ষ ও সুনাগরিক প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব।

বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ এসোসিয়েশন সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক সম্পাদক সাহানা জাফরীন রোজি, সদস্য সিদ্দিকা খাতুন, শারমিন সুলতানা, জেলা কোষাধ্যক্ষ শামীমা আক্তার নেভী, ট্রেইনার শিরীন গুলসান আরা সহ সিলেট জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাইড শিক্ষিকা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

» ডেঙ্গু প্রতিরোধে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সচেতনতামূলক র‌্যালি

Published: ০৬. জুন. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ও প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জনসচেতনতামূলক র‌্যালি করেছে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

শনিবার (৬ জুন) সকালে নগরীর মিরবক্সটুলাস্থ কলেজের সামন থেকে র‌্যালিটি বের করা হয়।

র‌্যালিতে ডেঙ্গু ছড়ানোর মাধ্যম এডিস মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করা, বাসাবাড়ির চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহারের গুরুত্ব সম্বলিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্লেকার্ড প্রদর্শন করা হয়।

র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. শাহানা ফেরদৌস চৌধুরী, হাসপাতাল মনোরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. সিদ্ধার্থ পাল, প্রফেসর মোহাইমিন সোহেল, ডা. মুর্শেদ আফরোজ লুবনা, ডেপুটি ডিরেক্টর ডা. তাফহিম আহমেদ রিফাত সহ সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যৌথ অংশগ্রহণে এই সচেতনতামূলক কর্মসূচিটি অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

র‌্যালিতে বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল চিকিৎসার ওপর নির্ভর করলেই চলবে না, বরং সচেতনতা ও প্রতিরোধই এর প্রধান প্রতিষেধক।

আমাদের অসচেতনতার কারণে যেন কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আগামী দিনগুলোতেও জনস্বার্থে এই ধরনের মাঠপর্যায়ের সচেতনতামূলক ও সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

» সহির প্লাজা ও খয়রুন প্লাজার নতুন কমিটি গঠন

Published: ০৬. জুন. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর পূর্বজিন্দাবাজারস্থ সহির প্লাজা ও খয়রুন প্লাজার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) মেট লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর অফিসে এক আলোচনা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির উপদেষ্টারা হলেন, জামিল আহমদ, নজরুল ইসলাম (বাবুল), নিরঞ্জন দে যাদু, মাসুক আহমেদ, সিরাজুল ইসলাম শামীম, শাহ আহমদ রকীব, মো. লিয়াকত আলী, উত্তরা ব্যাংকের পক্ষে ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম, মেট লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর পক্ষে মো. লিয়াকত আলী, আইএআইসি ব্যাংকের পক্ষে ইমরান সাকিব।

কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন, সভাপতি মোস্তাক আহমদ, সহ সভাপতি মারুফ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক হাসান কবীর চৌধুরী, সহ সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ, অর্থ সম্পাদক আবু মোহাম্মদ জাফর কামরান, প্রচার সম্পাদক রেবা কুরি, ধর্ম সম্পাদক সেলিম আহমদ, আলোকসজ্জা সম্পাদক মাজেদ আহমদ প্রভাত, সদস্য সুভাষ সূত্রধর, মঈন উদ্দিন হাসান চৌধুরী, মো. রাসেল আহমদ খছরু, বিধান পাল, মো. আব্দুল কাদির, মো. মনির আহমদ, রহিমা আহমদ, গুনজন রায়, প্রিংয়াকা দত্ত, লুৎফুর রহমান প্রমুখ।

» সিলেটে চা শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাটারী চালিত রিক্সা মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

Published: ০৬. জুন. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং-১৬৬৯ এর অন্তর্ভূক্ত সিলেট মহানগর ব্যাটারী চালিত রিক্সা/ইজিবাইক মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে চা শ্রমিকদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) বিকেলে নগরীর তালতলাস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট মহানগর সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু।

সিলেট জেলা রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের জেলা শাখার সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ও আনোয়ার হোসেন আনাই, সহ-সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান।

উপস্থিত ছিলেন, জীবন বাউরী, নেত্রী বাউরী, গোলাপ বাউরী, রুপা বাউরী, সরুপা বাউরী প্রমুখ।

অন্ষ্ঠুানে চা শ্রমিকদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন প্রধান অতিথিসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চা শ্রমিকরা আমাদের সমাজের অন্যতম পরিশ্রমী ও অবহেলিত অংশ। তাদের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব।

ব্যাটারি চালিত রিকশা মালিক ও শ্রমিকরা নানা সংকটের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন। এরপরও তারা নিজেদের সাধ্যমতো শ্রমজীবী মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

বক্তারা বলেন, রিকশা মালিক-শ্রমিকরা নিজেদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় চা শ্রমিকদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

আগামীতেও দেশ, জাতি ও সমাজের কল্যাণে সেবামূলক কাজ সংগঠনের পক্ষ থেকে অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত চা শ্রমিকরা এই মানবিক সহায়তা পেয়ে রিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

» দেশের স্বার্থ বিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করুন : সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট

Published: ০৬. জুন. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করার দাবিতে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণসংযোগ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (৬ জুন) বিকাল বিকাল সাড়ে ৪টায মদিনা মার্কেট পয়েন্টে লিফলেট বিতরণ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট জেলা সিপিবি সভাপতি সৈয়দ ফরহাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে ও বাসদ (মার্ক্সবাদী) জেলা সদস্য পিনাক রঞ্জন দাস এর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর, সিপিবি জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন, বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা সমন্বয়ক সঞ্জয় কান্ত দাস, সাম্যবাদী আন্দোলনের সমন্বয়ক এডভোকেট মহীতোষ দেব মলয়, সিপিবি সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান, সাম্যবাদী আন্দোলনের এডভোকেট রণেন সরকার রনি প্রমূখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিটি মোট ১৭৭ পৃষ্ঠার, কিন্তু মার্কিন পক্ষ মাত্র ৩২ পৃষ্ঠা জনসমক্ষে প্রকাশ করেছে।

আর বাংলাদেশ সরকারতো দেশবাসীকে জানানোর প্রয়োজনই বোধ করছেনা। সেই ৩২ পৃষ্ঠার মধ্যেই বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে অসংখ্য অসম শর্ত প্রকাশিত হয়েছে।

বাকি ১৪৫ পৃষ্ঠায় কী লেখা আছে তা বাংলাদেশের জনগণ তো দূরের কথা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও প্রকাশ করেনি। এই গোপনীয়তা একটি বিপজ্জনক সংকেত।

আগামী ১৫ বছরে আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে কমপক্ষে ১,৫০০ কোটি ডলার (প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা) মূল্যের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনতে বাধ্য থাকবে বাংলাদেশ।

প্রতি টনে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে ৭৫ ডলার বা ৯০০০/- টাকা বেশি মূল্যে আগামী পাঁচ বছর প্রতি বছর ৭ লাখ টন গম বাধ্যতামূলকভাবে কিনতে হবে।

আন্তর্জাতিক বাজারদরের চেয়ে অনেক বেশি দামে ২৬ লাখ টন সয়াবিন ও সয়াবিনজাত পণ্য আমদানি করতে হবে, যার মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ১২৫ কোটি ডলার।

তুলা, ফলমূল ও কৃষিপণ্য বাজারদরের বাইরে ৩৫০ কোটি ডলার বা ৪২ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মার্কিন বেসামরিক কোম্পানি বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিনা দরপত্রে ৪৫ হাজার কোটি টাকায় ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি ইতিমধ্যে গত ৩০ এপ্রিল করে ফেলেছে। যা সরকারি ক্রয়বিধির সরাসরি লঙ্ঘন।

বাংলাদেশের বাজারে যুক্তরাষ্ট্র ৬,৭১০টি পণ্যে শুল্কছাড় পাবে; বিপরীতে বাংলাদেশ পাবে মাত্র ১,৬৩৮টি পণ্যে যার অধিকাংশই রফতানির সামর্থ্য বাংলাদেশের নেই। গত বছর মার্কিন পণ্য থেকে বাংলাদেশ পেয়েছে ১,২০০ কোটি টাকার শুল্ক। চুক্তি কার্যকর হলে মাত্র ১০ কোটি টাকা আদায় হবে; হারাতে হবে ১,১৯০ কোটি টাকা।

সবচেয়ে বিধ্বংসী দিকটি হলো: চুক্তিতে মাছ, মাংস, মুরগি, দুধসহ সব কৃষিপণ্যের অবাধ আমদানির বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এতে বাংলাদেশের পোলট্রি, মৎস্য, ডেয়ারি ও দুগ্ধ খাতে কর্মরত কোটি মানুষের জীবিকা ধ্বংসের মুখে পড়বে। তৈরি পোশাক শিল্পও বিপন্ন হবে মার্কিন তুলা ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা পরিবহন খরচ বাড়াবে, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে বাংলাদেশ।

চুক্তির শর্তানুযায়ী, মার্কিন বাণিজ্য স্বার্থের পরিপন্থী কোনো দেশ—অর্থাৎ চীন, রাশিয়া-এর সাথে বাংলাদেশ কোন বাণিজ্যচুক্তি করতে পারবে না।

ইতোমধ্যে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনতে মার্কিন ‘ছাড়পত্র’ চাইতে হচ্ছে। একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য এটি অপমানজনক। সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়েও নির্ভরশীলতা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ বর্তমানে ৮০% প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম চীন থেকে আনে। এই চুক্তি বাংলাদেশকে একটি নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক শিবিরে ঠেলে দিচ্ছে। এতে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বাধীনতা বিপন্ন হচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য যে, চীন তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে এবং এই অঞ্চলে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে।

এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে মার্কিন নিরাপত্তা কাঠামোর অধীনে টেনে নেওয়ার যে প্রচেষ্টা এই চুক্তিতে দৃশ্যমান, তা বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক সংঘাতের ঘূর্ণিপাকে ফেলে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।

বক্তারা দেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

Callender

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930