- সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে এসবিএসি ব্যাংক কর্মকর্তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- ওসমানী স্মৃতি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত
- ছাতক পৌরসভার নতুন বাজেট ঘোষণা; বরাদ্দ কমায় নাগরিকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া
- লুটপাট-দুর্নীতি-লোডশেডিং বন্ধ করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করুন : বাসদ
- শান্তিগঞ্জের বড়মোহা গ্রামের মাদ্রাসা ও স্কুলের রাস্তা পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন
- ওসমানী বিমানবন্দরে ৬ প্রবাসীর লাশবাহী কফিনের পাশে সিলেট জামায়াত নেতৃবৃন্দ
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি সমন্বয় পরিষদ সিলেট বিভাগীয় জেলা শাখার নতুন কমিটির আত্মপ্রকাশ
- বঙ্গবীর ওসমানীকে তাঁর প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদা কবে দেওয়া হবে?
- জেলা ট্রাক পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের পঙ্গুভাতা বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন
- সিলেট জেলা ও মহানগর ১১ দলীয় ঐক্যের প্রস্তুতি সভা
» সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে এসবিএসি ব্যাংক কর্মকর্তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
Published: ০১. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন, এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি’র সিলেট অঞ্চলের কর্মকর্তারা।
এ সময় তারা প্রশাসককে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং পারস্পরিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে নগরভবনে প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে এসবিএসি ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সিলেট শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আব্দুল বাছিত, ইসলামপুর শাখার ব্যবস্থাপক ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি) রেজাউল করিম, শাহী ঈদগাহ শাখার ব্যবস্থাপক ও ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এফএভিপি) মতিউল বারী চৌধুরী খুর্শেদ, বটেশ্বর শাখার ব্যবস্থাপক নোমান আহমদ এবং সিলেট শাখার অপারেশন ম্যানেজার অভিজিৎ রঞ্জন পাল।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সিলেট নগরের উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং বিভিন্ন পারস্পরিক আগ্রহের বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় হয়।
এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তারা সিসিক প্রশাসকের সফলতা কামনা করেন এবং ভবিষ্যতে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে সিসিক প্রশাসকও তাদের শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য ধন্যবাদ জানান।
» ওসমানী স্মৃতি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত
Published: ০১. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
ওসমানী স্মৃতি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ায় বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সংশ্লিষ্টদের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন ও ঘোষণা করা হবে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ওসমানী স্মৃতি পরিষদের আদর্শ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা হবে।
একই সঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রমকে দেশব্যাপী আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
বুধবার (১ জুলাই) ওসমানী স্মৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান লায়েক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংগঠনের সকল সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সংশ্লিষ্টদের সার্বিক সহযোগিতা, আন্তরিক মতামত এবং অব্যাহত সমর্থন কামনা করা হয়েছে।
» ছাতক পৌরসভার নতুন বাজেট ঘোষণা; বরাদ্দ কমায় নাগরিকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া
Published: ০১. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ছাতক পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৫৩ কোটি ৭১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৯১ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে গত অর্থবছরের তুলনায় বাজেটের আকার ১ কোটি ১২ লাখ ৫ হাজার ৮৫৬ টাকা কম হওয়ায় পৌরবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
অনেকেই মনে করছেন, বাজেট সংকোচনের কারণে অবকাঠামো উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাব পড়তে পারে।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে ছাতক পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত এক বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে পৌর প্রশাসক মহিউদ্দিন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, নতুন অর্থবছরের বাজেটের মোট আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৩ কোটি ৭১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৯১ টাকা। এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ছিল ৫৪ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩৪৭ টাকা।
সে হিসাবে এবারের বাজেট গত বছরের তুলনায় ১ কোটি ১২ লাখ ৫ হাজার ৮৫৬ টাকা কমেছে।
বাজেটের আয়-ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাজস্ব তহবিল থেকে আয় ধরা হয়েছে ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৭৮ হাজার ৪৯১ টাকা এবং উন্নয়ন তহবিল থেকে প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
অন্যদিকে ব্যয়ের ক্ষেত্রে রাজস্ব তহবিলে ৯ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন তহবিলে ৪০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
রাজস্ব খাতে সম্ভাব্য উদ্বৃত্ত অর্থ ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যয় করার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।
বিগত অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫৪ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩৪৭ টাকার প্রস্তাবিত বাজেটের বিপরীতে প্রকৃত ব্যয় হয়েছে ৫২ কোটি ৮৮ লাখ ৫৯ হাজার ৫৯৪ টাকা।
অর্থবছর শেষে ১ কোটি ৯৫ লাখ ২৪ হাজার ৭৩৫ টাকা সমাপনী উদ্বৃত্ত হিসেবে পৌর তহবিলে জমা ছিল।
নতুন বাজেট ঘোষণার পর পৌরবাসীর মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের একাংশের মতে, শিল্পনগরী ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে ছাতকের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ অবস্থায় বাজেট বাড়ানোর পরিবর্তে কমিয়ে আনা উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি শ্লথ করতে পারে।
বিশেষ করে রাস্তাঘাট সংস্কার, নতুন সড়ক নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজেটের আকার কিছুটা কমলেও সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব।
আয় বৃদ্ধি, কর আদায়ে গতিশীলতা এবং সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া হলে বাজেটের সীমাবদ্ধতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যাবে।
পৌর প্রশাসক মহিউদ্দিন বলেন, বাস্তবসম্মত আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবেচনায় রেখেই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
পৌরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
পৌর প্রশাসক মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাজেট ঘোষণা সভায় বক্তব্য ও উপস্থিত ছিলেন, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা শরদিন্দু রায়, সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল মালেক, কর আদায়কারী মো. জামাল উদ্দিন, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা কুলসুমা বেগম, ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নুসরাত আরেফিন, সাবেক কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন সুমন, বিএনপি নেতা আবু হুরায়রা ছুরত, ছাতক কলেজের সাবেক অধ্যাপক হরিপদ দাস, ছাতক প্রেসক্লাবের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রনি, প্রেসক্লাব সদস্য আরিফুর রহমান মানিক, সাংবাদিক মীর আমান মিয়া লুমান সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
» লুটপাট-দুর্নীতি-লোডশেডিং বন্ধ করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করুন : বাসদ
Published: ০১. জুলা. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট-দুর্নীতি-লোডশেডিং বন্ধ করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত কর, মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল, বাজেটে শিক্ষা-স্বাস্হ্য-কৃষি সহ সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর এর সভাপতিত্বে ও বাসদ জেলা সদস্য জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন এর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, বেলাল হোসেন, মনজুর আহমদ, প্রীতম রায়, হোসেন আহমদ, মিজান মিয়া, মাহফুজ আহমদ, সৈকত হোসেন, তৌফিক এলাহী, তানবীর আহমদ, রাসেল মিয়া প্রমূখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে জনগণের ভোগান্তি বেড়েছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে অতীষ্ট জনজীবন। বক্তারা দুর্নীতি-লুটপাট-লোডশেডিং বন্ধ করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন,আই এম এফের পরামর্শে জনগনের উপর পরোক্ষ করের বোঝা বাড়ানো হয়েছে, ধনীর স্বার্থে উৎস কর কমানো হয়েছে।
এই বিশাল বাজেটে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মুদ্রাস্ফীতি কমানোর আশা করা হলেও সুনির্দিষ্ট কোন দিকনির্দেশনা নেই। শিক্ষা – স্বাস্থ্য – কৃষিসহ জনকল্যাণমুখী খাত অবহেলিতই রয়ে গেছে।
সংবিধানে অনুপার্জিত আয় ভোগ করা যাবেনা বলা হলেও বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সিদ্ধান্ত সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ও দুর্নীতিকে উৎসাহিত করবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের লাভজনক নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়াল্ডকে ইজারা দেয়ার পাঁয়তারা বিগত স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার ও ইউনুস সরকার করেছিল, বর্তমান সরকারও ঐ পক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের ৩ দিন আগে আমেরিকার সাথে যে অসম বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, তা আমাদের কৃষি- ঔষধশিল্পসহ আর্থিক ও বানিজ্যিক খাত ধ্বংস এবং সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে।
বর্তমান সরকার এই দাসত্বের চুক্তি বাতিল না করে জনমতের তোয়াক্কা না করে বাস্তবায়ন শুরু করে দিয়েছে, এটি দেশ ও জাতির জন্য অশনিসংকেত।
নেতৃবৃন্দ মার্কিনের সাথে করা গোলামী চুক্তি বাতিলের দাবিতে এবং সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ও দেশী বিদেশি লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার জন্য সকল দেশপ্রেমিক জনগনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
নেতৃবৃন্দ সিলেট নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, শ্রমজীবী মানুষদের হয়রানি বন্ধের আহ্বান জানান।
» শান্তিগঞ্জের বড়মোহা গ্রামের মাদ্রাসা ও স্কুলের রাস্তা পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন
Published: ৩০. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার
» ওসমানী বিমানবন্দরে ৬ প্রবাসীর লাশবাহী কফিনের পাশে সিলেট জামায়াত নেতৃবৃন্দ
Published: ৩০. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাতার থেকে আসা ৬ প্রবাসীর মরদেহ রিসিভকালে নিহতের স্বজনদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সিলেট জেলা ও মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
এসময় লাশ রিসিভের পাশাপাশি নিহতদের স্বজনদের সহমর্মিতা জানান তারা।
মঙ্গলবার সকালে কাতার থেকে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে ৬টি মরদেহের কফিন আসে।
মঙ্গলবার সকালে ওসমানী বিমানবন্দরে লিফনের মরদেহও রিসিভ করা হয়।
কাতার ফেরত ৬ প্রবাসীর মরদেহ রিসিভকালে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, জেলা সেক্রেটারী ও সাবেক জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, জেলা নায়েবে আমীর হাফিজ আনওয়ার হোসাইন খান, সাবেক ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইন, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী নজরুল ইসলাম, জামায়াত নেতা আব্দুর রহিম ও নজরুল ইসলাম প্রমূখ।
এসময় জামায়াত নেতৃবৃন্দ, নিহতের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। তারা বলেন, নিহত প্রবাসীরা গরীব পরিবারের মানুষ। তারা স্বজনের মুখে হাসি ফোটাতে প্রবাসে গিয়েছেন।
নিহত প্রবাসীদের পরিবারের পাশে সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাধ্যমত সহযোগিতা নিয়ে নিহত ৬ প্রবাসীর পরিবারের পাশে আছে এবং থাকবে,ইনশাআল্লাহ।
কানাইঘাটের নিহতরা হলেন, ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়নের আমরপুর গ্রামের মৃত আব্দুন নূরের ছেলে জিবাল উদ্দিন, মাঝতালুক গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে জসিম উদ্দিন, আগতালুক গ্রামের সেলিম আহমদের ছেলে মস্তাক আহমদ, একই গ্রামের মৃত মড়া মিয়ার ছেলে জুবায়ের আহমদ এবং দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের নিজ গাছবাড়ী গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে কাদের আহমদ।
» বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি সমন্বয় পরিষদ সিলেট বিভাগীয় জেলা শাখার নতুন কমিটির আত্মপ্রকাশ
Published: ৩০. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি সমন্বয় পরিষদ সিলেট বিভাগীয় জেলা শাখার নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকাল ৫টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারি সমিতির কার্যালয়ে সিলেট বিভাগীয় জেলা শাখার কর্মচারীবৃন্দের আয়োজনে এক সভায় নবনির্বাচিত কমিটির নাম ঘোষণা করেন. নবনির্বাচিত সভাপতি মো. ফরিদ উদ্দীন।
নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সাধারণ সম্পাদক মো. সালাহ উদ্দিন সহ-সভাপতি মো. রেহান, সৈয়দ মোত্তাকিম আলী, মো. খুরশেদ আলম, মো. আবু তাহের, জনি চক্রবর্তী, মো. সালেহ আহমদ, সোহেল রানা, ইমরান আহমদ, মো. জাকারিয়া চৌধুরী, কামাল আহমদ, মো. আব্দুল মতিন, মো. দিলোওয়ার হোসেন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. আব্দুল কাইয়ুম রঙ্গু, মো. আক্কাছ, মো. রাশেদ নেওয়াজ, লিয়াকত আলী, মো. মামদুদ মিয়া, মো. মাসুক মিয়া, সাদেক আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হালিমুর রেজা চৌধুরী, মামুন হোসেন, জাবেদ আহমদ, মো. রুবেল আহমদ, মতিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউর রহমান, মো. ফরিদ উদ্দিন, প্রদীফ দাস, রতন চন্দ্র বর্মন, অর্থ সম্পাদক মো. শামসুল আলম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পাভেল আহমদ, সমাজ কল্যান ও ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, মো. নুরুল ইসলাম, মহিলা সম্পাদক শিলা রাণী সূত্রধর, শিরিন আক্তার, লিপি বেগম, ইভা খাতুন, সদস্য রবিউল ইসলাম, মনসুর উদ্দিন, মো. সোলেমান আহমদ, গোপাল বাবু, মো. তোফাজ্জল হোসেন, হামিদুল ইসলাম স্বাধীন, মাতাব উদ্দিন, মো. রফিকুল আজম, কবির হোসেন, মো. আবুল হোসেন, মো. আনোয়ার হোসেন প্রমূখ।
নবনির্বাচিত কমিটি ঘোষণা অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মচারী শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
» বঙ্গবীর ওসমানীকে তাঁর প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদা কবে দেওয়া হবে?
Published: ৩০. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার
মাহমুদুর রহমান লায়েকঃ
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে কিছু নাম চিরদিন জাতির হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।
সেই গৌরবোজ্জ্বল নামগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসাধারণ নেতৃত্ব, দূরদর্শিতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং অটল দেশপ্রেমের মাধ্যমে মুক্তিবাহিনী একটি সুসংগঠিত সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়েছিল।
তাঁর নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে এবং অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও একটি প্রশ্ন জাতির বিবেককে নাড়া দেয়-মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী কি তাঁর প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পেয়েছেন?
বাস্তবতা হলো, দেশের অসংখ্য মুক্তিযুদ্ধপ্রেমী মানুষ মনে করেন, বঙ্গবীর ওসমানীর অবদান আজও যথাযথভাবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করেনি।
একইভাবে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, জেড ফোর্সের অধিনায়ক এবং পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধকালীন অবদান নিয়েও দীর্ঘদিন নানা বিতর্ক ও রাজনৈতিক মূল্যায়নের সংকীর্ণতা পরিলক্ষিত হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়; এটি সমগ্র জাতির অর্জন। স্বাধীনতার ইতিহাসে যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁদের অবদান দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মূল্যায়ন করাই একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য।
বঙ্গবীর ওসমানী যেমন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবে ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তেমনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার এবং জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে জাতীয় ইতিহাসে চিরভাস্বর।
আমি ব্যক্তিগতভাবে গত ১৬ বছর ধরে “ওসমানী স্মৃতি পরিষদ” প্রতিষ্ঠা করে বঙ্গবীর ওসমানীর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, তাঁর জীবন ও কর্মের প্রচার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তাঁর আদর্শ তুলে ধরার লক্ষ্যে আন্দোলন করে আসছি।
স্মারকলিপি প্রদান, সেমিনার, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও জনসচেতনতামূলক নানা কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা রাষ্ট্রের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি।
কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমাদের এই দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
আজ দেশের মানুষ নতুন প্রত্যাশা নিয়ে বর্তমান সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আন্তরিকভাবে আবেদন জানাই।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরি হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, জাতীয় বীরদের অবদান এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদার গুরুত্ব গভীরভাবে উপলব্ধি করবেন-এমনটাই আমাদের বিশ্বাস।
আমরা মনে করি, বর্তমান সরকারের পক্ষেই সম্ভব দীর্ঘদিনের এই ঐতিহাসিক শূন্যতা পূরণ করা। সেই লক্ষ্যে আমরা নিম্নোক্ত দাবিগুলো বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি;
১। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানীকে বাংলাদেশের একমাত্র “বঙ্গবীর” এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবে সরকারি গেজেট প্রকাশ করা।
২। তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা।
৩। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পাঠ্যক্রমে তাঁর জীবন, কর্ম ও অবদান অন্তর্ভুক্ত করা।
৪। সিলেটে অবস্থিত বঙ্গবীর ওসমানী জাদুঘরকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র ও জাদুঘরে উন্নীত করা।
৫। তাঁর নামে একটি সামরিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা।
৬। হবিগঞ্জের ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া বাংলোয় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষণাগার ও জাদুঘর নির্মাণ করা।
জাতি হিসেবে আমাদের মনে রাখতে হবে, ইতিহাসের মহানায়করা কেবল অতীতের স্মৃতি নন; তাঁরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস।
যাঁদের নেতৃত্বে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে, তাঁদের যথাযথ সম্মান না দিলে ইতিহাসের প্রতি সুবিচার করা হয় না।
বঙ্গবীর জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী কেবল একজন সেনানায়ক নন; তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত একটি মহিমান্বিত নাম।
তাঁর প্রতি যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদর্শন কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের দাবি নয়; এটি জাতির নৈতিক দায়িত্ব।
আমরা বিশ্বাস করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানীর প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করে জাতির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবেন।
লেখকঃ
মাহমুদুর রহমান লায়েক
প্রতিষ্ঠাতা, ওসমানী স্মৃতি পরিষদ
» জেলা ট্রাক পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের পঙ্গুভাতা বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন
Published: ৩০. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
আহত ট্রাক পিকাপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিকদের জন্য মাসিক পঙ্গুভাতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছে, সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং-চট্ট-২১৫৯)।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে নগরীর দক্ষিণ সুরমা পারাইরচক ট্রাক টার্মিনালস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পঙ্গুভাতা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আহত কয়েকজন শ্রমিকের হাতে নগদ পঙ্গুভাতা তুলে দেয়া হয়। এখন থেকে তাদেরকে প্রতিমাসে ৫০০ টাকা করে পঙ্গুভাতা প্রদান করা হবে।
পর্যায়ক্রমে সংগঠনের আওতাধিন সকল আহত শ্রমিকদেরকে এই ভাতার আওতায় আনা হবে।
পরবর্তীতে পঙ্গুভাতার পরিমাণ বৃদ্ধির পাশাপাশি সংগঠনের সদস্যদের মাঝে বয়স্ক ভাতা চালু করা হবে বলেও আশ^স্ত করা হয়।
সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু সরকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাসুম আহমদ লস্করের পরিচালনায় পঙ্গুভাতা বিতরণ কার্যক্রমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি কাউছার আহমদ, সহ-সভাপতি শরীফ আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ স্বপন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মাছুম আহমদ, দপ্তর সম্পাদক বিলাল উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ জুলহাস হোসেন বাদল, কার্যকরী সদস্য কামাল হোসেন, আব্দুল জলিল, আব্দুল করিম, ইলিয়াস আহমদ, আলেখ আহমদ সুহেল, সাবেক কার্যকরী সভাপতি সালাম মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গফুর মিয়া, সাবেক প্রচার সম্পাদক সামাদুর রহমান, শ্রমিক নেতা মমতাজ মিয়া, ফারুক মিয়া, ইউসুফ মিয়া, বাসিত মিয়া, আহমদ মিয়া, নাজিম মিয়া, ফারুক মিয়া ও রিয়াজ মিয়া প্রমূখ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত বিভিন্ন শ্রমিক উপ-কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু সরকার বলেন, দেশের ইতিহাসে প্রথম বারের মতো ট্রাক পিকাপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিকদের জন্য মাসিক পঙ্গুভাতা কার্যক্রমের উদ্বোধনের মাধ্যমে সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন একটি নজির স্থাপন করেছেন। আমরা শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা আজকে ক্ষুদ্র পরিসরে পঙ্গুভাতা চালু করেছি।
পর্যায়ক্রমে এর পরিমান এবং পরিধি বৃদ্ধি করা হবে। এছাড়াও একজন ট্রাক পিকাপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক যাতে শেষ বয়সে কিছুটা সুখ-শান্তিতে বসবাস করতে পারেন এজন্য আমরা ভবিষ্যতে নিজস্ব ফান্ড থেকে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম চালু করতে চাই।
» সিলেট জেলা ও মহানগর ১১ দলীয় ঐক্যের প্রস্তুতি সভা
Published: ৩০. জুন. ২০২৬ | মঙ্গলবার
গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে ২৫ জুলাই আলিয়া মাঠে সিলেট বিভাগীয় সমাবেশ
নিউজ ডেস্কঃ
কেন্দ্রঘোষিত কর্মসুচীর অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুলাই বেলা ২টায় সিলেট সরকারী আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
এদিকে আগামী ২৫ জুলাইয়ের বিভাগীয় সমাবেশে সফলের লক্ষ্যে সিলেট জেলা ও মহানগর ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।
উক্ত সভা মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় মহানগর ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে নগরীর বন্দরবাজারস্থ নগর জামায়াত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রস্তুতি সভায় ১১ দলের জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী ও জেলা সেক্রেটারী জয়নাল আবেদীন, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিলেট জেলা আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ, মহানগর আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুর রহমান আফজাল ও মহানগর সদস্য সচিব কিবরিয়া সরওয়ার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা ইকবাল হুছাইন, মহানগর সভাপতি মাওলানা এমরান আলম ও সহ-সভাপতি মাওলানা মুহিবুর রহমান, বাংলাদেশ লেবারপার্টির সিলেট মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, জাগপা মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন ও সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন, নেজামে ইসলামী পার্টির জেলা সভাপতি মাওলানা মুজাম্মিল হক তালুকদার ও বিডিপি সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা নুরুল আমীন প্রমূখ।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আগামী ২৫ জুলাই ১১ দলীয় ঐক্যের সিলেট বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
উক্ত সমাবেশ সফলের লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদেরকে গণসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
জনগণের সাথে বিএনপি সরকারের প্রতারণা তুলে ধরতে হবে।
» সমন্বিত উদ্যোগে সিলেটকে নান্দনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব : সিলেটে কর্মশালায় বাণিজ্যমন্ত্রী
Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার
সিলেট নগরের জন্য সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : সিসিক প্রশাসক
নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সমন্বিতভাবে কাজ করলে সিলেট নগরকে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও নান্দনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
সোমবার (২৯ জুন) নগরভবনে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সম্প্রসারিত এলাকার মহাপরিকল্পনা (মাস্টারপ্ল্যান) প্রণয়নে অংশীজনের মতামত গ্রহণ বিষয়ক কর্মশালায় অডিও-ভিজ্যুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সিলেট নগরকে ঘিরে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এবং আমার অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা ধাপে ধাপে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চাই।
সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা হবে। নগরবাসীর হাঁটাচলা, বিনোদন ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য পর্যাপ্ত পার্ক ও উন্মুক্ত স্থান সৃষ্টির বিষয়টিও আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।
কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, একটি সুন্দর, টেকসই ও আধুনিক নগর গড়তে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন সুপরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা।
সে লক্ষ্যেই সিলেট নগরের জন্য একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরীর পরিকল্পিত সম্প্রসারণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণ এবং দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার কার্যকর দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী সংগঠন, শিক্ষাবিদ, প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য অংশীজন অংশগ্রহণ করেন।
তারা ভূমি ব্যবহার, আবাসন, পরিবেশ সংরক্ষণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জনসেবা সম্প্রসারণ, নগর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং টেকসই নগরায়ণ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন।
বক্তারা বলেন, একটি কার্যকর ও বাস্তবমুখী মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে অংশীজনের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সকলের মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রণীত এই মহাপরিকল্পনা সিলেট নগরীর সুষম উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ এবং আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
কর্মশালায় প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশ সমূহ পর্যালোচনা করে মহাপরিকল্পনার খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়।
এ সময় সিলেট সিটি কর্পোরেশন একটি আধুনিক, নিরাপদ, বাসযোগ্য ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে সকল অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করে।
অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন বক্তব্য দেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, নগর পরিকল্পনাবিদ মো. তানভীর আহমদ মোল্লাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।
» অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
Published: ২৯. জুন. ২০২৬ | সোমবার
সম্মিলিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে : সিসিক প্রশাসক
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) সকালে পৃথকভাবে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি এবং বৃক্ষরোপণের অভ্যাস গড়ে তুলতে এ ধরনের কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একটি শিশু যদি অন্তত একটি গাছের দায়িত্ব নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
সিসিক প্রশাসক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুটির সার্বিক উন্নয়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশব্যাপী মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ স্লোগানে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
এ কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রায় ২৯ হাজার মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
এর মূল লক্ষ্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করা।
সিলেট সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জায়েদা গুলশান সিদ্দিকা, সহকারী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) লায়লা নার্গিস, সহকারী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) ছালেহ আহমদ, সহকারী শিক্ষক ইশতিয়ার হোসেন মুনশি, সিনিয়র শিক্ষক কোহেলী রানী রায়, সুভাষ চন্দ্র নাথ, সুপ্রতিম রায়, সমীরন দাস, নেপুর চন্দ্র পাল, রেজাউল করিম ও মো. আমিমুল এহছান।
অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে, শিক্ষার্থী তানিসা তাসমিয়া ছোয়া এবং গীতা পাঠ করেন প্রিয়ন্তী ভট্টাচার্য। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন পৃথা তালুকদার।
অপরদিকে, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেফালী সুলতানা, সহকারী প্রধান শিক্ষক (দিবা) মোহাম্মদ আজিজুর, সহকারী প্রধান শিক্ষক (প্রভাতি) মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক কাজল মালাকার, বিপ্লব নন্দী, মো. হুমায়ুন কবীর, মো. মোস্তফা মামুন, মাহমুদুর রহমান, সুপ্রভা সরকার, সুলতানা রোকেয়া পারভীন, মো. আশফাকুর রহমান, মোহাম্মদ মাসুক মিয়া, মো. এমদাদুল ইসলাম, অসীম কুমার সিংহ, কাজী মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, মহিম লাল নাথ, দিলরুবা বেগম, মো. এমদাদুল হকসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

