- শুক্রবার সিলেটে আসছেন মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
- বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস ২০২৬
- ফেঞ্চুগঞ্জে তরল অ্যামোনিয়া সংগ্রহে ডিলারদের ভোগান্তি; নেপথ্যে প্রভাবশালী রাজনৈতিক চক্র
- সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের জীবন সদস্য হলেন কয়েস লোদী
- খর্দ্দাপাড়া ক্রিকেট ক্লাবের জার্সি স্পনসর করল নিউ এইজ এডুকেশন
- সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর এখন আর বিকল্প নয়, ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার পূর্বশর্ত : বাণিজ্যমন্ত্রী
- দোয়ারাবাজারে উন্নয়নের ঝড়; এমপি কলিম উদ্দিন মিলনের দুই শত কোটি টাকার মহাপ্রকল্প ঘোষণা
- সিলেট উইমেন্স নার্সিং কলেজের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম
- সিলেট রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
- বর্জ ব্যাবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালায় সিসিক প্রশাসক
» শুক্রবার সিলেটে আসছেন মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
Published: ০৭. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি এক সরকারি সফরে শুক্রবার (৮ মে) সিলেট আসছেন।
সফরকালে তিনি সরকারি ও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
মন্ত্রীর সফরসূচি:
* এআইবিএ-এর অনুষ্ঠানে যোগদান:
সকাল ৯টায় আর্মি ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এআইবিএ)-এর নতুন ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
* ন্যাচারাল পার্ক পরিদর্শন:
সকাল ১১টায় বিমানবন্দর সংলগ্ন জেলা পরিষদ ন্যাচারাল পার্ক ‘বাইশটিলা’ পরিদর্শন করবেন।
* মতবিনিময় সভা:
জুম্মার নামাজ ও মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে বিকাল ৩টায় নিজ বাসভবনে সিলেট মহানগর বিএনপির ১ নং থেকে ৬ নং ওয়ার্ডের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন।
* পুরস্কার বিতরণী ও ক্লাব সভা:
বিকাল ৫টায় ‘শজিবু লিকোন টুর্নামেন্ট’র ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
* সন্ধ্যা ৭:০০ মিনিটে সিলেট উইন্ডসর হোটেলে ক্যাডেট কলেজ ক্লাব সিলেট লিমিটেড (সিসিসিএসএল) আয়োজিত সভায় যোগ দেবেন।
» বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস ২০২৬
Published: ০৭. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
“মানবতায় ঐক্যবদ্ধ”
মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামঃ
প্রতি বছর ৮ মে বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস পালন করা হয়।
আমার কাছে এই দিনটি শুধু একটি আন্তর্জাতিক দিবস নয় বরং মানবতা, সহমর্মিতা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক গভীর অনুপ্রেরণার দিন।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যারা যুদ্ধ, দুর্যোগ, রোগব্যাধি কিংবা মানবিক সংকটের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ান, এই দিনটি তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন।
এই দিবসটি পালন করা হয় হেনরি ডুনান্টের জন্মদিন উপলক্ষে। তিনি ১৮২৮ সালের ৮ মে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জন্মগ্রহণ করেন।
মানবতার সেবায় তাঁর অবদান আজও পুরো বিশ্বের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।
তিনি হয়তো কখনো ভাবেননি, যুদ্ধক্ষেত্রে আহত মানুষের জন্য তাঁর ছোট্ট মানবিক উদ্যোগ একদিন বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক আন্দোলনের ভিত্তি হয়ে উঠবে।
রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলনের শুরু হয়েছিল সলফেরিনোর যুদ্ধের বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা থেকে।
১৮৫৯ সালে ইতালির সলফেরিনোতে ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। হাজার হাজার আহত মানুষ চিকিৎসা ও সাহায্য ছাড়া অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিলেন। চারদিকে শুধু কষ্ট, আর্তনাদ আর মৃত্যুর দৃশ্য। হেনরি ডুনান্ট সেই দৃশ্য দেখে গভীরভাবে ব্যথিত হন।
তিনি স্থানীয় মানুষদের নিয়ে আহতদের সেবায় এগিয়ে আসেন। তখন একটি মানবিক কথা খুব পরিচিত হয়ে ওঠে, “তুত্তি ফ্রাতেল্লি” অর্থাৎ “আমরা সবাই ভাই”।
এই অনুভূতিই পরে বিশ্বব্যাপী মানবিক আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে। পরে তিনি “এ মেমোরি অব সলফেরিনো” বইটি লেখেন। সেই বই থেকেই মূলত সংগঠিত মানবিক আন্দোলনের ধারণা শক্ত ভিত্তি পায়।
পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলনের বিস্তার ঘটে। আজ বিশ্বের প্রায় ৯১টি দেশে রেড ক্রস বা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কাজ করছে।
দুর্যোগ, যুদ্ধ, মহামারি কিংবা যেকোনো সংকটে তারা মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। শুধু ত্রাণ নয়, রক্তদান, স্বাস্থ্যসচেতনতা, প্রাথমিক চিকিৎসা, যুব উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তার নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য “মানবতায় ঐক্যবদ্ধ” বর্তমান সময়ে খুবই অর্থবহ। এই প্রতিপাদ্য সেই সব স্বেচ্ছাসেবক ও মানবিক কর্মীদের সম্মান জানায়, যারা সংকট ও দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
তারা মানবিক অনুভূতিকে বাস্তব কাজে রূপ দিচ্ছেন এবং বিভক্ত ও জটিল সময়েও মানুষের মাঝে আশা, মর্যাদা ও মানবিকতা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। আজকের পৃথিবী নানা সংকটে ভরা।
কোথাও যুদ্ধ, কোথাও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, কোথাও দারিদ্র্য ও বাস্তুচ্যুতি। আবার অনেক ক্ষেত্রে মানুষ মানুষ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
এমন সময়ে “মানবতায় ঐক্যবদ্ধ” প্রতিপাদ্যটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ভিন্নতা, সীমান্ত কিংবা অবস্থান যাই থাকুক না কেন, মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়ালেই মানবতা আরও শক্তিশালী হয়।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দেশের বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি, বন্যা মোকাবিলা, আগাম মানবিক সহায়তা, উপকূলীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, বাস্তুচ্যুত ও শরণার্থী সহায়তা, ভাসানচর কার্যক্রম, স্বাস্থ্যসেবা, রক্তদান কর্মসূচি, মনোসামাজিক সহায়তা, ওয়াশ কার্যক্রম, কমিউনিটি উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন বিষয়ক সচেতনতা তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিশেষ করে দুর্যোগের সময় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, অগ্নিকাণ্ড, ভবন ধস কিংবা অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে তারা দ্রুত মানুষের পাশে দাঁড়ায়।
খাদ্য বিতরণ, প্রাথমিক চিকিৎসা, উদ্ধার কার্যক্রম, আশ্রয় সহায়তা এবং জরুরি সেবার মাধ্যমে তারা মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যুব ও স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রম দেশের মানবিক উদ্যোগের অন্যতম শক্তি।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটে হাজারো প্রশিক্ষিত যুব স্বেচ্ছাসেবক মানবিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
রেড ক্রিসেন্ট ইয়ুথের সদস্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা, সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, রক্তদান, অগ্নি নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ, স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, নেতৃত্ব এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।
দুর্যোগ কিংবা যেকোন সংকটময় সময়ে যুব স্বেচ্ছাসেবকদের সাহসী ও আন্তরিক ভূমিকা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।
অনেক তরুণ স্বেচ্ছাসেবক নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। তাদের এই মানবিক চেতনা ভবিষ্যতের জন্য আশার আলো জাগায়।
আমি বিশ্বাস করি মানবিক কাজ শুধুমাত্র বড় কোনো সংগঠন বা বড় পদের বিষয় নয়।
একজন মানুষ আরেকজন মানুষের পাশে দাঁড়ানো থেকেই মানবতার শুরু। আমার নিজের জীবনেও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ততা অনেক দিনের।
স্কুলজীবন থেকেই রেড ক্রিসেন্ট যুব কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম।
ছোটবেলায় প্রাথমিক চিকিৎসা কার্যক্রম, রক্তদান সচেতনতা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে মানবিক কাজের প্রতি এক ধরনের ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাথে দীর্ঘ সময় কাজ করার সুযোগ হয়েছে।
এই পথচলায় অসংখ্য নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবক ও মানবিক মানুষের সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তাদের আন্তরিকতা, ত্যাগ ও মানবিকতা আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রাক্তন ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আমার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের কষ্ট, দুর্যোগের বাস্তবতা এবং মানবিক সহায়তার গুরুত্ব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে।
বিশেষ করে দুর্যোগের সময় স্বেচ্ছাসেবকদের নিরলস কাজ সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। মানুষের বিশ্বাসই একটি মানবিক প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় শক্তি।
আমি গর্বের সাথে বলতে চাই, সিলেট ইউনিটের যুব রেড ক্রিসেন্টের প্রতিষ্ঠাতা যুব প্রধান হিসেবে তরুণদের নিয়ে কাজ করার সুযোগ আমার হয়েছে। তরুণদের মানবিক কাজে সম্পৃক্ত হতে দেখা সব সময়ই অনুপ্রেরণাদায়ক।
বর্তমান সময়ে মানবিক মূল্যবোধের প্রয়োজন আগের চেয়ে অনেক বেশি। প্রযুক্তি ও ব্যস্ততার এই সময়ে মানুষ অনেক ক্ষেত্রে একে অপরের অনুভূতি বুঝতে ভুলে যাচ্ছে।
তাই মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার চর্চা আরও বাড়ানো দরকার। আজও আমাদের সমাজে অনেক মানুষ আছেন যারা অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত এবং সাহায্যের অপেক্ষায় আছেন।
কেউ খাবারের কষ্টে, কেউ চিকিৎসার অভাবে, কেউ আবার দুর্যোগে সব হারিয়ে নতুন করে বাঁচার চেষ্টা করছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবতা।
বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস আমাদের সেই কথাই মনে করিয়ে দেয়। মানবিক কাজ করার জন্য বড় পরিচয়ের প্রয়োজন হয় না, দরকার একটি মানবিক মন।
আজকের এই দিনে বিশ্বের সকল স্বেচ্ছাসেবক, মানবিক কর্মী, চিকিৎসাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। তারা নিজেদের সময়, শ্রম ও ভালোবাসা দিয়ে মানবতার সেবা করে যাচ্ছেন।
আসুন, আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।
মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলি।
মানবতার এই পথচলা কখনো থেমে না যাক। আমরা সবাই মিলে সত্যিকার অর্থে মানবতাকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করি।
আয়কর উপদেষ্টা
প্রাক্তন ট্রেজারার
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
জাতীয় সদর দপ্তর, ঢাকা
প্রতিষ্ঠাতা যুব প্রধান
যুব রেড ক্রিসেন্ট, সিলেট ইউনিট।
» ফেঞ্চুগঞ্জে তরল অ্যামোনিয়া সংগ্রহে ডিলারদের ভোগান্তি; নেপথ্যে প্রভাবশালী রাজনৈতিক চক্র
Published: ০৬. মে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ সার কারখানা শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (এসএফএফএল) থেকে উৎপাদিত কেমিক্যাল ‘তরল অ্যামোনিয়া’ সংগ্রহে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন অনুমোদিত ডিলাররা।
স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের প্রত্যক্ষ মদদে একটি অসাধু চক্রের বাধার মুখে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) ডিলাররা বর্তমানে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
সময়মতো পণ্য না পাওয়ায় ডিলারদের ব্যবসায়িক ক্ষতির পাশাপাশি বাজারে কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ডিলারদের অভিযোগ, কারখানা থেকে বরাদ্দকৃত তরল অ্যামোনিয়া খালাস করতে গিয়ে তারা নিয়মতান্ত্রিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) জমা দেওয়ার পরও ট্রাক কারখানার গেটে দিনের পর দিন বসিয়ে রাখা হচ্ছে।
বিশেষ করে ট্রাক লোডিং এবং গেট পাস ইস্যু করার ক্ষেত্রে একটি চক্র কৃত্রিম জট তৈরি করে ডিলারদের জিম্মি করে রেখেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ডিলার আক্ষেপ করে বলেন, “বৈধভাবে ডিও পাওয়ার পরও আমরা মালামাল লোড করতে পারছি না।
গেটে সিরিয়ালের নামে অহেতুক দেরি করানো হচ্ছে। একেকটি ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকায় প্রতিদিনের জন্য অতিরিক্ত খোরাকি ও ট্রাক ভাড়া গুনতে হচ্ছে। আমরা রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েছি।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একটি নির্দিষ্ট প্রভাবশালী মহল কারখানার লোডিং ও সরবরাহ প্রক্রিয়া নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে।
সাধারণ ডিলাররা এই চক্রের অনৈতিক দাবি না মানলে তাদের সিরিয়াল পেছনে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ডিলারদের সরাসরি হুমকি-ধমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
মূলত বিসিআইসি লাইসেন্সধারী প্রকৃত ডিলারদের কোণঠাসা করে একটি কুচক্রী মহল এই লাভজনক খাতের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
ইউরিয়া সারের ‘বাই-প্রোডাক্ট’ হিসেবে উৎপাদিত এই গ্যাসকে উচ্চ চাপে তরল করে সিলিন্ডারজাত করা হয়।
এই তরল অ্যামোনিয়া মূলত: বরফ কল, কোল্ড স্টোরেজ, স্টিল মিল ও ডাইং ফ্যাক্টরি এসব শিল্পে অত্যাবশ্যকীয় কেমিক্যাল হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এসব গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) সুলেমান আহমদ জানান, সাময়িক কিছু সমস্যার কারণে গ্যাস ডেলিভারি কিছুটা কম হচ্ছে। তবে দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেও মাঠ পর্যায়ের চিত্র এখনো উদ্বেগজনক বলে দাবি ডিলারদের।
বর্তমানে কারখানা এলাকায় ডিলারদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাধারণ ডিলাররা এই অরাজকতা বন্ধে বিসিআইসি কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি ও কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অন্যথায় সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
» সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের জীবন সদস্য হলেন কয়েস লোদী
Published: ০৬. মে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
দৈনিক শুভ প্রতিদিন ও শুভ প্রতিদিন টোয়েন্টিফোর ডটকম এর সম্পাদক, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে জীবন সদস্য পদ প্রদান করেছে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব।
সম্প্রতি সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের কার্যকরি পরিষদের নিয়মিত মাসিক সভায় গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ০৯ এর (ক) অনুসারে ক্লাবের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখায় তাঁকে এই সদস্যপদ প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র (১), বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ২০১৪ সালে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ক্লাবের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অনন্য অবদান ও ভূমিকা পালন করে আসছেন।
এদিকে, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের জীবন সদস্য রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ গোলজার আহমদ হেলাল ও সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদার।
রেজাউল হাসান কয়েস লোদী সহ এপর্যন্ত সিলেট অনলাইন প্রেসক্লবের জীবন সদস্য সংখ্যা ৮ জন।
তারা হলেন, উপমহাদেশের প্রখ্যাত দানবীর ও শিল্পপতি ড. সৈয়দ রাগীব আলী, প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী বাহার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মখলিছুর রহমান কামরান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মুহিবুর রহমান, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক দেওয়ান তৌফিক মজিদ লায়েক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. আলমগীর হোসেন।
সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের জীবনসদস্যপদ একটি সম্মানজনক পদ।
প্রেসক্লাবের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা সহ শিক্ষা ও সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করে এ পদ প্রদান করা হয়।
» খর্দ্দাপাড়া ক্রিকেট ক্লাবের জার্সি স্পনসর করল নিউ এইজ এডুকেশন
Published: ০৬. মে. ২০২৬ | বুধবার
২০২৬-২৭ মৌসুমকে সামনে রেখে ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খর্দ্দাপাড়া ক্রিকেট ক্লাবের ২০২৬-২৭ মৌসুমের নতুন জার্সির স্পনসর হিসেবে এগিয়ে এসেছে নিউ এইজ এডুকেশন।
এ উপলক্ষে ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
জানা যায়, স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে এই স্পনসরশিপ প্রদান করা হয়েছে। নতুন জার্সি উন্মোচনের মাধ্যমে ক্লাবের খেলোয়াড়দের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা ও আত্মবিশ্বাস।
এ সময় নিউ এইজ এডুকেশন এর সিইও মাহফুজ শুভ বলেন, তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খর্দ্দাপাড়া ক্রিকেট ক্লাবের পাশে থাকতে পেরে আমরা গর্বিত।
অন্যদিকে নিউ এইজ এডুকেশন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুর রহমান বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া উন্নয়নে আমাদের এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আমরা চাই তরুণরা সুস্থ ও ইতিবাচক পরিবেশে বড় হয়ে উঠুক।
খর্দ্দাপাড়া ক্রিকেট ক্লাব এর পরিচালক আবিদ রাহি বলেন, এই স্পনসরশিপ শুধু একটি জার্সি নয়, বরং এটি খেলোয়াড়দের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা।
এর ফলে ভবিষ্যতে ক্লাবটি আরও বড় পরিসরে অংশগ্রহণ করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, খর্দ্দাপাড়া ক্রিকেট ক্লাব দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রিকেট চর্চা করে আসছে এবং বিভিন্ন টুর্নামেন্টে সফলতার সঙ্গে অংশগ্রহণ করছে। নতুন স্পনসরশিপের মাধ্যমে ক্লাবটি নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে।
» সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর এখন আর বিকল্প নয়, ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার পূর্বশর্ত : বাণিজ্যমন্ত্রী
Published: ০৬. মে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি, বলেছেন, সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর এখন আর কেবল পরিবেশগত কোন আলোচনার বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের শিল্পখাতের ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করার অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত।
তিনি বলেন, “বিশ্ববাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। টেকসই উৎপাদন এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার অন্যতম নির্ধারক।
ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও ভোক্তারা এখন এমন উৎপাদন ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহী, যা দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার পরিচয় বহন করে।”
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)-এর যৌথ আয়োজনে “বাংলাদেশে SWITCH2CE পাইলট উদ্যোগের মাধ্যমে সার্কুলার অর্থনীতির রূপান্তর ত্বরান্বিতকরণ” শীর্ষক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত প্রধান মাইকেল মিলার এবং বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, SWITCH to Circular Economy কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত পাইলট কার্যক্রম ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে যে সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর কোন কল্পনাপ্রসূত ধারণা নয়; এটি বাস্তবসম্মত, অর্জনযোগ্য এবং এর বাস্তবায়ন ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপ ও বেস্টসেলারের সহযোগিতায় পরিচালিত পাইলট কার্যক্রমগুলো বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাতে টেক্সটাইল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থা এবং ভ্যালু চেইন সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কার্যকর অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।
এসব অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের শিল্পখাতকে একটি কাঠামোগত ও সামগ্রিক সার্কুলার রূপান্তরের পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সার্কুলার অর্থনীতির মাধ্যমে সম্পদের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করা, বর্জ্য হ্রাস, সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা জোরদার, উদ্ভাবন ও মূল্য সংযোজন বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাত অত্যন্ত সম্পদনির্ভর হওয়ায় পুনর্ব্যবহার ও পুনঃচক্রায়নের ভিত্তিতে একটি টেকসই উৎপাদনব্যবস্থায় রূপান্তর পরিবেশগত চাপ কমাতে এবং টেকসই শিল্পায়নকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রী বলেন, সার্কুলার রূপান্তর তখনই সফল হবে যখন সরকার, শিল্পখাত, বৈশ্বিক ব্র্যান্ড, প্রযুক্তি সরবরাহকারী এবং উন্নয়ন সহযোগীরা সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, পাইলট কার্যক্রম থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা এবং জাতীয় কৌশল প্রণয়নের চলমান উদ্যোগ ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে।
সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা, টেকসই বিনিয়োগকে সহায়তা দেওয়া এবং অংশীজনদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে বাণিজ্যমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণ প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, “এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ নতুন এক অর্থনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে।
আমরা স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা এবং এলডিসিভিত্তিক অনেক বাণিজ্যিক অগ্রাধিকার হারাবো। তাই এখন থেকেই আমাদের অর্থনীতিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব করে তুলতে হবে।”
তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের লজিস্টিক কস্ট টু জিডিপি রেশিও প্রায় ১৬ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় প্রায় ১০ শতাংশ।
এই ব্যয় কমাতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ইতোমধ্যে একটি টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব একটি ড্যানিশ কোম্পানিকে দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও আন্তর্জাতিকভাবে দক্ষ প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিনিয়োগ পরিবেশ সহজীকরণের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন অনুমোদন ও লাইসেন্সের জন্য বহু প্রতিষ্ঠানের দ্বারে যেতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও জটিল।
সরকার এমন একটি ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে, যেখানে কোন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের পরই অস্থায়ী অনুমোদন পাবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। পরবর্তী ১২ মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্থায়ী অনুমোদন ও লাইসেন্স সংগ্রহের সুযোগ থাকবে।
তিনি আরও বলেন, “আমরা ওয়ান-স্টপ সার্ভিসকে সত্যিকারের ওয়ান-স্টপ সার্ভিসে পরিণত করতে চাই। বিনিয়োগকারীদের আর এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরতে হবে না।”
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের উৎপাদিত প্রতিটি পণ্য-তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য কিংবা পাটজাত পণ্য—সবকিছুকেই টেকসই হতে হবে।
তিনি বলেন, “বিশ্ব আজ উপলব্ধি করেছে যে পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস করে মানবসভ্যতা টিকে থাকতে পারে না।
তবে উন্নয়নশীল বিশ্বের মানুষের মধ্যে এই উপলব্ধিও রয়েছে যে বর্তমান কার্বন ও দূষণ সংকটের জন্য প্রধানত দায়ী উন্নত অর্থনীতিগুলো।
তাই একটি টেকসই বৈশ্বিক ভবিষ্যৎ নির্মাণে উন্নত দেশগুলোকেই নেতৃত্ব দিতে হবে।”
সেমিনারে বক্তারা বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাতে সার্কুলার অর্থনীতির প্রসার, টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

» দোয়ারাবাজারে উন্নয়নের ঝড়; এমপি কলিম উদ্দিন মিলনের দুই শত কোটি টাকার মহাপ্রকল্প ঘোষণা
Published: ০৬. মে. ২০২৬ | বুধবার
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে উন্নয়নের বাজিমাত
ছাতক সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বুধবার (৬ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক বিশাল উন্নয়ন সভায় সুনামগঞ্জ-৫ (দোয়ারাবাজার-ছাতক) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন ঘোষণা করলেন, প্রায় দুই শত কোটি টাকার উন্নয়ন মহাপ্যাকেজ।
সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলতাফুর রহমান খছরু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মানিক মাস্টার।
সভায় এমপি মিলন বলেন, “দোয়ারাবাজারকে পিছিয়ে পড়া উপজেলা হিসেবে আর কেউ দেখবে না-যোগাযোগ, শিক্ষা ও অবকাঠামো নির্মাণে আমূল পরিবর্তন এনে দেব।” এরপরই তিনি একের পর এক বড় প্রকল্প ঘোষণা করেন।
সড়ক উন্নয়নে রেকর্ড বরাদ্দ ঘোষণা অনুযায়ী- ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিটিশ পয়েন্ট-বাংলাবাজার ২.৫ কিমি সড়ক, সমপরিমাণ ব্যয়ে দোয়ারা-বোগলা ৫ কিমি সড়ক, বাংলাবাজার-হকনগর-বোগলা রোডে ৭ কোটি, আমবাড়ি-বদরপুর-রামপুর রোডে ৬ কোটি, ছাতক-সুনামগঞ্জ রোড থেকে গুরেশপুর পর্যন্ত ৫ কোটি, দোহালিয়া-মঙ্গলপুর-ধর্মপুর সড়কে ৪ কোটি বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়।
এ ছাড়া রাবার ড্যাম-চকবাজার ৩.৩ কিমি সড়কে ৭ কোটি, নরসিংপুর ইউনিয়ন অফিস-শারফিন নগরে ৩.৫ কোটি, নরসিংপুর-ছাতক বাজার রোডে ৩ কোটি বরাদ্দ দেওয়া হয়।
আরও ২.৭৫ কোটি টাকা করে সোনাপুর-নাছিমপুর, খন্ডারগাঁও–নেতর ছইড়, খায়ারগাঁও গ্রাম্য রাস্তা এবং শ্রীপুর-পলিরচড় সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বালিউরা-নেদার কান্দিতে ১.৪০ কোটি এবং প্রতাপপুর-বিয়ানীবাজার সড়কে ২ কোটি টাকা বরাদ্দও ঘোষণা করেন তিনি।
শিক্ষা খাতে বিরল বিপ্লব রাগীব রাবেয়া উচ্চ বিদ্যালয়, লিয়াকতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ সহ মোট ১১টি প্রতিষ্ঠানে প্রতি ভবনে ১.৫ কোটি টাকায় নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে।
নৈনগাঁও, পশ্চিম মাছিমপুর, বাঁশতলাসহ ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ কোটি টাকা করে নতুন ভবন এবং আরও ১০টি বিদ্যালয়ে ২ কোটি টাকা করে উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হবে।
সংস্কার ও সুরক্ষায় নতুন বরাদ্দ বগুলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টেংরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে ৮০ লক্ষ টাকা করে সংস্কার ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপি নেতা সামছুল হক নমু ও আলহাজ্ব আব্দুল বারী। সমাবেশে জনতার ঢল নেমে আসে।
সভার শেষে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দোয়ারাবাজারকে আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
» সিলেট উইমেন্স নার্সিং কলেজের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম
Published: ০৬. মে. ২০২৬ | বুধবার
চিকিৎসা সেবায় নার্সদের ভূমিকা অপরিসীম : প্রফেসর ডা. ফজলুর রহিম কায়সার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান ও হলি সিলেট হোল্ডিং লিমিটেডের পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. ফজলুর রহিম কায়সার বলেছেন, নার্সিং পেশা হচ্ছে মহৎ পেশা।
এই পেশার মাধ্যমে মানবসেবা করা যায়। নার্সিং শুধু একটি পেশা নয়, বরং সেবার ব্রত হিসেবে দেখা হয়।
একজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ বা চিকিৎসা চললেও, রোগীর ২৪ ঘণ্টা দেখাশোনা এবং মানসিক সাহস জোগানোর মূল কাজটি নার্সরাই করে থাকেন।
তিনি বলেন, আধুনিক চিকিৎসা সেবায় নার্সদের ভূমিকা অপরিসীম। নিবেদিতপ্রাণ নার্সদের কারণেই পৃথিবীর বহু মানুষ নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে। সিলেট উইমেন্স নার্সিং কলেজ উন্নত শিক্ষা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ নার্স তৈরি করে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি আরো বলেন, অসুস্থ মানুষের সেবা করার মাধ্যমে যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়, তা অন্য অনেক পেশায় পাওয়া যায় না। একটি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পুরো সেবা কার্যক্রম নার্সদের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।
একজন দক্ষ নার্স শুধু সেবাই দেন না, বরং রোগীর সাথে গভীর মমতা ও ধৈর্যের সাথে আচরণ করেন, যা রোগীর দ্রুত সুস্থতায় সহায়ক হয়। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এই পেশার ব্যাপক চাহিদা ও সম্মান বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি শিক্ষার্থীদের নার্সিং পেশার মহত্ত্ব তুলে ধরে নিষ্ঠার সাথে পড়াশোনা করার আহ্বান জানান।
বুধবার (৬ মে) সকাল ১১টায় নগরীর বাগবাড়িস্থ সিলেট উইমেন্স নার্সিং কলেজের নতুন ক্যাম্পাসে ২০২৫-২০২৬ সেশনের শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে ‘ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
অনুষ্ঠানে বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং (৭ম ব্যাচ), পোস্ট বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং (৬ষ্ঠ ব্যাচ) এবং ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি (১১তম ব্যাচ)-এর নবীন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়।
সিলেট উইমেন্স নার্সিং কলেজের প্রিন্সিপাল ড. মো. সুরুজ উল্লাহ সুমন-এর সভাপতিত্বে ও এসিসট্যান্ট প্রফেসর সেলিনা বেগম এবং ক্লিনিক্যাল ইন্সট্রাক্টর আয়েশা সুলতানার যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হলি সিলেট হোল্ডিং লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম, ব্যাবস্থাপনা পরিচালক প্রফেসর ডা. ওয়েস আহমেদ চৌধুরী, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল ও হাসপাতালের পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) ডা. সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন, সিলেট উইমেন্স নার্সিং কলেজ কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. আজির উদ্দিন আহমেদ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ফিজিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মাসুদুল আলম, সিলেট উইমেন্স নার্সিং কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল উপাধ্যক্ষ রুজি বেগম, হলি সিলেট হোল্ডিং লিমিটেডের স্পন্সর ডিরেক্টর সিরাজুল হক।
শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নার্সিং কলেজের লেকচারার মো: মিসবাহ উদ্দিন। নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএসসিইন নার্সিংয়ের ছাত্র আমিনুল রহমান মামুন, ১ম বর্ষে ছাত্রী নুসরাত জাহান ঋতু, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সাইন্স এন্ড মিডওয়াইফারী ৩য় বর্ষের ছাত্রী ফৌজিয়া আক্তার।
অনুষ্ঠানে বিএসসিইন, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সাইন্স এন্ড মিডওয়াইফারী এবং পোস্ট বেসিক বিএসসিইন নার্সিং এর কোর্স পরিচিতি ডকুমেন্টারি তুলে ধরেন সিলেট উইমেন্স নার্সিং কলেজের এসিসট্যান্ট প্রফেসর শফিকুল ইসলাম এবং ক্লিনিক্যাল ইন্সট্রাক্টর তাহমিনা আক্তার।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সাইন্স এন্ড মিডওয়াইফারীর ২য় বর্ষের ছাত্র রোমন আহমদ।
অতিথিদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করেন, ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মনি, নাদিরা জাহান লিজা, রিমা গুপ্তা, প্রিমা রানী দাস, দীপিকা গোস্বামী, দেবদ্রুতি দাস মমো, নূর হালিজা মিম।
অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেট রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
Published: ০৬. মে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং কলেজে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিএসসি ইন নার্সিং ও ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি কোর্সের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও ক্লাস কার্যক্রমের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) কলেজ প্রাঙ্গণে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. শামিমুর রহমান বলেন, আর্তমানবতার সেবায় নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করাই হবে শিক্ষার্থীদের মূল লক্ষ্য।
কলেজের কঠোর নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রেখে মানসম্মত শিক্ষা অর্জনে মনোযোগী হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং চিকিৎসা সেবায় দক্ষ ও মানবিক নার্স হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সিলেট রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ রেনোয়ারা আক্তার-এর সভাপতিত্বে ও যুবায়ের আহমেদ এবং অনামিকা চন্দ এর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট রেড ক্রিসেন্ট মাতৃমঙ্গল হাসপাতাল, শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ও নার্সিং কলেজের ভাইস চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম, সিলেট রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং কলেজের গভর্নিং বডি সদস্য অধ্যাপক ডাঃ মাসুদুল আলম, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের সেক্রেটারি ও গভর্নিং বডির সদস্য ভিপি মাহবুবুল হক চৌধুরী, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যকরী সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন সামুন, আবু সাঈদ, পারভেজ আহমদ, সিলেট ইউনিটের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান জীবন, ডা. তৌহিদ চৌধুরী, পূজা আচার্য্য, আসমা বেগম ও চৌধুরী লাবিব ইয়াসির।
বক্তব্য রাখেন, স্নিগ্ধা পাল ছষ্টি, ইকরামুল রিদন মিল্কি, সুস্মিতা পাল। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নওশীন ফেরদোছী কলি, জামিলা যাহান স্বর্ণা।
অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং নতুন শিক্ষাবর্ষের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
পরিশেষে কলেজের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
» বর্জ ব্যাবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালায় সিসিক প্রশাসক
Published: ০৬. মে. ২০২৬ | বুধবার
বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও টেকসই করে একে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে সিটি কর্পোরেশন।
তিনি বলেন, কঠিন বর্জ্য শুধু অপসারণ নয়, বরং তা থেকে বায়ো-প্রোডাক্ট উৎপাদনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে কারিগরি সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘বাংলাদেশে নগরভিত্তিক পানি চক্রের টেকসই রূপান্তর (SUWC)’ প্রকল্পের আওতায় ‘সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জন্য কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (SWM) পরিকল্পনা প্রণয়ন’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, “সিলেটকে একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২১ অনুযায়ী আমরা ‘রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল (3R)’ পদ্ধতির পাশাপাশি সার্কুলার ইকোনমি বাস্তবায়নে কাজ করছি।
এই কর্মশালার মাধ্যমে যে ৫ বছর মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে, তা ভবিষ্যতে বর্জ্যমুক্ত সিলেট গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “স্টেকহোল্ডারদের মতামত, কারিগরি দক্ষতা ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু-সংবেদনশীল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।”
সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও এসএনভি (SNV)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোহাম্মদ উল্লাহ সজিব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, এলজিইডি, সাংবাদিকবৃন্দ, ব্যবসায়িক প্রতিনিধি ও বিভিন্ন এনজিও কর্মকর্তাগন।
কর্মশালায় সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় নগরীর পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জনে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় সহায়তা করেন, ITN BUET-এর পরিচালক রওশন মমতাজ।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন, এসএনভি’র নগরভিত্তিক পানি চক্রের টেকসই রূপান্তর প্রকল্পের গভর্ন্যান্স অ্যাডভাইজার প্রশান্ত রঞ্জন শর্মা রায় এবং ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর মোছাম্মদ রাহিমা বেগম।

» বৃহত্তর জৈন্তিয়া উন্নয়ন পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন; সভাপতি হান্নান, সম্পাদক গোলজার
Published: ০৬. মে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
বৃহত্তর জৈন্তিয়া তথা জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাধারণ জনগনের জীবনমান উন্নয়ন এবং অবহেলিত, বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া জৈন্তিয়াবাসীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত বৃহত্তর জৈন্তিয়া উন্নয়ন পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
১০ দফা দাবি নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে অরাজনৈতিক সংগঠন বৃহত্তর জৈন্তিয়া উন্নয়ন পরিষদ দীর্ঘদিন থেকে কাজ করছে।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে সিলেট নগরীর বন্দরবজারস্থ মধুবন সুপার মার্কেটের চতুর্থ তলায়- সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফয়েজ আহমদ এর সভাপত্বিতে ও পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব প্রভাষক মহিউদ্দিন জাকারিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বৃহত্তর জৈন্তিয়া উন্নয়ন পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।
সিলেট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রবিণ সাংবাদিক এম এ হান্নান কে সভাপতি ও সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক গোলজার আহমেদ হেলালকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭৩ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সহ সভাপতি আবুল মনসুর চৌধুরী সাজু, সাংবাদিক ফয়েজ আহমেদ, সাবেক চেয়ারম্যান এমএ রহিম, ডা. মুন্তাজিম আলী,উমর ফারুক, মাওলানা এহসান উদ্দিন, সহ সভাপতি ডা. মঈনুল হক, মাওলানা হোসাইন আহমেদ, মাওলানা আব্দুল খালিক,প্রভাষক আসাদুল আলম চৌধুরী, একেএম অলি উল্লাহ, মোশাহিদ আলী,হাফিজ তাজুল ইসলাম, মাওলানা নিজাম উদ্দিন, পলিনা রহমান (সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান) আনিছুর রহমান, মাওলানা শরিফ আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক মুহি উদ্দিন জাকারিয়া, যুগ্ম সম্পাদক এ এসএম কামাল উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রহমান আল মিছবাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব হোসাই, সহ সাংগঠনিক আজির উদ্দিন, মিছবাহ হুল ইসলাম চৌধুরী ও ফাহিম আহমেদ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ, সহ গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসাইন ও আলী হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক আমীর উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল হাসান নাঈম, শিল্প ও বানিজ্য সম্পাদক আবুল হোসেন, আইন বিষয়ক এডভোকেট কবির আহমেদ, সহ আইন বিষয়য়ক এডভোকেট নুরুল আলম আলমাস ও এডভোকেট মাসুক আহমেদ, সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, উলামা বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মকবুল হোসেন, সহ উলামা বিষয়ক মাওলানা মুহিবুল হক ও মাওলানা হাবিবুর রহমান, কৃষি বিষয়ক ইমাম উদ্দিন, পর্যটন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, তথ্য ও পযুক্তি বিষয়ক সোয়েব রানা, সহ-তথ্য ও পযুক্তি বিষয়ক আশরাফুল আলম, ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক আজমল হোসেন, সহ ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক জাকির হোসেন, প্রবাস বিষয়ক সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক এহসানুল হক জসিম, চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, খুদেজা রহিম কলি (সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান) আলতাফ হোসেন বিলাল, আব্দুল বাসিত সেলিম, জেএ কাজল খান, মাওলানা লুৎফর রহমান, সিরাজ উদ্দিন, মাস্টার আবুল খায়ের, হেলাল আহমেদ, জুবায়ের আহমদ, অধ্যক্ষ আব্দুল মালিক, সাদিকুর রহমান তানভীর, মহি উদ্দিন ফয়ছল, তোফায়েল আহমেদ, আনোয়ার, জামিলুর রহমান, আতাউর রহমান, নাসির উদ্দীন, গোলজার হোসেন সুমন, কিউ এম ফারুক আহমেদ, ইকবাল হোসেন ইমন,মামুনুর রশীদ মুন্না, দিলদার হোসেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন, বৃহত্তর জৈন্তিয়া উন্নয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি এম এ হান্নান, সাধারণ সম্পাদক গোলজার আহমেদ হেলাল, সিনিয়র সহ সভাপতি ফয়েজ আহমেদ, সহসভাপতি ডা. মঈনুল হক, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মুহি উদ্দিন জাকারিয়া, কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রহমান আল মিছবাহ, শিক্ষা সংস্কৃতি সম্পাদক আলমগীর হোসেন সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ফাহিম আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ হাসান নাঈম, আইন বিষয়য়ক এডভোকেট কবির আহমেদ, ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক আজমল হোসেন, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সোয়ের রানা প্রমূখ।
» সিলেটে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের কর্মী সভায়
Published: ০৬. মে. ২০২৬ | বুধবার
ইজতেমা সফলের আহবান পীর সাহেব বরুণীর
নিউজ ডেস্কঃ
আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম সিলেট জেলা শাখার কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) সিলেট নগরীর কুমারপাড়াস্থ মালঞ্চ কমিউনিটি সেন্টারে বিকাল ৩টা থেকে এই কর্মী সম্মেলন শুরু হয়।
আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম সিলেট জেলা শাখার আমীর মাওলানা আব্দুল কাদির বাগরখালির সভাপতিত্বে ও জেলা শাখার নাইবে নাজিম মাওলানা আতিকুর রহমান নুমানী এবং মাওলানা আব্দুল ওদুদ এর যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় মুহতারাম আমীর শায়খুল হাদিস মুফতি মোহাম্মদ রশীদুর রহমান ফারুক পীর সাহেব বরুণা।
তিনি বলেন, দলমত নির্বিশেষে সকল মুসলমানকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম।
ঈমানি ভিত মজবুত করার জন্যে এবং আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামকে দেশব্যাপি প্রসারিত করার লক্ষ্যে আগামী ৩০ অক্টোবর রাজধানী্র সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আজিমুশ্বান ইজতেমা সফলের আহবান জানান দেশবাসীকে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সংগঠন এর নাইবে আমীর মাওলানা আফজাল হোসেন বর্ণভী, নাজিম মাওলানা মাওলানা সা’দ আমীন।
কর্মী সম্মেলন অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলার নাইবে আমীর মাওলানা বশির আহমদ, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন, নাজিম হাফিজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান, গোলাপগঞ্জ উপজেলার আমীর হাফিজ মাওলানা আব্দুল গফফার, মাওলানা শিব্বির আহমদ, মাওলানা আব্দুল মালিক, মাওলানা ক্বারী আব্দুল মতীন, মুফতী মাহমুদ, হাফিজ মাওলানা মামুনুর রশীদ, মাওলানা ছমির আহমদ, মাওলানা খায়রুল আমীন মাহমুদাবাদী, মাওলানা আশরাফ আলী মিয়াজানী, আমিরুজ্জামান চৌধুরী দুলু প্রমুখ।

