শিরোনামঃ-

» জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল) ২০২৬ এর সিলেট ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল) ২০২৬ এর সিলেট ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত সিলেট বিভাগ বনাম ময়মনসিংহ বিভাগ দলের মধ্যকার ম্যাচ ড্র হয়েছে।

ম্যাচ শেষে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ ময়মনসিংহ দলের খেলোয়াড় রবিনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

» ছড়া-ড্রেনে ময়লা ফেললে জলাবদ্ধতা ও রোগজীবাণু ছড়াবে : সিসিক প্রশাসক

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

ভূবি ছড়া দখলমুক্ত ও পরিষ্কার রাখার উদ্যোগ

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব শুধু সিটি কর্পোরেশনের নয়, এটি পুরো নগরবাসীর দায়িত্ব।

সবাই নিজ নিজ ঘরবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখলে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের লন্ডন টাওয়ার সংলগ্ন ভূবি ছড়া এবং আগপাড়া কালভার্ট সংলগ্ন ভূবি ছড়া সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, আমরা নগরবাসীকে সচেতন করার চেষ্টা করছি। স্কুলে গিয়ে শিশুদেরও সচেতন করা হচ্ছে, যাতে তারা বাড়িতে গিয়ে অভিভাবকদের বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন করতে পারে।

পলিথিনে ময়লা-আবর্জনা ভরে ছড়া বা ড্রেনে ফেললে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হবে।

এতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি পানি দূষিত হয়ে বিভিন্ন রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকবে।

তিনি বলেন, আগপাড়া মৌসুমী আবাসিক এলাকায় বিভিন্ন স্থানে ড্রেন ও খালের জায়গা দখল করে অনেকে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন।

পানি প্রবাহের জন্য এই খাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ময়লা-আবর্জনা ফেলা এবং বিভিন্ন স্থানে ছড়া দখল করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, এই ছড়াটি একসময় অনেক প্রশস্ত ছিল। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে এটি সরু হয়ে গেছে। আমরা সার্ভে করে ছড়ার প্রকৃত অংশ চিহ্নিত করব।

যাঁরা ছড়া ও খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন, তাদের স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হবে। স্বেচ্ছায় জায়গা ছেড়ে দিলে সবারই উপকার হবে। কেউ স্বেচ্ছায় জায়গা ছেড়ে না দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছড়া ও ড্রেনে আবর্জনা না ফেলতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, এই ছড়াটি যেখান থেকে শুরু হয়েছে, সেখানে পানির স্বচ্ছতা রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন স্থানে পলিথিন ও বর্জ্য ফেলার কারণে এখানকার পানি কালো হয়ে গেছে এবং মারাত্মকভাবে দূষিত হয়েছে।

তাই নগরবাসীকে আরও সচেতন হতে হবে এবং ছড়া, খাল ও ড্রেনে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলার জন্য অনুরোধ করছি।

পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক ভূবি ছড়ার জবরদখলকৃত অংশগুলো চিহ্নিত করে লাল চিহ্ন দেওয়ার মাধ্যমে সেগুলো উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

এ সময় সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদিন, প্রকৌশলী সুমন চন্দ্র দেব, সাবেক কাউন্সিলর এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জল, লন্ডন প্রবাসী মিনহাজুর রহমান মিনহাজ, সহকারী প্রকৌশলী সুলতানা জাহান শারমিন এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল মতিন উপস্থিত ছিলেন।

শাহজালাল উপশহরে সড়কের কাজ পরিদর্শন
পরে সিসিক প্রশাসক শাহজালাল উপশহরের ‘ই’ ব্লকের ৬ নম্বর সড়কের আরসিসি ঢালাই কাজ পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি নির্মাণকাজের গুণগত মান সরেজমিনে যাচাই করেন এবং কাজের মান বজায় রেখে নির্ধারিত মান অনুযায়ী নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

এ সময় সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারী, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইসমাঈলুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী আহমেদ রহমান ও জাবেদ আহমদ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মেঘনা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ফাহাদ আহমদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

» সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে আরও জনবান্ধব হিসেবে গড়তে চাই : সিসিক প্রশাসক

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, দীর্ঘ কর্মজীবনে যারা সিলেট সিটি কর্পোরেশনে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নগরবাসীকে সেবা দিয়েছেন, অবসর গ্রহণের পরও তাদের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সিটি কর্পোরেশন সবসময় তাঁদের পাশে থাকবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে নগর ভবন সভাকক্ষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ তহবিলের অবশিষ্ট অর্থের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, “সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্তরিকতার সঙ্গে নগরবাসীকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

তাঁদের দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার ওপরই প্রতিষ্ঠানের সেবার মান অনেকাংশে নির্ভর করে। আমরা সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে আরও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”

তিনি বলেন, “জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে সিসিকের সুনাম রয়েছে।

তবু এ বিষয়ে আমাদের আরও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। নগরবাসী যাতে সিটি কর্পোরেশন থেকে সহজে, স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং হয়রানিমুক্তভাবে সেবা পান, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

সবার সহযোগিতায় সিটি কর্পোরেশনকে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”

অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কল্যাণের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মজীবনে যাঁরা প্রতিষ্ঠানের জন্য সময় ও শ্রম দিয়েছেন, তাঁদের অবসর-পরবর্তী কল্যাণ নিশ্চিত করাও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের অংশ।

কল্যাণ তহবিলের মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশে থাকার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর ও প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন প্রধান এসেসর মো. আব্দুল বাছিত, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আ ন ম মনছুফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হানিফুর রহমান, মো. মাহবুবুর রহমান, কবির উদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

» ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে চাই সম্মিলিত উদ্যোগ, সচেতনতার বিকল্প নেই

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

মাওলানা মো. ছালিম আহমদ খানঃ
বর্ষা এলেই বাংলাদেশে ডেঙ্গুর আতঙ্ক নতুন করে দেখা দেয়। তবে ডেঙ্গু এখন আর কেবল বর্ষাকেন্দ্রিক একটি মৌসুমি রোগ হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই।

বছরের বিভিন্ন সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হচ্ছে। এর ফলে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ, উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে পরিবারগুলো।

বিশেষ করে জ্বরের পাশাপাশি ডেঙ্গুর জটিলতা দেখা দিলে পরিস্থিতি দ্রুত গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।

ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকারী এডিস মশাই এই রোগের প্রধান বাহক। কিন্তু এডিস মশার বিস্তারকে শুধু মশার সমস্যা হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি বোঝা যাবে না।

আমাদের চারপাশে জমে থাকা পানি, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবনে জমে থাকা পানি এবং নাগরিক অসচেতনতার সঙ্গে ডেঙ্গুর বিস্তারের সম্পর্ক রয়েছে।

সামান্য জমা পানিই হয়ে উঠতে পারে বড় ঝুঁকি

এডিস মশা সাধারণত মানুষের বসতবাড়ির কাছাকাছি ছোট ছোট পাত্র বা স্থানে জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করতে পারে।

বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা আঙিনায় পড়ে থাকা বোতল, কৌটা, টব, পুরোনো টায়ার, ডাবের খোসা অথবা যেকোনো পাত্রে পানি জমে থাকলে সেখানে মশার প্রজননের সুযোগ তৈরি হয়।

অনেক সময় বড় কোনো জলাশয়ের দিকে আমাদের নজর থাকে, অথচ ঘরের আশপাশে থাকা ছোট একটি পাত্রের জমা পানিকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। অথচ ডেঙ্গু প্রতিরোধে এই ছোট ছোট জায়গাগুলোই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেন বাড়ছে ডেঙ্গুর ঝুঁকি?

ডেঙ্গুর বিস্তারের পেছনে একক কোন কারণ নেই। শহর ও নগর এলাকায় দ্রুত জনবসতি বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি, পানি নিষ্কাশনের সমস্যা এবং বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘসময় পানি জমে থাকার সুযোগ এডিস মশার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।

এর সঙ্গে আবহাওয়ার পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ। তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও আর্দ্রতার পরিবর্তন মশার বিস্তার ও রোগ সংক্রমণের পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে শুধু একটি নির্দিষ্ট মৌসুমে নয়, বছরের অন্যান্য সময়েও ডেঙ্গুর ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

জ্বর হলেই অবহেলা নয়

ডেঙ্গুর অন্যতম সাধারণ উপসর্গ জ্বর। এর সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীর ও পেশিতে ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বমি ভাব কিংবা শরীরে র‍্যাশ দেখা দিতে পারে। তবে সব রোগীর উপসর্গ এক রকম নাও হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জ্বর কমে যাওয়াকে সবসময় সুস্থ হয়ে যাওয়ার লক্ষণ হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। ডেঙ্গুর কিছু গুরুতর জটিলতা জ্বর কমার সময় বা পরবর্তী সময়ে দেখা দিতে পারে।

তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, রক্তপাত, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্বাভাবিক অস্থিরতা, দ্রুত শ্বাস নেওয়া, শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কিংবা রোগীর অবস্থার হঠাৎ অবনতি হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং অন্যান্য শারীরিক জটিলতা থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অবহেলা করা উচিত নয়।

ডেঙ্গু প্রতিরোধের শুরুটা হতে হবে ঘর থেকেই

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপগুলোর একটি হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। এর জন্য নিয়মিত বাড়ির ভেতর ও আশপাশ পরিদর্শন করা দরকার।

যেসব পাত্রে পানি জমে থাকতে পারে সেগুলো খালি করে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনীয় পানির পাত্র ঢেকে রাখতে হবে। ফুলের টব, ছাদ, বারান্দা, ড্রেনের আশপাশ, পুরোনো টায়ার ও পরিত্যক্ত সামগ্রীতে পানি জমে আছে কি না-নিয়মিত দেখতে হবে।

শুধু নিজের বাড়ি পরিষ্কার রাখলেই দায়িত্ব শেষ নয়। পাশের বাড়ি, গলি, নির্মাণাধীন ভবন কিংবা প্রতিষ্ঠানের আশপাশেও যদি পানি জমে থাকে, তাহলে সেখান থেকেও মশার বিস্তার ঘটতে পারে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজন এলাকাভিত্তিক উদ্যোগ।

দিনের মশা, তাই দিনের সুরক্ষাও জরুরি

অনেকের ধারণা, মশা মূলত রাতে কামড়ায়। এডিস মশার ক্ষেত্রে এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। দিনের বেলাতেও এডিস মশা সক্রিয় থাকতে পারে। তাই শুধু রাতে মশারি ব্যবহার করাই যথেষ্ট নয়; দিনের বেলাতেও মশার কামড় এড়ানোর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

সম্ভব হলে শরীরের অধিকাংশ অংশ ঢেকে রাখা, জানালা-দরজায় নেট ব্যবহার করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মশা প্রতিরোধক ব্যবহার করা যেতে পারে।

শুধু মশা মারলে হবে না, জন্মস্থানও ধ্বংস করতে হবে

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশা নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি এলাকায় নিয়মিত ওষুধ ছিটালেও যদি সেখানে পানি জমে থাকার জায়গাগুলো অক্ষত থাকে, তাহলে নতুন করে মশা জন্মানোর সুযোগ থেকেই যায়।

তাই সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি নাগরিকদেরও নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিতে হবে। নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস, মার্কেট এবং আবাসিক ভবনের ব্যবস্থাপনাকেও এ বিষয়ে সক্রিয় হতে হবে।

ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন

ডেঙ্গু মোকাবিলাকে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব হিসেবে দেখলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। এটি একই সঙ্গে স্বাস্থ্য, পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক ব্যবস্থাপনার বিষয়।

প্রতিটি পরিবার যদি সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজের ঘর ও আশপাশে জমে থাকা পানি খুঁজে পরিষ্কার করে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যদি নিজস্ব প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখে এবং স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তাহলে এডিস মশার প্রজনন অনেকটাই কমানো সম্ভব।

ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র কোন একটি ওষুধ বা একটি প্রতিষ্ঠানের একক উদ্যোগ নয়; বরং সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা এবং সম্মিলিত দায়িত্ববোধ।

আজ একটি ছোট পাত্রের জমে থাকা পানি ফেলে দেওয়া হয়তো খুব সাধারণ একটি কাজ মনে হতে পারে। কিন্তু সেই কাজটিই হয়তো আগামীকাল একটি পরিবারকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে পারে।

তাই ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা ও দ্রুত পদক্ষেপ।

নিজের ঘর থেকে শুরু হোক পরিচ্ছন্নতার অভিযান, আর সম্মিলিত উদ্যোগে গড়ে উঠুক ডেঙ্গুমুক্ত পরিবেশ।

চেয়ারম্যান, হাফিজ সোসিয়াল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন

» ১১ অক্টোবর রেজিষ্টারী মাঠে নাগরিক সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে : আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

বি.কে.এম সিলেট মহানগরীর ৩৯নং ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ

নিউজ ডেস্কঃ

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানী তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ এর সংকট ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির প্রতিবাদে ১১ অক্টোবর রেজিস্টারী মাঠে বি.কে.এম মুহতারাম আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হকের বিশাল নাগরিক সমাবেশ সফলের লক্ষ্যে বি.কে.এম সিলেট মহানগরীর ৩৯নং ওয়ার্ডে টুকেরবাজার, পীরপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ, পথসভা ও লিফলেট বিতরণ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাদ মাগরিব অনুষ্ঠিত হয়।

গণসংযোগকালে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম বলেন, বি.কে.এম দেশ, জাতি ও ইসলামের কল্যাণে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ১১ অক্টোবর রেজিষ্টারী মাঠে আল্লামা মামুনুল হকের নাগরিক সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি আমীরে মজলিস শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হকের দেশব্যাপী নাগরিক সমাবেশের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ১১ অক্টোবর সিলেট ঐতিহাসিক রেজিষ্টারী মাঠে বিশাল নাগরিক সমাবেশ সফলের লক্ষ্যে সংগঠনের বিভিন্ন ওয়ার্ড শাখা থেকে নেতাকর্মী ও সিলেটের সর্বস্তরের জনগণকে উপস্থিত থেকে সমাবেশকে সফল করে তুলার আহবান জানান।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বি.কে.এম মহানগর সহ-সভাপতি কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা পীর আব্দুল জব্বার, সহ-সভাপতি, কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য মাওলানা মুহিবুর রহমান, জেলা সহ-সভাপতি হাফিজ কাজী জুনায়েদ আহমদ, মহানগর সাাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফার, নির্বাহী সদস্য মাওলানা আইয়ুব আলী কামালী।

এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন শ্রেনিপেশার ব্যক্তিবর্গ গণসংযোগে অংশগ্রহণ করেন।

» প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাবে নতুন প্রজন্ম ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে : মুফতি আলী হাসান উসামা

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

সিলেটে জামেয়া নাজিরেরগাঁওয়ে সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি, দাঈ ইলাল্লাহ, লেখক ও গবেষক মুফতি আলী হাসান উসামা বলেছেন, প্রযুক্তির উন্নতি ও উৎকর্ষতায় দুনিয়া যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, একইভাবে নতুন প্রজন্ম এর নেতিবাচক প্রভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে।
কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মোবাইল ডিভাইসে আসক্ত, অনেক সমাধানও সহজেই করতে পারে। কিন্তু তা যে তাদের জন্য কত ভয়ংকর, অভিভাবকদের উপলব্ধি করতে হবে।
রাসুলের (সা.) জীবনের সৌন্দর্য, চারিত্রিক অতুলনীয় দৃষ্টান্ত ও আদর্শের অনুপম গল্প তাদের কর্ণকুহরে পৌঁছে দেয়া জরুরী। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি উসওয়ায়ে হাসানাহ।

তিনি মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা নাজিরেরগাঁও সিলেট আয়োজিত সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।

শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা পাঠানটুলার অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দীর সভাপতিত্বে এবং সীরাত উদযাপন কমিটির আহবায়ক মাওলানা হানীফ হোসাইন ও সদস্য সচিব মাওলানা আমীর হোসাইনের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাজিরেরগাওঁ শাখা ইনচার্জ মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার।

প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা পেশ করেন, দি সিলেট ইসলামিক সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফজলুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাফিজ আব্দুল হাই হারুন ও শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা পাঠানটুলার উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার।
অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ সীরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৪নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সোহেল আহমদ রিপন, জামেয়া নাজিরেরগাঁও শাখার সাবেক ইনচার্জ মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, সিলেট আইডিয়াল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আহমদ হোসাইন, ৩৮নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী প্রভাষক দুলাল আহমদ, ৩৯নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান, মাওলানা মঈনুল ইসলাম ও মাওলানা মুখতার হোসাইন।

শুরুতে কুরআন তিলাওয়াত করেন, শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম নাবিল, নাতে রাসুল (সা.) পরিবেশন করেন, দিশারী শিল্পী গোষ্ঠী, সিলেটের সাবেক পরিচালক শিল্পী সানাউল ইসলাম সুয়েজ, শিক্ষক হাফিজ ইমরান আহমদ, শিক্ষার্থী তাওসীফ আহমদ, জোহান ও ছাত্রী সংসদের ভিপি রাফা আঞ্জুম।

উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, বিদায়ী শিক্ষক শেখ মো. ইউনুস আলী, শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান, আজিজুর রহমান, খোরশেদ আলম মহসিন, মো. শাহীন আলম, মাওলানা আবদাল হোসাইন, তানভীর হোসাইন, মনির হোসাইন, আলাউদ্দিন, হাফিজ মেহেদী হাসান, মাওলানা আব্দুল খালিক, মাওলানা কায়েস আহমদ, মাওলানা হোসাইন আহমদ, হাফিজ সাইদুজ্জামান, ছাত্র সংসদের ভিপি হাফিজ ফাহাদ আহমদ, জিএস আব্দুর রাজ্জাক সৈয়দ ও ছাত্রী সংসদের জিএস ফেরদৌসী জান্নাত নওশীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ফজলুর রহমান বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতির জন্য প্রতিযোগিতা অনন্য সুন্দর মাধ্যম।

শিক্ষার্থীদেরকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে মেধা ও চরিত্র গঠনের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আদর্শের প্রচার ও প্রসারে জাতি আলোর দিশা পাবে।

যাবতীয় অন্যায় ও অবিচার থেকে মুক্তির জন্য তাঁর আদর্শ অনুকরণ অনস্বীকার্য।

» যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে : নজরুল ইসলাম মুনিম

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

১৪নং ওয়ার্ডে মাদক, অনলাইন জুয়া ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণ

নিউজ ডেস্কঃ
ছড়ারপাড় পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ও ১৪নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম মুনিম বলেছেন, মাদক, জুয়া ও কিশোর গ্যাং আমাদের উদীয়মান তরুণ সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

এলাকার প্রতিটি সচেতন নাগরিক, অভিভাবক ও যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদক, জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।

এসব সামাজিক ব্যাধি শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজের জন্যই ভয়াবহ হুমকি। তাই এগুলো প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি সচেতন নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, মাদক, অনলাইন জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। সন্তানদের চলাফেরা, বন্ধুত্ব ও অনলাইন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অভিভাবকদের দায়িত্বশীল নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে তরুণ সমাজকে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। সামাজিক ব্যাধিগুলো প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ করে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়; প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন ও সম্মিলিত প্রতিরোধ।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ছড়ারপাড় এলাকাকে অপরাধমুক্ত, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল হিসেবে গড়ে তুলতে পঞ্চায়েত কমিটি ও যুব সংগঠনের পক্ষ থেকে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ উপহার দিতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে নগরীর ১৪নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পয়েন্টে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়ারপাড় পঞ্চায়েত কমিটি ও ছড়ারপাড় যুব উন্নয়ন সংঘ ‘সুগন্ধা’-এর যৌথ উদ্যোগে মাদক, অনলাইন জুয়া ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, ছড়ারপাড় পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম এ মতিন, উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য আলী আশরাফ চৌধুরী খালেদ, সাইফুল আলম খান কয়েছ, হাজী আব্দুর রহমান, হাবিবুর রহমান মজলাই, হাজী আব্দুল্লাহ, এনাম আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল আহমদ, কালাম আহমদ, দিদারুল ইসলাম সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল আহমদ, কোষাধ্যক্ষ সবুর আহমদ জালাল, প্রচার সম্পাদক আব্দুল নূর, সিনিয়র সদস্য দিলীপ আহমদ, ফয়সাল আহমদ, কয়ছর আহমদ, আনোয়ার হোসেন লায়েক, মুরাদ আহমদ, কয়েছ আহমদ, ছড়ারপাড় যুব উন্নয়ন সংঘ ‘সুগন্ধা’-এর সহ-সভাপতি জুবেদ খান, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আহমদ মাসুম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ খালেদ ও শমসুর রহমান ফয়েজ, কোষাধ্যক্ষ মাহমুদুল হাসান নাজির, সমাজসেবা সম্পাদক সুজন আহমদ, সিনিয়র সদস্য শহিদুর রহমান সনি, আনিসুর রহমান সাজু, আনিসুর রহমান রাজিব, রিপন আহমদ, রাহাত আহমদ, রিফাত আহমদ ও রেজোয়ান আহমদ রাহি সহ এলাকার বিভিন্ন স্তরের সর্বস্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সমাজ থেকে মাদক, অনলাইন জুয়া এবং কিশোর গ্যাংয়ের মতো মারাত্মক অপরাধমূলক কার্যক্রম নির্মূল করার লক্ষ্যে ১৪নং ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।

» জিয়া শিশু কিশোর সিলেট জেলার আহ্বায়ক কমিটি গঠন আহ্বায়ক মোস্তাক, সদস্য সচিব আজিজুল

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও বেগবান করার লক্ষ্যে ‘জিয়া শিশু কিশোর সংগঠন’ সিলেট জেলা শাখার ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

জিয়া শিশু কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় পরিষদের কার্যকরী সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন খান এবং সাধারণ সম্পাদক মীর মমিনুর রহমান সুজন যৌথ স্বাক্ষরে এই আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।

নবাগত কমিটিতে সৈয়দ মোস্তাক আলীকে আহ্বায়ক এবং আজিজুল হককে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ সেলিম আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু খালেদ রাজা, রেশাদ আহমদ, আলাউদ্দিন, মোঃ আব্দুর নূর, আনহার আলী তালুকদার, সায়েম উদ্দিন, মুস্তাক মাহমুদ, সদস্য মখলিছুর রহমান, আমির হোসেন, আব্দুর রহমান, মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, আমিরুল ইসলাম কবির, মোজাক্কির আলম, কামরুল হাসান, মামুন মিয়া, হাসান আহমদ, আব্দুল লতিফ ভিরাই, আলাউদ্দিন মনাই, মিজান আহমেদ মস্তাক, লোকমান আহমদ লুকু, ইসলাম উদ্দিন, সাবেল আহমদ, বদরুল হক, ফখরুল আমিন, সেলিম উদ্দিন, তালহা আহমদ অলি, কামরুল ইসলাম, আজাদুর রহমান জাহিদ, বদরুল ইসলাম ও জুবেল আহমেদ।

কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নবগঠিত এই ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে সিলেটে জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী হবে।

» সুনামগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা ও সংবর্ধনা প্রদান

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় অনুমোদিত সামাজিক সংগঠন ‘সুনামগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন সিলেট’-এর বার্ষিক সাধারণ সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় নগরীর একটি অভিজাত হোটেলের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সুনামগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে ও এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন তালুকদারের পরিচালনায় সভায় সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নব-নির্বাচিত সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এবং সুনামগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন সিলেটের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান।

সংবর্ধিত অতিথি তাঁর বক্তব্যে সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং সিলেটস্থ সুনামগঞ্জবাসীর কল্যাণ ও আইনি সহায়তায় সার্বিক পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আমরাফুর রহমান চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ মীর্জা আবুল কাসেম স্বপন, এস এম বোরহান, আলাফর খান, শ্যামল চৌধুরী, সাব্বির আহমদ, আব্দুল ওয়াদুদ প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেন, সুনামগঞ্জ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বলেন, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সহযোগিতা করা একটি মহৎ কাজ।

ভবিষ্যতেও সুনামগঞ্জ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন আরও ব্যাপক পরিসরে মানবিক ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বক্তারা সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে মানবিক কর্মকাণ্ড আরও জোরদার করার আহ্বান জানান এবং সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষকে কল্যাণমূলক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

» জাতিসংঘ সফর সফলভাবে সম্পন্ন করায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সিলেটে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ ও সফল সফর সম্পন্ন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে সিলেট নগরীতে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকিরুল ইসলাম চৌধুরী জিসানের নেতৃত্বে মিছিলটি বের হয়।

আনন্দ মিছিলটি সিলেট নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে গিয়ে পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়।

মিছিল শেষে পথসভায় আকিরুল ইসলাম চৌধুরী জিসান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশ্বমঞ্চে এই সফল এবং ঐতিহাসিক জাতিসংঘ সফর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মর্যাদা, ভাবমূর্তি ও দ্বিপাক্ষিক কূটনীতিকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছে।

তাঁর এই যুগান্তকারী নেতৃত্ব ও সফল সফর বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশাকে এক নতুন বার্তা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ছাত্রদল সর্বদা দেশের উন্নয়ন, সার্বভৌমত্ব ও দেশনেতার নির্দেশনায় রাজপথে সক্রিয় রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর ছাত্রদল নেতা কামরুল আলম চৌধুরী, মহানগর ছাত্রদলের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক সোহাগ ভূইয়া, ঢাকা দক্ষিণ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমদ, এমসি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সাঈদ আহমদ, সিলেট ইন্টান্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম পারভেজ, সিলেট মহানগর ২১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম চৌধুরী, মহানগর ছাত্রদল নেতা জাবির হোসাইন, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্রদল নেতা আশরাফুল ইসলাম জীবন, বুধবারী বাজার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জয়রুল ইসলাম, মহানগর ছাত্রদল নেতা মহসিন চৌধুরী, মো: খোবাইব ইসলাম, নাবিল চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম সহ মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।

» শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীদের সাথে অশালীন আচরণে নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনা এবং প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রীদের সাথে দায়িত্বপ্রাপ্তদের অশালীন ও অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ এ প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে দেশে টাকা পাঠান।

অথচ দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে ট্রলি পাওয়ার মতো মৌলিক সুবিধা থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

তার ওপর ট্রলি সংকট নিয়ে কথা বলতে গেলে রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের সাথে যে ধরনের অশালীন, অমার্জিত ও দুর্ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও মেনে নেওয়ার মতো নয়।

একই সাথে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত পরিমাণ ট্রলি নিশ্চিত করা এবং যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা ও উন্নত সেবা প্রদানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ট্রলির বিষয় নিষ্পত্তি করায় নেতৃবৃন্দ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বিবৃতি দাতার হলেন, বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ইদ্রিস আলী, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় হয়রানি শিকার হচ্ছেন তাদের ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন নেতৃবৃন্দ।

» তারেক রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে পূর্বের তুলনায় দেশের বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে : নাসিম হোসাইন

Published: ০৬. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
‘তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেলেও সেই তুলনায় বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়নি।
রাষ্ট্রনায়ক ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী ও যোগ্য নেতৃত্বের কারণেই বর্তমান সরকার দেশের বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে,’ বলে মন্তব্য করেছেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন।
মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের পূর্বের ও বর্তমান বাজার মূল্যের তুলনামূলক পর্যালোচনা সংবলিত লিফলেট বিতরণ পূর্বে সংক্ষিপ্ত সভায়  সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর পরিচালনায় নগরীর বন্দরবাজার সহ আশপাশের এলাকায়  সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মাঝে এই লিফলেট বিতরণ করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে নাসিম হোসাইন আরও বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সর্বদা সচেষ্ট।
আন্তর্জাতিক বাজারে নানা অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের কারণে দেশের বাজারে তার বড় ধরনের কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়তে দেওয়া হয়নি।
আমরা জনগণের দল, তাই সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে আমাদের এই তদারকি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি ও স্বস্তি নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা তৃণমূল মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে সরকারের উন্নয়ন ও বাজার স্থিতিশীলতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি।
কোন অপশক্তি যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে জন্য নেতাকর্মীদের অতন্দ্র প্রহরীর মতো ভূমিকা পালন করতে হবে।
লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে সিলেট মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি আমির হোসেন ও আফজাল উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজিবুর রহমান নজিব, মুর্শেদ আহমদ মুকুল, মাহবুবুল হক চৌধুরী, রেজাউল করিম আলো ও আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব,  সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. এম এ হক বাবুল, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান মোহন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সালেহ আহমদ গেদা, সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শাহিন আহমদ, নির্বাহী সদস্য কাজী মুহিবুর রহমান মুহিব, লল্লিক আহমদ চৌধুরী, মো. জমির উদ্দিন, সোহেল আহমদ, মতিউর রহমান শিমুল, আব্দুল মুমিন, মো. হারুনুর রশিদ এবং নুরুল ইসলাম, ৩৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আল মামুন খান, ৪২নং ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক ইউনুস মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক কবির আহমদ নুনু, আব্দুল মুকিত, মহানগর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সোলেমান আহমদ সিদ্দিকী, সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান ও তাহের আলী সুমনসহ দলীয় বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
লিফলেট বিতরণকালে নেতৃবৃন্দ সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং বর্তমান সরকারের জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক পদক্ষেপসমূহ তাদের সামনে তুলে ধরেন।

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031