- রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও এভারগ্রীন ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ
- সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের ৭ নেতা বহিষ্কৃত, নতুন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন
- হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের অবসানই আমাদের প্রত্যাশা : সিসিক প্রশাসক
- যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাবু নেওয়াজকে বিমান বন্দরে সংবর্ধনা
- সিলেটে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় মানবাধিকার কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কাশ্যপ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে বস্ত্র বিতরণ
- সিলেটে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি
- ইমদাদ হোসেনল চৌধুরীর মধ্যস্থতায় মাউন্ট এডোরা হাসপাতালের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সামাজিক নিষ্পত্তি
- পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া নেয়া থেকে বিরত থাকতে আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী দুই অংশীদার
- শেফ পেশায় শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচিত হবে : সিসিক প্রশাসক
» রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও এভারগ্রীন ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ
Published: ২১. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার

» সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের ৭ নেতা বহিষ্কৃত, নতুন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন
Published: ২১. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় কমিটির কতিপয় সদস্য সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্নভাবে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়া এবং পদ-পদবী অর্থের বিনিময়ে বিতরণ সহ নানা অন্যায়ে জড়িয়ে পড়েন।
অত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং বিটিএল’র সাবেক সহ সভাপতি অধ্যাপক এম. শফিকুর রহমান একাধিকবার মৌখিকভাবে তাঁদের এসব কার্যকলাপ থেকে সরে আসার অনুরোধ করলেও তাঁরা তা অমান্য করে সভাপতির বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করে আসছিলেন।
এমতাবস্থায় সংগঠনের সুনাম রক্ষার্থে সর্বসম্মতিক্রমে নিম্নোক্ত ৭ নেতাকে পরিষদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কৃত ব্যক্তিবর্গ হলেন, মুসলেহ উদ্দিন, মনোরঞ্জন তালুকদার, শ্যামল চৌধুরী, শফিকুর রহমান, আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, রুহুল ইসলাম মিঠু এবং ইউসুফ সেলু।
এখন থেকে তাঁরা সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের কোন কমিটির সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কোন কারণ দর্শানো ছাড়াই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমদ লস্করকে পূর্বে তাঁর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ও বহিষ্কার করা হয়েছে।
খালি হওয়া ঐ পদে নুরুল আমিন চৌধুরীকে ‘ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক’ হিসেবে নতুন দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিস্কৃত ব্যক্তিদের সাথে কেউ কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন বা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হলে সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদ তার দায়ভার বহন করবে না।
দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে অত্যন্ত সুনামের সাথে সিলেটের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ে নিরলস কাজ করে যাওয়া এই সংগঠনকে কোন ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলেও এতে জোর তাগিদ দেওয়া হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশের সকলকে সচেতন থাকার অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি নিশ্চিত করা হয় যে, জন্মলগ্ন থেকেই সিলেট শহরের জিন্দাবাজারের পুরান লেনস্থ ৫৩ সমবায় ভবনের ২য় তলায় সংগঠনের মূল কার্যালয় নিয়মিত পরিচালিত হয়ে আসছে।
» হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের অবসানই আমাদের প্রত্যাশা : সিসিক প্রশাসক
Published: ২১. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জ্বল প্রতীক।
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হলেও এর অন্তর্নিহিত শিক্ষা আমাদের সমাজে থেকে যাবে।
অশুভের বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয় এবং হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের অবসানই হোক আমাদের প্রত্যাশা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট নগরীর চাঁদনীঘাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার প্রতিমা নিরঞ্জন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেটের একটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য হচ্ছে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ যুগ যুগ ধরে পাশাপাশি বসবাস করে আসছেন।
একে অপরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সম্মান করা এবং বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক সংস্কৃতির অংশ।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি-ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার; আর উৎসবের আনন্দ সবার।
তিনি বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নগরবাসীর ধর্মীয় ও সামাজিক সব উৎসব যেন নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও আনন্দময় পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
এবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহানগরীর ৮৫টি পূজামণ্ডপের জন্য সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা ও মণ্ডপভিত্তিক ৪০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি পুণ্যার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় সড়ক মেরামত, গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও পূজামণ্ডপে আলোকসজ্জা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
সিসিক প্রশাসক বলেন, পূজামণ্ডপ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপদ পানির ব্যবস্থা, মণ্ডপভিত্তিক জোন নির্ধারণ, অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পূজা ও বিসর্জনকে কেন্দ্র করে নাগরিক সেবার বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের জন্য সিটি করপোরেশনের বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু রাখা হয়।
ফলে পূজা উদযাপন কমিটি কিংবা নগরবাসী কোন নাগরিক সমস্যা বা জরুরি বিষয়ে দ্রুত যোগাযোগ করতে পেরেছেন।
তিনি আরও বলেন, বিসর্জনকে কেন্দ্র করে চাঁদনীঘাট সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
উৎসবের আনন্দ সবার জন্য নিরাপদ রাখতে সবাইকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
বিশেষ করে শিশু, নারী ও বয়স্কদের প্রতি সবাইকে বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতের ভিন্নতা থাকলেও ধর্মীয় সম্প্রীতি, মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রশ্নে কোন বিভাজন থাকা উচিত নয়।
কোন ব্যক্তি যেন কোন ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন, সেটি নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।
গুজব, অপপ্রচার, উসকানি বা বিভাজন সৃষ্টিকারী কোন তথ্য যেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা এমন একটি সিলেট চাই, যেখানে একজন মুসলমান নিশ্চিন্তে ঈদ উদযাপন করবেন, একজন হিন্দু নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা করবেন, একজন বৌদ্ধ ও একজন খ্রিষ্টানও নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নিরাপদ ও মর্যাদার সঙ্গে পালন করবেন। এটাই বাংলাদেশের ঐতিহ্য, এটাই সিলেটের সম্প্রীতির ঐতিহ্য।
তিনি বলেন, বিসর্জনের পর নদীর তীর ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও আমাদের সবার।
সিলেটকে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও সম্প্রীতির নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ভারতের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার দাস ও মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মলয় পুরকায়স্থ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ এবং সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি সুব্রত দেব প্রমুখ।
» যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাবু নেওয়াজকে বিমান বন্দরে সংবর্ধনা
Published: ২১. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাবু নেওয়াজের সিলেট আগমন উপলক্ষে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বুধবার (২১ অক্টোবর) এক জমকালো সংবর্ধনা প্রদান করেন দলের নেতাকর্মীরা।
বিমানবন্দরে পৌঁছালে শাবু নেওয়াজকে ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ মালিক বলেন, জাতীয়তাবাদী দলের জন্য প্রবাসে শাবু নেওয়াজের অবদান অতুলনীয়।
দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে প্রবাসীদের ভূমিকা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। প্রবাসীরাই আমাদের প্রেরণার অন্যতম উৎস।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক ও মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম বলেন, দলীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
শাবু নেওয়াজের মতো ত্যাগী নেতাদের দেশে ফেরা বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের আরও চাঙ্গা করবে এবং আন্দোলনকে বেগবান করবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির বিভাগীয় সভাপতি সৈয়দ নুরুজ্জামান, মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা আশরাফ গাজী, মহানগর বিএনপি নেতা লুৎফুর রহমান ও শাহাদাত হোসেন মিন্টু, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি আখতার হোসেন মিন্টু, যুবদল নেতা নজরুল ইসলাম, মহানগর কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নোমান, সাবেক ছাত্রনেতা আলী আকবর রাজন, ছাত্রনেতা ইফতেখার আহমদ সানি, মহানগর ছাত্রদলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হোসেন এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের যুব প্রধান চৌধুরী লাবিব ইয়াসির সহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
» সিলেটে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় মানবাধিকার কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
Published: ২১. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
মানবাধিকার সুরক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমাজের অবহেলিত ও অধিকারবঞ্চিত মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় মানবাধিকার বিষয়ক কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সিলেট নগরীর আম্বরখানাস্থ হোটেল ব্রিটানিয়ার কনফারেন্স হলে ‘মাসিক আইন ও বিচার’ পত্রিকার পরিচালনায় এ কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বিচার বিভাগ, শিক্ষাঙ্গন, আইন পেশা, সামাজিক সংগঠন এবং মানবাধিকার কর্মীদের অংশগ্রহণে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় হয়।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন, মাওলানা মনজুরে মাওলা। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা সুলতানা।
সভাপতিত্ব করেন, কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মারুফ বখতিয়ার চৌধুরী খুররম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এম এ সোহেল আহমেদ মৃধা।
অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন, ‘মাসিক আইন ও বিচার’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর আনিসুজ্জামান; রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮২-এর সাবেক গভর্নর ও মদন মোহন কলেজ, সিলেটের সাবেক অধ্যক্ষ এম আতাউর রহমান পীর; কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের উপদেষ্টা মো. লিয়াকত আলী খান এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), সিলেট জেলা শাখার সহ-অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহেদ আহমদ রাসেল।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিলেট জেলা শাখার সহসভাপতি শহিদুর রহমান, সহসভাপতি হাফিজ মাসুম আহমদ দুধরচকি, জান্নাত আরা খান রোপা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রুনা বেগম এবং শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌস আহমদ শাকের সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও মানবাধিকার কর্মীরা।
কর্মশালায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য ও মতামত তুলে ধরেন কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক (প্রশাসন) বাবুল সরকার, ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি ইবনুল সাঈদ রানা, মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি জামিল বখত চৌধুরী, হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. শরীফ উদ্দিন, নাটোর জেলা শাখার সভাপতি মো. আব্দুস শহীদ এবং হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. মামুনুর রহমান।
বক্তারা মানবাধিকার রক্ষায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ, নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আইনি সহায়তা প্রদান এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তাঁরা বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা কেবল কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের একক দায়িত্ব নয়; বরং এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র, সমাজ, প্রশাসন এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মানুষের মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও অধিকার নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, মানবাধিকারবিষয়ক প্রশিক্ষণ, মতবিনিময় ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে অধিকার সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধি করা সম্ভব।
একই সঙ্গে অধিকারবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং আইনি সহায়তা পাওয়ার পথ সুগম করতে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. মোস্তফা আহমদ আজাদ ও যুগ্ম সম্পাদক এম রুহেল লস্কর।
কর্মশালা শেষে মানবাধিকারবিষয়ক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি, উদ্বোধক, মুখ্য আলোচক, বিশেষ অতিথিবৃন্দ, আলোচক, অংশগ্রহণকারী এবং সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং অধিকারবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে এ ধরনের কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
» শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কাশ্যপ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে বস্ত্র বিতরণ
Published: ২১. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমী উপলক্ষে বাংলাদেশ কাশ্যপ কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে দরিদ্র ও অসহায় নারীদের মাঝে নতুন বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
আমেরিকা প্রবাসী সুনীতি বালা সরকারের সৌজন্যে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার উত্তর বাঘা সহ আরও ৩টি মণ্ডপের সুবিধাভোগী নারীদের মাঝে নয়াটিল্লা সার্বজনীন পূজা মণ্ডপে এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক মনোরঞ্জন বিশ্বাসের সৌজন্যে সিলেট সদর উপজেলার খাদিমপাড়ার শ্যামপুর গ্রামের সার্বজনীন পূজা মণ্ডপে এই বস্ত্র বিতরণ করা হয়।
বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কাশ্যপ কল্যাণ পরিষদের সিলেট বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সুসেন্দ্র চন্দ্র সরকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম পরিচালক জ্যোতিমোহন বিশ্বাস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, পুলিন সরকার, নারদ বিশ্বাস, প্রধান শিক্ষক পাঁচু মোহন বিশ্বাস, সঞ্জয় বিশ্বাস, সত্যেন্দ্র নন্দী ও নিত্যানন্দ বিশ্বাস প্রমুখ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পূজা পরিষদের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দুর্গোৎসবের আনন্দে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় রাখার আহ্বান জানান।
» সিলেটে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি
Published: ২১. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার
ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর : সিসিক প্রশাসক
» ইমদাদ হোসেনল চৌধুরীর মধ্যস্থতায় মাউন্ট এডোরা হাসপাতালের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সামাজিক নিষ্পত্তি
Published: ২১. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার
» পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া নেয়া থেকে বিরত থাকতে আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী দুই অংশীদার
Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর সুবিদবাজার এলাকার পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া নিতে বা সেন্টারের সাথে কোন চুক্তি থেকে বিরত থাকতে সিলেটবাসীকে আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী দুই অংশীদার।
তাঁরা হলেন, কানাডা প্রবাসী মো: এহসানুল ইসলাম চৌধুরী এবং আমেরিকা প্রবাসী তাজিন ইসলাম চৌধুরী।
মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা তাঁদের ছোট ভাই এডভোকেট মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী (রিমু), মা বুলবুল নাহার চৌধুরী এবং পল্লবী সেন্টারের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে জবরদখল ও অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন সুবিদবাজারের মরহুম এনামুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে কানাডা প্রবাসী মো. এহসানুল ইসলাম চৌধুরী।
এসময় তার বোন আমেরিকা প্রবাসী তাজিন ইসলাম চৌধুরীও বক্তব্য রাখেন।
লিখিত বক্তব্য নিম্নরূপ;
আজ আমরা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়, গভীর উদ্বেগ এবং সত্য ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
আমরা প্রবাসে কষ্টার্জিত উপার্জনের মাধ্যমে দেশের সেবা করে আসছি এবং নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠিয়ে আসছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আজ নিজ দেশে আমাদের মরহুম পিতা এনামুল ইসলাম চৌধুরীর বৈধ পৈতৃক সম্পত্তি রক্ষা করতে গিয়ে এবং প্রতারক চক্রের হাত থেকে নিজেদের অধিকার ফিরিয়ে আনতে গিয়ে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আপনাদের বহুল প্রচারিত গণমাধ্যমের সাহায্যে দেশবাসী ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আমাদের এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন।
আমাদের বাবা মরহুম এনামুল ইসলাম চৌধুরী গত ০৩ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে আমরা সিলেট শহরের সুবিদবাজার এলাকার পৈতৃক সম্পত্তির অংশীদার হই।
পরবর্তীতে গত ২৮/০৩/২০২২ খ্রিঃ তারিখে যথাযথ আইনি নিয়ম মেনে একটি রেজিস্ট্রি বাঁটোয়ারানামা সম্পাদিত হয়।
উক্ত বাঁটোয়ারানামা অনুযায়ী সুবিদবাজারস্থ ব্র্যাক ব্যাংক ভবনের অর্ধাংশ এবং পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার ভূমির অর্ধাংশ আমাদের প্রাপ্য অংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়।
আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি সুবিদবাজার এলাকায় খতিয়ান নং-২০৩৬৫ ও ২০৩৬৮ অনুযায়ী মোট ০.৩২১৩ শতক জমি ও বাড়িতে অবস্থিত “পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার” ও চার তলা বিশিষ্ট ভবন যা ব্র্যাক ব্যাংকের কাছে ভাড়া দেয়া হইয়াছে তা আমাদের ছোট ভাই মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী (রিমু), মা বুলবুল নাহার চৌধুরী এবং তাদের সহযোগীরা অবৈধভাবে জবরদখল করে রেখেছে।
আমাদের নিযুক্ত আমমোক্তার মো: আবদুল কাইয়ুম ভাড়ার টাকা চাইতে গেলে তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং গালিগালাজ করা হয়।
আমরা প্রবাসে থাকায় উক্ত সম্পত্তির কেয়ারটেকার হিসেবে হাবিবুর রহমান শিবলুকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমাদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে আমাদের ভাই মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী (রিমু), মাসুক মিয়া, নওশেবা ফারাহ তুনা, বুলবুল নাহার চৌধুরী পরস্পর যোগসাজশে আমাদের স্বাক্ষর জাল করে একটি ভুয়া আমমোক্তারনামা (Power of Attorney) তৈরি করে।
যে সময়ে এই জাল দলিল প্রস্তুত করা হয়, সে সময় আমরা দুজনেই প্রবাসে অবস্থান করছিলাম- যা আমাদের পাসপোর্টের ট্রাভেল রেকর্ড দ্বারা প্রমাণিত। এই ভুয়া আমমোক্তারনামা ব্যবহার করে আসামিরা গত ২০২১ সাল থেকে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ব্র্যাক ব্যাংক সুবিদবাজার শাখার প্রাপ্য অর্ধাংশ ভাড়ার আনুমানিক ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে।
এই প্রতারণার বিচার চেয়ে আমরা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সিলেটে কোতোয়ালী সি.আর. মামলা নং-৪৯৭/২০২৬ইং দায়ের করেছি।
বিজ্ঞ আদালত (আদালত নং-০১, সিলেট) বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ সুপার, পিবিআই, সিলেট-কে নির্দেশ প্রদান করেছেন।
পাশাপাশি বিতর্কিত আমমোক্তারনামা জব্দ এবং বিশেষজ্ঞ দ্বারা স্বাক্ষর পরীক্ষার আদেশ দিয়েছেন।
প্রতারণা এড়াতে গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় আমরা Declaration To Revoke The General Power of Attorney সম্পাদন করেছি। এর মাধ্যমে কথিত জেনারেল পাওয়ার অব অ্যাটর্নির সকল কার্যকারিতা সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হয়েছে।
ফলে উক্ত দলিলের ভিত্তিতে করা যেকোনো লেনদেন বা চুক্তি সম্পূর্ণ অবৈধ ও বাতিল বলে গণ্য হবে।
এছাড়া মূলহোতা মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার থেকে ভাড়াবাবত কোন টাকা আমাদের প্রদান করছেন না এবং সিলেট সদরের নালিয়া আঙ্গারুয়া মৌজার প্রায় ২৬২ শতক জমি এবং ঢাকার ধানমণ্ডি সাতে আমাদের পৈতৃক বাড়ি জবরদখল করে রেখেছে।
জালজালিয়াতির মধ্যমে ৭১/২০১০নং অছিয়তনামা তৈরি করা হইয়াছে। যা সম্পন্ন বেআইনী আনবেলিড। গত ৪/১০/২০২৬ইং তারিখে সিলেট যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালত কর্তৃক ৪নং আদেশের বলে অছিয়তনামার কার্যকরিতা জব্দ করা হইয়াছে।
আমরা যাতে ভবিষ্যতে আমাদের সন্তানদের জন্য সম্পত্তি ঝামেলামুক্ত করতে ২০২৫ সালে দেশে এসে সুষ্ঠু
বণ্টনের কথা বলি, তখন থেকেই আমাদের ভাই মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী বাটোয়ারানামা অমান্য করতে শুরু করে। পরবর্তীতে গত ১৫/১০/২০২৬ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৮টায় সুবিদবাজারস্থ বাসায় অবস্থানকালে মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী ও বুলবুল নাহার চৌধুরী মোবাইল ফোনে (০১৭১১৪২৪৮৪৪, ০১৭৪৫৮৯২৬৯২) আমাদের সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
তাঁরা মেসেজ, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা, ইন্টারপোলের পরোয়ানা ও আন্তর্জাতিক এজেন্সির ভয় দেখিয়ে আমাদের ব্ল্যাকমেইল করছে।
এ বিষয়ে আমরা সিলেটের কোতোয়ালী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ১৬০৮, তারিখ: ১৫/১০/২০২৬) দায়ের করেছি।
প্রবাসফেরত অবস্থায় আমাদের জীবনের সরাসরি ঝুঁকি থাকায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আমাদের সার্বিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি, জাল আমমোক্তারনামা তৈরি করে কোটি টাকা আত্মসাৎকারী ও ভুয়া দলিল সৃষ্টিকারী চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।
জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ পুনরুদ্ধার করে এবং জবরদখলকৃত জমি ও ভবন প্রকৃত উত্তরাধিকারীদের বুঝিয়ে দেওয়া। ভুয়া হুমকি, ব্ল্যাকমেইল ও আন্তর্জাতিক এজেন্সির ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, আমরা প্রবাসীরা প্রবাসে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছি এবং দেশে কষ্টার্জিত অর্থ পাঠাচ্ছি। কিন্তু আজ নিজ পৈতৃক ভিটায় এসে আমরা যে প্রতারণা, জবরদখল ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েছি, তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
আপনাদের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমেই আমরা সুবিচার ও জীবনের নিরাপত্তা পেতে পারি।
প্রিয় সংবাদিক বৃন্দ আপনাদের মাধ্যমে সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমরা প্রবাসে চলে যাবো আমাদের অবর্তমানে দেশের সকল প্রয়োজন কাজ তদারকি করবেন এবং দেখভাল করবেন আমাদের নিয়োজিত আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও হাবিবুর রহমান শিবলু।
আমাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার জন্য আপনাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
» শেফ পেশায় শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচিত হবে : সিসিক প্রশাসক
Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, শেফ ও কুকের পেশা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশেও শিক্ষিত সমাজের অনেকে এ পেশাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে এ পেশায় আরও বেশি মানুষকে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
আন্তর্জাতিক শেফ দিবস উপলক্ষে সিলেট বিভাগের শেফ’স ও কুক আয়োজিত ‘মিট দ্য শেফ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, রন্ধনশিল্প প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে দীর্ঘদিন ধরে একটি মর্যাদাপূর্ণ শিল্প ও পেশা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
বাংলাদেশেও দিন দিন এ পেশার প্রতি শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের আগ্রহ বাড়ছে। এটি ইতিবাচক পরিবর্তন।
সমাজের সব ধরনের পেশাকে সম্মানের সঙ্গে দেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের দেশে বিপুল সংখ্যক কর্মক্ষম মানুষ রয়েছেন। বিশেষ করে ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সী মানুষের একটি বড় অংশ কর্মক্ষম।
তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্র, উদ্যোক্তা ও বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের দায়িত্ব।
কর্মক্ষম মানুষকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত করা গেলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
সিসিক প্রশাসক বলেন, শেফ ও কুকের পেশায় এখন নারী-পুরুষ উভয়ের অংশগ্রহণ বাড়ছে। তবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এ পেশাকে আরও পরিচিত ও মর্যাদাপূর্ণ করে তুলতে হবে।
বিভিন্ন দিবস, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সেমিনার আয়োজন এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষিত সমাজকে এ পেশার প্রতি আরও আকৃষ্ট করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের হসপিটালিটি সেক্টর অনেক বড় হয়েছে। সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফাইভ স্টার, ফোর স্টার ও থ্রি স্টার মানের হোটেল-রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে।
এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষিত শেফ ও কুকদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দিতে পারলে দেশে-বিদেশে তাদের কাজের সুযোগ আরও বাড়বে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে দেশে ও বিদেশে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
সিলেট থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ করে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, শেফের কাজ শুধু খাবার তৈরি করা নয়; খাবার পরিবেশন, উপস্থাপন এবং অতিথিদের আকৃষ্ট করার বিষয়টিও এ পেশার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আধুনিক হসপিটালিটি সেক্টরে দক্ষ শেফদের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে।
তাই এ পেশাকে শিল্প হিসেবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচিত হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন নূর।
এ ছাড়া শেফ ও কুক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিশ্ব শেফ দিবস উপলক্ষে নগরীতে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিতে সিলেট
বিভাগের বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁ ও হসপিটালিটি সেক্টরের শেফ, কুক এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা অংশ নেন।
» সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে : সিসিক প্রশাসক
Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে নগরবাসী যেন উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সিলেট সিটি করপোরেশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেট সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যের শহর। এ নগরীতে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছেন।
ধর্মীয় উৎসবগুলোও সবাই মিলেমিশে উদযাপন করেন। এই সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে আরও সুদৃঢ় করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে আগত পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উৎসব চলাকালে কোনো ধরনের সমস্যা বা প্রয়োজন দেখা দিলে সিলেট সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। সিসিকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
এদিন বিকেলে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তিন মন্দির, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বিমলেন্দু দাস সাধু বাবুর বাড়ির পূজামণ্ডপ, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীশ্রী কালীবাড়ী এবং একই ওয়ার্ডের শ্রীশ্রী লোকনাথ মন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এ ছাড়া তিনি নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের আরও কয়েকটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি, পুণ্যার্থীদের উপস্থিতি এবং বিভিন্ন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে খোঁজ নেন। পাশাপাশি পুণ্যার্থী ও পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
সিসিক প্রশাসক পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
যে কোন প্রয়োজনে সিলেট সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
» এয়ারপোর্ট থানা’র গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেছেন এসএমপি’র কমিশনার
Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)’র কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম বিপিএম সেবা এয়ারপোর্ট থানা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)দুপুরে তিনি স্থান সমূহ পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বলেন।
এসময় সাধারণ মানুষের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দেয়া বক্তব্য তিনি মনযোগ দিয়ে শুনেন।
সাহেবের বাজারের কালাগুল পুলিশ ফাঁড়ি বাজার এলাকায় স্থাপনের বিষয়ে কথা বলেন এলাকাবাসী। পুলিশ কমিশনার এসময় সাধারণ জনগণকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।
পরিদর্শনকালে পুলিশ কমিশনার এসএমপি’র এয়ারপোর্ট থানাধীন চাঁনপুরস্থ ডগ স্কোয়াডের স্থান পরিদর্শন করেন।
ডগ স্কোয়াডের জন্য এসএমপি’র অধিগ্রহণকৃত জমির চতুর্দিকে চিহ্নিত করে বেড়া নির্মাণের নির্দেশ দেন।
এসময় পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, এসএমপি’র উত্তরের ডিসি সাইফুল ইসলাম, স্টাফ অফিসার মুহিবুর রহমান, এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ সহিদুর রহমান, ওসি তদন্ত আব্দুস সালাম, এয়ারপোর্ট থানায় কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দও স্থানী এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

