শিরোনামঃ-

» টেকসই উন্নয়নে মানের ক্ষেত্রে কোনো আপস নয় : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

উন্নয়ন কাজের মান নিশ্চিতে মাঠে সিসিক প্রশাসক

নিউজ ডেস্কঃ

বিভিন্ন ওয়ার্ক সাইটে গিয়ে উন্নয়ন কাজের গুণগত মান যাচাই করছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজের গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস না করার কথা জানিয়ে তিনি নিয়মিত সরেজমিনে উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মিতালী আবাসিক এলাকায় সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে তিনি কাজের গুণগত মান যাচাই করেন।

এ সময় সিসিক প্রশাসক বলেন, “কাজের গুণগত মান পরীক্ষার জন্যই আমি মাঠে এসেছি। টেন্ডার ডকুমেন্টে যে স্পেসিফিকেশন দেওয়া আছে, সে অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না তা সরেজমিনে যাচাই করছি। উন্নয়ন কাজের মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।”

তিনি বলেন, মিতালী আবাসিক এলাকায় সড়কটি ১৪ ফুট প্রশস্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি সড়কের লেভেল অনুযায়ী ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে, যাতে প্রয়োজন হলে ড্রেনের ওপর দিয়েও যানবাহন চলাচল করতে পারে।

সড়ক ও ড্রেন নির্মাণে ব্যবহৃত রড ও ঢালাইয়ের উপকরণ সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়েছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সড়ক ও ড্রেন নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের ছিল এলাকাবাসীর। তাদের কথা দিয়েছিলাম, বর্ষা মৌসুম শেষ হলে ব্যাপকভাবে উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে।

সে অনুযায়ী ইতোমধ্যে অনেকগুলো কাজের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে এবং বেশ কিছু কাজ শুরু হয়েছে। বাকি কাজগুলোও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “উন্নয়ন কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা নিয়মিত তদারকি করছেন। এর পাশাপাশি আমি নিজেও বিভিন্ন ওয়ার্ক সাইটে সরেজমিনে গিয়ে কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান যাচাই করছি। জনগণের অর্থে যে উন্নয়ন হচ্ছে, তার সুফল যাতে দীর্ঘস্থায়ী হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

পরিদর্শনকালে সিসিকের উপসহকারী প্রকৌশলী সেলিম আহমদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

» নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

খেলাধুলায় সিলেটকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাব

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, খেলাধুলায় কোন ধরনের রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই খেলোয়াড়দের সুযোগ দিতে হবে।

অতীতে খেলাধুলাকে রাজনৈতিকীকরণের কারণে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় মাঠের বাইরে ছিলেন।

বর্তমানে সেই পরিস্থিতি নেই। ক্রীড়া বিকাশের জন্য দেশে একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে খেলাধুলায় সিলেটকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।

বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের উদ্যোগে এবং সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ‘ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্র্যাক ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় মাসব্যাপী এ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আজ অনেক কিশোরীকে হকি খেলতে দেখলাম। তাঁদের মধ্যে যে উদ্যম ও সম্ভাবনা দেখেছি, তা আশাব্যঞ্জক।

আমি বিশ্বাস করি, তাঁরা আগামী দিনে হকিতে সিলেটের সুনাম আরও বাড়াবে এবং জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবে।

তিনি বলেন, ক্রিকেট, ফুটবল সহ বিভিন্ন খেলায় সিলেটের রয়েছে গৌরবময় অবদান। সম্প্রতি নতুনকুঁড়ি স্পোর্টসে ফুটবল সহ বিভিন্ন ইভেন্টে সিলেটের খেলোয়াড়রা জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করেছে। আমাদের এখানে খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রয়েছে।

এখন প্রয়োজন প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও সুযোগ দেওয়া।

মেধাবী ও সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক সাদেক, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত এডহক কমিটির সদস্যসচিব রেজাউল করিম নাচন, বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত এডহক কমিটির সদস্যসচিব সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংকের ক্লাস্টার ম্যানেজার সাফায়েত হোসেন আহমেদ, সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত এডহক কমিটির সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা মওদুদ এবং সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত এডহক কমিটির সদস্য মকসুদ আহমদ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদ রানা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের উইমেন্স উইংয়ের সম্পাদক তারিকুজ্জামান নান্নু, সিলেট জেলা ক্রীড়া অফিসার ও সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য মো. নূর হোসেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর আশরাফ হোসাইন আরমান, জাতীয় দলের সাবেক হকি খেলোয়াড় ও হকি কোচ এ কে এম সামসুদ্দিন তুহিন, সহকারী কোচ মো. আব্দুল মুহিন মুন্না, সিলেট জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ রুবেল আহমদ নান্নু এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মহিউদ্দিন রাসেল ও আজিজুর রহমান মিটন।

এছাড়া ক্রীড়া সংগঠক মিলাদ আহমদ, মিজানুর রহমান মিজান, মহসিন আলী, প্রদীপ কুমার সিংহ, ইসমত আলী, আলী আশরাফ, মিনহাজুর রহমান মিনহাজ, ইমতিয়াজ আহমদ জগলু, আব্দুল মোতাকাব্বির চৌধুরী সাকি, ক্রিকেট আম্পায়ার ইমরান আজাদসহ ক্রীড়াঙ্গনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিলেট জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অফিস সেক্রেটারি বিপুল চন্দ্র তালুকদার।

» সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ‘অ্যাক্রেডিটেশন’ উদযাপন

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক চিকিৎসক তৈরিতে  উইমেন্সের পথচলা অব্যাহত থাকবে : ডা. শফিকুর রহমান এমপি

নিউজ ডেস্কঃ
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন গৌরবের মাইলফলক।

স্বীকৃতি অর্জনের চেয়ে তা ধরে রাখা এবং এর মর্যাদা রক্ষা করা আরও কঠিন। অ্যাক্রেডিটেশন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নগরীর আমান উল্লাহ কনভেনশন হলে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেন, কিছু মানুষের সাহসী উদ্যোগের ফলে সিলেটে শুধুমাত্র নারীদের জন্য এই মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার সুযোগ হয়েছিল।

নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
নারীদের বিশ্বমানের চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি বৃহত্তর সিলেটের মানুষের চিকিৎসাসেবায়ও প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র আটটি প্রতিষ্ঠান অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন করেছে।

এর মধ্যে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অন্তর্ভুক্তি অত্যন্ত গৌরবের। এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, এই অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রচেষ্টার ফল নয়। গভর্নিং বডি, অধ্যক্ষ, শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত পরিশ্রম এবং ত্যাগের ফলেই এ সাফল্য এসেছে।

প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে যারা এর অগ্রযাত্রায় অবদান রেখেছেন, তাদের সবার অবদান এই অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতাদের হলেও এটি এখন সিলেটবাসীর গৌরবের প্রতিষ্ঠান।

তিনি আরও বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনের পর দায়িত্ব আরও বেড়েছে। চিকিৎসা শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি রোগীদের সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

ভবিষ্যতে এই প্রতিষ্ঠান থেকে দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন চিকিৎসক তৈরি হবে এবং তারা মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করবেন-এটাই প্রত্যাশা।

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. শাহানা ফেরদৌসের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী অধ্যাপক ডা. হোসাইন আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, হলি সিলেট হোল্ডিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ফজলুর রহিম কায়সার, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ মতিন ও মো. ফখরুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অধ্যাপক ডা. ওয়েছ আহমদ চৌধুরী, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী এবং উদ্যোক্তা পরিচালক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. তহুর আব্দুল্লাহ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মাওলানা জাদুল আহমদ।

এদিকে এর আগে অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন উপলক্ষে কলেজ ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ৯টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
এরপর বর্ণাঢ্য র‌্যালি, কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এসব কর্মসুচীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী।
পরে আমান উল্লাহ কনভেনশন হলে আলোচনা সভা এবং মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

» আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নতুন শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন, মেধা ও সম্ভাবনাকে সঠিক দিকনির্দেশনায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য-আজকের নবীনরাই আগামী দিনের আলোকিত ভবিষ্যৎ : কয়েস লোদী

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটে আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও পরিচিতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কলেজ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) ও আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ গভর্নিং বডি সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

প্রতিষ্ঠানের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফেরদৌসী ও হাবিবার যৌথ সঞ্চালনায় এবং অধ্যক্ষ মালেকা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটের কলেজ পরিদর্শক শেখ মো. নজরুল ইসলাম।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী অধ্যাপক তামান্না রহমান, সহকারী অধ্যাপক মহীতোষ তালুকদার, সহকারী অধ্যাপক মহরম আলী, সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউর রহমান, সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালামসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ, নবীন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিউক চেয়ারম্যান কয়েস লোদী বলেন “একাদশ শ্রেণিতে পদার্পণ তোমাদের শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

এই সময়টিকে শুধু ভালো ফলাফলের জন্য নয়, নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের জন্য কাজে লাগাতে হবে।

তোমাদের প্রত্যেকের মধ্যে রয়েছে আলাদা সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের যোগ্য ও আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”

তিনি বলেন, “শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষা মানুষের চিন্তা, বিবেক ও মূল্যবোধকে বিকশিত করে।

একজন শিক্ষার্থীকে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। দেশ, সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি করতে হবে।”

কয়েস লোদী আরও বলেন, “আমাদের মেয়েরা আজ শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রশাসন, চিকিৎসা, আইন, ব্যবসা-বাণিজ্য সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছে।

আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরাও আগামী দিনে দেশ ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে নবীন শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবীন বরণ সম্পন্ন হয়।

» ‘গ্লোবাল ভিশনারি বিজনেস লিডার অ্যাওয়ার্ড–২০২৬ পেলেন তাজুল ইসলাম

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

ব্যবসায়িক নেতৃত্ব, উদ্যোক্তা কর্মকাণ্ড এবং সমাজসেবা ও মানবিক উদ্যোগের অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে রয়্যাল লাইফ ইন্টারন্যাশনাল রিয়েল এস্টেট এলএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে ‘গ্লোবাল ভিশনারি বিজনেস লিডার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

গ্রিনলিফ লাইফস্টাইল অ্যান্ড ফ্যাশন ম্যাগাজিনের উদ্যোগে এবং ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন’-এর পক্ষ থেকে এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যবসা ও কর্পোরেট খাতে অবদান, উদ্যোক্তা উদ্যোগ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ড সহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জুরি বোর্ডের বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাজুল ইসলামকে এ সম্মাননার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

রিয়েল এস্টেট ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, বিশিষ্ট শিল্পপতি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

তাঁর নেতৃত্বে রয়্যাল লাইফ ইন্টারন্যাশনাল রিয়েল এস্টেট এলএলসি- আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ করছে।

ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন উদ্যোগেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

উদ্যোক্তা কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়টিকেও তিনি গুরুত্ব দেন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ৫টায় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ কনফারেন্স সেন্টারে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

পুরস্কার পাওয়ার বিষয়ে মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি সমাজ ও মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত মনে করেন।

এ ধরনের স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি তাঁর ব্যবসায়িক পথচলায় পরিবার, সহকর্মী, ব্যবসায়িক অংশীদার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আয়োজকদের মতে, ‘গ্লোবাল ভিশনারি বিজনেস লিডার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ তাজুল ইসলামের ব্যবসায়িক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতির পাশাপাশি তাঁর ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তা কার্যক্রমে নতুন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

» ক্লাসিক কলেজে একাদশ শ্রেণির ফ্রেশার্স রিসেপশন ও ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্লাসিক কলেজের একাদশ শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সিলেটের শিবগঞ্জে অবস্থিত হোয়াইট হাউজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ শহিদুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া, নিয়মিত পড়াশোনা, সময়ের সঠিক ব্যবহার অপরিহার্য।

শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা চর্চার পাশাপাশি ভালো ফলাফলের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু ভালো ফলাফল অর্জন করলেই একজন শিক্ষার্থীর সাফল্য পূর্ণতা পায় না; জ্ঞান, দক্ষতা, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে নিজেকে একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

উচ্চশিক্ষার পথকে সহজ ও সফল করতে শিক্ষাজীবন থেকেই লক্ষ্য নির্ধারণ করে নিয়মিত অধ্যয়ন ও সময়ের যথাযথ ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি দক্ষতা, সততা, দায়িত্ববোধ ও নৈতিক মূল্যবোধ একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

তাই শিক্ষার্থীদের সময়ের অপচয় না করে জ্ঞানার্জন, আত্মউন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় মনোযোগী হতে হবে।

ক্লাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুহা. লবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সহকারী শিক্ষিকা খুশী ফেরদৌসির পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন, সিলেট নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হসপিটালের লেকচারার ডাক্তার জাহেদ আহমদ জাবুর, ক্লাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক আমিন উদ্দিন, কো-অর্ডিনেটর আব্দুল গাফফার নাহিদ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষকবৃন্দ নবীন শিক্ষার্থীদের সাফল্য ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেন। পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন পর্বের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, নবীন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

» ধোপাদিঘীপাড়স্থ সিলেট সিটি শপিং সেন্টারটি ৩ মাসের মধ্যে হস্তান্তর : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীপাড়স্থ সিলেট সিটি শপিং সেন্টারটি আগামী ৩ মাসের মধ্যে ব্যবসায়ী ও মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ইতোমধ্যে অনেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু কাজ এখনো অসম্পূর্ণ।

আমরা আশা করছি এই ৩ মাসের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে মার্কেটি হস্তান্তর করতে পারবো।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই মার্কেট পরিদর্শনকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ব্যবসায়ী ও মালিকদের উদ্দেশ্যে এই কথা বলেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ধোপাদিঘী সিটি কর্পোরেশন শপিং সেন্টারের উপদেষ্টা এডভোকেট কুতুব উদ্দিন, সভাপতি ডা. মো. আনোয়ার সাদাত চৌধুরী, সহ সভাপতি আব্দুল মালেক খান, সহ সম্পাদক মো. কাউসার, মো. হোসেন আহমদ, মো. আশরাফ চৌধুরী, মো. তালিব মাহমুদ, সেলিম আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।

এসময় ব্যবসায়ী ও মালিকরা সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

» সিলেট স্বাগতম মিষ্টি ঘরের পক্ষ থেকে এতিম শিশুদের খাওয়ার আয়োজন শুক্রবার

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সিলেটের জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান ‘সিলেট স্বাগতম মিষ্টি ঘর’ এর পক্ষ থেকে আগামীকাল স্থানীয় একটি এতিমখানার শিশুদের দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এতিমখানার শিশুদের দোয়ার মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হবে।

এই শিশুদের পাশে দাঁড়ানোই তাঁদের একবেলা ভালো খাবার খাওয়ানোর মাধ্যমে আল্লাহকে রাজিখুশি করতে চাই।

একই সাথে এই মহৎ উদ্যোগে সিলেটের সকল সাংবাদিকবৃন্দকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন, সিলেট স্বাগতম মিষ্টি ঘরের কর্তৃপক্ষ।

তাদের বিশ্বাস সিলেট সকল সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি এই মানবিক আয়োজনকে আরও আনন্দদায়ক করে তুলবে।

» সিলেটে ‘একতাবদ্ধ সিলেটবাসী’র আত্মপ্রকাশ ও বিক্ষোভ সমাবেশ শুক্রবার

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার কমিটির সংস্কার এবং দৈনন্দিন হিসাব-নিকাশের স্বচ্ছতা নিশ্চিত, বর্তমান সিদ্ধান্ত ৬৫% বাতিল করাসহ একাধিক দাবিতে সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের মুখপাত্রদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘একতাবদ্ধ সিলেটবাসী’।

সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আগামী শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে কমিটির আত্মপ্রকাশ ও এক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দরা জানান, হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার পরিচালনা কমিটির বর্তমান কাঠামো সংস্কার এবং মাজারের দৈনন্দিন আয়-ব্যয়ের হিসাবের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট দাবি নিয়েই মূলত এই কমিটির যাত্রা শুরু হচ্ছে।

শুক্রবার শহীদ মিনারের প্রতিবাদ সমাবেশে বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও মুখপাত্ররা উপস্থিত থাকবেন।

তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, মো. এহছানুল হক তাহের, মাওলানা আব্দুর রহিম, মুক্তার আহমদ তালুকদার, মো. কামাল মিয়া, এম. খাইরুল ইসলাম, মো. মাহফুজুর রহমান, জয়নাল আবেদীন, ইমরান হোসাইন, মীর নাজিম উদ্দিন, আলী আহমদ তাজ, সাহেদ আহমদ সামি, মো. মুজিবুর রহমান, মইনুল ইসলাম আশরাফী।

এছাড়াও নগরীর আরও একাধিক সংগঠনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা উক্ত সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখবেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের সিলেটবাসীকে উক্ত সমাবেশে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

» সরকারই বিরোধী দলকে রাজপথে ঠেলে দিয়েছে : ডা. শফিকুর রহমান এমপি

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

সিলেটে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

নিউজ ডেস্কঃ
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, মাত্র সাত মাসেই সরকার জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
গণভোটের রায় বাতিলের মাধ্যমে সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
আমরা সংসদের ভেতরে থেকেই সমাধান চেয়েছিলাম; কিন্তু সরকারই বিরোধী দলকে রাজপথে ঠেলে দিয়েছে। যৌক্তিক ও জনগণের দাবিতে আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলছে।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, সরকার শুধু বিরোধী দলের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ আশা করবে, কিন্তু সরকারের কাছ থেকে কি জাতি দায়িত্বশীল আচরণ আশা করতে পারে না? জাতীয় সংকট দীর্ঘায়িত করার দায় সরকার এড়াতে পারে না।

তিনি বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিলেট সার্কিট হাউজে সিলেটে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

মতবিনিময় সভায় সিলেটে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকৃবন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেন, কোন বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কেউ একক সিদ্ধান্ত দিতে পারছেন না, কথাও বলতে পারছেন না। একেক মন্ত্রী একেক কথা বলছেন।

জ্বালানি বলেন, বিদ্যুৎ বলেন সব বিষয়েই সরকারের মন্ত্রীদের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। স্থানীয় নির্বাচন নিয়েও সরকার জাতিকে ক্রমশ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
একদিকে বলা হচ্ছে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন, অপরদিকে নির্বাচনের দিনক্ষণ তারাই ঠিক করে দিচ্ছে। এ অবস্থা থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে। একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং সেটি স্পষ্টভাবে জাতিকে জানাতে হবে।

সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক নিয়েও সরকারের বক্তব্যের অসঙ্গতি তুলে ধরেন জামায়াত আমীর। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ মহাসড়ক নিয়ে সরকারের একেক মন্ত্রী একেক কথা বলছেন।

কেউ বলছেন ২০২৮ সালে, আবার কেউ বলছেন ২০২৯ সালে কাজ শেষ হবে। ঠিক কোনটি হবে, সেটা সরকারই বলতে পারবে। আমরা শুধু চাপ সৃষ্টি কিংবা সুপারিশ করতে পারি।

একইভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব দ্রব্যমূল্যে পড়বে না-বাণিজ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মন্ত্রী ঠিক না বেঠিক বলেছেন, সেটি মানুষ নিজের চোখেই দেখতে পারছে।

ইতোমধ্যে যানবাহনের ভাড়া বেড়েছে, দ্রব্যমূল্যও বাড়তে শুরু করেছে। দিন দিন পরিস্থিতি চরমে পৌঁছাবে না-এর নিশ্চয়তা কী? তাই মন্ত্রীদের দায়িত্বশীল কথা বলা উচিত।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য জামায়াতের এক্সপার্ট টিম সরকারকে কিছু প্রস্তাবনা দিয়েছিল। কিন্তু সরকার সেটিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। আবার পরামর্শ চেয়ে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
সরকারের কতিপয় নেতার বক্তব্যে এমন মনে হচ্ছে, বিরোধী দল লংমার্চে যেসব গাড়ি নিয়েছে, সেগুলো সেদিন গ্যারেজে পড়ে থাকত। অথচ বিরোধী দল উপযুক্ত ভাড়া দিয়ে গাড়িগুলো নিয়েছে।
এসব বিতর্ক তুলে সরকার বিরোধী দলের যৌক্তিক আন্দোলন নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শাহজালাল মাজারের দানের স্বচ্ছতা, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, হাম পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও কথা বলেন জামায়াত আমীর।

শাহজালাল মাজারের দানের অর্থ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের উদাহরণ দেন।
তিনি বলেন, শাহজালাল (রহ.) মাজারের দান ও আয় ব্যবহারের বিষয়ে সরকার, মাজারের খেদমতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা এবং সিলেটের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে ত্রিপক্ষীয় সংলাপ হওয়া উচিত।
৩৫ শতাংশ জেলা প্রশাসনের হিসাব ও ৬৫ শতাংশ মাজার কর্তৃপক্ষের মধ্যে বণ্টনের বর্তমান ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোন পক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগ না করে সংলাপের মাধ্যমে এমন একটি টেকসই সমাধানে পৌঁছাতে হবে, যা সবাই গ্রহণ করবে এবং ধর্মীয় মর্যাদা অক্ষুন্ন রেখে মাজারের আয় সমাজ ও দ্বীনের কল্যাণে কাজে লাগবে।

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কেবল নামেই আছে উল্লেখ করে অবকাঠামোগত ও একাডেমিক কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।

হাম আক্রান্ত ও মৃত্যু রোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের অভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকটকে আন্তর্জাতিকভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ভারত ও চীনের সহযোগিতা নেওয়ার কথাও বলেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানান হাবিবুর রহমান, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-ঊন-নূর, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ও আসন্ন সিটি নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহাজান আলী ও জেলা সেক্রেটারী জয়নাল আবেদীন প্রমূখ।

» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

উচ্চমাধ্যমিক স্তর ভবিষ্যৎ গড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট : অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটের স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নবীন শিক্ষার্থীদের কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম, নিয়ম-শৃঙ্খলা ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি নতুন শিক্ষাজীবনে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের প্রভাষক তোফায়েল আহমেদ শিহাব ও প্রভাষক পারমিতা রায়।

স্বাগত বক্তব্য দেন, কলেজের একাডেমিক ইনচার্জ প্রভাষক কাজী শাখাওয়াত হোসেন।

অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন, বিভিন্ন সেকশনের শ্রেণি শিক্ষকবৃন্দ।

বক্তব্য রাখেন, ড্যাফোডিলস সেকশনের শ্রেণি শিক্ষক প্রভাষক জহিরুল ইসলাম, ধানসিঁড়ি সেকশনের শ্রেণি শিক্ষক প্রভাষক হাসান শাহরিয়ার মজুমদার, সুরমা সেকশনের শ্রেণি শিক্ষক প্রভাষক নন্দন সরকার, মাছরাঙা সেকশনের শ্রেণি শিক্ষক মো. মাসুম বিল্লাহ, ঈগল সেকশনের শ্রেণি শিক্ষক রাজন সরকার, রূপসা সেকশনের শ্রেণি শিক্ষক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম এবং পদ্মা সেকশনের শ্রেণি শিক্ষক প্রভাষক পার্থ সেন।

সভাপতির বক্তব্যে কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক নবাগত শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানিয়ে বলেন, উচ্চমাধ্যমিক স্তর একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়, এটি জীবনের একটি ‘টার্নিং পয়েন্ট’।

তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, নৈতিক মূল্যবোধ ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, শুধু ভালো ফলাফল অর্জনই শিক্ষার একমাত্র লক্ষ্য নয়; জ্ঞান, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, মানবিকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলির সমন্বয়ে একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম, সৃজনশীল কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের বহুমুখী প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে হবে।

বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্ব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (অও) দ্রুত বিকাশের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অধ্যক্ষ বলেন, পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও সৃজনশীল চিন্তার চর্চা করতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের সময়ের যথাযথ ব্যবহার এবং নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণ করে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম, বিভিন্ন অর্জন ও সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের ওপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

পরে নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুল, বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ও শুভেচ্ছা স্মারক দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

এ সময় কয়েকজন নবাগত শিক্ষার্থী তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে কলেজজীবনের নতুন পথচলা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।

তাঁরা কলেজের সুন্দর ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশে মনোযোগীভাবে পড়াশোনা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে সংশ্লিষ্ট শ্রেণি শিক্ষকরা নিজ নিজ সেকশনের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং হাজিরা খাতায় শিক্ষার্থীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন।

নবাগত শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের সমাপ্তি ঘটে।

» বীরকন্যা প্রীতিলতা ওদ্দেদার স্মরণে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম এর আলোচনা সভা

Published: ২৪. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

বীরকন্যা প্রীতিলতা ওদ্দেদার ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টম্বর) বিকাল ৫টায় ইলেকট্রিক সাপ্লাইস্হ সংগঠনের কার্যালয়ে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম এর সংগঠক রোমানা আক্তার রুমা সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম এর সোনিয়া বেগম, রেহেনা আক্তার, আছিয়া আফরোজ, দিপা বেগম, পারভিন আক্তার, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট এর শহীদ আহমদ ও মাহফুজ আহমদ,প্রমূখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রীতিলতা জীবন দিয়ে দেখিয়েছেন দেশের প্রতি ভালবাসা ও দায়িত্ব পালনে নারী পুরুষের পার্থক্য নেই। নারীরা পিছিয়ে আছে তার কারণ তাদেরকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে।

বক্তারা বলেন, প্রীতিলতা দেখিয়েছেন মানুষের মুক্তি সংগ্রামে নিজেকে নিবেদন করার মধ্য দিয়েই জীবনের সৌন্দর্য সৃষ্টি হয়।

মৃত্যু প্রীতিলতা জীবন কে থামিয়ে দিয়েছে কিন্তু তাঁর স্বপ্ন কে হত্যা করতে পারেনি।

দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে, নারীর স্বাধীনতা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াই চলছে। এ লড়াইয়ে প্রীতিলতা এক অনিঃশেষ প্রেরণার উৎস।

বক্তারা বলেন, নারীরা সারাদিন গৃহস্থালির কাজ করেন, তারপরও তাদের শ্রমের স্বীকৃতি মেলে না।

অন্যদিকে সারাদেশে নারী-শিশু নির্যাতন-ধর্ষণ-হত্যা বেড়েই চলেছে।

প্রতিদিন পত্রিকা খুললেই খুন-ধর্ষণ-অপহরণ-নির্যাতনের ঘটনা।

একটি নির্যাতনের ঘটনা বিভৎসতায়, বর্বরতায় আগেরটিকে ছাপিয়ে যাচ্ছে।

বক্তারা সারাদেশে নারী ও কন্যা শিশু হত্যা, ধর্ষণ, ফতোয়া, যৌতুক, উত্ত্যক্তকরণ সহ ঘরে-বাইরে সর্বত্র সকল প্রকার নারী নির্যাতন রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

Callender

September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930