- শ্রীহট্ট ব্রাহ্মসমাজের রবীন্দ্র-স্মরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
- সুনামগঞ্জে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তা
- ত্যাগ ও কুরবানী থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে : হামিদুর রহমান আযাদ
- মনিপুরী ছাত্র সমিতির প্রাইমারি ও জুনিয়র মেধা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
- সিলেটে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করলেন পীর সাহেব চরমোনাই
- ৭ নভেম্বরের চেতনা হোক জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা : মিফতাহ্ সিদ্দিকী
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বন্ধ কারখানা সচল করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ বাস্তবায়ন করতে হবে : গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএ
- সড়ক প্রশস্ত হলে পুরো এলাকাবাসী সুফল ভোগ করবেন; ইসলামপুরে উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
- সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ব্যাপক সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হবে; জানালেন বিসিবি পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
- পীর সাহেব চরমোনাই সিলেট আসছেন, মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করবেন শুক্রবার
» শ্রীহট্ট ব্রাহ্মসমাজের রবীন্দ্র-স্মরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
Published: ০৬. নভে. ২০২৬ | শুক্রবার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সিলেট সফর ছিল ঐতিহাসিক
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ১৯১৯ সালে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সিলেট সফর করেছিলেন।
এটিই ছিল তাঁর প্রথম এবং শেষ সফর। নানা কারণেই এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক সফর।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শ্রীহট্ট ব্রহ্মমন্দিরে শ্রীহট্ট ব্রাহ্মসমাজের আয়োজনে আয়োজিত রবীন্দ্র-স্মরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
’তুমি আদিকবি, কবিগুরো তুমি হে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সিলেট আগমনের বিভিন্ন ঐতিহাসিক দিক তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘স্যার’ উপাধি ত্যাগ করেন। এর চার মাস পর অক্টোবরে তিনি কলকাতা থেকে শিলং আসেন।
সেখানে অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রস্তুতি নিলেও সিলেটের বিভিন্ন সংগঠনের আমন্ত্রণে তিনি সেই সফর বাতিল করেন এবং সিলেটে আসার সিদ্ধান্ত নেন।
সে সময়কার দুর্গম পথযাত্রার স্মৃতিচারণ করে সিসিক প্রশাসক জানান, তখন শিলং থেকে সিলেট আসার সরাসরি সড়ক ছিল না।
চেরাপুঞ্জি ও থারিয়াঘাট হয়ে আসা এই দুর্গম পথ পাড়ি দিতে হতো।
মানুষের পিঠে চড়ে ভ্রমণ করা রবীন্দ্রনাথের পছন্দ না হওয়ায় তিনি আসাম-বেঙ্গল রেলের মাধ্যমে গৌহাটি, লামডিং, বদরপুর ও কুলাউড়া হয়ে বহু ঘুরপথে ১৯১৯ সালের ৫ নভেম্বর ‘শ্রীহট্ট বাজার’ রেলস্টেশনে পৌঁছান।
তিনি আরও বলেন, সিলেট সফরকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সিংহবাড়িতে অবস্থান করেন।
এটিই ছিল তাঁর প্রথম ও শেষ সিলেট সফর। সে সময় শ্রীহট্টের সৌন্দর্য মুগ্ধ হয়ে তিনি একটি কবিতা রচনা করেছিলেন।
সিলেটের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় নাগরিক সমাজের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রশাসক বলেন, ২০১৯ সালে সিসিক ও নাগরিক সমাজের উদ্যোগে কবিগুরুর সিলেট আগমনের শতবর্ষ উদযাপন করা হয়েছিল।
আজও ব্রাহ্মসমাজ যে স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমাদের পূর্বসূরিদের কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা করাই সিলেটকে সম্মানিত করে।
এ ধরনের কাজে অতীতে যেভাবে সিটি কর্পোরেশন পাশে ছিল, আগামী দিনেও সেই পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত থাকবে।
কাজী নজরুল ইসলামের শতবর্ষ উদযাপন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয় কবি নজরুল তাঁর জীবনে দুবার সিলেট এসেছিলেন।
এ বছর তাঁর প্রথম বা দ্বিতীয় আগমনের শতবর্ষ পূর্ণ হচ্ছে।
সকলের পরামর্শ ও সহযোগিতায় দুই দিনব্যাপী চমৎকার অনুষ্ঠানমালা সাজানো হবে।
তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন জনগণেরই প্রতিষ্ঠান। তাই সিলেটের ভালোমন্দ সব কার্যক্রমে নগরবাসীকে অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
শ্রীহট্ট ব্রাহ্মসমাজের সভাপতি অ্যাডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট বিজয়কৃষ্ণ বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে একটি আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
» সুনামগঞ্জে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তা
Published: ০৬. নভে. ২০২৬ | শুক্রবার
ছাতক প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম আব্দুল কাইয়ুম (২৯)। তিনি ছাতক উপজেলার জাউয়া এলাকার মৃত মিয়াধন আলীর ছেলে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সুনামগঞ্জ আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জিআর-৩৬৪/২২ (সদর) মামলায় আব্দুল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের রায় রয়েছে। রায় ঘোষণার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালায়।
ছাতক থানার এএসআই (নিরস্ত্র) মো. মনজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।
এ বিষয়ে ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন, পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল কাইয়ুমকে গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার দুপুরে সুনামগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
» ত্যাগ ও কুরবানী থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে : হামিদুর রহমান আযাদ
Published: ০৬. নভে. ২০২৬ | শুক্রবার
সিলেট মহানগর জামায়াত আমীরের শপথ ও রুকন সমাবেশ
» মনিপুরী ছাত্র সমিতির প্রাইমারি ও জুনিয়র মেধা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
Published: ০৬. নভে. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র সমিতি (বামছাস) কর্তৃক আয়োজিত প্রাইমারি ও জুনিয়র মেধা বৃত্তি পরীক্ষা আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর ২০২৬) দেশের মণিপুরী অধ্যুষিত ৫টি কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কেন্দ্রগুলো হলো ভানুগাছ কেন্দ্র, ছোট ধামাই কেন্দ্র, নলডরী কেন্দ্র, হবিগঞ্জ কেন্দ্র ও সিলেট কেন্দ্র। এই মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় ৪৩২ জন মনিপুরী শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে।
মণিপুরী শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত এই বৃত্তি কার্যক্রম সংগঠনটির শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নমুখী উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বহন করছে।
১৯৯২ সালে যাত্রা শুরু করা এই বৃত্তি কার্যক্রম তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলমান রয়েছে।
প্রাথমিক ও জুনিয়র পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত পরীক্ষাটি বামছাসের দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষামূলক কার্যক্রমের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ।
সময়ের পরিবর্তনের মধ্যেও উদ্যোগটি অব্যাহত থাকা শিক্ষাকে ঘিরে সংগঠনের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহযোগিতার পরিচয় তুলে ধরে।
দীর্ঘদিনের এই আয়োজনের আর্থিক ভিত্তি হিসেবে রয়েছেন বামছাসের দুই উপদেষ্টা অসেম সত্যজিত ও এল নন্দলাল সিংহ এবং কিছুসংখ্যক শুভাকাঙ্ক্ষী।
তাঁদের আর্থিক সহযোগিতাতেই বৃহৎ পরিসরের এই সমাজ উন্নয়নমুখী কার্যক্রম এখনও পরিচালিত হচ্ছে।
বৃত্তি পরীক্ষার মতো একটি নিয়মিত আয়োজন দীর্ঘ সময় ধরে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
এবারের পরীক্ষার কেন্দ্রবিন্যাসে বাংলাদেশের মণিপুরী অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকার উপস্থিতি রয়েছে।
ভানুগাছ, ছোট ধামাই, নলডরী, হবিগঞ্জ ও সিলেট-এই পাঁচ কেন্দ্রে একই দিনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার মধ্য দিয়ে আয়োজনটির বিস্তৃত পরিসর ফুটে উঠেছে।
পৃথক এলাকার শিক্ষার্থীদের একই বৃত্তি কার্যক্রমের আওতায় যুক্ত করার ক্ষেত্রে এই বহুকেন্দ্রিক আয়োজন তাৎপর্য বহন করে।
প্রাইমারি ও জুনিয়র দুই পর্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করায় উদ্যোগটির কেন্দ্রে রয়েছে শিক্ষাজীবনের শুরুর দিকের শিক্ষার্থীরা।
বৃত্তি পরীক্ষা তাঁদের কাছে পাঠ্যবিষয় নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ এবং নিজেদের শিক্ষাগত সামর্থ্য যাচাইয়ের একটি উপলক্ষ হতে পারে।
পাশাপাশি এমন আয়োজনকে ঘিরে পরিবার ও সমাজের মধ্যে শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে মনোযোগ তৈরিরও সুযোগ থাকে।
সেই বিবেচনায় কার্যক্রমটির প্রাসঙ্গিকতা কেবল পরীক্ষার দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
আজকের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে বামছাসের দীর্ঘদিনের বৃত্তি কার্যক্রমে আরও একটি আয়োজন যুক্ত হচ্ছে।
মণিপুরী শিক্ষার্থীদের ঘিরে পরিচালিত এই উদ্যোগের সংবাদে তাই পরীক্ষার পাশাপাশি এর পেছনে থাকা সহযোগিতার ইতিহাসও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
অসেম সত্যজিত, এল নন্দলাল সিংহ এবং সহযোগী শুভাকাঙ্ক্ষী কেএইচ বীরেন, শেরাম প্রমোদ সহ বৃত্তি নির্বাচন পরিষদের ময়েংবম মুকেশ, খোঞ্জেল মীতৈ, সিদ্ধার্থ সিংহ, শোভন শর্মা, উতপল সিংহ, য়ুম্নাম প্রিন্স, সূচনা দেবী, ঐশিকা দেবী সহ বামছাস কার্যকরী পরিষদের সকলের অবদান সেই ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে রয়েছে।
» সিলেটে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করলেন পীর সাহেব চরমোনাই
Published: ০৬. নভে. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনে মেয়র পদে হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আবু তাহের মিসবাহ’র নাম ঘোষণা করলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই।
তিনি বলেন, মুফতী আবু তাহের মিজবাহ আপনাদের এই সিলেটের কৃতি সন্তান। শাহজালাল (র.) ও শাহপরাণ (র.)এর পূর্ণভুমিতে তার মতো একজন যোগ্য উত্তরসূরী নগর উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে অগ্রাধিকার।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় সিলেট জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা ও মহানগর সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সিসিক মেয়র প্রার্থী ঘোষনা করেন।
ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা বদরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শরাফত উল্লাহ আরফানের পরিচালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতী মানসুর আহমদ সাকী।
বিশেষ অতিথি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা সভাপতি মুফতি সাঈদ আহমদ, মহানগর সভাপতি ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন জেলা সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, ছাত্র আন্দোলন মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ জাকাওয়াত চৌধুরী পাশা, জেলা সভাপতি মুহাম্মদ মোরশেদ আহমদ চৌধুরী সহ জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।
কে এই আবু তাহের মিসবাহ
সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার বুরুঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম তিলাপাড়া গ্রামে এক মুসলিম সম্ভান্ত পরিবারে ১৯৯৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম হাজী আব্দুল মালিক ও মাতা মুছা: রহিমা বেগম।
শিক্ষা
আবু তাহের মিসবাহ একজন ইসলামী ও জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব। শিক্ষাজীবনে তিনি নিজ এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। উচ্চ শিক্ষায় কওমি মাদ্রাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন।
পাশাপাশি সিলেট মদনমোহন কলেজ থেকে বিএসএস অর্নাস, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা থেকে ফাজিল ও ফিকাহ বিভাগে কামিল ডিগ্রি অর্জন করেন। সিলেট নগরীর জামেয়া মাদানিয়া ইসলামীয়া কাজিরবাজার মাদরাসা, মদনমোহন কলেজ ও সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসায় অধ্যয়ন করে ত্রিধারা শিক্ষা ব্যবস্থার জ্ঞান অর্জন করেন।
রাজনীতি ও সংগঠন
রাজনৈতিক জীবনে তিনি ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন কর্মী, ইউনিয়ন ও উপজেলায় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে তিনি ক্রমান্বয়ে সিলেট মহানগর সভাপতি, সিলেট জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক উপ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা শাখার জয়েন্ট সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে বর্তমানে জেলা শাখার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কর্মজীবন
তিনি লেখাপড়া শেষে সিলেট নগরীতে মাদরাসা ও স্কুলে শিক্ষকতা করেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনার, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও ডিজিটাল মার্কেট এ দক্ষতার সহিত ব্যবসায় আছেন।
সিলেট নগরীর ১৪নং ওয়ার্ড এ দীর্ঘদিন থেকে তার বসবাস। তিনি একাধারে সংগঠক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী।
এছাড়াও মসজিদ, মাদরাসা, সমাজ সেবামূলক বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনে রয়েছে তার সম্পৃক্ততা।
» ৭ নভেম্বরের চেতনা হোক জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা : মিফতাহ্ সিদ্দিকী
Published: ০৬. নভে. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেছেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন।
১৯৭৫ সালের এই দিনে সৈনিক-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতির মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল।
জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় ৭ নভেম্বরের চেতনা আজও প্রাসঙ্গিক। এই চেতনা ধারণ করেই জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে সিলেট রেজিস্ট্রারী মাঠে সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র্যালি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ, সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে তাঁর নেতৃত্ব মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠন, কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে তিনি দেশের রাজনীতিতে নতুন ধারার সূচনা করেন।
শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর সরকারের সময়ে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
নারীশিক্ষার প্রসার, শিক্ষা খাতে উদ্যোগ, গ্রামীণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণেও তাঁর সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেম। বেগম খালেদা জিয়ার গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও রাজনৈতিক ত্যাগ দেশের মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেকে দেশপ্রেম, দৃঢ়তা ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রতিকূলতা পেরিয়ে তারেক রহমান আজ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন।
তাঁর নেতৃত্বে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধ, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা নিশ্চিত করার প্রত্যাশা রয়েছে।
তাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশাকে ধারণ করে সবাইকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে।
সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি লে. অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শিহাব উদ্দিন আহমেদ শিহাব ও সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সাংঠনিক সম্পাদক ওয়াহিদুল ইসলাম বাবুর যৌথ সঞ্চালনায় সহ সভাপতি রাসেল মাহবুবের স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ ক্ষুদ্র ঋণ ও কুটিরশিল্প বিষয়ক সম্পাদক এবং মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সদস্য সালেহ আহমদ খসরু।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ক্ষুদ্রঋণ ও কুটিরশিল্প বিষয়ক সম্পাদক এবং মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব ও আহ্বানে আমরা দেশকে স্বাধীন করতে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম।
মুক্তিযুদ্ধের সেই দিনগুলোতে আমরা প্রত্যক্ষভাবে লড়াই করেছি, ত্যাগ স্বীকার করেছি।
তাই এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানুষের অধিকার রক্ষার সংগ্রামের ইতিহাস আমাদের অজানা নয়।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা দেশকে অস্থিতিশীল করে রেখেছিল।
দেশের মানুষকে নানা সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে এ দেশ স্বাধীন করেছি।
তাই দেশের স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকার রক্ষায় আমাদের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার সবসময় অটুট থাকবে।
বিএনপি কানাইঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ মামুন, সিলেট জেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মিফতাহুল কবির মিফতাহ, জেলা তাঁতী দলের সদস্য সচিব আলতাফ হোসেন বিলাল, মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, মহানগর তাতীদলের সদস্য সচিব আমিনুল হক বেলাল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি আক্তার হোসেন ভুইঁয়া মিন্টু, সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী, সহ সভাপতি শফিকুর রহমান টুটুল, এম এ রহিম, নুরুল হুদা চৌধুরী মিফতাহ, জামাল আহমদ, হারুন অর রশীদ সরকার, যুগ্ম সম্পাদক রায়হাদ বক্স রাক্কু, মহিলা সম্পাদিকা আমাতা মাসুমা, খালিদুর রাহমান সাঈদ, জাহেদ আহমদ বাবু, সাহিদুল ইসলাম হৃদয়, স্বপন আহমদ, মজনুর রাহমান মজনু, সেলিম আহমদ, নাজমুল হক মিলাদ, আবু সাঈদ মো. তায়েফ, মারুফ আহমদ টিপু, সোহেল আহমদ, এনামুর রহমান, মোহাম্মদ আলী, মো. নিলু আহমদ, নাজিম উদ্দিন নাজিম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. খুররাম আহমেদ, সদস্য জুনায়েদ আহমদ জুনেদ, আব্দুল হাকিম, এম এ লতিফ, মাহবুবুর রহমান রুমী, রুপা মিয়া প্রমূখ।
সমাবেশ শেষে নগরীর রেজিস্ট্রারী মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালিতে সিলেট জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা এবং পৌরসভা মুক্তিযোদ্ধা দলের বিভিন্ন স্থরের নেতাকর্মীরা রংবেরংয়ের ব্যানার ও ফ্যাস্টুন নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।
» কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বন্ধ কারখানা সচল করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ বাস্তবায়ন করতে হবে : গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএ
Published: ০৬. নভে. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বন্ধ কলকারখানা পুনরুজ্জীবিত করা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ অর্থায়ন প্যাকেজের সুবিধা যেন প্রকৃত উদ্যোক্তারা দ্রুত পান, তা নিশ্চিত করতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএ।
আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে ব্যাংকসহ অন্যান্য অংশীজনদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই নির্দেশনা দেন।
সিলেটের স্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের আঞ্চলিক প্রধান, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দ, নারী উদ্যোক্তা এবং কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (CMSME) শিল্পের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গভর্নর এই অর্থায়ন প্যাকেজের মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সভায় গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, “বর্তমানে ব্যাংক ঋণের ১২ থেকে ১৪ শতাংশ সাধারণ সুদের হার ব্যবসা পরিচালনার জন্য একটি বড় চাপ।
এই চাপ থেকে উদ্যোক্তাদের স্বস্তি দিতে এবং থমকে যাওয়া শিল্প খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে ৪ থেকে ৮ শতাংশের মতো বিশেষ কম সুদে এই প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ সরবরাহ করা হচ্ছে।”
এই বৃহৎ প্যাকেজের ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং বাকি ৪১ হাজার কোটি টাকা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য থেকে দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সিলেট অঞ্চলের বন্ধ থাকা উৎপাদনমুখী শিল্প ও সেবা খাতকে পুনরায় সচল করার ওপর জোর দিয়ে গভর্নর বলেন, এই প্যাকেজের সবচেয়ে বড় অংশ অর্থাৎ ২০ হাজার কোটি টাকা বন্ধ শিল্প পুনর্গঠনে ব্যয় করা হবে।
এছাড়া কৃষি ও পল্লী অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকা এবং বেকার যুবকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
তরুণদের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, “বেকার যুবসমাজকে দেশের মূল অর্থনৈতিক ধারায় যুক্ত করতে চলতি মাস (নভেম্বর) থেকেই ‘উদ্যোগ’ (Uddyog) নামের একটি প্রকল্প শুরু হয়েছে।
এর আওতায় দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০ জন করে মোট ৫ হাজার তরুণকে বাছাই করে নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
এই প্রক্রিয়ায় ব্যাংক বা আমলাতান্ত্রিক কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিদের ঋণ প্রাপ্তি সহজ করার বিষয়ে গভর্নর জানান, ১০ হাজার কোটি টাকার কৃষি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় কৃষকরা এখন প্রথাগত জমির পরিবর্তে বিকল্প জামানত ব্যবহার করে সহজেই ঋণ সুবিধা পাবেন।
তবে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে গভর্নর বলেন, “প্রকৃত ও যোগ্য উদ্যোক্তাদের ঋণ নিশ্চিত করা হবে।
চলতি বছরের মধ্যে সুযোগ পাওয়ার পরও যারা ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ করবে না, আগামী বছর থেকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এই প্যাকেজটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশে ২৫ লাখের বেশি মানুষের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট অফিসের নির্বাহী পরিচালক খালেদ আহমদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভার শুরুতে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ব্যাংকিং রেগুলেশন পলিসি ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক সালাউদ্দিন তাপাদার।
আলোচনায় অংশ নেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক নওশাদ মোস্তাফা ও আব্দুস সালাম মাহমুদ, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নূর, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাবেত নাঈম চৌধুরী, সানজিদা খাতুন, হিজকিল গুলজার, ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, আলিমুল এহসান চৌধুরী, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাহবুব উল হাকিম, প্রফেসর ড. শহিদুল হক, নারী উদ্যোক্তা অনিতা দাশ গুপ্তা।
অংশীজনরা সিলেট অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের বিভিন্ন সমস্যা ও ঋণ প্রাপ্তির জটিলতা গভর্নরের সামনে তুলে ধরেন এবং গভর্নর তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক কর্মকর্তাদের সেসব সমস্যা সমাধানের তাগিদ দেন।
গভর্নর নগদ লেনদেনের পরিবর্তে বাংলা কিউআর’র মাধ্যমে বিনা খরচে ক্যাশলেস ব্যাংকিং করতে সকলের প্রতি আহবান জানান।
গভর্নর বলেন, বিগত সময়ে ব্যাংকিং সেক্টরে যে লুটপাট হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠতে আট বছর সময় লাগতে পারে।
তিনি ব্যাংকার কাস্টমার সম্পর্কের ভিত্তিতে ডিসেম্বর ২০২৬’র মধ্যে ওয়ান টাইম এক্সিট সুবিধা গ্রহণ করতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আহবান জানান।
তিনি কর্পোরেট ঋন কমিয়ে বেশি করে রিটেইল, এসএমই, কৃষি ঋণ বিতরণ করতে ব্যাংকারদের আহবান জানান।
» সড়ক প্রশস্ত হলে পুরো এলাকাবাসী সুফল ভোগ করবেন; ইসলামপুরে উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, একটি সড়ক প্রশস্ত ও উন্নত হলে এর সুফল কোন বিশেষ ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নয়, বরং পুরো এলাকার মানুষ ভোগ করেন।
শুধু ওই সড়ক ব্যবহারকারীরাই নন, আশপাশের এলাকার বাসিন্দারাও এর মাধ্যমে উপকৃত হন।
তাই বৃহত্তর জনস্বার্থে নগরের সড়ক প্রশস্তকরণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সবাইকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর ডি-ব্লক সড়ক ও ড্রেনের সংস্কার ও সম্প্রসারণকাজ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সড়ক ও ড্রেন সম্প্রসারণের জন্য জনস্বার্থে নিজেদের ভূমি ছেড়ে দিয়ে যারা সহযোগিতা করছেন, তাঁদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, নগরের উন্নয়ন শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।
এ জন্য নাগরিকদের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে সড়ক প্রশস্তকরণ ও ড্রেন নির্মাণের ক্ষেত্রে যাঁরা ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জায়গা ছেড়ে দিচ্ছেন, তাঁরা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন।
তাঁদের এই ত্যাগ ও সহযোগিতার সুফল দীর্ঘমেয়াদে পুরো এলাকার মানুষ ভোগ করবেন।
তিনি বলেন, পরিকল্পিত নগর গড়ে তুলতে প্রশস্ত সড়ক ও উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়ন হলে একদিকে যেমন মানুষের চলাচল সহজ হবে, অন্যদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তাই নগরের সামগ্রিক উন্নয়নে এলাকাবাসীকে সম্মিলিতভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী সুমন চন্দ্র দেবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সিসিক প্রশাসক নগরীর মির্জাজাঙ্গাল এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ সময় ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা ফেলতে দেখে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কিছু অসচেতন মানুষের যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে সেই প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে।
এতে একদিকে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে রোগজীবাণু ছড়িয়ে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে। ড্রেন ও ছড়ায় বর্জ্য ফেলার ফলে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়ে জলাবদ্ধতার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।
একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নগর পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব শুধু সিটি কর্পোরেশনের নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।
নির্ধারিত স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার পাশাপাশি ড্রেন ও ছড়ায় বর্জ্য না ফেলার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
» সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ব্যাপক সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হবে; জানালেন বিসিবি পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ, সংস্কার ও আধুনিকায়নে ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের উপযোগী করে স্টেডিয়ামকে আরও আধুনিক, নান্দনিক ও দর্শকবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্ট ম্যাচকে সামনে রেখে এসব কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে প্রেসবক্সে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে আমরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
এর মধ্যে রয়েছে গ্রিন গ্যালারির আধুনিকায়ন, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড সংস্কার, ফ্লাডলাইট ব্যবস্থার উন্নয়ন, খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুম সংস্কার, হসপিটালিটি বক্স নির্মাণ ও উন্নয়ন এবং খেলার মাঠের প্রয়োজনীয় সংস্কার।
পাশাপাশি স্টেডিয়ামে প্রবেশের সড়ক সংস্কার, প্রবেশদ্বারের সৌন্দর্যবর্ধন ও আলোকায়নসহ দর্শক, খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্ট সবার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে।
তিনি বলেন, আগামী জানুয়ারিতে সিলেটে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া ফেব্রুয়ারিতে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের সূচি রয়েছে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনকে সামনে রেখে আমরা স্টেডিয়ামকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করতে চাই।
এ লক্ষ্যেই উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে স্টেডিয়ামটির সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠার পেছনে প্রয়াত বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উন্নয়ন কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান আরাফাত রহমান কোকো এবং সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বিসিবি পরিচালক বলেন, সিলেটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
তাঁদের উদ্যোগ ও অবদানের ফলে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের অন্যতম ভেন্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে, তখনই দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও ক্রীড়া অবকাঠামো সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করে তাঁদের বিকাশের সুযোগ তৈরিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন।
এরই অংশ হিসেবে নতুনকুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে খেলাধুলার আগ্রহ বাড়বে এবং ভবিষ্যতের দক্ষ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন সফল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম শুধু সিলেটের নয়, এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া স্থাপনা।
এখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আয়োজন সিলেটের পরিচিতি ও মর্যাদা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া চর্চার প্রসারেও ভূমিকা রাখে।
তাই আগামী দিনে স্টেডিয়ামে আয়োজিত সব টুর্নামেন্ট ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ মাঠে এসে উপভোগ করার জন্য তিনি সিলেটবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় বিসিবির সিলেটের কাউন্সিলর আশরাফ আরমান, মৌলভীবাজারের অন্যমৌলভীবাজারের কাউন্সিলর মনোয়ার এম আহমদসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
» পীর সাহেব চরমোনাই সিলেট আসছেন, মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করবেন শুক্রবার
Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই দুই দিনের সফরে সিলেট আসছেন আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর)।
বেলা ২টা ১০ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানযোগে অবতরণ করেন।
বিমানবন্দরে পৌঁছলে নেতৃবৃন্দ পীর সাহেব চরমোনাইকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি মানসুর আহমদ সাকী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগর সভাপতি ডা. রিয়াজুল ইসলাম, জেলা সভাপতি মুফতি সাঈদ আহমদ, জেলা সেক্রেটারী মুফতি আবু তাহের মিসবাহ, মহানগর সেক্রেটারী হাফিজ মাওলানা ইমাদ ইমাদ উদ্দিন, ইসলামী যুব আন্দোলন সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ বদরুল হক সহ জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।
বিমানবন্দ থেকে সরাসরি তিনি সুনামগঞ্জের দুটি মাহফিলে প্রধান অতিথির বয়ান পেশ করবেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় সিলেট জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা ও নগরের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই।
সম্মেলন শেষে আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী ঘোষণা করবেন তিনি।
পরে বাদ মাগরিব পীর সাহেব চরমোনাই জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন ও বাদ এশা দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশিদ চত্ত্বর পয়েন্টে বিশাল ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথির বয়ান পেশ করবেন।
উক্ত সম্মেলন ও মাহফিলে দলীয় নেতাকর্মীসহ সবাইকে উপস্থিত সহ সাংবাদিক ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন, ইসলামী আন্দোলন সিলেট মহানগরের সেক্রেটারী হাফিজ মাওলানা ইমাদ উদ্দিন।
» সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের এক যুগ পূর্তি উৎসব উদযাপন
Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের এক যুগ পূর্তি উৎসব উদযাপিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেক কাটা ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, কলেজের চেয়ারম্যান ও মহিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কলেজের রেক্টর জনাব সালমা খানম চৌধুরী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া (অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী) এবং সিলেট কমার্স কলেজের অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ।
উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিবুর রহমান সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শুরু করে গত এক যুগের শিক্ষা কার্যক্রম, অগ্রগতি ও বিভিন্ন সাফল্যের চিত্র তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, একটি স্বপ্ন ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের সাফল্যের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
এ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল ও সাফল্য অর্জনের জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন, শৃঙ্খলা ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমের ধারাবাহিক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের সাফল্য ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
কেক কাটা, বেলুন উড্ডয়ন এবং আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজিত এ উৎসবে কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।
শিক্ষার্থী ও উপস্থিত অতিথিদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসে পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও স্মরণীয়।
এক যুগের পথচলা অতিক্রম করে সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ আগামী দিনগুলোতে মানসম্মত বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার এবং দক্ষ, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
» জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা যুবদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
Published: ০৫. নভে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে সিলেট জেলা যুবদলের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় নগরীর জিন্দাবাজারস্থ একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের হলরুমে জেলার অধীনস্থ উপজেলা ও পৌরসভার নেতৃবৃন্দের সাথে এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।
কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদের সভাপতিত্বে এবং জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপুর পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কয়েস আহমদ, সহ-সভাপতি মকসুদুল করিম নুহেল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসরুর রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল বাশার হাবিব।
সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত হয়েছিল।
দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে যুবদলকে বরাবরের মতো সামনের সারিতে থেকে রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
জেলা যুবদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত থেকে আগামী ৭ নভেম্বরের কর্মসূচিকে সফল করার আহ্বান জানাচ্ছি।
সভায় জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
দিবসটির তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং কর্মসূচি সফল করতে উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে নির্ধারিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।
উক্ত প্রস্তুতি সভায় সিলেট জেলা যুবদলের অধীনস্থ ১৩টি উপজেলা ও ৫টি পৌর যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

