- কানিশাইল ও ঘাসিটুলা এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
- ১৮ ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
- সিলেটে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
- হজরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দান-খয়রাত-মানতের পূর্ণ হিসাব ভাগ-ভাটোয়ারা না করে জেলা প্রশাসনের নির্দিষ্ট ব্যাংকে জমা প্রদান এবং মাজারের কমিটি সংস্কার ও মাজার পরিচালনায় প্রস্তাবনার দাবী নিয়ে একতাবদ্ধ সিলেটবাসী স্মারকলিপি প্রদান
- স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ‘ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত
- পুবালী ব্যাংক ও সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চুক্তি স্বাক্ষর
- সরকারের ৭ মাসেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক অবস্থায় মাওলানা গাজী আতাউর রহমান
- সিলেট ও সারাদেশে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং সহ নানা দুর্গতিতে অতিষ্ঠ নাগরিক জীবন
- বিয়ানীবাজারে ‘পরিদর্শন কক্ষ’ উদ্বোধন, এমপি এমরানের সঙ্গে মন খুলে কথা বলবেন জনতা
- সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা’ পুনঃস্থাপনের জোর দাবি এডভোকেট আব্দুর রকিবের
» কানিশাইল ও ঘাসিটুলা এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নাগরিকদের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরীর কানিশাইল ও ঘাসিটুলা এলাকার নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সিটি কর্পোরেশন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।
ঘাসিটুলা কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশের ড্রেন প্রশস্ত ও সংস্কার করা হবে। কানিশাইলে ছড়ার ওপর সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে স্কুলে যাতায়াত করতে পারে।
পাশাপাশি খেলার মাঠ সংস্কার এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া ড্রেনের অংশ পুনর্নির্মাণ করা হবে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর কানিশাইল ও ঘাসিটুলা এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় এলাকাবাসী সিসিক প্রশাসকের কাছে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। বিশেষ করে খেলার মাঠের সংস্কার, ছড়ার ওপর সেতু নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া ড্রেনের কারণে জলাবদ্ধতাসহ নানা দুর্ভোগের কথা জানান তারা।
এলাকাবাসীর বক্তব্য শুনে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “ঘাসিটুলা ও কানিশাইল এলাকা পরিদর্শন করলাম।
এখানে কিছু সমস্যা রয়েছে। ঘাসিটুলা কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশের ড্রেনটি প্রশস্ত ও সংস্কার করা হবে।
কানিশাইলে ছড়ার ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করা প্রয়োজন। ব্রিজ না থাকায় শিশুদের স্কুলে যাতায়াতে সমস্যা হয়। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এলাকার খেলার মাঠটি সংস্কার করা হবে। ড্রেনের একটি অংশ অর্ধেক জায়গায় আটকে গেছে।
পুরো ড্রেনটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে এলাকাবাসীর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কাজে সবাইকে সঙ্গে থাকার এবং সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই।”
তিনি বলেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকার সমস্যা সরেজমিনে চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নাগরিকদের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
এ সময় ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক সাকিব আহমদ, সিলেট মহানগর বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক সেলিম আহমদ, মহানগর বিএনপির সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ লোকমান, ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি নিয়ামত এলাহী, মহানগর যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মকছুদুল করিম ইমন সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
» ১৮ ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রতিটি ওয়ার্ডে ব্যাপক উন্নয়নকাজ শুরু করেছি
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, “আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, শুষ্ক মৌসুমে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে ব্যাপকভাবে উন্নয়নকাজ শুরু করব।
এখন শুষ্ক মৌসুম প্রায় এসে গেছে। তাই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নগরীর প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ব্যাপকভাবে উন্নয়নকাজ শুরু করেছি।”
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঝেরঝেরিপাড়া ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটপাড়া এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, “আমি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড সরেজমিনে পরিদর্শন করে সড়ক, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে এসব কাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না।
এ কারণে এতদিন উন্নয়নকাজে কিছুটা ধীরগতি ছিল। আমি আশ্বাস দিয়েছিলাম, শুষ্ক মৌসুমে পূর্ণোদ্যমে উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে। এখন নগরীর সব ওয়ার্ডেই কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে নগরবাসী এসব উন্নয়নকাজের সুফল পাবেন।”
১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঝেরঝেরিপাড়া এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, এখানে অনেক স্থাপনা অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে ড্রেন সরু হয়ে গেছে এবং পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিকভাবে সার্ভে করার নির্দেশ দেন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
পরে সিসিক প্রশাসক ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি চাঁনমিয়া-রানী বেগম বেসরকারি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পশ্চিমপাড়া প্রধান সড়ক নির্মাণসহ এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
১৮ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, ঝেরঝেরিপাড়া জামে মসজিদের মোতওয়াল্লী মুশফিক উস সামাদ চৌধুরী, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তারেক আহমদ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুমিন, ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকের আহমদ, সাবেক কাউন্সিলর এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জ্বল, সেলিম আহমদ চৌধুরী, মিসবাহ উল ইসলাম চৌধুরী, মনসুর আহমদ লস্কর, মাওলানা মাহমুদ সোয়াইব, ফয়জুর ইসলাম বাবুল, এভারগ্রীন ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী জুয়েল, সাবেক ছাত্রনেতা মিনহাজুর রহমান মিনহাজ, এভারগ্রীন ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ডা. ফজলুল হক সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ মোহাম্মদ তাহমীম সোবহান, অর্থ সম্পাদক মাওলানা আহমাদ সামসুদ্দিন, দফতর সম্পাদক শামসুর রহমান কামাল, ক্রীড়া সম্পাদক রাহাত খান মুন্না, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আজিজুল হক আবিদ, কার্যকরী কমিটির সদস্য মইনুর রশীদ চৌধুরী শাহীন, আমিনুর রশীদ চৌধুরী ফয়সল, সাইফুল ইসলাম টিপু, এমদাদুর রহমান, ফারদিনুর রহমান রাইয়ান, সৈয়দ সাদিকুজ্জামান সাদী প্রমুখ।
৩২ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবক রতন মনি মোহন্ত, পশ্চিম ভাটপাড়া জামে মসজিদের মোতওয়াল্লী শায়েস্তা মিয়া, আনা মিয়া, ইজ্জাদ মিয়া, জামাল আহমদ, দেওয়ান রেজওয়ান আহমদ, দুলাল আহমদ, রাজন আহমদ, কামরান আহমেদ, দেওয়ান মারওয়ান, রাহেদ আহমদ, রহিম আহমদ, হেলাল আহমদ, ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলমসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
» সিলেটে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলায় দুর্যোগের আগাম প্রস্তুতি, পূর্বাভাসনির্ভর কার্যক্রম এবং সময়মতো মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন।
সভায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদ রানা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আয়শা আক্তার এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ডিআরআরও) মো. আব্দুল কুদ্দুস বুলবুল সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিনিধি ও অন্যান্য অংশীজনেরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য, লক্ষ্য, কর্ম পরিকল্পনা ও স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়।
আলোচনায় সিলেটের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা, অতিবৃষ্টিসহ সার্বিক দুর্যোগে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পূর্বপ্রস্তুতি, পূর্বাভাসনির্ভর ‘আগেভাগেই পদক্ষেপ’ এবং ট্রিগার-ভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
বক্তারা বলেন, দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ সহায়তার চেয়ে পূর্বাহ্নে সতর্কবার্তা ও ট্রিগারের ওপর ভিত্তি করে আগাম পদক্ষেপ গ্রহণ করা গেলে জানমাল ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি বহুগুণে কমিয়ে আনা সম্ভব।
এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা ও জেলা পরিষদ, এনজিও, গণমাধ্যম এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে কার্যকর ও শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
একই সাথে নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত রেখে সুরক্ষা জোরদারের সুপারিশ করেন অংশীজনেরা।
উল্লেখ্য, ‘প্রতিষ্ঠা’ মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজি-ইকোর অর্থায়নে পরিচালিত একটি কনসোর্টিয়াম প্রকল্প। কেয়ার বাংলাদেশ এর সার্বিক নেতৃত্বে পরিচালিত এই কনসোর্টিয়ামের অন্য দুই অংশীদার হলো এসিএফ ও অ্যাক্টেড এবং কারিগরি সহযোগিতায় রয়েছে ‘রাইমস’। মাঠপর্যায়ে এটি বাস্তবায়ন করছে ইএসডিও, উত্তরণ ও এনএসএস।
অনুষ্ঠানে কেয়ার বাংলাদেশ-এর ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট এম. এ. জাহিদ, ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো: দেলোয়ার হোসেন, প্রজেক্ট অফিসার জাহিদুল হক, আব্দুলহিল বারী এবং ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মো: মাসুদ রানা ও প্রিতি রানি সরকারসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় এ প্রকল্পের সুসংগঠিত উদ্যোগের মাধ্যমে সিলেট জেলায় পূর্বাভাসনির্ভর আগাম মানবিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও টেকসই হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ সহনশীলতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
» হজরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দান-খয়রাত-মানতের পূর্ণ হিসাব ভাগ-ভাটোয়ারা না করে জেলা প্রশাসনের নির্দিষ্ট ব্যাংকে জমা প্রদান এবং মাজারের কমিটি সংস্কার ও মাজার পরিচালনায় প্রস্তাবনার দাবী নিয়ে একতাবদ্ধ সিলেটবাসী স্মারকলিপি প্রদান
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের সামাজিক সংগঠন ও সর্বস্তরের নাগরিকদের সম্মিলিত সংগঠন একতাবদ্ধ সিলেটবাসীর উদ্যোগে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হজরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দান-খয়রাত-মানতের পূর্ণ হিসাব ভাগ-ভাটোয়ারা না করে জেলা প্রশাসনের নির্দিষ্ট ব্যাংকে জমা প্রদান এবং মাজারের কমিটি সংস্কার ও মাজার পরিচালনায় প্রস্তাবনার দাবী উপস্থাপন করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বানিজ্য মন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাঈদা পারভীন।
বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ রেজাউল করিম জালালীর নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মইনুল ইসলাম আশরাফী, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বকুল, এম এ আলী জালালাবাদী, মো: জয়নাল আবেদীন, মুজিবুর রহমান, মুখতার আহমদ তালুকদার, মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহের, রফিকুল ইসলাম সিতাব, তোফায়েল আহমদ, আনোয়ার আহমদ, সৈয়দ ফেরদৌস আহমদ, মো. মখলিছ মিয়া, সৈয়দ রাসেল, ইমতিয়াজ রহমান ইনু, টিপু চৌধুরী, রুবেল আহমদ তালুকদার, আব্দুল শহীদ খান, মো: কামাল মিয়া, মো. সাহেদ আহমদ শান্ত, মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, শামসুল হক, মোহাম্মদ ইমরান হোসেন, মাওলানা শিব্বির আহমদ, মাওলানা সানুল আহমদ, মাওলানা এম. এ রহিম, হাবিবুর রহমান হাবিব সহ প্রায় অর্ধশতাধিক বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ।
স্মারকলিপি বিষয়বস্তুঃ গত ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে যান সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম।
তিনি মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এরই অংশ হিসেবে ১৮ জুন শাহজালাল (রহ.) মাজারে নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন করেন এবং মাজারে মানুষের দানের অর্থ রাখার জন্য থাকা ঐতিহাসিক তিনটি দানের ডেক ও একটি দানবাক্স সিলগালা করা হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে অদ্যবধি আপনার তত্ত্বাবধানে একবার সহ মোট চারবার প্রকাশ্যে মাজারের দানের টাকা হিসাব করা হয় ও জেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্দিষ্ট ব্যাংকে টাকা জমা করা হয়। সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম মাজার সংক্রান্ত বিষয়টি জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত হবে ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসক মহোদয় মাজারের দানকৃত টাকা ৬৫% খাদেম ও ৩৫% উন্নয়ন খাতে ব্যয় হবে বলে ঘোষণা দেন। এ ঘোষণায় সিলেটবাসী মর্মাহত ও আমরা মনে করেছিলাম হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের হিসাব-নিকাশসহ পূর্ণ বিষয়াদি জেলা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করবেন। আমরা চাই মাজার সংক্রান্ত পূর্ণ বিষয়াদি যেন জেলা প্রশাসন দ্বারা পরিচালিত হয়। দেশ-বিদেশের ধর্মপ্রাণ ভক্ত-অনুরাগীরা প্রতিদিনই হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করতে আসেন। এ সময় তাঁরা টাকাসহ নানা সম্পদ মাজারে দান করেন। তবে মাজারের ৭০০ বছরের ইতিহাসে কখনোই দানের হিসাব প্রকাশ্যে গণনা করা হয়নি। সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম টাকা গণনার বিষয়টি চালু শুরু করেছিলেন। আপনাদের মাধ্যমে এই টাকা গণনার বিষয়টি অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী। আমাদের প্রস্তাবিত বিষয়াদি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবী জানাচ্ছি।
হজরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার পরিচালনায় আমাদের প্রস্তাব সমূহঃ
১। মাজারের সম্পূর্ণ জমি জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে ও দৃষ্টিনন্দন মাজার কমপ্লেক্স তৈরী করতে হবে।
২। মাজারের দান-খয়রাত-মানতের পূর্ণ টাকা ভাগ-ভাটোয়ারা না করে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা করতে হবে।
৩। মাজার সংক্রান্ত যাবতীয় খরচ জেলা প্রশাসন কর্তৃক নিয়োগকৃত নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে রশিদ দিয়ে গ্রহণ করতে হবে।
৪। প্রতিদিন গণনা নয়, সপ্তাহে একবার প্রকাশ্যে মাজারে দানের টাকাসহ হিসাব করতে হবে।
৫। তিনমাস অন্তর অন্তর খরচের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ্যে উপস্থাপন করতে হবে।
৬। প্রতিবছর একবার অডিটের মাধ্যমে পূর্ণ হিসাব-নিকাশ পর্যবেক্ষন করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জাতির সামনে তা প্রকাশ করতে হবে।
৭। মাজারের মুসাফির খানার পূর্ণ দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালনা ও মাজারে দান করা মানতের গরু, খাসি, মোরগ দিয়ে দুই বেলা শিরণী বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৮। মাজারে দানকৃত কোরআন শরিফ, নগদ টাকা, স্বর্ণ, রৌপ্য, বিদেশী মুদ্রা ও গরু, ছাগল, হাঁস, মোরগ, মোমবাতি, আগরবাতি, গোলাপজল, গিলাফ সহ যাবতীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী জেলা প্রশাসনের নিয়োগকৃত নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে রশিদের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে হবে।
৯। মাজারে ডেগ সহ দানের প্রতিটি জায়গা জেলা প্রশাসনের আওতায় আনতে হবে। যেমন-মাজারের সিড়ি উপরের অংশ, কবরের উপরের টাকা, কবরে পাশে দাড়ানো ব্যক্তির কাছে দেওয়া টাকা, ঝর্ণার পার্শে দানকৃত টাকা ও পুকুরের পশ্চিম পার্শে মাছের দোকানের টাকা হিসাবের আওতায় আনতে হবে।
১০। গণশৌচাগার, জুতা রাখার স্থান, গোসলখানা, বিশ্রামঘর, জেলা প্রশাসনের নিয়োগকৃত ব্যক্তি দ্বারা পরিচালনা করতে হবে।
১১। হজরত শাহজালাল (রহ.) এর নামে মাজারের ভিতরে একটি গ্রন্থাগার ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে।
১২। হজরত শাহজালাল (রহ.) এর ব্যবহ্নত জিনিসপত্র ও যাবতীয় স্মৃতিসামগ্রী প্রদর্শনের জন্য একটি প্রদর্শনীয় একটি কক্ষ স্থাপন করতে হবে।
১৩। মাজার পরিচালনায় কর্মচারী নিয়োগ ও যাবতীয় বিষয় জেলা প্রশাসন কর্তৃক তদারকি করতে হবে।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ‘ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি, আত্মবিশ্বাস, প্রকাশভঙ্গি এবং ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগ দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ‘ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬’ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কলেজের ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতাটি তিনটি বিভাগে (জুনিয়র, ইন্টারমিডিয়েট ও সিনিয়র) অনুষ্ঠিত হয়।
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হকের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক সজিবুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্কলার্সহোমের সমন্বয়ক প্রফেসর জয়নুল আবেদিন চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও ব্যক্তিত্ব গঠনে বিতর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বিতর্ক কেবল জয়লাভের মাধ্যম নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে, যুক্তিনির্ভর মতামত প্রকাশ করতে, ভিন্নমতকে শ্রদ্ধা করতে এবং আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক জাকারিয়া আল মামুন।
প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক জাকারিয়া আল মামুন, প্রভাষক মিস মুয়িহারা বেগম এবং প্রভাষক জাভেদ আহমেদ চৌধুরী। প্রতিটি পর্বের ফলাফল সংকলনের দায়িত্ব পালন করেন প্রভাষক মেহেদী ইসলাম তাপাদার তানভি।
অনুষ্ঠানে রিভিউয়ার হিসেবে প্রতিযোগীদের বিতর্ক কৌশল ও উপস্থাপনা নিয়ে গঠনমূলক পরামর্শ দেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ওমর ফারুক ও প্রভাষক মুনাব্বির জোহান।
ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ও প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক তানভীর বিশ্বাসের সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা ও সমন্বয়ে পুরো আয়োজনটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করেন এবং তাঁদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন অধ্যক্ষ মো: ফয়জুল হক।
» পুবালী ব্যাংক ও সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চুক্তি স্বাক্ষর
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি সহ অন্যান্য যাবতীয় ফি আদায় প্রক্রিয়া আধুনিক, সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে পুবালী ব্যাংক পিএলসি এবং সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (এসজিটিএসসি)-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় পুবালী ব্যাংক পিএলসি টেকনিক্যাল রোড শাখার উদ্যোগে সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট পশ্চিম অঞ্চলের উপ মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান মো. রুহুল আমিন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পূবালী ব্যাংক পিএলসি টেকনিক্যাল রোড শাখার ব্যবস্থাপক কাজী মোছা: মাহবুবা বেগম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট পশ্চিম অঞ্চলের উপ মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান মো. রুহুল আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি ও অন্যান্য যাবতীয় ফি পরিশোধের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে পুবালী ব্যাংক পিএলসি এবং সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মধ্যে এ সমঝোতা ও চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ঘরে বসেই কিংবা সহজে ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন ফি পরিশোধ করতে পারবেন।
এতে সময় ও শ্রম দুটোই সাশ্রয় হবে এবং অর্থ লেনদেনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
পুবালী ব্যাংক পিএলসি সবসময় গ্রাহকদের আধুনিক ও মানসম্মত ব্যাংকিং সেবা প্রদানে কাজ করে যাচ্ছে। সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সঙ্গে এই কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি ও অন্যান্য ফি আদায়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে সহজ ও আধুনিক একটি ব্যবস্থা প্রয়োজন ছিল।
পুবালী ব্যাংক পিএলসির সঙ্গে এই চুক্তির ফলে আমাদের শিক্ষার্থীদের ফি প্রদান প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে।
একই সঙ্গে অভিভাবকদের সময় ও ভোগান্তি কমবে এবং প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় আরও বেশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
অধ্যক্ষ সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথ পুবালী ব্যাংক পিএলসিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীবান্ধব ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও ব্যাংকের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
এ উদ্যোগের সুফল যাতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সহজে পান, সে বিষয়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুবালী ব্যাংক পিএলসি সিলেট পশ্চিম অঞ্চলের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার শাহ মোহাম্মদ দস্তগীর আজম, সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইন্সট্রাক্টর (ফার্ম) ও বিভাগীয় প্রধান (ননটেক) রশীদ আহমেদ, ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রিক্যাল) এবং একাডেমিক ইনচার্জ অসীম চক্রবর্তী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এখন থেকে সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ পুবালী ব্যাংকের পিআই অ্যাপ, সেলফ সার্ভিস সেন্টার, বাংলা কিআর এবং পুবালী ব্যাংক টেকনিক্যাল রোড শাখার কাউন্টার অটিসি সেবার মাধ্যমে অত্যন্ত সুবিধাজনক উপায়ে সকল প্রকার ফি জমা দিতে পারবেন।
এর ফলে শিক্ষার্থীদের সময় সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় আরও শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
বক্তারা আরো বলেন, এটি কেবল একটি সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তি নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর ও শিক্ষার্থী-বান্ধব আর্থিক সেবার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
পুবালী ব্যাংক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির পাশে থেকে ভবিষ্যৎ দিনেও সর্বোচ্চ মানের ব্যাংকিং সেবা প্রদানের আশা ব্যক্ত করে।
পূবালী ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি জুনিয়র অফিসার সায়মা সুলতানার পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত পাঠ করেন, সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (কম্পিউটার) মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।
পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন, সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর, অমিত দত্ত।
» সরকারের ৭ মাসেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক অবস্থায় মাওলানা গাজী আতাউর রহমান
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে আমরা ৫৫ বছরের শাসন দেখেছি। অনেক সরকারের বদল দেখেছি।
সরকারের বদল হয়েছে, মানুষ পরিবর্তন হয়েছে, নীতি আদর্শের পরিবর্তন হয়নি। যে কারণে দেশ যেমন ছিল তেমনই রয়েছে।
এমনকি আস্তে আস্তে দেশ দুর্নীতিতে একেবারে ডুবে যাচ্ছে। তার একমাত্র কারণ হলো ইসলামপন্থী আদর্শবান মানুষগুলো আজ ক্ষমতার বাহিরে রয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদেরকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে, প্রশিক্ষিত হতে হবে। প্রশিক্ষিত না হলে দেশ পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
প্রশিক্ষিত মানুষগুলোই আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ নির্মাণ করবে। দুর্নীতি দুঃশাসন পাচার লুণ্ঠন এসব দূর করতে হলে একদল প্রশিক্ষিত আদর্শবান মানুষের খুবই প্রয়োজন।
আর সেই লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একদল ইসলামী আদর্শবান প্রশিক্ষিত মানুষ গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সরকারের ৭ মাস অতিক্রম হলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোন উন্নতি হয় নাই। বিএনপির নেতাকর্মীরা মব করে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র রাতের আধারে গুড়িয়ে দিয়েছে।
বর্তমান সরকার জনগণের কোনো সমস্যা সমাধান করেতে পারছে না, জ্বালানি সংকট তীব্র হয়েছে বিদ্যুৎ সমস্যা মাত্রা ছাড়িয়ে রয়েছে, গ্যাসের অভাবে মিল কল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, মানুষের বেকারত্ব বেড়েই চলছে।
চাঁদাবাজ টেন্ডারবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিষদাঁত উপড়ে ফেলতে হবে। তিনি বলেন, শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের বিষয়টি ধর্মীয় বিষয়।
মাজারের এই বিপুল দান জনগণের সেবায় মানব কল্যাণে এবং ধর্মীয় কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, এটা একটা ভাল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
তিনি কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে যেভাবে স্বচ্ছতার সাথে মাজারের দান ও আয় মানব কল্যাণে ও সামাজিক উন্নয়নে ব্যবহার করা হচ্ছে সেভাবে করা যেতে পারে।
হাম আক্রান্ত ও হামে মৃত্যুর বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্বোগে আন্তরিকতার অভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সহযোগিতা গ্রহণ করার আহবান জানান।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নগরীর মুসলিম সাহিত্য সংসদ শহীদ সুলেমান হলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা ও মহানগরের আয়োজনে বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিলেট বিভাগ হাফিজ মাওলানা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি মুফতী আবু তাহের মিসবাহ, মহানগর সেক্রেটারী হাফিজ মাওলানা ইমাদ উদ্দিনের পরিচালনা বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফিজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসুদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগর সভাপতি ডা: রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, জেলা সভাপতি মুফতী সাঈদ আহমেদ, হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি মুহিবুর রহমান সোহেল, সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি শহিদুল ইসলাম পলাশী, মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি মুফতী রুহুল আমিন সহ সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলাভীবাজার সহ জেলা ও মহানগরের প্রতিনিধিগণ।
» সিলেট ও সারাদেশে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং সহ নানা দুর্গতিতে অতিষ্ঠ নাগরিক জীবন
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
গ্যাস বিদ্যুৎ গ্রাহকল্যাণ পরিষদ
নিউজ ডেস্কঃ
গ্যাস বিদ্যুৎ গ্রাহক কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক সিনিয়র অ্যাডভোকেট সরওয়ার আহমদ চৌধুরী আবদাল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন চৌধুরী, সদস্য সচিব মকসুদ হোসেন এক বিবৃতিতে বলেন, সিলেট ও সারাদেশে ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
একদিকে রান্নার গ্যাসের চাপ কম, গ্যাস সিলিন্ডার দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, পানির তীব্র সংকটসহ নানা চরম দুর্গতিতে দৈনন্দিন জীবনের কর্ম, ব্যবসা-বাণিজ্য, ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। জনদুর্ভোগ নিরসনে সরকার খুবই নির্বিকার।
আইন-শৃঙ্খলা চরম অবনতি, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি সবকিছু মিলিয়ে দেশের অবস্থা টালমাতাল।
অপরদিকে দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গরা বহাল তবিয়তে এবং অহরহ মিথ্যা ও আশ্বাসমূলক বক্তব্য দিয়ে দায় সাড়ছেন।
মোট কথা দেশটা যেন মগের মুল্লুকের শাসন চলছে।
এ অবস্থার পরিবর্তন না হলে দেশের লক্ষ লক্ষ অসংগঠিত গ্যাস বিদ্যুৎ গ্রাহকরা, পাশাপাশি অতিষ্ঠ জনগণ যেকোন সময় ফুসে উঠতে পারেন।
ক্ষুব্দ গ্যাস বিদ্যুৎ গ্রাহক ও জনগণকে এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে দ্রুত বিদ্যুৎ এর ঘন ঘন লোডশেডিং সহনীয় অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল বন্ধ, মিটার ও ডিমান্ড চার্জ প্রত্যাহার পাশাপাশি রান্নার গ্যাসের চাপ বৃদ্ধি ও নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ ও জনদুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা করার জোরদাবী জানান।
অন্যথায় সরকারকে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে সাবধান করে নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের সহ্যসীমা অতিক্রম করলে মনে রাখবেন অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ হয়না!
» বিয়ানীবাজারে ‘পরিদর্শন কক্ষ’ উদ্বোধন, এমপি এমরানের সঙ্গে মন খুলে কথা বলবেন জনতা
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ
বিয়ানীবাজারবাসী তথা স্থানীয় জনসাধারণের সরকারি সেবা প্রাপ্তি এবং জনপ্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ সহজতর করতে এক অনন্য উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদ ভবনের নিচতলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশেষ ‘পরিদর্শন কক্ষ’-এর উদ্বোধন করেন, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সাংসদ এমরান আহমদ চৌধৃুরীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
উদ্বোধনকালে সংসদ সদস্য এমরান চৌধুরী বলেন- বিয়ানীবাজারের তৃণমূল মানুষের সেবাকে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা দায়বদ্ধ। এই পরিদর্শন কক্ষটি চালুর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের এখন খুব সহজেই তাঁদের যেকোন সমস্যা বা উন্নয়নমূলক বিষয়ে এমপির সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাবেন।
এটি স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের মাঝে একটি শক্তিশালী সেতু হিসেবে কাজ করবে।
এর আগে প্রধান অতিথি হিসাবে সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এড. এমরান আহমদ চৌধুরী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা ও মাসিক সমন্বয় সভায় যোগ দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা মজুমদারের সভাপতিত্বে পৃথক এসব সভায় রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্বশীল, উপজেলা ও থানা পুলিশ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এসব সভায় উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যোগাযোগ, শিক্ষা, যানজটসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
কোন রাজনৈতিক দলের পরিচয় দিয়ে কোনো অন্যায় করা যাবে না জানিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ এমরান চৌধুরী বলেন- জনগণকে কখনো কষ্ট, জনগণের মতের বিরুদ্ধে যাওয়া যাবে না।
সড়ক যোগাযোগ অবস্থার উন্নয়নের লক্ষে বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে জানিয়ে সাংসদ এমরান চৌধুরী বলেন, কুশিয়ারা নদীর শিকপুর-বহরগ্রাম সেতু নির্মিত হলে সিলেটের সাথে আমাদের দুরত্ব ও সময় কমে আসবে।
প্রবাসীদের কল্যাণে সরকার কাজ করছে জানিয়ে এমপি প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে এখানে প্রবাসীরা অর্থায়ন করবে সরকার সে পরিবেশ তৈরী করবে।
সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর নীতির বিষয়টি সভায় তুলে ধরেন সাংসদ এমরান চৌধুরী।
» সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা’ পুনঃস্থাপনের জোর দাবি এডভোকেট আব্দুর রকিবের
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশের সংবিধানে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ মূলনীতি হিসেবে পুনঃস্থাপনের জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ১২ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি ও হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে এডভোকেট আব্দুর রকিব বলেন, ১৯৭৭ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ঐতিহাসিক ১৯ দফা গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই গণভোটের অন্যতম মৌলিক দাবি ও চেতনা ছিল সংবিধানে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংযোজন করা।
শহীদ জিয়াউর রহমান জনগণের এই আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান জানিয়ে দেশের সংবিধানে মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থার মূলনীতি যুক্ত করেছিলেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, পরবর্তীতে ইসলামবিরোধী রাজনৈতিক শক্তি ও সরকার সংবিধান থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক ধারাটি বাদ দেয়।
এর মাধ্যমে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও চেতনার ওপর আঘাত হানা হয়েছিল।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান নির্বাচিত বিএনপি সরকারের উচিত দেশের জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সংবিধানে অবিলম্বে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ ফিরিয়ে আনা।
সংবিধানে এই ধারা পুনঃসংযোজন দেশের কোটি কোটি তাওহীদি জনতার প্রাণের দাবি এবং এর মাধ্যমে রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
» সিলেট জেলা মোটরসাইকেল মেকানিক্স ওয়ার্কশপ এসোসিয়েশনের সাধারণ সভা শুক্রবার
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
» ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
ছাতক প্রতিনিধিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক কমিটির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, মো. আবুল খায়ের ভূঁইয়া, মো. তমিজ উদ্দিন, মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, মানসুরা আক্তার, মো. কেরামত আলী এবং সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা অংশগ্রহণ করেন।
আলোচ্যসূচি অনুযায়ী বৈঠকের শুরুতে কমিটির সভাপতি, সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ পরিচিতি পর্বে অংশগ্রহণ করেন।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তরসমূহের জনবল, দপ্তর সংস্থাসমূহের কার্যাবলী, উল্লেখযোগ্য অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ডাক ও টেলিযোগাযোগের পলিসি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সম্পর্কিত তথ্য, ডাটা তরঙ্গ, টেলিযোগাযোগ শিল্প, পার্সেল সার্ভিস, ওয়াই-ফাই সেবার চলমান কার্যক্রমের বিবরণ উপস্থাপন করা হয়।
বিমান বন্দর সমূহে ওয়াই-ফাই সেবা, ভূমি সেবার মান উন্নয়ন, ইন্টারনেট সেবার ব্যয় কমানোর পরিকল্পনা, বিটিসিএল এর অব্যবহৃত সম্পদ কার্যকর করা এবং ডাক বিভাগে পার্সেল সেবার পরিমাণ বৃদ্ধির তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
বৈঠকে ডাক বিভাগের ডাটাবেইজে সকল নাগরিকের ঠিকানা সংরক্ষণ কার্যক্রম, ব্রডব্যান্ড অবকাঠামো সম্প্রসারণ, নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী সেবা, এআই-সক্ষম বাংলাদেশ গঠন, ডিজিটাল পেমেন্ট প্রচলনে সহায়তা, কলসেন্টারের মাধ্যমে গ্রাহকের অভিযোগ নিষ্পত্তি, সাইবার সিকিউরিটি এবং দেশের শিশু কিশোরসহ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিতকরণ প্রকল্পসমূহকে আরো গতিশীল করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়।
নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করা ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি টেলিটকের সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে।
বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তরসমূহের প্রধানগণসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন৷

