- দক্ষিণ সুরমায় সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক
- বেসিক কম্পিউটার কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদ ও সম্মানীর চেক বিতরণ
- কলবাখানি এলাকায় গভীর নলকূপ উদ্বোধন
- সিউক চেয়ারম্যানকে ডা. শাহনেওয়াজ চৌধুরীর শুভেচ্ছা
- জাতীয় পর্যায়ে নতুন দায়িত্ব, ছাতক-দোয়ারাবাজারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ স্থায়ী কমিটির সভাপতি মিলন
- ইসকন সিলেটে জন্মাষ্টমীর প্রস্তুতি শেষ, কাল শোভাযাত্রায় শুরু উৎসব
- প্রধানমন্ত্রী ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রির কর্মসূচীতে বিএনপি নেতা মাহবুব চৌধুরী
- সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যানের সাথে সারেগ কার্যকরি কমিটির সৌজন্য স্বাক্ষাৎ
- রবের সন্তুষ্টি ও জনগণের আস্থা অর্জন হবে দায়িত্বশীলদের লক্ষ্য : মু. ফখরুল ইসলাম
- দক্ষিণ সুরমায় শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫২তম শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শোভাযাত্রা
» দক্ষিণ সুরমায় সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
বর্ধিত ওয়ার্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিটি কর্পোরেশনের বর্ধিত ওয়ার্ডগুলো দীর্ঘদিন ধরে নানা দিক থেকে অবহেলিত।
বিশেষ করে এসব এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও অনেক অনুন্নত। বর্ধিত এলাকাগুলোকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের উলাকিপাড়ায় সড়ক উন্নয়ন ও ড্রেন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, নগরীর বর্ধিত এলাকাগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ১৫ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়নকাজ শুরু হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় উলাকিপাড়ার সড়ক ও ড্রেন উন্নয়নে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ শুরু করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্ধিত এলাকার মানুষের সেবা পাওয়ার পথ সহজ করতে কদমতলী এলাকায় সিসিকের অঞ্চল-৫-এর কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণে ওই কার্যালয় ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের একটি বড় অংশ নিজস্ব আয়ের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সিসিকের নিজস্ব আয় তুলনামূলকভাবে কম।
এর মধ্যে সিটি কর্পোরেশনের সীমানা সম্প্রসারিত হয়েছে। কিন্তু বর্ধিত এলাকা থেকে এখনও ট্যাক্স আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দের মাধ্যমে বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোতে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন শুধু মূল নগর এলাকায় সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না; বর্ধিত এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। পর্যায়ক্রমে এসব এলাকার সড়ক, ড্রেনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে।
অনুষ্ঠান শেষে সিসিক প্রশাসক ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে সড়ক উন্নয়ন ও ড্রেন নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এ সময় এলাকাবাসী উন্নয়নকাজ শুরু করায় সিসিক প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উলাকিপাড়া নানা সমস্যায় জর্জরিত থাকলেও অতীতে কোনো জনপ্রতিনিধি মানুষের দুর্ভোগ দেখতে আসেননি।
এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। এবারই প্রথম কোনো জনপ্রতিনিধি সরেজমিনে এসে এলাকার সমস্যা দেখে সড়ক ও ড্রেন উন্নয়নকাজের উদ্যোগ নিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-৫) নূসরাত লায়লা নীরা, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম সিদ্দিকী, মোগলাবাজার থানা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত, সদস্য সচিব জামাল আহমদ, সাবেক মেম্বার গিয়াস উদ্দিন, ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি সুমন শিকদার, মহানগর যুবদলের সহসভাপতি নজরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা সেলিম আহমদ প্রমুখ।
এ সময় সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য, উপসহকারী প্রকৌশলী দেবব্রত তালুকদার ও খায়রুল ইসলাম অপু, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সিসিক প্রশাসক উলাকিপাড়ায় ভরাট হয়ে যাওয়া খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি খালের খননকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। ভরাট হয়ে যাওয়া খালটি পুনরুদ্ধার করা হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
» বেসিক কম্পিউটার কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদ ও সম্মানীর চেক বিতরণ
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সমাজসেবা কার্যক্রম সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : সিসিক প্রশাসক
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলেই সমাজসেবা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হয়।
এবারও সমাজের দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্সে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় মৌলিক দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক বেসিক কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে প্রশিক্ষণোত্তর সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়াতে হবে।
শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের কর্মদক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে তারা নিজেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন এবং পরিবারে স্বচ্ছলতা আনতে সক্ষম হবেন।
তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ তরুণদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সন্তানদের এ ধরনের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার মাধ্যমে তাদের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পথ তৈরি করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিলেট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুর রফিক।
তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সমাজসেবা অধিদপ্তর ৫৪টি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১৮টি কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। হিজড়া জনগোষ্ঠী, চা-শ্রমিক পরিবারসহ বিভিন্ন অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সন্তানরা বেসিক কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন কোর্স সম্পন্ন করেছেন।
অনুষ্ঠানে সমাজসেবা কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত বেসিক কম্পিউটার কোর্সে অংশ নেওয়া ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থীর প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে সম্মানীর চেক ও প্রশিক্ষণোত্তর সনদ তুলে দেন প্রধান অতিথি।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত শিশু পরিবারের অধ্যক্ষ রফিকুল হক। এর আগে একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে হুইলচেয়ার তুলে দেওয়া হয়
» কলবাখানি এলাকায় গভীর নলকূপ উদ্বোধন
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কলবাখানী এলাকার রায়হোসেন কলবাখানী জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ নলকূপ উদ্বোধন করেছেন। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে গভীর নলকূপটি স্থাপন করা হয়েছে।
এর আগে সিসিক প্রশাসক রোকেয়া কলবাখানী মসজিদ ও কাজীটুলার রিয়াজ উল্লাহ ওয়াকফ এস্টেট জামে মসজিদ পরিদর্শন করেন।
এ সময় সিসিক প্রশাসক উন্নয়নের জন্য নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন আমাদের আয় সীমিত।
তবু আমরা পুরো নগরীকে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছি। উন্নয়ন কাযক্রমে আরও গতি আনতে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরিদর্শনকালে রোকেয়া কলবাখানী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাশুক আহমদ, এলাকার মুরুব্বি আলতা মিয়া, সালেহ আহমদ খসরু, আসাআদুল ইসলাম, আব্দুল মুকিত চৌধুরী, আলাউদ্দিন মিয়া, টিপু সুলতান, লখন মিয়া, জাকির হুসেন, শামিম আহমদ, শাকিল আহমদ খান, রায়হোসেন কলবাখানী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা নওফল আহমদ, এলাকার মুরুব্বি মাশরুর চৌধুরী শওকত, বশিরুল হক, আব্দুল মান্নান, দিলু মিয়া কামরান, সাজিদ আলী, নুরুল ইসলাম, মানিক মাহমুদ, মাহমুদ আলী নাজমুল, কবির জুনু, খলিলুর রহমান বক্স, বাবুল আব্দুল, গনি, মুন্না, রায়হান আহমদ, মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফিজ হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
» সিউক চেয়ারম্যানকে ডা. শাহনেওয়াজ চৌধুরীর শুভেচ্ছা
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম, সিলেট।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম, সিলেটের পক্ষ থেকে সংগঠনের উপদেষ্টা ও সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এ সময় সংগঠনের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. শাহনেওয়াজ চৌধুরী ও সদস্য সচিব তাহসিন শারমিন তামান্না সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ডা. জামিল আহমেদ, অধ্যাপক আব্দুল মুমিন পারভেজ, শাহনাজ কুলসুম আরা, ইসফাক আহমেদ, বুরহান উদ্দিন, কল্লোল জ্যোতি বিশ্বাস জয়, সুলতানা রহমান দিনা, কৃষিবিদ গোলাম রব্বানী, কৃষিবিদ আব্দুর রাকিব প্রমুখ।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের নেতৃবৃন্দ সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সফলতা ও দায়িত্ব পালনে সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
» জাতীয় পর্যায়ে নতুন দায়িত্ব, ছাতক-দোয়ারাবাজারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ স্থায়ী কমিটির সভাপতি মিলন
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
ছাতক প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের সংসদ সদস্য ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক বিএনপির কেন্দ্রিয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক চারবারে এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব পাওয়ার পর ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী অঙ্গনে তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
নতুন দায়িত্বের মাধ্যমে দেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাতের বিভিন্ন সমস্যা, অনিয়ম, সম্ভাবনা ও সেবার মান নিয়ে সংসদীয় পর্যায়ে কার্যকর পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তদারকিতে তিনি ভূমিকা রাখবেন, এমন প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
বর্তমানে দেশের অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি যোগাযোগব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাত।
দ্রুত প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি গ্রাম ও শহরের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য কমানো, প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা, ডাক বিভাগের আধুনিকায়ন এবং সরকারি সেবায় জবাবদিহি বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
ফলে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন জাতীয় পর্যায়ে এ খাতের বিভিন্ন সমস্যা সংসদে তুলে ধরতে পারেন।
বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ এলাকার দুর্বল নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট সেবার সীমাবদ্ধতা, ডাক বিভাগের অবকাঠামোগত সমস্যা এবং প্রযুক্তিগত সেবায় বৈষম্যের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করায় ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি দেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার পাশাপাশি ছাতক-দোয়ারাবাজারের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরবেন।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য নজরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সামছুর রহমান সামছু, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামছুর রহমান বাবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য আশরাফুর রহমান এনাম, ইউপি বিএনপির সদস্য নজির আহমদ সহ একাধিক নেতাকর্মী সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তাঁরা বলেন, কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা নতুন দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে।
একই সঙ্গে এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে তিনি জাতীয় সংসদে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশা করেন।
নেতৃবৃন্দ নতুন দায়িত্বে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের সফলতা কামনা করে বলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাতে জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দূর এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা আরও বিস্তৃত করতে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে, এটাই তাঁদের প্রত্যাশা।
» ইসকন সিলেটে জন্মাষ্টমীর প্রস্তুতি শেষ, কাল শোভাযাত্রায় শুরু উৎসব
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে দুই দিনব্যাপী শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী মহোৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতি শেষ করেছে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) সিলেট।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে অধিবাস অনুষ্ঠান। এতে কয়েক শত ভক্ত অংশ নেন।
আগামীকাল শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ইসকন সিলেট মন্দির থেকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের হবে। শোভাযাত্রাটি রিকাবীবাজার, লামাবাজার হয়ে মির্জাজাঙ্গালে গিয়ে সার্বজনীন জন্মাষ্টমী পরিষদের শোভাযাত্রার সঙ্গে যুক্ত হবে। এরপর নগরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই পথে ইসকন সিলেট মন্দিরে ফিরে শোভাযাত্রা শেষ হবে।
শোভাযাত্রা শেষে ইসকন সিলেট মন্দিরে দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
রাতে ১২টায় পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ মহাভিষেক।
এ ছাড়া ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য শ্রীল এসি ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে। এর মধ্যে থাকবে অভিষেক, কেক কাটা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
ইসকন সিলেট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মন্দিরে ভক্তদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দুই দিনের এসব আয়োজনে বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
» প্রধানমন্ত্রী ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রির কর্মসূচীতে বিএনপি নেতা মাহবুব চৌধুরী
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
দীর্ঘ ফ্যাসিবাদের পর মানুষ ভয়ংকর রুদ্ধশ্বাস থেকে মুক্তি পেয়েছে। নির্বাচনের সব অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিএনপি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে বলে মনে করেন, বিএনপি নেতা, আমরা জুলাই যোদ্ধা সিলেট জেলা শাখার উপদেষ্টা, ছাত্রদলের প্রাত্তন কেন্দ্রীয় নেতা, সিলেটের আব্দুল গফুর স্কুল এন্ড কলেজ গভর্ণিং বডির সাবেক চেয়ারম্যান, ইংলিশ মিডিয়াম অভিভাবক এসোসিয়েশন সিলেটের সভাপতি, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব চৌধুরী।
তিনি আরো বলেন, নেপালের ঘটনায় আমরা দেখলাম প্রকৃতির বিরুদ্ধে গেলে প্রকৃতি কতটা ভয়ংকর হয়। তাই বেশি করে গাছ লাগাতে হবে।
বাংলাদেশ থেকে মানুষ খুন করে, হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে পালিয়ে গিয়ে তারা আবার স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশে আসবে, আপা আর আসবেন না। এ চ্যাপ্টার ক্লোজড।
আর যদি আনা যায় তাইলে এই দেশের জনগণ চায় তিনি যে অপরাধ করেছেন যে মৃত্যুদণ্ড আছে সেটা যেন বহাল থাকে। সেটা কার্যকর হবে, সেটাও জনগণ দেখতে চায়।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সিলেটের লাক্কাতুরা স্টেটে সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রির কর্মসূচীর আলোকে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
স্কুল ক্যাম্পাসে ফলদ ও ঔষধী গাছ রোপনের এ কর্মসূচীতে স্কুলের প্রধান শিক্ষক লিটন চন্দ্র দেবনাথ বক্তব্য রাখেন।
এ ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি আনহার আহমদ, সৈয়দ আখতার উদ্দিন আহমদ, লায়েক আহমদ, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ঝলক রন্জন তালুকদার, অলক রন্জন পাল, সামছুল হক, যুবদল নেতা বদরুল ইসলাম তালুকদার সহ স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা।
» সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যানের সাথে সারেগ কার্যকরি কমিটির সৌজন্য স্বাক্ষাৎ
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
অদ্য বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুর ২টার সময় নবনিযুক্ত সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে সিলেট অ্যাপার্টমেন্ট এন্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপ (সারেগ) কার্যকরি কমিটির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এসময় ডেভেলপার কোম্পানীর সুযোগ সুবিধা নিয়ে রিয়েল এস্টেট কোম্পানী সমূহের ন্যায্য দাবি ও প্রস্থাবনা তুলে ধরা হয়।
সিলেটের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, নগরায়ন, আবাসন চাহিদা ও বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের প্রেক্ষাপটে একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ ও আধুনিক নগর গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে সিলেটের রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলো বেসরকারি খাতে পরিকল্পিত আবাসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নগর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তবে নকশা অনুমোদন, ডেভেলপার নিবন্ধন, বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা, দীর্ঘসূত্রতা এবং নীতিগত অস্পষ্টতার কারণে রিয়েল এস্টেট খাতের অনেক প্রকল্প বাস্থবায়নে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।
আমরা বিশ্বাস করি, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং রিয়েল এস্টেট খাতের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত হলে সিলেটে আরও দ্রুত, পরিকল্পিত ও টেকসই নগর উন্নয়ন সম্ভব।
এ প্রেক্ষাপটে সিলেটের রিয়েল এস্টেট কোম্পানিসমূহের পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত দাবিসমূহ বিবেচনার জন্য পেশ করা হলো;
১. রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার নিবন্ধন সহজ ও স্বচ্ছ করা। নিবন্ধন ও নবায়ন প্রক্রিয়া সহজ, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত করতে হবে। নিবন্ধনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও শর্তাবলি সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে।
২. নিবন্ধন ও নবায়ন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ। সিলেটের বাজার বাস্তবতা, কোম্পানির সক্ষমতা ও ব্যবসার পরিধি বিবেচনা করে নিবন্ধন এবং নবায়ন ফি যৌক্তিক ও সহনীয় পর্যায়ে নির্ধারণ করতে হবে।
৩. নকশা অনুমোদন দ্রুত সম্পন্ন করা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নকশা অনুমোদনের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং অপ্রোয়োজনীয় দীর্ঘসূত্রতা দূর করতে হবে।
৪. ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করা নকশা অনুমোদন সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবার জন্য পর্যায়ক্রমে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যাতে উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন দপ্তরে অযথা ঘুরতে না হয়।
৫. সম্পূর্ণ অনলাইন আবেদন ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু। আবেদন, ফি প্রদান, নথি দাখিল এবং আবেদনটির বর্তমান অবস্থান অনলাইনে পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
৬. অনুমোদন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপের সময়সীমা নির্ধারণ। আবেদন জমা থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ ও তা প্রকাশ করতে হবে।
৭. বিল্ডিং কোড ও নীতিমালার সহজ নির্দেশিকা প্রকাশ। সেটব্যাক, ভবনের উচ্চতা, পার্কিং, অগ্নিনিরাপত্তা ও অন্যান্য কারিগরি বিষয় সহজবোধ্য বাংলায় প্রকাশ করতে হবে।
৮. নতুন নীতিমালা প্রণয়নের আগে অংশীজনের মতামত গ্রহণ রিয়েল এস্টেট খাতকে প্রভাবিত করে এমন নতুন কোনো নীতিমালা, ফি বা শর্ত আরোপের আগে ডেভেলপার, প্রকৌশলী, স্থপতি ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।
৯. নিয়মিত সমন্বয় সভার আয়োজন। রিয়েল এস্টেট খাতের সমস্যা ও উন্নয়নের সুযোগ নিয়ে প্রতি দুই বা তিন মাস অন্তর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ে সমন্বয় সভা আয়োজন করতে হবে।
১০. নিবন্ধিত ও আইন মেনে চলা কোম্পানির জন্য প্রণোদনা। যেসব কোম্পানি নিবন্ধিত, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মাণ করে এবং আইন ও নীতিমালা মেনে চলে তাদের জন্য দ্রুত সেবা, বিশেষ অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
১১. সিলেটের বাস্তবতার আলোকে উন্নয়নবান্ধব নীতিমালা সিলেটের ভূমি, রাস্থার প্রস্থ, জলাবদ্ধতা, ভূমিকম্পঝুঁকি, প্রবাসী বিনিয়োগ ও ভবিষ্যৎ নগর সম্প্রসারণের উন্নয়নবান্ধব নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে।
মাননীয় চেয়ারম্যান,
আমরা বিশ্বাস করি, রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলো সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং পরিকল্পিত ও আধুনিক সিলেট নগরী গঠনে এসডিএর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
তাই আমরা চাই আইন, নিয়ম ও পরিকল্পনার মধ্যে থেকেই একটি দ্রুত, স্বচ্ছ, বিনিয়োগবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী পরিবেশ তৈরি হোক। আমরা সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গৃহীত সকল উন্নয়নমূলক ও পরিকল্পিত নগরায়ন কার্যক্রমে আন্তরিক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
উপরোক্ত দাবি সমূহ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি ও কার্যকর উদ্যোগ কামনা করছি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট অ্যাপার্টমেন্ট এন্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপ (সারেগ) সভাপতি মাওলানা খায়রুল হোসেন, ১ম সহ-সভাপতি হাসিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক দিলওয়ার হোসাইন, সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আশিকুর রহমান, সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাট্রি (এসএমসিসিআই) কোষাধ্যক্ষ মো. জহির হোসেন, অর্থ সম্পাদক তাজুল ইসলাম হাসান, সারেগ সদস্য কবির আহমদ, শাহজান কবির ডালিম, শিব্বর আহমদ, হাইব্রীড রিসোর্স (প্রা:) লি: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মুজিবুর রহমান, হলি আরবান প্রপাটিজ লি: পরিচারক শাহেদ আহমদ, ড্রিমলেন্ড প্রপার্টি পরিচারক আহমেদ রাজীব, আর্ক রিয়েল এস্টেট নির্বাহী কর্মকর্তা খলিলুর রহমান সুমন, সিলকো হোমস্ পরিচালক মনজুর মাওলা প্রমুখ।
» রবের সন্তুষ্টি ও জনগণের আস্থা অর্জন হবে দায়িত্বশীলদের লক্ষ্য : মু. ফখরুল ইসলাম
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সিলেট মহানগর জামায়াতের থানা দায়িত্বশীল শিক্ষাশিবির
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, দ্বীনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক দায়িত্বশীলকে আত্মগঠন ও আত্মশুদ্ধির প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। ইবাদত, নৈতিকতা, সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে নিজেদের মান উন্নত করতে হবে।
তিনি বলেন, মানুষের আস্থা অর্জনই সাংগঠনিক কাজের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। এজন্য দায়িত্বশীলদের নিয়মিত আত্মসমালোচনা করতে হবে এবং কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখে তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরী মদীনামার্কেটস্থ একটি মিলনায়তনে সিলেট মহানগর জামায়াতের থানা মজলিসে শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত দুইদিন ব্যাপী শিক্ষাশিবিরের উদ্বোধনী দিনে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান।
শিক্ষাশিবিরে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ মিফতাহুদ্দীন ও ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, মহানগর সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী, উপাধ্যক্ষ আব্দুস শাকুর ও মাওলানা আব্দুল মুকিত প্রমূখ।
আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্যে জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দায়িত্বশীলদের আরও প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে হবে।
» দক্ষিণ সুরমায় শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫২তম শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শোভাযাত্রা
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, একে অপরের ধর্মীয় উৎসব ও আনন্দে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই আমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব আরও সুদৃঢ় হয়।
দক্ষিণ সুরমাতে এই আয়োজন ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী সবাইকে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানা।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দক্ষিণ সুরমা শিববাড়ি শ্রীশ্রী সর্ব্বনন্দ ভৈরব গ্রীবা মহাপীঠরক্ষী মন্দির প্রাঙ্গণে পার্থ সারথী পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫২তম শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সার্বজনীন জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ও সিসিক ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১ ও ৪২নং ওয়ার্ড)-এর উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে নগর পরিক্রমা, পদাবলী সংকীর্তন, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ এবং ভক্তিমূলক গানের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সার্বজনীন জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ও সিসিক ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১ ও ৪২নং ওয়ার্ড)-এর সভাপতি প্রদীপ করের সভাপতিত্বে ও আপন দাসের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে গীতা পাঠ করেন, মোহন্ত ভট্টাচার্য।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, জয়ন্ত গোস্বামী।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শৈলেন কর, মন মোহন দেবনাথ, নন্দন পাল, সুভাষ পৈত্য, রঞ্জু দেব, কল্যাণ চন্দ্র পাল, বিশ্বজিৎ দাস, নিখিল মালাকার, সুবল দেবনাথ, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী আপন, মিন্টু দাস, চন্দ্রশেখর দে চপল, পিনাক কর, বাবলু দাস, অখিল সরকার, শিবুল দাস, হীরা মল্লিক, সঞ্জয় দাস, শান্ত মালাকার, রূপক চৌধুরী, রিপন পাল, শীবাস মালাকার, সুবোধ চন্দ্র ও অবিনাশ দাস প্রমুখ।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে শিববাড়ি শ্রীশ্রী সর্ব্বনন্দ ভৈরব গ্রীবা মহাপীঠরক্ষী মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানে মিলিত হয়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সিসিকের ৩০নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ সুরমা চান্দাই, নজরপুর শ্রীশ্রী রাধাঁ গোপাল জিউ আখড়ায় সন্ধ্যা ৭টায় ধর্ম সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালেক।
» নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে আইন ও বিচার বিভাগের বিদায় সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন : অ্যাড. গোলাম ইয়াহ-ইয়া চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম ইয়াহ-ইয়া চৌধুরী সোহেল বলেছেন, আইনজীবীরা সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
নতুন আইনজীবী ও আইনের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সততা ও নৈতিকতার সাথে এ বিষয়ে দায়িত্ব পালন করতে হয়।
এই পেশায় রাতারাতি যশ-খ্যাতি-সম্মান পাওয়া যায়না। ব্যাপক পঠন-পাঠন ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে ধৈর্য সহকারে শুধু আইন বিষয়েই নয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি সহ তাবৎ বিষয়ে আইনজীবীদের জ্ঞান আহরণ করতে হয়।
এজন্য এ পেশায় নিয়মানুবর্তিতা ও নিষ্টার সাথে কাজ করে খ্যাতি ও সম্মান অর্জন করতে হয়।
নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইইউবি) এর আইন ও বিচার বিভাগের বিদায় সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকাল তিনটায় এনইইউবি অডিটরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর স্কুল অব সায়েন্সের ডিন ও এমপিএইচ এর বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. রনজিত কুমার দে।
এনইইউবি’র আইন ও বিচার বিভাগের ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যনন্ত চার ব্যাচের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও ইউনিভার্সিটি থেকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চূড়ান্ত পরীক্ষায় সদ্য সনদপ্রাপ্ত ১২ জন নবীন আইনজীবীকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য এনইইউবি ল সোসাইটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এনইইউবি আইন ও বিচার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোবায়ের বখত জুবের।
বিভাগের শিক্ষার্থী এহসানুর রহমান, নীপা শীল ও মাফিয়া বেগমের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, এনইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. লিয়াকত আলী শাহ ফরিদী ও নবীন আইজীবীদের পক্ষ থেকে তৌকির আহমেদ, বদরুজ্জামান, তাহমিনা নূর মৌলী, সারওয়ার আহমদ মাহিন, সাইফুল ইসলাম এবং রেদওয়ান আহমদ প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিএসই বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান রথীন্দ্র চন্দ্র গোপ, ডেভেলাপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মেছা. সুইটি খানম আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষক ব্যারিস্টার চৌধুরী এমএফইউএইচ হাশমী, মাহমুদ উন-নবী রূপক, আহমদ হোসেন আক্কাস, মকবুল হোসেন নোমান, মাহদী হাসান ফাগুন ও ঐশ্বরিয়া দাশ ঐশী প্রমুখ।
সন্ধ্যায় এনইইউবি প্রাঙ্গনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিদায় সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।
» সিলেটে মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা; মাটি ও মানুষের নেতা ছিলেন হারিছ চৌধুরী
Published: ০৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
আধুনিক সিলেটের উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা, মহান মুক্তিযুদ্ধের অকুতোভয় সৈনিক, বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব আলহাজ আবুল হারিছ চৌধুরীর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে সিলেট বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর সিলেট নগরীর শিবগঞ্জস্থ হযরত সৈয়দ হাতীম আলী (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে এই মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিল-পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, আলহাজ আবুল হারিছ চৌধুরী কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন আধুনিক সিলেটের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান কারিগর।
সিলেট বিভাগ প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা ও অবকাঠামোগত বিপ্লব সাধনে তাঁর অবদান ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। দলমত নির্বিশেষে তিনি ছিলেন মাটি ও মানুষের অকৃত্রিম নেতা।
বক্তারা আরও বলেন, ১৯৭১-এর রণাঙ্গনের অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধা হারিছ চৌধুরী আজীবন দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত ছিলেন।
মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া একজন মেধাবী ছাত্র থেকে জাতীয় রাজনীতির শীর্ষ কুশীলব হয়ে ওঠা-তাঁর পুরো জীবনই ছিল সাহসিকতা ও সংগ্রামের এক অনন্য মহাকাব্য। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও জন্মভূমির প্রতি তাঁর টান ছিল অবিচল।
হারিছ চৌধুরী আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া উন্নয়নের স্মৃতিচিহ্নগুলো আগামীর প্রজন্মকে দেশ গড়ার প্রেরণা জোগাবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা ও অবসরপ্রাপ্ত নৌবাহিনী কর্মকর্তা এনামুল হক, সিলেট মহানগর মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’র সভাপতি মামুন আহমদ, সদস্য সচিব আবদুল হান্নান, যুগ্ম আহ্বায়ক সিদ্দেক আলী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট সিলেট জেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অর্পন কুমার ঘোষ, শাহপরাণ থানা তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান কামরান আহমদ ও সাজ্জাদুর রহমান সাজু, সিলেট জেলা মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’র সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন, সুমন আহমদ, সালেহ আহমদ, শহিদ ওয়াসিম ব্রিগেড সিলেট জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন টিপু, সিলেট জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিলাল উদ্দিন শিপু, সিলেট মহানগর তাঁতীদলের সদস্য সৈয়দ সজিব, সিলেট জেলা মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম’র যুগ্ম আহ্বায়ক গুফরান আহমদ চৌধুরী, ওয়াসিম ব্রিগেড সিলেট মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রনি আহমদ, মুন্না আহমদ, খালেদ আহমদ, হেলাল, মুরাদ প্রমুখ।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন, সৈয়দ হাতীম আলী (রহ.) জামে মসজিদের ইমাম হাফিজ মাওলানা জুনায়েদ আহমদ।
মোনাজাতে মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হারিছ চৌধুরী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
একইসঙ্গে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। মাহফিল শেষে উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

