- বিএনপি ক্ষমতায় গেলে স্বাস্থ্যখাতে সিলেটের পশ্চাৎপদতা কাটানোর উদ্যোগ নেয়া হবে : খন্দকার মুক্তাদির
- ১৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ সুরমার সম্মুখ যুদ্ধ ও মুক্ত দিবস : বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল হক
- সিলেট ৬; এমরান চৌধুরী ব্যতিক্রম, ব্যানার ফেস্টুন অপসারণে নিজেই মাঠে
- ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে সম্মিলিতভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে : খন্দকার মুক্তাদির
- গণসংযোগ ও পথসভায় মানুষের ঢল; আরিফুল হক চৌধুরীকে পেয়ে এবার নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন কোম্পানীগঞ্জ গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরবাসী
- উসমান হাদীকে প্রকাশ্যে গুলির প্রতিবাদে জাগপার সিলেট মহানগরের তীব্র নিন্দা
- নিজ উদ্যোগে দাঁড়িপাল্লার বিলবোর্ড, ব্যানার ফেস্টুন অপসারণ
- দেশের মানুষ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না : ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ
- কফি ক্লাবের পক্ষকালব্যাপী কম্বল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন
- আগামীকাল শনিবার গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট এর বিভাগীয় কনভেনশন
» বিএনপি ক্ষমতায় গেলে স্বাস্থ্যখাতে সিলেটের পশ্চাৎপদতা কাটানোর উদ্যোগ নেয়া হবে : খন্দকার মুক্তাদির
Published: ১৩. ডিসে. ২০২৫ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-০১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, মাতৃমৃত্যু, শিশু মৃত্যুসহ স্বাস্থ্য খাতে সকল সূচকে পিছিয়ে আছে সিলেট।
সিলেটের স্বাস্থ্যখাতে অবকাঠামোগত যে উন্নয়ন হয়েছে সেক্ষেত্রে সেবা খাতের ততটা প্রত্যাশিত নয়।
সিলেট সদর ও মহানগরের গণমানুষের প্রতিনিধি হিসেবে জাতীয় সংসদে ভূমিকা রাখার সুযোগ পেলে স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রসূতি মা ও দরিদ্রদের স্বাস্থ্য সেবা কার্ড দেয়া হবে উল্লেখ করে খন্দকার মুক্তাদির আরো বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আরও সহজতর করে তোলা হবে। চিকিৎসা খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। দুর্নীতির কবল থেকে রক্ষা করতে হবে।
তিনি শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সিলেটের আখালিয়াস্থ মাউন্ট এডোরা হসপিটালের চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় খন্দকার মুক্তাদির আরো বলেন, পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতি পূর্ণ দেশ বাংলাদেশ। প্রতি বছর প্রায় ২২ লাখ লোক কাজ করার বয়সে আসে।
তরুণরা কর্মক্ষেত্রে না গেলে দেশে স্বাভাবিক বিনিয়োগ আসবে না। আমরা যেসময় স্বাধীন হয়েছি সেসময় স্বাধীন হওয়া অনেক দেশের গড় ইনকাম উন্নত দেশের কাছাকাছি।
যেমন কোরিয়া, সিঙ্গাপুরসহ আরও কয়েকটি দেশ। আর দূর্ভাগ্যের কাতারে যারা আছে তাদের মধ্যে বাংলাদেশ একটি।বাংলাদেশের সঙ্গে অন্য দেশের পার্থক্য হল আমাদের দেশের জনঘনত্ব বেশি। আমাদের ভুল করার সুযোগ কম৷ ভুল হলে অর্থনৈতিক পতন হতে পারে।
গত ৫ দশকে আমরা যা অর্জন করেছি, সামনের দিনে আমরা তা অর্জন করতে যাচ্ছি।
প্রফেসর ডা: আখতারুজ্জামান সভাপতিত্বে ও মাউন্ট এডোরা হসপিটাল আখালিয়ার উপপরিচালক মেডিকেল সার্ভিসেস ডা. তানভীরুজ্জামানের পরিচালনায় এসময় আরও বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ডা. নজরুল ইসলাম, ডা: সৈয়দ মাহমুদ হাসান, ডা: রায়হান, ডা: মাহমুদুল হাসান, এ বি এম জর্জেসুর রহমান, মো: কামরুল ইসলাম, মো: শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
এদিকে দুপুরে চন্ডিপুলস্থ কুশিয়ারা কনভেনশন হলে সিলেট প্রেসক্লাবেব ফ্যামেলি ডে তে যোগদান করেন বিকেলে ৬নং ওয়ার্ডে মহিলা সমাবেশ শেষে সন্ধ্যায় ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা কল্যাণ সমিতির অভিষেক অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন। রাতে নগরীর ১৮নং ওয়ার্ডের ঝেরঝেরি পাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিন মসজিদ মাদ্রাসা ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে টুকেরবাজারস্থ তেমুখীতে কেরাত সম্মেলনে যোগদান করেন।
» ১৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ সুরমার সম্মুখ যুদ্ধ ও মুক্ত দিবস : বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল হক
Published: ১২. ডিসে. ২০২৫ | শুক্রবার
দক্ষিন সুরমা প্রতিনিধিঃ
সুরমা নদীর দক্ষিণ তীর ঘেঁষে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা জনপদের অবস্থান। শহরের কাছের জনপদ হওয়ায় ১৯৭১ সালের তৎকালীন সিলেটের বিভিন্ন জেলা ও থানার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও সদরের অনেক ইউনিয়ন পরিষদের অবস্থান ছিল এখানে।
সড়ক ও রেলপথে মূল শহরে প্রবেশ করতে হয় দক্ষিণ সুরমা দিয়ে। ফলে অবস্থানগত কারণে এ জনপদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এই জনপদের মানুষ গৌরবময় ভূমিকা রেখেছেন।
একাত্তরের ডিসেম্বর মাস। ১৩ ডিসেম্বরের আজকের এই দিনে দক্ষিণ সুরমার সম্মুখ যুদ্ধ ও পাকহানাদার মুক্ত হয় কদমতলী সহ গোটা দক্ষিণ সুরমা। সে কারণে প্রতিবছরের ১৩ ডিসেম্বর পালিত হয় দক্ষিণ সুরমা মুক্ত দিবস।
১৯৭১ সালে সারা দেশের মতো সিলেটের মুক্তিযোদ্ধারাও সম্মুখ যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সেই সময় দক্ষিণ সুরমার কদমতলীস্থ পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা চত্বরের বিপরীতে ছিল পাক হানাদার বাহিনীর সেনাদের ক্যাম্প।
মেজর সরফরাজ, মেজর বশারত, হাবিলদার মোস্তাকের নেতৃত্বে ২০০-২৫০ জন হানাদার বাহিনী সেখানে অবস্থান করত। তাদের সাথে যোগ হয় ১৫-২০ জন রাজাকার। যাদের সকলের বসত ছিল দক্ষিণ সুরমা এলাকায়।
বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে একদিকে সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়ক, অপরদিকে সিলেট-জকিগঞ্জ ও সুতারকান্দি সড়ক। এ দু’টি সড়কের মধ্যবর্তী স্থানে ছিল বিরাট বটগাছ। বটগাছের নিচেই ছিল হানাদার বাহিনীর চেকপোস্ট। চেকপোস্টে নিয়মিত বাস যাত্রীদের নামিয়ে হয়রানি করা হত।
দখলকার বাহিনীর লোকেরা যাত্রীদের অনেককে ধরে নিয়ে যেত সুরমা নদীর তীরে।
তারপর গুলি করে হত্যা করে লাশ ভাসিয়ে দিত সুরমার জলে। কেউ তাদের না চেনায় এসব হতভাগাদের নাম শহীদদের তালিকায়ও ঠাঁই পায়নি।
সিলেটের কদমতলী বাসস্ট্যান্ড মসজিদের অজুখানার উত্তরদিকে গর্তে গুলি করে প্রায়ই নিরপরাধ মানুষদের হত্যা করত। প্রায় প্রতিদিনই তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ভ্যানে করে লোকজনকে ধরে নিয়ে আসত ক্যাম্পে।
তারপরে এসব বন্দিদের নিয়ে শিববাড়ি লালমাটি এলাকার রেললাইনের পশ্চিম দিকে গুলি করে হত্যা করে মাটি চাপা দিত।
এলাকাটি বধ্যভূমিতে পরিণত হয়। ৭১-এর ৮ ও ৯ ডিসেম্বর ডুবরি হাওর বর্তমান উপশহর, হাদারপাড়া, তেররতন এলাকায় হেলিকপ্টার যোগে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী অবস্থান নেয় এবং আমি আমার এলাকার আলতু মিয়া পীরকে নিয়ে আমার সাথে ট্রেনিংপ্রাপ্ত ভারতের দেরাদুনের মহল্লাল সম ও সদর উদ্দীন চৌধুরী, মকসুদ ইবনে আজিজ লামা, ছানাওর আলী, আব্দুশ শহিদ বাবুল, বাবুধন মিয়া, সুলেমান এদের সাথে হযরত বুরহান উদ্দিন (রহ.) মাজারে সাক্ষাৎ করি। পরবর্তীতে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে তুমুল যুদ্ধ হয়। আমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যাই এবং আমি আবার দক্ষিণ সুরমায় হামিদ মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করি।
এখানে আমার সাথে সংযুক্ত হন আমার গ্রামের চাচাত ভাই ম.আ. মুক্তাদির, আব্দুল মতিন (খোজারখলা), আফরাইম আলী (মোল্লারগাঁও), মনির উদ্দিন (মোল্লারগাঁও), ছইল মিয়া (খালেরমুখ), আনোয়ার হোসেন গামা (ছড়ারপার), জলাল উদ্দিন ও শামস উদ্দিন (মাছিমপুর), বেলাওয়াত হোসেন খাঁন (হবিগঞ্জ), আরও ২/৩ জনের নাম মনে পড়ছে না।
ঐদিনই পরিকল্পনা হয় রেলস্টেশনে অবস্থানরত মিত্রবাহিনীর সাথে যোগাযোগ করে কদমতলী বাসস্ট্যান্ডে (পুরাতন) আর্মি ক্যাম্পে আক্রমণ করা দরকার। সেই অনুযায়ী মিত্র বাহিনীর সাথে যোগাযোগ করে আক্রমণ করার পরিকল্পনা করি।
১৩ ডিসেম্বর আমাদের অবস্থান মরহুম হামিদ মিয়ার বাড়িতেই। ১২ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে খবর পাই ৫ জন পাকিস্তানি সেনা আলমপুর শিল্পনগরীর দিক হতে হেঁটে কদমতলী ক্যাম্পের দিকে আসছে। তাৎক্ষণিক আমরা বর্তমান বর্তমান পল্লি বিদ্যুৎ অফিসের নিকট ডিফেন্স গ্রহণ করি এবং তারা আসার সাথে সাথেই গুলিবর্ষণ করলে ৩ জন হাওর দিয়ে দৌড়াতে থাকে এবং নদীর পাড়ে চলে যায়। দুইজন কদমতলীস্থ খলকু মিয়ার বাড়িতে অবস্থান নেয়।
পরবর্তীতে সুকৌশলে তাদেরকে আত্মসমর্পণ করাই। তাদের ব্যবহৃত চায়নিজ রাইফেল আয়ত্তে আনি এবং তাদের দুইজনকে মরহুম হামিদ মিয়ার বাড়িতে ধান রাখার গুদামে বন্দি করে রাখি। ১৩ ডিসেম্বর ভোর ৬টায় মিত্র বাহিনীর মেনিখলাস্থ রাস্তায় আসলে আমরা তাদের সাথে যোগ দিই।
তাদেরকে নিয়ে বর্তমান আনন্দ বিপণি মার্কেটের সামনে বাঙ্কার সৃষ্টি করে পজিশন নিয়ে ক্যাম্পের দিকে গুলিবর্ষণ করি। পাক সেনারা ক্যাম্প হতে ক্যাম্পের পিছনে গোরস্থান ও ইট ভাটায় আশ্রয় নেয়।
অনেক গোলাগুলির পর প্রায় বিকাল ৩টার দিকে ২১ জন আত্মসমর্পণ করে। এই সময় নদীর উত্তরপাড় হতে একটা মর্টার আমাদের বাঙ্কারের উপর পড়ে।
বাঙ্কারে অবস্থানরত সুবেদার রানা ও তার সাথে মিত্র বাহিনীর দুইজন ঘটনাস্থলে মারা যান। পরবর্তীতে আমরা ২১ জন পাকসেনা ও হামিদ মিয়ার বাড়িতে বন্দি থাকা দুইজন এই ২৩ জনকে শহীদ রানা সহ মিত্র বাহিনীর আরও দুইজন শহীদ এদেরকে মিত্র বাহিনীর অবস্থিত ক্যাম্প রেলস্টেশনে নিয়ে যাই।
আমরা ও আমাদের গ্রামের যুবক মজম্মিল বক্ত, মকবুল হোসেন, মো. কবির আলী ও ইছহাক মিয়া সহ আরও অন্যান্যরা। ঐ দিন রাতে আমরা হামিদ মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করি।
১৪ ডিসেম্বর মঈন উদ্দিন মিয়ার বাড়ি হতে আত্মগোপন অবস্থায় আরেকজন পাকসেনাকে আটক করি। তাকেও রেলস্টেশনে পৌঁছে দেই। এরপর মোগলাবাজার হতে আসা একটি আর্মি ভ্যান গুলি করে ড্রাইভারকে হত্যা করি ঝালোপাড়া মসজিদের সামনে।
এরপর ১৪ ডিসেম্বর বিকালে আমার নেতৃত্বে শুধু মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নিয়ে মোল্লারগাঁও কলাপাড়া ও জিন্দাবাজারে বিভিন্ন অপারেশনে অংশগ্রহণ করি।
লেখক: রফিকুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল ঢাকা।
» সিলেট ৬; এমরান চৌধুরী ব্যতিক্রম, ব্যানার ফেস্টুন অপসারণে নিজেই মাঠে
Published: ১২. ডিসে. ২০২৫ | শুক্রবার
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিলেট-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী স্থাপন করলেন ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা পালনে নিজেই নেমেছেন মাঠে। অপসারণ করছেন নিজের ছবি-নামসম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন।
এসময় তিনি বললেন, নির্বাচন কমিশনের সব নির্দেশের প্রতি বিএনপির প্রার্থীরা শ্রদ্ধাশীল।
১৭ বছর পর দেশে নির্বাচনের পরিবেশ এসেছে। সেই পরিবেশকে পুরোপুরি সুষ্ঠু করে তোলা আমাদের সবার দায়িত্ব। তাই আমার দলের সকল নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান, সবাই নির্বাচন কমিশনের আদেশ-নিষেধ মেনে চলবেন।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমআর নামাজ শেষে গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জ বাজারে নিজের সমর্থনে টানানো ব্যানার-ফেস্টুন নিজে অপসারণ করেন অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
এসময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার জুড়ে বিভিন্ন স্থানে তাঁর এই ব্যতিক্রমী কর্মসূচি চলবে বলে জানা গেছে।
এদিকে, এমরান চৌধুরীর এমন কার্যক্রমের প্রশংসা করছেন সিলেট-৬ আসনের সচেতন বাসিন্দারা।
তারা বলছেন, সব প্রার্থী যদি এমরান চৌধুরীর মতো এভাবে এগিয়ে আসেন তবে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারে অন্যরকম এক নির্বাচনি পরিবেশ তৈরি হবে। জেলার অন্যগুলোর জন্য সিলেট-৬ হবে দৃষ্টান্তমূলক।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে গোলাপগঞ্জের ভাদেশ্বর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে এমরান আহমদ চৌধুরীর সমর্থনে সভা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মুহিব আলীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাড. এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন- গোলাপঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। কোনো চক্রান্তে কাজ হবে না, আগামী নির্বাচনে সিলেট-৬ আসনে ধানর শীষের বিজয় হবেই হবে ইনশা আল্লাহ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ভাদেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমদ, গোলাপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক এস এ রিপন, ভাদেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তারেক জলিল মাস্টার, সহ-সভাপতি সাদিকুর রহমান সাদেক, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নজাই, ভাদেশ্বর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার সাহেদ আহমদ, লক্ষিপাশা ইউনিয়ন বিএনপির যুববিষয়ক সম্পাদক শরিফ আহমদ, গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবদল নেতা হোসাইন আহমদ, কামাল আহমদ, আব্দুল হামিদ, শিমুল আহমদ, আহমদ হাম্মাদ, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক আজিজুল হক স্বাপন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল নেতা তানভির জাহান স্বাপন, ভাদেশ্বর ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা সুমন আহমদ, ইমাদুর রহমান এবং তানিম আহমদ প্রমুখ।
» ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে সম্মিলিতভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে : খন্দকার মুক্তাদির
Published: ১২. ডিসে. ২০২৫ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সদর ও মহানগর এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করার মধ্য দিয়ে সেই গণজোয়ারের চূড়ান্ত সফলতা আসবে। ধানের শীষের সাথে মিশে আছে এদেশের কোটি জনতার আবেগ। এটি শুধু বিএনপির প্রতীক নয়, এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক ধানের শীষ।
আপামার জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় সিলেট-১ আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
সিলেট-১ (সদর ও মহানগর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সিলেট সদর উপজেলার মোগলগাঁও জুমআর নামাজ আদায় শেষে সর্বস্তরের জনসাধারণের সাথে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারী সিলেট সদর ও মহানগরী এলাকার সকল ভোট কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। কোন অপশক্তি সাধারণ মানুষের স্বাধীন ভোটাধিকারে যাতে হস্তক্ষেপ করতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
দেশের মানুষ ভোট ও ভাতের অধিকার অর্জনের জন্য ফ্যাসিস্ট সরকারকে হটিয়েছে। দেশের মানুষ আর কোন পেশী শক্তির কাছে আত্মসমর্পন করবে না।
গণসংযোগকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, জালালাবাদ থানা বিএনপির আহবায়ক শহীদ আহমদ, মুফতি রায়হান উদ্দিন মুন্না সহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে তিনি মোগলগাঁও জামে মসজিদ জুম্মার নামাজ শেষে বাদ মাগরিব বালাগঞ্জ সমিতির এজিএম অংশ গ্রহণ করেন এবং এশার নামাজ আম্বরখানা কলোনী মসজিদে আদায় করে স্থানীয় মুসল্লীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন, পরে রাতে ২৭নং ওয়ার্ড গোটাটিকর ফ্রেন্ডস সোসাইটি আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনালে পুরস্কার বিতরণ ও ঐ ওয়ার্ডের সনাতন ধর্মাবলম্ভীদের সাথে মতবিনিময় সভা মিলিত হন।
» গণসংযোগ ও পথসভায় মানুষের ঢল; আরিফুল হক চৌধুরীকে পেয়ে এবার নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন কোম্পানীগঞ্জ গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরবাসী
Published: ১২. ডিসে. ২০২৫ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
কখনো গাড়ীতে-কখনো হেটে গ্রামের পর গ্রাম পাড়ি দিয়ে কোম্পানীগঞ্জ গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরবাসীর দীর্ঘদিনের বঞ্চনা আর অবহেলার কথা শুনতে প্রতিদিন নিরলসভাবে ছুটে চলেছেন আরিফুল হক চৌধুরী।
আধুনিক সিলেট সিটি গড়ে তোলার রুপকার বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে পেয়ে এবার নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন তিন উপজেলার মানুষ। তাঁকে ঘিরেই স্বপ্ন দেখছেন তারা।
তারা জানেন এই তিন উপজেলার দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভূত সমস্যা সমাধানের জন্য ‘কর্মবীর’ হিসেবে খ্যাত আরিফুল হক চৌধুরীর মতো যোগ্য ব্যক্তিত্বই প্রয়োজন।
সেজন্য বিএনপি মনোনীত সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী যেদিকেই যাচ্ছেন সেদিকেই নামছে জনস্রোত।
প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও (১২ ডিসেম্বর) গোয়াইনঘাট উপজেলার ১০নং আলীর গাঁও নিউনিয়ন, কোওর বাজার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে গণসংযোগ ও পথসভায় মানুষের ঢল নামল।
এসময় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, এই জনপদগুলো কতটা অবহেলিত, উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত, আমি নিজ চোঁখে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না।
যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, আপনারা আমাকে বিজয়ী করেন ইনশাআল্লাহ একবছরের মধ্যেই পরিবর্তের দৃশ্য দেখতে পারবেন। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদকে উন্নয়নের কাজে লাগিয়ে এলাকায় শিল্প, কলকারখানা, পর্যটন এলাকা গড়ে তুলতে পারলে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী হবে। ব্যবসা, বাণিজ্যের প্রসার ও বেকারত্ব রোধ হবে।
গণসংযোগকালে আরিফুল হক চৌধুরী তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্থ্যতা কামনা করে এলাকার সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।
স্থানীয় কোওর বাজারে আয়োজিত পথসভায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি চেরাগ আলীর সভাপতিত্বে ও গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কামরুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুস শুকুর, গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম স্বপন, গোয়াইনঘাট উপজেলার ডৌবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আরিফ ইকবাল নেহাল, গোয়াইনঘাট উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ আহমদ চেয়ারম্যান, উপজেলা তাঁতী দলের যুগ্ম আহবায়ক ছমির উদ্দিন, ১০নং আলীর গাঁও নিউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস শুকুর মেম্বার, মুফিজুর রহমান, শহিদুর রহমান, আজির উদ্দিন, হবিবুর রহমান, আলিম উদ্দিন, মাখই মিয়া, চেরাগ আলী, গোয়াইনঘাট কলেজ ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তানজীদ আহমদ, সিলেট মেট্রাপলিটন ইউনিভার্সিটি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবু তানিম, ১০নং আলীর গাঁও নিউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান কাওছার, আলীর গাঁও কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাকিউল আম্বিয়া।
এদিকে সকালে উপজেলার ১০নং আলীর গাঁও নিউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ও বাজারে প্রচারণা, গণসংযোগ ও পথ সভা যোগ দেন। পরে তিনি পাঁচপাড়া জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন।
» উসমান হাদীকে প্রকাশ্যে গুলির প্রতিবাদে জাগপার সিলেট মহানগরের তীব্র নিন্দা
Published: ১২. ডিসে. ২০২৫ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
ঢাকায় উসমান হাদীকে প্রকাশ্যে গুলি করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) সিলেট মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে জাগপা সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন ও সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন বলেন, দিনদুপুরে রাজধানীতে এভাবে একজন মানুষকে প্রকাশ্যে গুলি করার ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ভয়াবহতা তুলে ধরে।
এটি শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, পুরো জাতিকে আতঙ্কের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা কোন সভ্য সমাজে কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, উসমান হাদীর ওপর হামলাটি পরিকল্পিত এবং বর্বরোচিত। আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, ঘটনার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
দেশের সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর ও সতর্ক ভূমিকায় থাকতে হবে।
বিবৃতিতে তারা আহত উসমান হাদীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের নৃশংস ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর আহ্বান জানান।
» নিজ উদ্যোগে দাঁড়িপাল্লার বিলবোর্ড, ব্যানার ফেস্টুন অপসারণ
Published: ১২. ডিসে. ২০২৫ | শুক্রবার
জামায়াত সর্বদা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণবিধি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : মাওলানা হাবিবুর রহমান
সিলেট-১ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, জামায়াত সর্বদা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের সার্থে আমরা আচরণবিধি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বাদ জুমআ সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ এলাকায় নিজ উদ্যোগে বিলবোর্ড ব্যানার ফেস্টুন অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে উপরোক্ত কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ও সিলেট-১ আসন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, মহানগর সহকারী সেক্রেটারী জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও শাহপরান পশ্চিম থানা আমীর শাহেদ আলী প্রমূখ।
বিলবোর্ড অপসারণ ও গণসংযোগ কালে মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
» দেশের মানুষ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না : ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ
Published: ১২. ডিসে. ২০২৫ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট মহানগর সভাপতি ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বলছেন, বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সংস্কৃতি ইসলামের সাথে ওৎপ্রোতভাবে জড়িত।
হযরত শাহজালাল রহমাতুল্লাহি আলাইহির স্মৃতি বিজরিত সিলেট হবে ইসলামের ঘাটি। সেই ঘাটিতে আগামী নির্বাচনে ইসলামকে বিজয়ী করতে হবে।
বাংলাদেশকে যারা বার বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান করেছে, দেশের টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করে, দেশের মানুষ তাদেরকে আর ক্ষমতায় দেখত চায় না। তাই শাহজালাল রহমাতুল্লাহ এর পূণ্যভূমিতে শাহজালাল (রহ.) এর উত্তরসূরিদের ইসলামের প্রার্থীকে নির্বাচিত করুন। আপনাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ নির্মিত হবে।
তিনি বলেন, এক ফ্যাসিবাদ দুর হয়েছে, আরেকদল চাঁদাবাজী করে যাচ্ছে।
চাঁদাবাজদের সেই সুযোগ দেয়া হবে না। সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমান আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতে পারি তাহলে আগামীর সংসদ হবে ইসলামের সংসদ, আলেম-উলামাদের সংসদ। সেই সংসদ নির্মাণে সকলকে মাঠে নেমে পড়তে হবে।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে নগরীর সুরমা মার্কেটে দলীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগরের নিয়মিত মাসিক বৈঠক সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগর সভাপতি ডা: রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজের সভাপতিত্বে ও জয়েন্ট সেক্রেটারী প্রভাষক বোরহান উদ্দিনের পরিচালনায় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন সিলেট মহানগরের সহ সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুর শহীদ, সহ সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মতিউর রহমান খান, প্রচার ও দাওয়াহ্ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রনি, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মকবুল হোসাইন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ আরিফুর রহমান, আইন বিষয়ক সস্পাদক এস.এম সামছুল আলম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কারী মাওলানা মুহিবুর রহমান রনি, সহ-অর্থ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, মহিলা ও পরিবার বিষয়ক সম্পাদক মাঈনুদ্দিন, এাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নুরুজ্জামান, নির্বাহী সদস্য মো. আব্দুল জাহের প্রমুখ।
» কফি ক্লাবের পক্ষকালব্যাপী কম্বল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন
Published: ১২. ডিসে. ২০২৫ | শুক্রবার
শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক দায়িত্ব : ইউএনও খুশনুর রুবাইয়াৎ
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার খুশনুর রুবাইয়াৎ বলেছেন, মানুষ মানুষের জন্য, এই চিরন্তন মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করেই আমাদের সমাজকে এগিয়ে নিতে হবে।
শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু দান নয়, এটি সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব।
প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তি যদি নিজ দায়িত্ববোধ থেকে সামান্য সহযোগিতাও করেন, তাহলে সমাজ আরও সুন্দর ও মানবিক হয়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, কফি ক্লাব ও কাস্টমারদের আজকের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে তারা আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর কুমারপাড়াস্থ বীর বিক্রম ইয়ামিন কমপ্লেক্সে কফি ক্লাবের উদ্যোগে ও কাস্টমারদের সহযোগিতায় পক্ষকালব্যাপী শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
কফি ক্লাবের কো ফাউন্ডার ও সিইও মো. শহিদুর রহমান স্বপনের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট সদর উপজেলার প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার হাসানুজ্জামান, সিলেট সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবুল মনসুর আসজাদ, মদন মোহন কলেজের অধ্যাপক আমিরুজ্জামান চৌধুরী, প্রবাসী মো. আব্দুল মালিক, রোটারি ক্লাব অব রিজেন্সির পিপি রোটা. শ্যামল অধিকারী, প্রতিষ্ঠানের কো-ফাউন্ডার আনিসা বেগম।
কাস্টমারদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, মো. আমিনুর রহমান প্রমুখ।
শুরুতে পবিত্র কালামে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন, হাফেজ মাখনুন হাসান। এছাড়াও কফি ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে নগরীর বিভিন্ন মাদ্রাসার হাফেজ শিক্ষার্থী ও দুস্থ্যদের মধ্যে খাবার বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
» আগামীকাল শনিবার গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট এর বিভাগীয় কনভেনশন
Published: ১২. ডিসে. ২০২৫ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
আগামীকাল শনিবার ১৩ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় চৌহাট্টাস্হ শহীদ সুলেমান হলে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের সিলেট বিভাগীয় কনভেনশন চৌহাট্টাস্হ শহীদ সোলেমান হলে অনুষ্ঠিত হবে।
এতে বক্তব্য রাখবেন, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ,বাসদ (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাংলাদেশ জাসদ এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক মইনুল ইসলাম শামীম, সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সদস্য মহসিন রেজা, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য সিরাজ আহমদ।
এছাড়াও বক্তব্য রাখবেন, সিলেট বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধি।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে সিপিবি জেলা সভাপতি সৈয়দ ফরহাদ হোসেন, বাংলাদেশ জাসদ সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি এডভোকেট জাকির আহমদ, বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর, বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা সমন্বয়ক সঞ্জয় কান্ত দাশ, সিপিবি জেলা সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান, বাসদ জেলা সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পাল, বাংলাদেশ জাসদ মহানগর শাখার সভাপতি নাজাত কবির, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের ডাঃ হরিধন দাশ এক যুক্ত বিবৃতিতে আগামীকাল ১৩ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১১টায় চৌহাট্টাস্হ শহীদ সুলেমান গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট এর সিলেট বিভাগীয় কনভেনশন সফল করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
» সিলেটবাসীর প্রতিনিধি হয়ে উন্নয়ন বঞ্চনার অবসান ঘটাতে চাই : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
Published: ১১. ডিসে. ২০২৫ | বৃহস্পতিবার
শিবগঞ্জ, টিলাগড় ও বন্দরবাজারে গণসংযোগ
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, আজন্ম দিলেটবাসীর পাশে আছি, আমৃত্যু সিলেটবাসীর সেবক হিসেবে পাশে থাকতে চাই।
উন্নয়ন, সংস্কার, রাজনীতি- সবকিছুতে আমার কাছে সবার আগে সিলেট। সকল ক্ষেত্রেই বিগত দেড় যুগ সিলেটবাসী উন্নয়ন বঞ্চিত। সিলেটবাসীর প্রতিনিধি হয়ে সেই বঞ্চনার অবসান ঘটাতে চাই।
তিনি বৃহষ্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ থেকে টিলাগড় এবং নগরীর বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মার্কেটে ব্যবসায়ীদের সাথে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন।
খন্দকার আব্দুর মুক্তাদির বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যখনই ক্ষমতায় গেছে তখনই সিলেটবাসীর উন্নয়ন উপহার পেয়েছে। এবারো এর ব্যতিক্রম হবেনা।
তিনি বলেন, দল হিসেবে বিএনপি সব সময় সিলেটের ব্যবসায়ীদের পাশে থেকেছে। সিলেটে যাতে বিনিয়োগ ও ব্যবসায়ী বান্ধব পরিবেশ বজায় থাকে, সেটি নিশ্চিত করতে আমি আমার অবস্থান থেকে সব সময় কাজ করে যাব।
গণসংযোগ ও মতবিনিময় কালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সহ-সভাপতি সৈয়দ মঈন উদ্দিন সুহেল, জিয়াউল হক জিয়া, সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউল বারী চৌধুরী খুর্শেদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মুফতি রায়হান উদ্দিন মুন্না, ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লুৎফুর রহমান মোহন, ২১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খায়রুল ইসলাম খায়ের, ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ লোকমানুজ্জামান লোকমান, ২১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালিক সেকু, নিহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, সাইফুল্লাহ খালেদ, আব্দুর রকিব তুহিন, ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন কয়েস, ২১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সালেহ আহমদ প্রমুখ।
» সিলেটে কর্মসংস্থান ব্যাংকের কাস্টমার অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম তরুণদের স্বাবলম্বী ও দারিদ্র্য দূরীকরণে ব্যাংকের অগ্রযাত্রা
Published: ১১. ডিসে. ২০২৫ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
কর্মসংস্থান ব্যাংকের সিলেট বিভাগের আওতাধীন শাখাসমূহের উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে সিএমএসই ঋণ কর্মসূচি বিষয়ে একটি কাস্টমার অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সিলেট নগরীর দরগাগেইটস্থ একটি অভিজাত হোটেলের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কর্মসংস্থান ব্যাংকের হিসাব ও পরিচালন মহাবিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম মিঞা।
তিনি বলেন, কর্মসংস্থান ব্যাংক শুধু ব্যবসায়িক সেবা প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং দেশের বেকারত্ব দূরীকরণ, দারিদ্র্য হ্রাস এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
নানা ধরনের সহজ শর্তে ঋণ, প্রশিক্ষণ এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাংকটি তরুণদের নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে উৎসাহিত করছে।
ফলে তরুণ প্রজন্ম স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি নতুন উদ্যোগ গড়ে তুলতে পারছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করে ততুলছে।
কর্মসংস্থান ব্যাংকের এসব কার্যক্রম গ্রামীণ ও শহুরে উভয় অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ মোস্তাাফিজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কর্মসংস্থান ব্যাংক সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক খালেদ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।
এছাড়াও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, কর্মসংস্থান ব্যাংকের ঋণ ও অগ্রিম বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ সাদেকুর রহমান এবং বিভাগীয় নিরীক্ষা কার্যালয়, সিলেট-এর নিরীক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মজিবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, সহকারী মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ সাদেকুর রহমান। এরপর কর্মসংস্থান ব্যাংকের সার্বিক কর্মকান্ডের ওপর একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
উপমহাব্যবস্থাপক খালেদ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত আলোচনায় অতিথিবৃন্দ গ্রাহকদের উদ্দেশে ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা ও সিএমএসই কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তাারিত আলোকপাত করেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন।
প্রধান অতিথি উপস্থিত গ্রাহকদের কর্মসংস্থান ব্যাংকের ঋণ সুবিধা সম্পর্কে অবহিত করেন এবং নতুন উদ্যোক্তাদেরও এ ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, কর্মসংস্থান ব্যাংক শুধুমাত্র ব্যবসায়িক কর্ম পরিচালনা করে না; বরং বেকারত্ব দূরীকরণ, দারিদ্র্য বিমোচন ও যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি গ্রাহকদের নিয়মিত ঋণ পরিশোধে উৎসাহিত করেন এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক তাঁর বক্তব্যে কর্মসংস্থান ব্যাংকের সার্বিক অগ্রগতিতে সন্তোাষ প্রকাশ করেন।
তিনি সিএমএসই ঋণ কর্মসূচিকে একটি সফল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, কর্মসংস্থান ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা থাকার ফলে বেকার যুবকরা এ ব্যাংকের ঋণ নিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের সেবা উন্নয়নে গ্রাহকদের পরামর্শ গ্রহণ করা হয় এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
কর্মসূচির সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন কর্মসংস্থান ব্যাংক সিলেট আঞ্চলিক কার্যালয়ের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (এজিএম) মনিরুল ইসলাম।

