- সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন ও আরসিসি ড্রেন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
- সিলেট জেলা পরিষদ প্রশাসকের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ ও বাণিজ্য মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান
- গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত
- মোগলাবাজারে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে র্যালি ও সমাবেশ যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখার আহ্বান
- সাগরদিঘিরপাড় ওয়াকওয়ে, সড়ক ও বিদ্যুৎবাতি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক
- শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করলেন কয়েস লোদী সহ ৯ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান
- আমরা জুলাই যোদ্ধা সিলেট জেলার আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- আইনজীবীদের সাথে সিলেট মহানগর জামায়াতের মতবিনিময়
- “বৃটেনের কার্ডিফে হলো ” ওয়েলসের প্রথম ফার্স্ট মিনিস্টার ডিভলিউশনের জনক” রডরি মর্গানের স্ট্যাচু
- সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসের সাফল্য
» সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন ও আরসিসি ড্রেন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
Published: ১৩. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন প্রকল্প চলছে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ছাড়া একটি বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। নগরবাসীকে জলাবদ্ধতা, পরিবেশদূষণ ও বর্জ্যজনিত দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এবং আখালিয়া নতুনবাজার থেকে ডলিয়া পয়েন্ট পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে আরসিসি ড্রেন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, এসটিএস নির্মাণের মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ ব্যবস্থা আরও আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে নতুন ড্রেন নির্মাণের ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন কাজের মূল লক্ষ্য হলো নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়ন। তাই প্রতিটি প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এরপর তিনি সিটি কর্পোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সিসিকের আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শন করেন। একই দিন তিনি ৩ ও ৯ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের মক্তবগলির বিভিন্ন রাস্তা ও ছড়া পরিদর্শন করে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং চলমান উন্নয়নকাজ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য, সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আফসর খান, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি সবুর আহমেদ, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক চান মিয়া বাচ্চু, যুগ্ম আহ্বায়ক রাজু আহমদ, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি সালেহ আহমদ, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, রাজুসহ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেট জেলা পরিষদ প্রশাসকের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ ও বাণিজ্য মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান
Published: ১৩. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রায় ৩০ লাখ প্রবাসীর কল্যাণে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমের বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর ১২টায় জেলা পরিষদের এই স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপি প্রদানকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বাণিজ্য মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই দাবিগুলো জোরালোভাবে উপস্থাপনের জন্য প্রশাসকের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।
স্মারকলিপিতে উল্লিখিত প্রবাসীদের ৪টি দাবি হলো, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পূর্বাঞ্চলের প্রবাসী যাত্রীরা যাতে সহজে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সেজন্য কাকুয়াপাড়-সাহেব বাজার হয়ে খাদিমনগর-জাফলং সড়ক এবং সাহেব বাজার থেকে হরিপুর-জাফলং সড়ক পর্যন্ত বিদ্যমান দুটি ছোট সড়ককে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ২৪ ফুটে সম্প্রসারণের দাবি জানানো হয়েছে। সড়ক দুটি প্রশস্ত হলে বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, জকিগঞ্জ, বড়লেখা, জুড়ী, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও জাফলং এলাকার প্রবাসীরা আম্বরখানার যানজট এড়িয়ে সহজে বাড়ি ফিরতে পারবেন। পাশাপাশি বিমানবন্দর-বাদাঘাট বাইপাস সড়ক দ্রুত চালু হলে সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার প্রবাসীদেরও দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তি কমবে।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীদের স্বার্থে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকেও ‘ওপেন স্কাই’ ঘোষণা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্স ও কাতার এয়ারওয়েজের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক যোগাযোগের মাধ্যমে সিলেটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। এর ফলে ঢাকা বিমানবন্দরকেন্দ্রিক প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং ইউরোপ, আমেরিকা ও কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা সরাসরি সিলেটে যাতায়াত করতে পারবেন।
সিলেট বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের কাজ ২০২৩ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে মাত্র ২৪ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রবাসীদের দাবি, ঢাকা ও কক্সবাজার বিমানবন্দরের মতো এখানেও দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা কাজ চালিয়ে সরকারের বেঁধে দেওয়া সময় ২০২৭ সালের মধ্যেই যেন নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়।
এয়ারপোর্ট মসজিদকে আধুনিকায়ন করে দোতলা ভবনে রূপান্তর করার দাবি জানানো হয়েছে, যাতে ওমরাহ ও হজ্জযাত্রীরা এই মসজিদ থেকেই শেষবারের মতো ইহরাম পরে পবিত্র মক্কা-মদিনার উদ্দেশ্যে রওনা হতে পারেন। এতে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের জন্য একটি সুন্দর ও পরিপূর্ণ ইবাদতের পরিবেশ নিশ্চিত হবে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীরা প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাই প্রবাসীবান্ধব এই গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে সিলেট বিভাগের সোয়া কোটি মানুষ ও প্রায় ৩০ লাখ প্রবাসী আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবেন। স্মারকলিপিতে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করা হয়েছে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এম শফিকুর রহমান, সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর, সহ-সভাপতি মুসলেহ উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন তালুকদার, প্রচার সম্পাদক মো: ইউসুফ সেলু, দপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমদ, গণদাবী নেতা শ্যামল চৌধুরী, মো. শফিকুর রহমান প্রমুখ।
» গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত
Published: ১৩. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি এমপি এমরান চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার সহ ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উপজেলা পর্যায়ে রোগীদের জন্য চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একইসঙ্গে জেলা সদর হাসপাতালের ওপর রোগীর চাপও কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব কাজী শরিফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়- দেশের বিভিন্ন জেলার মোট ৪১৮টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে সিলেট জেলার ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার সিলেটের বাকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো হচ্ছে, সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, জকিগঞ্জ, বিশ্বনাথ, ওসমানীনগর, ফেঞ্চুগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ।
এদিকে বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
তিনি এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সরকারের এই মহতি উদ্যোগের ফলে আমার নির্বাচনি দুই উপজেলার স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এটি বাস্তবায়ন হলে দুই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের কষ্ট করে জেলা শহরে ছুটে না গিয়ে কাছেই স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।
এমপি আরও বলেন, শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা উপকরণ নিশ্চিত করা গেলে এই উদ্যোগের সুফল সবচেয়ে বেশি পাবেন গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। একই সঙ্গে জেলা ও বিভাগীয় হাসপাতালগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপও কমে আসবে।
» মোগলাবাজারে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে র্যালি ও সমাবেশ যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখার আহ্বান
Published: ১৩. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে সিলেটে এক বিশাল মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মোগলাবাজার থানা এলাকায় স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এসএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি-দক্ষিণ) অলক বিশ্বাস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মোগলাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি-দক্ষিণ) অলক বিশ্বাস বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রয়েছে।
যুবসমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণকে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি ঘরে ঘরে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে তরুণ প্রজন্ম মাদকের ভয়াবহতা থেকে মুক্ত থাকে।”
সমাবেশে বক্তারা মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন হয়ে তা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মোগলাবাজার থানা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত, সদস্য সচিব জামাল আহমদ, সাবেক কুচাই ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদউদ্দিন রুকন, সহ-সভাপতি সুমন সিকদার, ২৭নং ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি জুম্মান আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মিনার আহমদ, বিএনপি নেতা বাচ্চু আহমদ, শাহাজান আহমদ, ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা হাছিব আহমদ এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা শিপু আহমদ।
এছাড়াও স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ইসরাব আলী হাই স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ২৭, ৪০, ৪১ ও ৪২নং ওয়ার্ডের বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনগণ এই বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।
» সাগরদিঘিরপাড় ওয়াকওয়ে, সড়ক ও বিদ্যুৎবাতি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার
বৃষ্টি উপেক্ষা করেও জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ চলছে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে বৃষ্টি উপেক্ষা করেও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ অব্যাহত রয়েছে।
জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন পরিষ্কার, নতুন ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কারের পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমও একযোগে পরিচালিত হচ্ছে।
রোববার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সম্প্রসারিত এলাকা সহ মহানগরীর সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সাগরদিঘীরপাড়ে নবনির্মিত ওয়াকওয়ে, এসফল্ট সড়ক এবং সড়কবাতির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটি আধুনিক, নিরাপদ ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগরী গড়ে তোলা। টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নগরবাসী যাতে সামান্য বৃষ্টিতেও জলাবদ্ধতার কারণে দুর্ভোগে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই ড্রেন পরিষ্কার, ড্রেন সংস্কার এবং সড়ক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই হবে না, এগুলোর সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণেও নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
ড্রেন ও খালে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে সবাই সচেতন হলে জলাবদ্ধতা নিরসনে আমাদের প্রচেষ্টা আরও কার্যকর হবে।
পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা, ড্রেনেজ অবকাঠামো, আলোকসজ্জা এবং জনবান্ধব নগর পরিবেশ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
সাগরদিঘীরপাড়ে নবনির্মিত ওয়াকওয়ে, এসফল্ট সড়ক ও সড়কবাতি স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল সহজ করার পাশাপাশি এলাকার সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করবে।
অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সালেহ আহমদ, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাজীব কুমার দে, সৈয়দ আলী রেজা সাচ্চু, মাজহারুল ইসলাম মেনন, খন্দকার মাহবুব রব, সানাউল হক সানা, পারভেজ আহমদ, শামীম রেজা, মাহফুজ, সুমন সিংহসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে সিসিক প্রশাসক নবনির্মিত ওয়াকওয়ে, এসফল্ট সড়ক ও সড়কবাতির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
» শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করলেন কয়েস লোদী সহ ৯ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান
Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করেছেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী সহ দেশের ৯টি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানবৃন্দ।
রবিবার (১২ জুলাই) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে চেয়ারম্যানগণ শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের মাজারে উপস্থিত হন।
সেখানে তাঁরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা মরহুম নেতাদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের কল্যাণ কামনা করে সূরা ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
জিয়ারতকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র চেয়ারম্যান এস. এম. শফিকুল আলম, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র মো. আবুল কালাম আজাদ, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র মোতাহার হোসেন তালুকদার, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র মো: শামসুজ্জামান সামু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র উতবাতুল বারী আবু, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র মাসুকুল ইসলাম রাজিব।
মোনাজাত পরিচালনা শেষে গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানগণ নিজ নিজ অঞ্চলের পরিকল্পিত উন্নয়ন ও নগরায়ণে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।
» আমরা জুলাই যোদ্ধা সিলেট জেলার আহ্বায়ক কমিটি গঠন
Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার
আহ্বায়ক আলাল আহমদ, সদস্য সচিব এম এ মতিন
নিউজ ডেস্কঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন ও যোদ্ধাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে “আমরা জুলাই যোদ্ধা” কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি সিলেট জেলা শাখার ৬৯ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি বর্ধিত করে নতুন উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন দিয়েছে।
কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম ইমন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল মিরাজ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই গুরুত্বপূর্ণ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
নতুন এই কমিটিতে আলাল আহমদকে আহ্বায়ক এবং মোঃ আব্দুল মতিনকে সদস্য সচিব মনোনীত করা হয়েছে।
কমিটির নেতৃবৃন্দ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের গেজেটভুক্তকরণ, যথাযথ চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিতকরণ ও সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে একযোগে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
কমিটির উপদেষ্টারা হলেন, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালেক, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মহানগর বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি নাছিম হোসাইন, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব চৌধুরী, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হেলাল উদ্দিন আহমদ।
কমিটির অন্যানরা হলেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিছবাহ আহমদ জেহিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফরিদ মিয়া, মুমিনুর রহমান তানিম, রাজু আহমদ, রুবেল আহমদ, কামাল আহমদ, মো. ফারুক আহমদ, কামাল হোসেন মিটু, সাইফুল ইসলাম, লায়েক আহমদ, সেলিম আহমদ, মো. ইব্রাহিম আহমদ, সুহেল আহমদ, আব্দুল কাদির জিলানি, রাশেদুজ্জামান রাসেল, মো. জুবেল আহমদ স্বপন, আসাদুজ্জামান, মো. সাজন আহমদ সাজু, রিপন চৌধুরী, মো. এনামুল কবির, সলিম আহমদ সেলু, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মো. আব্দুল জলিল, যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তরে নিযুক্ত) রেজাউল ইসলাম নাহিদ, সদস্য কামরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান জুয়েল, শেখ মারজান আহমদ, আব্দুল মালিক, মোঃ কামাল উদ্দিন তালুকদার, সজিব আহমদ, লিমন আহমদ, জসিম উদ্দিন, হুমায়ুন আহমদ, উসমান সুলতান, নজরুল ইসলাম, রুবেল আহমদ, ময়নুল হক ইমন, সুহেল আহমদ, মোঃ ভজার হোসেন, হোসেন আহমদ, সোহেল আহমদ, উসমান গণী, আমির হামজা, এহসানুল মাসুদ সাজ্জাদ, জসিম উদ্দীন, মো. তৈয়বুর রহমান, ইসলাম উদ্দিন, জাফর আহমদ, মো. আনোয়ার হোসেন লিমন, মো. ইসহাক আহমদ, মো. রুবেল আহমদ, আনহার হোসেন, আবু সালেহ, মো. মিনহাজ আহমেদ, অসিম উদ্দিন, রাজিব আহমেদ, সাহেদ আহমদ, ফারুক আহমদ, ইকবাল হোসেন, মো. আকবর আলী, জামিল হোসাইন সামি, রুহুল আমিন রোহান, মোরশেদ আহমদ, নাহিদ উদ্দিন, আজহার উদ্দিন সুজন, সাফিমান চৌধুরী, মুবিন আহমদ, সেবুল রেজা।
» আইনজীবীদের সাথে সিলেট মহানগর জামায়াতের মতবিনিময়
Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের স্বোচ্চার হতে হবে : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
নিউজ ডেস্কঃ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, দেশের সকল ক্রান্তিলগ্নে আইনজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে।
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আইনজীবীগণ অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছেন।
গণঅভ্যুত্থানে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হলেও জনগণের কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণ হয়নি। সরকার ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদকে উপেক্ষা ও প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের দেয়া গণভোটের রায়কে বাতিল করেছে।
ফলে দেশে আবারও বিচারবিভাগকে নিয়ন্ত্রণের অপচেষ্টা চলছে।
অথচ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল স্পিরিট ছিল উই ওয়ান্ট জাস্টিস ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। কিন্তু সরকার বিচার বিভাগে নগ্ন হস্থক্ষেপের মাধ্যমে জুলাই স্পিরিটকে উপেক্ষা করেছে।
গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের রক্তের সাথে সরকারের এই প্রতারণা জনগণ মেনে নিবেনা। স্বাধীন বিচার বিভাগ ও স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের স্বোচ্চার হতে হবে।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জামায়াত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। সকলের জন্য ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
খুন, গুম ও জুলুমের রাজনীতির অবসান চাই। এদেশে আর কাউকে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেয়া হবেনা। এজন্য সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ২৫ জুলাই বেলা ২টায় সিলেট সরকারী আলিয়া মাঠে ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত বিভাগীয় সমাবেশ সফলে আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তিনি রোববার (১২ জুলাই) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সিলেট মহানগর জামায়াত ঘোষিত মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবং আগামী ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ১১ দলীয় সিলেট বিভাগীয় সমাবেশ সফলের লক্ষ্যে আইনজীবীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের সভাপতি এডভোকেট আলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল খালিকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর হাফিজ মিফতাহুদ্দীন ও সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব।
আইনজীবীদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বারের সিনিয়র আইনজীবী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সিলেট মহানগর সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, এডভোকেট আজিম উদ্দিন, এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন শামীম, এডভোকেট শফিকুল ইসলাম, এডভোকেট নাজমুল হুদা, এডভোকেট জুনেদ আহমদ, এডভোকেট আফজল মিয়া তালুকদার, এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান, এডভোকেট কাজী আতিকুল ইসলাম ও এডভোকেট আফজালুর রহমান প্রমূখ।
» “বৃটেনের কার্ডিফে হলো ” ওয়েলসের প্রথম ফার্স্ট মিনিস্টার ডিভলিউশনের জনক” রডরি মর্গানের স্ট্যাচু
Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার
জেসমিন মনসুরঃ
বৃটেনের রাজনীতিতে ওয়েলস এসেম্বলির প্রথম ফার্স্ট মিনিস্টার রাইট অনারেবল রডরি মর্গান শুধু একটি নাম নয়, আমৃত্যু তিনি ওয়েলসবাসীর জন্য নিষ্টা ও নিরলসভাবে কাজ করার মাধ্যমে “ডিভলিউশনের জনক” হিসাবে ইতিহাস সৃষ্টি করে গেছেন।
তাঁর জীবন ও অবদানের স্মরণে ওয়েলস কার্ডিফ বে-র সেনেড (পার্লামেন্ট) ভবন ও পিয়ারহেড বিল্ডিংয়ের মাঝামাঝি স্থানে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটি এখন থেকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং ওয়েলসের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায়, আর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সাবেক মন্ত্রী জেইন এলিজাবেথ হাট এর পরিচালনায় ১১ জুলাই দূপুর ১২ ঘটিকায় রাজনীতিবিদ, রডরির পরিবার-পরিজন,নানা শ্রেণি পেশার বিশিষ্টজনরা ছাড়া ও শত শত সাধারণ মানুষের সরব উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ব্রোঞ্জের মূর্তি উন্মোচন অনুষ্ঠানে ওয়েলসের পার্লামেন্টের ডেপুটি ফাস্ট মিনিষ্টার সিওনেড উইলিয়ামস, সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার মার্ক ড্রেকফোর্ড, ফাইন্যান্স মিনিস্টার এলিন জোন্স,মর্গানের স্ত্রী জুলি মর্গান,সিনেড মেম্বার হিউ টমাস,লেবার এমএস শাভ, ল্লুইড হিউ ইরাঙ্কা-ডেভিস, কার্ডিফের লর্ড মেয়র রাইট অনারেবল মাইকেল মাইকেল ও রডরি মর্গান ট্রাস্টের অন্যতম ফাউন্ডার্স কাউন্সিলার দিলওয়ার আলী সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনরা বক্তব্য রাখেন।
এই মহতি পোগ্রামে কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল ম্যাদার ল্যাংগুয়েজ মনুমেন্ট তথা শহীদ মিনার ফাউন্ডার্স ট্রাষ্ট কমিটির সেক্রেটারি কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর, ওয়েলস বাংলাদেশ উইমেন্স এসোসিয়েশন এর প্রেসিডেন্ট মহিলা নেত্রী তাহমিনা খান, রুপসী ওয়েলসের কোলে ছোট এক বাংলাদেশ বইয়ের লেখক ও সাংবাদিক দেওয়াল ফয়সাল, সৈয়দ জুয়েল রহমান, ভিপি সেলিম আহমেদ ও আবুল কালাম মুমিন সহ বাংলাদেশ কমিউনিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পিয়ারহেড বিল্ডিংয়ের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যে মর্গানকে দেখা যায় তার প্রিয় কুকুর টেল-এর সঙ্গে, সেনেডের দিকে তাকিয়ে থাকতে।
সাধারণ পোশাকে, মাটির কাছাকাছি স্থাপিত এই মূর্তিটি তার জনঘনিষ্ঠ ও আড়ম্বরহীন রাজনৈতিক জীবনেরই প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানে মর্গানের স্ত্রী জুলি মর্গান বলেন, মূর্তিটি কোন উঁচু মঞ্চে নয়, বরং মাটির ওপর স্থাপন করা হয়েছে, কারণ তিনি ছিলেন, মানুষের খুব কাছের একজন মানুষ।
সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার মার্ক ড্রেকফোর্ড একে “ডিভলিউশনের জনক”-এর স্থায়ী স্মারক বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, রড্রি মর্গান ছাড়া সেনেড আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে পারত না।
ওয়েলসের পার্লামেন্টের ডেপুটি ফাস্ট মিনিষ্টার সিওনেড উইলিয়ামস, বলেন, রডরি মর্গান ওয়েলশ ডিভলিউশনের শুরুর দিকের অস্থিরতা কাটিয়ে স্থিতিশীলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
তিনি ছিলেন প্রথম ব্যক্তি, যিনি ফার্স্ট মিনিস্টার পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং এই পদে নয় বছর ছিলেন।
ওয়েলসের ফাইন্যান্স মিনিস্টার এলিন জোন্স বলেন, এটি ওয়েলস এবং মর্গান পরিবারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
লেবার এমএস শাভ তাজ মর্গানকে “শ্রমজীবী মানুষ এবং ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের একজন প্রকৃত বন্ধু” বলে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে ল্লুইড হিউ ইরাঙ্কা-ডেভিস বলেন, “রডরির সঙ্গে যাদের কখনো দেখা হয়নি, তারাও তাকে যেন একজন বন্ধু হিসেবেই জানতেন।”
রড্রি মর্গান ট্রাস্টের ফাউন্ডার্স ট্রাষ্টি কাউন্সিলার দিলওয়ার আলী বলেন, তিনি খুশি যে অবশেষে এই স্ট্যাচু নির্মিত করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা ছোট ছোট অনুষ্ঠান, ডিনার এবং সারা ওয়েলস থেকে আসা অনুদানের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেছি, যার মধ্যে জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর অবদানও ছিল।”
দীর্ঘ আট বছরের পরিকল্পনা ও তহবিল সংগ্রহের পর অবশেষে বৃটেনের ওয়েলসের প্রথম ফার্স্ট মিনিস্টার ডিভলিউশনের জনক” রডরি মর্গানের স্ট্যাচু কার্ডিফে নির্মিত হওয়ায় রডরি মর্গান ট্রাস্টের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান ও কার্ডিফ বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, রডরি মর্গান এর সাথে বাংলাদেশ কমিউনিটির ছিল গভীর সর্ম্পক এ যেন এক আত্মার আত্মীয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তাঁকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে।
আমৃত্যু তিনি ওয়েলসবাসীর জন্য নিষ্টা ও নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।
ওয়েলস বাংলাদেশ উইমেন্স এসোসিয়েশন এর প্রেসিডেন্ট তাহমিনা খান, বলেন রডরি মর্গান সবার সঙ্গে একই রকম আচরণ করতেন, “তিনি ছিলেন, মানুষের মানুষ, আর তার এই মূর্তি কার্ডিফ বে-এর সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেবে, যেখানে প্রতিদিন অনেক দর্শনার্থী আসেন।”
রুপসী ওয়েলসের কোলে ছোট এক বাংলাদেশ বইয়ের লেখক ও সাংবাদিক দেওয়াল ফয়সাল,বলেন, “মানুষ রডরি মর্গানকে তাঁর চুল আর কণ্ঠস্বর দেখেই চিনত।”
আপনি দেখতেন, মানুষ রাস্তা পার হয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে আসছে। এ যেন এক প্রাণের বন্ধন।
রডরি মর্গানের স্ট্যাচুটি নকশা করেছেন, জনপ্রিয় শিল্পী অ্যান্ডি এডওয়ার্ডস, যার ওয়েলস শিকড় রয়েছে।
তিনি ইতোমধ্যে ৫০টিরও বেশি ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য তৈরি করেছেন, যার মধ্যে লিভারপুল ওয়াটারফ্রন্টে হাঁটতে থাকা বিটলস ব্যান্ডের চার সদস্য, মোটরহেডের লেমি এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯১৪ সালের বড়দিনে শত্রুপক্ষের সৈন্যদের মধ্যে ফুটবল খেলার একটি স্মারক ভাস্কর্য অন্তর্ভুক্ত।
এই মূর্তিটি পাউইসের লানরহায়াডর-ইম-মখনান্টে অবস্থিত ক্যাসল ফাইন আর্টস ফাউন্ড্রিতে তৈরি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, রডরি মর্গান ১৯৮৭ সালে বৃটিশ পার্লামেন্ট তথা হাউস অব কমন্সে প্রথমে এম পি নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৯ সালে সেনেড (তৎকালীন নতুন অ্যাসেম্বলি)-এর সদস্য হন।
তিনি ২০০০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ওয়েলসের ফার্স্ট মিনিস্টার ছিলেন এবং তাঁর সময়ে ওয়েলসের জন্য আলাদা নীতি ও পরিচয় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
তিনি “ক্লিয়ার রেড ওয়াটার” নীতির জন্য পরিচিত ছিলেন, যা ওয়েলসকে যুক্তরাজ্যের অন্যান্য অংশের নীতি থেকে আলাদা পথ অনুসরণ করতে উৎসাহিত করেছিল।
১৯৯৯ সালে খুব অল্প ব্যবধানে জনগণ ডিভলিউশনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর নতুন সেনেডকে স্থিতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
২০১৭ সালে মৃত্যুবরণ করা রডরি তাঁর সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ ছিলেন।
রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার পর ২০১১ সালের অক্টোবরে তিনি সোয়ানসি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হন।
এই মূর্তি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তাঁর অবদান স্মরণ করিয়ে দেবে এবং ওয়েলসের রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁর গুরুত্ব তুলে ধরার মাধ্যমে নব প্রজন্মের সন্তানেরা বৃটিশ রাজনীতিতে এগিয়ে আসতে প্রেরণা যোগাবে বলে ব্রোঞ্জের মূর্তি উন্মোচন অনুষ্ঠানে আগতরা অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।
» সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসের সাফল্য
Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এ সিলেটের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাস উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুল এবং ৭ জন শিক্ষার্থী সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ করেছে।
ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো উম্মে আলফাতুস সায়েমীন স্নেহা, দেবজ্যোতি আচার্য্য শায়ন, তাহসীন আহমদ সালমান এবং আইরা তেহরীম তুয়া।
সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো— আইমান যাহিন চৌধুরী, আজমাঈন চৌধুরী, ইন্দ্রানী দাশ, ইশ্মীতা এয়াসিন তাসিফা, সৈয়দ মুসা হাসান, তাসীন তালুকদার এবং চৌধুরী জুমাইমাহ জান্নাত।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন এ সাফল্যে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক এবং শিক্ষকবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা এবং অভিভাবকদের অব্যাহত সহযোগিতার ফলেই এ সাফল্য সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং সৃজনশীল বিকাশে সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ।
ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের আরও বড় সাফল্য অর্জনে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।
প্রতিষ্ঠানটির এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরগুলোতেও স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাস ধারাবাহিকভাবে আরও উজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করবে।
» স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখার সাফল্যের স্বর্ণময় অধ্যায়
Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সরকারি বৃত্তি পরীক্ষায় ২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ জনের গৌরবময় অর্জন; ট্যালেন্টপুলে ৬ ও সাধারণ বৃত্তিতে ১০ জন।
শিক্ষাক্ষেত্রে ধারাবাহিক সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখা আবারও গৌরবময় অর্জনের স্বাক্ষর রেখেছে।
২০২৫ সালের সরকারি বৃত্তি পরীক্ষায় এ শাখার শিক্ষার্থীরা অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শন করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম আরও সমুন্নত করেছে।
এবারের সরকারি বৃত্তি পরীক্ষায় স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখা থেকে মোট ২৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
এর মধ্যে ১৬ জন শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে বৃত্তি অর্জন করেছে। প্রাপ্ত ফলাফলে ৬ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুল এবং ১০ জন শিক্ষার্থী সাধারণ বৃত্তি লাভ করেছে।
শিক্ষার্থীদের এই অভাবনীয় সাফল্য বিদ্যালয়ের সুপরিকল্পিত শিক্ষা কার্যক্রম, অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলীর নিরলস প্রচেষ্টা, নিয়মিত অনুশীলন এবং শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের সম্মিলিত ফলাফল।
ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো, নম্রতা দেব প্রাচী, কাশফিয়া হানিফ, রোহামা ফাতেমা চৌধুরী, সম্পূর্ণা পাল, নাজিফা জান্নাত খান ও ইফ্ফাত ফাহমিদা মারিয়া।
সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো আলমীর বেলাল, ফারহান আহমেদ চৌধুরী, আবীর আইকুম, ইহতেশাম হক চৌধুরী, ইফ্ফাত জামিলা নিহা, মাহজাবিন চৌধুরী, হুমায়রাহ কবির আদিনা, সংহিতা রায়, মহসিনা আনজুম মামদুহা ও ঐশ্বর্য রায়।
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন শিক্ষার্থীদের এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, পরিশ্রম, আত্মনিষ্ঠা এবং শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনার সমন্বয়েই এ অসাধারণ অর্জন সম্ভব হয়েছে।
তিনি ভবিষ্যতেও শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশে বিদ্যালয়ের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষ শানিজ ফাতেমা ইব্রাহিম এ সাফল্যের জন্য শিক্ষকমণ্ডলী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সঠিক পরিকল্পনা ও শিক্ষার্থীদের নিরলস অধ্যবসায়ের ফলেই এ গৌরবময় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখার এই অনন্য অর্জন নিঃসন্দেহে প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের স্বর্ণময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল সংযোজন।
এ সাফল্য শুধু প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাই বৃদ্ধি করেনি, বরং ভবিষ্যতে আরও বড় অর্জনের পথে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা ও আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা ক্যাম্পাস (ইংলিশ ভার্সন) থেকে সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি অর্জন করলেন আহনাফ মুজতবা আলম
Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
স্কলার্সহোম মেজরটিলা ক্যাম্পাসের মেধাবী শিক্ষার্থী আহনাফ মুজতবা আলম এবারের সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তি অর্জন করেছেন।
তিনি মো. খায়রুল আলম ও দিলরুবা মরিয়ম নিপা দম্পতির সুযোগ্য সন্তান।
এ সাফল্যের জন্য আহনাফ তাঁর মা-বাবা এবং শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, আন্তরিক দিকনির্দেশনা ও নিরলস সহযোগিতার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আহনাফ জানান, তিনি একজন সফল প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ার) হতে চান এবং দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করতে চান।
এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছেন।
স্কলার্সহোম মেজরটিলা ক্যাম্পাসের শিক্ষকবৃন্দ ও শুভানুধ্যায়ীরা আহনাফের এই গৌরবময় সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

