- পয়ঃবর্জ্য ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একসঙ্গে কাজ করবে সিসিক-এসএনভি
- রথযাত্রা উপলক্ষে অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
- প্রাণ ফিরে পাচ্ছে সিলেটের খোজারখলা পুকুর
- প্রবীণ আলেমে দ্বীন ও শায়খুল হাদীস মাওলানা ফজলুল হক খান (বারহালী হুজুর) ইন্তেকাল
- রাজা গিরিশচন্দ্র স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন
- নতুন ডিসির হাতে রথযাত্রার নিমন্ত্রণ তুলে দিলেন মহারাজ
- সিলেট মহানগরীর হিজড়া ও ভিক্ষুকদের চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও জেলা সমাজসেবা উপপরিচালককে স্মারকলিপি
- সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন ও আরসিসি ড্রেন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
- সিলেট জেলা পরিষদ প্রশাসকের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ ও বাণিজ্য মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান
- গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত
» পয়ঃবর্জ্য ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একসঙ্গে কাজ করবে সিসিক-এসএনভি
Published: ১৪. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
সিলেটে স্থাপন হবে প্রথম পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার (এফএসটিপি)
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর পয়ঃবর্জ্য ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, নিরাপদ ও টেকসই করতে যৌথভাবে কাজ করবে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা এসএনভি।
এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে সিলেটে প্রথমবারের মতো একটি পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার (Faecal Sludge Treatment Plant-FSTP) স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে নগর ভবনে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রকল্পটির অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
একই সঙ্গে সিসিক ও এসএনভির পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন কয়েকটি ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা ও সমঝোতা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
উপস্থিত ছিলেন, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার।
সভায় বাংলাদেশ মিউনিসিপ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (বিএমডিএফ)-এর আওতায় প্রস্তাবিত ফিক্যাল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট (এফএসএম) প্রকল্পের প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন করে পরবর্তী বাস্তবায়ন ধাপে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো সিলেটে প্রথম পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার (এফএসটিপি) স্থাপন এবং নগরজুড়ে একটি নিরাপদ, আধুনিক ও পেশাদার পয়ঃবর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থা চালু করা।
এর মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ঘটবে এবং নগরীর নদী, ছড়া ও জলাশয় দূষণমুক্ত রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প বাস্তবায়নের পূর্বে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে নগরীতে ক্ষুদ্র পরিসরে একটি পাইলট ফিক্যাল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট (এফএসএম) প্রকল্প বাস্তবায়নেরও সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনায় পয়ঃবর্জ্য ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে।
এ জন্য তিনি কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পুরো মূল্য-শৃঙ্খল (ভ্যালু চেইন) নিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নে এসএনভির কারিগরি সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি), সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) কাঠামো এবং প্রয়োজনীয় সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রণয়নে এসএনভির সহায়তা চান।
এ বিষয়ে এসএনভি প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা প্রদানে সম্মতি জানায়।
সভায় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন, এসএনভি এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটির (পিপিপিএ) যৌথ উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের জন্য পিপিপি বিষয়ক প্রশিক্ষণের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে সিসিক নিজস্ব সক্ষমতায় পিপিপি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে আরও দক্ষ হয়ে উঠবে।
সভায় উভয় পক্ষ সিলেটবাসীর জন্য নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং আর্থিকভাবে টেকসই নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন, এসএনভির সাসটেইনেবল আরবান ওয়াটার সাইকেল ট্রান্সফরমেশন প্রকল্পের ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর মোছাম্মদ রাহিমা বেগম, বিজনেস অ্যাডভাইজার তানভীর চৌধুরী এবং পাবলিক ফাইন্যান্স অ্যাডভাইজার মো. গোলাম শাওন।
» রথযাত্রা উপলক্ষে অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
Published: ১৪. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
সিলেট হাজার বছরের সম্প্রীতির জনপদ
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট হাজার বছরের সম্প্রীতির জনপদ।
এই অঞ্চলে ধর্মীয় সহনশীলতা, মানবিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, সেটিই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
এটাই সিলেটের গৌরব, এটাই আমাদের ঐতিহ্য। এই সম্প্রীতির ঐতিহ্য আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে ধরে রাখতে হবে।
রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নগর ভবনে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন দেবালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় ও অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে বদ্ধপরিকর। সকল ধর্মের মানুষের সমঅধিকার, নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
প্রতিটি ধর্মীয় উৎসব যেন শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও মর্যাদার সঙ্গে উদযাপিত হয়, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন সবসময় সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সফল আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়ে আসছে।
রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষেও নগরবাসীর সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী রথযাত্রা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করে বলেন, রথযাত্রার উদ্বোধন ও উল্টো রথের দিন বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, সড়ক সংস্কার, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বর্জ্য অপসারণ এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সিলেট সিটি কর্পোরেশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. আশিক নূর, সিলেট দেবালয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রশান্ত কুমার সিংহ, উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট দিলীপ কুমার দাশ এবং সাধারণ সম্পাদক নৃপেন্দ্র সিংহসহ বিভিন্ন দেবালয়ের প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানের শেষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে রথযাত্রা উদযাপনের জন্য প্রতিটি দেবালয়কে ৩০ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করেন সিসিক প্রশাসক।
» প্রাণ ফিরে পাচ্ছে সিলেটের খোজারখলা পুকুর
Published: ১৪. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
সিসিক প্রশাসকের ঘোষণা; অবিলম্বে ব্যবহার উপযোগী করা হবে পুকুরটি
নিউজ ডেস্কঃ
দীর্ঘদিনের অবহেলা, কচুরিপানা আর আবর্জনার স্তূপে হারিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ সুরমার খোজারখলা পুকুরের সৌন্দর্য।
একসময় এলাকার মানুষের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই পুকুর আজ পরিণত হয়েছে পরিবেশ দূষণের উৎসে।
পুকুরজুড়ে কচুরিপানা, ময়লা-আবর্জনা আর চারপাশের জরাজীর্ণ অবস্থা স্থানীয়দের জন্য যেমন ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তেমনি নিরাপত্তাহীনতাও তৈরি করেছে।
অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। পরিত্যক্ত এই পুকুরটি সংস্কার করে আবারও জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)।
মঙ্গলবার (১৪ জুন) সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী খোজারখলা সমাজকল্যাণ সংঘের পেছনে অবস্থিত পুকুরটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি পুকুরটির বর্তমান অবস্থা দেখে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, “একসময় এই পুকুর স্থানীয় মানুষের নানা প্রয়োজনে ব্যবহৃত হতো।
দীর্ঘদিনের অবহেলায় এটি এখন পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে একটি জলাধার নষ্ট হতে দেওয়া যায় না। পুকুরটি অবিলম্বে পরিষ্কার করে ব্যবহার উপযোগী করা হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহু বছর ধরে পুকুরটি সংস্কারের অভাবে কচুরিপানা ও আবর্জনায় ভরে গেছে। চারপাশে কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় শিশুদের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও সবসময় ছিল।
বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। ফলে পুকুরটি জনসাধারণের কোনো উপকারে না এসে উল্টো জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পুকুরটি পরিষ্কার করে সংরক্ষণ করা হলে শুধু পরিবেশের উন্নয়নই হবে না, বরং এটি স্থানীয়দের জন্য একটি নিরাপদ ও উপকারী জলাধারে পরিণত হবে।
সিসিক প্রশাসক বলেন, “নগরীর প্রতিটি জলাধার সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। খোজারখলা পুকুরও সেই উদ্যোগের অংশ।”
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণ, পুকুর খনন ও সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
একই সঙ্গে পুকুরের চারপাশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি পুকুর ও আশেপাশে ময়লা আবর্জনা না ফেলতে এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।
পুকুর পরিদর্শনকালে সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সিসিক প্রশাসক খোজারখলা ই ব্লক এলাকা এবং খোজারখলা আল ফালাহ মসজিদ পরিদর্শন করেন।
এ সময় এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ই ব্লকের সড়ক প্রশস্তকরণ ও সংস্কারে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
এ সময় মসজিদের ভারপ্রাপ্ত মোতওয়াল্লী ইফতেখার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল বাসিত, ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি ইকবাল কামাল, সাধারণ সম্পাদক মোশাহিদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়েজ উদ্দিন শিপু উপস্থিত ছিলেন।
আরও উপস্থিত ছিলেন, নাজিম উদ্দিন, নুনু মিয়া, প্রতীক আহমদ, রুহেল আহমদ, সুহেল আহমদ, সোহেল মিয়া প্রমুখ।
» প্রবীণ আলেমে দ্বীন ও শায়খুল হাদীস মাওলানা ফজলুল হক খান (বারহালী হুজুর) ইন্তেকাল
Published: ১৪. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের প্রবীণ আলেমে দ্বীন, শায়খুল হাদীস, মাখযানুল উলূম গাফফারিয়া মাদ্রাসা, খাড়াভরা-বিয়ানীবাজার এর দীর্ঘদিনের মুহতামিম ও বর্তমান সদর মুহতামিম মাওলানা ফজলুল হক খান (বারহালী হুজুর) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভোগার পর সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটে সিলেট শহরস্থ নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
মরহুম দীর্ঘকাল মাখযানুল উলূম গাফফারিয়া মাদ্রাসা, খাড়াভরা-এর মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বর্তমানে সদর মুহতামিম ছিলেন।
এছাড়াও তিনি সাবেক ঢাকাদক্ষিণ দারুল উলূম হুসাইনিয়া মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস, নগর মহিলা মাদ্রাসা, নালিউরী মহিলা মাদ্রাসা ও রায়গড় দত্তরাইল মহিলা মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস হিসেবে দীর্ঘদিন হাদিসের দরস প্রদান করেন।
তিনি খলিফায়ে মাদানী হযরত শায়খে গুনই (রহ.)-এর বিশিষ্ট খলিফা ছিলেন এবং ইলম, আমল ও তাসাউফের খেদমতের মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি ৫ ছেলে, ৩ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, ছাত্র, ভক্ত, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
মরহুমের জানাজার নামাজ আজ মঙ্গলবার বাদ যোহর হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
তাঁর ইন্তেকালে আলেম-উলামা, ছাত্রসমাজ ও সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আল্লাহ তাআলা মরহুমকে মাগফিরাত দান করুন, জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সবরে জামিল দান করুন। আমীন।
» রাজা গিরিশচন্দ্র স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন
Published: ১৪. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
খেলাধুলা তরুণ প্রজন্মকে সুস্বাস্থ্য ও নেতৃত্বগুণ অর্জনে সহায়তা করে : কয়েস লোদী
নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের শুধু পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ না থেকে খেলাধুলা ও সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)’র চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন, “খেলাধুলা তরুণ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বগুণ অর্জনে বিশেষ সহায়তা করে। রাজা গিরিশচন্দ্র মাধ্যমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের শিক্ষা ও ক্রীড়াঙ্গনে অনন্য অবদান রেখে আসছে।”
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে স্কুল মিলনায়তনে আয়োজিত প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক সুলেমান চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মুমিত।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক হাছিনা মমতাজ, ক্রীড়া শিক্ষক মু. মানিক খান, শিক্ষক বন্যা চক্রবর্তী, লুৎফুর নেছা, গাউছিয়া চৌধুরী, আব্দুল খালিক, মুকসুদল আম্বিয়া, আব্দুল বারী ও অনন্য দেবসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ও উপস্থিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
» নতুন ডিসির হাতে রথযাত্রার নিমন্ত্রণ তুলে দিলেন মহারাজ
Published: ১৪. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
আসন্ন শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব উপলক্ষে সিলেটের নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইসকন সিলেটের প্রতিনিধিরা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ও ইসকন সিলেটের অধ্যক্ষ পুজ্যপাদ শ্রীশ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের হাতে রথযাত্রা মহোৎসবের আনুষ্ঠানিক নিমন্ত্রণপত্র তুলে দেন।
একই সঙ্গে তিনি রথযাত্রার বিভিন্ন আয়োজনে উপস্থিত থেকে শুভেচ্ছা ও সহযোগিতা কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে রথযাত্রা মহোৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি, শোভাযাত্রার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, জননিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, যানবাহন চলাচল এবং প্রশাসনিক সমন্বয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়।
জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন রথযাত্রা মহোৎসব শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
এ সময় ইসকন সিলেটের যোগাযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক সিদ্ধ মাধব দাস ও উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেট মহানগরীর হিজড়া ও ভিক্ষুকদের চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও জেলা সমাজসেবা উপপরিচালককে স্মারকলিপি
Published: ১৪. জুলা. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
বৃহত্তর সিলেটের অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা (সিবিযুকস) ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা (সিপ্রকস)-এর যৌথ আয়োজনে সিলেট মহানগরীর হিজড়া ও ভিক্ষুকদের চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবীতে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী (মাধ্যমঃ জেলা প্রশাসক, সিলেট) ও দুপুর ১২টায় সমাজসেবা অধিদপ্তর সিলেট জেলা অফিসের উপ-পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্সের সামনে সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তারা আগামী ১ মাসের মধ্যে হিজড়া ও ভিক্ষুকদের চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে আগস্ট মাসে সমাজসেবা অধিদপ্তর সিলেট জেলা অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচী পালন করার হুশিয়ারী প্রদান করেন।
জাতীয় যুব দিবস ২০১০ এ জাতীয় যুব পুরস্কার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক পদকপ্রাপ্ত, সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানেকালে উপস্থিত ছিলেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়াজী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কবি কামাল আহমদ, মো. আলী হোসেন, মো. জালাল উদ্দিন, জামাল আহমদ, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. সাহেদ আহমদ শান্ত, সহ-দপ্তর সম্পাদক ফরিদ আলী, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সুহেল আলী খান, সহ-যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. মহসিন উদ্দিন সুমন, যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক শংকর বিশ্বাস, সহ-যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক মো. পিকুল হোসেন সহ-সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক ফয়সল আহমদ, সিলেট মহানগর কমিটির সভাপতি জাকারিয়া মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সাকের, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দদের মধ্য থেকে মো. সিকন্দর, মো. ইমন আহমদ ও হাফিজ আব্দুল্লাহ আল মামুন।
স্মারকলিপির বিষয়বস্তুঃ
আধ্যাত্মিক ও পর্যটন নগরী সিলেটে প্রতিদিন বাংলাদেশ তথা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য লোকজন যাতায়াত করেন।
শিকড়ের টানে সিলেটের অসংখ্য নাগরিক প্রবাস থেকে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। সিলেট মহানগরীর স্থানীয় বাসিন্দা সহ লক্ষ লক্ষ সাধারণ জনগণ বিভিন্ন কাজে নগরীতে প্রতিনিয়ত চলাচল করেন।
চলাচল করতে গিয়ে সিলেট মহানগরীতে হিজড়া ও ভিক্ষুকদের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে জানাচ্ছি যে, বিগত বেশ কিছুদিন ধরে সিলেট মহানগরীতে হিজড়া ও একশ্রেণীর পেশাদার ভিক্ষুকদের চাঁদাবাজি এবং হয়রানিমূলক আচরণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
মহানগরীর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আপনার সদয় অবগতির জন্য নিচে মূল সমস্যাগুলো তুলে ধরা হলো;
জনসাধারণকে হেনস্থা: রাস্তাঘাট, বাসস্ট্যান্ড, রেলষ্টেশন, বিমানবন্দর ও ট্রাফিক সিগন্যালে সাধারণ পথচারী এবং যানবাহনের যাত্রীদের পথ আটকে জোরপূর্বক টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বা কম দিতে চাইলে চরম অশোভন আচরণ ও লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটছে।
ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ: স্থানীয় দোকানপাট ও শপিংমলগুলোতে দলবদ্ধভাবে গিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
বাসাবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ: নবজাতক শিশু বা যেকোনো পারিবারিক অনুষ্ঠানের খবর পেলেই বাসাবাড়িতে গিয়ে অস্বাভাবিক অঙ্কের টাকা দাবি করা হচ্ছে। টাকা না দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়।
নকল হিজড়া ও সুস্থ ভিক্ষুকদের দৌরাত্ম্য: প্রকৃত হিজড়া ও বিকলাঙ্গ ভিক্ষকদের পাশাপাশি একশ্রেণীর অপরাধী চক্র কৃত্রিম উপায়ে নকল হিজড়া সেজে ও সম্পূর্ণ সুস্থ ভিক্ষুকরা বেপরোয়াভাবে এই চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কাজ পরিচালনা করছে।
হিজড়া ও প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক জনগোষ্ঠী আমাদের সমাজেরই অংশ। আমরা তাদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী নই। কিন্তু সাহায্যের নামে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আদায় করা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটছে এবং জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
আমাদের বিনীত দাবি নিম্নরূপ:
অতিসত্বর রাস্তাঘাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হিজড়া ও ভিক্ষুকদের এই প্রকাশ্য চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ ও নিয়মিত পুলিশি টহলের ব্যবস্থা করা হউক।
হিজড়া সাজার আড়ালে থাকা নকল হিজড়া ও সুস্থ ভিক্ষুক বা প্রতারক চক্রকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হউক।
প্রকৃত হিজড়া ও অসহায় ভিক্ষুকদের চিহ্নিত করে সরকারি সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হউক, যাতে তারা মূল স্রোতধারায় ফিরে সম্মানের সাথে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।
» সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন ও আরসিসি ড্রেন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
Published: ১৩. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন প্রকল্প চলছে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ছাড়া একটি বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। নগরবাসীকে জলাবদ্ধতা, পরিবেশদূষণ ও বর্জ্যজনিত দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এবং আখালিয়া নতুনবাজার থেকে ডলিয়া পয়েন্ট পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে আরসিসি ড্রেন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, এসটিএস নির্মাণের মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ ব্যবস্থা আরও আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে নতুন ড্রেন নির্মাণের ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন কাজের মূল লক্ষ্য হলো নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়ন। তাই প্রতিটি প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এরপর তিনি সিটি কর্পোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সিসিকের আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শন করেন। একই দিন তিনি ৩ ও ৯ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের মক্তবগলির বিভিন্ন রাস্তা ও ছড়া পরিদর্শন করে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং চলমান উন্নয়নকাজ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য, সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আফসর খান, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি সবুর আহমেদ, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক চান মিয়া বাচ্চু, যুগ্ম আহ্বায়ক রাজু আহমদ, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি সালেহ আহমদ, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, রাজুসহ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেট জেলা পরিষদ প্রশাসকের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ ও বাণিজ্য মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান
Published: ১৩. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রায় ৩০ লাখ প্রবাসীর কল্যাণে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমের বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর ১২টায় জেলা পরিষদের এই স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপি প্রদানকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বাণিজ্য মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই দাবিগুলো জোরালোভাবে উপস্থাপনের জন্য প্রশাসকের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।
স্মারকলিপিতে উল্লিখিত প্রবাসীদের ৪টি দাবি হলো, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পূর্বাঞ্চলের প্রবাসী যাত্রীরা যাতে সহজে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সেজন্য কাকুয়াপাড়-সাহেব বাজার হয়ে খাদিমনগর-জাফলং সড়ক এবং সাহেব বাজার থেকে হরিপুর-জাফলং সড়ক পর্যন্ত বিদ্যমান দুটি ছোট সড়ককে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ২৪ ফুটে সম্প্রসারণের দাবি জানানো হয়েছে। সড়ক দুটি প্রশস্ত হলে বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, জকিগঞ্জ, বড়লেখা, জুড়ী, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও জাফলং এলাকার প্রবাসীরা আম্বরখানার যানজট এড়িয়ে সহজে বাড়ি ফিরতে পারবেন। পাশাপাশি বিমানবন্দর-বাদাঘাট বাইপাস সড়ক দ্রুত চালু হলে সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার প্রবাসীদেরও দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তি কমবে।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীদের স্বার্থে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকেও ‘ওপেন স্কাই’ ঘোষণা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্স ও কাতার এয়ারওয়েজের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক যোগাযোগের মাধ্যমে সিলেটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। এর ফলে ঢাকা বিমানবন্দরকেন্দ্রিক প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং ইউরোপ, আমেরিকা ও কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা সরাসরি সিলেটে যাতায়াত করতে পারবেন।
সিলেট বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের কাজ ২০২৩ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে মাত্র ২৪ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রবাসীদের দাবি, ঢাকা ও কক্সবাজার বিমানবন্দরের মতো এখানেও দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা কাজ চালিয়ে সরকারের বেঁধে দেওয়া সময় ২০২৭ সালের মধ্যেই যেন নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়।
এয়ারপোর্ট মসজিদকে আধুনিকায়ন করে দোতলা ভবনে রূপান্তর করার দাবি জানানো হয়েছে, যাতে ওমরাহ ও হজ্জযাত্রীরা এই মসজিদ থেকেই শেষবারের মতো ইহরাম পরে পবিত্র মক্কা-মদিনার উদ্দেশ্যে রওনা হতে পারেন। এতে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের জন্য একটি সুন্দর ও পরিপূর্ণ ইবাদতের পরিবেশ নিশ্চিত হবে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীরা প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাই প্রবাসীবান্ধব এই গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে সিলেট বিভাগের সোয়া কোটি মানুষ ও প্রায় ৩০ লাখ প্রবাসী আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবেন। স্মারকলিপিতে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করা হয়েছে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এম শফিকুর রহমান, সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর, সহ-সভাপতি মুসলেহ উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন তালুকদার, প্রচার সম্পাদক মো: ইউসুফ সেলু, দপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমদ, গণদাবী নেতা শ্যামল চৌধুরী, মো. শফিকুর রহমান প্রমুখ।
» গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত
Published: ১৩. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি এমপি এমরান চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার সহ ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উপজেলা পর্যায়ে রোগীদের জন্য চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একইসঙ্গে জেলা সদর হাসপাতালের ওপর রোগীর চাপও কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব কাজী শরিফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়- দেশের বিভিন্ন জেলার মোট ৪১৮টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে সিলেট জেলার ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার সিলেটের বাকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো হচ্ছে, সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, জকিগঞ্জ, বিশ্বনাথ, ওসমানীনগর, ফেঞ্চুগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ।
এদিকে বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
তিনি এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সরকারের এই মহতি উদ্যোগের ফলে আমার নির্বাচনি দুই উপজেলার স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এটি বাস্তবায়ন হলে দুই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের কষ্ট করে জেলা শহরে ছুটে না গিয়ে কাছেই স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।
এমপি আরও বলেন, শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা উপকরণ নিশ্চিত করা গেলে এই উদ্যোগের সুফল সবচেয়ে বেশি পাবেন গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। একই সঙ্গে জেলা ও বিভাগীয় হাসপাতালগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপও কমে আসবে।
» মোগলাবাজারে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে র্যালি ও সমাবেশ যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখার আহ্বান
Published: ১৩. জুলা. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে সিলেটে এক বিশাল মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মোগলাবাজার থানা এলাকায় স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এসএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি-দক্ষিণ) অলক বিশ্বাস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মোগলাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি-দক্ষিণ) অলক বিশ্বাস বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রয়েছে।
যুবসমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণকে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি ঘরে ঘরে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে তরুণ প্রজন্ম মাদকের ভয়াবহতা থেকে মুক্ত থাকে।”
সমাবেশে বক্তারা মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন হয়ে তা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মোগলাবাজার থানা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত, সদস্য সচিব জামাল আহমদ, সাবেক কুচাই ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদউদ্দিন রুকন, সহ-সভাপতি সুমন সিকদার, ২৭নং ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি জুম্মান আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মিনার আহমদ, বিএনপি নেতা বাচ্চু আহমদ, শাহাজান আহমদ, ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা হাছিব আহমদ এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা শিপু আহমদ।
এছাড়াও স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ইসরাব আলী হাই স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ২৭, ৪০, ৪১ ও ৪২নং ওয়ার্ডের বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনগণ এই বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।
» সাগরদিঘিরপাড় ওয়াকওয়ে, সড়ক ও বিদ্যুৎবাতি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ১২. জুলা. ২০২৬ | রবিবার
বৃষ্টি উপেক্ষা করেও জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ চলছে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে বৃষ্টি উপেক্ষা করেও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ অব্যাহত রয়েছে।
জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন পরিষ্কার, নতুন ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কারের পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমও একযোগে পরিচালিত হচ্ছে।
রোববার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সম্প্রসারিত এলাকা সহ মহানগরীর সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সাগরদিঘীরপাড়ে নবনির্মিত ওয়াকওয়ে, এসফল্ট সড়ক এবং সড়কবাতির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটি আধুনিক, নিরাপদ ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগরী গড়ে তোলা। টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নগরবাসী যাতে সামান্য বৃষ্টিতেও জলাবদ্ধতার কারণে দুর্ভোগে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই ড্রেন পরিষ্কার, ড্রেন সংস্কার এবং সড়ক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই হবে না, এগুলোর সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণেও নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
ড্রেন ও খালে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে সবাই সচেতন হলে জলাবদ্ধতা নিরসনে আমাদের প্রচেষ্টা আরও কার্যকর হবে।
পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা, ড্রেনেজ অবকাঠামো, আলোকসজ্জা এবং জনবান্ধব নগর পরিবেশ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
সাগরদিঘীরপাড়ে নবনির্মিত ওয়াকওয়ে, এসফল্ট সড়ক ও সড়কবাতি স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল সহজ করার পাশাপাশি এলাকার সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করবে।
অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সালেহ আহমদ, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাজীব কুমার দে, সৈয়দ আলী রেজা সাচ্চু, মাজহারুল ইসলাম মেনন, খন্দকার মাহবুব রব, সানাউল হক সানা, পারভেজ আহমদ, শামীম রেজা, মাহফুজ, সুমন সিংহসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে সিসিক প্রশাসক নবনির্মিত ওয়াকওয়ে, এসফল্ট সড়ক ও সড়কবাতির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

