শিরোনামঃ-

» সিলেটের সম্প্রীতির ঐতিহ্য ভবিষ্যতেও ধরে রাখতে হবে : সিসিক প্রশাসক

Published: ১৯. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

কুমারী পূজা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট সম্প্রীতির নগরী। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে এ অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন।

অতীতেও আমরা এই সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখেছি, এখনও তা অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্প্রীতির এই বন্ধন অটুট রাখতে হবে।

সোমবার সকালে (১৯ অক্টোবর) দুর্গাপূজার অষ্টমীর দিনে দক্ষিণ সুরমার জৈনপুরে অবস্থিত ৫১ পীঠের অন্যতম সতীপীঠ ‘শ্রীশ্রী মহালকক্ষ্মী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠস্থান’ সংলগ্ন দুর্গামন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সকালে মন্দিরে মহাসমারোহে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিটি করপোরেশন সবার প্রতিষ্ঠান। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নগরবাসীর করের অর্থে এই প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়। তাই সব ধর্মের মানুষের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পালনে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হয়।

এবারও দুর্গাপূজা উপলক্ষে নগরের ৮৫টি সর্বজনীন পূজামণ্ডপে সিসিকের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কুমারী পূজাও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আয়োজন।

জৈনপুরে আয়োজিত আজকের কুমারী পূজাতেও সিলেট সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বিশেষ সহযোগিতা করা হয়েছে। এই আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া এবং পুণ্যার্থীদের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজ নিতে এখানে এসেছি।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আমরা চাই সিলেট নগরের মানুষ শান্তিতে ও নিরাপদে বসবাস করবেন।

আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বলেছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এই বিষয়গুলো আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি।

ধর্মীয় উৎসবগুলো যাতে নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়, সে জন্য সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, যুগ যুগ ধরে সিলেটের মানুষের মধ্যে যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্প্রীতি গড়ে উঠেছে, তা আমাদের বড় সম্পদ।

ধর্মীয় পরিচয় বা ভিন্নতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার এই ঐতিহ্য ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পীঠস্থান পরিচালনা কমিটির আয়োজনে এদিন ৭ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে কুমারী মাতারূপে পূজা করা হয়।

মহাপীঠের সভাপতি শিবব্রত ভৌমিক চন্দনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জনার্দন চক্রবর্তী মিন্টুর পরিচালনায় কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস ও তাঁর সহধর্মিনী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্যের সহধর্মিনী দিলারা মালিক এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা ফ্রন্ট, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, জৈনপুর, শিবগঞ্জসহ এলাকার সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহাপীঠের সহসভাপতি নারায়ণ চক্রবর্তী, বিজয় কুমার দেব বুলু, অ্যাডভোকেট চন্দন দাশ, অ্যাডভোকেট বিপ্লব কান্তি দে মাধব, মিন্টু দাশ, যুগ্ম সম্পাদক প্রমথ দাশ, নিপেশ কান্ত দেব পিযুষ, সহসাধারণ সম্পাদক দীপংকর চন্দ্র পাল, জয়দ্বীপ চক্রবর্তী, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জিত কুমার কর, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস রিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত দেব লাভলু, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মনোজ তালুকদার, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক দীপু কুমার গোপ, প্রচার সম্পাদক পরিতোষ দেব পুলক, আপ্যায়ন সম্পাদক কার্তিক ঘোষ, সহআপ্যায়ন সম্পাদক কাঞ্চন পাল, দপ্তর সম্পাদক নয়ন দাস, শিক্ষা ও সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সুমন দেব, সদস্য সুমন্ত ভট্টাচার্য, সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ বর্ধণ, অ্যাডভোকেট সুদীপ বৈদ্য, অমিত চৌধুরী, জনি চক্রবর্তী, প্রকৌশলী আংশুমান ভট্টাচার্য, দ্বীপক কুমার দাশ, ডা. নিখিল মালাকার, প্রভাষক নিরুপম চক্রবর্তী শুভ্র ও রিমন ধর প্রমুখ।

» মুক্তিযোদ্ধা দল নেতা রফিকুল বারী রোমানের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক প্রকাশ

Published: ১৯. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা মুক্তিযুদ্ধা দলের সহ-সভাপতি রফিকুল বারী রোমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসা’র চেয়ারম্যান মিফতাহ্ সিদ্দিকী।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, রফিকুল বারী রোমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন।

গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শহীদ জিয়ার আদর্শকে বুকে লালন করে একটি সত্যিকারার্থে সুখি, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যুতে যে শূণ্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা অপূরনীয়।

তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

» দুর্গাপূজার অষ্টমীর দিনে সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত

Published: ১৯. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটে শারদীয় দুর্গাপূজোর মহা অষ্টমীর দিনে সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় দেবীর শুদ্ধ বালিকা মাতৃরুপি প্রতিমূর্ত্তি ‘কুমারী পূজা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৩০নং ওয়ার্ডের দক্ষিণসুরমার জৈনপুরে অবস্থিত ৫১ পীঠের অন্যতম সতীপীঠ ‘শ্রীশ্রী মহালক্ষী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠস্থান” সংলগ্ন দুর্গা মন্দিরে মহাসমারোহে এ পূজো অনুষ্ঠিত হয়।

পীঠস্থান পরিচালনা কমিটির আয়োজনে এ দিনে কুমারী মাতা রুপে পূজিত হন ৭ বছর বয়সী কুমারী মাতা সানন্দা চক্রবর্তী।

কুমারী পূজা উপলক্ষ্যে সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল থেকেই অনুষ্ঠানস্থল ছিল লোকে লোকারণ্য।

প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে কুমারী মাতার দর্শন লাভের আশায় হাজারো পূণ্যার্থী এ সময় শিববাড়ি, জৈনপুর, চান্দাই সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান নেন।

পূজো শুরুর আগে নানা আবরণ ও অলংকারে দেবীরুপী কুমারীকে নানা বস্ত্র ও প্রসাধনীতে সাজানো হয়।

কপালে অংকিত হয় রক্তবর্ণা ‘ত্রিনয়ন’, মাথায় শ্বেতশুভ্র ফুলের মালা। গলায় রক্তজবার মালা পরিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমারীরুপী অন্নপূর্ণাকে দেবী আসনে বসানো হয়।

মহাপীঠের সভাপতি শিবব্রত ভৌমিক চন্দনে সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জনার্দন চক্রবর্তী মিন্টুর পরিচালনায় কুমারী পূজা চলাকালে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন, সহ-সভাপতি নারায়ন চক্রবর্তী, বিজয় কুমার দেব বুলু, এডভোকেট চন্দন দাশ, এডভোকেট বিপ্লব কান্তি দে মাধব, মিন্টু দাশ, যুগ্ম সম্পাদক প্রমথ দাশ, নিপেশ কান্ত দেব পিযুষ, সহ-সাধারণ সম্পাদক দীপংকর চন্দ্র পাল, জয়দ্বীপ চক্রবর্তী, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জিত কুমার কর, আইন সম্পাদক এডভোকেট হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস রিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত দেব লাভলু, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মনোজ তালুকদার, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক দীপু কুমার গোপ, প্রচার সম্পাদক পরিতোষ দেব পুলক, আপ্যায়ন সম্পাদক কার্তিক ঘোষ, সহ-আপ্যায়ন সম্পাদক কাঞ্চন পাল, দপ্তর সম্পাদক নয়ন দাস, শিক্ষা ও সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সুমন দেব, সদস্য সুমন্ত ভট্টাচার্য্য, সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ বর্ধণ, এডভোকেট সুদীপ বৈদ্য, অমিত চৌধুরী, জনি চক্রবর্ত্তী, প্রকৌশলী আংশুমান ভট্টাচার্য্য, দ্বীপক কুমার দাশ, ডা. নিখিল মালাকার, প্রভাষক নিরুপম চক্রবর্ত্তী শুভ্র, রিমন ধর প্রমুখ।

কুমারী পূজা চলাকালে পূজা মন্ডব পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস ও তাঁর সহধর্মীনি, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্যের সহধর্মীনি দিলারা মালিক এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা ফ্রন্ট, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, জৈনপুর, শিবগঞ্জ সহ এলাকার সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এদিকে, আয়োজক কমিটির সভাপতি শিবব্রত ভৌমিক চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক জনার্দন চক্রবর্তী মিন্টু শান্তিপূর্ণভাবে এই পূজানুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়া সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এসময় উলুধ্বণী ও শংখধ্বনীর মাধ্যমে পুরোহিত হরিনারায়ন চক্রবর্তী বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পূজোর মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন।

উপস্থিত পূণ্যার্থীবৃন্দের দেয়া দেবীদুর্গার জয়ধ্বনী, পূজোস্থলে তখন এক অন্যরকম মোহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে।

টানা ১ঘন্টা ৩০ মিনিট ধরে চলা পূজানুষ্ঠানে দেবীরুপী অন্নপূর্ণাকে মাতৃরুপে আরাধনা করে পরম তৃপ্তি নিয়ে ঘরে ফিরেন ভক্তরা।

» ১১নং ওয়ার্ডে মির্জা সম্রাটের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশা নিধন অভিযান

Published: ১৯. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ১১নং ওয়ার্ডের ভাতালিয়া জামে মসজিদ এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশা নিধনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মো. সম্রাট হোসেনের তদারকিতে এই মশা নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন ও পরিচালনা করা হয়।

কার্যক্রম চলাকালে যুবদল সভাপতি মির্জা মো. সম্রাট হোসেন বলেন, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মশা নিধনে এবং জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

ডেঙ্গু সহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা পেতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

অভিযানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও নেতৃবৃন্দের মধ্যে সোহেল আহমদ, বদু মিয়া, মোস্তাক আহমদ বাপ্পি, শিপলু আহমদ, হিসাম আহমদ সোহাগ, সমছু আহমদ, হাফিজ শামসুল ইসলাম, জনি আহমদ, ১১নং ওয়ার্ড সচিব ময়নুল হোসেন এবং সুপারভাইজার শাহাদত হোসেন নয়ন প্রমুখ।

অভিযানকালে মসজিদের চারপাশ ও আশপাশের এলাকায় মশানাশক ওষুধ স্প্রে করা হয়।

» সুরমা বয়েজ ক্লাবের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

Published: ১৯. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

সম্মিলিত উদ্যোগ ও সচেতনতার মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর নগরী গড়ে তোলা সম্ভব : কয়েস লোদী

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।

জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার ঘটে। তাই ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে নগরবাসীকে এ বিষয়ে সর্বাত্মক সচেতন থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে কাজ করে যাচ্ছে।

কেবল সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়; পরিচ্ছন্ন নগরী ও সুস্থ সমাজ গড়তে সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এগিয়ে এলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

এ জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব ও বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে।

সম্মিলিত উদ্যোগ ও সচেতনতার মাধ্যমে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর সিলেট নগরী গড়ে তোলা সম্ভব।

সুরমা বয়েজ ক্লাব সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে তাদের কার্যক্রম প্রশংসনীয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় নগরীর কলবাখানি এলাকায় সুরমা বয়েজ ক্লাবের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক অভিযানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

সুরমা বয়েজ ক্লাবের সিনিয়র সদস্য আব্দুল আহাদ এলিছ এর সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি গোপাল বাহাদুরের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন, জামেয়া সিদ্দীকিয়া মাদরাসার শিক্ষক হাফিজ মাওলানা নুরুল আমিন, হাফিজ মাওলানা আব্দুল কাদির, ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ, সিনিয়র সদস্য মাসুক আহমদ, মির্জা সুহেল জাহিদুল ইসলাম পিয়াস, আব্দুল সত্তার প্রমুখ।

এসময় ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবীরা কলবাখানি এলাকার বিভিন্ন সড়ক, ড্রেন ও আশপাশের জমাটবদ্ধ ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক নির্দেশনা প্রদান করেন।

» কান্দিগাঁওয়ে কৃষি জমি রক্ষায় কৃষকদের দাবির প্রতি কৃষক সমিতির সংহতি

Published: ১৯. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সদর উপজেলার ৮নং কান্দিগাঁও ইউনিয়নের দর্শা এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে খাল খননের উদ্যোগ বন্ধ করে উর্বর কৃষি জমি রক্ষার দাবিতে ভুক্তভোগী কৃষকদের আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি সিলেট জেলা কমিটি।

সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ ফরহাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হান্নান এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, দর্শা এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে খাল খননের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে শত শত একর উর্বর কৃষি জমি ধ্বংস হয়ে চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে।

এর ফলে এলাকার শত শত কৃষক পরিবার চরম অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ে পথে বসবে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সুরমা নদীর সমতল পাড় ঘেঁষে প্রায় একশত বছর আগে এসব জমি ভরাট হয়ে উর্বর কৃষি জমিতে পরিণত হয়েছে, যেখানে স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে ফসল ফলিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।

এসব কৃষি জমি রক্ষার জন্য ভুক্তভোগী কৃষকদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষক সমিতি সিলেট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে কৃষকদের এই ন্যায়সংগত দাবির প্রতি জোরালো সংহতি জানিয়ে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু ও সঠিক সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানানো হয়।

» গ্যাস, বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করলো সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদল

Published: ১৯. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা সহ বিভিন্ন সংকট মোকাবেলায় সরকারের তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদল।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্ট ও এর আশপাশের ব্যস্ততম এলাকায় সাধারণ পথচারী, ব্যবসায়ী ও যানবাহনের চালকদের মাঝে এই লিফলেট বিতরণ করা হয়।

লিফলেট বিতরণকালে যুবদল নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বিদ্যমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে এবং সর্বস্তরের মানুষের ভোগান্তি লাঘবে সরকার আন্তরিকতার সাথে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নে নেওয়া নানা উদ্যোগের সুফল শিগগিরই জনগণ পাবেন।

সরকারের এসব বাস্তবমুখী উদ্যোগ সফল করতে সচেতনতার পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতাও কামনা করেন তাঁরা।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ, সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মোহাম্মদ সম্রাট হোসেন, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন দিনার, সিলেট জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কয়েস আহমদ, মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মকসুদুল করিম নুহেল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসরুর রাসেল, মহানগর যুবদলের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসিন মেহেদি প্রিন্স, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল বাশার হাবিব এবং মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমদসহ জেলা ও মহানগর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

» যুক্তরাজ্য যুবদলের ইস্ট লন্ডন শাখার ৮১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

Published: ১৯. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল যুক্তরাজ্য শাখার অধীনস্থ ইস্ট লন্ডন শাখার ৮১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ) যুক্তরাজ্য যুবদলের সভাপতি আফজাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক বাবর চৌধুরীর স্বাক্ষরে মো. ইশতেখার হোসেন রাসেলকে সভাপতি এবং মো. এনামুল হককে সাধারণ সম্পাদক করে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন রাজু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ, সহ-সভাপতি নূর আহমদ, আবু জাফর মো. সাহাগ মণি, মো. কাওসার হোসেন, মঈনুল ইসলাম, ইফতেখারুল ইসলাম ইফতি, আব্দুল করিম, নেছার উদ্দিন আহমদ, আব্দুল কুদ্দুস ইমন, মেহেদী হাসান আজিজ (নাসির), আহমদ জাকী, মুস্তাফিজুর রহমান টিপু, মো. গিয়াস কামাল খান, আমির হোসেন, মো. জাফিরুল হক, নূর আলম, বশির তালুকদার, সাহেল সামাদ, মাহমুদ আসাদ তুষার, সৈয়দ মেহেদী হাসান, এম ডি হাদি দীপু, মো. শাকিল চৌধুরী, মো. বেলাল উদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলম পারভেজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, খালেদ মিয়া, ডা. খন্দকার ইমরানুল আলম ইমরান, মো. খালেদুজ্জামান চৌধুরী, সুহেল আহমদ, শামসুল ইসলাম, মো. আখতার আহমদ, রাশেদ চৌধুরী, ওমর সানি, তারেক আবেদীন, নাঈম আহমদ, মো. কয়ছর আহমদ শাহেদ, হেলাল মিয়া ও আল হাসিবকে, সহ-সাধারণ সম্পাদক আসাদ আহমদ, নজরুল ইসলাম, জাবেদুর রহমান, আহমদ আল মিজান, সাহেল আহমদ, হুসিয়ার আলী খান দিপু ও মো. রুহুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান রাজু। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে সাইদুর রহমান মিজান, আনোয়ার হোসেন, এমদাদুল হক ও এস এম আকিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক রকিবুল হোসেন মাসুম, সহ-প্রচার সম্পাদক অলি উল্লাহ আকন, দপ্তর সম্পাদক ইমতিয়াজ হোসেন ও সহ-দপ্তর সম্পাদক বাদশা মিয়া, অর্থ সম্পাদক মো. ফারহান আহমদ, সহ-অর্থ সম্পাদক নোমান হোসেন, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান ইমন, সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. কাওসার আহমদ, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক কাইয়ুম হুসাইন জামিল, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মো. সাহেদ আহমদ, শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম শিপু, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রাসেল আহমদ, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মো. এস এম জাকারিয়া, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক রুমান আহমদ, যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক টিপু মিয়া, যুববিষয়ক সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক পদে শিপন আলী, সদস্য অ্যাডভোকেট অলিউর রহমান, অ্যাডভোকেট সৈয়দ জাবেদ আলী নাঈম, আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ, আবু চৌধুরী, সাইদুল ইসলাম দীপু, সুহেল আহমদ, ফয়েজ আহমদ, ফারহানুর আহমদ রাজু, ইমরান আহমদ ও সাজেদ আহমদ। যুক্তরাজ্য যুবদলের দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মো. মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

» একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত সংগঠন গড়ে তুলতে  তৃণমূলের নেতাকর্মীদের  বিকল্প নেই :  অধ্যাপক লে. মো. মনিরুল ইসলাম

Published: ১৯. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

সিলেটে মুক্তিযোদ্ধা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে মতবিনিময় সভা

নিউজ ডেস্কঃ
দলকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সাথে মতবিনিময় সভা করেন।

সভায় তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ঐক্য বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি অধ্যাপক লে. মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত সংগঠন গড়ে তুলতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, পারস্পরিক সহযোগিতা, শৃঙ্খলা ও ঐক্যের বিকল্প নেই।

মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ও জাতীয়তাবাদী আদর্শ ধারণ করে সংগঠনের প্রতিটি পর্যায়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে হবে।

পাশাপাশি নতুন নেতৃত্ব তৈরি এবং অভিজ্ঞ সিনিয়র নেতাদের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
সংগঠনের প্রতিটি স্তরে সমন্বয় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের নেতৃবৃন্দ জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

পারস্পরিক মতবিনিময় ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের উন্নয়ন, সাংগঠনিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সভায় অধ্যাপক লে. মো. মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক শিহাব উদ্দিন আহমেদ শিহাবের পরিচালনায়

সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সিনিয়র সহসভাপতি আক্তার হোসেন ভূঁইয়া মিন্টু, সহসভাপতি সফিকুর রহমান টুটুল, এম আমির উদ্দিন পাভেল, রোটারিয়ান এম এ রহীম ও এমএ হক; যুগ্ম সম্পাদক রায়হাদ বকস, শেখ খালিদুর রহমান সাইদ ও মনজুর হোসেন মজনু; সহসাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন জাকারিয়া এবং সাংগঠনিক সম্পাদক এম মোহাম্মদ আলী।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন, জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি হারুন অর রশিদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সেনাজ এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক মো. আজির উদ্দিন মেম্বারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

» রোটারি নিঃস্বার্থভাবে অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে : পিডিজি কর্নেল এম. আতাউর রহমান পীর

Published: ১৯. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

রোটারি ক্লাব অব সিলেট গার্ডেন ভিউ’র উদ্যোগে ঘর হস্তান্তর

নিউজ ডেস্কঃ
রোটারি ইন্টারন্যাশনাল রিপশা টিম ২০২৬-২৭-এর ডেপুটি কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর পিডিজি কর্নেল এম. আতাউর রহমান পীর বলেন, রোটারি নিঃস্বার্থভাবে অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

রোটারি ক্লাব অব সিলেট গার্ডেন ভিউয়ের উদ্যোগে ঘর হস্তান্তর একটি প্রশংসনীয় মানবিক উদ্যোগ।

ক্লাবের সদস্যদের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত এ ধরনের কার্যক্রম অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এ উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও মানুষের কল্যাণে রোটারির এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিশ্বনাথ উপজেলার পূর্ব রহিমপুরে রোটারি ক্লাব অব সিলেট গার্ডেন ভিউ’র উদ্যোগে গৃহহীন সাদেক আলী’কে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ক্লাব প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে ও চার্টার প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ছাদ উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট প্রিমিয়ারের রোটারিয়ান মারুফ আহমদ, বিশিষ্ট মুরুব্বি, এটিএম নূর উদ্দিন।

অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পিপি রোটারিয়ান নুরুল ইসলাম সুমন, আইপিপি রোটারিয়ান রাসেল মিয়া, ক্লাব সেক্রেটারী রোটারিয়ান সুরঞ্জিত দাস, ক্লাব মেম্বার রোটারিয়ান বদরুল আহমদ, রোটারিয়ান দেলোয়ার হোসেন, রোটারিয়ান আনোয়ার হোসেন রাজু, রোটারিয়ান অরুন কুমার বিশ্বাস, রোটারিয়ান ফেরদৌস আরা শিল্পী, রোটারিয়ান রফিকুল আলম, ইঞ্জিনিয়ার জাহিদ খান প্রমুখ।

এসময় গৃহহীন সাদেক আলীর হাতে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন প্রধান অতিথিসহ ক্লাবের নেতৃবৃন্দ ও মেম্বাররা।

» দলদলি চা-বাগান মণ্ডপে পূজা পরিষদের বস্ত্র বিতরণ

Published: ১৯. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

উৎসবের পুণ্যলগ্নে অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের পরম নৈতিক দায়িত্ব : মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা

নিউজ ডেস্কঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার উদ্যোগে দলদলি চা-বাগান সার্বজনীন পূজা মণ্ডপে সুবিধাবঞ্চিত চা-শ্রমিক ও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তবৃন্দের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দলদলি চা-বাগান মণ্ডপ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা শুধু কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির উৎসব নয়, এটি সর্বজনীন।
পূজার প্রকৃত আনন্দ ও সার্থকতা তখনই প্রকাশ পায়, যখন সমাজের প্রতিটি স্তরের মেহনতি ও পিছিয়ে পড়া মানুষের মুখে আমরা হাসি ফোটাতে পারি।
চা-বাগানের এই সরল ও কর্মঠ মানুষেরা আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। উৎসবের এই পুণ্যলগ্নে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের পরম নৈতিক দায়িত্ব।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সবসময়ই সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা ও তাদের কল্যাণে কাজ করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও এই সেবামূলক ধারা অব্যাহত থাকবে।
একটি বৈষম্যহীন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গঠনে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন সকল নাগরিককে এভাবে আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি সুব্রত দেব-এর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের মহানগর শাখার দপ্তর সম্পাদক রকি দেব-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মলয় পুরকায়স্থ এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার দাস।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ দেবরায় ও রাখাল দেব, সংগঠনের সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য সমীরণ কুমার নাথ, কোতোয়ালি থানা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট অরবিন্দ দাসগুপ্ত বিভু, মহানগর শাখার সদস্য উষা দাস ও দিপালী গোয়ালা, এবং বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের সদস্য রক্তিম রায় ও রবি কর্মকার প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ মণ্ডপে উপস্থিত সুবিধাবঞ্চিত শতাধিক নারীদের হাতে শারদীয় উপহার হিসেবে নতুন বস্ত্র তুলে দেন।

» দুর্গাপূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

Published: ১৮. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

মুসলিম, সনাতন, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে কাষ্টঘর শিবমন্দিরে রাইজিং স্টার সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, দিনশেষে আমরা সবাই এই দেশের মানুষ, এই দেশের নাগরিক। আমাদের সবার দেশ বাংলাদেশ। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রশাসন নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানে কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবেও আমাদের দায়িত্ব হলো প্রত্যেক ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

তিনি বলেন, অতীতে দেশের কোথাও কোথাও বিভিন্ন সময়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিপদ-আপদ বা অসুবিধা দেখা দিলে মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

সিলেট মহানগরও যুগ যুগ ধরে ধর্মীয় সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধারণ করে আসছে।

ভবিষ্যতেও এই সম্প্রীতি অটুট রেখে সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, এবারের দুর্গাপূজায় অন্যান্য বছরের তুলনায় সরকারি বরাদ্দ বেশি দেওয়া হয়েছে।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকেও পূজামণ্ডপগুলোতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে।

নগরের দায়িত্বে থাকার কারণে এবার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের জন্য আগের তুলনায় বেশি বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে।

কুমারী পূজার জন্যও পৃথকভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা চাই দেশের মূল স্রোতধারায় দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে।

এ জন্য সবার ইতিবাচক মানসিকতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব প্রয়োজন। সবাই একসঙ্গে পথ চললেই একটি সুন্দর ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

সিসিক প্রশাসক বলেন, নগরবাসী যেকোন বিষয়ে সহযোগিতা চাইলে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সাধ্যের মধ্যে তা করার চেষ্টা করা হয়।

সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় সীমিত হলেও নাগরিকদের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এবারের দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপের পক্ষ থেকে সড়ক সংস্কারের অনুরোধ করা হয়েছিল।

কাষ্টঘর শিবমন্দিরে পূজায় বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। কিন্তু মন্দিরে আসার সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ছিল।

স্থানীয় মুরব্বিরা বিষয়টি জানালে পূজার আগে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মানুষের চলাচলের সুবিধা, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের কথা বিবেচনা করেই এক রাতের মধ্যে সড়কটি সংস্কার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ধর্মীয় উৎসব সহ যেকোন প্রয়োজনে নগরবাসীর পাশে থাকার চেষ্টা করব।

রাইজিং স্টার সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি রানা প্রসাদ ত্রিবেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, রামেন্দ্র চৌধুরী তপু, সুমিত শ্যাম পল, জগৎজ্যোতি নারায়ণ দেব, সুমন চক্রবর্তী, ঝুমন চক্রবর্তী, মিষ্টু দাশ, সুমন দত্ত, প্রিয়ম দত্ত, স্বপন কর্মকার ও শপথ দেব প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে অতিথিবৃন্দ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করেন।

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031