শিরোনামঃ-

» ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী

Published: ২৭. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম গতিশীল হলে নগরবাসীর নিরাপত্তা বাড়বে : সিসিক প্রশাসক

নিউজ ডেস্কঃ
শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

সেবার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ যাতে সহজে এবং প্রত্যাশিত মানে সেবা পেতে পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট নগরের তালতলায় সিলেট সদর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সেবাপ্রক্রিয়া আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে।

এ লক্ষ্যে সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটির সভাপতি হিসেবে তিনি ফায়ার সার্ভিসের সেবার মান উন্নয়ন ও প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে কাজ করছেন বলে জানান।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে সমানতালে চলতে হলে নাগরিক সুবিধা ও সেবার মানও আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উন্নত করতে হবে।

সিলেট এমন একটি শহর, যার বিপুলসংখ্যক মানুষ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত। ফলে এখানকার নাগরিকদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আর তিন বছর পর স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ করবে।

এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের নাগরিকসেবা ও অবকাঠামোগত সক্ষমতাও বাড়াতে হবে। সিলেটের জনসংখ্যা ও বসতির ঘনত্ব যেভাবে বাড়ছে, সে তুলনায় আধুনিক নাগরিকসেবার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে।

মন্ত্রী বলেন, সিলেট ও এ অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষ দেশের বাইরে বসবাস করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক সুবিধা ও সেবার সঙ্গে তাদের প্রত্যক্ষ পরিচয় রয়েছে।

এমন একটি শহরে নাগরিকসেবা কাঙ্ক্ষিত মানে না থাকলে তা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে আধুনিক ও নিরাপদ নগর গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেট সদর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।

প্রকল্পের কাজ ১৫ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই ব্যাহত করা যাবে না। কারণ এই প্রকল্পের সঙ্গে পুরো জনপদের নিরাপত্তা জড়িত।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করেন।

অনেক সময় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাদের প্রাণও দিতে হয়। তাদের শ্রম, নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

অগ্নিকাণ্ড সহ বিভিন্ন দুর্যোগে ঝুঁকি নিয়ে এই বাহিনীর সদস্যরা মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় কাজ করেন।

তিনি বলেন, ১৯৩৯-৪০ সালের দিকে ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রমের সূচনা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে সিভিল ডিফেন্স যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়।

সিসিক প্রশাসক বলেন, বর্তমান সময়ে বাণিজ্যিক ভবন, কলকারখানা ও আবাসিক স্থাপনা সহ নগর জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের গুরুত্ব অপরিসীম।

দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অগ্রভাগে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকে প্রাণও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সিলেটে ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন নতুন এই স্টেশন চালু হলে নগরবাসীর জরুরি নিরাপত্তাসেবা আরও শক্তিশালী হবে।

নগর প্রশাসন হিসেবে সিলেটের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথি ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী ওয়াসিফ আহমদ।

অনুষ্ঠানে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইন ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

» সিলেটে অপরাধ দমনে কঠোর নির্দেশনা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

Published: ২৭. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদক, জুয়া ও কিশোর গ্যাংসহ সব ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর।

তিনি বলেছেন, “সিলেট একটি শান্তিময় জনপদ। এখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। নাগরিক ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের মূল দায়িত্ব।”

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সিলেট বিভাগের সিভিল প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “জনগণ বিপুল বিশ্বাস ও আস্থা রেখে ভোট দিয়ে আমাদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন। জনগণের এই বিশ্বাসের মর্যাদা আমাদের অবশ্যই রাখতে হবে।

মানুষ যাতে ঘরে ও বাইরে নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারেন এবং ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”

অনলাইন জুয়া, মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি অনুসরণের তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “সব অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

পাশাপাশি কিশোর ও তরুণরা যাতে মাদক বা অনলাইন জুয়ার মতো অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার করতে হবে।”

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. জাবের সাদেক, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী এবং জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম।

» জিন্দাবাজারে পানি নিষ্কাশনের নালায় ময়লা-আবর্জনা ও পয়োবর্জ্য ফেলার অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা

Published: ২৭. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর ব্যস্ততম জিন্দাবাজারের জল্লারপাড় রোডে পানি নিষ্কাশনের নালায় ময়লা-আবর্জনা ও পয়োবর্জ্য ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, পার্শ্ববর্তী এশিয়া মার্কেট, লন্ডন মেনশন ও মিতালি ম্যানশনের কিছু ব্যবসায়ীর কারণে এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে।

এতে মশা-মাছির উপদ্রব বৃদ্ধি, ডেঙ্গুর ঝুঁকি এবং আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়ভাবে উত্থাপিত অভিযোগে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট মার্কেটগুলোর টয়লেটের বর্জ্য নালায় নিষ্কাশন এবং প্লাস্টিক, কাগজসহ বিভিন্ন বর্জ্য ফেলার ফলে এলাকায় আবর্জনা জমে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

এতে পার্শ্ববর্তী এইচএমসি ইলেকট্রিক্যাল স্টোর সহ অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে, উক্ত ময়লা নিক্ষেপ কারী মার্কেটের মালিক ও প্রতিনিধিরা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নিজেরা ময়লা ফেলে এইচএম কর্পোরেশনের মালিক অ্যাডভোকেট মিসবা উল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ এবং সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে হয়রানির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এলাকার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং ব্যবসায়ী নেতাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

সরেজমিনে তদন্ত করে বর্জ্য ফেলার প্রকৃত উৎস শনাক্ত, নালা পরিষ্কার, পয়োবর্জ্যের সঠিক নিষ্কাশন এবং ময়লা নিক্ষেপকারী দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।

» ভয়াল ২৮ অক্টোবর; রক্তাক্ত কোর্টপয়েন্ট জামায়াতের বিক্ষোভ আগামীকাল

Published: ২৭. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

সেই ‘জীবন্ত শহীদ’ বাবুল এখন সিসিকের মেয়র প্রার্থী

নিউজ ডেস্কঃ
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর। সিলেটের ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্টে সমাবেশের প্রস্তুতি চলাকালে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নৃশংস লগি-বৈঠার হামলার শিকার হন তৎকালীন মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি ড. নূরুল ইসলাম বাবুল।
হামলায় তাঁর মাথার খুলি ভেঙে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে তাঁকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।
এখনো কথা বলতে মাঝে মাঝে তাঁর কথা জড়িয়ে যায়। সেই জীবন্ত শহীদ ড. নূরুল ইসলাম বাবুল এখন সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর এবং আসন্ন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী।
২০ বছর আগের সেই রক্তাক্ত দিনের স্মৃতি এখনও সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত। সেদিন সকাল ১০টায় ঐতিহাসিক কোর্টপয়েন্টে সর্বদলীয় ছাত্রঐক্যের কর্মসূচী ছিল।
সকাল ৯টায় সভাস্থল পরিদর্শনে যান সিলেট মহানগর জামায়াতের তৎকালীন সভাপতি নূরুল ইসলাম বাবুলসহ কয়েকজন নেতাকর্মী।
সেদিন সকাল ৮টায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দক্ষিণ সুরমায় জড়ো হতে থাকে। লগি-বৈঠা সহ সশস্ত্র অবস্থায় তাঁরা আধুনিক রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন সরকারী স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।
তাঁরা সশস্ত্র মহড়ায় কীনব্রিজ পার হয়ে কীনব্রিজের নিচের সৌন্দর্য্যবর্ধন স্থাপনা ও সার্কিট হাউজে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে কোর্টপয়েন্টে গিয়ে অপ্রস্তুত অবস্থায় সভাস্থল পরিদর্শনে আসা তৎকালিন মহানগর শিবির সভাপতি নূরুল ইসলাম বাবুলসহ নিরীহ নেতাকর্মীদের উপর নৃশংস হামলা চালায়।
সেদিনের ঘটনার স্মৃতিচারণ করে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ওই সময় লগি-বৈঠা নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সেখানে এসে তাঁদের ওপর হামলা চালান।
হামলায় বাবুল সহ কয়েকজন আহত হন। সভামঞ্চ ভাঙচুর করে কোর্টপয়েন্ট ও আশপাশের এলাকা দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে।
প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য, হামলার সময় মনজু, নাজমুল, আবিদসহ কয়েকজন নেতাকর্মী পরিস্থিতি মোকাবিলা করে গুরুতর আহত বাবুলকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।
এদিকে কর্মসূচিতে যোগ দিতে পথে থাকা অন্য নেতাকর্মীদের কাছে হামলার খবর পৌঁছালে তাঁদের কোর্ট পয়েন্টে না গিয়ে চৌহাট্টা পয়েন্টে জড়ো হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তখন ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
একটি সূত্র তখন জানায়, তখনকার সময়ের মহানগর আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতা বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে আশ্রয় নেন এবং পরে বোরকা পড়ে পালিয়ে যান।
মাথার খুলি ভেঙ্গে যাওয়া বাবুল এখন সিসিক মেয়র প্রার্থী:
সেদিনের লগি-বৈঠার নৃশংস হামলায় গুরুতর আহত ড. নূরুল ইসলাম বাবুলকে প্রথমে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। হামলায় তাঁর মাথার খুলি ভেঙ্গে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয় তাঁকে। দীর্ঘ চিকিৎসার পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসলেও এখনো কথা বলতে মাঝে মাঝে জড়িয়ে যায়। বর্তমানে তিনি সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। পর্যাপ্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা স্বত্তেও তিনি কোন চাকুরীতে যোগদান করেন নি। ব্যবসার পাশাপাশি সমাজ সেবাকে জীবনের উদ্দেশ্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন। আর্ত মানবতার কল্যাণে তিনি নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার মাধ্যমে সিলেট নগরীতে একটি শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, নিহত ১৪:
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। লগি-বৈঠা ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ, প্রাণহানি এবং লাশের ওপর নৃত্যের দৃশ্য সে সময় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের ১৪ নেতাকর্মী নিহত হন।
২৮ অক্টোবরের ত্যাগের ফলাফল চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান :
২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠার তান্ডবের ফলে দেশের গণতন্ত্রের সূর্য্য দেড় যুগের জন্য অস্তমিত হয়ে গিয়েছিল। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ জাতির ঘাড়ে চেপে বসেছিল। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ঘটে। সেদিন নূরুল ইসলাম বাবুলসহ শহীদরা যে নজরানা পেশ করা শুরু করেছিল এরপর শহীদ ও গাজীদের মিছিল দীর্ঘ থেকে আরো দীর্ঘ হতে শুরু করেছিল। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর জাতির প্রত্যাশা ছিল বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ। বিগত অন্তর্র্বতীকালিন সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংস্কার সহ বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতাসীন হওয়ার পর জাতির প্রত্যাশা ক্রমশই ধুলিস্ম্যাৎ হতে শুরু করেছে। তারা জুলাই সনদ ও সংস্কারকে উপেক্ষা করে ফের একদলীয় শাসনব্যবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় দেশপ্রেমিক ছাত্রজনতাকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
সিলেটে বিক্ষোভ বুধবার:
এদিকে ২৮ অক্টোবর স্মরণে বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষণা করেছে সিলেট মহানগর জামায়াত। আজ  (বুধবার) ২৮ অক্টোবর বিকেল ৪টায় নগরীর বন্দরবাজারস্থ ঐতিহাসিক কোর্টপয়েন্টে ‘ঐতিহাসিক পল্টন ট্রাজেডী ও ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠার তাণ্ডব এবং আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
যথাসময়ে উপস্থিত থেকে বিক্ষোভ সমাবেশকে সফল করার জন্য সিলেটবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ও সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী।

» জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে সুমন ও সুইট প্রেরণার উৎস : বাসদ

Published: ২৭. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার সাবেক সাধারণ কমরেড শফিকুর রহমান সুমন ও মৌলভীবাজার জেলা বাসদ নেতা কমরেড আব্দুল গাফফার চৌধুরী সুইট এর ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে বুধবার (২৭ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে স্থাপিত অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাসদ সিলেট জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর এর সভাপতিত্বে ও জেলা সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পাল এর সঞ্চালনায় স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন, বাসদ জেলা সদস্য জহর সিংহ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট এর জেলা সহ-সভাপতি শহীদ আহমদ, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রণ্ট এর জেলা সাধারণ সম্পাদক প্রীতম দাস, সংগ্রাম পরিষদের মাহফুজ আহমদ, আনোয়ার হোসেন কুটি, আফছার আহমদ প্রমূখ।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, দেশের জাতীয় সম্পদকে বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত বহুদিনের।

জাতীয় সম্পদের একমাত্র মালিক দেশের আমাদের জনগন। দেশের শাসকরা সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থে জাতীয় সম্পদ উত্তোলনে রূপরেখা প্রণয়ন করে থাকে। জাতীয় সম্পদের উপর জনগণের শতভাগ অধিকার নিশ্চিত করা দরকার।
বক্তারা বলেন,আজ থেকে ২৪ বছর পূর্বে চট্টগ্রাম বন্দর সহ দেশের সম্পদের উপর সাম্রাজ্যবাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লং মার্চে সুমন ও সুইট জীবন উৎসর্গ করলেও দীর্ঘ ২যুগ পরও শাসকদের দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী ষড়যন্ত্র থেমে নেই।

বক্তারা সুমন ও সুইটের জীবন সংগ্রাম থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীদিনের তেল-গ্যাস-বন্দর রক্ষার আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ও চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে জাতীয় কমিটির উদ্যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শেষে ফেরার পথে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় কমরেড সুমন ও কমরেড সুইট নিহত হন।

» তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে যুবদল : মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

Published: ২৭. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেটে সমাবেশ ও র‌্যালি

নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।

তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কার ও উন্নয়নের ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তিনি বলেন, যুবসমাজ দেশের অন্যতম প্রধান শক্তি।

দেশের উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে যুবসমাজকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সমন্বয় বজায় রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সংগঠনের প্রতিটি নেতাকর্মীকে জনগণের পাশে থেকে তাঁদের কল্যাণে কাজ করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে তরুণদের মেধা, শ্রম ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে হবে।

ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে যুবদলকে আরও সুসংগঠিত করে দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখতে হবে।

সংগঠনের প্রতিটি নেতাকর্মীকে দায়িত্বশীল আচরণ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে জনগণের আস্থা অর্জনে কাজ করতে হবে। তিনি নতুন কমিটির নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রেজিস্ট্রারি মাঠে আয়োজিত র‌্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

র‌্যালিটি নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠ শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সিলেট মহানগর যুবদল সভাপতি মির্জা মো. সম্রাট হোসেনের সভাপতিত্বে ও জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু এবং মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিনারের যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতা সিদ্দিকী, সিলেট সিটি করপোরেশন প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

বিশেষ বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ বলেন, জাতীয়তাবাদী যুবদল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক শক্তি আরও সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কার ও উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যুবসমাজকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

যুবদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে জনগণের পাশে থেকে তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করতে হবে।

সংগঠনের নতুন ও পুরোনো নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রেখে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে।

দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্য সিলেট মহানগর যুবদল সভাপতি মির্জা মোঃ সম্রাট হোসেন বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাসের অন্যতম অংশীদার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল।

সংগঠনটির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট মহানগর যুবদলের পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

তিনি বলেন, যুবদল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমাদের অঙ্গীকার সাংগঠনিক ঐক্য সুদৃঢ় করা, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা।

সিলেট যুবদলের প্রতিটি নেতাকর্মী শৃঙ্খলা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

কোন ধরনের হিংসা, প্রতিহিংসা কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহার নয়; বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সাধারণ মানুষের সম্মান রক্ষা করা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই যুবদলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, মহানগর বিএনপির প্রথম যুগ্ম সম্পাদক ও মহানগর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক নজিবুর রহমান নজীব, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মাহবুব কাদির শাহী, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি পিপি এডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মুমিন, সিলেট জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি কয়েস আহমদ, মহানগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, জেলার সহ-সভাপতি মকসুদ করিম নোহেল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসরুর রাসেল, মহানগরের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসিন মেহেদি প্রিন্স, জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল বাশার হাবিব, মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের অধীনস্থ ১৩টি উপজেলা, ৫টি পৌরসভা, ৪২টি ওয়ার্ড এবং ৬টি থানা যুবদলের দায়িত্বশীল বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

» চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে সিলেট এনডিএফের সমাবেশ

Published: ২৭. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সকল সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ও দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তি, সংগঠন, শ্রমিক-কৃষক, ছাত্র-যুবক, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী এবং সচেতন শান্তিকামী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ)-এর দেশব্যাপী কর্মসূচী।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল ডিপি ওয়াল্ডের হাতে ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ এই চুক্তি বাতিলের দাবিতে আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের সময় নগরির ক্বীণ ব্রীজের মুখ (জালালাবাদ পার্কের সামনে) জেলা সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. আবুল ফজল এর সভাপতিত্বে এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. ছাদেক মিয়ার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ জেলা কমিটির কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি খোকন আহমদ, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সাহাব উদ্দিন, দক্ষিন সুরমা ১ম সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক আনোয়ার হোসেনসহ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পদ। এই বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল ১৫ বছর মেয়াদে ডিপি ওয়ার্ল্ডের পরিচালনার জন্য ইজারা দেওয়ার চুক্তি কোন সাধারণ বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নয় এর সঙ্গে জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থ, বন্দর পরিচালনার ওপর কর্তৃত্ব, শ্রমিকদের অধিকার এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থের প্রশ্ন জড়িত।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থার সংকট ও বৃহৎ শক্তিগুলোর বাজার, সম্পদ, বাণিজ্যপথ এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।

মার্কিন নেতৃত্বাধীন পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদ এবং প্রতিদ্বন্ধী চীন-রাশিয়ার মধ্যকার দ্বন্ধ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে সংঘাতমুখর করে তুলছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত এবং দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ান প্রণালিকে কেন্দ্র করে সামরিক উত্তেজনা এই বৃহত্তর প্রতিদ্বন্ধিতারই বহিঃপ্রকাশ।

ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের সংযোগকারী মালাক্কা প্রণালীসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ও রণনীতিগত অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দেশটিকে বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা ও সামরিক পরিকল্পনার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ঝুঁকি রয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ক্ষমতার পালাবদলের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সাম্রাজ্যবাদী প্রভাব বিস্তারের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও তার দেশীয় সহযোগী শক্তিগুলো বিভিন্ন চুক্তি, অর্থনৈতিক সমঝোতা, বাণিজ্যিক উদ্যোগ এবং কৌশলগত সম্পর্কের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নিজেদের স্বার্থের অনুকূলে ব্যবহারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এনডিএ ও এআরটি-সহ বিভিন্ন চুক্তি ও সমঝোতার প্রকৃত শর্ত আড়াল করা হচ্ছে।

নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও জ্বালানি সমঝোতা, বোয়িংয়ের ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি এবং এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগের মতো বড় আর্থিক অঙ্গীকারগুলোকে দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ, ঋণ ও দায় পরিশোধের শর্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি জনস্বার্থের ভিত্তিতে বিচার করতে হবে।

একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে বন্দর নির্মাণ, আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ সংক্রান্ত চুক্তি এবং অন্যান্য সমঝোতাও স্বচ্ছতা ও জাতীয় স্বার্থের মানদন্ডে পর্যালোচনা করা জরুরি।

একদিকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন শক্তির সঙ্গে এবং অন্যদিকে চীন সহ প্রতিদ্বন্ধী শক্তিগুলোর সঙ্গে এমন সব কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলা, যার শর্ত ও পরিণতি জনগণের কাছে অস্পষ্ট থাকে, তা বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।

সাম্রাজ্যবাদী শক্তির প্রতিদ্বন্ধিতার হাতিয়ারে বাংলাদেশকে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের বিপদ মোকাবিলা, জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে দেশের কোটি কোটি শ্রমিক-কৃষকের শোষণমুক্তির সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

সাম্রাজ্যবাদ ও তার দেশীয় সহযোগী শক্তির শোষণ-নিপীড়নের অবসান ঘটিয়ে শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের সরকার তথা জাতীয় গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

» সিলেট সোসাইটির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা

Published: ২৭. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সোসাইটির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী, দুস্থ স্বজনদের সঙ্গে আহার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাদ মাগরিব সিলেটের মুসলিম সাহিত্য সংসদ হালরুমে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

সিলেট সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল করিম শিকদার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সেবুল রেজা অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতি ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আয়োজকরা জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজনের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় তুলে ধরা হবে।

অনুষ্ঠানে সবার উপস্থিতি কামনা করেছেন সিলেট সোসাইটির নেতৃবৃন্দ।

» সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা দলের পলাশের পদ  অব্যাহতি

Published: ২৭. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল সিলেট জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আমজাদ হোসেন পলাশকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল সিলেট জেলা শাখার সহ-দপ্তর সম্পাদক এস পি সেবুর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও দলীয় নীতিমালার পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে এ অব্যাহতি দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৈয়দ আমজাদ হোসেন পলাশের বিরুদ্ধে দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও দলীয় নীতিমালার পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।

এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে দলের যুগ্ম সম্পাদক পদ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁকে যুগ্ম সম্পাদক পদসংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

» সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল স্পিকার মুস্তাক আহমদের সাক্ষাৎ

Published: ২৬. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নগর উন্নয়নে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ

নিউজ ডেস্কঃ

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পিকার ব্যারিস্টার মুস্তাক আহমদ সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে নগর ভবনে এসে তিনি সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় সিসিক প্রশাসক ব্যারিস্টার মুস্তাক আহমদকে নগর ভবনে স্বাগত জানান।

সাক্ষাৎকালে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদানকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা এবং প্রবাসীদের সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশে ফিরে এসে যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে।

একই সঙ্গে প্রবাসীদের বৈধ সম্পত্তি যাতে কেউ অন্যায়ভাবে দখল করতে না পারে, সে বিষয়েও প্রশাসনিকভাবে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, প্রবাসীদের জমি দখল কিংবা জমি-সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হলে প্রশাসন তাদের পাশে থাকবে। এ ধরনের অভিযোগ আমরা অগ্রাধিকার দিয়ে দেখব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটেন প্রবাসীদের অনেকেই উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।

বর্তমানে সেখানে তৃতীয় প্রজন্মও বেড়ে উঠছে। কিন্তু প্রবাসীদের হৃদয়ে বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা ও টান অটুট রয়েছে। সেই টানেই তারা নিয়মিত দেশে আসেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পিকারের এই সফরের মধ্য দিয়ে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল ও সিলেট সিটি করপোরেশনের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আগামী দিনের নগর ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে এ ধরনের মতবিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সাক্ষাৎ শেষে ব্যারিস্টার মুস্তাক আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনে তিনি উষ্ণ আতিথেয়তা পেয়েছেন। এ জন্য সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও তাঁর টিমকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

তিনি বলেন, সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ তথা সিলেট ও টাওয়ার হ্যামলেটসের সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় হয়েছে। টাওয়ার হ্যামলেটসের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শুধু প্রবাসী বা ভৌগোলিক সম্পর্ক নয়; এটি রক্তের, আত্মার ও সংগ্রামের সম্পর্ক।

টাওয়ার হ্যামলেটসকে বাংলাদেশের বাইরে এক টুকরো বাংলাদেশ বললেও অত্যুক্তি হবে না। সেখানে বাংলাদেশের পতাকা অত্যন্ত গৌরবের সঙ্গে উড়ছে।

ব্যারিস্টার মুস্তাক আহমদ বলেন, সাক্ষাতে আধুনিক নগরায়ন, যানজট নিরসন, বর্জ্য নিষ্কাশন এবং যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এসব ক্ষেত্রে টাওয়ার হ্যামলেটস ও সিলেট সিটি করপোরেশন নিজেদের অভিজ্ঞতা, মেধা ও কার্যকর প্রক্রিয়া বিনিময়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলা করতে পারে।

তিনি বলেন, দুই প্রশাসনের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নগর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে উভয় পক্ষের রাজনৈতিক নেতৃত্বও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় সাবেক এপিপি অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম, সিলেট প্রেসক্লাবের সহ সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ব্যবসায়ী মেহরাব মুমিন এবং সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হানুল হক উপস্থিত ছিলেন।

» ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহকে দৃষ্টিনন্দন ও সংরক্ষিত স্থাপনা হিসেবে গড়ে তোলা হবে : সিসিক প্রশাসক

Published: ২৬. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেটের ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহকে দৃষ্টিনন্দন ও সংরক্ষিত স্থাপনা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

এর ঐতিহ্য ও পবিত্রতা অক্ষুণ্ন রেখে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হবে। দূর থেকে দেখলেও যেন মানুষের ভালো লাগে, সেভাবেই শাহী ঈদগাহকে সাজানো হবে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, শাহী ঈদগাহ সিলেটের ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এর ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি এটিকে আরও সুন্দর করে রাখা হবে।

শাহী ঈদগাহকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে, যাতে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও অটুট থাকে।

তিনি বলেন, ঈদগাহের পবিত্রতা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে সভা-সমাবেশ বা মেলা আয়োজনের মতো কোন কার্যক্রম হবে না। ঈদগাহের পরিবেশ ও পবিত্রতা বজায় রেখে শুধু প্রয়োজনীয় সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হবে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, শাহী ঈদগাহের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হবে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, শাহী ঈদগাহের ইতিহাসে এই প্রথম প্রায় ৫ কোটি টাকার উন্নয়নকাজের টেন্ডার হয়েছে।

এর আগে এ ধরনের বড় পরিসরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ হয়নি। তারা শাহী ঈদগাহের উন্নয়ন উদ্যোগের জন্য সিসিক প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান এবং বাকি কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারী সহ সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এরপর সিসিক প্রশাসক উপশহর সোনারপাড়া সড়কের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন।

» সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদের সাবেক সভাপতি ও দপ্তর সম্পাদকের বিবৃতিতে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান

Published: ২৬. অক্টো. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদের সাবেক সভাপতি এম শফিকুর রহমান ও সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. সেলিম আহমদের বিভিন্ন প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও গণমাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) এক যুক্ত বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. মোছলেহ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর, সহ সভাপতি মো. বেলাল উদ্দিন ও শ্যামল চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন তালুকদার, সহ সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মিঠু, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইউসুফ সেলু এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. শফিকুর রহমান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার সংগঠনের বিশেষ সাধারণ সভার মাধ্যমে সাবেক সভাপতি এম শফিকুর রহমান ও সাবেক দপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমদকে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

তাঁদের দাবি, ২০ অক্টোবরের পর থেকে সাবেক সভাপতি ও সাবেক দপ্তর সম্পাদকের নামে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি এবং পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রমের সাংগঠনিক কার্যকারিতা নেই।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদের প্যাড ব্যবহার করে তথাকথিত সাবেক সভাপতি ও সাবেক দপ্তর সম্পাদকের বিভিন্ন বিবৃতি প্রচার এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

তাঁদের এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার ও সংগঠনের নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদের কেন্দ্রীয় ও প্রবাসী নেতৃবৃন্দ এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদেরকে সাবেক সভাপতি ও সাবেক দপ্তর সম্পাদকের প্রচারিত বিভিন্ন প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও গণমাধ্যমের বক্তব্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, শিগগিরই সাধারণ সভার মাধ্যমে সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ পুনর্গঠনসহ নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তাঁরা।

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031