- সিলেটে কিশোরকন্ঠ পাঠক ফোরামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
- রথযাত্রার প্রস্তুতি, সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা
- হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে সচেতন নাগরিক সমাজের যুক্ত বিবৃতি
- দেশ যুব সংগঠন সিলেট’র উদ্যোগে ২ দিনব্যাপী মা ও শিশু স্বাস্থ্য কর্মশালার উদ্বোধন
- সন্তানের অর্জনে গর্বিত মা-বাবা কে সম্মাননা জানালো এনজেএল ফাউন্ডেশন
- পর্তুগাল বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শামসুজ্জামান জামানকে সিলেট বিমানবন্দরে সংবর্ধনা
- ডিসি সরওয়ার আলমের বদলীর আদেশ প্রত্যাহারের দাবী খেলাফত মজলিসের
- ডিসি সরওয়ার আলমের প্রত্যাহার আদেশ বাতিলের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন
- সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের বার্ষিক সাধারণ সভা
- সমাজ সংস্কারের মূল কারিগর ইমামদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
» সিলেটে কিশোরকন্ঠ পাঠক ফোরামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
Published: ২১. জুন. ২০২৬ | রবিবার
বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই : মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেছেন, বৃক্ষ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, এটি মানবজীবনের জন্য অপরিহার্য অক্সিজেনের উৎস।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
সমাজ ও মানুষের কল্যাণে সচেতনতা সৃষ্টি এবং ইতিবাচক পরিবর্তনে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।
পৃথিবীর প্রতিটি দেশে বিজ্ঞানীরা আওয়াজ তুলেছেন পরিবেশ দূষণ থেকে বাঁচতে হলে তরুরাজির শ্যামল ছায়ায় প্রত্যাবর্তন করতে হবে। তাই বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীতা অপরিসীম।
তিনি রোববার (২১ জুন) বিকেলে সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ থানার নাজিরেরগাঁও এলাকায় কিশোরকন্ঠ পাঠক ফোরামের ব্যবস্থাপনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
ফোরামের পরিচালক হোসাইন আহমদের সভাপতিত্বে ও সহকারী পরিচালক তাওফীক আলীর ব্যবস্থাপনায় বৃক্ষরোপন পূর্ব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক সিদ্দিকুর রহমান, আবদাল হোসাইন ও কায়েস আহমদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেন, ইসলাম বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করেছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে কোন মুসলিম ফলবান গাছ রোপণ করে কিংবা কোন ফসল ফলায় আর তা হতে পাখী কিংবা মানুষ বা চতুষ্পদ জন্তু খায় তবে তা তার পক্ষ হতে সাদাক্বাবলে গণ্য হবে।
রাসুল (সা.) আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো বৃক্ষরোপণ করে আর ফলদার হওয়া নাগাদ তার দেখাশোনা ও সংরক্ষণে ধৈর্য ধারণ করে, তার প্রতিটি ফলের বিনিময়ে আল্লাহ তাকে সদকার সওয়াব দেবেন।’
» রথযাত্রার প্রস্তুতি, সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা
Published: ২১. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
আসন্ন শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসবের প্রস্তুতি ও সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনা করেছে আন্তর্জাতিক (কৃষ্ণভাবনামৃত) সংঘ (ইসকন) সিলেট।
রোববার (২১ জুন) বেলা ২টায় সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে ইসকন সিলেটের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক ও সিলেট দেবালয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সহ-সভাপতি সিদ্ধমাধব দাস প্রশাসকের হাতে রথযাত্রা মহোৎসবের নিমন্ত্রণপত্র তুলে দেন।
এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ইসকন সিলেট মন্দিরের কমান্ডার দেবেন্দ্র কেশব দাস ব্রহ্মচারী।
সাক্ষাৎকালে রথযাত্রা মহোৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে শোভাযাত্রা, পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সিটি করপোরেশনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়।
প্রশাসক বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং রথযাত্রা উপলক্ষে সিলেট সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পাশাপাশি তিনি রথযাত্রা মহোৎসবের সফল আয়োজনের জন্য শুভকামনা জানান।
» হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে সচেতন নাগরিক সমাজের যুক্ত বিবৃতি
Published: ২১. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
আধ্যাত্মিক রাজধানী খ্যাত পুণ্যভূমি সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার শরীফ প্রাঙ্গণে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে বিপুলসংখ্যক পুলিশি উপস্থিতিতে নতুন দানবাক্স স্থাপন ও পূর্বের ডেগ ও দানবাক্স সিলগালা করার আকস্মিক ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।
শত শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ও স্বাধিকারী এই দরগাহে এ ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপ স্বাধীন বাংলাদেশে অতীতে কখনো দেখা যায়নি।
আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, মাজারের দান-খয়রাত ও মানতের অর্থের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হোক-তা সবারই কাম্য।
কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোন আইনি এখতিয়ার বা আদালতের নির্দেশনা ছাড়া, প্রশাসন কর্তৃক যে প্রক্রিয়ায় দরগাহর অভ্যন্তরীণ পরিচালনা ও দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে, তাতে সিলেটের সর্বস্তরের সচেতন জনসাধারণ গভীরভাবে মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ।
এই ঘটনা দরগাহ ও মাজার সংস্কৃতি-বিরোধী একটি বিশেষ মহলের দীর্ঘদিনের অভিসন্ধি পূরণের স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা জনমনে তীব্র সংশয় ও আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে।
আমাদের সকলকে মনে রাখতে হবে, পীর-আউলিয়াদের মাজার স্রেফ কোন ইট-পাথরের কাঠামো কিংবা ওখানে থাকা দানবাক্স কিংবা ডেগ স্রেফ টাকা জমার উপকরণ নয়; এগুলো মূলত সুফি-সাধকদের মরমি প্রেমের পবিত্র আঙিনায় আত্মিক আশ্রয়ের জন্যে আসা মানুষের নিঃশর্ত নিবেদন ও ভালোবাসা।
যা কোন জাগতিক পরিমাপ বা টাকার অঙ্কে মাপা অসম্ভব। সুফিবাদের এই নিঃশর্ত প্রেম ও আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার আমাদের সংস্কৃতির এবং আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
যে কঠোর ও সামরিক কায়দায় এই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে, তা সিলেটের শতাব্দীপ্রাচীন সৌহার্দ্যপূর্ণ ঐতিহ্য, সামাজিক বাস্তবতা এবং মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুভূতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সংঘাতপূর্ণ।
যেকোন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বা আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা এবং সামাজিক মূল্যবোধ ও সম্প্রীতির বিষয়গুলো সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যা এই ঘটনার ক্ষেত্রে চরমভাবে উপেক্ষিত হয়েছে।
সিলেট কোন অভিভাবকহীন জনপদ নয়। এ অঞ্চলের রয়েছে নিজস্ব সামাজিক, আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্য।
হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-এর দরগাহকে ঘিরে মানুষের বিশ্বাস, মরমি লোকাচার ও সুফি সংস্কৃতির চর্চা এই অঞ্চলের আত্মপরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
অতএব, দরগাহর স্পর্শকাতর বিষয়ে এমন কোন প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, দরগাহর কর্তৃপক্ষ, সুফিবাদী আলেম-উলামা-বিশেষজ্ঞগণ, সুশীল সমাজ এবং বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও ঐকমত্যে পৌঁছানো ন্যূনতম শিষ্টাচারের অংশ ছিল।
এক্ষেত্রে এটা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা যেমন জরুরি, তেমনি তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াটিও হতে হবে আইনসম্মত, অংশগ্রহণমূলক এবং জনআস্থাভিত্তিক।
বন্দুকের পাহারায় মানুষের বিশ্বাস ও সংবেদনশীল অনুভূতিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে আঘাত করে কোন শুভ বা মহৎ উদ্দেশ্যও কখনো কাঙ্ক্ষিত ফল বয়ে আনে না।
আমরা সিলেটের সম্মানিত জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, জেলা প্রশাসন, দরগাহ কর্তৃপক্ষ এবং নাগরিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানাই-যৌথ আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এই অনভিপ্রেত পরিস্থিতির একটি সম্মানজনক, গ্রহণযোগ্য ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধান বের করে করতে হবে।
ঐতিহ্য রক্ষা, আইনের শাসন এবং জনআস্থা-এই তিনটির মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয়ই হওয়া উচিত এই মুহূর্তের প্রধান অগ্রাধিকার।
পীর-আউলিয়াদের দরগাহ পর্যটন কেন্দ্র নয়, সুফি সংস্কৃতিতেই দরগা পরিচালিত হয়। তাই দরগা জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সকল মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে ৭০০ বছজর ধরে তার ওইতিহ্য ধরে রেখেছে।
তাই দরগা নিয়ে সংবেদনশীল পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সামাজিক ঐকমত্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সিলেটের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার আমাদের সবার যৌথ সম্পদ; তা রক্ষার দায়িত্বও আমাদের সবার।
আমরা অবিলম্বে ঐতিহ্যবাহী দরগাহ শরীফ থেকে প্রশাসনের বাক্স, তালা, পুলিশি বেষ্টনী প্রত্যাহার এবং এই উদ্ভুত সংকটে সিলেট অঞ্চলের সকল জনপ্রতিনিধি সহ সরকারের সর্বোচ্চ মহলের আশু ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেন:
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, বিশিষ্ট নেফ্রোলজিস্ট মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর এমিরেটাস ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সহ-সভাপতি সুপ্রীম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবি তবারক হোসেন, সিলেট পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা বাবরুল হোসেন বাবুল, সাবেক অতিরিক্ত মহা-পুলিশ পরিদর্শক (এআইজি) মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ বজলুল করিম বিপিএম, প্রবীণ রাজনীতিবিদ এডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্য, প্রবাসী সংগঠক মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন চৌধুরী রানা, গুলশান নিকেতন সোটাইটির প্রাক্তন সভাপতি প্রকৌশলী হাবিব আহসান বাবলু, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল, স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ জেরিনা হোসেন, কবি শামিম আজাদ, নিউয়র্ক পুলিশ বিভাগের ইন্সপেক্টর আব্দুল্লাহ খোন্দকার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হ্যারল্ড রশীদ, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সিলেটের সভাপতি এডভোকেট সৈয়দা শিরীন আক্তার ও সাবেক সভাপতি এডভোকেট ইরফানুজ্জামান চৌধুরী, বিশিষ্ট ঐতিহ্য সংগ্রাহক ও ধরা সিলেটের আহ্ববায়ক ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী (বাহার), সিলেট প্রাইভেট হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি ডা. নাসিম আহমদ, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. তারেক আজাদ, পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্ট, সিলেট-এর ট্রাস্ট্রি সাকী চৌধুরী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী, জালালাবাদ এসোসিয়েশন, ঢাকা-এর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক্-এর সভাপতি বদরুল হোসেন খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রানা ফেরদৌস ও জুয়েল চৌধুরী, গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ময়নুল হক চৌধুরী হেলাল, বাংলাদেশ সোসাইটি নিউইয়র্ক-এর সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, নিসর্গবিদ স্থপতি তুগলক আজাদ, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইডিয়ার প্রধান নির্বাহী নাজমুল হক ও এফআইভিডিবি-এর নির্বাহী পরিচালক বজলে মোস্তফা রাজী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যপক ড. নাজিয়া চৌধুরী, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ জি এ হায়দার, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এমদাদুল হক, নৃতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সঞ্জয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এম আশরাফুল আল হক, এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইউকে-এর সদস্য ড. আনিছুর রহমান আনিছ, প্রাক্তন রোটারি গভর্নর রোটারিয়ান শহীদ আহমদ চৌধুরী, সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন, সিপিবি জেলা সভাপতি সৈয়দ ফরহাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান, বাংলাদেশ জাসদ মহানগর শাখার সভাপতি এডভোকেট জাকির আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক নাজাত কবির,বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর ও সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পাল, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের জেলা সাধারণ সম্পাদক সিরাজ আহমদ, সাম্যবাদী আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক এডভোকেট মহীতোষ দেব মলয়, বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা সমন্বয়ক সঞ্জয় কান্ত দাস, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রণ্ট জেলা আহ্বায়ক জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন,চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের জেলা সভাপতি নাজিকুল ইসলাম রানা, প্রবাসী ব্যবসায়ী ফকু চৌধুরী, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের প্রধান পরিচালক শামসুল বাছিত শেরো, যুক্তরাজ্যের পূর্বরাগ থিয়েটারের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর মুরাদ খান, প্রবাসী লেখিকা জেসমিন চৌধুরী, প্রবাসী শিল্পি আমির মোহাম্মদ, পরিবেশবাদী সংগঠন অমরাবতি চেয়ারম্যান সেবুল চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হাসিনা বেগম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছামির মাহমুদ, লেখক কবির য়াহমদ, প্রবাসী সাংবাদিক ও লেখক সৈয়দ উদবা ও মাহবুব রহমান, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের সদস্য সৈয়দ জয়নুল শামস, সিলেট ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সভাপতি আ ন ম জিয়া, যুক্তরাজ্য প্রবাসী লেখক ও কবি হামিদ মোহাম্মদ, ব্রিকলেন নিউজডটকম-এর সম্পাদক জুয়েল রাজ, সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি গোলাম সোবহান চৌধুরী ও ব্যারিষ্টার সীমা করিম ও সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল করিম কিম।
» দেশ যুব সংগঠন সিলেট’র উদ্যোগে ২ দিনব্যাপী মা ও শিশু স্বাস্থ্য কর্মশালার উদ্বোধন
Published: ২১. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
মা ও শিশুর পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিলেট নগরীতে দুই দিনব্যাপী এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (২১ জুন) নগরীর আম্বরখানাস্থ ‘দেশ যুব সংগঠন সিলেট’-এর অস্থায়ী কার্যালয়ে এই জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হলো মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ নিশ্চিত করা।
সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয় কক্ষে আয়োজিত এই ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সিলেটের উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রউফ শাহ।
সিলেট সদর উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বাছাইকৃত মোট ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী এই বিশেষ কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন।
দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করছেন, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডাক্তার ইকবাল হোসেন মামুন।
তাকে সহকারী প্রশিক্ষক হিসেবে সহযোগিতা করছেন, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি রুনা সুলতানা।
এম এইচ হাফিজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক আলোর অন্বেষণ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক সাজন আহমদ সাজু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আরবান ভলেন্টিয়ারের সভাপতি জুয়েল আহমদ, ইনসাফ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি নজরুল ইসলাম, বিশিষ্ট গীতিকার শাহ তোফাজ্জল ভান্ডারী এবং দেশ যুব সংগঠন সিলেটের উপদেষ্টা এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে দেশ যুব সংগঠন সিলেট এর সভাপতি অভিনয়শিল্পী মো: কামাল বলেন, উন্নত দেশ গড়তে এবং চতুর্থ শিল্প বিপবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কারিগরি ও বাস্তবমুখী শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।
যুবসমাজকে আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে তৈরি করতে পারলে তারা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, এ ধরণের স্বাস্থ্য ও সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের নারী-পুরুষদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনের এক বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বক্তারা দেশ যুব সংগঠনের এই মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
» সন্তানের অর্জনে গর্বিত মা-বাবা কে সম্মাননা জানালো এনজেএল ফাউন্ডেশন
Published: ২১. জুন. ২০২৬ | রবিবার
পিতা-মাতার ত্যাগ ও অবদানের কারণেই সন্তানরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয় : সিসিক প্রশাসক কাইয়ূম চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান যান্ত্রিক যুগে আমরা অনেকেই মা-বাবার অবদানের কথা ভুলে যাই। কিন্তু এনজেএল ফাউন্ডেশনের এই আয়োজন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, পরিবারের মূল ভিত্তিই হলেন মা-বাবা।
নতুন প্রজন্মের উচিত ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি মা-বাবার প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। তিনি বলেন,সমাজ থেকে বৃদ্ধাশ্রম কালচার দূর করতে এমন উদ্যোগ প্রতিটি জায়গায় হওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরো বলেন, পিতা-মাতার ত্যাগ ও অবদানের কারণেই আমরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারি। তাঁদের সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
এনজেএল হাসপাতাল ও ফাউন্ডেশন মা-বাবাদের সম্মানিত করার যে ধারাবাহিক উদ্যোগ নিয়েছে, তা সত্যি প্রশংসনীয় যা সমাজকে এক ইতিবাচক বার্তা দেয়।
তিনি চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই এনজেএল ফাউন্ডেশন এই মা-বাবা সম্মাননার এই পুণ্যময় আয়োজন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রোববার (২১ জুন) বিকালে নগরীর দরগা গেইটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের শহীদ সোলেমান হলে এনজেএল হাসপাতাল ও ফাউন্ডেশন সিলেট এর উদ্যোগে ষষ্ঠ এনজেএল গর্বিত মা-বাবা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
‘সম্মান করি তাঁদের, যাঁদের কারণে আমরা আজকের আমি’ এই মহতী প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এনজেএল হাসপাতাল ও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান দেশ বরেণ্য ইএনটি চিকিৎসক ডা. নূরুল হুদা নাঈম এর সভাপতিত্বে ও এলোহা অটিজম ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের পরামর্শক রিফাত আরা রিফার পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর অছুল আহমদ চৌধুরী, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন-নূর, মদনমোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. আতাউর রহমান পীর, সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক গল্পকার সেলিম আউয়াল।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনজেএল ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব এডভোকেট এডভোকেট রেজাউল করিম তালুকদার,শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, এনজেএল গর্বিত মা-বাবা সম্মাননা অনুষ্ঠানের সদস্য সচিব, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক-১ -এডিশনাল পিপি এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শাবিপ্রবির শিক্ষক জোবেদা কনক খান, এনেস্থিসিয়া বিশেষজ্ঞ ডা.হোসেন আহমদ রুবেল, সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মাসুক আহমদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, ফয়জুর রহমান।
এবার যে ৬ পরিবারের পিতা-মাতাকে সম্মাননা দেয়া হলো তাঁরা হলেন, দেবল সরকারের পিতা: রসরাজ সরকার, মাতা: মালতী রানী সরকার, ডা. এম এম আওয়াল চৌধুরী পিতা মরহুম মো. আব্দুল মুছাত্তয়ীর চৌধুরী, মাতা: রহিমা বেগম, ডা. সাইয়েদা তাসনিম চৌধুরীর পিতা: সৈয়দ মতিউর রহমান, মাতা: মোছা. মাজেদা বেগম, শেখ মোহাম্মদ সুজাদুল হকের পিতা: মরহুম শেখ মো. আতীব আলী, মাতা: মাজেদা আক্তার, ঝুমা রানী পাল শিমু এর পিতা: মরহুম মিন্টু পাল, মাতা: সন্ধ্যা রানী পাল, ডা. আব্দুল হাফিজ শাফির পিতা: মো. আব্দুর রকিব জাহাঙ্গীর, মাতা মনোয়ারা বেগম।
অনুষ্ঠানে মা-বাবাদের হাতে বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
উপস্থিত সন্তানদের পক্ষ থেকেও মা-বাবার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করায় অনুষ্ঠানস্থলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন, সৈয়দ মতিউর রহমান ও সন্ধ্যা রানী পাল।
» পর্তুগাল বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শামসুজ্জামান জামানকে সিলেট বিমানবন্দরে সংবর্ধনা
Published: ২১. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরেছেন, সাবেক ছাত্রনেতা পর্তুগাল বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শামসুজ্জামান জামান।
আজ রবিবার (২১ জুন) দুপুরে তিনি সংক্ষিপ্ত সফরে বাংলাদেশে আসলে সিলেট আন্তর্জাতিক ওসমানী বিমানবন্দরে এসে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান, বিএনপির, যুবদল ও ছাত্রদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দরা থাকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়।
সংবর্ধনা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক ও ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক রুবেল বকস, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এমদাদুল হক স্বপন, মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আহমদ খান জুনেদ, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবু শহিদ শাহীন, মহানগর যুবদল নেতা ফারেস আহমদ বশির, এম সি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি রাজিব হোসাইন শাহিদ, এম সি বিশ্ববিদ্যাল কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক তৈয়বুর রহমান আবির, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হোসেন জাকির, যুবদল নেতা কাওছার হোসেন তালুকদার, ছাত্রনেতা পিয়াস আহমদ প্রমুখ।
সংবর্ধনার জবাবে পর্তুগাল বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাবেক ছাত্রনেতা শামসুজ্জামান জামান বলেন, আমরা যারা প্রবাসে থাকি আমাদের শরীর শুধু সেখানে থাকে আমাদের মন সবসময় আপনাদের পাশে থাকে আপনাদের সাথে অতীতের রাজপথে হাটাকে সবসময় মনে থাকে তবে শান্তনা শুধু এটুকু প্রবাসে থেকেও আমরা ফ্যাসিষ্ট হাসিনা বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় থেকেছি ভবিষ্যতে দলের ও দেশের যেকোন প্রয়োজনে সবসময় আপনাদের পাশে থাকবো ওয়াদা। সবাই এই বৃষ্টির মধ্যে আশার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
» ডিসি সরওয়ার আলমের বদলীর আদেশ প্রত্যাহারের দাবী খেলাফত মজলিসের
Published: ২১. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের সর্বজন গ্রহণযোগ্য জেলা প্রশাসক সরওয়ার আলমকে আকস্মিক বদলীর আদেশের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে অবিলম্বে এই আদেশ প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন সিলেট জেলা ও মহানগর খেলাফত মজলিস নেতৃবৃন্দ।
আজ রবিবার (২১ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যুক্ত বিবৃতিতে খেলাফত মজলিস সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা নেহাল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা দিলওয়ার হোসাইন, মহানগর সভাপতি হাফিজ মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা জাবেদুল ইসলাম চৌধুরী বিবৃতিতে বলেন- ‘যখন হযরত শাহজালাল মুজাররদে ইয়ামনি রহ. ও শাহপরান রহ. এর মাজারের দান-অনুদানকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা এবং সিলেটবাসীর নাগরিক সেবার মান উন্নয়ন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক কাঠামো গড়তে উদ্যোগী হয়েছেন সারওয়ার আলম, ঠিক তেমনি একটি সময়ে তাঁর বদলীর আদেশে আমরা হতবাক।
এরকম আদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের স্বচ্ছতা ও দূর্নীতিহীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।’
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ‘যখন গোটা সিলেটের ধর্মপ্রাণ মানুষ ডিসি সরওয়ার আলমের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন, তখন এরকম গণ বিরোধী আদেশ কার সার্থে এবং কেন দেয়া হয়েছে?সিলেটবাসীর তা জানার অধিকার আছে।’
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এ আদেশ প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে বলেন, ‘অনতিবিলম্বে গণধিকৃত ও মাজারের দান-অনুদান আত্মসাৎকারীদের সার্থে জারিকৃত আদেশ প্রত্যাহার করে সরওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে বহাল রাখতে হবে।
অন্যথায় সিলেটের জনগণকে সাথে নিয়ে দুর্বার গণ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’
» ডিসি সরওয়ার আলমের প্রত্যাহার আদেশ বাতিলের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন
Published: ২১. জুন. ২০২৬ | রবিবার
প্রয়োজনে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের জনপ্রিয় জেলা প্রশাসক (ডিসি) সরওয়ার আলমের প্রত্যাহারের সরকারি আদেশের খবরে সিলেটজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
এই আদেশকে অযৌক্তিক ও জনস্বার্থবিরোধী আখ্যা দিয়ে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবিতে আজ রবিবার (২১ জুন) বিকাল ৬টায় সিলেট কোর্ট পয়েন্টে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
রেনেসাঁর আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে এবং মাহফুজ বিন আবদুল হাফিজের সঞ্চালনায় বৃষ্টির মধ্যে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, শামীমাবাদ মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শামীম আহমদ, কাজিরবাজার মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস শাহ মমশাদ আহমদ, আম্বরখানা মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি জিয়াউর রহমান, ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব, শায়খুল ইসলাম ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার প্রিন্সিপাল সৈয়দ সালিম কাসিমী, হাসান ফয়েজ, বায়তুল আমান মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি রশিদ আহমদ, মারকাজুত তালিম ওয়াত তারবিয়ার পরিচালক মুফতি মিনহাজুস সিরাজ, বিশিষ্ট দায়ি আবদুল্লাহ আল মনসুর, আহমাদুল হক উমামম, ইয়াহইয়া তালহা চৌধুরী, সৈয়দ হামমাদ, আদিব আহমদ সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, ‘সিলেটের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া এমন একজন জনবান্ধব ও কর্মঠ জেলা প্রশাসককে হঠাৎ করে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সিলেটের নাগরিক সমস্যা সমাধান, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন।’
তারা অভিযোগ করেন, ‘ডিসি সরওয়ার আলম শহরের ফুটপাত দখলমুক্তকরণ, অবৈধ দখল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান এবং হজরত শাহজালাল ও হজরত শাহপরান (রাহ.)-এর মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করায় একটি দুর্নীতিবাজ ও সুবিধাভোগী চক্র তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।‘
বক্তারা আরও বলেন, যারা বছরের পর বছর অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেছে, তারাই আজ একজন সৎ ও সাহসী কর্মকর্তাকে সিলেট থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই বদলির আদেশ সেই অপচেষ্টারই বহিঃপ্রকাশ বলে সিলেটবাসী মনে করে।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সিলেটবাসীর আবেগ ও প্রত্যাশার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে অবিলম্বে এই প্রত্যাহার আদেশ বাতিল করতে হবে।
অন্যথায় বৃহত্তর সিলেটের সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহৎ আন্দোলন, গণসমাবেশ ও হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
বক্তারা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ‘সিলেটের স্বার্থে, সিলেটবাসীর দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে ডিসি সরওয়ার আলমকে বহাল রাখতে হবে। জনমতের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত সিলেটবাসী মেনে নেবে না।
» সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের বার্ষিক সাধারণ সভা
Published: ২০. জুন. ২০২৬ | শনিবার
“দেশের জ্বালানি খাত ও অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে কয়লা আমদানী গ্রুপের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন”
নিউজ ডেস্কঃ
উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ ২০২৫-২৬ইং সালের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে|
শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১২টায় সিলেট নগরীর মেন্দিবাগরস্থ ছালিম ম্যানশনের প্রধান কার্যালয়ে এই সবার আয়োজন করা হয়|
সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি শ্রী চন্দন সাহার সভাপতিত্বে সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন, মো. জাহাঙ্গীর মিয়া|
সভায় বিগত বছরের কার্যক্রমের বিবরণী তুলে ধরে ২০২৫-২৬ইং সালের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. আতিক হোসেন|
উক্ত বার্ষিক প্রতিবেদনের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, গ্রুপের সাবেক সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন ও ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাবেক সহ. সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কামাল উদ্দিন ও আব্দুল হাসিম প্রমুখ|
সভায় অর্থ-সম্পাদক মো. জাকারিয়া ইমতিয়াজ জাকির ২০২৪-২৫ইং সালের অডিটকৃত হিসাব এবং ২০২৬-২৭ইং সালের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের বাজেট পেশ করেন|
উপস্থিত সদস্যদের বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে অডিট রিপোর্ট ও বাজেট পাস করা হয়|
সভায় ২০২৫-২০২৬ইং সালের গ্রুপের হিসাব নিরীক্ষার জন্য অডিটর নিয়োগ ও পারিশ্রমিক নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়ে সভায় আলোচনা করা হয়|
আলোচনা ও পর্যালোচনা ক্রমে সর্বস্মতিতে গ্রুপের ২০২৫-২০২৬ইং সালের হিসাব নিরীক্ষার জন্য অডিটর হুদা হোসাইন এন্ড কোং, চাটার্ড একাউন্টেন্টসকে হিসাব নিরীক্ষক নিযোগ দানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় এবং ২৫,০০০/-টাকা অডিট ফি ও পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়|
সভায় বক্তারা বলেন, সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি বাণিজ্যিক সংগঠন|
দেশের জ্বালানি খাত ও অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে এই গ্রুপের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন|
ব্যবসা-বাণিজ্যের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে|
বিশেষ করে কয়লা আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনি বা প্রশাসনিক জটিলতাগুলো দূর করতে গ্রুপের পক্ষ থেকে জোরালো ভূমিকা রাখা প্রয়োজন|
সভার বিবিধ পর্বে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ গ্রুপের একটি স্থায়ী অফিস ঘর নির্মাণ, কয়লা ব্যবসাকে আরও গতিশীল করা এবং বকেয়া ভাঙ্গা এলসি’র বিল প্রাপ্তির ব্যাপারে দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান|
সভার শেষাংশে সদ্য প্রয়াত গ্রুপের সাবেক সহ-সভাপতি প্রজেশ লাল দাস মন্টু বাবুর আত্মার শান্তি কামনায় ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়|
একই সাথে অসুস্থ সিনিয়র নেতৃবৃন্দ হাজী মো. দিলওয়ার হোসেন, হাজী কলন্দ আলী, ফটিক চন্দ্র সাহা, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, শামস উদ্দিন আহমদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের দ্রুত রোগমুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়|
» সমাজ সংস্কারের মূল কারিগর ইমামদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
Published: ২০. জুন. ২০২৬ | শনিবার
সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে নিজেদের দেশকে গড়বো
নিয়মিত যোগচর্চা শারীরিক-মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, আমাদের প্রাণপ্রিয় ইমামরা সমাজ সংস্কারের মূল কারিগর।
তারা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে ভালো-মন্দ বুঝান, মানুষকে সঠিক পথে নিয়ে আসতে শ্রম-মেধা বিলিয়ে দেন।
এটাই সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণের মূল কাজ। এতসব কাজ করে তারা সামান্যই হাদিয়া পান। তাই বর্তমান সরকার আমাদের সম্মানিত ইমামদের নিয়ে ভাবছে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে।
বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখা আয়োজিত ‘সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে করণীয় শীর্ষক’ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে ইমামদের নিজেদের জায়গায় আরও দায়িত্ব ও স্বচ্ছতা নিয়ে আসার আহ্বান জানান এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী।
শনিবার (২০ জুন) দুপুরে সংগঠনের উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে গোলাপগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম।
প্রধান আলোচক ছিলেন, ইমাম সমিতির যুগ্ম-মহাসচিব ও সিলেট জেলা সভাপতি অ্যাড. মাওলানা মোহাম্মদ এহসান উদ্দিন এবং বিশেষ আলোচক ছিলেন, ইমাম সমিতি সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. জালাল উদ্দিন ভুইয়া।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মহিউস সুন্নাহ চৌধুরী নারজিস ও এম সিরাজুল ইসলাম এবং উপজেলা কেজি স্কুল এসোসিয়েশন-এর সভাপতি আজমল হোসেন চৌধুরী।
এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন, হাফিজ মাওলানা আব্দুল হক, হাফিজ মাওলানা এনামুল হক ও ইমাম মাওলানা আব্দুল মালিক জালালি।
এ অনুষ্ঠানের আগে সিলেটস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন অফিসের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি।
এসময় তিনি বলেন- সুস্থ ও সুষম জীবনযাপন নিশ্চিত করতে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত যোগচর্চা শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসিক প্রশান্তি অর্জন এবং সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অপরদিকে, শনিবার বিকালে গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নের চক্রবর্তী গ্রামে শ্রী শ্রী কালিমন্দিরে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
মন্দিরস্থ কালীমাতা সেবক সংঘ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বকুল চক্রবর্তী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন- বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অনন্য এক উদাহরণের দেশ।
এখানে আমরা সামাজিকভাবে চলার ক্ষেত্রে একে অপরের ভাই-ভাই। বর্তমান সরকারের কঠোর হুশিয়ারি, কোন ধরনের অসাম্প্রদায়িক বা উস্কানিমূলক কার্যক্রম চলবে না। সবাই আমরা মিলে-মিশে এ দেশ গড়বো।
আদরী রানী দাশের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মলয় পুরকায়স্থ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মহিউস সুন্নাহ চৌধুরী নারজিস, উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুমান উদ্দিন মুরাদ, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, বিএনপি নেতা অজি মোহাম্মদ কাওছার, জেলা যুবদলের যুগ্ম-সম্পাদক লিটন আহমদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এ রিপন, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন।
এছাড়া হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, কাজল কান্তি দাস, অনিল কান্তি পাল, লিপ্টন রঞ্জন, রবিন্দ্র রায় প্রমুখ।
» আব্দুল হাসিব মনিয়ার মৃত্যৃতে সিলেট এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরস এসোসিয়েশনের শোক
Published: ২০. জুন. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের বিয়ানীবাজারস্থ মেসার্স হাসিব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ও সিলেট এলপিজি ডিস্টিবিউটর এসোসিয়েশনের সম্মানিত উপদেষ্টা রেজাউল হাসান জাকারিয়ার বাবা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ আব্দুল হাসিব মনিয়ার মৃত্যৃতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সিলেট এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরস এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (২০ জুন) সিলেট এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরস এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান মাহবুব ও সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ চৌধুরী খোকন মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, সিলেটের বিয়ানীবাজারস্থ মেসার্স হাসিব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ও সিলেট এলপিজি ডিস্টিবিউটর এসোসিয়েশনের সম্মানিত উপদেষ্টা রেজাউল হাসান জাকারিয়ার বাবা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ আব্দুল হাসিব মনিয়া শনিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিেিটর দিকে আমেরিকায় ইন্তেকাল করেছেন।
» সংসদে আমীরে মজলিসকে নিয়ে প্রদত্ব বক্তব্য অনভিপ্রেত, বিভ্রান্তিকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন : এডভোকেট মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী
Published: ২০. জুন. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (BKM) এর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর, সাবেক এমপি এডভোকেট মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী বলেছেন, গত ১৮ জুন জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হককে নিয়ে ঢাকা- ১ আসনের এমপির বক্তব্য এবং পরবর্তীতে স্পিকারের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে যে মাওলানা মামুনুল হককে সংসদে যেতে দেওয়া হয়নি, আজ তিনি সংসদে উপস্থিত না থাকলেও সংসদের ভেতরে তাঁকে নিয়েই আলোচনা হচ্ছে।
এতে প্রতীয়মান হয়, কিছু রাজনৈতিক মহল এখনো তাঁকে রাজনৈতিকভাবে ভয় পায় এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পুরোনো অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর বয়ান পুনরুজ্জীবিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
মাওলানা মামুনুল হকের মামলায় বিচারে নির্দোষ প্রমাণিত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে দায়ের করা একটি মামলায় আদালতের বিচারে মাওলানা মামুনুল হক নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন।
এ বিষয়ে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি একাধিক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।
এরপরও জাতীয় সংসদের স্পিকার কীভাবে সেই ঘটনাকে “পরকিয়া” ও তাঁর “জীবনের অন্ধকার অধ্যায়” বলে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন যে, “মামুন সাহেব বিষয়টি স্পষ্ট করতে পারেননি”-তা অত্যন্ত বিস্ময়কর, অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক।
সংসদ সদস্য ও স্পিকারের বক্তব্যে বিষ্ময় প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, বিস্ময়ের বিষয় হলো-স্পিকার একদিকে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ (বাদ) করার নির্দেশ দেন, অথচ অন্যদিকে নিজেই একই বিষয়ে অজ্ঞতাপ্রসূত ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেন।
এটি কেবল পরস্পরবিরোধী অবস্থানই নয়; বরং স্পিকারের নিরপেক্ষতা সম্পর্কেও জনমনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
তাদের এমন দ্বিচারিতা তাঁদের সাংবিধানিক নিরপেক্ষতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; বরং একটি নিষ্পত্তিকৃত বিষয়কে নতুন করে প্রশ্নবিদ্ধ করার শামিল। তাঁদের ভুল তথ্য বা অপর্যাপ্ত ধারণার দায় আল্লামা মামুনুল হকের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কিংবা তাঁর চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কোনো সুযোগ নেই।
সভায় নেতৃদ্বয় অবিলম্বে স্পিকারকে তাঁর বিভ্রান্তিকর ও অনভিপ্রেত মন্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির সামনে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান এবং আল্লামা মামুনুল হকের প্রতি করা অন্যায় মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানান।
অন্যথায় জনগণের মধ্যে এ বিষয়ে যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তার রাজনৈতিক ও নৈতিক দায় সম্পূর্ণরূপে স্পিকারকেই বহন করতে হবে।
একই সঙ্গে তাঁরা ফ্যাসিস্ট আমলের মিথ্যা অপপ্রচার ও চরিত্রহননের রাজনীতি পুনরুজ্জীবিত করার সকল অপচেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানান এবং সত্য, ন্যায়, আইনের শাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
আজ শনিবার (২০ জুন) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে সিলেট কালেক্টরেট মসজিদের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি জননেতা মাওলানা মুহাম্মদ ইকবাল হুছাইন।
শাখা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম ও সহ সম্পাদক মাওলানা আসাদুজ্জামান আসাদ এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাবেক সংসদ সদস্য সংগঠনের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এডভোকেট মাও. শাহীনূর পাশা চৌধুরী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা সামিউর রহমান মুসা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সিলেট মহানগর আমির ফখরুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম, জামায়াতের জেলা নায়েবে আমির মাওলানা আনোয়ার হোসাইন।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মহানগর সহ-সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ ও মাওলানা মহিবুর রহমান, মহানগরের সাবেক সভাপতি মাওলানা গাজী রহমাতুল্লাহ, জেলা সহ সম্পাদক মুফতি সৈয়দ নাসির উদ্দিন, শ্রমিক মজলিস সিলেট মহানগর আহ্বায়ক মাওলানা এখলাছুর রহমান, যুগ্ন আহ্বায়ক মাওলানা আরিফুল হক ইদ্রিস, মহানগর সহ সম্পাদক হাফিজ কয়েছ আহমদ, জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মতিন, জেলা সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শিহাবুল ইসলাম, মহানগর প্রচার সম্পাদক মাওলানা মনিরুল ইসলাম চৌধুরী ফুয়াদ, জেলা সহ সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা জিয়াউদ্দিন ও মাওলানা ফেদাউর রহমান দিদার, জেলা অফিস সম্পাদক মাওলানা হাবিবুর রহমান জাহান, জেলা নির্বাহী সদস্য মাওলানা হুসাইন আহমদ, মাওলানা রেজাউল হক, মাওলানা শাহ ফয়সল আমীন, ক্বারী ছাঈদ আহমদ, মাওলানা আনসার আহমদ, হাফিজ মাওলানা ইয়াহ’য়া মাহমুদ, মহানগর নির্বাহী সদস্য মহানগর নির্বাহী সদস্য মাও. আব্দুল মান্নান আজাদ, আবুল হোসেন ছুফি, মাওলানা জহুরুল ইসলাম, খেলাফত যুব মজলিসের জেলা সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, খেলাফত ছাত্র মজলিসের জেলা সভাপতি মো. আবু তাহের প্রমুখ।
বিক্ষোভ সভা পরবর্তী মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিটি পয়েন্টে এসে জেলা সভাপতির সমাপনী বক্তব্য ও ১১ দলীয় ঐক্যের জেলা শাখার অন্যতম সমন্বয়কারী ও জামায়াতের জেলা নায়েবে আমির মাওলানা আনোয়ার হোসাইন এর মোনাজাতের মধ্যদিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

