- সিলেট ঐতিহ্যগতভাবেই ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নগরী : সিসিক প্রশাসক
- জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দকে সাদর আমন্ত্রণ
- স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ইংরেজি স্পেলিং বি অনুষ্ঠিত
- কবি ও সংগঠক এম. আলী হোসাইনের বাবার ইন্তেকাল : বিভিন্ন সংগঠনের শোক
- সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দেশব্যাপী শ্রমমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ
- সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে সীরাতুন্নবী (সা.) কনফারেন্সে বক্তারা
- জিন্দাবাজারে ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ
- বিদ্যুৎ লোডশেডিং ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বিএমবিএএফ এর মানববন্ধন
- ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ডে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ
- সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রণ্ট সিলেট জেলা কমিটি গঠিত
» সিলেট ঐতিহ্যগতভাবেই ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নগরী : সিসিক প্রশাসক
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট ঐতিহ্যগতভাবেই ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নগরী।
এ অঞ্চলের আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মানুষের উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয়ে আসছে।
এসব ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমাজে শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে খাসদবির জামেয়া মদিনাতুল উলূম দারুস সালাম মাদ্রাসা পরিদর্শন ও শিক্ষকবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় এবং বিকেলে জামেয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া শামীমাবাদ মাদ্রাসা পরিদর্শন ও তাকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, অতীতে সিলেটের অনেক বরেণ্য আলেম ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ও সমাজকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁদের অবদান সিলেটের ধর্মীয় ও সামাজিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বর্তমানে যারা ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন, তাঁদেরও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে এসব প্রতিষ্ঠানের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, মাদ্রাসাগুলো সাধারণত স্থানীয় মানুষের দান ও সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নেও এলাকাবাসীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকেও মাদ্রাসার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতার সুযোগগুলো বিবেচনা করা হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডে বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে মানুষের চাহিদাও অনেক। সীমিত সম্পদের মধ্যেই নগরীর বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে।
এরপরও প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও এলাকার উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সিসিকের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি সুন্দর, উন্নত ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব।
এ সময় খাসদবির মদিনাতুল উলূম দারুস সালাম মাদ্রাসার কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হুমায়ুন আহমদ মাসুক, ডা. জিয়াউল ইসলাম, ফারুক আহমেদ মিছবাহ, মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি মাওলানা ওলিউর রহমান, শিক্ষক মুফতি মাওলানা আব্দুল খালিক, মুফতি মাওলানা নাসির উদ্দীন, মাওলানা মাসুক আহমেদ সালামী, মাওলানা নিয়ামত উল্লাহ, হাফিজ মঞ্জুর আহমদ, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, মইনুল ইসলাম, মামুন আহমদ মিন্টু, লুৎফুর রহমান, মনসুর বক্স প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে সিসিক প্রশাসক জামেয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া শামীমাবাদ মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন। এ সময় জামেয়ার মাদানী মসজিদ কমপ্লেক্সে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
জামেয়ার মুহতামিম সৈয়দ শামীম আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারী, সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পরিচালক লিমন আহমদ, হেলাল চৌধুরী, জামেয়ার শুরা সদস্য আব্দুল জলিল ও রফিকুল ইসলাম বাদল এবং সিসিকের উপসহকারী প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক নগরীর জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং জামেয়ার অবকাঠামো উন্নয়নেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
» জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দকে সাদর আমন্ত্রণ
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সারাদেশের মতো সিলেটেও বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবে সিলেট জেলা বিএনপি।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপি।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি।
এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি জনাব আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক জনাব এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ইংরেজি স্পেলিং বি অনুষ্ঠিত
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের ইংরেজি বানান দক্ষতা, শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি ও সঠিক উচ্চারণের সক্ষমতা তরান্বিত করার লক্ষ্যে সিলেটের স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইংলিশ স্পেলিং বি প্রতিযোগিতা।
সোমবার (৩১ আগস্ট) কলেজটির ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা জুনিয়র, ইন্টারমিডিয়েট ও সিনিয়র এই তিনটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। কয়েকটি ধাপে তাদের ইংরেজি বানান, শব্দজ্ঞান ও সাবলীল উচ্চারণের স্থানিক দক্ষতা যাচাই করা হয়।
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হকের সভাপতিত্বে ও লেকচারার সজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক জয়নুল আবেদীন চৌধুরী বলেন, তুমি যত বেশি কঠিন ও নতুন শব্দ শিখবে, ততই একজন দক্ষ ইংরেজি শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে।
শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শব্দচর্চা, সঠিক উচ্চারণ অনুশীলন এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভাষার সমৃদ্ধি ঘটানো উচিত।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, স্পেলিং বি শুধু প্রতিযোগিতা নয়; এটি নতুন শব্দ শেখার পাশাপাশি ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়ানোর একটি চমৎকার সুযোগ তৈরি করে।
ভুল করতে ভয় না পেয়ে প্রতিটি ভুল থেকে শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। এমন শিক্ষামূলক আয়োজন শিক্ষার্থীদের শুদ্ধ ও সাবলীল ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জাকারিয়া আল মামুন এবং সিনিয়র লেকচারার মুইহয়ারা বেগম।
আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেন, ইংরেজি বিভাগের লেকচারার মেহেদী ইসলাম তাপাদার তানভি, প্রভাষক মুনাব্বির জোহান, প্রভাষক ওমর ফারুক এবং প্রভাষক তানভীর বিশ্বাস।
প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। এরপর অনুষ্ঠানের সভাপতি ও অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বিজয়ী শিক্ষার্থীদের শুভকামনা জানিয়ে অনুষ্ঠানের ইতি টানেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরিশেষে অতিথি, শিক্ষক ও বিজয়ী শিক্ষার্থীদের ফটোসেশনের মাধ্যমে সফল এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
» কবি ও সংগঠক এম. আলী হোসাইনের বাবার ইন্তেকাল : বিভিন্ন সংগঠনের শোক
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
মাসিক প্রতিভাত’র সম্পাদক, প্রতিভাত সাহিত্য পরিষদের সভাপতি, গ্রীণ প্ল্যান সিলেট, স্বদেশ ফোরাম সিলেট ও দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, সুরমা নন্দিনীর সহ সাধারণ সম্পাদক কবি ও সংগঠক এবং প্রকাশক এম. আলী হোসাইন এর বাবা শহরতলীর তেতলি নিশ্চিন্তপুর
গ্রামের সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রবীণ মুরব্বি হাজী হাফিজ মো. আফতাব মিয়া সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১২:৫০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুমের জানাজার নামাজ আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা দুই ঘটিকার সময় নিশ্চিন্তপুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং পরকালীন শান্তি কামনা ও শোক প্রকাশ করেছেন, প্রতিভাত সাহিত্য পরিষদ সিলেট, সুরমা নন্দিনী, গ্রীণপ্ল্যান সিলেট, ঐতিহ্য সন্ধানী কাগজ অনুপ্রাণন, স্বদেশ ফোরাম সিলট, দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদ সহ বিভিন্ন সংগঠনের সকল পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও সদস্যবৃন্দ ।
নেতৃবৃন্দ এক শোক বার্তায় বলেন, হাজী হাফিজ মোঃ আফতাব মিয়া (৯৫) অত্যন্ত খোদাভীরু, পরহেজগার, বিনয়ী ও অমায়িক হিসেবে সকলের প্রিয় ছিলেন।
তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের যে ক্ষতি হয়েছে তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
শহরতলীর নিশ্চিন্তপুর মোল্লাবাড়ি তথা অত্র এলাকার সবচেয়ে প্রবীণ এই গুণীজন দীর্ঘদিন যাবৎ বার্ধক্যজনিত রোগে ভোগছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি ৭ ছেলে ১ মেয়ে সহ, ভাতিজা-ভাতিজি, নাতি-নাতনী, অন্যান্য আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বৃহত্তর কামাল বাজার এলাকার বিভিন্ন মসজিদে ইমামতি ও মক্তবে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন বিধায় দেশ বিদেশে অনেক ছাত্র-ছাত্রী ছড়িয়ে আছেন।
তাঁর ইন্তেকালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শোকবার্তায় বিবৃতিদাতা সকলেই মরহুমের পরকালীন শান্তি কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারে প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
» সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দেশব্যাপী শ্রমমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি দ্রুত বাস্তবায়ন, শ্রম আইন কার্যকর করা এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত পরিকল্পিত, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে হোটেল রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরী ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের আহবানে দেশব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১২টায় সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে শ্রমমন্ত্রী বরাবর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের অনুপস্থিতিতে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা কার্যকরী সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, প্রচার সম্পাদক রাশেদ আহমদ ভূইয়া, ১১তম সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির অন্যতম নেতা আনোয়ার হোসেন, শাহপরান থানা কমিটির সহ-সভাপতি আলীম উদ্দিন, সদস্য মোহাম্মদ আলী, অনূকুল চন্দ্র দাস, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির দপ্তর সম্পাদক মনোয়ার হোসেনসহ প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতের শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প মজুরি, অনিশ্চিত চাকরি, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা এবং শ্রম আইনে স্বীকৃত অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন।
শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান বাধ্যতামূলক হলেও অধিকাংশ শ্রমিক তা থেকে বঞ্চিত।
একই সঙ্গে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার অতিরিক্ত কাজের জন্য আইন অনুযায়ী প্রাপ্য মজুরি পরিশোধ না করে অনেক শ্রমিককে দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
গত ৫ মে ২০২৫ হোটেল ও রেস্তোরাঁ খাতের শ্রমিকদের জন্য সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরির চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হলেও এক বছরের বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে তা বাস্তবায়িত হয়নি।
এ বিষয়ে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ, স্মারকলিপি ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হয়নি।
হোটেল রেস্তোরা সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরী ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবিতে ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ দেশব্যাপী কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করে।
শ্রমিকরা যখন কর্মবিরতে সফলে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে তখন ৮ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের বৈঠকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাসের পর কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
পরবর্তীতে শ্রমিক-মালিক ও সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত উপকমিটি কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করলেও তা পরবর্তীতে কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর হোটেল রেস্তোরাঁ খাতকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ৩০ জুনের মধ্যে মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
এ ছাড়া শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়া ও ন্যায়সংগত দাবি আদায়ের আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির অভিযোগ তুলে তা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।
বিশেষ করে ঢাকা স্টার কাবাব রেস্তোরাঁ গ্রুপের শ্রমিক নেতা মনির হোসেন, আল আমিন সর্দার, নাহিদ প্রধান ও জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
একই সঙ্গে নেত্রকোনা, সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি রংপুরের হোটেল শ্রমিক শাওন হত্যাকান্ড সহ শ্রমিক হত্যার ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার, দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন শ্রমিকদের কোন দয়া বা করুণার বিষয় নয়; এটি তাদের আইনগত অধিকার।
তাই অবিলম্বে গেজেট অনুযায়ী মজুরি বাস্তবায়ন, শ্রম আইনের পূর্ণ প্রয়োগ, শ্রমিকদের নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র প্রদান, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার আইনানুগ প্রাপ্য মজুরি নিশ্চিত এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
শ্রমিকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, ন্যায়সংগত দাবি বাস্তবায়নে সরকার দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করলে সংগঠিতভাবে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। শ্রমিকদের আন্দোলন সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির কোনো পথ নেই।
» সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে সীরাতুন্নবী (সা.) কনফারেন্সে বক্তারা
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
‘সর্বক্ষেত্রে সাফল্য ও শান্তি অর্জনে বিশ্বনবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের কোন বিকল্প নেই’
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে পবিত্র সীরাতুন্নবী (সা.) কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১১টায় নগরীর মিরবক্সটুলাস্থ কলেজ অডিটরিয়ামে এ কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়।
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. শাহানা ফেরদৌস চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হোসাইন আহমদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, হলি সিলেট হোল্ডিং লিমিটেড-এর পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. ফজলুর রহিম কায়সার।
এসময় তিনি বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ।
তাঁর জীবনে মানবতা, ন্যায়বিচার, সততা, সহনশীলতা, ক্ষমা, দয়া ও পরোপকারের যে অনন্য দৃষ্টান্ত রয়েছে, তা আমাদের প্রত্যেকের জন্য অনুসরণীয়।
বিশেষ করে চিকিৎসক সমাজের জন্য মহানবী (সা.)-এর মানবসেবা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার আদর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কনফারেন্সে মূখ্য সীরাত আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট ইসলামী স্কলার ও লেখক মুফতি আলী হাসান উসামা।
তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবন ও আদর্শের ওপর বিস্তারিত আলোচনা উপস্থাপন করেন।
আল-কুরআনের সূরা আল-আহযাব-এর ২১ নম্বর আয়াতের উদৃতি (‘অবশ্যই তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মধ্যে রয়েছে সর্বাত্তম আদর্শ’) স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনের সর্বক্ষেত্রে সাফল্য ও শান্তি অর্জনে বিশ্বনবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই।
একজন চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্যসেবক হিসেবেও মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ বজায় রেখে আত্মনিয়োগ করতে সীরাতের শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, হলি সিলেট হোল্ডিং লিমিটেড-এর পরিচালনা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফখরুল ইসলাম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. ওয়েছ আহমদ চৌধুরী।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. তহুর আবদুল্লাহ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত পাঠ করেন, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা জাদুল আহমদ। নাতে রাসুল (স.) পাঠ করেন শিল্পী হেলাল আহমদ।
কনফারেন্সে কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক, শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
» জিন্দাবাজারে ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর ব্যস্ততম এলাকা জিন্দাবাজারে অবস্থিত ‘ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সেন্টার’-এ রবিবার মধ্যরাতে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের স্থান পরিদর্শন করেছেন, সিলেটের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) পরিদর্শকালে নেতৃবৃন্দ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব, সিলেট জেলার মহাসচিব ও সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান রিপন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার সাংগঠনিক সচিব নিয়াজ মো. আজিজুল করিম, সিলেট টিম্বার মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল কালাম, শুকরিয়া ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রূপন আহমদ, লালদীঘিপাড় পুরাতন হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুস সোবহান, এলিগেন্ট মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের, সিটি সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান রজব, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া, শুকরিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি ফুয়াদ বির রশিদ, ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শোয়েব আহমদ অভি, সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদ সানি, সহ-সভাপতি সাহেদ মিয়া, সাহিদুল ইসলাম সহ সর্বস্তরের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
পরিদর্শনকালে নেতৃবৃন্দ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানপাট ও মালামালের ক্ষয়ক্ষতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে বলেন, আকস্মিক এই অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীর যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে ব্যবসায়ী সমাজ পাশে থাকবে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী যেন দ্রুত পুনরায় ব্যবসা বাণিজ্য শুরু করতে পারেন, সে লক্ষ্যে ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা ও পাশে থাকার সর্বাত্মক আশ্বাস দেন নেতৃবৃন্দ।
» বিদ্যুৎ লোডশেডিং ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বিএমবিএএফ এর মানববন্ধন
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
ঘন ঘন বিদ্যুৎ লোডশেডিং, ভৌতিক বিল তৈরি এবং সিলেটে প্রতিনিয়ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় নগরীর বন্দর বাজারস্থ ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্টে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএএফ) সিলেট বিভাগ, জেলা ও মহানগর শাখার যৌথ উদ্যোগে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি ও জাতীয় সদর দপ্তরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্করের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিকের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগীয় সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, বিএমবিএএফ জাতীয় সদর দপ্তরের সহকারী মহাসচিব মনোরঞ্জন তালুকদার।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগীয় সহ-সভাপতি মো. মুসলেহ উদ্দিন আহমদ, শ্যামল চৌধুরী, জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি মধু মিয়া, বিভাগের যুগ্ম সম্পাদক খালেদ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আজম মঞ্জু, আব্দুল ওয়াদুদ, মহিলা সম্পাদিকা শিরিন চৌধুরী, শিশু কিশোর সম্পাদক মোছা. রুনা সুলতানা, বিশিষ্ট সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, নৃপেন্দ্র সিংহ, সিরাজুল হক, সাহেদা বেগম, মো. ইউসুফ সেলু।
এছাড়াও সিলেট বিভাগীয়, জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দসহ মানবাধিকারকর্মী, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা সিলেট অঞ্চলে চলমান বিদ্যুৎ সংকট ও ভৌতিক বিলের কারণে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন।
একই সাথে নগরী ও জেলাজুড়ে সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধ বৃদ্ধি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বক্তারা।
বক্তারা আরো বলেন, অসহনীয় লোড শেডিংয়ের ফলে সাধারণ মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, তার ওপর ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটছে।
অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদারকির মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
কর্মসূচী থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জোরালো দাবি জানানো হয়।
» ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ডে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
বিপদে স্বাবলম্বী মানুষও নিঃস্ব হন পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড সিটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ‘বন্ধন টেইলার্স অ্যান্ড ফেব্রিক্স’ পরিদর্শন করেছেন, সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত দোকানটি পরিদর্শন করেন।
এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী অলিউর রহমান সাদ্দামের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর প্রতি সহমর্মিতা জানান।
এসময় মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, যেকোন আকস্মিক দুর্ঘটনায় স্বাবলম্বী মানুষও নিঃস্ব হয়ে যেতে পারেন। এমন সময়ে বিপদগ্রস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামর্থ্যবানদের নৈতিক দায়িত্ব।
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একজন ব্যবসায়ী ভাই আজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মানবতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছি এবং সহমর্মিতা জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতি হয়তো কারও পক্ষেই পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে সবাই সাধ্যমতো এগিয়ে এলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর সাময়িক বিপদ কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
যেকোন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ প্রয়োজন। মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনকে এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর কল্যাণে সরকারসহ সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, ‘বন্ধন টেইলার্স অ্যান্ড ফেব্রিক্স’-এর স্বত্বাধিকারী অলিউর রহমান সাদ্দামসহ ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড সিটির ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড সিটির তৃতীয় তলায় অবস্থিত ‘বন্ধন টেইলার্স অ্যান্ড ফেব্রিক্স’-এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এতে দোকানটির প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
» সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রণ্ট সিলেট জেলা কমিটি গঠিত
Published: ৩১. আগ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রণ্ট সিলেট জেলা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এক সভা সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকাল ৫টায় আম্বরখানাস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রণ্ট সিলেট জেলা সংগঠক জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর ও জেলা সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পাল।
সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রণ্ট এর সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক রুমন বিশ্বাস, মনাই মিয়া, সোহেল আহমদ, কুটি মিয়া, বাবুল হোসেন প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন, কৃষি দেশের অর্থনীতিতে নির্ভরযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ খাত।
মোট শ্রমশক্তির ৪৪ ভাগ কৃষিতে যুক্ত।রাষ্ট্র ও সরকারের চরম অবহেলার পরেও একক খাত হিসেবে কৃষি জিডিপিতে ১১ শতাংশ অবদান রাখছে।
বক্তারা বলেন, দেশে চলমান সার সংকটের কারণে কৃষক ফসলি জমিতে সার দিতে পারছে না। সময়মতো সার না দিতে পারায় ফসলের ক্ষতি হচ্ছে।
আবার কিছু স্থানে অনেক ডিলার বেশি দামে সার বিক্রি করছে, ফলে কৃষকের লোকসান আরো বেড়ে যাচ্ছে।
বক্তারা অবিলম্বে অবিলম্বে কৃষকদের পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত, সার সহ কৃষি উপকরণের দাম কমানো, দুর্নীতিবাজ ডিলার সহ সার কেলেংকারির সাথে জড়িত দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
বক্তারা ক্ষেতমজুরদের সারা বছরের কাজ, গ্রাম-শহরে শ্রমজীবীদের জন্য আর্মি রেটে রেশনিং এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দুর্নীতি, দলীয়করণমুক্ত ভাবে কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের আহ্বান জানান।
সভায় জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন কে আহ্বায়ক, রুমন বিশ্বাসকে যুগ্ম আহ্বায়ক, প্রীতম দাসকে সদস্য সচিব ও আনোয়ার হোসেন, মনাই মিয়া, সোহেল আহমদ, কুটি মিয়া,আলী হোসেন, বাবুল মিয়াকে সদস্য করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রণ্ট সিলেট জেলা কমিটি গঠন করা হয়।
» বিএইচআরসি’র মাসিক সভা; আর্থিক অনুদান ও টিউবওয়েল প্রদান
Published: ৩০. আগ. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (BHRC) এর সিলেট জেলা শাখার নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৩০ আগষ্ট) মির্জাজাঙ্গালস্থ হেটেল নির্ভানা ইন’র হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা শাখার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি লোকমান হেকিমের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ সভায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার এক অসহায় পরিবারকে দশ হাজার টাকা অনুদান এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে একটি টিউবওয়েল প্রদান করা হয়।
এছাড়া সিলেট জেলার আওতাধীন সকল উপজেলায় সংগঠনের কমিটি গঠনের মাধ্যমে মানবাধিকারের কাজকে আরও বেগবান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি রাসেল মাহবুব, আজিম উদ্দিন, লিটন মিয়া, সৈয়দ বাহারুল ইসলাম রিপন, যুগ্ম-সম্পাদক আসাদুজ্জামান রনি, কামরুল ইসলাম, আকবর মিয়া, তৌরিস মিয়া, শাহীন হোসেন, নাজিম উদ্দিন, জিয়াউর রহমান খান চৌধুরী, আব্দুল হাকিম, অর্থ সম্পাদক মুশাহিদ আলী, যুগ্ম অর্থ সম্পাদক মাহবুব মিয়া, হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আলম আলমাস, আউয়াল আহমদ, সোহেল মিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইমাম উদ্দিন কামাল, আইন বিষয়ক সম্পাদক উত্তম কুমার চৌধুরী, তারেশ কান্তি দাশ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রোকসানা বেগম, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক রোকন উদ্দিন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক বুরহান উদ্দিন ফাউজি, দপ্তর সম্পাদক শামীম আহমদ, আহসান হাবিব, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল, ফজলুল করিম, নির্বাহী সদস্য শাহরিয়ার হোসেন, ফজলুল হক চৌধুরী, নাছির উদ্দিন, জামাল উদ্দিন, সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।
» নারীশিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্ব দিতে হবে : সিসিক প্রশাসক
Published: ৩০. আগ. ২০২৬ | রবিবার
দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। কোন অঞ্চলের মানুষ যত বেশি শিক্ষিত হবে, সেই অঞ্চলের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিও তত বেশি হবে।
তাই শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে দক্ষিণ সুরমার মোহাম্মদ মকন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক নারী শিক্ষার্থীর উপস্থিতি আমাকে আশাবাদী করেছে।
নারীশিক্ষার প্রসার ছাড়া একটি দেশ ও সমাজের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। নারীদের শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাঁদের সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, নারীশিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নকে আমরা সবসময় গুরুত্ব দিয়ে আসছি।
প্রাথমিক শিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের শিক্ষা সহজলভ্য করা এবং নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন সময়ে নানা উদ্যোগ নিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নারীরা শুধু শিক্ষার্থী হিসেবে নয়, পরিবার ও সমাজ গঠনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
একজন শিক্ষিত নারী একটি শিক্ষিত ও সচেতন পরিবার গড়ে তুলতে পারেন। তাই নারীশিক্ষায় বিনিয়োগ মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিনিয়োগ।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করতে রাষ্ট্রকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
শিক্ষাখাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ এবং শিক্ষার আধুনিকায়নের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
সিসিক প্রশাসক কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শুধু ভালো ফলাফল করলেই হবে না; শিক্ষার্থীদের সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। নিজেদের মেধা ও যোগ্যতাকে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।
স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্য দেন, সাবেক অধ্যক্ষ ফজলুল হক চৌধুরী, সিসিকের সাবেক কাউন্সিলর মো. রায়হান হোসেন এবং এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি আজাদ মিয়া ও এমদাদ হোসেন।

