- সিলেটে কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় বাণিজ্যমন্ত্রী
- সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের অভিনন্দন
- ফুলেল শুভেচ্ছায় মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে বরণ করল সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদল
- সরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন
- সিলেটে নাজিরেরগাঁও জামেয়ায় তামাদ্দুনিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
- নগরীর মেন্দিবাগে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস প্রোগ্রাম ‘ব্যবসায়ীরা নিলেন কিউ আর কোড’
- সবাইকে মানবিক কাজে এগিয়ে আসা দরকার : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
- সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ‘অ্যাক্রেডিটেশন’ উদযাপন বৃহস্পতিবার
- বি.কে.এম সিলেট মহানগর শাখার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
- সিলেটে বাণিজ্যমেলা শান্তিপূর্ণভাবে সফলে বাণিজ্যমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি
» সিলেটে কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় বাণিজ্যমন্ত্রী
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
শিক্ষা ও গবেষণায় বিনিয়োগ দেশের উন্নতির প্ল্যাটফর্ম রচনা করে
নিউজ ডেস্কঃ
শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে মেধার কোন বিকল্প নেই।
বিশ্বের যেসব দেশ উন্নতি করেছে, তারা শিক্ষা, গবেষণা ও নতুন নতুন উদ্ভাবনে বিনিয়োগ করেছে।
এসব ক্ষেত্রে বিনিয়োগ শুধু দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করে না, বরং দেশের সামগ্রিক উন্নতির শক্ত ভিত্তি তৈরি করে। আমরা এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও সিলেট সদর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অনেক মেধাবী ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন, যারা প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করছেন।
আমরা সিলেটে একটি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করতে চাই। এর মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে কাজে লাগানোর সুযোগ পাবে।
তাঁরা নিজেদের উন্নতির পাশাপাশি জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখতে পারবে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। তাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে হবে, যাতে তারা নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে।
শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অনেক সময় ব্যয় করতে হয়। তাই মাদকের পেছনে সময় ব্যয় করার সুযোগ নেই।
তবু সতর্ক থাকতে হবে যাতে কেউ মাদকে জড়িয়ে না পড়ে। নিজেদের মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে এবং অন্যদেরও মাদক থেকে দূরে থাকার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, অতীতে সিলেটের অনেক মেধাবী মানুষ দেশ ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
কিন্তু নানা কারণে বর্তমানে আমরা পিছিয়ে পড়েছি। এই অবস্থার পরিবর্তন করতে হলে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, সিলেটের শিক্ষাক্ষেত্রকে আরও এগিয়ে নিতে আমরা নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছি। দেশের বিভিন্ন পেশা ও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সিলেটের মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।
কারণ বিভিন্ন পেশায় আমাদের যোগ্য ও দক্ষ প্রতিনিধিত্ব না থাকলে আঞ্চলিক উন্নয়ন ও বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হয়। সিলেটকে এগিয়ে নিতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিলেট সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অভিজিত কুমার পাল।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর ড. দিদার চৌধুরী, সিলেট ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ আ ফ ম মোরতাহিন বিল্লাহ এবং সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াত।
এবার সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও সিলেট সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ হাজার ৬৭৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এর মধ্যে এসএসসিতে ১ হাজার ৫৫৫ জন, মাদ্রাসায় ৯১ জন এবং ভোকেশনালে ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনুভূতি প্রকাশ করেন রেজওয়ানা হালিম তাহিয়া ও আহমেদ ওয়াকিল।
এ সময় সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন, প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা।
» সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের অভিনন্দন
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা যুবদলের নতুন আংশিক কমিটির সভাপতি মকসুদ আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু এবং মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা সম্রাট হোসেন ও সাধারন সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন দিনার সহ নবগঠিত সকল নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ভিপি মাহবুবুল হক চৌধুরী ও সদস্য সচিব আফছর খান।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক শুভেচ্ছা বার্তায় সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ বলেন, সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নতুন তরুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠন আরও সুসংগঠিত, গতিশীল ও শক্তিশালী হবে-এটাই প্রত্যাশা।
দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও ঐক্যকে ধারণ করে নবগঠিত নেতৃবৃন্দ তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে সংগঠনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নেতৃবৃন্দ নতুন নেতৃত্বের সফলতা, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার সাফল্য কামনা করেন।
» ফুলেল শুভেচ্ছায় মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে বরণ করল সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদল
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে বরণ করে নিয়েছেন নবগঠিত সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ।
এ সময় সিলেট যুবদল নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ, মহানগর সভাপতি মির্জা মোহাম্মদ সম্রাট, জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, মহানগর ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসিন মেহেদী প্রিন্স এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমদ।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির নবগঠিত জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানান।
তিনি নেতাকর্মীদের সংগঠনের শৃঙ্খলা ও ঐক্য বজায় রেখে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখার পরামর্শ দেন।
মন্ত্রী বলেন, সংগঠনের দায়িত্ব পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
নেতাকর্মীদের মানুষের পাশে থেকে সততা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনের মধ্য দিয়েই একটি সংগঠন আরও শক্তিশালী হয়।
তিনি নবগঠিত সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতৃবৃন্দকে পারস্পরিক সমন্বয় ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।
» সরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
সরকার আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে : মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত মানোন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
শিক্ষার সুযোগ সবার কাছে পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশের মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মাণের পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে হবে।
শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মেধা বিকাশের উপযুক্ত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি আরো বলেন, কোমলমতি শিশুদের গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে আধুনিক ও মানসম্মত পরিকাঠামো অত্যন্ত জরুরি। নতুন এই ভবন নির্মাণের ফলে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা আরও উন্নত পরিবেশে পড়াশোনা করার সুযোগ পাবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জিন্দাবাজারস্থ সরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন নির্মিত ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যৌথভাবে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক কুমকুম ইয়াসমিনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সদর উপজেলার ইউএনও খোশনূর রুবাইয়াত, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশেদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মোঃ নেয়ামত উল্লাহ।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মাহবুব কাদির শাহী, সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, সহকারি শিক্ষক ফাহমিদা পারভীন, রোমানা বেগম, সুলতান আহমদ, উম্মে সালমা বেগম, শর্মিলা রায়, ফাহিমা বেগম, বিদ্যালয় কল্যাণ সমিতির সভাপতি আখতার ফারুক লিটন, পিটিএ কমিটির সভাপতি মুন্সী ইকবাল।
ভবন উদ্বোধনের সময় মোনাজাত পরিচালনা করেন শফিক-রফিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো: আতাউর রহমান।
পবিত্র কুরআন তেলায়াত থেকে পাঠ করেন বিদ্যালয়ের ছাত্রী নুসরাত জাহান জেরিন। গীতা পাঠ করেন, পুনম শর্মা।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সুশীল সমাজের স্থানীয় প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেটে নাজিরেরগাঁও জামেয়ায় তামাদ্দুনিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
মেধা ও নৈতিক বিকাশে রাসুল (সা.) এর অনুসরণ অনস্বীকার্য : মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও নৈতিক বিকাশে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ অনস্বীকার্য।
তাঁদের কাছে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ তুলে ধরতে হবে। পিতা, শিক্ষক ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে নবীজী (সা.) অনন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে তামাদ্দুনিক প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। যত্ন ও উৎসাহের মাধ্যমে তাদের এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন জাগিয়ে তুলতে হবে।
সাপ্তাহিক তামাদ্দুনিক সভার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা যাচাইয়ে জামেয়া নিয়মিত এধরনের আয়োজন করে আসছে।
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে বিষয়গুলো সহজভাবে উপস্থাপনের পাশাপাশি যার যে দক্ষতা রয়েছে, তা আরও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসার নাজিরেরগাঁও সিলেট আয়োজিত তামাদ্দুনিক ও সীরাত বিষয়ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেন, আত্মীয়তার বন্ধন সুদৃঢ় রাখা, মেহমানদের প্রতি আন্তরিকতা, অসহায় মানুষের বোঝা বহন, অভাব দূরীকরণ এবং ভালো কাজে সহযোগিতার ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন অনন্য।
আল্লাহ প্রদত্ত আইনের বাস্তবায়নের সুফল তিনি মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছেন। সমাজ সংস্কারক ও নবী-রাসুল হিসেবে তাঁর জীবন আমাদের জন্য আদর্শ।
তামাদ্দুনিক ও সীরাত সপ্তাহ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা হানীফ হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মাওলানা আমীর হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত করেন, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী হাফিজ আইমান আল কাবীর।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জামেয়ার শিক্ষক খোরশেদ আলম মহসিন, মো. শাহীন আলম, মাওলানা আবদাল হোসাইন, তানভীর হোসাইন, মনির হোসাইন, সিদ্দিকুর রহমান, আজিজুর রহমান, আলাউদ্দিন, হাফিজ মেহেদী হাসান, মাওলানা আব্দুল খালিক, হাফিজ ইমরান আহমদ, মাওলানা কায়েস আহমদ, মাওলানা হোসাইন আহমদ, হাফিজ সাইদুজ্জামান, ছাত্র সংসদের ভিপি হাফিজ ফাহাদ আহমদ, জিএস আব্দুর রাজ্জাক সৈয়দ, ছাত্র সংসদের ভিপি রাফা আঞ্জুম ও জিএস ফেরদৌসী জান্নাত নওশীন প্রমূখ। অনুষ্ঠানে জামেয়ার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।
» নগরীর মেন্দিবাগে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস প্রোগ্রাম ‘ব্যবসায়ীরা নিলেন কিউ আর কোড’
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
আসছে দিন সমূহে আর কেউ নগদ টাকা বহন করবে না সবার কাছে থাকবে একটি করে কিউ আর কোড।
ব্যাংকের একাউন্টে টাকা রেখে দেশের যেকোন প্রান্তে ঘুরবেন একটি মাত্র কোড নিয়ে। সারাদেশে পূবালী ব্যাংক সেই গণ সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পূবালী ব্যাংক শাহজালাল উপশহর শাখার ক্যাশলেস ক্যাম্পেইনে এসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন ব্যাংকের সিলেট প্রিন্সিপাল অফিসের মহাব্যবস্থাপক চৌধুরী মোহাম্মদ শফিউল হাসান।
শাহজালাল উপশহর শাখার ব্যবস্থাপক এজিএম শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, মেন্দিবাগ অগ্রসর যুব সংঘের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, টাইলস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি শামীম আহমদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন ফিরোজ, নাজিম উদ্দীন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের জিএম চৌধুরী মোহাম্মদ শফিউল হাসান এর হাত থেকে মেন্দিবাগের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কিউ আর কোড গ্রহণ করেন।
» সবাইকে মানবিক কাজে এগিয়ে আসা দরকার : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
দিনভর বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও পরিদর্শন
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিলেট-৬ আসনের (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এরই যেন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী, বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও আলীনগর ইউনিয়নের কৃতিসন্তান মঞ্জুরুস সামাদ চৌধুরী।
তিনি তাঁর বাবা-মার নামে গড়ে তোলা ট্রাস্টের অর্থায়নে বিয়ানীবাজার উপজেলার অসহায় মানুষদের মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় অর্থশত ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। আজও আমরা এমন একটি ঘরের চাবি অসহায় একটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করছি।
তিনি আরও বলেন, মঞ্জুরুস সামাদ চৌধুরীর মতো মানুষদের কাছে থেকে অনুপ্রাাণিত হয়ে আমাদের সবার এভাবে সামাজিক উন্নয়নে ও মানবিক কাজে এগিয়ে আসা দরকার। আর এতেই একটি সুখি-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে পারবো আমরা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকালে ‘মুহিবুছ সামাদ ও কামরুন্নেছা চৌধুরী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’র অর্থায়নে তৈরি ঘরের চাবি উপকারভোগীর কাছে হস্তান্তরের সময় এমপি এমরান চৌধুরী এসব কথা বলেন।
এসময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও আলীনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ মামুন, সিলেট মহানগর জাসাসের সভাপতি রাসেল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক রায়হান এইচ খান, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি শামিম আহমদ ও মহানগর জাসাস নেতা সি এম আব্দুল্লাহ আরিফ প্রমুখ।
এদিকে, মঙ্গলবার দিনভর এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন ও পরিদর্শন করেছেন।
এসবের মধ্যে ছিলো, হেতিমখানি জামে মসজিদ পরিদর্শন, ওই এলাকার রাস্তা পরিদর্শন, কাদিমলিক কলাপাড়া গ্রামের রাস্তা পরিদর্শন, দিঘীরপার রাস্তা পরিদর্শন, খাসা-কাদিমলিক রাস্তা পরিদর্শন, কনকলস সিএন্ডবি হইতে মেঘার খাল পরিদর্শন, করগ্রাম সিএন্ডবি রাস্তা পরিদর্শন, রায়খাইলের স্কুলের বিল্ডিং ও নদী ভাঙ্গন পরিদর্শন, রায়খাইল গ্রামে মঞ্জুরুস সামাদ চৌধুরী মামুন সাহেবের ট্রাস্টের পক্ষ থেকে নির্মিতব্য একটি ঘরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, উজানটাকি সুরমা ডাইক ও সিএন্ডবি পর্যন্ত রাস্তা পরিদর্শন, রামধা ত্রিমূহনী থেকে সুরমা নদী পর্যন্ত ড্রেন পরিদর্শন, নিজ মোহাম্মদপুর গ্রামের রাস্তা পরিদর্শন, উত্তর চন্দগ্রামের রাস্তা পরিদর্শন, চন্দগ্রাম মোকাম-বায়তুর রাহাহ জামে মসজিদ রাস্তা পরিদর্শন এবং চন্দগ্রাম পূর্ব রাস্তা পরিদর্শন।
» সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ‘অ্যাক্রেডিটেশন’ উদযাপন বৃহস্পতিবার
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ‘অ্যাক্রেডিটেশন’ অর্জন উপলক্ষে আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী উদযাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
» বি.কে.এম সিলেট মহানগর শাখার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
আল্লামা মামুনুল হকের ১১ অক্টোবর রেজিষ্টারী মাঠে নাগরিক সমাবেশ সফল করে তুলুন : আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম
নিউজ ডেস্কঃ
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানী তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ এর সংকট ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির প্রতিবাদের ১১ অক্টোবর রবিবার রেজিস্টারী মাঠে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহতারাম আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হকের বিশাল নাগরিক সমাবেশ সফলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার বর্ধিত দায়িত্বশীল সভা মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব লালদিঘীরপারস্থ কার্যালয়ে শাখা সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বি.কে.এম যুক্তরাজ্য শাখার সহ-সভাপতি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মৌলভীবাজার-৩ আসনের রিক্সা প্রার্থী, বিশিষ্ট লইয়ার শেখ মাওলানা সালেহ আহমদ হামিদী, বি.কে.এম মহানগর শাখার সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল পীর মাওলানা আব্দুল জব্বার, মাওলানা মুহিবুর রহমান, মাওলানা সানা উল্লাহ, মাওলানা কমর উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিজ কয়েছ আহমদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি মাওলানা আব্দুল সালাম, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মাওলানা ফয়জুন নুর, সহ-বায়তুল মাল সম্পাদক ক্বারী মাওলানা আব্দুল মালিক, প্রচার ও মিডিয়া সমন্বয়ক মাওলানা মনিরুল ইসলাম চৌধুরী ফুহাদ, সহ-প্রচার সম্পাদক মাওলানা শামসুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাজি আব্বাস জালালী, মুহাম্মদ শাব্বির আহমদ, মুহাম্মদ সিকন্দর আলী, মাওলানা আইয়ুব আলী কামালী, মুফতি মোস্তফা হোসাইন, হাফিজ তারেক হাসান, মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা আব্দুল মুহাইমিন, মাওলানা বুকাইর আহমদ, হাফিজ মিনহাজুস সিরাজ, মাওলানা আব্দুস শহীদ, মাওলানা অলিউর রহমান, মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান, মাওলানা হুসাইন আহমদ, মাওলানা শফিকুল আলম, মাওলানা এমাদ উদ্দিন রাজু, মাওলানা জাকারিয়া, মীর মুহাম্মদ রাহাত, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলবাব, মাওলানা শাহিনুর পাশা মাহমুদী, মিজানর রহমান আলী, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি রিদওয়ানুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক ফাহিম কামালী প্রমুখ।
সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমীরে মজলিস শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হকের দেশব্যাপী নাগরিক সমাবেশের অংশ হিসেবে ১১ অক্টোবর সিলেট ঐতিহাসিক রেজিষ্টারী মাঠে বি.কে.এম মহানগর শাখার উদ্যোগে এক বিশাল নাগরিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
এতে সংগঠনের বিভিন্ন ওয়ার্ড শাখা থেকে নেতাকর্মী ও সিলেটের সর্বস্তরের জনগণকে উপস্থিত থেকে সমাবেশকে সফল করে তুলার আহবান জানান।
» সিলেটে বাণিজ্যমেলা শান্তিপূর্ণভাবে সফলে বাণিজ্যমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে আগামী ১০ অক্টোবর থেকে মাসব্যাপী ‘সৃজনশীল পণ্য প্রদর্শনী, শিল্প-পণ্য ও বাণিজ্য মেলা ২০২৬’ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মেলাটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলাজনিত সহযোগিতা চেয়েছে সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (SWCCI)।
এ বিষয়ে সিলেটে সফররত বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির সহ সিলেটের জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।
স্মারকলিপিতে মেলা শুরুর আগে থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, মেলা প্রাঙ্গণ ও আশপাশে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি, বিশৃঙ্খলা বা জোরপূর্বক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে তা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, দর্শনার্থী ও আয়োজকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, সিলেটের শাহ ঈদগাহ মাঠে মাসব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সিলেটের স্থানীয় ও নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্য, সৃজনশীলতা ও ব্যবসার সম্ভাবনাকে বৃহত্তর ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
একই সঙ্গে স্থানীয় পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক সংযোগ বৃদ্ধি এবং সিলেটের স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করাও মেলার লক্ষ্য।
আয়োজকদের ভাষ্য, মেলার প্রশাসনিক অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমতি যথাযথভাবে নেওয়া হয়েছে এবং মেলার সার্বিক প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন।
নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়ে সম্মতি জানানো হয়েছে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে মেলা আয়োজনের বিষয়টি সামনে আসার পর সিলেটের কিছু ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট কিছু মহল থেকে আপত্তি, অভিযোগ এবং মেলা বন্ধের দাবি ওঠার বিষয়টিও জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেছে সংগঠনটি।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ ও উদ্বেগকে সম্মানের সঙ্গে বিবেচনা করা হলেও একটি অনুমোদিত বাণিজ্যিক আয়োজন যাতে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি, চাপ, প্রতিবন্ধকতা বা আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যার কারণে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি লুবানা ইয়াছমিন শম্পা স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, সংগঠনটি কোনো পক্ষের সঙ্গে বিরোধে যেতে চায় না।
আইন, বিধি-বিধান, পারস্পরিক সম্মান ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ভিত্তিতে মেলাটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে চায় তারা।
এ জন্য নির্ধারিত ১০ অক্টোবর থেকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবেশে মেলা শুরু এবং মাসব্যাপী নির্বিঘ্নে পরিচালনার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ ও প্রশাসনিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে বিশেষভাবে মেলা শুরুর পূর্ব থেকেই সমাপ্তি পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, মেলা প্রাঙ্গণ ও আশপাশে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধ এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, দর্শনার্থী ও আয়োজকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
» স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসে তিন দিনব্যাপী বইমেলা, বুক রিভিউ ও শিশু লেখকের টক শো অনুষ্ঠিত
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, বইয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা সৃষ্টি এবং তাদের চিন্তা, বিশ্লেষণ ও প্রকাশক্ষমতাকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসে তিন দিনব্যাপী ‘স্কলার্সহোম বইমেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আয়োজিত এই বইমেলার প্রতিপাদ্য ছিল- “পড়ো, ভাবো, পর্যালোচনা করো ও অনুপ্রাণিত হও”।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন (আরণ্যক শামছ) এর বিশেষ পরিকল্পনা ও উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এ মেলায় শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল বই প্রদর্শনী ও বিক্রয়, বই নির্বাচন, পাঠ-চ্যালেঞ্জ, শ্রেণিভিত্তিক বইমেলা পরিদর্শন এবং সর্বশেষ দিনে বুক রিভিউ ও টক শো।
আয়োজনটির মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের মধ্যে আজীবন পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, মানসম্মত বই পড়ায় উৎসাহিত করা এবং বই পড়ে নিজের ভাবনা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রকাশের সুযোগ তৈরি করা।
বর্ণাঢ্য উদ্বোধন:
২০ সেপ্টেম্বর বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার উদ্বোধন করেন।
এ সময় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসে সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দের বই সংগ্রহ করে পাঠ-অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি বইকে ঘিরে নতুন করে ভাবার সুযোগ পায়।
বইমেলার দ্বিতীয় দিনে শিক্ষার্থীরা নির্বাচিত বই পড়া, বই বিশ্লেষণ এবং বুক রিভিউ উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেয়। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বই বিশ্লেষণ, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উপস্থাপন এবং শ্রোতাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
২২ সেপ্টেম্বর: বুক রিভিউ ও টক শো
বইমেলার তৃতীয় ও সমাপনী দিনে আয়োজিত বুক রিভিউ ও টক শো ছিল পুরো আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ।
এদিন শিক্ষার্থীরা বইমেলা থেকে নিজেদের পছন্দ করে কেনা ও পড়া বই নিয়ে মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাদের বইয়ের কাহিনি, চরিত্র, প্রিয় অংশ, মূলভাব, নৈতিক শিক্ষা এবং ব্যক্তিগত উপলব্ধি তুলে ধরে।
বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে। শিক্ষার্থীদের পাঠের প্রতি আগ্রহ, চিন্তার গভীরতা এবং নিজেদের মতামত প্রকাশের সাবলীলতা ছিল বিশেষভাবে প্রশংসনীয়।
বুক রিভিউতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা:
বুক রিভিউ পর্বে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা হল-জশজিৎ দাস অগ্নি, মুনতাহা হোসেইন, ইজমা বিনতে ইকবাল, জাহরা আমানা খান, নাইরা মাহমুদ, আয়েশা রেশতিনা আফিফাহ, দেবনীল সাহা, সাইদা মাহরীন হোসেইন, শোয়াইব আহমদ তাকি, টিএম আল ইমরান আরাফাত, রুশদা রহমান, রাদওয়া সুহাদ চৌধুরী এবং সিদরাতুল মুনতাহা। তারা নিজ নিজ নির্বাচিত বইয়ের কাহিনি, চরিত্র, শিক্ষণীয় বিষয়, প্রিয় অংশ এবং বইটি পড়ে তাদের ব্যক্তিগত উপলব্ধি অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন করে।
নবীন ও শিশুলেখক দেবনীল সাহার বই নিয়ে ব্যতিক্রমী টক শো:
অনুষ্ঠানের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ ছিল পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিশুলেখক দেবনীল সাহার নিজের লেখা বই ‘গুপ্তধনের খোঁজে’ নিয়ে বিশেষ টক শো- ‘একজন লেখকের দৃষ্টিতে’।
একজন স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীর নিজের লেখা বইকে কেন্দ্র করে এমন একটি সৃজনশীল আয়োজন উপস্থিত সবার মধ্যে বিশেষ আগ্রহ তৈরি করে।
দেবনীল তার লেখালেখির অভিজ্ঞতা, বইটির ভাবনা এবং সৃষ্টির পেছনের গল্প নিয়ে কথা বলে। তার আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য, সৃজনশীলতা ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে এক অনন্য মাত্রা যোগ করে।
টক শোটি অত্যন্ত দক্ষতা ও সাবলীলতার সঙ্গে সঞ্চালনা করেন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রুশদা রহমান। তার আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনা, সুন্দর প্রশ্ন এবং অনুষ্ঠান পরিচালনার দক্ষতা উপস্থিত সকলের প্রশংসা অর্জন করে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ড. তপন কুমার সাহা, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, সিলেট।
তিনি কিশোর লেখক দেবনীল সাহার পিতা। সন্তানের এমন সৃজনশীল ও অসাধারণ অর্জনে তিনি গর্বিত এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে দেবনীলের এই সাফল্যকে উৎসাহিত করেন।
অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিনের বিশেষ মূল্যায়ন:
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন (আরণ্যক শামছ) নিজে দেবনীল সাহার লেখা ‘গুপ্তধনের খোঁজে’ বইটি পড়ে এর বিষয়বস্তু, সৃজনশীলতা ও সম্ভাবনার প্রশংসা করেন। তিনি অনুষ্ঠানে বইটি নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনাও প্রদান করেন।
অধ্যক্ষ বলেন, একজন শিক্ষার্থীর হাতে লেখা একটি বই শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি অন্য শিক্ষার্থীদেরও লেখালেখি, সৃজনশীলতা ও পাঠচর্চায় উৎসাহিত করতে পারে।
তিনি আরও জানান, দেবনীল সাহার ‘গুপ্তধনের খোঁজে’ বইটি নিয়ে তিনি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় একটি পর্যালোচনা প্রকাশের উদ্যোগ নেবেন।
পাঠ থেকে প্রকাশ একটি সুন্দর শিক্ষামূলক প্রয়াস:
স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসের এই তিন দিনব্যাপী বইমেলা কেবল বই কেনাবেচার আয়োজন ছিল না; এটি ছিল বই পড়া, বই নিয়ে ভাবা, নিজের উপলব্ধি প্রকাশ করা এবং অন্যের চিন্তাকে জানার একটি সম্মিলিত শিক্ষামূলক প্রয়াস।
বুক রিভিউ ও টক শোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেমন পাঠের আনন্দ পেয়েছে, তেমনি তাদের বক্তৃতা, উপস্থাপন, সমালোচনামূলক চিন্তা, আত্মবিশ্বাস ও যোগাযোগ দক্ষতা বিকাশেরও সুযোগ তৈরি হয়েছে।
স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাস বিশ্বাস করে, একটি ভালো বই একজন শিশুর চিন্তার জগৎকে বদলে দিতে পারে। তাই শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা এবং তাদের সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ ঘটানো আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান প্রতিষ্ঠানের কোঅর্ডিনেটর সুমিত্রা মজুমদার।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও দেশখ্যাত শিল্পী মোমিতা সিনহা।
বই হোক জ্ঞানের সঙ্গী, চিন্তার আলো এবং স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণা।

» দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে সিলেটে যুবদলের প্রতিবাদ সমাবেশ
Published: ২২. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের ঠাঁই বাংলাদেশে আর হবে না : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (এমপি) বলেছেন, বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা প্রতিকূল পরিবেশেও সব সময় রাজপথে ছিল, রাজপথে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
বাংলাদেশের যেই যেই কোনায় হঠাৎ করে দুইএকজন ছবি তোলার জন্য কোথায় উকি ঝুকি দেয় তারপর তারা চোখের পলকে মিলিয়ে যায়। এই দেশের ছাত্র, যুবক, তরুণ-তরুণী, আবালবৃদ্ধবনিতা থেকে শুরু করে স্কুলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা পর্যন্ত রাজপথে নেমে এদের চিরতরে বিদায় জানিয়ে দিয়েছে।
পুণ্যভূমি সিলেটে কোনো ধরনের অন্যায় বা অনিয়মের আর কোনো ঠাঁই নেই।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন ধরে এই শহরে নির্বিঘ্নে হাঁটাচলার মতো পর্যাপ্ত সুনির্দিষ্ট স্থান ছিল না।
সিলেটের পুরোনো জেলখানার সাড়ে ১০ একর জায়গায় একটি আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মাণ করা হবে এবং এর পাশেই প্রতিষ্ঠা করা হবে একটি সমৃদ্ধ জাদুঘর।
সিলেট শহরের দীর্ঘদিনের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা দূর করতে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি তিনি সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্ব) বিকেলে ঐতিহাসিক রেজিষ্ট্রারী মাঠে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) প্রশাসক ও সিলেট জেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু।
সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু ও মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দিলওয়ার হোসেন দিনার এর যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মোহাম্মদ সম্রাট, সিলেট জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কয়েস আহমদ, সহ মকসুদুল করিম নুহেল, মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসরুর রাসেল, মহানগর যুবদলের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসিন মেহেদি প্রিন্স, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুবের আহমদ, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি এষ, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল বাশার হাবিব, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমদ।
এছাড়াও যুবদলের ১৩টি উপজেলা ও ৫টি পৌর এবং মহানগর ৪২ ওয়ার্ড ও ৬টি থানার বিপুল সংখ্যক যুবদল নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ বলেন, ৫ আগস্টের পর এখন আবার কিছু কিছু টোকাইকে বলতে শোনা যায়, ‘আপা নাকি ডিসেম্বরে ফিরে আসবে!’ আমরাও তো মনে-প্রাণে চাই আপা ফিরে আসুক!
কারণ, আপনার সাথে আমাদের এখনো অনেক হিসেব-নিকেশ বাকি রয়ে গেছে।
আপনি আমাদের মাতৃতুল্য নেত্রীকে অন্যায়ভাবে জেল খাটিয়েছেন; আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা এম. ইলিয়াস আলীকে গুম করেছেন। প্রিয় বন্ধুগণ, প্রস্তুত থাকুন! পাড়ায় পাড়ায় দুর্গ গড়ে তুলুন।
ফ্যাসিস্টদের সব আস্তানা ভেঙে চুরমার করে দিন, গুড়িয়ে দিন। রাজপথেই দেখা হবে!”

