- কদমতলীতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন সিসিক প্রশাসক
- নতুন ওয়ার্ডগুলোতে নগরের সব সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে : সিসিক প্রশাসক
- ২৪টি দলের অংশগ্রহণ, বিজয়ী ৮টি দল; ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ভাবনায় মুখর স্কলার্সহোম টিলাগড়ের বিজ্ঞান মেলা
- চেম্বারের প্রশাসক এজাজ আহমদ চৌধুরীর সাথে সিলেট জেলা রড সিমেন্ট ঢেউটিন মার্চেন্ট গ্রুপের মতবিনিময়
- বিজ্ঞান মেলা ২০২৬; জ্ঞান, কৌতূহল ও উদ্ভাবনের এক প্রাণবন্ত আয়োজন
- গোলাপগঞ্জে উপজেলায় আবুল কাহের চৌধুরী শামীম
- শাহপরান থানা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের ৪১ সদস্য কমিটি গঠন
- কানিশাইল ও ঘাসিটুলা এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
- ১৮ ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
- সিলেটে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
» কদমতলীতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন সিসিক প্রশাসক
Published: ০১. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সুরমার তীরে মোবাইল ব্যবসার পরিত্যক্ত সামগ্রী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর কদমতলী দরিয়াশাহ মাজার সড়কের পাশে সুরমা নদীর তীরে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মোবাইল ও ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিত্যক্ত সামগ্রীসহ অপচনশীল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে।
এতে নদীর পানি ও পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কদমতলী এলাকার নদীতীর পরিদর্শন করে সুরমার তীরে কোন ধরনের বর্জ্য না ফেলতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
এ সময় তিনি বলেন, “আমরা পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য একটি গ্রিন নগরী গড়ে তুলতে চাই। কিন্তু যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
বিশেষ করে পলিথিন ও অন্যান্য অপচনশীল বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার কারণে নদী, ছড়া ও ড্রেনের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়ছে।”
সিসিক প্রশাসক বলেন, “গ্রিন নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হলে এর সুফল সবচেয়ে বেশি পাবেন নগরবাসী।
তাই শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নয়, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তুলতে ব্যবসায়ীসহ সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।”
তিনি বলেন, “ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। নদীর তীর, ছড়া বা ড্রেনে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ভবিষ্যতে কেউ নদীর তীরে কিংবা ছড়া-ড্রেনে বর্জ্য ফেললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী আরও বলেন, “নগরবাসীর জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা এবং তাদের সর্বোচ্চ নাগরিকসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।”
এ সময় তিনি জানান, নগরীর শাহজালাল সেতুর পাশে থাকা খালি জায়গায় একটি ফুটসাল মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এতে ওই এলাকার শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়বে এবং অব্যবহৃত জায়গাটি জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
এ সময় সিসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আক্তার রশীদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
» নতুন ওয়ার্ডগুলোতে নগরের সব সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে : সিসিক প্রশাসক
Published: ০১. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নতুন ওয়ার্ডগুলোতে নগরের সব ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে অনেকগুলো সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিটলাইট স্থাপনের কাজ শেষের পথে। কিছু কাজ চলমান রয়েছে এবং কিছু কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আছে। ধারাবাহিকভাবে এসব উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করা হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও টেকসইকরণের লক্ষ্যে হোল্ডিং ট্যাক্স চালুকরণসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজরটিলার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সভায় সিসিক প্রশাসক বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের অংশ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এসব এলাকার বাসিন্দারাও নগরের অন্যান্য এলাকার মতো সব ধরনের নাগরিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন।
সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
বর্তমানে এর সঙ্গে আরও ১৫টি ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে। কিন্তু সে অনুযায়ী সিসিকের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি পায়নি।
সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় থেকেই উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। তাই নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা আরও সম্প্রসারণের জন্য সিসিকের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
সিসিক প্রশাসক নগরবাসীকে নিয়মিত কর পরিশোধের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো.দেলোয়ার হোসেন নাদিম, সাবেক কাউন্সিলর জয়নাল আবেদীন, সাবেক কাউন্সির সাজেদা বেগম, মো. আহমদুর রহমান চৌধুরী, মো. মুহিবুর রহমান, হারুন রশীদ, মো. তাহির আলী, মো. আবুল কালাম, শাহজাহান আহমদসহ সিসিকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
» ২৪টি দলের অংশগ্রহণ, বিজয়ী ৮টি দল; ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ভাবনায় মুখর স্কলার্সহোম টিলাগড়ের বিজ্ঞান মেলা
Published: ০১. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সৌর ও বায়ুশক্তিতে পরিচালিত স্মার্ট শহর, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সতর্কযন্ত্রসহ নানা প্রকল্প নিয়ে স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বিজ্ঞান মেলা-২০২৬’।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত মেলায় প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ২৪টি দলে অংশ নেয়। এর মধ্যে আটটি দল বিজয়ী নির্বাচিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন।
তাঁরা প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রকল্পের কার্যপদ্ধতি ও ব্যবহার নিয়ে মতবিনিময় করেন।
প্রধান অতিথি প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরীর আন্তরিক উপস্থিতি ও শিক্ষার্থীদের প্রকল্পের প্রতি মনোযোগ আয়োজনটিকে বিশেষ মর্যাদা এনে দেয়।
ক্ষুদে উদ্ভাবকদের সঙ্গে তাঁর সরাসরি মতবিনিময় শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল উৎসাহব্যঞ্জক অভিজ্ঞতা।
নিজেদের ভাবনা ও পরিশ্রমের ফল তাঁর সামনে তুলে ধরতে পেরে তারা আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উপস্থাপনায় অংশ নেয়।
অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিনের নেতৃত্ব, সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহ প্রদানের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের এই সুযোগ তৈরি হয়েছে।
প্রদর্শনী পরিদর্শনের সময় শিক্ষার্থীদের কাজের প্রতি তাঁর আন্তরিক আগ্রহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
বিজয়ী প্রকল্পগুলোর মধ্যে ছিল প্রথম শ্রেণির রবিন ও ময়না শাখার ভাসমান ডিমের পরীক্ষা; দ্বিতীয় শ্রেণির পিজন শাখার পানিচক্র, রং পরিবর্তন ও মোমবাতির পরীক্ষা; তৃতীয় শ্রেণির পদ্মা শাখার পানিচক্র, ওয়াটার ডিসপেনসার ও স্বয়ংক্রিয় সেচব্যবস্থা; চতুর্থ শ্রেণির মধুমতী শাখার ওয়াটার হুইল ও উইন্ডমিল এবং পঞ্চম শ্রেণির ধানসিঁড়ি শাখার নবায়নযোগ্য শক্তিতে পরিচালিত স্মার্ট শহরের মডেল।
ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র শাখা ‘বি’-এর গ্রুপ–১ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সতর্কযন্ত্র উপস্থাপন করে বিজয়ী হয়।
সপ্তম শ্রেণির বিজয়ী দল বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, তড়িৎ বিশ্লেষণ ও বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং অষ্টম শ্রেণির বিজয়ী দল ঘুম প্রতিরোধী সতর্কযন্ত্র, চন্দ্রগ্রহণ, এয়ার কুলার ও পানি থেকে শক্তি উৎপাদনের প্রকল্প প্রদর্শন করে।
আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়ে ছিলেন, একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর সুমিত্রা মজুমদার।
শিক্ষকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সম্মিলিত সহযোগিতায় মেলাটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।
হাতে-কলমে বিজ্ঞান শেখার এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের অনুসন্ধিৎসা, উদ্ভাবনী চিন্তা, দলগত কাজ ও আত্মবিশ্বাস বিকাশের সুযোগ করে দেয়।
» চেম্বারের প্রশাসক এজাজ আহমদ চৌধুরীর সাথে সিলেট জেলা রড সিমেন্ট ঢেউটিন মার্চেন্ট গ্রুপের মতবিনিময়
Published: ০১. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নবনিযুক্ত প্রশাসক এজাজ আহমদ চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেছে সিলেট জেলা রড সিমেন্ট ঢেউটিন মার্চেন্ট গ্রুপ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট চেম্বার ভবনে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত প্রশাসককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
মতবিনিময়কালে সিলেট জেলা রড, সিমেন্ট ও ঢেউটিন মার্চেন্ট গ্রুপের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
পাশাপাশি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আগামী নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সে বিষয়ে নবনিযুক্ত প্রশাসকের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বলেন, সিলেটের ব্যবসায়ী সমাজের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে চেম্বারের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তাই আগামী নির্বাচনকে ঘিরে সকল ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে।
তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, নবনিযুক্ত প্রশাসকের নেতৃত্বে চেম্বারের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় গড়ে উঠবে।
সভায় চেম্বারের নবনিযুক্ত প্রশাসক এজাজ আহমদ চৌধুরী ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সিলেটের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও ব্যবসায়ীদের নানাবিধ সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদানের আশ্বস্ত করেন।
তিনি বলেন, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি স্থানীয় সকল ব্যবসায়ী সংগঠনের সাথে সমন্বয় রেখে ব্যবসায়ীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করে যাবে।
সিলেট জেলা রড সিমেন্ট ঢেউটিন মার্চেন্ট গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমদ চৌধুরীর নেতৃত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা জুবায়ের আহমদ, সহ-সভাপতি সামছ উদ্দিন আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান, ধর্ম সম্পাদক হাজিফ কামরুল ইসলাম, মো. রুবেল আহমদ, হাসান আহমদ প্রমুখ।
সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা শেষে সিলেট জেলা রড সিমেন্ট ঢেউটিন মার্চেন্ট গ্রুপের পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত প্রশাসক এজাজ আহমদ চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়।
» বিজ্ঞান মেলা ২০২৬; জ্ঞান, কৌতূহল ও উদ্ভাবনের এক প্রাণবন্ত আয়োজন
Published: ০১. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বিজ্ঞান শুধু পাঠ্যবইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ কোনো বিষয় নয়; বরং এটি অনুসন্ধান, যুক্তি, কল্পনা ও সৃষ্টিশীলতার এক অনন্ত যাত্রা।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিজ্ঞানমনস্কতা জাগ্রত করা, তাঁদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ ঘটানো এবং উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তব প্রয়োগের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখায় প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হলো এক বর্ণাঢ্য ও প্রাণবন্ত বিজ্ঞান মেলা-২০২৬।
মেলাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিরাজ করছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, কৌতূহলী দর্শনার্থীদের উপস্থিতি এবং নানা ধরনের সৃজনশীল প্রকল্পে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
উদ্বোধনী পর্বে বিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষ শানিজ ফাতেমা ইব্রাহিম বিজ্ঞানচর্চার তাৎপর্য, আধুনিক বিশ্বের অগ্রযাত্রায় বিজ্ঞানের অবদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গবেষণা, অনুসন্ধান ও উদ্ভাবনের পথে এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করেন।
মেলায় প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা মোট ২২টি সৃজনশীল ও আকর্ষণীয় প্রকল্প উপস্থাপন করে।
প্রতিটি প্রকল্পেই প্রতিফলিত হয় শিক্ষার্থীদের কৌতূহল, কল্পনাশক্তি, যুক্তিনির্ভর চিন্তাভাবনা, পর্যবেক্ষণ শক্তি এবং নতুন কিছু আবিষ্কারের অদম্য আগ্রহ।
পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, সহজলভ্য উপকরণের বৈজ্ঞানিক ব্যবহার, দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যার সম্ভাব্য সমাধানসহ বিচিত্র ও সময়োপযোগী বিষয় নিয়ে সাজানো প্রকল্পগুলো দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।
মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিক্ষকদের সৃজনশীল উদ্যোগে নির্মিত রোবট, টেলিভিশন এবং বিজ্ঞানীদের পরিচিতি তুলে ধরা বিশেষ প্রদর্শনী।
এসব ব্যতিক্রমী উপস্থাপনা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ সৃষ্টি করে। প্রতিটি স্টলেই শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের প্রকল্পের উদ্দেশ্য, কার্যপ্রণালি ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি তুলে ধরে।
মেলার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর জয়নুল আবেদিন চৌধুরী, স্কলার্সহোম টিলাগড় শাখার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন তাঁরা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের সৃজনশীল চিন্তা ও উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের অন্যান্য সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন এবং প্রকল্প উপস্থাপনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, প্রাণবন্ত উপস্থাপনা, সৃজনশীল চিন্তাধারা এবং শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতায় পুরো আয়োজনটি পরিণত হয় জ্ঞান ও উদ্ভাবনের এক অনন্য উৎসবে। এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের শুধু বৈজ্ঞানিক ধারণাকে বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে সংযুক্ত করার সুযোগই দেয়নি; বরং তাঁদের অনুসন্ধিৎসা, সৃজনশীলতা, যুক্তিবোধ, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, দলগতভাবে কাজ করার দক্ষতা এবং গবেষণামুখী মানসিকতার বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সর্বশেষে বলা যায়, বিজ্ঞান মেলা ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য শেখা, ভাবা, অনুসন্ধান করা এবং নিজেদের সৃজনশীলতাকে বাস্তব রূপ দেওয়ার এক আনন্দময় ক্ষেত্র।
এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের কেবল বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী করে তোলে না, বরং তাদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে আরও বিস্তৃত করে এবং বিজ্ঞানমনস্ক, সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী প্রজন্ম গড়ে ওঠার পথকে সুদৃঢ় করে।
স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখার এ আয়োজন তাই শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে এক স্মরণীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ী অধ্যায় হয়ে থাকবে।
» গোলাপগঞ্জে উপজেলায় আবুল কাহের চৌধুরী শামীম
Published: ০১. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
কৃষকদের উন্নয়নে ও জনসাধারণের সুবিধার্থে বিভিন্ন উপজেলায় কৃষক বাজার চালু করতে যাচ্ছে সিলেট জেলা পরিষদ
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিলেট জেলা পরিষদ প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেছেন, একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে তারেক রহমানের সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
জনগণের উন্নয়নে বর্তমান রাজনৈতিক দল বিএনপি যে কমিটমেন্ট দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে।
তিনি বলেন, সিলেট জেলা পরিষদ কৃষকদের উন্নয়নে ও জনসাধারণের সুবিধার্থে বিভিন্ন উপজেলায় কৃষক বাজার চালু করতে যাচ্ছে।
এছাড়াও, জনশক্তি রপ্তানিতে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা পরিষদের পক্ষথেকে বেকার যুবক-যুবতীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও বিদেশী ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণ চালু করতে যাচ্ছে।
প্রধান অতিথি আরও বলেন, অনলাইন জোয়া ও মাদক সমাজ থেকে নির্মূলে সরকারের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সমাজ সচেতন সবাই মিলেমিশে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।
আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেন, জেলা পরিষদ থেকে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে এডিপি বিশেষ ও জেলা পরিষদের নিজস্ব খাতের অধীনে গোলাপগঞ্জ উপজেলায় গ্রামীণ রাস্তাঘাট নির্মান, মসজিদ, মন্দির, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানের উন্নয়নে ৪৩টি উন্নয়ন প্রকল্প ইতিমধ্যে বাস্তাবায়িত করার লক্ষ্যে কাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং পিআইসি’র মাধ্যমেও বাস্তবায়িত হচ্ছে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক আরও বলেন, ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরেও এ উপজেলায় আরো ৩২টি উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
গোলাপগঞ্জ উপজেলায় জেলা পরিষদ কর্তৃক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সুধীজনের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথাগুলো বলেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন গোলাপগঞ্জের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম।
জেলা পরিষদ প্রশাসকের একান্ত সচিব আমিন উদ্দিন আহমেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহা আলম, গোলাপগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাশরেফুল আলম।
গোলাপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নোমান উদ্দিন মুরাদ, গোলাপগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মশিকুর রহমান মহি, সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্ট ডা: আব্দুল গফুর, মহিউস সুন্নাহ চৌধুরী নার্জিস, হাসান ইমাদ, গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী শাহীন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সভাপতি হেলালুজ্জামান হেলাল, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল, পৌর বিএনপির ১ম যুগ্ম সম্পাদক জামিল চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল আহমদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন আহমদ মাষ্টার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সুমন চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল আজিজ, পৌর যুবদলের আহবায়ক এনামুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরান চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল আজিজ মুন্না, উপজেলা জাসাস সভাপতি আমীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তানহার আহমদ লায়েক, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সুহেদ আহমদ।
ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে বাঘা ইউনিয়ন সভাপতি নজরুল ইসলাম কলিম, সাধারণ সম্পাদক আহাদূর রহমান কামরুল, ফুলবাড়ি ইউনিয়ন সভাপতি আতাউর রহমান আতা, ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন সভাপতি আতাউর রহমান উতু, সাধারণ সম্পাদক মুহিব হোসেন, বুধবারি বাজার ইউনিয়ন সভাপতি ফখরুল ইসলাম, পশ্চিম আমুড়া ইউনিয়ন সভাপতি মাহবুবুর রহমান লুলু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফফার কুটি, বাদেপাশা ইউনিয়ন সভাপতি লোকমান আহমদ লকুছ, সাধারণ সম্পাদক শাহিন আহমেদ, লক্ষনাবন্ধ ইউনিয়ন সভাপতি ওলিউর রহমান শামীম, লক্ষিপাশা ইউনিয়ন সভাপতি সাহেদ আহমদ শুয়াই, সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, শরীফগঞ্জ ইউনিয়ন সভাপতি শামসুল ইসলাম গেদাই, সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান কামাল সহ স্থানীয় বিএনপি, অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
» শাহপরান থানা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের ৪১ সদস্য কমিটি গঠন
Published: ০১. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট সিলেট মহানগর শাখার আওতাধীন শাহপরান থানা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অসীম কুমার সিংহ বাবলুকে আহ্বায়ক ও টিটন কুমার মল্লিককে সদস্য সচিব করে সিলেট মহানগরের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তুহিন কান্তি নাগ ও সদস্য সচিব রাজিব কুমার দে সম্প্রতি ৪১ সদস্য বিশিষ্ট এই আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেন।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক স্বপন চক্রবর্তী, যুগ্ম আহ্বায়ক করুণাময় সিংহ, মনোজ কান্তি দেব, হিতাংশু ভূষণ কর, বীরেন্দ্র শর্মা, নারায়ণ দেবনাথ, দুর্গা কুমার নাথ, বিশু চন্দ্র দাস, হিমেল কর্মকার, বিলাস ব্যানার্জী, সিনিয়র সদস্য রজত কান্তি পাল রিংকু, সদস্য সনজিৎ কুমার দেব, রঞ্জু পাল, দিলীপ চন্দ্র নাথ, শ্যামল পাল, বিপ্লব দেবনাথ, দেবতোষ পাল, অজয় সূত্রধর, তাপস পুরকায়স্থ, প্রণয় কুমার দাস, শীতু চন্দ্র দাস, বিজয় দেবনাথ বিপ্লব, সন্তোষ রায়, নিত্য লাল পাত্র, জীবন মনি সিংহ, সুবাস চন্দ্র দাস, শুভ কুমার দেব, রাহুল দেব লিটন, প্লাবন ভট্টাচার্য পাপ্পু, বিপুল সিংহ, সন্দীপ রায়, দীপ্ত দাস, শ্যাম শর্মা বুদ্ধ, অনিক দেব, পিংকু মালাকার, নয়ন চন্দ্র পাল, প্রিয়ম মল্লিক, চয়ন দাস, ইমন তালুকদার।
» কানিশাইল ও ঘাসিটুলা এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নাগরিকদের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরীর কানিশাইল ও ঘাসিটুলা এলাকার নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সিটি কর্পোরেশন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।
ঘাসিটুলা কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশের ড্রেন প্রশস্ত ও সংস্কার করা হবে। কানিশাইলে ছড়ার ওপর সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে স্কুলে যাতায়াত করতে পারে।
পাশাপাশি খেলার মাঠ সংস্কার এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া ড্রেনের অংশ পুনর্নির্মাণ করা হবে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর কানিশাইল ও ঘাসিটুলা এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় এলাকাবাসী সিসিক প্রশাসকের কাছে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। বিশেষ করে খেলার মাঠের সংস্কার, ছড়ার ওপর সেতু নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া ড্রেনের কারণে জলাবদ্ধতাসহ নানা দুর্ভোগের কথা জানান তারা।
এলাকাবাসীর বক্তব্য শুনে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “ঘাসিটুলা ও কানিশাইল এলাকা পরিদর্শন করলাম।
এখানে কিছু সমস্যা রয়েছে। ঘাসিটুলা কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশের ড্রেনটি প্রশস্ত ও সংস্কার করা হবে।
কানিশাইলে ছড়ার ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করা প্রয়োজন। ব্রিজ না থাকায় শিশুদের স্কুলে যাতায়াতে সমস্যা হয়। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এলাকার খেলার মাঠটি সংস্কার করা হবে। ড্রেনের একটি অংশ অর্ধেক জায়গায় আটকে গেছে।
পুরো ড্রেনটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে এলাকাবাসীর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কাজে সবাইকে সঙ্গে থাকার এবং সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই।”
তিনি বলেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকার সমস্যা সরেজমিনে চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নাগরিকদের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
এ সময় ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক সাকিব আহমদ, সিলেট মহানগর বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক সেলিম আহমদ, মহানগর বিএনপির সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ লোকমান, ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি নিয়ামত এলাহী, মহানগর যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মকছুদুল করিম ইমন সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
» ১৮ ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রতিটি ওয়ার্ডে ব্যাপক উন্নয়নকাজ শুরু করেছি
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, “আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, শুষ্ক মৌসুমে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে ব্যাপকভাবে উন্নয়নকাজ শুরু করব।
এখন শুষ্ক মৌসুম প্রায় এসে গেছে। তাই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নগরীর প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ব্যাপকভাবে উন্নয়নকাজ শুরু করেছি।”
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঝেরঝেরিপাড়া ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটপাড়া এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, “আমি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড সরেজমিনে পরিদর্শন করে সড়ক, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে এসব কাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না।
এ কারণে এতদিন উন্নয়নকাজে কিছুটা ধীরগতি ছিল। আমি আশ্বাস দিয়েছিলাম, শুষ্ক মৌসুমে পূর্ণোদ্যমে উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে। এখন নগরীর সব ওয়ার্ডেই কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে নগরবাসী এসব উন্নয়নকাজের সুফল পাবেন।”
১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঝেরঝেরিপাড়া এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, এখানে অনেক স্থাপনা অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে ড্রেন সরু হয়ে গেছে এবং পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিকভাবে সার্ভে করার নির্দেশ দেন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
পরে সিসিক প্রশাসক ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি চাঁনমিয়া-রানী বেগম বেসরকারি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পশ্চিমপাড়া প্রধান সড়ক নির্মাণসহ এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
১৮ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, ঝেরঝেরিপাড়া জামে মসজিদের মোতওয়াল্লী মুশফিক উস সামাদ চৌধুরী, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তারেক আহমদ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুমিন, ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকের আহমদ, সাবেক কাউন্সিলর এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জ্বল, সেলিম আহমদ চৌধুরী, মিসবাহ উল ইসলাম চৌধুরী, মনসুর আহমদ লস্কর, মাওলানা মাহমুদ সোয়াইব, ফয়জুর ইসলাম বাবুল, এভারগ্রীন ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী জুয়েল, সাবেক ছাত্রনেতা মিনহাজুর রহমান মিনহাজ, এভারগ্রীন ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ডা. ফজলুল হক সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ মোহাম্মদ তাহমীম সোবহান, অর্থ সম্পাদক মাওলানা আহমাদ সামসুদ্দিন, দফতর সম্পাদক শামসুর রহমান কামাল, ক্রীড়া সম্পাদক রাহাত খান মুন্না, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আজিজুল হক আবিদ, কার্যকরী কমিটির সদস্য মইনুর রশীদ চৌধুরী শাহীন, আমিনুর রশীদ চৌধুরী ফয়সল, সাইফুল ইসলাম টিপু, এমদাদুর রহমান, ফারদিনুর রহমান রাইয়ান, সৈয়দ সাদিকুজ্জামান সাদী প্রমুখ।
৩২ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবক রতন মনি মোহন্ত, পশ্চিম ভাটপাড়া জামে মসজিদের মোতওয়াল্লী শায়েস্তা মিয়া, আনা মিয়া, ইজ্জাদ মিয়া, জামাল আহমদ, দেওয়ান রেজওয়ান আহমদ, দুলাল আহমদ, রাজন আহমদ, কামরান আহমেদ, দেওয়ান মারওয়ান, রাহেদ আহমদ, রহিম আহমদ, হেলাল আহমদ, ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলমসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
» সিলেটে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলায় দুর্যোগের আগাম প্রস্তুতি, পূর্বাভাসনির্ভর কার্যক্রম এবং সময়মতো মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন।
সভায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদ রানা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আয়শা আক্তার এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ডিআরআরও) মো. আব্দুল কুদ্দুস বুলবুল সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিনিধি ও অন্যান্য অংশীজনেরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য, লক্ষ্য, কর্ম পরিকল্পনা ও স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়।
আলোচনায় সিলেটের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা, অতিবৃষ্টিসহ সার্বিক দুর্যোগে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পূর্বপ্রস্তুতি, পূর্বাভাসনির্ভর ‘আগেভাগেই পদক্ষেপ’ এবং ট্রিগার-ভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
বক্তারা বলেন, দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ সহায়তার চেয়ে পূর্বাহ্নে সতর্কবার্তা ও ট্রিগারের ওপর ভিত্তি করে আগাম পদক্ষেপ গ্রহণ করা গেলে জানমাল ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি বহুগুণে কমিয়ে আনা সম্ভব।
এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা ও জেলা পরিষদ, এনজিও, গণমাধ্যম এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে কার্যকর ও শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
একই সাথে নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত রেখে সুরক্ষা জোরদারের সুপারিশ করেন অংশীজনেরা।
উল্লেখ্য, ‘প্রতিষ্ঠা’ মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজি-ইকোর অর্থায়নে পরিচালিত একটি কনসোর্টিয়াম প্রকল্প। কেয়ার বাংলাদেশ এর সার্বিক নেতৃত্বে পরিচালিত এই কনসোর্টিয়ামের অন্য দুই অংশীদার হলো এসিএফ ও অ্যাক্টেড এবং কারিগরি সহযোগিতায় রয়েছে ‘রাইমস’। মাঠপর্যায়ে এটি বাস্তবায়ন করছে ইএসডিও, উত্তরণ ও এনএসএস।
অনুষ্ঠানে কেয়ার বাংলাদেশ-এর ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট এম. এ. জাহিদ, ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো: দেলোয়ার হোসেন, প্রজেক্ট অফিসার জাহিদুল হক, আব্দুলহিল বারী এবং ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মো: মাসুদ রানা ও প্রিতি রানি সরকারসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় এ প্রকল্পের সুসংগঠিত উদ্যোগের মাধ্যমে সিলেট জেলায় পূর্বাভাসনির্ভর আগাম মানবিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও টেকসই হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ সহনশীলতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
» হজরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দান-খয়রাত-মানতের পূর্ণ হিসাব ভাগ-ভাটোয়ারা না করে জেলা প্রশাসনের নির্দিষ্ট ব্যাংকে জমা প্রদান এবং মাজারের কমিটি সংস্কার ও মাজার পরিচালনায় প্রস্তাবনার দাবী নিয়ে একতাবদ্ধ সিলেটবাসী স্মারকলিপি প্রদান
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের সামাজিক সংগঠন ও সর্বস্তরের নাগরিকদের সম্মিলিত সংগঠন একতাবদ্ধ সিলেটবাসীর উদ্যোগে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হজরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দান-খয়রাত-মানতের পূর্ণ হিসাব ভাগ-ভাটোয়ারা না করে জেলা প্রশাসনের নির্দিষ্ট ব্যাংকে জমা প্রদান এবং মাজারের কমিটি সংস্কার ও মাজার পরিচালনায় প্রস্তাবনার দাবী উপস্থাপন করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বানিজ্য মন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাঈদা পারভীন।
বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ রেজাউল করিম জালালীর নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মইনুল ইসলাম আশরাফী, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বকুল, এম এ আলী জালালাবাদী, মো: জয়নাল আবেদীন, মুজিবুর রহমান, মুখতার আহমদ তালুকদার, মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহের, রফিকুল ইসলাম সিতাব, তোফায়েল আহমদ, আনোয়ার আহমদ, সৈয়দ ফেরদৌস আহমদ, মো. মখলিছ মিয়া, সৈয়দ রাসেল, ইমতিয়াজ রহমান ইনু, টিপু চৌধুরী, রুবেল আহমদ তালুকদার, আব্দুল শহীদ খান, মো: কামাল মিয়া, মো. সাহেদ আহমদ শান্ত, মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, শামসুল হক, মোহাম্মদ ইমরান হোসেন, মাওলানা শিব্বির আহমদ, মাওলানা সানুল আহমদ, মাওলানা এম. এ রহিম, হাবিবুর রহমান হাবিব সহ প্রায় অর্ধশতাধিক বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ।
স্মারকলিপি বিষয়বস্তুঃ গত ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে যান সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম।
তিনি মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এরই অংশ হিসেবে ১৮ জুন শাহজালাল (রহ.) মাজারে নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন করেন এবং মাজারে মানুষের দানের অর্থ রাখার জন্য থাকা ঐতিহাসিক তিনটি দানের ডেক ও একটি দানবাক্স সিলগালা করা হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে অদ্যবধি আপনার তত্ত্বাবধানে একবার সহ মোট চারবার প্রকাশ্যে মাজারের দানের টাকা হিসাব করা হয় ও জেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্দিষ্ট ব্যাংকে টাকা জমা করা হয়। সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম মাজার সংক্রান্ত বিষয়টি জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত হবে ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসক মহোদয় মাজারের দানকৃত টাকা ৬৫% খাদেম ও ৩৫% উন্নয়ন খাতে ব্যয় হবে বলে ঘোষণা দেন। এ ঘোষণায় সিলেটবাসী মর্মাহত ও আমরা মনে করেছিলাম হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের হিসাব-নিকাশসহ পূর্ণ বিষয়াদি জেলা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করবেন। আমরা চাই মাজার সংক্রান্ত পূর্ণ বিষয়াদি যেন জেলা প্রশাসন দ্বারা পরিচালিত হয়। দেশ-বিদেশের ধর্মপ্রাণ ভক্ত-অনুরাগীরা প্রতিদিনই হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করতে আসেন। এ সময় তাঁরা টাকাসহ নানা সম্পদ মাজারে দান করেন। তবে মাজারের ৭০০ বছরের ইতিহাসে কখনোই দানের হিসাব প্রকাশ্যে গণনা করা হয়নি। সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম টাকা গণনার বিষয়টি চালু শুরু করেছিলেন। আপনাদের মাধ্যমে এই টাকা গণনার বিষয়টি অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী। আমাদের প্রস্তাবিত বিষয়াদি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবী জানাচ্ছি।
হজরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার পরিচালনায় আমাদের প্রস্তাব সমূহঃ
১। মাজারের সম্পূর্ণ জমি জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে ও দৃষ্টিনন্দন মাজার কমপ্লেক্স তৈরী করতে হবে।
২। মাজারের দান-খয়রাত-মানতের পূর্ণ টাকা ভাগ-ভাটোয়ারা না করে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা করতে হবে।
৩। মাজার সংক্রান্ত যাবতীয় খরচ জেলা প্রশাসন কর্তৃক নিয়োগকৃত নির্দিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে রশিদ দিয়ে গ্রহণ করতে হবে।
৪। প্রতিদিন গণনা নয়, সপ্তাহে একবার প্রকাশ্যে মাজারে দানের টাকাসহ হিসাব করতে হবে।
৫। তিনমাস অন্তর অন্তর খরচের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ্যে উপস্থাপন করতে হবে।
৬। প্রতিবছর একবার অডিটের মাধ্যমে পূর্ণ হিসাব-নিকাশ পর্যবেক্ষন করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জাতির সামনে তা প্রকাশ করতে হবে।
৭। মাজারের মুসাফির খানার পূর্ণ দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালনা ও মাজারে দান করা মানতের গরু, খাসি, মোরগ দিয়ে দুই বেলা শিরণী বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৮। মাজারে দানকৃত কোরআন শরিফ, নগদ টাকা, স্বর্ণ, রৌপ্য, বিদেশী মুদ্রা ও গরু, ছাগল, হাঁস, মোরগ, মোমবাতি, আগরবাতি, গোলাপজল, গিলাফ সহ যাবতীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী জেলা প্রশাসনের নিয়োগকৃত নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে রশিদের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে হবে।
৯। মাজারে ডেগ সহ দানের প্রতিটি জায়গা জেলা প্রশাসনের আওতায় আনতে হবে। যেমন-মাজারের সিড়ি উপরের অংশ, কবরের উপরের টাকা, কবরে পাশে দাড়ানো ব্যক্তির কাছে দেওয়া টাকা, ঝর্ণার পার্শে দানকৃত টাকা ও পুকুরের পশ্চিম পার্শে মাছের দোকানের টাকা হিসাবের আওতায় আনতে হবে।
১০। গণশৌচাগার, জুতা রাখার স্থান, গোসলখানা, বিশ্রামঘর, জেলা প্রশাসনের নিয়োগকৃত ব্যক্তি দ্বারা পরিচালনা করতে হবে।
১১। হজরত শাহজালাল (রহ.) এর নামে মাজারের ভিতরে একটি গ্রন্থাগার ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে।
১২। হজরত শাহজালাল (রহ.) এর ব্যবহ্নত জিনিসপত্র ও যাবতীয় স্মৃতিসামগ্রী প্রদর্শনের জন্য একটি প্রদর্শনীয় একটি কক্ষ স্থাপন করতে হবে।
১৩। মাজার পরিচালনায় কর্মচারী নিয়োগ ও যাবতীয় বিষয় জেলা প্রশাসন কর্তৃক তদারকি করতে হবে।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ‘ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত
Published: ৩০. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি, আত্মবিশ্বাস, প্রকাশভঙ্গি এবং ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগ দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ‘ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬’ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কলেজের ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতাটি তিনটি বিভাগে (জুনিয়র, ইন্টারমিডিয়েট ও সিনিয়র) অনুষ্ঠিত হয়।
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হকের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক সজিবুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্কলার্সহোমের সমন্বয়ক প্রফেসর জয়নুল আবেদিন চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও ব্যক্তিত্ব গঠনে বিতর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বিতর্ক কেবল জয়লাভের মাধ্যম নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে, যুক্তিনির্ভর মতামত প্রকাশ করতে, ভিন্নমতকে শ্রদ্ধা করতে এবং আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক জাকারিয়া আল মামুন।
প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক জাকারিয়া আল মামুন, প্রভাষক মিস মুয়িহারা বেগম এবং প্রভাষক জাভেদ আহমেদ চৌধুরী। প্রতিটি পর্বের ফলাফল সংকলনের দায়িত্ব পালন করেন প্রভাষক মেহেদী ইসলাম তাপাদার তানভি।
অনুষ্ঠানে রিভিউয়ার হিসেবে প্রতিযোগীদের বিতর্ক কৌশল ও উপস্থাপনা নিয়ে গঠনমূলক পরামর্শ দেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ওমর ফারুক ও প্রভাষক মুনাব্বির জোহান।
ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ও প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক তানভীর বিশ্বাসের সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা ও সমন্বয়ে পুরো আয়োজনটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করেন এবং তাঁদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন অধ্যক্ষ মো: ফয়জুল হক।

