- নগর ভবনে জাসাস নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক
- UYBDS-এর কার্যকরী কমিটি পুনর্গঠন; সভাপতি ছালিম আহমদ, সম্পাদক সামিহা তাহসিন
- আশিয়ান গ্রুপ সিলেট উশু চ্যাম্পিয়নশিপে সম্মাননা ক্রেস্ট পেলেন মো. আরিফ উদ্দিন ওলি
- বানিজ্য মেলা বন্ধের দাবি জানিয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি
- সিকৃবিতে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ
- সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের মিছিল-সমাবেশ
- টোয়াস সদস্যদের সাথে সিউক চেয়ারম্যানের মতবিনিময় ও ‘অভিযাত্রী’ ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন
- ৪৫তম বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে সিলেটে বিএমবিএফ-এর আলোচনা সভা
- সিলেট মহানগরীর ছোট-বড় প্রতিটি রাস্তায় ডিভাইডারের দাবীতে মানব ডিভাইডার কর্মসূচী অনুষ্ঠিত
» নগর ভবনে জাসাস নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশপ্রেম ও সম্প্রীতির চেতনা জাগ্রত করতে হবে : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) সিলেট জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিসিক কার্যালয়ে এসে তারা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
জাসাস সিলেট জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিন তরফদার ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান এইচ খানের নেতৃত্বে কমিটির নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, জাসাস দেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নতুন কমিটির নেতৃত্বে সিলেটে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম, মূল্যবোধ ও সম্প্রীতির চেতনা জাগ্রত করার ক্ষেত্রে জাসাসের নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সংগঠনের নতুন নেতৃত্বকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খান ও সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জাসাস সিলেট জেলা শাখার ৮৮ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়।
» ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
সিলেট চেম্বারকে কার্যকর ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সিলেটের ব্যবসায়ীদের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন ধরে এ প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়ীদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
ব্যবসায়ীদের স্বার্থ ও কল্যাণকে আরও গুরুত্ব দিয়ে চেম্বারকে কার্যকর ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে।
সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগর ভবনের সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট চেম্বার একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। অতীতে ব্যবসায়ীদের কল্যাণ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে এই প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
বিভিন্ন কারণে চেম্বারের কার্যক্রমে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে একটি কার্যকর ও প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠন হিসেবে চেম্বারকে এগিয়ে নিতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা চাই, সত্যিকার অর্থেই ব্যবসায়ীদের এই শীর্ষ সংগঠন সিলেটের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং তাদের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখুক। সেই লক্ষ্যেই সংগঠনটিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। প্রকৃত ব্যবসায়ী ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে পরিচালিত হবে ব্যবসায়ীদের এই শীর্ষ সংগঠন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
সিসিক প্রশাসক বলেন, ব্যবসায়ীরা দেশের অর্থনীতির প্রাণ। তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই অর্থনীতির চাকা সচল থাকে। তাই যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় ব্যবসায়ী সমাজের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ব্যবসায়ীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে চেম্বারকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, চেম্বারের নেতৃত্বে এমন ব্যক্তিদের আসতে হবে, যারা ব্যবসায়ী সমাজের স্বার্থ ও কল্যাণে কাজ করবেন।
যোগ্য ও প্রকৃত ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে চেম্বারের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এজন্য ব্যবসায়ী সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেটের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন এবং ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে একটি শক্তিশালী ও প্রতিনিধিত্বশীল চেম্বারের প্রয়োজন রয়েছে।
ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য বজায় রেখে সংগঠনটিকে এগিয়ে নিতে হবে।
মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা চেম্বারের নেতৃত্বে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।
সভায় সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক আমিরুজ্জামান চৌধুরী দুলু, সাবেক পরিচালক নুরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি ফালাউদ্দিন আলী আহমদ, জিয়াউল হক জিয়া, এহতেশামুল হক চৌধুরী ও ফয়েজ হাসান ফেরদৌস, সাবেক পরিচালক হিজকিল গুলজার, ব্যবাসয়ী নিয়াজ মো. আজিজুল করিম, আলিমুল এহসান চৌধুরী, মাসুম ইফতেখার রসুল, আব্দুস সামাদ তুহেল, আহমদ হোসেন, আব্দুর রহমান রিপন, নাসিফ জোবায়ের, আতিক হোসেন, চন্দন সাহাসহ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
» UYBDS-এর কার্যকরী কমিটি পুনর্গঠন; সভাপতি ছালিম আহমদ, সম্পাদক সামিহা তাহসিন
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে মানবিক ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় সামাজিক সংগঠন ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির (UYBDS) কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
সংগঠনের জরুরি সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্য ও উপদেষ্টাদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন এ কমিটি গঠন করা হয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সংগঠনের অফিসিয়াল ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটির মেয়াদ এক বছর।
নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মো. ছালিম আহমদ খান, সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সামিহা আক্তার তাহসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত রহমান চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) তায়্যিব হাসান রুতবা, দপ্তর সম্পাদক মো. হাম্মাদ বীন আনিছ সরকার, প্রচার সম্পাদক নাজমুন নাহার ফাহমিদা, দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক লুকমান আহমদ চৌধুরী এবং স্বাস্থ্য ও ব্লাড ক্যাম্পিং বিষয়ক সম্পাদক আরিফ আহমদ দায়িত্ব পেয়েছেন।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন কমিটির নেতৃত্বে যুব উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম, যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, রক্তদান, শিক্ষা সহায়তা, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, মানবিক সহায়তা, সামাজিক সচেতনতা ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও গতিশীলভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংগঠনের সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্ব ও কার্যকরী কমিটির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির মানবিক ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে।
» আশিয়ান গ্রুপ সিলেট উশু চ্যাম্পিয়নশিপে সম্মাননা ক্রেস্ট পেলেন মো. আরিফ উদ্দিন ওলি
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
দুই দিনব্যাপী ‘আশিয়ান গ্রুপ সিলেট উশু চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের বিশেষ স্বীকৃতি ও সম্মানস্বরূপ ক্রীড়া সমন্বয়ক মো. আরিফ উদ্দিন ওলিকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে।
চ্যাম্পিয়নশিপ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকজয়ী এবং উক্ত আয়োজক কমিটির সদস্য মো. আরিফ উদ্দিন ওলির হাতে এ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের মোহাম্মদ আলী জিমনেশিয়ামে বাংলাদেশ উশু ফেডারেশন ও সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় এবং চাইনিজ উশু ফাইটার স্কুলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই জাঁকজমকপূর্ণ সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন।
সম্মাননা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক দিলদার হোসেন দিলু, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম শহিদুল হক ভূইয়া এবং কোষাধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী রুবেল।
সম্মাননা গ্রহণের পর অনুভূতি ব্যক্ত করে মো. আরিফ উদ্দিন ওলি বলেন, এই সম্মাননা আমার জন্য শুধু একটি ক্রেস্ট নয়; এটি আমার দায়িত্ব, পরিশ্রম, সততা, নিষ্ঠা এবং উশু খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসার একটি মূল্যবান স্বীকৃতি।
এই সম্মাননা আমাকে ভবিষ্যতে ক্রীড়াঙ্গনে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলাদেশে উশু খেলাধুলার প্রসার, নতুন প্রতিভা বিকাশ এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
পাশাপাশি প্রতিযোগিতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিচারক, প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা ও আয়োজকদের প্রশংসনীয় ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।
উক্ত চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত উশু খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক, বিচারক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
» বানিজ্য মেলা বন্ধের দাবি জানিয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে বানিজ্য মেলা বন্ধের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসক ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস অ্যান্ড বিজনেসম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’ এবং সিলেটের বিভিন্ন মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সিলেটের জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সাবির্ক) মাসুদ রানা এবং দুপুর ১২টায় পুলিশ কমিশনারের স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) মো: এনামুল হক।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট অ্যান্ড বিজনেসম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন সিলেট মহানগরের সভাপতি আলীমুল এহছান চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী সাজু, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম, প্রচার সম্পাদক ও আল হামরা শপিং সিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাজুল ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক ও এলিগ্যান্ট শপিং মল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল কাদির, অফিস সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসাইনসহ নির্বাহী কমিটির সদস্য গোলাম কিবরিয়া, শামসুর রহমান কামাল, আব্দুল গফুর, অলিউর রহমান, আশরাফ আহমেদ, আজহারউদ্দিন, সৈয়দ এডভোকেট আব্দুল হামিদ এবং সিলেটের বিভিন্ন মার্কেট কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সর্বস্তরের ব্যবসায়ীবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে সিলেট নগরীর ব্যবসা-বাণিজ্যের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, বাজারের শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা নিরলসভভাবে কাজ করে আসছি।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং দেশীয় পণ্য ও সেবার বাজার সম্প্রসারণে বাণিজ্যমেলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা দেশীয় শিল্প ও ব্যবসায়ীদের পণ্য প্রদর্শন, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগের পথ উন্মোচন করে।
তবে এর পাশাপাশি নিয়মিত ব্যবসা পরিচালনাকারী স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করাও অপরিহার্য।
স্থানীয় স্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, দোকানভাড়া, কর্মচারী বেতন, বিদ্যুৎ বিল, কর-ভ্যাট এবং ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যয় বহন করে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে।
কিন্তু ঘন ঘন অনিয়ন্ত্রিত স্থানীয় মেলা আয়োজন করা হলে মেলা প্রাঙ্গণে কর-ভ্যাট ও ট্রেড লাইসেন্সবিহীন অস্থায়ী স্টলে পণ্য বিক্রি করা হয়, যা স্থায়ী ব্যবসায়ীদের বিক্রয় ও আয়ের ওপর মারাত্মক বিরূপ প্রভাব ফেলে। ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ, অসন্তোষ ও আর্থিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে এবং তারা অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছেন।
সম্প্রতি সিলেট নগরী ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন নামে স্থানীয় মেলা, বাণিজ্যমেলা, পণ্য প্রদর্শনী ও অস্থায়ী বাজার আয়োজনের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর ফলে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের বিক্রি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে। পাশাপাশি ব্যস্ত বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকায় মেলা আয়োজনের কারণে তীব্র যানজট, অনাকাঙ্ক্ষিত জনসমাগম, শব্দদূষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মেলা পরিপত্রের ৩ (তিন)-এর ‘চ’ ধারা অনুযায়ী ঢাকা ব্যতীত দেশের ৭টি বিভাগীয় শহরে প্রতি বছর একটি সুপরিকল্পিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজনের নিয়ম রয়েছে। উক্ত পরিপত্রের আলোকে স্থানীয় চেম্বার ও ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে বছরে মাত্র একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজনে ব্যবসায়ীদের কোন আপত্তি থাকবে না।
যথাযথ পরিকল্পনা, আইনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ নিশ্চিত করে এই মেলা আয়োজন করা হলে দেশীয় পণ্যের মান যাচাইয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে। কিন্তু এর বাইরে ঘন ঘন অনিয়ন্ত্রিত মেলা আয়োজনের সুযোগ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
দাবিসমূহ, বিভাগীয় শহর হিসেবে সিলেটে বছরে মাত্র একটি নির্ধারিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজনের মাধ্যমে দেশীয় শিল্প, পণ্য, সেবা ও উদ্যোক্তাদের বড় পরিসরে প্রদর্শনী ও বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা। নির্ধারিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা ব্যতিরেকে অন্যান্য স্থানীয় মেলা, অস্থায়ী বাণিজ্যমেলা বা পণ্য প্রদর্শনী বন্ধ রাখা এবং মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট ও অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করা। ভবিষ্যতে নতুন কোন মেলার অনুমোদন প্রদানের পূর্বে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের উপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মেলা পরিপত্রের ২ (দুই)-এর ‘ক’ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক সংগঠনের মতামত গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা।
অনুমোদনহীন ও অনিয়ন্ত্রিত মেলা আয়োজনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। নগরীর যানজট নিরসন, জননিরাপত্তা রক্ষা ও সুষ্ঠু বাণিজ্যিক পরিবেশ বজায় রাখতে মেলা আয়োজনের বিষয়ে স্থায়ী নির্দেশনা জারি করা। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ক্ষতি সাধন করে বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে ঘন ঘন মেলা আয়োজন বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা।
পরিশেষে, আমরা বিনীতভাবে ব্যক্ত করতে চাই যে, এই আবেদন কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা নির্দিষ্ট মেলা আয়োজকের প্রতি বিদ্বেষবশত করা হয়নি। বরং স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষা, সুশৃঙ্খল বাণিজ্যিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং সার্বিক অর্থনৈতিক সুশাসন নিশ্চিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য।
সিলেটের ব্যবসায়ী সমাজ নগরীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রাজস্ব প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকলে সিলেটের বাণিজ্য ক্ষেত্র আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।
ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এ যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
» সিকৃবিতে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলীমুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন, আন্দোলনকারীরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন সম্পূর্ণরূপে তালাবদ্ধ থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়ে।
গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে উপাচার্যের অপসারণ/পদত্যাগের একদফা দাবিতে এ আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও প্রশাসনিক অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা ও প্রচলিত প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে নিয়োগে অনিয়ম, কেনাকাটায় টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং নিম্নমানের সামগ্রী ক্রয় করা হয়েছে।
এছাড়া শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠ উন্নয়নের বরাদ্দকৃত অর্থ ভিন্ন খাতে ব্যয় দেখিয়ে আত্মসাৎ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ভর্তি পরীক্ষার আয় থেকে অর্থ ব্যয় বা আত্মসাৎ, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়া এবং শিক্ষকদের পদোন্নতি আটকে রাখারও অভিযোগ করেন তারা।
এ ছাড়া আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, কোনো কোনো শিক্ষকের বেতন আটকে রাখা, শোকজ, হয়রানি, দুর্ব্যবহার ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালনে বাধা দেওয়া এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনেরও অভিযোগ করেন তারা।
আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে উপাচার্য পদত্যাগ না করলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে।
প্রয়োজনে প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রমও বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
প্রফেসর ড. মো. ছিদ্দিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোজাম্মেল হক, সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুব ইকবাল, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতাউর রহমান, প্রফেসর ড. মো. কাজী মেহতাজুল ইসলাম, সহসভাপতি প্রফেসর ড. নাজমুল হক, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি গাজী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নেয়ামত উল্যাহ, মো. বাসির উদ্দিন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. সানাউল হোসেন সনি, ১ নম্বর সদস্য ও সাবেক সহসভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. গোলাম রাব্বানী, সদস্য আব্দুর রাকিব, সায়মুন ইসলাম কবির ও মামুনুর রশিদ।
এ সময় জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের নেতা মো. আবু সাঈদ, শওকত হোসেন, সাইফুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের মিছিল-সমাবেশ
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
পালিয়ে থাকা খুনি হাসিনার নির্দেশেই অরাজকতা সৃষ্টি করছে সন্ত্রাসীরা : ইমদাদ হোসেন চৌধুরী
» টোয়াস সদস্যদের সাথে সিউক চেয়ারম্যানের মতবিনিময় ও ‘অভিযাত্রী’ ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে সিলেটকে আকর্ষণীয় পর্যটন হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব : কয়েস লোদী
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)-এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন, সিলেটের পর্যটন শিল্পের বিকাশের সঙ্গে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও কর্মসংস্থানের বিষয়টি গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়-নদী, চা-বাগান, হাওর, ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনাসহ সিলেটের রয়েছে বিপুল পর্যটন সম্ভাবনা।
পরিকল্পিত উদ্যোগ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে সিলেটকে আরও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
সিলেটের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সব সময় পাশে থাকবে।
তিনি বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ট্যুর অপারেটর, হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীসহ সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
পর্যটকদের নিরাপদ ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রগুলোর যোগাযোগব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পর্যটনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।
এ ক্ষেত্রে পর্যটকদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে নতুন নতুন পর্যটন প্যাকেজ ও সেবা চালুর পাশাপাশি সিলেটের পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে হবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর নাইওরপুলস্থ সিউক কার্যালয়ে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব সিলেট (টোয়াস)-এর উদ্যোগে সিউক চেয়ারম্যানের সঙ্গে সদস্যদের মতবিনিময় এবং ‘অভিযাত্রী’ ম্যাগাজিনের শুভ মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ট্যুর অপারেটস এসোসিয়েশন অব সিলেট (টোয়াস) এর সভাপতি হুমায়ুন কবির লিটন, সহ-সভাপতি আহমদ হাসান সায়ীম, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম রাফি, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আহমদ সুমন, কোষাধ্যক্ষ শফি উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ শফি উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক মো. ফয়সল আহমদ, সদস্য মো. জাম্মান আহমদ, শাহ দিদার আলম চৌধুরী নবেল, মোহাম্মদ এনামুল কবীর, মোমুনিনুল হক ফাহিম, ফজলুল হক রবিন, রিমন আহমেদ, তৌফিক রহমান রাব্বি প্রমুখ।
পর্যটন খাতের প্রচার ও প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে এসময় সংগঠনটির ম্যাগাজিন ‘অভিযাত্রী’-র আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধান অতিথি ও উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।
মতবিনিময়কালে টোয়াসের সদস্যরা সিলেটের পর্যটন খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
বিশেষ করে পর্যটনকেন্দ্রগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার মানোন্নয়ন, পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং নতুন পর্যটন গন্তব্যগুলোকে কার্যকরভাবে বিকশিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সিউক চেয়ারম্যান পর্যটনসংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন প্রস্তাব ও বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
সিলেটের পর্যটন শিল্পকে আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
টোয়াস সদস্যরা সিউক চেয়ারম্যান হওয়ায় ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
» ৪৫তম বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে সিলেটে বিএমবিএফ-এর আলোচনা সভা
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ) সিলেট বিভাগীয় শাখার উদ্যোগে জাতিসংঘ ঘোষিত ৪৫তম বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় নগরীর জিন্দাবাজারস্থ ‘বাংলাদেশ ওভারসিজ সার্ভিসেস কনফারেন্স হল’-এ এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ) সিলেট বিভাগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ঢাকার জাতীয় সদরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্করের সভাপতিত্বে এবং বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জাতীয় সদরের সিনিয়র সহকারী মহাসচিব মনোরঞ্জন তালুকদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস্ লিমিটেডের ডিজিএম ও বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন খন্দকার।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি ও সিলেট প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. এ. হান্নান, মহানগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মুছলেহ উদ্দিন আহমদ।
অন্যান্যদের মধ্যে মীর্জা রেজওয়ান বেগ, শ্যামল চৌধুরী, মো: খালেদ মিয়া, মো. বেলাল উদ্দিন, আব্দুল ওয়াদুদ, মো. ইউসুফ সেলু, মোছাম্মত রুনা সুলতানা, সিরাজুল হক, আব্দুল কাইয়ুম কামালী, লুলু কামালী, হুসনা চৌধুরী, এখলাছুর রহমান তালুকদার প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা আজ মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
সংঘাত, যুদ্ধ ও সহিংসতা শুধু মানুষকে ধ্বংস করছে না, বরং উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জাতিসংঘ ঘোষিত এই দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেও যে শান্তি শুধু কোন শব্দ নয়।
এটি একটি কার্যকর বাস্তবতা, যা ভালোবাসা পারস্পারিক সম্মান, মানবাধিকার রক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়ে ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
আজকের এই দিনে জাতিসংঘে প্রতিজ্ঞা করতে হবে বৈষম্য, সহিংসতা ও ঘৃণা নয় বরং সহমর্মিতা, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে।
ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ন্যায় সংগত ও মানবিক বিশ্ব নিশ্চিত করাই জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
তাঁরা আরও বলেন, বর্তমানে যুব সমাজের একটি অংশ মাদকের ভয়াবহ ছোবলে আক্রান্ত হচ্ছে।
মাদকাসক্তি শুধু একজন তরুণের জীবনকেই ধ্বংস করে না, এর নেতিবাচক প্রভাব পরিবার ও সমাজের ওপরও পড়ে।
মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের প্রত্যেক সদস্যকে সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে এবং খুন, ধর্ষণ ও মাদক থেকে বেরিয়ে আসতে হলে প্রতিটি ঘরে ঘরে সচেতন হতে হবে ও পরিবারকে সোচ্চার হয়ে তা প্রতিরোধ করতে হবে।
বক্তারা বলেন, সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।
তাঁরা কার সঙ্গে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে এবং কী ধরনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছে-এসব বিষয়ে নজর রাখতে হবে।
পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে হবে।
» সিলেট মহানগরীর ছোট-বড় প্রতিটি রাস্তায় ডিভাইডারের দাবীতে মানব ডিভাইডার কর্মসূচী অনুষ্ঠিত
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
দুর্ঘটনা এড়াতে ও যানজট থেকে রক্ষা পেতে মহানগরীর ছোট-বড় সকল রাস্তায় ডিভাইডার স্থাপনের জোর দাবি
নিউজ ডেস্কঃ
বৃহত্তর সিলেটের অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে নগরীর মির্জাজাঙ্গাল পয়েন্টে সিলেট মহানগরীর মারাত্মক যানজট ও অবৈধ পার্কিং দূরীকরণে সিলেটের সকল ছোট-বড় রাস্তায় ডিভাইডারের দাবীতে রাস্তার মধ্যখানে ১০ মিনিট মানব ডিভাইডার কর্মসূচী ও মানব ডিভাইডার কর্মসূচী পরবর্তী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ডিভাইডার হলে রাস্তায় ওভারটেকিং বন্ধ, ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত, রাস্তার অবৈধ পার্কিং দূর, অবৈধ স্ট্যান্ডবাজী ও সর্বপ্রকার মুখোমুখী দুর্ঘটনা থেকে সাধারণ জনগণ পরিত্রাণ পাবেন।
তাই সর্বপ্রকার সমস্যা দূর করতে সিলেট মহানগরীর ৪২টি ওয়ার্ড সহ বাংলাদেশের প্রতিটি রাস্তায় ডিভাইডার স্থাপন খুবই প্রয়োজন।
বক্তারা আরো বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগ তাঁদের আওতাধীন সিলেট মহানগরীর ছোট-বড় সকল রাস্তায় ডিভাইডার স্থাপন করলে মহানগরবাসী দুর্ঘটনা ও যানজটের কবল থেকে রক্ষা পাবে।
বক্তারা দুর্ঘটনা এড়াতে ও যানজট থেকে রক্ষা পেতে মহানগরীর ছোট-বড় সকল রাস্তায় ডিভাইডার স্থাপনের জোর দাবি জানান।
জাতীয় যুব দিবস ২০১০ এ জাতীয় যুব পুরস্কার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক পদকপ্রাপ্ত, সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে ও সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মো. আজিজুর রহমান আজিজ।
১০ মিনিট অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, সিকস’র কার্যকরী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. তালেব হোসেন তালেব, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সহ-সভাপতি রোকনে আলম চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস, সিলেট মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
১০ মিনিট অবস্থান কর্মসূচী ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি দ্বীপক রঞ্জন রায় তালুকদার, সহ-সভাপতি এম.এ আলী জালালাবাদী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সহ-অর্থ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. সোহেল আলী, সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. সেলিম খান, যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক শংকর বিশ্বাস, সিলেট মহানগর কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক দিপক কুমার মোদক বিলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুর হোসেন, মহানগর কমিটির সদস্য মো. জুয়েল মিয়া, সিলেট প্রেমী সচেতন নাগরিকদের মধ্য থেকে উমাকান্ত দাস, কয়েস আহমদ ও হরিমোহন রায়।
» জাকির হোসেন মজুমদারের মাগফিরাত কামনায় সিলেট মহানগর বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
» জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জনজীবনকে বিপর্যস্ত করবে : আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম
Published: ২১. সেপ্টে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানী তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ এর সংকট ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির প্রতিবাদের ১১ অক্টোবর রবিবার রেজিস্টারী মাঠে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহতারাম আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হকের বিশাল নাগরিক সমাবেশ সফলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরীর ৭নং ওয়ার্ড দক্ষিনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব লালদিঘীরপারস্থ কার্যালয়ে শাখা সভাপতি শায়খ মাওলানা ফিরুজ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বি.কে.এম সিলেট মহানগর শাখা সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম।
বিশেষ অতিথি বি.কে.এম সিলেট মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফার।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বি.কে.এম মহানগর নির্বাহী সদস্য মাওলানা আইয়ুব আলী কামালী, ৭নং ওয়ার্ড দক্ষিনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুহাম্মদ ইমরান আহমদ, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ হোসেন আলী,সাধারণ সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ, সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহিন আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আসজাদ আহমদ মুরশেদ, বায়তুল মাল সম্পাদক আতাউর রহমান, সহ-বায়তুল মাল সম্পাদক হোসাইন আহমদ, প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ আতাউর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সরকার ৬ মাসের মধ্যে তিনবার জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করেছে।
প্রথমবার পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লম্বা লাইন ছিল। এই সংকট দীর্ঘদিন চলার পর জাতীয় সংসদে এই সংকট নিয়ে কথা বলতে চেয়েছে, তার তিন দিনের মধ্যেই সকল সংকট শেষ হয়ে গেছে। ৬ মাসের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গোটা দেশব্যাপী দুর্নীতি, লুণ্ঠন ও অরাজকতার মাধ্যমে আমরা দেখতে পারছি সরকার অধিষ্ঠিত নয়, মনে হচ্ছে বিগত ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের একটি এক্সটিম সরকার।’
তিনি আরও বলেন, আমীরে মজলিস শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক আগামী ১১ অক্টোবর সিলেট ঐতিহাসিক রেজিষ্টারী মাঠে বি.কে.এম মহানগর শাখার উদ্যোগে বিশাল নাগরিক সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন।
তিনি দলীয় নেতাকর্মী এবং সিলেটবাসীর প্রতি আমীরে মজলিসের সমাবেশ সফল করে তুলার আহবান জানান।

