- বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোর উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক
- সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সংসদ সদস্যের বিশেষ বৈঠক
- লালাবাজার ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষকের সংবর্ধনা সভা
- অক্টোবর মাসে সিলেটের সড়কে প্রাণ গেল ২৭ জনের
- বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজায় বাধা প্রদানের প্রতিবাদে সিলেটে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মৌন মানববন্ধন
- সিলেটে এনসিসি ব্যাংক লালদিঘিরপাড় শাখার উদ্যোগে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন
- সিলেটে গ্রীনওয়ে একাডেমীতে কোয়ালিফাই ওরিয়েন্টেশেন ক্লাসের উদ্বোধন
- ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
- জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সাপ্তাহিক সেবা পত্রিকার সম্পাদক
- মৌলভীবাজার সমিতি সিলেটের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তির দরখাস্ত আহ্বান
» বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোর উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে মতবিনিময় সভায় সিসিক প্রশাসক
Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোতে নগরের অন্যান্য এলাকার মতো সব ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে এসব এলাকায় সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিটলাইট স্থাপনের অনেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
কিছু কাজ চলমান রয়েছে এবং আরও কিছু প্রকল্প টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে দক্ষিণ সুরমার ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও টেকসইকরণ এবং হোল্ডিং ট্যাক্স চালু সহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক জানান, দক্ষিণ সুরমার ছয়টি ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে ৭৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৬৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।
এ ছাড়া ১৩৬ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও ২০৬ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনাধীন রয়েছে।
এসব প্রকল্পের আওতায় সড়ক, ড্রেন, স্ট্রিটলাইট ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
কুচাই এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সভায় আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের অংশবিশেষ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এসব এলাকার বাসিন্দারাও নগরের অন্যান্য এলাকার মতো সমান নাগরিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন।
সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে তাঁদের প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
বর্তমানে এর সঙ্গে নতুন করে আরও ১৫টি ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে। তবে ওয়ার্ডের সংখ্যা বাড়লেও সে অনুপাতে সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি পায়নি।
অথচ নিজস্ব আয় থেকেই সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম ও নাগরিক সেবা পরিচালনা করতে হয়।
তাই নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার পরিধি বাড়াতে নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করা জরুরি।
এ জন্য তিনি নগরবাসীকে নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সিসিকের সচিব মো. আশিক নূরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেবসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
এ সময় সিসিকের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, প্রধান অ্যাসেসর মো. আব্দুল বাছিত, ট্যাক্সেশন অফিসার মো. জামিলুর রহমান সহ সিসিকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
» সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সংসদ সদস্যের বিশেষ বৈঠক
Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার
সিলেট-৩ আসনের ৬ ওয়ার্ডে সিসিকের ৩৪২ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্ধিত এলাকাভুক্ত সিলেট-৩ সংসদীয় আসনের ছয়টি ওয়ার্ডের ভৌত অবকাঠামো ও নাগরিক সেবা বাড়াতে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। পরিকল্পনাধীন রয়েছে বড় প্রকল্প।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে সিসিক প্রশাসকের কনফারেন্স রুমে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালেকের এক বিশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় দক্ষিণ সুরমা এলাকার ২৮, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের সমাপ্ত ও চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, এই ৬টি ওয়ার্ডে ৭৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হয়েছে।
চলমান রয়েছে ৬৩ কোটি টাকার প্রকল্প। এছাড়া টেন্ডার করা হয়েছে ১৩৬ কোটি টাকার প্রকল্প।
এছাড়া আগামী দিনে নতুন করে আরও ২০৬ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
সভায় সিসিক প্রশাসক ও সংসদ সদস্য জানান, প্রকল্পগুলো দ্রুত ও মানসম্মতভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে ওই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবহেলিত অবকাঠামোগত সমস্যা দূর করা হবে।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্থানীয় জনগণের চাহিদাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
» লালাবাজার ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষকের সংবর্ধনা সভা
Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ঐতিহ্যবাহী লালাবাজার ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার প্রবীণ ও প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক যুক্তরাজ্য প্রবাসী ক্বারী আব্দুর রব ও মাদ্রাসার কৃতি ছাত্র জাহেদ আহমদ-এর সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মাদ্রাসার হলরুমে এ সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, লালাবাজার ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল লতীফ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি ফালাকুজ্জামান চৌধুরী জগলু ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী সংবর্ধিত অতিথি ক্বারী আব্দুর রব-এর ছেলে মো. বিলাল আহমদ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থী ও এলাকার সুধিবৃন্দ।
সভার শুরুতে সংবর্ধিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষকমন্ডলী।
ক্বারী আব্দুর রব-এর উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন, মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মো. নাজমুল ইসলাম।
ক্বারী আব্দুর রবকে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, শিক্ষকমন্ডলী।
সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষক বসিরুল ইসলাম। পরে সংবর্ধিত অতিথি ও প্রতিষ্ঠাতা প্রবীণ শিক্ষক ক্বারী আব্দুর রব-এর আবেগঘন বক্তব্য ও মোনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সভায় সঞ্চালনা করেন, মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী মো. শাহেদ আহমদ।
» অক্টোবর মাসে সিলেটের সড়কে প্রাণ গেল ২৭ জনের
Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
অক্টোবর মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জনের প্রানহানি হয়েছে।
অক্টোবর মাসে সিলেট বিভাগে ২৭টি সড়ক দূর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ৪৮ জন আহত হয়েছেন।
এরমধ্যে ৯ জনই মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী। অক্টোবর মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি প্রানহানি ঘটেছে সিলেট জেলায়। কম সংঘটিত হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়।
প্রতিবেদনে অক্টোবর মাসের সড়ক দুর্ঘটনায় প্রধান কারন হিসাবে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, নিয়ম না মেনে বেপরোয়া ওভারটেকিং, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, পথচারীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব ও সড়কে নির্মান ত্রুটিকে উল্লেখ করা হয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে অক্টোবর মাসে সিলেট বিভাগে ২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ৪৮ জন আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
অক্টোবর মাসে সিলেট জেলায় ১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন। সুনামগঞ্জ জেলায় ২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন।
মৌলভীবাজার জেলায় ৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন ও হবিগঞ্জ জেলায় ৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন।
নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট জেলার সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিশু গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জানান, পাঁচটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকার তথ্য, দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার তথ্য, অনুমেয় অনুজ্জ বা অপ্রকাশিত ঘটনা ও নিসচা সিলেটের শাখা সংগঠনগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে নিসচা বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সেপ্টেম্বর মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ জন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী, ৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ জন সিএনজি ও টমটম চালক ও আরোহী, ৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন চালক ও ৪টি সড়ক দূর্ঘটনায় ৪ জন পথচারী নিহত হয়েছেন।
এছাড়া নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি উল্টে ৫টি দুর্ঘটনায় ৫ জন, মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯টি দুর্ঘটনায় ১০ জন, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে আঘাতে ২টি দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত হয়েছেন।
এছাড়া অক্টোবর মাসে নিহত ২৭ জনের মধ্যে ১৮ জন পুরুষ, ৩ জন নারী ও ৬ জন শিশু রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, সেপ্টেম্বর মাসে সিলেট বিভাগে ২৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও ৫১ জন আহত হয়েছেন।
» বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজায় বাধা প্রদানের প্রতিবাদে সিলেটে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মৌন মানববন্ধন
Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
পিরোজপুরের মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা প্রদান এবং সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অন্যায়-অবিচারের তীব্র প্রতিবাদে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সিলেট জেলা ও মহানগর ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে মৌন মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১১টায় জিন্দাবাজারস্থ সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সিলেট মহানগর ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুস সহিদ খাঁন, জেলার সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সুরুজ আলী, মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মনাফ খাঁন, জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মছদ্দর আলী, জেলার সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. খালিক উদ্দিন, মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জমির উদ্দিন, জেলার সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার আফতাব উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুছ ছালাম, মহানগরের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হিরা মিয়া, ফজলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাম মিয়া, জকিগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, সিলেট সদর উপজেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রইছ আলী, জৈন্তাপুর উপজেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, বিয়ানীবাজার উপজেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রেনু মিয়া, গোয়াইনঘাট উপজেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক, কানাইঘাট উপজেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা ছানাওর আলী, গোলাপগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আকমল আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা হিরা মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সিলেট জেলার আহ্বায়ক আসলাম খান স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদ, জগলু হোসেন,মিলাদ হোসেন, সদস্য সচিব নূর মোহাম্মদ খান তাইফুর, সদস্য মো. জাবেল আহমেদ, ইন্দ্র ভূষণ দাস বিপ্লব, মো. আতাউর রহমান, মাহফুজ আহমেদ রাজু, সাইদুর রহমান এপলু,হাব্বিুর রহমান হাবিব, সেলিম আহমেদ, মতিউর রহমান রাজা, দুলাল আহমেদ দুলাল, সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাইদুল ইসলাম, মুমিন আহমেদ, মহিউদ্দিন, ফিরোজুল হক, শাপলা বেগম, শ্যামল দেবনাথ, সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক প্রাণেশ দেব, যুগ্ম আহ্হ্বায়ক জামিল আহমেদ, মো. হাসান, কাউছার হোসেন খান, সদস্য সচিব, মো. সুহেল আহম্মাদ, সদস্য মনজুর হাসান মিশু, কবির হোসেন, মো. শাহ আলম, লিয়াকত মিয়া, রাহুল সেনদ্বীপ, ছাব্বির আহমেদ স্বাদী, দীপজল পাত্র, মো. শহিদ উল্লাহ, মো. দেলোয়ার হোসেন, মির্জা আবুল হাসিম অভী, শামসুল হক, মো. আব্দুল করিম, মো. রমজান আলী, সোয়েল আহমেদ, জ্যোতি বেগম, সাগর চন্দ্র দাস প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে কার্যালয়ে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করা সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর শেষ বিদায় ও দাফনকাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও অপমানজনক।
বক্তারা সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর ঘটে যাওয়া যেকোনো অন্যায়, অবিচার ও হয়রানির অবসান এবং ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
» সিলেটে এনসিসি ব্যাংক লালদিঘিরপাড় শাখার উদ্যোগে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন
Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার্থীদের মাঝে ছোটবেলা থেকেই সঞ্চয় মানসিকতা গড়ে তোলা এবং পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে এনসিসি ব্যাংক পিএলসি লালদিঘীরপার শাখা সিলেটের উদ্যোগে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে নগরীর চালিবন্দরস্থ বসন্ত মেমোরিয়েল স্কুলে গাছের চারা বিতরণ সহ শিক্ষার্থীদের মাঝে আর্থিক সচেতনতা ও ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের ওপর সচেতনতামূলক সেশন পরিচালনা করা হয়।
এনসিসি ব্যাংক পিএলসি, লালদিঘীরপার শাখা ব্যবস্থাপক মো. আরশাদ উল্লাহ খান এর সভাপতিত্বে ও সুমন্ত গুপ্ত এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বসন্ত মেমোরিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক বেবী রায়, ব্যাংক কর্মকর্তা মো. রবিউল আলম, পম্পা পাল চৌধুরী, এস এম ফজলে রাব্বি মিঠুন, স্কুলের সহকারি শিক্ষক আছমা আক্তার, সামজিল বেগম, অম্মিতা দত্ত চৌধুরী, প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, শিশু বয়স থেকেই সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে উঠলে তারা ভবিষ্যতে আর্থিকভাবে আত্মনির্ভরশীল হতে পারবে।
সঞ্চয় শুধু টাকা জমানো নয়, এটি শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দায়িত্বশীল নাগরিক তাদের হাতে যদি সঠিক আর্থিক জ্ঞান তুলে দেওয়া যায়, তাহলে দেশও উপকৃত হবে।
বক্তারা আরো বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় শিক্ষার্থীরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পাশাপাশি বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী জ্ঞান দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন।
স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে, যা তাদের জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারাও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সঞ্চয় করার আহ্বান জানান এবং অল্প অল্প করে টাকা জমিয়ে ভবিষ্যতের প্রয়োজন মেটানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
পরিবেশ সুরক্ষায় ও শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়ে আগ্রহী করতে এনসিসি ব্যাংক দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ এবং ছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
» সিলেটে গ্রীনওয়ে একাডেমীতে কোয়ালিফাই ওরিয়েন্টেশেন ক্লাসের উদ্বোধন
Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার
শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে গ্রীনওয়ে একাডেমি : প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের গ্রীন ওয়ে একাডেমিতে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থা ‘কোয়ালিফাই’ এর ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের যাত্রা শুরু হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) নগরীর জেলরোডস্থ আনন্দ টাওয়ারে গ্রীন ওয়ে একাডেমি হলরুমে এ ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের উদ্বোধন করেন, সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রতিবছর প্রচুর শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন লেভেলে পাস করে বের হচ্ছেন।
কিন্তু সকলের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে না। গ্রীণওয়ে একাডেমীর হাত ধরে সিলেটে প্রথম ‘কোয়ালিফাই’ শিক্ষাকার্যক্রমের যাত্রা শুরু হলো।
যার ফলে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক কর্মবাজারে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আমি আশাবাদী।
আয়োজকরা জানান, আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগকে শিক্ষার্থীদের আরও কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার গুরুত্ব, উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা এবং পেশাগত দক্ষতা অর্জনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
পাশাপাশি কোয়ালিফাই-এর অধীনে পরিচালিত শিক্ষাকার্যক্রম, একাডেমিক কাঠামো ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, গ্রীন ওয়ে একাডেমির পরিচালক তারেক আহমদ, টিম লিডার তাজকিয়া খান রিহা, লেকচারার ও একাডেমিক কো অর্ডিনেটর যারিন তাসনিম চৌধুরী, সিনিয়র কাউন্সিলর আশরাফুল বারি, কমপ্লায়েন্স অফিসার অদিতি চৌধুরী, ফাইন্যান্স অফিসার শর্মিলা বর্মন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কেক কেটে ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের উদ্বোধন করেন অতিথিরা।
» ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার
দুই ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তিন রাউন্ড টিয়ারশেল
ছাতক প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ছাতকে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও হামলা-পাল্টা হামলায় উভয় পক্ষের শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তিন রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। এ ঘটনায় একজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়ন ও জাউয়াবাজার ইউনিয়নের মধ্যবর্তী বড় সেতুর উভয় পাশে পাইগাঁও ও জালালীরচর গ্রামের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় স্থানীয়দের স্বাভাবিক চলাচল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে চরমহল্লা ইউনিয়নের নানকার এলাকার আহমদ কমিউনিটি সেন্টারের পেছনে পাইগাঁও ও জালালীরচর গ্রামের ছেলেদের মধ্যে একটি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
খেলার একপর্যায়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথা-কাটাকাটি, মনোমালিন্য ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এ বিরোধ দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
উভয় গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়ো হওয়ার খবর পেয়ে জাউয়াবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
তবে ওই ঘটনার উত্তেজনা প্রশমিত না হতেই বুধবার সকালে দুই গ্রামের লোকজন পুনরায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
এ সময় উভয় পক্ষের লোকজন ইট-পাথর, বাঁশের লাঠি ও তীর-ধনুক নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালান।
শুরু হয় দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। এতে উভয় পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে ছাতক থানা ও জাউয়াবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
এ সময় ছাতক জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মুরছালিনের নেতৃত্বে এবং ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন পিপিএমের তত্ত্বাবধানে পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ তিন রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। পরে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ সংঘর্ষে জাউয়াবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই মঞ্জুরুল হক ইটের আঘাতে আহত হন। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অন্য আহত ব্যক্তিরা ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কৈতক হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে দুই গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে এমন সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সামান্য খেলাধুলার বিরোধ কীভাবে বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নিল, তা নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে।
ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্যোগে বিরোধ নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন পিপিএম সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
» জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সাপ্তাহিক সেবা পত্রিকার সম্পাদক
Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অগ্রসেণানী ডা. এম এ করিমের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীতে সিলেটে আলোচনাসভা
নিউজ ডেস্কঃ
সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ আমলা দালালপুঁজি বিরোধী জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লবী লড়াই-সংগ্রামের অগ্রণী সৈনিক, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাপ্তাহিক সেবা পত্রিকার সম্পাদক ডা. এম এ করিমের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত।
৫ নভেম্বর’২৬ সন্ধ্যা ৬টায় এনডিএফ সিলেট জেলা কার্যালয়ে জেলা সভাপতি এডভোকেট কুমার চন্দ্র রায় এর সভাপতিত্বে এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. ছাদেক মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলার সহ-সভাপতি অধ্যাপক আবুল ফজল, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ন সম্পাদক রমজান আলী পটু, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা আহবায়ক শুভ আজাদ (শান্ত), সাবেক ছাত্রনেতা রমাপদ দাস, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইমান আলী, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিন, আম্বরখানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রাশেদ আহমদ।
বক্তারা বলেন, এদেশের মানুষের মুক্তির একমাত্র পথ সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও মুৎসুদ্দি পুঁজির শৃঙ্খল থেকে মুক্তির আন্দোলনকে বেগবান করা।
ডা. এম এ করিম আজীবন এই সংগ্রামের পথিকৃৎ ছিলেন। তিনি প্রত্যক্ষ করলেন রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার উলঙ্গ বীভৎস রূপ।
একদিকে কৃষক, শ্রমিক, গরীব দিনমজুর সহ নিম্নবিত্তদের খাদ্য জুটছে না। হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ খাদ্যের অভাবে নয়তো কুখাদ্য খেয়ে মারা যাচ্ছে।
রোগবালাইয়ে কঙ্কালসার দেহ নিয়ে তাঁরা রাস্তাঘাটে নানা স্থানে পড়ে পড়ে মৃত্যু যন্ত্রণায় ধুঁকছে অথচ বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদী সরকার ও তাদের সহচর স্বার্থান্বেষী বা কোন ভ্রুক্ষেপ করছে না।
উপরন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উন্মাদনায় ফাটকা বাজিতে লিপ্ত হয়ে এই মানবিক বিপর্যয়কে চরম মাত্রায় নিয়ে যায়। এই দুর্ভিক্ষে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ লোক মারা যায়।
এভাবেই প্রত্যক্ষ করলেন ডা. করিম সাম্রাজ্যবাদের হিংস্র রূপটি।
একেই বলা হয় পঞ্চাশের মন্বান্তর। এই মন্বান্তর সাম্রাজ্যবাদের প্রতি তীব্র ঘৃণার সৃষ্টি করে।
শৈশবে তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন সামন্ত-জোতদার মহাজন শ্রেণির শোষণ-লুণ্ঠনের নির্মমতা।
বাংলাদেশ একটি নয়াঔপনিবেশিক আধাসামন্তবাদী রাষ্ট্র, যেখানে সাম্রাজ্যবাদী লগ্নিপুঁজির স্বার্থে বাজার, প্রাকৃতিক সম্পদ, কৃষি ও সস্তা শ্রমশক্তিকে শোষণ ও লুণ্ঠনের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা বিদ্যমান।
সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো এদেশে তাদের বিশ্বস্থ দালাল তৈরি করে আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর নির্ভর করে নিজেদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ বাস্তবায়ন করে চলছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত এবং দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ান প্রণালী ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সামরিক উত্তেজনা বিশ্ব পরিস্থিতিকে ক্রমেই সংঘাতমুখর করে তুলছে।
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ভারত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক ও রণনীতিগত গুরুত্ব বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশও বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
সভা থেকে মানবিক করিডোরের প্রস্তাব, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল সহ গুরুত্বপূর্ণ বন্দর বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে ইজারা প্রদান, এনডিএ সহ বিভিন্ন সামরিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং বিদেশি সামরিক উপস্থিতির বিষয়গুলো জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বলে উল্লেখ করে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়।
গার্মেন্টন্স শ্রমিকদের ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা ঘোষণার দাবিতে চলমান আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির বাজারে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য যে বেতন প্রয়োজন শ্রমিকদের তা প্রদান করা হয়না।
শ্রমিকরা যখন তাঁদের ন্যায়সংগত দাবি ও অধিকার আদায়ের প্রশ্নে রাজপথে সোচ্ছার হয় তখন রাষ্ট্রের পেটুয়া বাহিনী স্বৈরাচারী পন্থায় শ্রমিক নির্যাতন করে হত্যা করে এমনকি বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করে শ্রমিকদের নির্যাতন করা হচ্ছে।
এসকল ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে অনতিবিলম্বে গার্মেন্টন্স শ্রমিকদের ন্যায়সংগত দাবি মেনে নেওয়ার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।
আন্দোলনে প্রতি সংহতি প্রকাশের কারণে প্রশাসন স্বৈরাচারী পন্থায় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার চালাচ্ছে।
যা শেখ হাসিনা সরকারের দমন নিপীড়নের ব্যাপ্ত ঘটছে। অবিলম্বে আটককৃত শ্রমিক নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য যে, ১৯২৩ সালের ১৫ জুলাই মাতুলালয়ে ডা. এম এ করিমের জন্ম। হাজিগঞ্জ, চাঁদপুর সাদরা গ্রামের শিক্ষক হাকিম উদ্দিন ছিলেন তাঁর পিতা। মাতা মেহের নিগার ছিলেন একজন গৃহিনী।
পিতা-মাতার সাথে সাথে তাঁর নিঃসন্তান জ্যেঠা-জ্যেঠির আপত্য স্নেহে বড় হয়েছেন তিনি। তাঁর পিতা চেয়েছিলেন তার সন্তানকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে।
ডা. করিম তাঁর পিতার আকাঙ্খাকে আত্মস্থ করে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজেকে একজন শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পেরেছিলেন।
আজকের বাস্তবতায় প্রয়োজন ডা. এম এ করিমের দেখানো পথ জাতীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, সরকার ও সংবিধান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে তাঁর অসমাপ্ত কাজ জাতীয় গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে বেগবান করা।
» মৌলভীবাজার সমিতি সিলেটের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তির দরখাস্ত আহ্বান
Published: ০৪. নভে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে বসবাসরত মৌলভীবাজার জেলাবাসীদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন ‘মৌলভীবাজার সমিতি, সিলেট’-এর উদ্যোগে ২০২৬ সালে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের এককালীন বিশেষ বৃত্তি প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সংগঠনের সম্মানিত জীবন সদস্যদের সন্তান অথবা সিলেট শহরে বসবাসরত মৌলভীবাজার জেলার যে সকল শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাঁদেরকে নাম তালিকাভুক্তকরণ এবং এর মধ্য থেকে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তি প্রদানের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে।
আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সাদা কাগজে অথবা নির্দিষ্ট স্থানে রক্ষিত নির্ধারিত ফরম পূরণ করে সমিতির সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদক বরাবর আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
আবেদনপত্রের সাথে যেসকল কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। তা হলো-শিক্ষার্থীর নাম, পিতা-মাতার নাম, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, সচল মোবাইল নম্বর, পরীক্ষার নম্বর ফর্দ বা মার্কশিট।
আগামী ১৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে নিচের যেকোনো একটি ঠিকানায় সরাসরি আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। জয়িতা ফার্মেসী: লামাবাজার পয়েন্ট, রিকাবিবাজার, সিলেট। উপশহর ডিপার্টমেন্টাল স্টোর: বে-লীফ চায়নিজ রেস্টুরেন্টের নিচে, বি-ব্লক মেইন রোড, শাহজালাল উপশহর, সিলেট।
এছাড়াও যেকোনো তথ্যের প্রয়োজনে সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট বদরুল আহমদ চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক আহমদ মাহবুব ফেরদৌসের পক্ষ থেকে ০৭১১১-৩১১৫৭৪ অথবা ০৭১১২-৩৫৬৫৪৫ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
» বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সমন্বয় সভায় সিসিক প্রশাসক
Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিধি আরও বাড়ানো হবে
নিউজ ডেস্কঃ
নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সিলেট মহানগরী ও নগরের বাইরে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিধি আরও সম্প্রসারিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নগরভবনের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের সভাপতিত্বে সভায় প্রশাসক বলেন, সাধারণ বর্জ্যের মতো মেডিকেল বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব নয়।
এটি সঠিকভাবে নিষ্কাশন করা না হলে জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি ও রোগবালাই তৈরি হয়।
সিসিক ও প্রিজম বাংলাদেশ যৌথভাবে দীর্ঘদিন ধরে লালমাটিয়া প্ল্যান্টে বৈজ্ঞানিক উপায়ে এ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে আসছে।
এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সিসিকের পক্ষ থেকে প্রিজম বাংলাদেশকে নতুন জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং নগরীর সীমানা ছাড়িয়ে বাইরেও সেবা সম্প্রসারণে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।
সভায় জানানো হয়, লালমাটিয়া প্ল্যান্টে সংগৃহীত চিকিৎসা বর্জ্য থেকে শুকনো ও ভেজা অংশ পৃথকীকরণ, শুকনো বর্জ্য দাহকরণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য দ্রব্যাদি জীবাণুমুক্তকরণ এবং ধারালো বস্তু ও শারীরিক টিস্যু গভীর কূপে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।
সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন্ নূর, সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ একলিম আবদীন, প্রিজম বাংলাদেশের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা।
» বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক নগরীর কোন রাস্তা কাঁচা থাকবে না
Published: ০৩. নভে. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ২০০২ সালে সিলেট সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনও মহানগরীর প্রায় অর্ধেক রাস্তা কাঁচা রয়েছে।
অতীতে উন্নয়নের নামে শুধু লুটপাট হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে নগরীর প্রতিটি রাস্তা সম্প্রসারণ ও পাকাকরণ করা হবে। নগরীর কোনো রাস্তা কাঁচা থাকবে না।
মঙ্গলবার সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ উদ্বোধন ও পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, সিটি করপোরেশনের বর্ধিত ওয়ার্ডগুলো এখনও অনেকটাই অনুন্নত। এসব এলাকার বাসিন্দারা নগরীর কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে সিটি করপোরেশন কাজ করছে। এসব এলাকায় ২০ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেটের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।
তিনি নগরীর প্রতিটি সড়ক পাকাকরণের উদ্যোগ নিয়েছেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিলেট নগরীর চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব হবে।
দুপুরে ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের আল বারাকা আবাসিক এলাকায় সড়ক সম্প্রসারণকাজের উদ্বোধন করেন সিসিক প্রশাসক।
এ সময় তিনি বলেন, দুই মাস আগে এ এলাকায় এসে এলাকাবাসীকে সড়ক সম্প্রসারণের আশ্বাস দিয়েছিলেন।
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দুই মাসের মধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য সড়কটি আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে নির্মাণ করা হচ্ছে। সড়কটি ২০ ফুট প্রশস্ত করা হবে।
টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী গুণগত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি কাজের মান তদারকি করতে এলাকাবাসীকে অনুরোধ করেন।
এ সময় সিসিকের সহকারী প্রকৌশলী সেলিম আহমদ, কামরুজ্জামান কামরুল সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
এক মাসেই মুক্তিরচকে সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু
এরপর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তিরচক এলাকায় নতুন সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
এ সময় সিসিক প্রশাসক বলেন, এক মাস আগে মুক্তিরচক এলাকা পরিদর্শনে এসে সড়কটি নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। এক মাসের মধ্যেই সেই কাজ শুরু হয়েছে।
এতে এলাকার দীর্ঘদিনের সড়ক যোগাযোগের সমস্যা দূর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় সিসিকের উপসহকারী প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম অপু, কার্যসহকারী দেলোয়ার, মেঘনা এন্টারপ্রাইজের প্রকৌশলী আরিফ ও ফারহানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের মধ্যে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রবীণ বিএনপি নেতা মঈনউদ্দিন আহমেদ, শাহীন মিয়া, আবুল মিয়া, বাছা আহমদ, মামুনুর রশিদ, ছাবু মিয়া, জামাল উদ্দিন, মুক্তিরচক জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি রশিদ মিয়াসহ এলাকার মুরব্বিরা উপস্থিত ছিলেন।
নরসিংটিলায় সড়ক সম্প্রসারণে জমি দেওয়ায় এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ
বিকেলে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নরসিংটিলা এলাকায় সড়ক সম্প্রসারণকাজ পরিদর্শন করেন, সিসিক প্রশাসক।
এ সময় জনস্বার্থে সড়ক সম্প্রসারণের জন্য স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে দেওয়ায় এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
এ সময় সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারী, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান কামরুল, কর্নেল (অব.) সৈয়দ আলী আহমদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
টুকেরবাজারে ড্রেন ও শাহপুরে প্রধান সড়কের কাজ শুরু
সন্ধ্যায় ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের টুকেরবাজারে হায়দরপুর মসজিদসংলগ্ন এলাকায় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন, সিসিক প্রশাসক।
পরে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের শাদীখালের পাড়স্থ টুকেরবাজার সংযোগস্থল থেকে শাহপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পয়েন্ট পর্যন্ত বৃহত্তর শাহপুর গ্রামের প্রধান সড়ক নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন সিসিক প্রশাসক।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি শহীদ আহমদ ও সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ হোসেন সুমন।
অধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন আল কাদরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিমানবন্দর থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাদির সমছু, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কোহিনূর আহমদ, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এনাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ফখর উদ্দিন সহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

