শিরোনামঃ-

» পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া নেয়া থেকে বিরত থাকতে আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী দুই অংশীদার

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট নগরীর সুবিদবাজার এলাকার পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া নিতে বা সেন্টারের সাথে কোন চুক্তি থেকে বিরত থাকতে সিলেটবাসীকে আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী দুই অংশীদার।

তাঁরা হলেন, কানাডা প্রবাসী মো: এহসানুল ইসলাম চৌধুরী এবং আমেরিকা প্রবাসী তাজিন ইসলাম চৌধুরী।

মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা তাঁদের ছোট ভাই এডভোকেট মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী (রিমু), মা বুলবুল নাহার চৌধুরী এবং পল্লবী সেন্টারের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে জবরদখল ও অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন সুবিদবাজারের মরহুম এনামুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে কানাডা প্রবাসী মো. এহসানুল ইসলাম চৌধুরী।

এসময় তার বোন আমেরিকা প্রবাসী তাজিন ইসলাম চৌধুরীও বক্তব্য রাখেন।

লিখিত বক্তব্য নিম্নরূপ;

আজ আমরা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়, গভীর উদ্বেগ এবং সত্য ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।

আমরা প্রবাসে কষ্টার্জিত উপার্জনের মাধ্যমে দেশের সেবা করে আসছি এবং নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠিয়ে আসছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আজ নিজ দেশে আমাদের মরহুম পিতা এনামুল ইসলাম চৌধুরীর বৈধ পৈতৃক সম্পত্তি রক্ষা করতে গিয়ে এবং প্রতারক চক্রের হাত থেকে নিজেদের অধিকার ফিরিয়ে আনতে গিয়ে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আপনাদের বহুল প্রচারিত গণমাধ্যমের সাহায্যে দেশবাসী ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আমাদের এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন।

আমাদের বাবা মরহুম এনামুল ইসলাম চৌধুরী গত ০৩ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে আমরা সিলেট শহরের সুবিদবাজার এলাকার পৈতৃক সম্পত্তির অংশীদার হই।

পরবর্তীতে গত ২৮/০৩/২০২২ খ্রিঃ তারিখে যথাযথ আইনি নিয়ম মেনে একটি রেজিস্ট্রি বাঁটোয়ারানামা সম্পাদিত হয়।

উক্ত বাঁটোয়ারানামা অনুযায়ী সুবিদবাজারস্থ ব্র্যাক ব্যাংক ভবনের অর্ধাংশ এবং পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার ভূমির অর্ধাংশ আমাদের প্রাপ্য অংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়।

আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি সুবিদবাজার এলাকায় খতিয়ান নং-২০৩৬৫ ও ২০৩৬৮ অনুযায়ী মোট ০.৩২১৩ শতক জমি ও বাড়িতে অবস্থিত “পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার” ও চার তলা বিশিষ্ট ভবন যা ব্র্যাক ব্যাংকের কাছে ভাড়া দেয়া হইয়াছে তা আমাদের ছোট ভাই মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী (রিমু), মা বুলবুল নাহার চৌধুরী এবং তাদের সহযোগীরা অবৈধভাবে জবরদখল করে রেখেছে।

আমাদের নিযুক্ত আমমোক্তার মো: আবদুল কাইয়ুম ভাড়ার টাকা চাইতে গেলে তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং গালিগালাজ করা হয়।

আমরা প্রবাসে থাকায় উক্ত সম্পত্তির কেয়ারটেকার হিসেবে হাবিবুর রহমান শিবলুকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমাদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে আমাদের ভাই মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী (রিমু), মাসুক মিয়া, নওশেবা ফারাহ তুনা, বুলবুল নাহার চৌধুরী পরস্পর যোগসাজশে আমাদের স্বাক্ষর জাল করে একটি ভুয়া আমমোক্তারনামা (Power of Attorney) তৈরি করে।

যে সময়ে এই জাল দলিল প্রস্তুত করা হয়, সে সময় আমরা দুজনেই প্রবাসে অবস্থান করছিলাম- যা আমাদের পাসপোর্টের ট্রাভেল রেকর্ড দ্বারা প্রমাণিত। এই ভুয়া আমমোক্তারনামা ব্যবহার করে আসামিরা গত ২০২১ সাল থেকে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ব্র্যাক ব্যাংক সুবিদবাজার শাখার প্রাপ্য অর্ধাংশ ভাড়ার আনুমানিক ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে।

এই প্রতারণার বিচার চেয়ে আমরা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সিলেটে কোতোয়ালী সি.আর. মামলা নং-৪৯৭/২০২৬ইং দায়ের করেছি।

বিজ্ঞ আদালত (আদালত নং-০১, সিলেট) বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ সুপার, পিবিআই, সিলেট-কে নির্দেশ প্রদান করেছেন।

পাশাপাশি বিতর্কিত আমমোক্তারনামা জব্দ এবং বিশেষজ্ঞ দ্বারা স্বাক্ষর পরীক্ষার আদেশ দিয়েছেন।

প্রতারণা এড়াতে গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় আমরা Declaration To Revoke The General Power of Attorney সম্পাদন করেছি। এর মাধ্যমে কথিত জেনারেল পাওয়ার অব অ্যাটর্নির সকল কার্যকারিতা সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হয়েছে।

ফলে উক্ত দলিলের ভিত্তিতে করা যেকোনো লেনদেন বা চুক্তি সম্পূর্ণ অবৈধ ও বাতিল বলে গণ্য হবে।

এছাড়া মূলহোতা মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার থেকে ভাড়াবাবত কোন টাকা আমাদের প্রদান করছেন না এবং সিলেট সদরের নালিয়া আঙ্গারুয়া মৌজার প্রায় ২৬২ শতক জমি এবং ঢাকার ধানমণ্ডি সাতে আমাদের পৈতৃক বাড়ি জবরদখল করে রেখেছে।

জালজালিয়াতির মধ্যমে ৭১/২০১০নং অছিয়তনামা তৈরি করা হইয়াছে। যা সম্পন্ন বেআইনী আনবেলিড। গত ৪/১০/২০২৬ইং তারিখে সিলেট যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালত কর্তৃক ৪নং আদেশের বলে অছিয়তনামার কার্যকরিতা জব্দ করা হইয়াছে।

আমরা যাতে ভবিষ্যতে আমাদের সন্তানদের জন্য সম্পত্তি ঝামেলামুক্ত করতে ২০২৫ সালে দেশে এসে সুষ্ঠু

বণ্টনের কথা বলি, তখন থেকেই আমাদের ভাই মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী বাটোয়ারানামা অমান্য করতে শুরু করে। পরবর্তীতে গত ১৫/১০/২০২৬ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৮টায় সুবিদবাজারস্থ বাসায় অবস্থানকালে মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী ও বুলবুল নাহার চৌধুরী মোবাইল ফোনে (০১৭১১৪২৪৮৪৪, ০১৭৪৫৮৯২৬৯২) আমাদের সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

তাঁরা মেসেজ, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা, ইন্টারপোলের পরোয়ানা ও আন্তর্জাতিক এজেন্সির ভয় দেখিয়ে আমাদের ব্ল‍্যাকমেইল করছে।

এ বিষয়ে আমরা সিলেটের কোতোয়ালী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ১৬০৮, তারিখ: ১৫/১০/২০২৬) দায়ের করেছি।

প্রবাসফেরত অবস্থায় আমাদের জীবনের সরাসরি ঝুঁকি থাকায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আমাদের সার্বিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি, জাল আমমোক্তারনামা তৈরি করে কোটি টাকা আত্মসাৎকারী ও ভুয়া দলিল সৃষ্টিকারী চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।

জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ পুনরুদ্ধার করে এবং জবরদখলকৃত জমি ও ভবন প্রকৃত উত্তরাধিকারীদের বুঝিয়ে দেওয়া। ভুয়া হুমকি, ব্ল‍্যাকমেইল ও আন্তর্জাতিক এজেন্সির ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, আমরা প্রবাসীরা প্রবাসে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছি এবং দেশে কষ্টার্জিত অর্থ পাঠাচ্ছি। কিন্তু আজ নিজ পৈতৃক ভিটায় এসে আমরা যে প্রতারণা, জবরদখল ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েছি, তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।

আপনাদের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমেই আমরা সুবিচার ও জীবনের নিরাপত্তা পেতে পারি।

প্রিয় সংবাদিক বৃন্দ আপনাদের মাধ্যমে সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমরা প্রবাসে চলে যাবো আমাদের অবর্তমানে দেশের সকল প্রয়োজন কাজ তদারকি করবেন এবং দেখভাল করবেন আমাদের নিয়োজিত আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও হাবিবুর রহমান শিবলু।

আমাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার জন্য আপনাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

» শেফ পেশায় শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচিত হবে : সিসিক প্রশাসক

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, শেফ ও কুকের পেশা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশেও শিক্ষিত সমাজের অনেকে এ পেশাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে এ পেশায় আরও বেশি মানুষকে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

আন্তর্জাতিক শেফ দিবস উপলক্ষে সিলেট বিভাগের শেফ’স ও কুক আয়োজিত ‘মিট দ্য শেফ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, রন্ধনশিল্প প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে দীর্ঘদিন ধরে একটি মর্যাদাপূর্ণ শিল্প ও পেশা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

বাংলাদেশেও দিন দিন এ পেশার প্রতি শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের আগ্রহ বাড়ছে। এটি ইতিবাচক পরিবর্তন।

সমাজের সব ধরনের পেশাকে সম্মানের সঙ্গে দেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে বিপুল সংখ্যক কর্মক্ষম মানুষ রয়েছেন। বিশেষ করে ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সী মানুষের একটি বড় অংশ কর্মক্ষম।

তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্র, উদ্যোক্তা ও বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের দায়িত্ব।

কর্মক্ষম মানুষকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত করা গেলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, শেফ ও কুকের পেশায় এখন নারী-পুরুষ উভয়ের অংশগ্রহণ বাড়ছে। তবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এ পেশাকে আরও পরিচিত ও মর্যাদাপূর্ণ করে তুলতে হবে।

বিভিন্ন দিবস, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সেমিনার আয়োজন এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষিত সমাজকে এ পেশার প্রতি আরও আকৃষ্ট করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের হসপিটালিটি সেক্টর অনেক বড় হয়েছে। সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফাইভ স্টার, ফোর স্টার ও থ্রি স্টার মানের হোটেল-রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে।

এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষিত শেফ ও কুকদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দিতে পারলে দেশে-বিদেশে তাদের কাজের সুযোগ আরও বাড়বে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে দেশে ও বিদেশে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

সিলেট থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ করে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, শেফের কাজ শুধু খাবার তৈরি করা নয়; খাবার পরিবেশন, উপস্থাপন এবং অতিথিদের আকৃষ্ট করার বিষয়টিও এ পেশার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আধুনিক হসপিটালিটি সেক্টরে দক্ষ শেফদের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে।

তাই এ পেশাকে শিল্প হিসেবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন নূর।

এ ছাড়া শেফ ও কুক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিশ্ব শেফ দিবস উপলক্ষে নগরীতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে সিলেট

বিভাগের বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁ ও হসপিটালিটি সেক্টরের শেফ, কুক এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা অংশ নেন।

» সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে : সিসিক প্রশাসক

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব।

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে নগরবাসী যেন উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সিলেট সিটি করপোরেশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেট সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যের শহর। এ নগরীতে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছেন।

ধর্মীয় উৎসবগুলোও সবাই মিলেমিশে উদযাপন করেন। এই সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে আরও সুদৃঢ় করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে আগত পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উৎসব চলাকালে কোনো ধরনের সমস্যা বা প্রয়োজন দেখা দিলে সিলেট সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। সিসিকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

এদিন বিকেলে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তিন মন্দির, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বিমলেন্দু দাস সাধু বাবুর বাড়ির পূজামণ্ডপ, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীশ্রী কালীবাড়ী এবং একই ওয়ার্ডের শ্রীশ্রী লোকনাথ মন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

এ ছাড়া তিনি নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের আরও কয়েকটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি, পুণ্যার্থীদের উপস্থিতি এবং বিভিন্ন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে খোঁজ নেন। পাশাপাশি পুণ্যার্থী ও পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সিসিক প্রশাসক পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

যে কোন প্রয়োজনে সিলেট সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

» এয়ারপোর্ট থানা’র গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেছেন এসএমপি’র কমিশনার

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)’র কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম বিপিএম সেবা এয়ারপোর্ট থানা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেছেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)দুপুরে তিনি স্থান সমূহ পরিদর্শনে যান।

পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বলেন।

এসময় সাধারণ মানুষের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দেয়া বক্তব্য তিনি মনযোগ দিয়ে শুনেন।

সাহেবের বাজারের কালাগুল পুলিশ ফাঁড়ি বাজার এলাকায় স্থাপনের বিষয়ে কথা বলেন এলাকাবাসী। পুলিশ কমিশনার এসময় সাধারণ জনগণকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।

পরিদর্শনকালে পুলিশ কমিশনার এসএমপি’র এয়ারপোর্ট থানাধীন চাঁনপুরস্থ ডগ স্কোয়াডের স্থান পরিদর্শন করেন।

ডগ স্কোয়াডের জন্য এসএমপি’র অধিগ্রহণকৃত জমির চতুর্দিকে চিহ্নিত করে বেড়া নির্মাণের নির্দেশ দেন।

এসময় পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, এসএমপি’র উত্তরের ডিসি সাইফুল ইসলাম, স্টাফ অফিসার মুহিবুর রহমান, এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ সহিদুর রহমান, ওসি তদন্ত আব্দুস সালাম, এয়ারপোর্ট থানায় কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দও স্থানী এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

» প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার, ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, যে সময়ই বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকে, সে সময়ই অন্যান্য ধর্মালম্বীরা নিরাপদে থাকেন, স্বস্তিতে থাকেন।

কারণ, প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার, ধর্ম যার যার; নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। তাই বিএনপির অতীতের সময়ের মতো এবারও সনাতন ধর্মালম্বীরা নির্বিঘ্নে তাদের শারদীয় দুর্গাপূজা পালন করতে পারছেন।

গত দুদিন (সোম ও মঙ্গলবার) গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী আরও বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দ্বিতীয় কোন দেশ আর নেই। এই সম্প্রীতি আমাদের গর্ব ও অহংকার। শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ উৎসব পালন করা বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষের অধিকার।

আর এ উৎসব যাতে অত্যন্ত আনন্দময় হয়, সেজন্য তারেক রহমান সরকার সব ধর্মের মানুষের পাশে আছেন। এই পূজার আগেই সনাতন ধর্মালম্বীদের মাঝে সরকারি তহবিল থেকে সিলেটসহ সারা দেশে পর্যাপ্ত অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

গত দুদিন বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জের পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শনকালে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং উৎসবের সার্বিক পরিবেশ ও নিরাপত্ত ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন এমপি এমরান আহমদ।

পরিদর্শনের মধ্যে ছিলো বিয়ানীবাজারের পৌর শহরের কালাচাঁদ মন্দির, পোস্ট অফিস রোড মন্দির, সুপাতলা পূজা মন্দির ও নওয়াগ্রাম এলাকার পূজামণ্ডপ এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ, লক্ষীপাশার ঘোষগাও ফুটন্ত গোলাপ যুব সংঘের মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা মজুমদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান,সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূরুল আম্বিয়া আলাউল, বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জাফর মাহফুজুল করিম, সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা গোলাম কিবরিয়া শাহিন, জেলা বিএনপি নেতা অ্যাড. আবু নাসের পিন্টু ও এনাম উদ্দিন, গোলাপগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মুশিকুর রহমান মুহি, বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান রুমেল, বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুস সবুর, জেলা বিএনপির সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন চৌধুরী, বিয়ানীবাজার পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মিছবাহ উদ্দিন, যুবদল নেতা দৌলা হোসেন সুবাস ও  হারান দাশ প্রমুখ।

এদিকে, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকালে গোলাপগঞ্জের ঘোষগাঁও-বাউসী সড়কের পুনর্বাসন কাজের উদ্বোধন করেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED), সিলেট-এর বাস্তবায়নে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই ঘোষগাঁও-বাউসী সড়কের পুনর্বাসন ও সংস্কার কাজ পরিচালিত হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলজিইডির প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ এলাকার গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ থাকা এই সড়কটির পুনর্নির্মাণ ও পুনর্বাসনের কাজ শুরু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সড়কটির সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে ঘোষগাঁও ও বাউসীসহ আশেপাশের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা সুগম হবে এবং কৃষিপণ্য পরিবহন আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

» মালনীচড়া ও হিলুয়াছড়া চা বাগানে ড. রাগীব আলীর পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময়

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে মালনীচড়া চা বাগান পূজা মন্ডব ও হিলুয়াছড়া চা বাগানের (তেলিহাটি) পূজা মন্ডব পরিদর্শন করেন, সিলেট টি কোম্পানী লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি দানবীর ড. রাগীব আলী।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় পৃথক পৃথকভাবে মালনীচড়া চা বাগান পূজা মন্ডব ও হিলুয়াছড়া চা বাগান পূজা মন্ডব পরিদর্শন করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দানবীর ড. রাগীব আলী শারদীয় দুর্গোৎসবের আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, উৎসবের আনন্দ সবার জন্য সমান।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আবহমান বাংলার সুদৃঢ় সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে অত্যন্ত উৎসবমুখর, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে হবে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে অত্যন্ত নিরাপদে ও সুশৃঙ্খলভাবে তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সেজন্য আমাদের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, চা বাগান এলাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশন এবং সিলেট টি কোম্পানী লিমিটেড সর্বদা বাগানবাসীদের পাশে রয়েছে। পারস্পরিক ঐক্য ও ভালোবাসাই দুর্গোৎসবের মূল বার্তা।

পৃথক পৃথকভাবে মালনী ছড়া ও হিলুয়াছড়া চা বাগান পূজা মন্ডব পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, চা বাগান পূজা মন্ডব শ্রী শ্রী দূর্গা পূজা উদযাপন কমিটির পৃষ্ঠপোষক মালনীছড়া চা বাগানের সহকারি মহাব্যবস্থাপক মো. আজম আলী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী নাজমা আক্তার কলি, টুকের বাজার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার পদপ্রার্থী সালমা বেগম, সহকারি পৃষ্ঠপোষক সহকারি ব্যবস্থাপক মো. আব্দুল মুনায়েম ও সুকুমার সরকার, উপদেষ্টা সৈয়দ সোয়েব আহমদ, মো. জাহাঙ্গীর আলম, সার্বজনীন শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা শ্রী হৃদেশ মুদি, সহ উপদেষ্টা জিতেন সবর, বিক্রম গোয়ালা, সুফল বাড়াইক, দুলাল বাউরী, সভাপতি জয় মাতাত্ম কুর্মি, সহ ষভাপতি সঞ্জ বাউরি শিবা, সন্তোষ নায়েক, বচন কালোয়ার, সঞ্জয় বাউরী শাকিল, সাধারণ সম্পাদক সুজিদব দেব, কোষাধ্যক্ষ চম্পক বাউরী, সহ কোষাধ্যক্ষ দিলীপ বাউরি, রানা বাউরী, অনিক দেব, প্রকাশনা সম্পাদক সাজন কালোয়ার, আপ্যায়ন সম্পাদক সঞ্জিত বাউরী, বিকাশ বাউরী, বাবলু সবর, বিশ্বজিৎ বারাইক, টিটু মিয়া, হিলুয়াছড়া চা বাগান পূজা মন্ডবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারি ব্যবস্থাপক মো. মোর্শেদ খান, টিলা কর্ণিক মো. জাহিদুর রহমান, মো. সাব্বির আহমদ, মো. হাসেন আলী, মজেন গঞ্জ, রিতা নায়েক, দয়াল বাউরী, লাল বাবু রায় জয়, প্রধান শিক্ষক বিক্রম গোয়ালা, রিপন দেবনাথ, শ্রী শ্রী দুর্গা পূজা উদযাপন কমিটি-২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ (মন্দির কমিটি) সভাপতি ৬নং ওয়ার্ড ইউ/পি সদস্য দিলীপ রঞ্জন কুর্মী, সহ-সভাপতি বিমল গঞ্জু, রণজিৎ বাউরী, দিপু গঞ্জু, রাধামনি মুন্ডা, সাধারণ সম্পাদক কাজল দেবনাথ, কোষাধ্যক্ষ: কার্তিক বৈদ্য, সংস্কৃতিক সম্পাদক বাবুল বাউরী (কৃষ্ণ), সাংগঠনিক সম্পাদক মিলন মুন্ডা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শিবু বাউরী, মনা বাউরী, অনিল মাহালি, সহ-কোষাধ্যক্ষ জয় গঞ্জু, সুশীল বাউরী, সহ-দপ্তর সম্পাদক মেঘাই দাস, প্রচার সম্পাদক অনিক গঞ্জু, সহ-প্রচার সম্পাদক মিঠুন কালিন্দি, তথ্য-বিষয়ক সম্পাদক সুদীপ গঞ্জু, সহ-দপ্তর সম্পাদক সুদর্শন সবর, আপ্যায়ন কেসব সবর, অনিএ গঞ্জু, রবি মাল, অন্তর গোয়ালা, রতন নায়েক, বিপুল কুর্মী, বাংলামনি গঞ্জু, নন্দলাল বাউরী, শাওনা মুন্ডা ও খোকন বাউরী।

» সিলেটে স্বামীর পরকীয়া, শারীরিক নির্যাতন ও ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবির বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটে যৌতুক, শারীরিক-মানসিক নির্যাতন এবং প্রতারণার বিরুদ্ধে সুবিচারের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাহিমা তাসনিম নামের এক ভুক্তভোগী নারী।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিএমজেএ) সিলেট বিভাগীয় কমিটির আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে স্বামী শাহ মোহাম্মদ শামস উদ্দিন শিপন ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে পরকীয়া, একাধিক বেআইনি বিবাহ, অব্যাহত শারীরিক নির্যাতন, অশালীন কুপ্রস্তাব এবং কোটি টাকার প্রতারণার বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন।

লিখিত বক্তব্যে সিলেট নগরীর সুবিদবাজার বনকলাপাড়া (নুরানী ১১৪/৩) এলাকার বাসিন্দা মো. মিন্টু মিয়া ও নুরজাহান বেগমের কন্যা রাহিমা তাসনিম জানান, ২০১০ সালের ৩ মার্চ প্রেমের সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে শাহ মোহাম্মদ শামস উদ্দিন শিপনের (বর্তমান ঠিকানা: নুরানী ১২১/১, বনকলাপাড়া) সাথে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়।

এক বছর পর পারিবারিকভাবে তাঁদের মেনে নেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৬ বছরের সংসার জীবনে তাঁদের ৩টি সন্তান জন্ম নেয়, যার মধ্যে একজন মারা গেলেও বর্তমানে তাদের দুই সন্তান রয়েছে।

রাহিমা তাসনিম অভিযোগ করেন, বড় ছেলের জন্মের পর থেকেই স্বামীর আসল রূপ বেরিয়ে আসে।

বিয়ের পর থেকেই তাঁকে বিভিন্ন সময় কয়েক লাখ টাকা ও বিয়ের সোনা-গয়না দেওয়া হয়, যা বিক্রি করে স্বামী নেশায় ও পরকীয়ায় উড়িয়ে দেন।

এমনকি যৌথ ব্যবসা ‘সান টেলিকম টেকনো শোরুম’ (করিম উল্লাহ মার্কেট, ৩য় তলা)-এর নামে চাপ সৃষ্টি করে তার বোনের স্বামীর নিকট থেকে দুই দফায় ৯ লাখ টাকা ধার নেন তার স্বামী, যা আর ফেরত দেননি।

অবৈধ বিবাহ ও নির্যাতন: স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া ২০১৭ সালে ইশিতা নওশিন নামের এক মেয়েকে ২য় বিয়ে করেন শিপন (যা ৩ মাস পর ডিভোর্সে গড়ায়)।

পরবর্তীতে ২০২৩ সালে প্রতিবাদ করায় তাকে মারধর করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়।

২০২৫ সালে স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষণ না দিয়ে রাহিমাকে তালাকের ভয় দেখিয়ে গোপনে ৩য় বিয়ে করেন তিনি।

চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর রাহিমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর অসুস্থতার অজুহাতে ভাসুর আনোয়ার হোসেন, মাছুম, সালেখ মিয়া ও আলেক মিলে শিপনকে হাসপাতালে ভর্তি করান এবং পরে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ১০ লাখ টাকা নতুন যৌতুক দাবি করেন। যৌতুক দিলে ৩য় স্ত্রীসহ সংসার করার শর্ত দেন তাঁরা।

গত ১ অক্টোবর লাক্কাতুড়া এলাকায় ছেলের সাইকেল নিয়ে ঘোরাঘুরির সময় শিপন রাহিমার মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেন, পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

রাহিমা তাসনিম অভিযোগ করেন, তার ভাসুর আনোয়ার হোসেন (যিনি আড়ংয়ের এক কর্মীকে প্রতারণার মামলায় বাধ্য হয়ে ২য় বিয়ে করেন) এবং সালেখ মিয়া স্বামীর অবর্তমানে তাকে বারবার শারীরিক সম্পর্কের কু-প্রস্তাব দেন।

এছাড়া আনোয়ারের বন্ধু বেলাল আহমদ বাড়ির গেটের সামনে অশালীন ইঙ্গিত ও কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে সহযোগিতা করতো স্থানীয় প্রভাবশালী পরিচয়ে অপকর্ম চালানো চক্রটি।

লন্ডন প্রবাসী ভাসুরদের বিচার দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানান তিনি।

তৎকালীন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাঈদ আব্দুল্লাহর কাছে বিচার চেয়েও কোন নিরপেক্ষতা পাননি বলে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী রাহিমা তাসনিম বলেন, “আজ আমি নিরুপায় হয়ে আপনাদের মাধ্যমে দেশের প্রশাসন, মানবাধিকার সংস্থা ও সচেতন সমাজের কাছে আমার জীবনের নিরাপত্তা ও সুবিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

তিনি স্বামীর অন্যায় ও ৩য় স্ত্রীর পথ ছেড়ে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাকে প্রাপ্য মর্যাদায় সংসারে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান।

» পৈতৃক সম্পত্তি দখল, জালিয়াতি ও প্রবাসীদের প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সিলেটে সংবাদ সম্মেলন

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটে প্রবাসীদের পৈতৃক সম্পত্তি অবৈধ জবরদখল, জাল আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) তৈরি করে প্রায় এক কোটি বিশ লাখ টাকা ভাড়ার অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দুই প্রবাসী ভাই-বোন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশ (বিএমজেএ) সিলেট বিভাগীয় কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কানাডা প্রবাসী মো. এহসানুল ইসলাম চৌধুরী এবং আমেরিকা প্রবাসী তাজিন ইসলাম চৌধুরী লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, তাদের প্রয়াত পিতা এনামুল ইসলাম চৌধুরীর (মৃত্যু: ৩ জানুয়ারি ২০২১) সুফলা উত্তরাধিকার সূত্রে তারা সিলেট শহরের সুবিদবাজার এলাকার পৈতৃক সম্পত্তির অংশীদার হন।

পরবর্তীতে ২০২২ সালের ২৮ মার্চ আইনি নিয়মে রেজিস্ট্রি করা বাঁটোয়ারানামা অনুযায়ী সুবিদবাজারস্থ ব্র্যাক ব্যাংক ভবনের অর্ধাংশ এবং পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার ভূমির অর্ধাংশ তাদের প্রাপ্য হিসেবে নির্ধারিত হয়।

তবে প্রবাসে থাকার সুযোগে তাদের ছোট ভাই মুমিনুল ইসলাম চৌধুরী (রিমু), মা বুলবুল নাহার চৌধুরী এবং তাদের সহযোগীরা (মাসুক মিয়া, নওশেবা ফারাহ তুনা) অবৈধভাবে উক্ত সম্পত্তি জবরদখল করে রাখেন।

শুধু তা-ই নয়, তারা জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া আমমোক্তারনামা তৈরি করে বিগত পাঁচ বছর ধরে ব্র্যাক ব্যাংক সুবিদবাজার শাখার প্রাপ্য অর্ধাংশ ভাড়ার আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

ভুয়া আমমোক্তারনামা তৈরির সময় প্রবাসী এহসানুল ও তাজিন দুজনেই বিদেশে অবস্থান করছিলেন, যা তাদের পাসপোর্টের ট্রাভেল রেকর্ড দ্বারা প্রমাণিত বলে তারা দাবি করেন।

এ প্রতারণার বিচারের আশায় তারা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সিলেটে সি.আর. মামলা (নং-৪৯৭/২০২৬) দায়ের করেছেন।

আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য পিবিআই, সিলেটের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং বিতর্কিত আমমোক্তারনামা জব্দ সহ বিশেষজ্ঞ দ্বারা স্বাক্ষর পরীক্ষার আদেশ প্রদান করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, প্রতারণা এড়াতে চলতি বছরের ২২ এপ্রিল কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের মাধ্যমে তারা উক্ত জেনারেল পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল (উবপষধৎধঃরড়হ ঞড় জবাড়শব ঞযব এবহবৎধষ চড়বিৎ ড়ভ অঃঃড়ৎহবু) করেন।

এছাড়া ৭১/২০১০নং একটি ভুয়া অছিয়তনামার কার্যকারিতা গত ৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সিলেট যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালত কর্তৃক স্থগিত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীরা অভিযোগ করেন, পৈতৃক সম্পত্তি বণ্টনের কথা বলায় এবং মামলা করায় গত ১৫ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮টায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাঁদের সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ ও বিভিন্ন মাধ্যমে ইন্টারপোল ও আন্তর্জাতিক এজেন্সির ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় সিলেটের কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ১৬০৮, তারিখ: ১৫/১০/২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রবাসীরা বলেন, “রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতি সচল রাখলেও আজ নিজ জন্মভূমিতে পৈতৃক সম্পত্তি রক্ষা করতে গিয়ে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

তাঁরা অবিলম্বে জালিয়াত চক্রের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধার, জবরদখলকৃত জমি ও ভবন বুঝিয়ে দেওয়া এবং প্রবাসফেরত অবস্থায় তাঁদের জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, প্রবাসে ফিরে যাওয়ার পর তাদের অবর্তমানে দেশে সমস্ত কাজের দেখভাল ও তদারকি করবেন তাঁদের নিযুক্ত প্রতিনিধি মো. আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী ও হাবিবুর রহমান শিবলু।

» বিএমজেএ’র সংবাদ সম্মেলন; অপপ্রচার ও হয়রানি বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সুরমা সুপার মার্কেট ব্যাংক ভবনে দীর্ঘ অর্ধশতাব্দী ধরে পরিচালিত মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসার সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।

একই সঙ্গে আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সুরমা মার্কেট পর্যন্ত ব্যাংক বুথের কিছু অসাধু স্টাফ ও ভাসমান প্রতারক চক্র কর্তৃক পথচারী এবং গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সিলেট বিভাগীয় বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিএমজেএ)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সুরমা সুপার মার্কেটের সহযোগী ব্যবসায়ীবৃন্দ এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে ব্যবসায়ীরা জানান, সিলেট শহরস্থ সুরমা সুপার মার্কেট ব্যাংক ভবনে প্রায় ৫০ বছর ধরে সিলেটের একমাত্র ঐতিহ্যবাহী মানি এক্সচেঞ্জ মার্কেট পরিচালিত হয়ে আসছে।

এখানে দীর্ঘদিন ধরে ৫০, ৩০ ও ২০ বছর যাবত সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করছেন তারা।

এ মার্কেটের ওপর নির্ভর করে প্রায় শতাধিক পরিবার প্রবাসীদের সেবা প্রদানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।

অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়ের এই দীর্ঘ পথচলায় মার্কেটে কখনও চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি কিংবা পথচারী হয়রানির কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত সপ্তাহে স্থানীয় কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে তাঁদের উদ্দেশ্য করে সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁরা এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সুরমা সুপার মার্কেট এলাকায় পৌঁছানোর আগেই বেশ কিছু প্রতারক চক্র এবং কিছু ব্যাংক বুথের স্টাফ সাধারণ মানুষ ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা পথচারীদের নানাভাবে হয়রানি করছে।

ওইসব চক্রের অপকর্মের দায় নিরীহ সহযোগী ব্যবসায়ীদের ওপর এসে পড়ছে।

যাঁরা মার্কেটের আওতাভুক্ত নয় এবং অনিয়মতান্ত্রিক ও বেআইনিভাবে ব্যবসা চালিয়ে পরিবেশ নষ্ট করছে, তাঁঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ব্যবসায়িক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী নেতারা তাঁদের পেশাকে আরও আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও গ্রাহকবান্ধব করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

» গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবে নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধিঃ

সিলেটের গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি মনজুর আহমদ নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. করিম মাহমুদ লিমনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

বিদায়ী কমিটির সভাপতি মনজুর আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. করিম মাহমুদ লিমনের পরিচালনায় দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের বিদায়ী ও নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাকির হোসেন, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ মতিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, নবনির্বাচিত কমিটির সহ-সভাপতি বিলাল উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ মির্জা, অর্থ সম্পাদক আজিজুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. রফিক সরকার, পাঠাগার ও দপ্তর সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য বিলাল উদ্দিন সহ প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের অতীত কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং নতুন কমিটির নেতৃত্বে উপজেলার সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন সহ এলাকার জনকল্যাণমূলক সংবাদ প্রকাশে ক্লাবটি আরও গতিশীল ভূমিকা পালন করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাব পরিচালনায় সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

» সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় নগরীর আম্বরখানাস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির এক বিশেষ সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়।

কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মোছলেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্করের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. বেলালে উদ্দিন, বাবু শ্যামল চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন তালুকদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মিঠু, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ সেলু, সমাজকল্যাণ সম্পাদক (অব. ভূমি কর্মকর্তা) মো. সফিকুর রহমান প্রমুখ।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় গঠনতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, অসদাচরণ এবং একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভিযোগে সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এম. শফিকুর রহমান ও দপ্তর সম্পাদক মো. সেলিম আহমদকে পদ ও সংগঠন থেকে অপসারণ করা হয়।

একই সাথে কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মোছলেহ উদ্দিনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. সফিকুর রহমানকে দপ্তর সম্পাদকের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এম. শফিকুর রহমান সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের সাথে অশুভ আচরণ, পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে অনিহা, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সহ কমিটিকে অবজ্ঞা করে একক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সংগঠনকে ব্যবহার করছিলেন।

এছাড়া কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন ছাড়াই একক সিদ্ধান্তে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে সদস্যপদ সহ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়।

অন্যদিকে অপসারিত সভাপতিকে সহযোগিতা করার কারণে মো. সেলিম আহমদকেও সদস্যপদ ও দপ্তর সম্পাদকের পদ থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আজ থেকে তাঁদের সংগঠনের কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে না বলে সভায় নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন।

সভায় গৃহীত অন্যান্য সিদ্ধান্তের মধ্যে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সাধারণ সভার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হবে।

এছাড়া পূর্বে গঠিত পর্তুগাল শাখা, যুক্তরাজ্য শাখা ও ফ্রান্স আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে অপসারিত সভাপতি ও দপ্তর সম্পাদকের সাথে আর কোনো যোগাযোগ না করে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

» প্রশাসকের আশ্বাসে সিলেটে সিএনজি মালিক-শ্রমিকদের মহাসমাবেশ স্থগিত

Published: ২০. অক্টো. ২০২৬ | মঙ্গলবার

দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ

সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী বুধবার (২১ অক্টোবর) দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুলে অনুষ্ঠেয় মালিক-শ্রমিক মহাসমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে।

দুর্গাপূজা শেষে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন, সিলেটের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরী। তাঁর এ আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এই মহাসমাবেশ স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ১৮ অক্টোবর সিলেটের ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্টে তিন দফা দাবিতে আয়োজিত বিশাল মানববন্ধনে মালিক-শ্রমিক সহ বিভিন্ন পর্যায়ের পরিবহন শ্রমিকেরা অংশ নেন।

মানববন্ধন চলাকালে সিলেটের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরী মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।

এ সময় তিনি দুর্গাপূজা শেষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে আলোচনায় বসে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী বুধবার (২১ অক্টোবর) দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুলে অনুষ্ঠেয় মহাসমাবেশ স্থগিত করা হয়।

বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দরা হলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় আইন বিষয় সম্পাদক ৭০৭ সভাপতি মো. জাকারিয়া আহমেদ, সিলেট জেলা সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, ৭০৭ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আজাদ মিয়া, সিলেট জেলা সিএনজি চালক জোট ২০৯৭ এর সভাপতি মো. মতাছির আলী কার্যকরী সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সহ সভাপতি সানুর মিয়া, ৭০৭ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল আহমেদ ৭০৭ কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ আলী এম বরকত আলী প্রমুখ।

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031