শিরোনামঃ-

» শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে : সিসিক প্রশাসক

Published: ০৪. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

রায়ের গ্রামে মন্দিরের উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময়

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।

সম্প্রীতির নগরী সিলেটেও শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে দক্ষিণ সুরমার রায়ের গ্রামে শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরের নির্মাণ ও উন্নয়নমূলক বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মিতালী যুব সংঘের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নগরী।

অতীতে যেভাবে সিলেটে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় ছিল, ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে সবাইকে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, দুর্গাপূজাকে আরও উৎসবমুখর করতে এবার সহযোগিতাও বাড়ানো হয়েছে।

কেউ যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা শান্তি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এবার বরাদ্দ বাড়ানোর কথা জানিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, পূজা উপলক্ষে নগরের ভাঙা সড়কগুলো মেরামত করা হবে।

পূজা মণ্ডপগুলোতে প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

এরপরও কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে সিটি কর্পোরেশনকে অবহিত করা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, মন্দির কমিটির সভাপতি অরিন্দম দাস হাবলু। সভা পরিচালনা করেন, শৈলেন কর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সহসভাপতি নীহার রঞ্জন দাস বাচ্চু, মোস্তফা কামাল, শাহেদ খান স্বপন, রাসেল মাহমুদ, শ্যামল চন্দ্রনাথ, বীরেন্দ্র কর, রিপন কর, বিদ্যুৎ দাস, বাকুল কর, সীমান্ত চন্দ্র মালাকার, বিমল দে সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এর আগে সিসিক প্রশাসক তোপখানায় মন্দির পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

» সেপ্টেম্বর মাসে সিলেটের সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২৬ জনের

Published: ০৪. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
আগস্ট মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দূর্ঘটনায় প্রানহানি কমেছে। সেপ্টেম্বর মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬ জনের প্রানহানি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর মাসে সিলেট বিভাগে ২৬টি সড়ক দূর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও ৫১ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে ১১ জনই সিএনজি ও টমটম এর  চালক ও আরোহী।

সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি প্রানহানি ঘটেছে মৌলভীবাজার জেলায়। কম সংঘটিত হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়।

প্রতিবেদনে সেপ্টেম্বর মাসের সড়ক দুর্ঘটনায় প্রধান কারন হিসাবে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অনুমোদনহীন ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি মহাসড়কে চলানো, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, পথচারীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব ও সড়কে নির্মান ত্রুটিকে উল্লেখ করা হয়।

রবিবার (৪ অক্টোবর) নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে সেপ্টেম্বর  মাসে সিলেট বিভাগে ২৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও ৫১ জন আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

সেপ্টেম্বর মাসে সিলেট জেলায় ৮টি  সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ জেলায় ৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত ও ২৩ জন আহত হয়েছেন।

মৌলভীবাজার জেলায় ৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত ও ৮ জন আহত হয়েছেন ও হবিগঞ্জ জেলায় ৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন।

নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট জেলার সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিশু গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জানান, পাঁচটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকার তথ্য, দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার তথ্য, অনুমেয় অনুজ্জ বা অপ্রকাশিত ঘটনা ও নিসচা সিলেটের শাখা সংগঠনগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে নিসচা বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সেপ্টেম্বর মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ জন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী, ১০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জন সিএনজি ও টমটম চালক ও আরোহী, ১০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ জন চালক ও ২টি সড়ক দূর্ঘটনায় ২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন।

এছাড়া নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি উল্টে ৮টি দুর্ঘটনায় ৬ জন, মুখোমুখি সংঘর্ষে ৮টি দুর্ঘটনায় ৯ জন, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে আঘাতে ১টি দুর্ঘটনায় ১ জন নিহত হয়েছেন।

এছাড়া সেপ্টেম্বর মাসে নিহত ২৬ জনের মধ্যে ২২ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ২ জন শিশু রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, আগস্ট মাসে সিলেট বিভাগে ৩৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৭ জন নিহত ও ১২২ জন আহত হয়েছেন।

» সিলামের ঘটনায় এমপি এম এ মালিককে জড়িয়ে অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ সিলেট জেলা জিয়া মঞ্চের

Published: ০৪. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলামে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত বিরোধের জেরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত অপরাধীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে, সিলেট জেলা জিয়া মঞ্চ।

একই সাথে, এই দুঃখজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিলেট-৩ আসনের জননন্দিত সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী নেতা এম. এ. মালিকের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে সিলেট জেলা জিয়া মঞ্চের আহবায়ক ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মো. সাহেদ আহমদ ও সদস্য সচিব মো. মস্তাক আহমদ মোস্তাক বলেন, “সিলামে যে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং নিহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।

তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত বিরোধের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।

তাঁরা সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. মালিকের নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার পাঁয়তারা করছে।”

জিয়া মঞ্চের নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, এম. এ. মালিক সর্বদাই অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার।

একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ।

কোন একটি গোষ্ঠীগত সংঘাতের দায় তাঁর ওপর চাপানো বা তাঁর নাম ভাঙিয়ে ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের চেষ্টা কোনভাবেই বরদাশত করা হবে না।

নেতৃবৃন্দ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “কোন নিরপরাধ ব্যক্তি যেন কোনভাবেই হয়রানির শিকার না হন এবং আসল অপরাধী যেন কোন ফাঁক-ফোকর দিয়ে পার পেয়ে না যায়।

ঘটনার নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

যেকোন ধরনের মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সচেতন সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান সিলেট জেলা জিয়া মঞ্চের নেতৃবৃন্দ।

» ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন ও জনসচেতনতার বিকল্প নেই : ড. নূরুল ইসলাম বাবুল

Published: ০৪. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

মদীনা মার্কেটে জামায়াতের ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ও আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী ড. নূরুল ইসলাম বাবুল বলেছেন, সারাদেশের মতো সিলেটেও ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি অপসারণসহ মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে সম্মিলিতভাবে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা, মশকনিধন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের মধ্যে সমন্বয় জরুরি।

জনগণের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিত ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে তিনি সকলের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
নাগরিকদের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।

তিনি রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসুচীর অংশ হিসেবে নগরীর মদীনা মার্কেট এলাকায় সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানা জামায়াত আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।

এসময় স্থানীয়দের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

জালালাবাদ থানা জামায়াতের আমীর ক্বারী আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সহকারী সেক্রেটারি উবায়দুল হক শাহীনের পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন, ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন, জামায়াত নেতা আশফাক আহমদ চৌধুরী আনাস, মঈনুল ইসলাম চুন্নু, মাওলানা খলীলুর রহমান, ফয়সল আহমদ আব্দুল মজিদ ও শামসুর রহমান প্রমুখ।

এসময় জালালাবাদ থানা জামায়াত ও বিভিন্ন ওয়ার্ড-ইউনিটের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক স্থানীয় জনতা উপস্থিত ছিলেন।

» প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ; মৃত চেলায় দিনরাত ড্রেজার, ৪৮ ঘণ্টায় ২০ কোটি টাকার বালু লুটের অভিযোগ, দেখার কেউ নেই

Published: ০৪. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

পরিবেশ-প্রতিবেশ হুমকিতে, বিলীন কলাবাগান-গেদুর ঢালা; বিএনপি-আওয়ামী লীগ-জামায়াতের সমর্থকদের যোগসাজশের বালু লুটপাট চল‌ছে!

ছাতক প্রতি‌নি‌ধিঃ
সুনামগঞ্জের ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার সীমান্তঘেঁষা চেলা নদীর একটি অংশ এখন বালু উত্তোলনের ভয়াবহ চাপে বিপর্যস্ত।

স্থানীয়ভাবে ‘মৃত চেলা’ নামে পরিচিত নদীর ওই অংশে দিন-রাত চলছে ড্রেজার ও সেভ মেশিন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শতাধিক ড্রেজার ও বালু উত্তোলনকারী যন্ত্র বসিয়ে নির্বিচারে নদীর তলদেশ থেকে বালু তোলা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত ২০ কোটি টাকার বালু উত্তোলন করা হয়েছে।

অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ বদলে যাচ্ছে। কোথাও তৈরি হচ্ছে গভীর গর্ত, কোথাও ভেঙে পড়ছে নদীর তীর।

এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বসতবাড়ি, কৃষিজমি, সড়ক, মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানের ওপর। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনই বালু উত্তোলন বন্ধ করা না গেলে আগামী বর্ষা মৌসুমে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দা‌বি,দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলনের কারণে কলাবাগান ও গেদুর ঢালা নামে পরিচিত দুটি বিস্তীর্ণ এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

একসময় ‘গেদুর ঢালা খাল’ নামে পরিচিত এলাকাটি বর্তমানে বিশাল জলভাগে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কোনো কোনো স্থানে এর বিস্তৃতি মূল চেলা নদীর অংশবিশেষকেও ছাড়িয়ে গেছে।

নদীর তীর ও গতিপথের এমন পরিবর্তনে আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষের মধ্যে ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেক কৃষক কৃষিজমি নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।

নদীর কাছাকাছি থাকা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও কবরস্থান নিয়েও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে একটি শক্তিশালী প্রভাবশালী চক্র গড়ে ওঠার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে ওই চক্র নদী থেকে বালু উত্তোলন নিয়ন্ত্রণ করছে।

স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের সমর্থকদের বিভিন্ন অংশের লোকজন পরস্পরের সঙ্গে সমন্বয় করে এই বালু উত্তোলন কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করছেন।

তবে এসব অভিযোগের ঘটনা পু‌লিশ প্রশাসনকে ম‌্যা‌নেজ করে এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতা বা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নেতৃ‌ত্বে বালু লুটপা‌টের কর্মকান্ড চল‌ছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, শতাধিক ড্রেজার যদি প্রকাশ্যে দিন-রাত নদীতে চলতে পারে, তাহলে এসব যন্ত্রের মালিক কারা, কার অনুমতিতে বা কীভাবে তারা নদীতে অবস্থান করছে এবং উত্তোলিত বালু কোথায় যাচ্ছে-এসব বিষয় খতিয়ে
দে‌খে ও না দেখার বান কর‌ছে।

তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্ন অভিযান হলেও মূল নিয়ন্ত্রকেরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। এসব দেখার কেউ নেই।

নৌ পু‌লিশ থানা পু‌লিশ ও উপ‌জেলা প্রশাসন ম‌্যা‌নেজ করে প্রতিরা‌তে বালু উত্তোলন কর‌ছে প্রভাবশালী সি‌ন্ডি‌কেট। সীমানা জটিলতায় সমন্বয়ের ঘাটতি মৃত চেলা নদীর সংশ্লিষ্ট অংশে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক সীমানা নিয়ে জটিলতা রয়েছে।

এসব এলাকাটি প্রশাসনিকভাবে দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংহপুর ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হলেও সংশ্লিষ্ট মৌজা ছাতক উপজেলায় ইসলামপুর ইউপির জ‌নৈক প্রতি‌নি‌ধির নেতৃ‌ত্বে প্রতিরা‌তে লুটপা‌ট অবা‌ধে চল‌ছে।

দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা, নদীপথের বিস্তৃতি এবং পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় নিয়মিত নজরদারি করাও কঠিন বলে জানিয়েছে প্রশাসন ও পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই প্রশাসনিক জটিলতার সুযোগেই বালু উত্তোলনকারীরা বারবার নদীতে ফিরে আসছে।

তাঁদের দাবি, দুই উপজেলার প্রশাসন, পুলিশ, নৌ-পুলিশ, আনসার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

অভিযান হলেও থামছে না বালু তোলা সম্প্রতি রাতে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রশাসনের একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে দুই শ্রমিককে আটক করে।

পরে তাঁদের এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযানে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজারগুলো জব্দ করা হয়নি। অভিযান শেষ হওয়ার পর আবারও নদীতে বালু উত্তোলন শুরু হয়েছে বলে তাঁদের দাবি।

স্থানীয়রা বলছেন, শুধু শ্রমিক আটক করে বা জরিমানা দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করা সম্ভব নয়। বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজার, সেভ মেশিন ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি জব্দ করার পাশাপাশি অর্থের উৎস এবং মূল নিয়ন্ত্রকদের শনাক্ত করতে হবে।

পরিবেশের ওপর ভয়াবহ প্রভাব হাওর এরিয়া আপলিফটমেন্ট সোসাইটির (হাউস) নির্বাহী পরিচালক সালেহীন চৌধুরী শুভ বলেন, মৃত চেলা নদীতে যেভাবে বালু উত্তোলন চলছে, তাতে নদীর পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর প্রভাব আশপাশের জনবসতি ও মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর পড়তে পারে।

তিনি নদীভাঙন রোধ এবং অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত যৌথ টাস্কফোর্সের কার্যকর অভিযান পরিচালনার দাবি জানান।

ছাতক নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক অরবিন্দ সরকার নদীতে বালু উত্তোলন এবং তীরবর্তী এলাকার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সীমাহীন বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তীর ও কলাবাগান এলাকার ক্ষতি দৃশ্যমান।

এ ঘটনায় গত সেপ্টেম্বরে ছাতক নৌ-পুলিশের পক্ষ থেকে একা‌ধিক মামলা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নিয়মিত অভিযান চালানো হলেও পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় ২৪ ঘণ্টা নদী এলাকায় পাহারা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ বলেন, এলাকাটি ভৌগোলিকভাবে দুর্গম এবং সেখানে যাতায়াত কঠিন।

এ কারণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনায় নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে মোবাইল কোর্ট ও টাস্কফোর্সের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছাতক নৌ-পুলিশের একটি স্থায়ী বা অস্থায়ী ফাঁড়ি স্থাপন করা প্রয়োজন। পুলিশ, নৌ-পুলিশ, আনসার ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

এব‌্যাপা‌রে সুনামগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মহাইমিনুল হক বলেন, অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর প্রতিবেশব্যবস্থা ও স্থানীয় পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় টাস্কফোর্সের সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নদী বাঁচাতে কঠোর পদক্ষেপের দাবি স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় যারই হোক, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে তদন্তের আওতায় আনতে হবে।

একই সঙ্গে ড্রেজার ও সেভ মেশিন জব্দ, বালু পরিবহন বন্ধ এবং উত্তোলিত বালুর পরিমাণ ও অর্থনৈতিক লেনদেন খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তাঁদের আশঙ্কা, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে মৃত চেলার তীরবর্তী আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। হারিয়ে যেতে পারে কৃষিজমি, বসতভিটা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

প্রশ্ন উঠেছে-শতাধিক ড্রেজার দিয়ে যদি দিন-রাত নদীর বুক চষে বালু তোলা হয়, তাহলে এই বিপুল বালু উত্তোলনের পেছনে কারা? কোথায় যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার বালু?

আর নদী ও জনপদ ধ্বংসের এই দায়ই বা নেবে কে? মৃত চেলা নদী এখন শুধু বালু উত্তোলনের জায়গা নয়; এটি হয়ে উঠেছে নদী, পরিবেশ ও জনপদ রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকারিতা যাচাইয়েরও একটি বড় পরীক্ষা।

» গণমানুষের কবি দিলওয়ার এর ১৪তম মৃত্যৃবার্ষিকী ১০ অক্টোবর

Published: ০৪. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
দেশের বরেণ্য ও বিশিষ্ট কবি অনুবাদক গীতিকার, ছাড়কার বাংলা একাডেমী ও একুশে পদকপ্রাপ্ত গণমানুষের কবি দিলওয়ার এর ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬ইং শনিবার।

এ উপলক্ষ্যে কবি’র দক্ষিন সুরমাস্থ নিজ বাড়িতে দেশ বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা কবি’র অগনিত পাঠক, ভক্তবৃন্দ, অনুরাগী সহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সংগঠন ভোর থেকে দিনব্যাপী সম্মিলিত ও সমন্বিতভাবে কবি’র কবরে শ্রদ্ধা স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পন আলোচনা সভা ও এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান মালার আয়োজন করা হবে।

সকাল ১১টায় দক্ষিন সুরমা সাহিত্য পরিষদ কবি ভবনে তার জীবন স্মৃতির আলোচনা সভা করবে।

এদিন বিকাল ৩টায় বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ নজরুল একাডেমী সিলেটে কবি’র অনুরাগীদের নিয়ে এক আলোচনা সভা করবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিষ্ট আফতাব চৌধুরী।

এসকল অনুষ্ঠান সূচীতে রয়েছেন, কবি দিলওয়ার পরিষদ, কবি’র পরিবার, স্বজন, এলাকাবাসী, দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদ। মাসিক প্রতিভাত পত্রিকা পরিবার, পাঠক, শুভানুধায়ী, বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ, বাংলাদেশ বাউল সমিতি সিলেট জেলা শাখা, অনলাইন চ্যানেল মাই সিলেট টিভি, স্বপ্নছায়া সমাজ কল্যাণ পরিষদ জকিগঞ্জ, অনলাইন মিডিয়া টাচ অব সিলেট, অংকুর সাহিত্য পাঠাগার সিলেট, আমাদের ডাক পত্রিকা পাঠক ও পরিবার, অনুপ্রাণন সাহিত্য পত্রিকা, জকিগঞ্জ সাহিত্য সংসদ (জাসাস), সিলেট ভিউ-ইনু সিটি স্যাটেলাইট স্কুল, একুশে নেট এন্ড প্রিন্টিং, বাংলাদেশ পোয়েট্স ক্লাব, সহ সর্বস্তরের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তি ও সংগঠন সমূহ।

অনুষ্ঠান সমূহে মত ও পথের সমাজের সকলের অংশগ্রহণ করার জন্য সবার পক্ষ থেকে কবি দিলওয়ার পরিষদের আজীবন সদস্য কামাল আহমদ আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

» জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন সিলেট মহানগর আহ্বায়ক কমিটি গঠিত আহ্বায়ক শেখ কবির, সদস্য সচিব আপ্তাব

Published: ০৪. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন-এর সিলেট মহানগর শাখার ৪৩ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন খাঁন ও সাধারণ সম্পাদক মীর মমিনুর রহমান সুজন-এর যৌথ স্বাক্ষরে রবিবার (৪ অক্টোবর) এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও বেগবান করার লক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন ও অনুমোদন করা হয় বলে কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে শেখ কবির আহমদকে আহ্বায়ক, রাসেল আহমদকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আপ্তাব আহমদকে সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, যুগ্ম আহ্বায়ক ওমর ফারুক হোসেন, মোস্তাক আহমদ, মো. সজীব আহমদ, কয়েছ উজ্জামান চৌধুরী, সুহান আহমদ, মো. রিপন মিয়া এবং ফাহিম আহমদ।

সদস্য হোসেন আহমদ পাপ্পু, জাফর সাদিক রহমান, হাদিউজ্জামান ফুল মিয়া, মনিরুল হক ভূঞা, আফজাল হোসেন চৌধুরী, আশফাক আহমদ কোরবান, আহমদ শাহরিয়ার চৌধুরী মাহী, ফরহাদ খাঁন, আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী জুনেদ, ফরহাদুল ইসলাম বাপ্পী, সাব্বির আহমদ, ফেরদৌস আহমদ, সুজন দাস, ইয়াসিন আহমদ, মো. মাহাদি, কিশোর দাস, ইফতি হোসেন, সারওয়ার আহমদ রাব্বী, শরিফ আহমেদ, মোহাম্মদ রাইছুল ইসলাম, আতিউর রহমান মেহের, নিহাদ বিন আজাদ, মোঃ তানভির, আহনাফ ইসলাম তামিম, মাহবুব হাসান সিয়াম, ফাওয়ায় আহমেদ, আলফি আহমেদ, ইউহান খাঁন, রাব্বী মুহাম্মদ রবিউল, ইয়াসির আহমেদ ফাহিম, অপূর্ব রহমান, ফাহিম হোসেন এবং আহমেদ তোফায়েল।

এদিকে, জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন-এর নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় কমিটির আহ্বায়ক, সদস্য সচিব সহ নেতৃবৃন্দ বিএনপির চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হুমায়ুন কবির শাহীনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

» ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাসা-বাড়ির আঙিনা পরিচ্ছন্ন রাখুন : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম

Published: ০৪. অক্টো. ২০২৬ | রবিবার

সিলেট নগরীর রিকাবীবাজারে জামায়াতের ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইন

নিউজ ডেস্কঃ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধনের পাশাপাশি নগরীর প্রতিটি বাসাবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ড্রেন ও পরিত্যক্ত পাত্রে পানি জমে থাকলে তা নিয়মিত অপসারণ করতে হবে। সিটি করপোরেশনকে এ ব্যাপারে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

নাগরিকদেরকেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে। একইসঙ্গে মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে কার্যকরভাবে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা জরুরি।

নগরীর পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধন কার্যক্রমে কোনোধরনের অব্যবস্থাপনা বা অনিয়ম থাকলে তা নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রতিরোধ করতে হবে।

আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ এবং জনগণের অধিকার ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে একটি বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা সম্ভব।

নাগরিকদেরও আইন মেনে চলার পাশাপাশি জনস্বার্থে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে হবে।

তিনি রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসুচীর অংশ হিসেবে নগরীর রিকাবীবাজার এলাকায় মহানগরীর কোতোয়ালী পশ্চিম থানা জামায়াত আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা ক্যাম্পেইনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।

এসময় স্থানীয়দের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

থানা আমীর মু. আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি পারভেজ আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহানগর জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল মুকিত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, থানা নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ও ১০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুল হাকীম প্রমুখ।

এসময় কেতোয়ালী পশ্চিম থানা জামায়াত ও বিভিন্ন ওয়ার্ড-ইউনিটের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক স্থানীয় জনতা উপস্থিত ছিলেন।

» বাংলাদেশের সেরা দুই-তিনটি ক্রিকেট ভেন্যুর মধ্যে সিলেট অন্যতম : আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

Published: ০৩. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

সিলেটে শুরু ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লীগ

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেটে শুরু হয়েছে ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল)।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

সিলেট বিভাগীয় দল ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় দলের মধ্যকার ম্যাচের মধ্য দিয়ে এবারের এনসিএলের পর্দা উঠেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের প্রশংসা করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের সেরা দুই-তিনটি ক্রিকেট ভেন্যুর মধ্যে সিলেট অন্যতম।

এই মাঠে ইতোমধ্যে অনেকগুলো আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানকার চমৎকার পরিবেশে খেলোয়াড়রা স্বাচ্ছন্দ্যে নিজেদের ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

তিনি বলেন, এনসিএলে সিলেট অতীতেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, আগামীতেও চ্যাম্পিয়ন হবে। সে লক্ষ্যেই সিলেট বিভাগীয় দলকে প্রস্তুত করা হয়েছে।

দলের খেলোয়াড়রা নিজেদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে ভালো ফলাফল অর্জনের চেষ্টা করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচ দর্শকদের জন্য উপভোগ্য হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান।

অনুষ্ঠানে বিসিবির পরিচালক রেদোয়ান আহমদ, বিসিবির কাউন্সিলর আশরাফ আরমান, বিসিবির কাউন্সিলর ইমতিয়াজ হোসেন তান্না, সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রেজাউল করিম নাচন এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়কসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

» বিশ্বকাপের ভেন্যু দেখতে সিলেটে আইসিসির প্রতিনিধি দল

Published: ০৩. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ

আসন্ন নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রতিনিধি দল।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে আইসিসির প্রতিনিধি দল সিলেটে পৌঁছালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী তাদের স্বাগত জানান। পরে প্রতিনিধি দলটি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মাঠের অবস্থা, ড্রেসিংরুম, ডাগআউট, গ্যালারি, খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধাসহ আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা খুঁটিয়ে দেখেন।

ডাগআউটের মাপ নেওয়ার পাশাপাশি স্টেডিয়ামের বিভিন্ন স্থাপনা ও আশপাশের নিরাপত্তাব্যবস্থাও পর্যবেক্ষণ করেন তারা। এ সময় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন আইসিসির কর্মকর্তারা।

বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিসিবি পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোর একটি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি এখানে রয়েছে। স্টেডিয়ামটি বিশ্বকাপ আয়োজনের সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

২০২৭ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশ ও নেপালের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী বছরের জানুয়ারিতে বসবে এই আসর। ১৬ দলের এই টুর্নামেন্টে চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে দুই গ্রুপের খেলা বাংলাদেশে এবং দুই গ্রুপের খেলা নেপালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ পর্বের ম্যাচ সিলেটের পাশাপাশি চট্টগ্রামেও অনুষ্ঠিত হতে পারে।

নকআউট পর্বের অধিকাংশ ম্যাচ বাংলাদেশে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাগতিক হিসেবে বাংলাদেশ ও নেপাল সরাসরি টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পাবে। এবারের আসরে বিসিবি সহ-আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

আইসিসির প্রতিনিধি দল আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের উপযোগিতা যাচাই করতে স্টেডিয়ামের সার্বিক সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করে।

মাঠের খেলার উপযোগিতা, গ্যালারি, খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা, বিভিন্ন অবকাঠামো এবং নিরাপত্তাব্যবস্থাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করেন তারা।

এ সময় বিসিবি পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ছাড়াও বিসিবির কাউন্সিলর আশরাফ আরমান, সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রেজাউল করিম নাচন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ভেন্যু ম্যানেজার জয়দীপ দাস সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আইসিসির প্রতিনিধি দলে ছিলেন, বাংলাদেশের প্রধান পিচ কিউরেটর অস্ট্রেলিয়ান কিউরেটর টনি হেমিং, আইসিসির এশিয়া অঞ্চলের ফাইন্যান্স অ্যান্ড অপারেশনস অফিসার নীতিশা কথারি, অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের কর্মকর্তা দরিয়ান ক্লারেন্স, ক্রিকেট পিচ কিউরেটর ও ক্রীড়া মাঠ পরামর্শক টবি লামসডেন, এমি এলিজাবেথ গ্যারেট, পিযুশ পঙ্কজ প্রমুখ।

» শাহজালাল বিমানবন্দরের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের সম্পত্তির হিসাব ১৫ দিনের মধ্যে দাখিল চায় দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম

Published: ০৩. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ

দুর্নীতি মুক্তকরন বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য নেসারুল হক চৌধুরী বুস্তান স্যার, সাধারণ সম্পাদক জননেতা মকসুদ হোসেন এক বিবৃতিতে হযরত শাহজালাল (র:) নামে এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সম্প্রতি যাত্রী হয়রানি লাগেজ চুরি, চরম অব্যবস্থাপনা ও এসবের প্রতিবাদ করতে যেয়ে মহান ৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা, মেজর (অব:) আখতারুজ্জামান আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে বলেন, যে কোন সময়ের চাইতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম, দুর্নীতি এখন সবচেয়ে বেশি। ঐ বিমানবন্দরে ১৯৯৬ সালে সিলেটি বংশোদ্ভূত ব্রিটেন প্রবাসী, ফাহাদ মিয়া সিরাজ নামের এক প্রবাসী যাত্রী, এসবের হয়রানি প্রতিবাদ নির্মম হত্যার শিকার হন। যার বিচার উত্তর উচ্চ আদালতে এখনো পেন্ডি।

ঠিক একই রকম প্রতিবাদ করতে যে দেশের জাতীয় ব্যক্তিত্ব, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব:) আখতারুজ্জামানের দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন। স্বাধীন দুদক সহ জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান কার্যকর না থাকার ফলে এই দুর্বৃত্তরা আজ বড়ই বেপরোয়া।

শনিবার (৩ অক্টোবর) মানবজমিন প্রকাশ, এক কেজি ৫০ গ্রাম সোনা সহ বিমানের এক কর্মীকে আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। যাহার বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা। আটককৃতের নাম ওয়াবাদুর।

প্রবাসীরা বিশেষ করে সিলেটি প্রবাসীরা বাংলাদেশের সিংহভাগ রাজস্ব দিয়ে এই জাতীয় রাজস্ব ভান্ডারকে শক্তিশালী করছেন। এতবড় গণঅভ্যুত্থানের পর এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাগুলো ঘটতে থাকবে দেশবাসীর কাছে তা বড় উদ্বেগ ও দুঃখজনক।

নেতৃবৃন্দ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিষয় সম্পত্তির হিসাব সরকারের নিকট দাখিল ও গণমাধ্যমে প্রকাশের দাবী জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে শাহজালাল সহ দেশের সকল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি লাগেজ চুরি, চরম ও ব্যবস্থাপনা বন্দ করার জোর দাবী জানান।

» মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট হলিসিটির খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

Published: ০৩. অক্টো. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ

লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট হলি সিটির পক্ষ থেকে নগরীর চালিবন্দরস্থ ঐতিহ্যবাহী জামেয়া রাহমানিয়া মাদানিয়া মাদরাসায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (০৩ অক্টোবর) সকালে মাদরাসা প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট হলি সিটির সভাপতি লায়ন চন্দন সাহা, লায়ন সাজুওয়ান আহমদ, লায়ন কাজী আব্দুল মুকিত, ক্লাবের সেক্রেটারী লায়ন জুমা আহমেদ, ট্রেজারার লায়ন জিল্লুর রহমান, সাবেক সেক্রেটারী লায়ন পার্থ দাস রায়, সাবেক ট্রেজারার লায়ন সাহেদা ইয়াসমিন সুইটি এবং ক্লাব সদস্য লায়ন আফছার উদ্দিন আহমদ, মাদরাসার মুহতামীম মুফতি তাফাজ্জুল হক, শিক্ষা সচিব মাওলানা মঈনুদ্দিন এবং শিক্ষক মাওলানা আব্দুর রহমান প্রমুখ।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে বক্তারা বলেন, মাদরাসা শিক্ষার্থী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো লায়ন্স ক্লাবের একটি নিয়মিত সামাজিক দায়িত্ব। মানবিক এ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তাঁরা।

মাদরাসা কর্তৃপক্ষও ক্লাবের এই সুমহান ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং আন্তরিক ধন্যবাদ প্রকাশ করেন।

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031