- উন্নয়নকাজে মানের সঙ্গে কোন আপস নয় : সিসিক প্রশাসক
- ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান : সিসিক শাসকের
- বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে পরিশোধ করা যাবে সিসিকের হোল্ডিং কর
- সিলেট জেলা পুলিশ সুপারের সাথে ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও স্মারকলিপি প্রদান
- সিলেটে বাণিজ্যমেলার নিরাপত্তা ও সফলতা চেয়ে উইমেন চেম্বারের স্মারকলিপি
- সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ‘অ্যাক্রেডিটেশন’ উদযাপন আজ
- ষড়যন্ত্র ও অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ
- দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সিলেট
- শিক্ষার্থীরাই আলোকিত সমাজ গড়ার কারিগর : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
- সিউক ও এইএসিএফ-এর অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত
» উন্নয়নকাজে মানের সঙ্গে কোন আপস নয় : সিসিক প্রশাসক
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরীর টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজের মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
কার্যাদেশ অনুযায়ী নির্ধারিত মান বজায় রেখে প্রতিটি উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করতে হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কুইটুক ও মুক্তিরচক এলাকায় সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার উপস্থিত ছিলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।
এসব কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে এলাকাবাসীকেও সচেতন ও সজাগ থাকতে হবে। কারণ উন্নয়নকাজের প্রকৃত সুবিধাভোগী এলাকার জনগণ।
তিনি বলেন, নগরবাসীর অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একটি টাকাও যেন অপচয় না হয় এবং প্রতিটি টাকার বিপরীতে জনগণ যেন উন্নয়নের সুফল পান, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
এ সময় সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উন্নয়নকাজের গুণগত মান নিয়মিত তদারক এবং কার্যাদেশের শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশনা দেন তিনি।
পরিদর্শনকালে সিসিকের সাবেক কাউন্সিলর নাজমুল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম অপু, এলাকার মুরব্বি মঈন উদ্দিন, ইমরান আহমদ, ছাবু মিয়া, জেবুল মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সিসিক প্রশাসক নগরীর কাজিরবাজার এলাকায় চলমান ড্রেনের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন।
» ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান : সিসিক শাসকের
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নগরভবনে পরিকল্পনা সভা
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে।
জনসচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে শতভাগ সফলতা অর্জন করা কঠিন। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগর ভবনের সভাকক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আয়োজিত পরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সিসিক প্রশাসক বলেন, এখন ডেঙ্গুর মৌসুম। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আগাম সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।
তবে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর আগেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে আসছে। এসব কার্যক্রমের পাশাপাশি নগরবাসীর সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছি এবং নগরবাসী এর সুফলও পাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত সিলেটে স্থানীয়ভাবে কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হননি। যে কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন, তাদের অন্য অঞ্চলে ভ্রমণের ইতিহাস রয়েছে। তারপরও এ বিষয়ে আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, সিসিকের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট নগরবাসীর ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।
সিটি কর্পোরেশনের সেবা নিতে আসা নাগরিকদেরও নিজ নিজ বাসাবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কোথাও পানি জমিয়ে না রাখার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে নিয়মিতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
পাশাপাশি নগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে ধারাবাহিকভাবে প্রচার চালাতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার। তিনি বলেন, সিলেটে এখন পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হননি।
শনাক্ত হওয়া কয়েকজনের অন্য অঞ্চল থেকে আক্রান্ত হয়ে সিলেটে আসার তথ্য রয়েছে। তবে এ কারণে বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, এডিস মশার বিস্তার রোধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
কোথাও যাতে পানি জমে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের নজরদারি বাড়াতে হবে। নগরবাসীকেও এ বিষয়ে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সচিবরা বক্তব্য দেন।
» বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে পরিশোধ করা যাবে সিসিকের হোল্ডিং কর
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
হোল্ডিং ট্যাক্স ব্যবস্থাপনা সিস্টেম ও নাগরিক সেবা পোর্টালের উদ্বোধন করলেন সিসিক প্রশাসক
এখন থেকে বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) হোল্ডিং কর পরিশোধ করা যাবে।
এ লক্ষ্যে নাগরিকদের জন্য সিসিকের একটি উন্মুক্ত অনলাইন পোর্টাল (ht.scc.gov.bd) চালু করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগর ভবনের সভাকক্ষে সিসিকের নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স ব্যবস্থাপনা সিস্টেম ও নাগরিক সেবা পোর্টালের উদ্বোধন করেন, সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং নাগরিক সেবাও ক্রমেই সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর হচ্ছে। নাগরিকদের সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দুর্ভোগ কমানো এবং কম সময়ে সহজে সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম সিটি কর্পোরেশন। নাগরিকরা সেবার বিনিময়ে যে কর প্রদান করেন, সেটি যাতে সহজে এবং ঘরে বসেই পরিশোধ করতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
মানুষ এখন নানা কাজে ব্যস্ত থাকেন। তাই শুধু কর পরিশোধের জন্য সময় ব্যয় করে ব্যাংকে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন যেন না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই অনলাইন কর পরিশোধের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নতুন এই সেবা চালুর ফলে নগরবাসী ঘরে বসেই কার্ড কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে হোল্ডিং কর ও বিভিন্ন ধরনের ফি পরিশোধ করতে পারবেন।
বিশ্বের যেকোন প্রান্তে অবস্থানকারী প্রবাসীরাও অনলাইনে সিসিকের কর ও ফি পরিশোধ করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, কর পরিশোধের জন্য নগরবাসীকে আর সিটি কর্পোরেশন কার্যালয় বা ব্যাংকের লাইনে দাঁড়াতে হবে না।
সেবা যত সহজ হবে, কর পরিশোধে নাগরিকদের আগ্রহ তত বাড়বে। এর ফলে সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব আদায়ও বাড়বে।
সিসিক প্রশাসক বলেন, আমরা সিসিকের বিভিন্ন সেবাকে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছি।
এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে সিসিকের অ্যাপ থেকেই নাগরিকরা বিভিন্ন ধরনের সেবা গ্রহণ, কর ও ফি পরিশোধ এবং অভিযোগ জানাতে পারবেন।
নতুন পোর্টালে মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করে নিজের হোল্ডিং যুক্ত করলে নাগরিকরা মালিকের নাম, গৃহের বিবরণ, বার্ষিক মূল্যায়ন এবং বিভিন্ন বছরের বকেয়া করের তথ্য দেখতে পারবেন।
একই সঙ্গে বিল প্রিন্ট করা এবং অনলাইনেই কর পরিশোধের সুবিধা পাওয়া যাবে। সেবাটি ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে।
বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায়ের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা, ভিসা ও মাস্টারকার্ড সহ দেশি-বিদেশি কার্ড, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং বাংলা কিউআর স্ক্যানের মাধ্যমে কর পরিশোধ করা যাবে।
পরিশোধ সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নাগরিকের মোবাইল ফোনে বাংলায় এসএমএসের মাধ্যমে ই-রসিদ পাঠানো হবে। তবে ব্যাংক কাউন্টারে কর পরিশোধের প্রচলিত ব্যবস্থাও আগের মতো চালু থাকবে।
পোর্টালে চলতি বছরের বিলের পাশাপাশি আগের বছরগুলোর বিল ও পরিশোধের তথ্যও দেখা যাবে।
প্রয়োজনে পুরোনো রসিদ পুনরায় প্রিন্ট করা যাবে। এছাড়া কর মূল্যায়ন নিয়ে কোন নাগরিকের আপত্তি থাকলে তা অনলাইনেই দাখিল করার সুযোগ থাকবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন এবং আইটি কনসালটেন্ট মো. সাদাত হোসেন খান।
উপস্থিত ছিলেন, সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ সিসিক ও এসএসএল কমার্স পেমেন্ট গেটওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
» সিলেট জেলা পুলিশ সুপারের সাথে ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও স্মারকলিপি প্রদান
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ, মতবিনিময় ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদ সিলেট এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফিজ মাওলানা মামুনুর রশিদ ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ক্বারী মাওলানা নুরুজ্জামান নোমানীর নেতৃত্বে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় দক্ষিণ সুরমার মোহাম্মদপুর পশ্চিম বিলপাড় জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব ক্বারী মাওলানা আব্দুল ওয়াবের ওপর স্থানীয় কুচক্রীমহল কর্তৃক নির্যাতন, হুমকি ও অন্যায়ভাবে মসজিদ থেকে বহিষ্কারের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাঁর সুনির্দিষ্ট বিচার ও আইনি সহায়তার দাবি জানিয়ে পুলিশ সুপার বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন, পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা বদরুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী ওলামা দল সিলেট জেলা শাখার সিনিয়র প্রথম যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা মুহাম্মদ রমিজ উদ্দিন, পরিষদের সিনিয়র উপদেষ্টা হাফিজ মাওলানা জাকারিয়া আহমদ, সিনিয়র উপদেষ্টা হাফিজ মাওলানা আবুল কাশেম, শানে সাহাবা খতীব ফাউন্ডেশন সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা এমদাদুল হক, পরিষদের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ক্বারী মাওলানা আব্দুল মুকিত, সহ-প্রচার সম্পাদক ক্বারী কাওছার আহমদ, পরিষদের সিনিয়র সদস্য হাফিজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মুহাইমিনসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
সাক্ষাৎকালে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ক্বারী মাওলানা নুরুজ্জামান নোমানী জেলা পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোহাম্মদ জাবের সাদেককে উদ্দেশ করে বলেন, দক্ষিণ সুরমার মোহাম্মদপুর পশ্চিম বিলপাড় জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব ক্বারী মাওলানা আব্দুল ওয়াব এর ওপর স্থানীয় কিছু কুচক্রীমহল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, হুমকি, লাঞ্ছিতকরণ এবং অন্যায়ভাবে মসজিদ থেকে বহিষ্কারের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মজলুম এই ইমামকে আইনি সহযোগিতা ও ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়ার লক্ষে ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদ, সিলেট মহানগর’ ও ‘শানে সাহাবা খতীব ফাউন্ডেশন সিলেট জেলা’ যৌথভাবে তাঁর পক্ষে আজ পুলিশ সুপারের শরণাপন্ন হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ এ সময় মজলুম ইমামের পক্ষে আইনগত সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও স্মারকলিপি গ্রহণের পর সিলেট জেলা পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোহাম্মদ জাবের সাদেক বলেন, “ইমাম-মুয়াজ্জিনদের পাশে আমরা সবসময় আছি, ভবিষ্যতেও থাকবো।
সম্প্রতি যে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে, তার সুস্থ তদন্ত করে আমি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। যারা এই দুষ্কৃতিকারী, তাদেরকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
তিনি বলেন, “আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন এবং পুলিশ প্রশাসনের সার্বিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করবেন।”
আলোচনা ও অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের পর পুলিশ সুপারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মারকলিপি তুলে দেওয়ার মাধ্যমে সাক্ষাতের সমাপ্তি ঘটে।
» সিলেটে বাণিজ্যমেলার নিরাপত্তা ও সফলতা চেয়ে উইমেন চেম্বারের স্মারকলিপি
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে আগামী ১০ অক্টোবর থেকে মাসব্যাপী ‘সৃজনশীল পণ্য প্রদর্শনী, শিল্প-পণ্য ও বাণিজ্য মেলা ২০২৬’ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মেলাটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলাজনিত সহযোগিতা চেয়েছে সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (SWCCI)।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবরে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার একই স্মারকলিপি দিয়ে সর্বেোচ্চ সহযোগীতা চেয়ে সিলেটে সফররত বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছেও উইমেন চেম্বারের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে মেলা শুরুর আগে থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, মেলা প্রাঙ্গণ ও আশপাশে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি, বিশৃঙ্খলা বা জোরপূর্বক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে তা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, দর্শনার্থী ও আয়োজকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, সিলেটের শাহ ঈদগাহ মাঠে মাসব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সিলেটের স্থানীয় ও নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্য, সৃজনশীলতা ও ব্যবসার সম্ভাবনাকে বৃহত্তর ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
একই সঙ্গে স্থানীয় পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক সংযোগ বৃদ্ধি এবং সিলেটের স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করাও মেলার লক্ষ্য।
আয়োজকদের ভাষ্য, মেলার প্রশাসনিক অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমতি যথাযথভাবে নেওয়া হয়েছে এবং মেলার সার্বিক প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন।
নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়ে সম্মতি জানানো হয়েছে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে মেলা আয়োজনের বিষয়টি সামনে আসার পর সিলেটের কিছু ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট কিছু মহল থেকে আপত্তি, অভিযোগ এবং মেলা বন্ধের দাবি ওঠার বিষয়টিও জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেছে সংগঠনটি।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ ও উদ্বেগকে সম্মানের সঙ্গে বিবেচনা করা হলেও একটি অনুমোদিত বাণিজ্যিক আয়োজন যাতে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি, চাপ, প্রতিবন্ধকতা বা আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যার কারণে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি লুবানা ইয়াছমিন শম্পা স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, সংগঠনটি কোনো পক্ষের সঙ্গে বিরোধে যেতে চায় না।
আইন, বিধি-বিধান, পারস্পরিক সম্মান ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ভিত্তিতে মেলাটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে চায় তারা।
এ জন্য নির্ধারিত ১০ অক্টোবর থেকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবেশে মেলা শুরু এবং মাসব্যাপী নির্বিঘ্নে পরিচালনার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ ও প্রশাসনিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে বিশেষভাবে মেলা শুরুর পূর্ব থেকেই সমাপ্তি পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, মেলা প্রাঙ্গণ ও আশপাশে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধ এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, দর্শনার্থী ও আয়োজকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে সিলেট উইমেন চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদসহ সিলেটের প্রায় শতাধিক নারী উদ্যোক্তা উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ‘অ্যাক্রেডিটেশন’ উদযাপন আজ
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
প্রধান অতিথি বিরোধী দলীয় নেতা
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ‘অ্যাক্রেডিটেশন’ অর্জন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী উদযাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
» ষড়যন্ত্র ও অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
» দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সিলেট
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল ও সমাবেশ
পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।
সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাকিল মুর্শেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটি সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী।
বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মিফতাহুল কবির মিফতা, যুগ্ম আহবায়ক আলী মো. নুরুল হুদা দিপু, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ সরওয়ার রেজা।
সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আমিন।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কুহিনুর আহমদ, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস শহীদ, বিমানবন্দর থানা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল কাদির সমছু, সৌদিআরব প্রাদেশিক বিএনপির আহবায়ক জাকারিয়া আরেফিন ফয়সল, সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সামাদ তুহেল, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তুরন, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য টুটুল আহমদ, জাসাসের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মঞ্জুর হোসেন মজনু, ফ্রান্স স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জি.এম আজম। উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক তোফায়েল চৌধুরী উজ্জল, আব্দুর রউফ, আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল জলিল, মিছবাউর রহমান, আব্দুস সালাম আজাদ সাহেদ, শেখ আব্দুল মনাফ, খন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, সালেক আহমদ, খন্দকার ফয়েজ আহমদ, সাঈদ মাহমুদ ওয়াদুদ, মো: আশিক মিয়া, প্রভাষক মাকসুদ আলম, সাইদুল এনাম চৌধুরী লাহিন, সেলিম আহমদ, নুরুল ইসলাম রুহুল, আয়াত আলী প্রিন্স, কয়েছ আহমদ, আব্দুল আমিন, দিহান আহমদ হারুন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল মালিক মল্লিক, সদস উপজেলার আহবায়ক আমিনুর রহমান আমিন, সদস্য সচিব জুয়েল আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলা উদ্দিন মনাই, গোয়াইনঘাট উপজেলার আহবায়ক আহমদ হুমায়ুন জামাল, সদস্য সচিব শাহাব উদ্দিন চেয়ারম্যান, জৈন্তাপুর উপজেলার আহবায়ক মো: শাহজাহান, সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ ইলিয়াস, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মইনুল হোসেন মেম্বার, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার আহবায়ক এড. আলা উদ্দিন, সাবেক সদস্য সচিব এড. আব্দুল্লাহ আল হেলাল, জকিগঞ্জ উপজেলার আহবায়ক শামসুল ইসলাম লেইছ, সদস্য সচিব এড. রুহুল আমিন, জকিগঞ্জ পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাহেদ, বিশ্বনাথ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক নুরুজ্জামান, সদস্য সচিব আশিকুর রহমান, পৌর আহবায়ক আবুল খায়ের, সদস্য সচিব আহমদ দুলাল মিয়া, কানাইঘাট উপজেলার আহবায়ক ফারুক আহমদ মেম্বার, সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম আমিন, বিয়ানীবাজার উপজেলার সদস্য সচিব আফজল আহমদ, ওসমানীনগর উপজেলার আহবায়ক রকিব আলী, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব লয়লুছ মিয়া, গোলাপগঞ্জ উপজেলার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির নির্বাহী কমিটি সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী বলেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সাহসী ও গৌরবময় ভূমিকা রেখেছে।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ইনশাআল্লাহ কোনো ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত তারেক রহমানে সরকার ও বিএনপির অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারবে না।
সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল বলেন, কঠিন সংকটময় সময়ে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা জীবনের মায়া ত্যাগ করে সিলেটের রাজপথ দখলে রেখেছিল।
সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাকিল মুর্শেদ বলেন, যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল প্রস্তুত রয়েছে।
» শিক্ষার্থীরাই আলোকিত সমাজ গড়ার কারিগর : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
ভাদেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের নতুন অফিসের উদ্বোধন
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিলেট-৬ আসনের (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) সংসদ সদস্য, সিলেট মেডিক্যাল বিশব্বিদ্যালয় ও জাতীয় বিশব্বিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সচিত্র সিলেটের প্রকাশক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষার্থীরাই আলোকিত সমাজ গড়ার কারিগর।
একটি জাতির অগ্রগতি, সংস্কৃতি এবং সার্বিক উন্নতির মূল মাপকাঠি হলো তার শিক্ষা। আর সেই শিক্ষার আসল বাহক হলো শিক্ষার্থীরা।
তিনি আরও বলেন, আজকের প্রযুক্তি ও আধুনিকতার যুগে তরুণ শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে।
কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ না থেকে আমাদের দেশপ্রেম, মানবিকতা, পরমতসহিষ্ণুতা এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।
কুসংস্কার, মাদক, দুর্নীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াই একজন আলোকিত শিক্ষার্থীর প্রথম কাজ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোলাপগঞ্জের ভাদেশ্বর মহিলা কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ব্ক্তব্যে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ও সিলেট মেডিক্যাল বিশবিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরী।
আরও বক্তব্য রাখেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শামিম আহমদ, গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি তারেক জলিল ও মাউশির প্রতিনিধি টিপু সুলতান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন তিলাওয়াত করেন, কলেজের ছাত্রী তাহেরা আক্তার ঝুমি এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজশিক্ষক এনামুল হক।
এদিকে, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটায় ভাদেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তিপ্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন, অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি।
সাবিহা-সিরাজ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও ফারুক আহমদ কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সুহেল আহমদ।
বাগবাড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর রহমান মুক্তা ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এস এ রিপনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী।
আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মহিউস সুন্নাহ চৌধুরী নারজিস, বদরুল আলম, রেজাউল করিম আলো, শিক্ষাবিদ ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তারেক জলিল ইউপি, চেয়ারম্যান শামিম আহমদ, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক লিটন আহমদ ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নাবেদ হোসেন।
এছাড়া বুধবার বিকালে ৮নং ভাদেশ্বর ইউনিয়নের গ্রাম আদালতের নতুন অফিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী।
এসময় পরিষদের চেয়ারম্যান শামিম আহমদ ও সকল সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে ফিতা কেটে গ্রাম আদালতের নতুন অফিসের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি।
এছাড়া বুধবার দিনভর ভাদেশ্বর সহ গোলাপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন ও পরিদর্শন করেছেন।
» সিউক ও এইএসিএফ-এর অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী এক্সপ্রেস সার্ভিস’ চালুর উদ্যোগ
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন এবং নগরীর পরিকল্পিত উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেকচারাল কনসালটেন্সি ফার্ম (এইএসিএফ), সিলেট-এর সাথে এক অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সিউক চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিউক-এর নির্বাহী পরিচালক মো. সাদি উর রহিম জাদিদ।
সভাপতির বক্তব্যে সিউক চেয়ারম্যান বলেন, প্রবাসীদের দ্রুত ও সহজ সেবা দিতে “প্রবাসী এক্সপ্রেস সার্ভিস” ইলেকট্রনিক কনস্ট্রাকশন পারমিটিং সিস্টেম (ইসিপিএস)-এ সংযুক্ত করার কাজ চলছে।
প্রয়োজনে প্রবাসীদের দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন (বিসি) কমিটির বিশেষ সভা আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিতে স্থপতি, প্রকৌশলী ও রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারের পাশাপাশি কারিগরি উপদেষ্টা ফার্মগুলোকেও সিউকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে হবে।
এর ফলে ফার্মগুলোর দায়বদ্ধতা তৈরি হবে এবং তারা ভবন নির্মাণ তদারকিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
সভায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী স্থপতি চন্দন দেওয়ান, টেকনিক্যাল অফিসার (আইটি) আলমগীর হোসেন, এইএসিএফ সিলেট-এর সভাপতি প্রকৌশলী মো. শাহাব উদ্দীন শামীম ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শাহজাহান কবির রিপাসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন, স্থপতি মো. সাঈদ আহমেদ বেলাল, প্রকৌশলী আব্দুল বাসিত চৌধুরী, প্রকৌশলী শিবু প্রসেদ, প্রকৌশলী কৃপেস নাথ, প্রকৌশলী তারেক আহমেদ, প্রকৌশলী আবদুস শহীদ, প্রকৌশলী এহসানুল করিম চৌধুরী, প্রকৌশলী মো. সাইফুল, স্থপতি নূর মোহাম্মদ, প্রকৌশলী মো. আবু হাসেম, প্রকৌশলী জুবেল আহমেদ চৌধুরী, প্রকৌশলী সায়েল চন্দ্র সরকার, আহমেদ তারিক, প্রকৌশলী মোহাম্মদ এ মুহিত, প্রকৌশলী শরীফ হুমায়ুন, মো. শফিউল ইসলাম টিটু, প্রকৌশলী সদানন্দ ভট্টাচার্য ও প্রকৌশলী মো. সিরাজুল।
সভায় পরিকল্পিত, নিরাপদ ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়।
» সিলেটে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ সমাবেশ
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান অপসারণ সহ ৬ দফা দাবি
নিউজ ডেস্কঃ
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির বর্তমান সংকট, একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গ্রাহকরা।
ব্যাংককে ‘লুটেরাদের হাত থেকে রক্ষা’, আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতে সিলেটে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নগরীর তালতলা এলাকায় ইসলামী ব্যাংকের সিলেট শাখার সামনে উক্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বর্তমান চেয়ারম্যান জহির হোসেনের অপসারণ, ইসলামী অর্থনীতি ও ব্যাংকিংয়ে দক্ষ, যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন এবং ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
ফোরামের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক বদরুল আমীন হারুনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কবির আহমদের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সিলেট চেম্বারের সাবেক পরিচালক আলীমুল এহসান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, অ্যাডভোকেট ইয়াসীন খান, ব্যবসায়ী আব্দুল কাদির, নুরুল আলম, অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান ও মাস্টার রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা এস আলমের অবৈধভাবে অর্জিত ৮২ শতাংশ শেয়ার ও পাচারকৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ব্যাংকের দায় শোধ এবং মূল উদ্যোক্তা ও আদি মালিকদের কাছে মালিকানা হস্তান্তরের ব্যবস্থা করার দাবি জানান।
পাশাপাশি অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের চাকরির চুক্তি নবায়ন, ব্যাংকের অভ্যন্তরে সক্রিয় এস আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বহিষ্কার এবং ব্যাংক লুটেরাদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি তোলেন তারা। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দেন ফোরামের নেতাকর্মীরা।
ফোরামের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: বর্তমান চেয়ারম্যানের অপসারণ; স্বতন্ত্র ও পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন; এস আলমের অবৈধ শেয়ার ও পাচারকৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত; অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের চাকরির স্থায়িত্ব ও চুক্তি নবায়ন; এস আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বহিষ্কার এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে ব্যাংক লুটেরাদের বিচার ও পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার।
» উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির সব অপচেষ্টা রাজপথেই রুখে দেওয়া হবে : সিলেটে নাসিম হোসাইন
Published: ২৩. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যখনই দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখনই দেশে আইনের শাসন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত হয়েছে।
বিএনপির শাসনামলে দেশ শান্তিময় ও অস্থিতিশীলতামুক্ত ছিল। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল সবসময়ই দেশের এই অর্জিত শান্তি ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় এবং দেশে নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির পাঁতারা চালায়।
যেকোন মূল্যে দেশবিরোধী ও গণতন্ত্রবিরোধী এই অস্থিতিশীলতা তৈরির চক্রান্ত প্রতিহত করা হবে।
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে দেশপ্রেমের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে রাজপথে প্রহরীর ভূমিকা পালন করতে হবে।
বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল এবং থাকবে; কোনো চক্রান্তকারী অপশক্তিকে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে দেওয়া হবে না।
তিনি বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বর্তমান সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করা এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির সব ধরনের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল পূর্ববর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী এর সভাপতিত্বে এবং সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলে সদস্য সচিব আফছর খানের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।
এসময় উপস্থিতি ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ আমীর আলী, উসমান হারুণ পনির, কামরুল হাসান সদস্য, দেওয়াল রেজা মজিদ, তছির আলী, মিছবাহ আহমদ জেহিন, আবির হাসান মুহিন, শাকের আহমদ, ফাহিম আহমদ চৌধুরী, জিয়াউর রহমান, এডভোকেট ইকবাল হোসেন, গোলাম মোস্তফা, সামাদ হোসেন, হুসেন খান ইমাদ, কাউসার হোসেন রকি, জিয়াউর রহমান জিয়া, শামীম চৌধুরী, ইবনে জাহান তানভীর, চৌধুরী সুবহান আজাদ, কতোয়ালী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান দিপু, সদস্য সচিব আমজাদ হোসেন, শাহপরাণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সুলেমান খান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সালাম আজাদ, জালালাবাদ থানা আহবায়ক শফিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব মানিক মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফজল রানা বিমান বন্দর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সৈকত ফাহাদ চৌধুরী, সদস্য সচিব এস এম সাগর, দক্ষিণ সুরমা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক হোসেন আহমদ রুহুল, মোগলাবাজার থানা আহবায়ক হোসেন তালুকদার সদস্য সচিব সয়েফ উদ্দিন সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক লিমন আহমদ এবং ৬টি থানা যুগ্ম আহবায়ক ও সদস্যবৃন্দ ও ৪২ ওয়ার্ডে আহবায়ক ও সদস্য সচিব ও নেতৃবৃন্দ।
এসময় সভাপতির বক্তব্যে সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী এর সভাপতিত্বে বলেন, দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে যেকোন ধরনের অপশক্তি এবং চক্রান্ত প্রতিহত করতে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল এক পায়ে প্রস্তুত।
রাজপথে থেকে আমরা সব ধরনের অপচেষ্টাকে রাজপথেই রুখে দেবো। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে স্বেচ্ছাসেবক দল রাজপথে সর্বদা সামনের সারিতে থাকবে।

