- উপজেলা সদরকে বাদ দিয়ে গোয়াইনঘাট পৌরসভা মেনে নেওয়া হবে না : আব্দুল করিম দিলদার
- দেশের ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক
- স্কলার্সহোমে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অব.) এডুকেশন ট্রাস্টের বৃত্তি বিতরণ
- নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি ম্যাগাজিন ‘উত্তরণে’র প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত
- প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ: চাঁদাবাজদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আতিক হোসেনের নিন্দা
- সিলেট মহানগর যুবদল নেতা তানিমের মায়ের অসুস্থতায় হাসপাতালে যুবদল নেতৃবৃন্দ
- সিলেট শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল বাকীর মৃত্যুতে ড. এনামুল হক চৌধুরীর শোক
- সজিবের বিরুদ্ধে মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ
- সিলেটে শহীদ জিয়া ২য় গ্রন্থমেলা শুরু হচ্ছে ৫ এপ্রিল
- ডব্লিউটিও সম্মেলনে বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া ও ইইউ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
» উপজেলা সদরকে বাদ দিয়ে গোয়াইনঘাট পৌরসভা মেনে নেওয়া হবে না : আব্দুল করিম দিলদার
Published: ০১. এপ্রি. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের পর্যটন সমৃদ্ধ গোয়াইনঘাট উপজেলাকে পৌরসভায় রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় উপজেলা সদরকেই কেন্দ্রবিন্দু রাখার জোর দাবী জানিয়েছেন যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুল করিম দিলদার।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে গোয়াইনঘাটের এই কৃতি সন্তান বলেন, “গোয়াইনঘাটবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন একটি আধুনিক পৌরসভা।
তবে সেই পৌরসভা অবশ্যই উপজেলা সদরকে কেন্দ্র করে হতে হবে। উপজেলা সদর একটি এলাকার প্রাণকেন্দ্র, যেখানে প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।
সদরকে বাদ দিয়ে অন্য কোন এলাকাকে পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করলে তা সাধারণ মানুষের জন্য ভোগান্তির কারণ হবে।
তিনি আরও বলেন, গোয়াইনঘাটবাসী তাদের অধিকার আদায়ে সচেতন। উপজেলা সদর ছাড়া অন্য কোনো স্থানে পৌরসভা গঠনের সিদ্ধান্ত নিলে গোয়াইনঘাটের সর্বস্তরের জনগণ তা কখনোই মেনে নেবে না। আমরা চাই পরিকল্পিত ও আধুনিক একটি শহর, যা হবে উপজেলা সদরকেন্দ্রিক।
বিবৃতিতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, জনআকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে উপজেলা সদরকে অন্তর্ভুক্ত করে গোয়াইনঘাট পৌরসভা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
» দেশের ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক
Published: ০১. এপ্রি. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
আনুষ্ঠানিকভাবে ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় ৩ মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের কার্যক্রম শুরু করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
সভাপতিত্ব করেন, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান। এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রতিনিধি এবং অনলাইনে প্রায় পাঁচ হাজার প্রশিক্ষণার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতিহারে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আজ দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, কর্মসংস্থান বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে শীর্ষে, যেখানে ফ্রিল্যান্সিং সহ আধুনিক দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম বলেন, ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে আমরা কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করেছি।
প্রশিক্ষণ শুরুতেই অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রোফাইল খোলা হয়, যেখানে তাদের আয় ও অগ্রগতির তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। এ সময় তিনি নিজে ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প তুলে ধরেন।
প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে ৩৭৩ কোটি ৭৭ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩৬ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়। ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড দেশের ৮টি বিভাগের ৬৪টি জেলায় এই প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে।
১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত মেয়াদে ষষ্ঠ ব্যাচের প্রশিক্ষণে প্রতি জেলায় ৭৫ জন করে মোট ৪ হাজার ৮০০ জন অংশ নিচ্ছেন। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী এবং ন্যূনতম এইচএসসি পাস যুবরা এই সুযোগ পেয়েছেন।
জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করেছে।
এখন পর্যন্ত ৫টি পর্যায়ে মোট ১৪ হাজার ৪০০ জন প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। তাদের মধ্যে ৬০ শতাংশ বা ৮ হাজার ৬৪০ জন দেশি ও বিদেশি মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন।
তাদের উপার্জিত অর্থের পরিমাণ ১৮ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪৫ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২২ কোটি ৭০ লাখ ১৪ হাজার ৪১৬ টাকা। উপার্জনে সহায়তা করতে প্রতিটি জেলায় মেন্টরিং ক্লাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এই ব্যাচে ভর্তির জন্য ৯৭ হাজার ২২৯ জন আবেদন করেছিলেন। সেখান থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৬১ হাজার ৫৮১ জনকে নির্বাচন করা হয়।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ৪ হাজার ৮০০ জনকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণার্থীদের দৈনিক ৮ ঘণ্টা করে ৩ মাসে মোট ৬০০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
প্রশিক্ষণের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, ফ্রিল্যান্সিং, বেসিক ইংলিশ, ডিজিটাল মার্কেটিং, সফট স্কিল, স্মার্টফোনের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য যাতায়াত ভাতা, খাবার এবং প্রশিক্ষণ উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে সনদপত্র প্রদান করা হবে।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তদারকিতে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা নিয়মিত পরিদর্শন করছেন।
» স্কলার্সহোমে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অব.) এডুকেশন ট্রাস্টের বৃত্তি বিতরণ
Published: ০১. এপ্রি. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোম স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকীর (অব.) ৬ষ্ট মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে স্মরণসভা ও ৫ম ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অব.) এডুকেশন ট্রাস্টের স্কলারশিপ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় কলেজ ক্যাম্পাসের হলরুমে কলেজ অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মুনীর আহমেদ কাদেরীর সভাপতিত্বে ও শিক্ষক এ. এস মো. কামরুল হকের পরিচালনায় শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অব.) এডুকেশন ট্রাস্টের সদস্য সচিব মো. সাইফুল করিম চৌধুরী হায়াত।
স্মৃতিচারণ করেন বাংলাবিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মিনাক্ষী সাহা।
বক্তব্য রাখেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিশু।
উপস্থিত ছিলেন, স্কলার্সহোম পাঠানটুলা শাখার উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুল আজিজ, উপাধ্যক্ষ (প্রিপারেটরি) জেবুন্নেছা জীবন, প্রোগ্রাম কো অর্ডিনেটর মো. মুস্তাফিজুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকীর নামে প্রতিষ্ঠিত এই এডুকেশন ট্রাস্ট যেভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা সমাজের বিত্তবান ও গুণীজনদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
কৃতি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের মেধা বৃত্তি অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কেবল পুঁথিগত বিদ্যা অর্জন করলেই হবে না, বরং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে বলীয়ান হয়ে আগামী দিনের আদর্শ নাগরিক হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি প্রয়াত জুবায়ের সিদ্দিকীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
জুবায়ের সিদ্দিকী প্রয়াতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন শিক্ষক লুৎফুর রহমান খালেদ।

» নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি ম্যাগাজিন ‘উত্তরণে’র প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত
Published: ৩১. মার্চ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইইউবি)) এর সাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘উত্তরণে’র প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বিশবিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল।
নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটির শেখঘাট ক্যাম্পাসের অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ম্যাগাজিন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক হারুনুর রশীদ।
ম্যাগাজিন কমিটির সদস্য সচিব ফাইন্যান্স ডাইরেক্টর অশোক রঞ্জন চৌধুরীর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব সায়েন্সের ডিন ও এমপিএইচ এর বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. রনজিত কুমার দে, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন ও সিএসই‘র বিভাগীয় প্রধান ড. আরিফ আহমদ, স্কুল অব বিজনেসের ডিন ও ব্যবসায় প্রশাসনের বিভাগীয় প্রধান রেবেকা সুলতানা চৌধুরী, স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন ও ইংরেজি‘র বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ শামসুল কবির, এনইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. লিয়াকত আলী শাহ ফরিদী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নূরজাহান কাকলী, ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রথীন্দ্র চন্দ্র গোপ, আইন ও বিচার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মাহমুদ উন নবী রূপক, ডেভেলাপমেন্ট স্টাডিজের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মোছা. সুইটি খাতুন, সিনিয়র সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সঞ্জয় নন্দী ও একাউন্টস অফিসার মো. আসলাম খান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, সাহিত্য মানব জীবনের প্রতিচ্ছবি।
যা সমাজ-সংস্কৃতির বিকাশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। একটি বিশবিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের লেখা নিয়ে সংকলন প্রকাশনা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
এতে নতুন লেখকদের লেখা প্রকাশের ক্ষেত্র তৈরী হয়, সাহিত্য জগতে নতুন ধারা সৃষ্টি করে যা মনন বিকাশে সহায়ক হয়।
শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চিন্তারব্যাপ্তি ও জ্ঞান বিকাশে এধরণের প্রকাশনা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
তিনি বলেন, শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে আমরা বিশ্বাসী, কেননা আমাদের বিশবিদ্যালয়ের শ্লোগানই হচ্ছে, ‘এডুকেশন উইথ ইনোভেশন’।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কার্যক্রমকে আমরা উৎসাহিত করি, এধারা অব্যাহত থাকবে।
» প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ: চাঁদাবাজদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আতিক হোসেনের নিন্দা
Published: ৩১. মার্চ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
গোয়াইনঘাটে কৃষি খামার প্রতিষ্ঠায় বাধা ও অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধিঃ
মেসার্স আতিক হোসেন, মেসার্স জনপ্রিয় ফ্লাওয়ার মিলের স্বত্ত্বাধিকারী, দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সাবেক সহ সভাপতি, সিলেট কয়লা আমদানীকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক, সিলেট জেলা পাথর আমদানীকারক গ্রুপের সভাপতি মো. আতিক হোসেন মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, গত ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখে সিলেটের স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘গোয়াইনঘাটে অবৈধ ইট ভাটা স্থাপন ও কৃষি জমি খনন করে পরিবেশ ধ্বংসের প্রতিবাদে মানববন্ধন’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
উক্ত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যে তথ্য ও বক্তব্য পরিবেশন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদ এবং কথিত মানববন্ধনের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য এই যে, গোয়াইনঘাটে উক্ত এলাকায় আমার কোনো ইটভাটা নাই এবং নতুন কোন ইটভাটা স্থাপন করার উদ্যোগও আমি গ্রহণ করি নাই।
আমি ওই এলাকায় একটি জনকল্যাণমুখী ও পরিবেশবান্ধব আধুনিক কৃষি খামার (ফার্ম) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গোয়াইনঘাট থানার পেকেরখাল মৌজাধীন প্রায় ৫ একর জমি ক্রয় করি। খামারের উপযোগী অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় মাটি খনন ও ভরাট কার্যক্রম করার ক্ষেত্রে এলাকার কিছু সংখ্যক স্বার্থান্বেষী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ আমার নিকট চাঁদা দাবি করে এবং বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
আমি তাদের অনৈতিক দাবিতে সাড়া দিয়ে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা জোরপূর্বক আমার প্রতিষ্ঠানের কাজ বন্ধ করে দেয় এবং প্রতিনিয়ত আমাকে ফোনে হুমকি-ধমকি ও প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে।
প্রকৃতপক্ষে, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর ওই চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহল ও চাঁদাবাজরা সংঘবদ্ধ হয়ে এলাকার সাধারণ মানুষকে মিথ্যা প্রলোভন ও ভুল বুঝিয়ে আমার বিরুদ্ধে এই সাজানো মানববন্ধনের আয়োজন করেছে।
একটি এলাকায় শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কৃষি খামার গড়ে উঠলে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটে। এলাকার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন সাধারণ মানুষ সবসময়ই উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেন।
কিন্তু একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল শুরু থেকেই এলাকার লোকজনকে ভুল বুঝিয়ে আমার জনকল্যাণমুখী এ উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করে আসছে।
আমি বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় মসজিদ কমিটি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যান মহোদয়কে অবহিত করি এবং তাঁদের সহযোগিতা কামনা করি।
এতে ওই চাঁদাবাজরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে দেলোয়ার মেম্বার নামক এক চাঁদাবাজের ছত্রছায়ায় একটি রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে আমাকে নানামুখী হয়রানি শুরু করে।
পরবর্তীতে আমি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে নিরুপায় হয়ে গত ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করি (মামলা নং-৮২/২০২৬ইং)। মূলত এই মামলার সূত্র ধরেই আক্রোশবশত তারা এই মিথ্যা ও বানোয়াট মানববন্ধনের নাটক সাজিয়েছে।
আমি এই মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি ও সুষ্ঠু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
» সিলেট মহানগর যুবদল নেতা তানিমের মায়ের অসুস্থতায় হাসপাতালে যুবদল নেতৃবৃন্দ
Published: ৩১. মার্চ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর যুবদলের সহ-সভাপতি মুমিনুর রহমান তানিমের শ্রদ্ধেয় মাতা গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে গিয়েছেন সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতৃবৃন্দ।
সোমবার রাতে সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন এবং সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি শাহ নেওয়াজ বক্ত চৌধুরী তারেক হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ তানিমের মাতার শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন।
তাঁরা কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছ থেকে তাঁর চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং যথাযথ সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে কথা বলেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ)নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের রাজনৈতিক সহকর্মী মুমিনুর রহমান তানিমের মাতার অসুস্থতায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
তিনি একজন আদর্শ মাতা ও নেককার মহিল। আমরা মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করছি।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আল্লাহ তাআলা যেন উনাকে শেফা দান করেন এবং তাঁর পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দেন। এসময় নেতৃবৃন্দ সকলের কাছে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া করার অনুরোধ জানান।
হাসপাতালে অবস্থানকালে অন্যান্যদের মধ্যে সিলেট মহানগর যুবদলের সহ সভাপতি মো. মুহিবুল আলম, ১৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি ফয়জুর রহমান কয়েস সহ নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
তারা সকলেই অসুস্থ তানিমের মায়ের আশু সুস্থতা কামনায় মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করেন।
» সিলেট শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল বাকীর মৃত্যুতে ড. এনামুল হক চৌধুরীর শোক
Published: ৩১. মার্চ. ২০২৬ | মঙ্গলবার
নিউজ ডেস্কঃ
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সিলেট শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান, সিলেট এমসি ও সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল বাকী চৌধুরীর ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা, মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ ও সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী।
মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।
এক শোক বার্তায় ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী বলেন, মরহুম প্রফেসর আব্দুল বাকী চৌধুরী ছিলেন একজন শিক্ষানুরাগি।
তিনি সিলেট শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান, ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ সিলেট এমসি কলেজ, সিলেট সরকারী কলেজ ও জালালাবাদ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ব্যক্তি জীবনে পরহেযগার ও অমায়িক ব্যবহারের অধিকারী হিসেবে তিনি সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ও প্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে আমরা একজন শিক্ষাবিদকে হারালাম। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীর শোকাহত। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।
দোয়া করি আল্লাহ পাক তাঁর ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে তাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। আমীন।
» সজিবের বিরুদ্ধে মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ
Published: ৩০. মার্চ. ২০২৬ | সোমবার
বৃহত্তর মদিনা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের বৃহত্তর মদিনা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির অন্তর্বর্তীকালীন এডহক কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) রাতে সমিতির কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় আগামী ১১ জুলাই ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন এডহক কমিটির উপদেষ্টা পদমর্যাদার সদস্য ও আল মদিনা জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি হাজী খলিলুর রহমান খানের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য সচিব এমদাদুল হক স্বপনের পরিচালনায় সভায় এডহক কমিটি, নির্বাচন কমিশন ও সংবিধান সংস্কার কমিটির নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
সভায় ব্যবসায়ী কমিটির নেতৃবৃন্দ এডহক কমিটির অন্যতম সদস্য, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ আজিজ খান সজিবের ওপর মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বাজারে ঝামেলা হয়েছে শুনে সজিব সেখানে আসেন এবং পরিস্থিতি মীমাংসা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল ঘটনাকে ভিন্নভাবে প্রভাবিত করে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এই মিথ্যা মামলায় আসামি করেছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে আজিজ খান সজিবের ওপর থেকে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
সভায় বক্তব্য রাখেন, এডহক কমিটির উপদেষ্টা পদমর্যাদার সদস্য বাবু ননী গোপাল দত্ত, বাবু বলাই দত্ত,মাসুদ চৌধুরী, এডহক কমিটির সদস্য ও ব্যবসায়ী সমিতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার এডভোকেট আজিম উদ্দিন, ব্যবসায়ী সমিতির এডহক কমিটির সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম আহমদ শিবলী, এডহক কমিটির সদস্য ও সংবিধান সংস্কার কমিটির অন্যতম সদস্য মিনহাজ পাঠান, ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য ও সহকারী নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রাজ্জাক রাজন, এডহক কমিটির সদস্য ও সহকারী নির্বাচন কমিশনার রুবেল বকস, এডহক কমিটির সদস্য ও অর্থ উপ কমিটির সদস্য শিহাব খান প্রমুখ।
» সিলেটে শহীদ জিয়া ২য় গ্রন্থমেলা শুরু হচ্ছে ৫ এপ্রিল
Published: ৩০. মার্চ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে শুরু হতে যাচ্ছে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার এক ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন “শহীদ জিয়া ২য় গ্রন্থমেলা ২০২৬”।
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী সৃজনশীল সাহিত্য সংগঠন কমল সাহিত্য পরিষদ সিলেট-এর উদ্যোগে আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদমিনার প্রাঙ্গণে ১১ দিনব্যাপী এ গ্রন্থমেলা অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজকরা জানান, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের জীবন ও কর্মকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেই দ্বিতীয়বারের মতো এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
একই সঙ্গে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চেতনা ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ারও একটি প্রয়াস এটি।
মেলাটি শুধুমাত্র বই বিক্রয় বা প্রদর্শনীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি নতুন প্রজন্মের মধ্যে সাহিত্যচর্চা, সংস্কৃতি বিকাশ ও সৃজনশীলতা প্রসারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
এ উপলক্ষে ছাত্রছাত্রীদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি, সাধারণ জ্ঞান ও রচনা প্রতিযোগিতা।
পাশাপাশি থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মঞ্চ নাটক, পুরস্কার বিতরণী, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ব্লাড ক্যাম্পেইন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা। এছাড়াও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ বর্ষবরণ আয়োজনসহ নানা জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
মেলার উদ্বোধন হবে ৫ এপ্রিল রবিবার বিকেল ৪টায়, আর একইদিন সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
পরবর্তী দিনগুলোতে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও সামাজিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
এর মধ্যে ৬ এপ্রিল সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা, ৭ এপ্রিল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী, ৮ রচনা প্রতিযোগিতা ৯ এপ্রিল আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ১০ এপ্রিল চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
আরো রয়েছে ১১ এপ্রিল ব্লাড ক্যাম্পেইন। ১২ এপ্রিল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন, ১৪ এপ্রিল বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান এবং ১৫ এপ্রিল বিকেল ৪টায় সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে মেলার পরিসমাপ্তি ঘটবে।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই গ্রন্থমেলা সিলেটসহ দেশের সাহিত্যপ্রেমী মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলবে এবং নতুন প্রজন্মকে বইমুখী ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করবে।
» ডব্লিউটিও সম্মেলনে বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া ও ইইউ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
Published: ৩০. মার্চ. ২০২৬ | সোমবার
জাপানের আদলে কোরিয়া ও ইইউ-এর সাথে বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তাব বাংলাদেশের
নিউজ ডেস্কঃ
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের সাইডলাইনে দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে পৃথক দুটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছে বাংলাদেশ।
বৈঠকে বাংলাদেশের নতুন সরকারের বাণিজ্যনীতি, বাজার বহুমুখীকরণ এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এফটিএ ও ইপিএ সইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
গত ২৯ মার্চ ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান কু-র সাথে বৈঠকে বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকার দূরদর্শী বাণিজ্যনীতি গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এখন কোরিয়ার সাথেও অনুরূপ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নিতে আমরা আগ্রহী।”
কোরীয় বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জাপানের সাথে বাংলাদেশের সম্পাদিত চুক্তিটি দ্বিপাক্ষিক আলোচনার ক্ষেত্রে একটি কার্যকর মডেল হতে পারে।
তিনি জাহাজ নির্মাণ, ইস্পাত ও উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং শীঘ্রই বাংলাদেশ সফরের ইচ্ছা ব্যক্ত করেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনার মারোস সেফকোভিচের সাথে বৈঠকে এলডিসি থেকে উত্তরণ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিশেষ অনুরোধ জানায়।
বাণিজ্যমন্ত্রী উত্তরণকালীন প্রস্তুতিমূলক সময়সীমা আরও ৩ বছর বাড়ানোর জন্য ইইউ-র সহযোগিতা কামনা করেন।
এছাড়া শ্রম খাতের সংস্কারে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরে দ্রুত একটি এফটিএ আলোচনার উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানান।
ইইউ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ সংক্রান্ত সময় বৃদ্ধির অনুরোধকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেয় এবং শ্রম খাতের সংস্কারের প্রশংসা করে। প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায় ইইউ।
জাপানের সাথে সম্পাদিত ইপিএ-কে ভিত্তি করে অন্যান্য দেশের সাথে চুক্তি এগিয়ে নেওয়া। আরসিইপি-এ যোগদানের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রবল আগ্রহ প্রকাশ।
তৈরি পোশাক ও রপ্তানিমুখী শিল্পে কোরিয়া ও ইইউ-র বিনিয়োগ বৃদ্ধি। আইএলও-র নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত নতুন শ্রম আইন প্রণয়নের নিশ্চয়তা।
উভয় বৈঠকে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে দেশগুলো পারস্পরিক লাভজনক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
» রহমানিয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের স্বনির্ভর প্রকল্পের আওতায় অসহায় ব্যক্তিকে ঠেলাগাড়ি উপহার
Published: ৩০. মার্চ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
রহমানিয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের স্বনির্ভর প্রকল্পের আওতায় ৪র্থ দফায় অসহায় প্রতিবন্ধী পরিবারকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে ঠেলাগাড়ি উপহার প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে সিলেট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে ঠেলাগাড়িটি উপহার দেওয়া হয়।
রহমানিয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আতাউর রহমান খাঁন শামছু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আল আমিন আহমেদ নাঈম’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সিলেটের সহকারী পরিচালক (কার্যক্রম ও সামাজিক নিরাপত্তা) মোহাম্মদ রফিকুল হক, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র সিলেটের প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা সিদ্ধার্থ শংকর রায়, গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন জিডিএফ’র মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক বায়জিদ খান।
প্রধান অতিথি উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রফিক বলেন, যারা দেশ জাতি ও মানুষের কল্যাণে নিঃস্বার্থে কাজ করেন তারই প্রকৃত দেশপ্রেমিক। তাদের মধ্যে অন্যতম দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি আতাউর রহমান খান শামছু তিনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়েও সুস্থ্যসবল মানুষের মতো মানবসেবামূলক কাজ করে যাচ্ছেন।
তাঁর মতো সবাই মানব কল্যাণ মূলক কাজে এগিয়ে আসলে সমাজের দরিদ্র, বঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী মানুষ উপকৃত হবে।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রহমানিয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি সৈয়দ শওকত আলী, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফাহিম উদ্দিন আহমেদ, নির্বাহী সদস্য স্বপ্নন আহমদ, ডিকেফ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষক আফজাল শিকদার সহ ফাউন্ডেশনের-অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
» ১নং ওয়ার্ড মজলিসের কমিটি পূণর্গঠন; অবিলম্বে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে : আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম
Published: ৩০. মার্চ. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরীর ১নং ওয়ার্ড শাখার দায়িত্বশীল বৈঠক সোমবার (৩০ মার্চ) বাদ মাগরিব দরগাহ মহল্লাস্থ একটি কার্যালয়ে হাফিজ মাওলানা আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম, বিশেষ অতিথি মহানগর সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা পীর আব্দুল জব্বার।
বৈঠকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরীর ১নং ওয়ার্ড শাখার কমিটি পূণর্গঠন করা হয়।
কমিটি দায়িত্বশীলরা হলেন, সভাপতি হাফিজ আব্দুস সামাদ, সহ-সভাপতি মাওলানা মাসকুর আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মুফতি জাহেদ আহমদ জিয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ লুৎফুর রহমান, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা আতিকুর রহমান, সদস্য মুহাম্মদ আরাফাত, হাফিজ রবিউল ইসলাম, হাফিজ মাহফুজ আহমদ সহ ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে গঠিত সংসদের প্রথম কাজই ছিল সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া।
সংস্কারের পক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ রায় দিয়েছে। গণভোটে দেশের দুই-তৃতীয়াংশ জনগণ এর পক্ষে রায় দিয়েছে, সুতরাং প্রথম কাজ হওয়া উচিত সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া এবং এটি বাস্তবায়নে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দেয়া। অবিলম্বে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পীর মাওলানা আব্দুল জব্বার আমিরে মজলিস আল্লামা মামুনুল হক ঘোষিত ২৪ এপ্রিল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ সফল করে গড়ে তুলার জন্য নেতাকর্মীদের আহবান জানিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করার আহবান জানান।

