শিরোনামঃ-

» সিলেট মহানগর জামায়াতের রুকন সম্মেলন

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে জামায়াত  জনগণের পক্ষে কথা বলে যাবে : এ.টি.এম আজহার এমপি

নিউজ ডেস্কঃ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এ.টি.এম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেছেন, জামায়াত দায়িত্বশীলদের আত্মশুদ্ধি, শৃঙ্খলা, ত্যাগ ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে হবে।
নিয়মিত সাংগঠনিক চর্চা, দাওয়াতি কার্যক্রম এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মীদের মধ্যে গতি, উদ্যম ও দায়িত্ববোধ বাড়াতে হবে। আমাদেরকে ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক জীবন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ইসলামের আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। তাহলে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হওয়ার কারণে দেশে ফের গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হয়েছে।

বিগত সংসদ নির্বাচনে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে জামায়াতকে ভোট প্রদান করেছে। কিন্তু দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে গণরায় পাল্টে দেওয়া হয়েছে।
জনগণ বর্তমান সংসদের বিরোধী দল ও আদর্শিক দল হিসেবে জামায়াতের নেতৃত্বের অপেক্ষার প্রহর গুণছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমাদেরকে জনগণের পক্ষে কথা বলতে হবে। এক্ষেত্রে কোন আপস চলবেনা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্বপ্ন পূরণে জামায়াত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দেশে নতুন ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে ও আগামী দিনের যেকোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করতে জামায়াত দায়িত্বশীলদের অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হবে।

তিনি শনিবার (১৬ মে) সকালে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। সম্মেলনে সিলেট মহানগরীর আওতাধিন সকল রুকন অংশ নেন।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় নগরীর রিকাবীবাজারস্থ এম. সাইফুর রহমান অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান এবং সিলেট অঞ্চল টিম সদস্য হাফিজ আবদুল হাই হারুন।
দারসুল কুরআন পেশ করেন মধ্যপ্রাচ্য জামায়াতের দায়িত্বশীল মাওলানা আব্দুস সোবহান আজাদ।
বক্তব্য রাখেন, মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ মাওলানা মিফতাহুদ্দীন আহমদ ও ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মজলুম জননেতা এ.টি.এম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেন, সীমাহীন জুলুম-নির্যাতন, খুন-গুম ও শাহাদাতের বিনিময়ে জনগণের আস্তা অর্জনের মাধ্যমে জামায়াত আজকের অবস্থানে দাঁড়িয়েছে।

আদর্শিক মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে ফাঁসি দিয়ে ও কারাগারে নির্যাতন চালিয়ে শহীদ করা হয়েছে।
আমি নিজেও ফাঁসির কাষ্ঠ থেকে আজকে জনপ্রতিধি নির্বাচিত হয়ে আপনাদের সামনে এসে দাঁড়াতে পেরেছি।
এটাই আল্লাহর বিচার। কারণ আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করি। দ্বীনের জন্য সবসময় জান ও মালের সাথে জীবন উৎসর্গ করাই ইসলামী আন্দোলনের শিক্ষা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের পথ জুলুম, নিপীড়ন ও শাহাদাতের পথ। সর্বোচ্চ ত্যাগের শপথ নিয়েই আমরা ইসলামী আন্দোলনে শামিল হয়েছি।

আজকের প্রধান অতিথি এ.টি.এম আজহার ভাই জীবন্ত শহীদ। আল্লাহ তাঁকে ফাঁসির সেল থেকে আবার ইসলামী আন্দোলনের ময়দানের জন্য ফিরিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং আমাদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কোন লাভ নেই।
জামায়াতকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হয়েছে, কিন্তু দমিয়ে রাখা যায়নি। জামায়াতের সর্বস্তরের জনশক্তি জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। সামাজিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর জাতি একটি পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলো। কিন্তু নতুন সরকার ক্ষমতায় গিয়ে ফের ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটতে শুরু করেছে।

তারা জুলাই সনদকে উপেক্ষা ও গণভোটের রায় বাতিলের মাধ্যমে ছাত্র-জনতার রক্তের সাথে প্রতারণা করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খা পূরণ ও বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে জামায়াতের দায়িত্বশীলদের ময়দানের তৎপরতা বৃদ্ধি করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

অতীতে জুলুম-নিপীড়ন উপেক্ষা করে জামায়াত আর্ত মানবতার কল্যাণে সর্বোচ্চ ভুমিকা পালন করেছে। বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভুমিকা পালন করতে হবে।

» এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি’র কাছে বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতির ৯ দফা দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর কাছে বিয়ানীবাজারের উন্নয়নকল্পে ৯ দফা সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেট।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জুবায়ের আহমদ খান স্বাক্ষরিত এই পত্রে এলাকার দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা নিরসন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখিত দাবিগুলো হলো, বিয়ানীবাজার উপজেলার সকল উন্নয়নমূলক কাজ এবং সরকারি সাহায্য বণ্টন প্রক্রিয়ায় সমিতিকে  সহযোগী হিসেবে সম্পৃক্ত করা। হয়।

সিলেট-সুতারকান্দি রাস্তার কাজ ত্বরান্বিত করা এবং সুতারকান্দি স্থল বন্দরকে আধুনিক ও উন্নত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া শেওলা-বিয়ানীবাজার-চারখাই অত্যন্ত ব্যস্ত সড়কটির প্রশস্ততা ৭-৮ ফুট থেকে বাড়িয়ে ১২-১৫ ফুটে উন্নীত করার দাবি জানানো সহ বিয়ানীবাজারের গ্রামীণ রাস্তাঘাট পাকাকরণ এবং পৌর শহরকে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন নগরীতে রূপান্তরের দাবিও পত্রে স্থান পেয়েছে।

দীর্ঘদিনের পুরনো দাবি হিসেবে মেঘার খাল ব্রিজ এবং অবহেলিত করতী ব্রিজ নির্মাণের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘবের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি দুবাগ-কুড়ার বাজার, শেওলা, চারখাই, আলীনগর ও বারহাল ইউনিয়নের সমন্বয়ে চারখাইকে পৃথক থানায় উন্নীত করার জোরালো দাবি জানানো হয়।

১৯৬৪ সাল থেকে পরিচালিত এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনটি দীর্ঘ ৬০ বছরেও সিলেট শহরে নিজস্ব কোনো স্থায়ী ঠিকানা গড়ে তুলতে পারেনি।

সমিতির জন্য একটি স্থায়ী কার্যালয় বা ভবন গড়ে তুলতে সংসদ সদস্যের আন্তরিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

সমিতির নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে বিয়ানীবাজারবাসীর এই ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেট-এর সভাপতি ডা. এম. ফয়েজ আহমদ, সহ-সভাপতি তোফায়েল আহমদ খান, মুছলেহ উদ্দিন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ, অর্থ সম্পাদক কবির আহমদ সিদ্দিকি, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আহমদ রেজা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সোলেমান আহমদ, দপ্তর সম্পাদক মোঃ রাজ্জাকুজ্জামান চৌধুরী, সদস্য এমাদ হোসেন চৌধুরী, মো. হানিফ আহমদ, জাকির হোসেন খান, শহীদুল হাসান, মাহবুব আহমদ মুক্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ময়নুল ইসলাম, আবুল ফজল মো. আরিফ, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, হোটেল স্টার প্যাসিফিক এর চেয়ারম্যান ফখর উদ্দিন আলী আহমদ, ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ এবং বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

» সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৯ শ্রমিক পরিবারের পাশে এসনিক

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের তেলী বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নয় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এসিড সন্ত্রাস নির্মূল কমিটি (এসনিক)।

ভোরের সড়কে প্রাণ হারানো শ্রমিকদের পরিবারগুলো যখন দিশেহারা, তখন এই সংগঠনের সহযোগিতা তাদের মুখে ফুটিয়েছে একটুখানি আশার আলো।  মানবিক এই উদ্যোগে ভরসা খুঁজে পেল স্বজনরা।

গত ৩ মে আম্বরখানা থেকে লালাবাজারে কাজে যাওয়ার পথে নির্মাণ শ্রমিকদের বহনকারী একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে নয়জন শ্রমিক প্রাণ হারান।

নিহতদের মধ্যে ছিলেন দুই নারী শ্রমিক এবং একই পরিবারের দুই ভাই। জীবিকার একমাত্র ভরসা হারিয়ে অনেক পরিবার এখন অনিশ্চয়তার অন্ধকারে।

শনিবার (১৬ মে) দুপুরে নগরীর জেলরোডে একটি রেস্তোরাঁয় নিহত পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহযোগিতা তুলে দেয় এসনিক।

সাংবাদিক ফয়সল আহমদ বাবলুর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক জুরেজ আব্দুল্লা গুলজার।

সাংবাদিক তাইনুল ইসলামের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর মাহবুব।

এসময় স্বজন হারানো ৯ পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তাদের কান্নায় অনুষ্টানে আগত অনেকেই চোখে জল ধরে রাখতে পারেন নি।

নিহত নার্গিসের ১২ বছরের মেয়ে মোহিনী কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। সে তার মাকে ফেরত চায়। তার এই বক্তব্যে উপস্থিত সকলের মনে দাগ কাটে।  বাবা-মা হীন নিহত মনি বেগমের তিন সন্তানকে নিয়ে এসেছিলেন বৃদ্ধা নানী।

তিনি বললেন যে যাওয়ার চলে গেছে; এখন যারা বেঁচে আছেন তাদের প্রতি সহানুভূতির আহবান জানান। একইভাবে সেদিন মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা হাফিজা বেগম বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। ওই ঘটনায় তার স্বামী প্রান হারান।

হাফিজা বলেন, আমি মৃত্যুকে দেখলাম খুব কাছ থেকে। ওই দিন আমার স্বামী বদরুল আমিন তার পাশেই বসা ছিলেন।

গাড়ি যখন উল্টে যায় তখন তার স্বামী তাকে ধাক্কা দেন। তখন মিক্সার মেশিন  অনেকের উপর গড়িয়ে পড়ে। আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

সেদিন কোন রকম বেঁচে গেছি এখন চার সন্তান নিয়ে অন্ধকার দেখছি। আগে দুজন মিলে পরিবার সামলেছি এখন এই সন্তানদের সবই আমার উপর। এছাড়াও অপরাপর ৬ নিহত পরিবারের সদস্যরা সহযোগিতার আহবান জানান।

সাধারণ সম্পাদক জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজার বলেন, কোনো কিছুর বিনিময়ে একটি প্রাণ ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে যারা স্বজন হারিয়েছেন, তাদের পাশে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সমাজের সামর্থ্যবানদের প্রতি আহ্বান জানাই, অসহায় এই পরিবারের পাশে দাঁড়ান।

সভাপতি ফয়সল আহমদ বাবলু বলেন, শ্রমিকরা আমাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। তাদের ঘাম ও শ্রমে দাঁড়িয়ে আছে দেশের অবকাঠামো।

অথচ মৃত্যুর পর তারা হয়ে ওঠেন অদৃশ্য। নিহত পরিবারের পাশে সরকারের সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা জরুরি। এসনিকের সদস্যরা তাদের পাশে থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ঘোষনা দেন।

নিহত পরিবারের সদস্যরা এসনিকের সহযোগিতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাদের চোখে অশ্রু থাকলেও এই সহায়তা এনে দিয়েছে একটুখানি স্বস্তি।

» ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের লিফলেট বিতরণ আগামীকাল

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আগামীকাল রবিবার (১৭ মে) লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন।

বিবৃতিতে তাঁরা উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অক্ষরে অক্ষরে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায় এই জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচির বিবরণ:
স্থান: মধুবন সুপার মার্কেটের সম্মুখভাগ, সিলেট।
সময়: আগামীকাল রবিবার, বিকেল ৪টা।

উক্ত লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল ও সার্থক করার লক্ষ্যে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের আওতাধীন সকল ইউনিটের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান, সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি এডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন, সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি শাহ নেওয়াজ বক্ত চৌধুরী তারেক, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ এবং সিলেট মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা মো. সম্রাট হোসেন।

নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আগামীকালকের এই কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

» সিলটি পাঞ্চায়িত কেন্দ্রীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট বিভাগের রাজনৈতিক সংগঠন সিলটি পাঞ্চায়িত কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে নগরীর বন্দরবাজারস্থ মধুবন সুপার মার্কেটের ৫তলাস্থ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমদ চৌধুরী সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক কবি কামাল আহমদের পরিচালনায় সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা জিলাল আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফেরদৌস আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট ওয়ারিছ আলী মামুন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. আমিনুজ্জামান চৌধুরী, সালেহ আহমদ, ছড়াকার সাজ্জাদ আহমদ সাজু, আফসার আহমদ, মোহাম্মদ ফোরকান মিয়া, জোবায়দা বেগম আখি, মো. নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ শাহ আলম, মো. আফরোজ তালুকদার, মো. বাহার উদ্দিন বাহার প্রমুখ।

সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে নাসির উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় সিলেট বিভাগ সবসময়ই উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার।

অন্যান্য বিভাগে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন হলেও সিলেট বিভাগের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সকল সরকার বিমাতাসুলভ আচরণ করেছেন।

তিনি আরো বলেন, সিলেট বিভাগ প্রবাসী-অধ্যুষিত অঞ্চল। প্রবাসী ও স্থানীয়দের যাতায়াতের সুবিধার্থে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে নিয়মিত ফ্লাইট ওঠানামার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

সিলেটের সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম বেহাল দশা। এই করুণ দশা থেকে উত্তরণের জন্য দ্রুত এবং কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, সিলেট অঞ্চলের নদীগুলো মাটি জমে ভরাট হয়ে গেছে।

তাই জলাবদ্ধতা ও বন্যা দূরীকরণে ও ধান-ফসলি জমির সুরক্ষার লক্ষ্যে সিলেট বিভাগের নদীগুলো নিয়মিত খনন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

বক্তারা আরো বলেন, সিলেট বিভাগের সকল সরকারি দপ্তরে স্থানীয় সিলেট বিভাগের যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।

বক্তারা বর্তমান সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, আমরা সিলেটবাসী সবসময় বৈষম্যের শিকার হচ্ছি।

আশা করি বর্তমান সরকার সিলেটের উন্নয়নের ব্যাপারে কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশা করি।

» ইউরোপের পথে প্রবাসীদের স্বপ্ন ও সংগ্রামের ব্যবচ্ছেদ

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

শামসুল ইসলামঃ
ইউরোপ, এক মায়াবী হাতছানির নাম। উন্নত জীবন-যাপন আর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় প্রতি বছর হাজারো বাংলাদেশি তরুণ এই মহাদেশে পাড়ি জমানোর স্বপ্ন দেখেন।

কিন্তু এই স্বপ্নযাত্রার পথ সবার জন্য সমান মসৃণ হয় না। কেউ বৈধ পথে মেধার স্বাক্ষর নিয়ে যান, আবার কেউ জীবনকে তুচ্ছ করে দুর্গম পথ কিংবা উত্তাল সমুদ্র পাড়ি দিয়ে পৌঁছাতে চান স্বপ্নের বন্দরে।

এই অনিশ্চিত যাত্রায় দু:খজনকভাবে অনেক তরুণকে অকালে প্রাণ পর্যন্ত বিসর্জন দিতে হয়, যা আমাদের সমাজব্যবস্থার এক করুণ বাস্তবতাকে তুলে ধরে।

নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে যারা শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, তাদের জন্যও সাফল্যের পথ খুব একটা সহজ হয় না। নতুন দেশে পা রাখতেই প্রথম বড় যে ধাক্কাটি আসে, তা হলো ভাষা।

ইউরোপের প্রায় প্রতিটি দেশেরই রয়েছে নিজস্ব ভাষা ও স্বতন্ত্র সংস্কৃতি। ফলে ভাষাগত দুর্বলতা কাটাতে এবং ভিন্নধর্মী সামাজিক নিয়ম-কানুনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে দীর্ঘ সময় পার হয়ে যায়। এর সাথে যোগ হয় বিরূপ আবহাওয়া।

বাংলাদেশের নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতে বেড়ে ওঠা মানুষের জন্য ইউরোপের হাড়কাঁপানো শীত এবং ধূসর আকাশ মানিয়ে নেওয়া এক বড় চ্যালেঞ্জ। এই নতুন পরিবেশে খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে জীবনযাপনের প্রতিটি স্তরেই লড়তে হয় একাকীত্বের সঙ্গে।

ইউরোপে পৌঁছানোর পর প্রবাসীদের সামনে সবচেয়ে বড় যে পাহাড়সম বাধা এসে দাঁড়ায়, তা হলো বৈধভাবে স্থায়ী হওয়া। দেশ ত্যাগের আগে অনেকেই এই জটিলতার কথা আঁচ করতে পারেন না।

দীর্ঘমেয়াদী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং আইনি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে একজন প্রবাসীকে সেখানে থিতু হতে হয়। যাদের ভাগ্য সহায় হয় না, তাদের দিনের পর দিন মানসিক যন্ত্রণা আর অনিশ্চয়তা নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয়। এই আইনি লড়াইয়ের সমান্তরালে চলে টিকে থাকার কঠোর পরিশ্রম।

কর্মজীবনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা সাধারণত ইউরোপের সবখানেই তাদের একনিষ্ঠ শ্রম ও সততার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত।

ইউরোপের রেস্টুরেন্ট, হোটেল-মোটেল, নির্মাণ খাত থেকে শুরু করে আইটি কিংবা স্বাস্থ্যসেবার মতো সম্মানজনক পেশায় আজ বাংলাদেশিদের সরব উপস্থিতি রয়েছে।

প্রবাসীদের প্রতিটি মুহূর্ত কাটে দেশে ফেলে আসা স্বজনদের মুখে হাসি ফোটানোর চিন্তায়। নিজের আরাম-আয়েশ বিসর্জন দিয়ে অনেকেই একাধিক কাজ করেন এবং উপার্জিত অর্থ দেশে পাঠান।

এই রেমিট্যান্স আজ আমাদের জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি, যা দেশের উন্নয়নের চাকাকে সচল রাখতে অনবদ্য ভূমিকা রাখছে।

তবে ইউরোপের এই জীবনগাথা কেবলই সংগ্রামের নয়, বরং অদম্য অর্জনেরও। নতুন প্রজন্মের প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখন শুধু কায়িক শ্রমেই সীমাবদ্ধ নেই; তারা ইউরোপের নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে মূলধারার সমাজে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করছেন।

ব্যবসা-বাণিজ্যে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে যেমন পরিচিতি পাচ্ছেন, তেমনি যুক্ত হচ্ছেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মূলধারার রাজনীতির সাথে।

স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তারা আজ জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে গর্বের সাথে তুলে ধরছেন।

ইউরোপের ব্রিটেনে বহু আগে থেকেই এমপি, স্থানীয় পৌর মেয়র, কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে আসছেন। অনেকে মন্ত্রীও হয়েছেন।  এছাড়া সম্প্রতি ফ্রান্সের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বেশ কিছু বাংলাদেশী নির্বাচিত হয়েছেন।

ব্যস্ত ও যান্ত্রিক জীবনের মাঝেও প্রবাসীরা তাদের সাংস্কৃতিক শেকড়কে আঁকড়ে ধরে রাখেন পরম মমতায়।

ঈদ, পূজা, পহেলা বৈশাখ কিংবা বিজয় দিবস,অমর একুশের মতো জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসবগুলো তারা প্রবাসের মাটিতে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উদযাপন করেন।

এই মেলবন্ধন তাদের বিদেশের মাটিতেও এক টুকরো বাংলাদেশ উপহার দেয়। প্রবাসীরা ইউরোপে স্থায়ী হলেও এবং পরিবার নিয়ে বসবাস করলেও মন পড়ে থাকে জন্মভূমিতেই।

দেশের প্রতিটি ক্ষুদ্র অর্জন তাদের যেমন আবেগাপ্লুত করে, তেমনি দেশের সংকটে তারা ব্যথিত হন।

ইউরোপ প্রবাসীরা ক্রমাগতভাবে তাদের কিছু দাবি তুলে ধরেন বাংলাদেশ সরকারের কাছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো,পাসপোর্ট সমস্যা, জাতীয় পতাকাবাহী বিমানের ফ্লাইট চালু, লাশ বিনা খরচে দেশে নেয়া ইত্যাদি। পাসপোর্ট জটিলতা অনেকসময় একজন প্রবাসীর জীবন বিষিয়ে তুলে।

সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোর আরো মানবিক ও করিৎকর্মা হওয়া আবশ্যক। একটি পাসপোর্ট সমস্যা একজন প্রবাসীর বৈধতার জন্য অনেক সময় মহাগুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। তারা চান পাসপোর্ট নিয়ে দীর্ঘসূত্রতার অবসান।

দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, প্রবাসীদের অর্জিত বিশাল অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে রাষ্ট্র অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে আছে।

ইউরোপের মাটিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সাথে প্রতিযোগিতা করে তারা যে সক্ষমতা অর্জন করেন, তা দেশের উন্নয়নে বিনিয়োগ করার প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনুকূল পরিবেশের অভাবে থমকে যায়।

প্রতিটি সরকার প্রবাসীদের কল্যাণে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নিয়ে প্রবাসীদের মাঝে আক্ষেপ রয়েছে।

তাই দেশের সমৃদ্ধির স্বার্থে প্রবাসীদের বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং তাদের অভিজ্ঞতাকে দেশ গঠনে কাজে লাগানোর কার্যকর সুযোগ তৈরি করে দেওয়া রাষ্ট্রের জন্য এখন সময়ের দাবি।

সব মিলিয়ে, ইউরোপে বাংলাদেশি প্রবাসীদের জীবন একটি চলমান যুদ্ধ-যেখানে ত্যাগ আর সংগ্রাম আছে, কিন্তু তার চেয়েও বড় হয়ে টিকে আছে স্বপ্ন পূরণের অবিনাশী প্রেরণা।

লেখক : সম্পাদক, ফ্রান্স দর্পণ, ইউকে প্রবাসী

» টেক্সটাইল খাতের টেকসই রূপান্তরে পণ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনে জোর দিতে হবে : খন্দকার মুক্তাদির, এমপি

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে হলে টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা, উদ্ভাবন, গবেষণা এবং পণ্য বৈচিত্র্যের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, “সাস্টেইনেবিলিটি এখন আর কেবল একটি স্লোগান নয়; এটি শিল্পের অস্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ টিকে থাকার অপরিহার্য শর্ত।”

শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর Le Méridien Dhaka-G এ অনুষ্ঠিত Grand Launching Event of Textile Innovation Exchange শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সীমিত। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি—সবকিছুই অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ।

তাই শিল্পে শক্তি সাশ্রয়, পানি পুনঃব্যবহার, সার্কুলার উৎপাদন ব্যবস্থা এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিটি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশের তৈরি পোশাক শিল্প গত কয়েক দশকে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করলেও এখনো রপ্তানি মূলত সীমিত কিছু পণ্যের ওপর নির্ভরশীল।

স্পোর্টসওয়্যার, ম্যান-মেড ফাইবারভিত্তিক পোশাক, টেকনিক্যাল টেক্সটাইলসহ উচ্চমূল্য সংযোজিত পণ্যে দ্রুত অগ্রসর হতে না পারলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা কঠিন হবে।

তিনি বলেন, ঊঁৎড়ঢ়বধহ টহরড়হ-এর বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে এবং সম্ভাব্য এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে পণ্যের বহুমুখীকরণ ও নতুন বাজার অনুসন্ধানে আরও সক্রিয় হতে হবে।

একই সঙ্গে গবেষণা, নকশা উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাসে টেক্সটাইল খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কম পুঁজিতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে এ খাত দেশের শিল্পায়ন ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।

সঠিক পরিকল্পনা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে এ খাতের সম্ভাবনার দিগন্ত এখনও অনেক প্রসারিত।

সরকারের বন্ধ শিল্পকারখানা পুনঃব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরোনো যন্ত্রপাতি অপরিবর্তিত রেখে অকার্যকর কারখানায় অর্থ ব্যয় করা হবে না।

বরং শিল্পভেদে উপযোগী সমাধানের মাধ্যমে কোথাও শিল্পপার্ক গড়ে তোলা হবে, কোথাও পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (চচচ) অথবা লিজের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা হবে।

এ প্রক্রিয়ায় বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, চামড়া, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, শিপবিল্ডিংসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করা হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা এবং উদ্যোক্তাদের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দেশের টেক্সটাইল শিল্প আরও আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে। এ ধরনের উদ্যোগে সরকার সবসময় পাশে থাকবে।

অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. জুলহাস উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এনামুল হক খান, প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার আইউব নবী খান, মো. আব্দুল হামিদ এবং ইঞ্জিনিয়ার মো. এনায়েত হোসেন।

স্বাগত বক্তব্য দেন, ইঞ্জিনিয়ার মো. শামসুজ্জামান। এছাড়া বক্তব্য দেন ড. মো. হাসিব উদ্দিন এবং তারেক আমিন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য দেন ইঞ্জিনিয়ার এহসানুল করিম কায়ছার। পরে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ইনোভেশন টেক্সটাইল এক্সচেঞ্জ প্লাটফর্ম এর উদ্বোধন করেন এবং বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

» দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির অভিষেক রোববার

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট’র ২০২৬-২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক এবং প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্যদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান রোববার (১৭ মে) বিকেল চারটায় নগরীর দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল সংলগ্ন কুশিয়ারা ইন্টারন্যাশন্যাল কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

এছাড়াও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবি ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি এবং আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

অনুষ্ঠানে সকলের উপস্থিতি কামনা করেছেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট‘র অভিষেক উদযাপন কমিটি ‘২৬-এর আহবায়ক এবং দৈনিক দিনকাল‘র সিলেট ব্যুরো প্রধান সাদিকুর রহমান চৌধুরী।

» দক্ষিণ সুরমায় মনির উদ্দিন আহমদ মেধাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় মনির উদ্দিন আহমদ মেধাবৃত্তি-২০২৬ এর বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) সকালে দাউদপুর ইউনিয়নের তুরুকখলায় অবস্থিত মনির আহমদ একাডেমি প্রাইভেট ক্যাডেট কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, মনির আহমদ একাডেমি প্রাইভেট ক্যাডেট কলেজের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মনির উদ্দিন আহমদ।

কলেজের অধ্যক্ষ উজ্জ্বল কুমার সাহা এর সভাপতিত্বে ও উপাধ্যক্ষ মো. কামাল হোসেনের পরিচালনায় বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মনির আহমদ একাডেমির ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এটিএম মাসুদ চৌধুরী, ডাঃ জামিলুর রহমান ও রুজি বেগম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমীর সিনিয়র শিক্ষক আবুল কালাম। বক্তব্য রাখেন অভিভাবক নিজামুল ইসলাম, আব্দুল হাকিম, রেবতী রমন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহমিদা ইসলাম, মানিকোনা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আহমদ তোফায়েল।

শিক্ষার্থী আব্দুল হাদী চৌধুরীর পবিত্র কুরআন  তেলাওয়াতের মাধ্যমে সুচিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক মকলেছুর রহমান, হৈমন্ত শুক্লা সাহা, আরজিনা আক্তার, লাভলি আক্তার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি, সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন, প্রধান অতিথি মনির উদ্দিন আহমদ সহ অতিথিবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনির আহমদ একাডেমি প্রাইভেট ক্যাডেট কলেজের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মনির উদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার বিকল্প নেই।

শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশ গঠাতে বেশি বেশি মেধাবৃত্তি পরিক্ষার আয়োজন করতে হবে।  তিনি বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত ও শিক্ষা অর্জনে আরো মনোযোগী করতে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মহলকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধেও সমৃদ্ধ হতে হবে। তাহলেই তারা দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষাঙ্গনে মনির উদ্দিন আহমদ যে অবদান রাখছেন তা ইতিহাস হয়ে থাকবে।

শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ঘটাতে বৃত্তি প্রদানের আয়োজন প্রসংশনীয়। বক্তারা মনির উদ্দিন আহমদ মেধাবৃত্তির মত অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষানুরাগীরা এমন উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

» সিলেটে রহমানিয়া ওভারসীজের সুন্নিয়তের আলোকে হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা সঠিকভাবে ও সুন্নিয়তের আলোকে পালনের লক্ষ্যে সিলেটে রহমানিয়া ওভারসীজের উদ্যোগে “লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাই” শীর্ষক রহমানিয়া হজ্জ কাফেলা সুন্নিয়তে বরকতময় কাফেলার হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ রাজাম্যানশনের তৃতীয় তলায় রহমানিয়া ওভারসীজের হলরুমে আয়োজিত এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাফিজ মাওলানা ফখরুদ্দিন চৌধুরী ছাহেব জাদায়ে ফুলতলী বলেন, হজ্জ শুধু শারীরিক ইবাদত নয়, এটি আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মহান মাধ্যম।

সঠিক নিয়ম ও সুন্নিয়তের অনুসরণের মাধ্যমে হজ্জ পালন করলে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পাশাপাশি মানুষের জীবনে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক পরিবর্তন আসে।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান বক্তা হিসেবে হজের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন আনজুমানে আল-ইসলাহ’র মহাসচিব মাওলানা এ কে এম মনোয়ার আলী।

সোহেল আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও মাওলানা মো. আব্দুল আলিমের পরিচালনায় প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন, ইউ কে ওলামা পরিষদ বিয়ানীবাজার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আমিনুল ইসলাম জলডুপি ছাহেব।

অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, সাবেক কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির শাহিন, প্রিন্সিপাল মাওলনা আবুল কালাম, মাওলানা মো. আব্দুল মালিক, প্রিন্সিপাল মাও. মো. আতাউর রহমান, মো. মুজিবুর রহমান, মাওলানা ওসমান গনি মুজাহিদ, মাও. মো. আব্দুল কাইয়ুম, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো. নাজিম উদ্দিন, লোকমান আহমদ, রাজাম্যানশন ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা মাহবুবুল আলম মিলন, মাসুদ খান, সভপতি আব্দুল আজিজ লয়লু, গাগরা লিটলম্যাগ সম্পাদক মুহাম্মদ লুৎফুর রহমান, রাজাম্যানশন ব্যবসায়ী সমিতির ধর্ম সম্পাদক মাও. হাবিবুর রহমান।

কর্মশালায় হজযাত্রী, আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

কর্মশালায় হজের ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নত, ইহরামের নিয়ম, তাওয়াফ-সায়ী, আরাফাত, মুযদালিফা ও মিনার করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

পাশাপাশি হাজীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা, ভ্রমণ নির্দেশনা ও সৌদি আরবের আইন-কানুন সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।

বক্তারা বলেন, হজ্জ শুধু একটি সফর নয়, বরং আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক মহাসুযোগ।

শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

» এমসি কলেজ বাংলা বিভাগ অ্যালমনাইয়ের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের বাংলা বিভাগ অ্যালমনাইয়ের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) বাংলা বিভাগের মিলনায়তনে সাবেক শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন, বাংলা বিভাগের বর্তমান বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ বিলাল উদ্দিন।
যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন, পলাশ রঞ্জন দাস, অঞ্জনা রাণি দে ও খালেদ উদ-দীন। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. আবদুল জলিল।
এছাড়া কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, মাহবুবুজ্জামান চৌধুরী, ডক্টর আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, প্রফেসর হাবিবুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শাহজাহান, লিয়াকত শাহ ফরিদী, ভানুজ কান্তি ভট্টাচার্য, ড. এনামুল হক সরদার, শারমিন আক্তার শাম্মী, হোসনে আরা কামালী, ড. জফির সেতু, নিধুভূষণ দাস, মুক্তি বড়ুয়া, কোহেলী রাণি রায়, শেখ মো. নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ ফখর উদ্দিন, জিনি বেগম, মাহবুবুর রহমান, অহি আলম রেজা, কানন কান্তি দাস, আলমগীর হোসেন, আবু তাহের, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাইদুর রহমান, খালেদ আহমদ, লোকমান হাফিজ, মো. জুয়েল মিয়া, জিল্লুল হক শুভ, ইকবাল আহমদ, জাহেদ আলী, হাসান আল মাসুম, আনোয়ার হোসেন, চন্দ্রিকা বড়ুয়া মন্টি, হাফিজুর রহমান এবং শেখ মুক্তাদির হোসাইন।

» ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বসে থাকলে হবে না, আয়বর্ধক কাজ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

Published: ১৬. মে. ২০২৬ | শনিবার

নিউজ ডেস্কঃ
ফ্যামিলি কার্ড ও অন্যান্য কার্ডের ভাতার ওপর নির্ভর করে বসে থাকলে হবে না, কৃষিকাজ, হাঁস-মুরগি, গরুর খামারের মত অন্যান্য আয়বর্ধক কাজ করে জীবনমান উন্নত করতে হবে।

প্রত্যেকের দুটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তর করে উৎপাদনমুখী কাজ করতে হবে।

আজ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা মিলনায়তনে ২য় পর্যায়ের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপজেলার নিজপাঠ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ৪৬৫ জন নারীকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়।

এ অনুষ্ঠানকে চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের সাথে অনলাইনে সংযুক্ত করা হয়।

মন্ত্রী কৃষক কার্ড, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ, স্কুলের শিক্ষাবাতা, ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ সহ সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সুযোগ সুবিধা প্রবাসী কার্ড বিতরণ শুরু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এর পূর্বে আজ সকালে গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল কলেজে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র  নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন শ্রমমন্ত্রী।

এ সময় তিনি কলেজের মাঠ উন্নয়ন এবং সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।

এছাড়া  দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য তিনি গোয়াইনঘাটে একটি ভোকেশনাল ট্রেনিং  ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার আশ্বাস দেন।

এ প্রতিষ্ঠানে কর্মমুখী শিক্ষার পাশাপাশি জাপানি, কোরিয়ান, আরবি ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণ চালুর পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী।

পরে তিনি একই উপজেলার পিয়াইন নাতারখাল ইস্তি ব্রিজ হতে সাকেরপকের খাল ভরাং পর্যন্ত পুণঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।

Callender

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031