শিরোনামঃ-

» সিলেটের শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

মেধা, মনন ও নৈতিকতার সমন্বয়ে আলোকিত মানুষ হতে হবে : অধ্যক্ষ লুৎফুর রহমান হুমায়দী

নিউজ ডেস্কঃ
ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা পাঠানটুলা, সিলেটের অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী বলেছেন, মেধা, মনন ও ˆনতিকতার সমন্বয়ে আলোকিত মানুষ হতে হবে।
যুগোপযোগী জ্ঞানের পাশাপাশি ইসলামের মৌলিক জ্ঞানে শিক্ষার্থীদেরকে অগ্রসর হতে হবে।
আমরা চাই, মাদরাসার শিক্ষার্থীরা আলেমেদ্বীন, মুফাসসির, মুহাদ্দিস, ইসলামী স্কলার হওয়ার পাশাপাশি আদর্শ বিজ্ঞানী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার তথা দুনিয়াতে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর যোগ্যতা অর্জন করুক।
তিনি বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা পাঠানটুলা সিলেট আয়োজিত ২০২৫ সালের ইবতেদায়ী ৫ম ও দাখিল ৮ম শ্রেণীর ৮৫ জন বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
জামেয়ার উপাধ্যক্ষ মাওলানা ˆসয়দ ফয়জুল্লাহ বাহারের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক মাওলানা শওকত আলীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা পেশ করেন, দি সিলেট ইসলামিক সোসাইটির সেক্রেটারি মো. জাহেদুর রহমান চৌধুরী, জামেয়ার উপাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত) মাও. কমর উদ্দীন, শিক্ষক প্রতিনিধি মুফতি আলী হায়দার, মর্নিং শিফটের ইনচার্জ মাওলানা আ.স.ম আলা উদ্দীন ও নাজিরেরগাঁও শাখার ইনচার্জ মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. জাহেদুর রহমান চৌধুরী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিয়ে বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞানে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা সফলতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে| সবাইকে ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
নামাজের মাধ্যমে জীবনকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা শিখতে হবে। সততার অনন্য গুণে গুণান্বিত হওয়া অপরিহার্য।
সভাপতির বক্তব্যে উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার বলেন, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল আমাদের প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা বৃদ্ধি করছে।
বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বৃত্তি পরীক্ষায় জামেয়ার অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করায় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি।
এবছর সিলেট সদর উপজেলায় ইবতেদায়ী ৫ম শ্রেণিতে ৫৪টি বৃত্তির মধ্যে ৪৫টি এবং দাখিল ৮ম শ্রেণিতে ৫৪টির মধ্যে ৪০টি বৃত্তি অর্জিত হয়েছে|

» বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের সঙ্গে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার বৈঠক করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির বাংলাদেশে ডেনিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ একটি বিনিয়োগবান্ধব দেশ এবং দক্ষ জনশক্তি, বৃহৎ বাজার ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।

তিনি বলেন, প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক তরুণ কর্মশক্তি শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে, যা শিল্প ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মন্ত্রী আরও বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, লজিস্টিকস দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা সহজীকরণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

এটি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে। খন্দকার মুক্তাদির ডেনমার্কের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ-ডেনমার্ক সম্পর্ক উন্নয়ন সহযোগিতা থেকে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বে উত্তরণের একটি সফল উদাহরণ।

তিনি বলেন, দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং ডেনমার্ক বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ডেনমার্কের বিভিন্ন কোম্পানিÑবিশেষ করে মায়েরস্কÑবাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে।

তিনি আরও জানান, ডেনমার্ক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সংস্কার কার্যক্রমকে সমর্থন করে এবং এসব উদ্যোগ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

তিনি বাংলাদেশে প্রাণি সম্পদ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ডেইরি ভ্যালু চেইন কার্যক্রম পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আব্দুর রহিম খান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

» প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরকে স্বাগত জানিয়ে আইনজীবী ফোরামের মিছিল

Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিলেট সফরকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সিলেট ইউনিটের স্বাগত মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে স্বাগত মিছিলটি শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আদালত প্রাঙ্গণে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

আইনজীবী ফোরামের আহবায়ক এডভোকেট শাহ আশরাফুল ইসলাম আশরাফের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এডভোকেট আহমেদ ওবায়দুর রহমান ফাহমির পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পিপি এডভোকেট আশিক উদ্দিন আশুক।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সিলেটের যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট মোহাম্মদ এজাজ উদ্দিন, এডভোকেট খালেদ জোবায়ের, এডভোকেট তানভীর আক্তার খান, এডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিব, সদস্য এডভোকেট শামীম সিদ্দিকী, এডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারি, এডভোকেট বদরুল আহমদ চৌধুরী, এডভোকেট কামাল হোসেন, এডভোকেট এখলাছুর রহমান, এডভোকেট সাঈদ আহমদ, এডভোকেট আরিফা সুলতানা পপি, এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, এডভোকেট জাফর ইকবাল তারেক, এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, এডভোকেট ইকবাল আহমেদ, এডভোকেট লিয়াকত আলী, এডভোকেট মোশতাক আহমদ, এডভোকেট সাজেদুল ইসলাম সজীব, এডভোকেট নজরুল ইসলাম, এডভোকেট আলী হায়দার ফারুক, এডভোকেট নূর আহমেদ, এডভোকেট মোবারক হোসেন রনি, এডভোকেট আব্দুল হাই রাজন ও এডভোকেট মনজুর ইলাহী সামি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে আছে। ফ্যামেলি কার্ড, কৃষি কার্ড, হেলথ কার্ড দিয়ে তিনি জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন।

বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে সিলেটের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সাধিত হবে ইনশাআল্লাহ।

» প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল

Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগামী ২ মে সিলেট সফরকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল ও সমাবেশ করেছে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।

বৃহসম্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর দরগাহ গেইট সংলগ্ন সুলেমান হলের সামন থেকে মিছিল শুরু করে কোর্ট পয়েন্টে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল আহাদ খান জামাল। সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক শাকিল মুর্শেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মিছিল ও সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মিফতাউল কবির মিফতা, যুগ্ম আহবায়ক আলী মোঃ নুরুল হুদা দিপু, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, তোফায়েল চৌধুরী উজ্জল, আব্দুর রউফ, এমদাদ বক্স, কায়সান মাহমুদ সুমন, জাহাঙ্গীর মিয়া, আহবায়ক কমিটির সদস্য মিছবাউর রহমান, শেখ আব্দুল মনাফ, সালেক আহমদ, খন্দকার ফয়েজ আহমদ, সাইদ মাহমুদ ওয়াদুদ, মো. আশিক মিয়া, প্রভাষক মাকসুদ আলম, সাইদুল এনাম চৌধুরী লাহিন, সাইফুল আলম কোরেশী, সেলিম আহমদ, নুরুল ইসলাম রুহুল, আয়াত আলী প্রিন্স, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আমিনুল ইসলাম আমিন, সদস্য সচিব জুয়েল আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলা উদ্দিন মনাই,  দক্ষিন সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নুরুল আমিন, গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আহমদ হুমায়ুন জামাল, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এড. আলা উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মনির আহমদ, জৈন্তাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ শাহজাহান, সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ ইলিয়াছ, বিশ^নাথ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশিকুর রহমান রানা, জকিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শামসুল ইসলাম লেইছ, সদস্য সচিব এড. রুহুল আমিন, কানাইঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম আমিন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল বলেন, সিলেটের জামাতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে সিলেটবাসী অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

আমরা বিশ্বাস করি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই হাঁটছেন তাদের সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ইনশাআল্লাহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফরের মধ্য দিয়েই উন্নয়নের নবদিগন্তের সূচনা হবে।

সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিবস শাকিল মুর্শেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের সফলতায় দিশেহারা হয়ে একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও চব্বিশের পরাজিত শক্তিরা নানামুখী ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা প্রচারনায় লিপ্ত রয়েছে।

এসমস্ত অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের স্বোচ্ছার থাকতে হবে।

» শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ‘শান্তি শোভাযাত্রা’

Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

সিলেট সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ : আবুল কাহের চৌধুরী শামীম

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেছেন, সিলেট সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। এদেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, আদিবাসী, মুসলমান আমরা মিলেমিশে বসবাস করি।

ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে এই মাতৃভূমি সবার, এখানে সবার সম অধিকার রয়েছে।

প্রত্যের ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে নিজেদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে। তাই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত।

তিনি আরো বলেন, আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করে যে, আমরা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এক ও অভিন্ন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা-২৫৭০ বুদ্ধাব্দ বরণ উপলক্ষে সিলেট বৌদ্ধ সমিতির উদ্যোগে ‘শান্তি শোভাযাত্রার’ শুভ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো।

শান্তি শোভাযাত্রাটি নগরীর ক্বীনব্রিজ এলাকা থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামন গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত সভায় শেষ হয়।

সিলেট বৌদ্ধ সমিতির সভাপতি চন্দ্র শেখর বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ও বৌদ্ধ পূর্ণিমা-২৫৭০ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক পলাশ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, হিন্দুবৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি এডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, বিশ্বনাগরিক ড. ধর্মকীর্তি মহাথেরো, সিলেট বিহাবের অধ্যক্ষ শ্রীমথ সংজ্ঞানন্দ মহাথেরো, পূজা উযাপন পরিষদ মহানগর শাখার আহ্বায়ক উজ্জল ঘোষ, সিলেট বৌদ্ধ সমিতির উপদেষ্টা পিপলু বড়ুয়া, নিশুতোষ বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক সুজন বড়ুয়া, চট্রগ্রামের দমদমা নবাবপুর ধর্মকীর্তি বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ, বিচিত্র ধর্মকথিক প্রমুখ।

শোভাযাত্রায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ ও শিশু অংশগ্রহণ করেন।

এসময় অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ব শান্তি ও মানবজাতির কল্যাণ কামনায় বিভিন্ন স্লোগান ও ব্যানার প্রদর্শন করেন।

শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে শোভাযাত্রাটি সম্পন্ন হওয়ায় আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।

» দুর্গাকুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা

Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সেগুপ্তা কানিজ আক্তার’র ভূমিকা অনবদ্য ছিল : সাখাওয়াত এরশেদ

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশেদ বলেছেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মনের।

আজ আমরা এমন একজন মানুষকে বিদায় জানাতে সমবেত হয়েছি, যিনি এই বিদ্যালয়টিকে শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং একটি পরিবার হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন।

আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় প্রধান শিক্ষক সেগুপ্তা কানিজ আক্তার আজ পেশাগত জীবনের এক রঙিন অধ্যায় শেষ করে অবসরে যাচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সেগুপ্তা কানিজ আক্তার এর ভূমিকা অনবদ্য ছিল।

তিনি কেবল একজন দক্ষ শিক্ষক ছিলেন না, ছিলেন শিক্ষার্থীদের জন্য মমতাময়ী মা এবং সহকর্মীদের জন্য একজন পথপ্রদর্শক।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নগরীর বন্দরবাজারস্থ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সিলেট সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দুর্গাকুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেগুপ্তা কানিজ আক্তারের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে সেগুপ্তা কানিজ আক্তার দীর্ঘ কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আজ আমার জন্য এক মিশ্র অনুভূতির দিন। দীর্ঘ এক কর্মজীবনের পথচলা শেষে আজ আমি আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি।

এই বিদায় শুধু একটি কর্মস্থল থেকে নয়, বরং আমার জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ থেকে বিদায়। তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ের আঙিনাকে সুন্দর ও মনোরম রাখার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করেছি, কারণ আমি বিশ্বাস করি সুন্দর পরিবেশ মনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে এবং শিক্ষার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়।

আজ পেছনে ফিরে তাকালে যখন দেখি আমাদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল হচ্ছে এবং এই প্রাঙ্গণটি ফুলে-ফলে সুশোভিত হয়ে আছে, তখন মন এক অদ্ভুত তৃপ্তিতে ভরে ওঠে।

আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া আমার এই দীর্ঘ পথচলা কখনোই সম্ভব হতো না। আমরা একটি পরিবারের মতো কাজ করেছি। আমার কাজে কখনো কোনো ভুল হয়ে থাকলে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

সবশেষে, এই বিদ্যাপীঠের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করছি। আমি শারীরিকভাবে বিদায় নিলেও আমার মন ও দোয়া সবসময় এই বিদ্যালয়ের সাথেই থাকবে।

উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার কাজী মো. জাফর এর সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মৌসুমী মহারত্ন এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শরীফ মো. নিয়ামত উল্লাহ, ইউ আর সি ইনস্ট্রাক্টর আনিসুজ্জামান ভূইয়া, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সায়মা সুলতানা, সানাউল হক সানি।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক সামসুননূর, শুক্লা দাস, সুপ্রীতি চৌধুরী, লক্ষী রানী পাল, বর্তমান সহকারি শিক্ষক মৌসুমী মহারত্ন, শিপ্রা রানী নাথ, লাকী রানী দে, রীতা রানী তালুকদার, স্বর্ণালী দাস, তৃপ্তি রানী দাস, বিপ্লব মোদক, বিভা মজুমদার, সুদীপ্ত দত্ত চৌধুরী প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সচেতন অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।

পরিশেষে, ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদানের মাধ্যমে প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানানো হয়।

» মহান মে দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা ও মানবাধিকার বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রফেসর ড. মো. মোজাম্মেল হক

নিউজ ডেস্কঃ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টি টেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মোজাম্মেল হক বলেছেন, শ্রমিকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। অথচ অনেক ক্ষেত্রে তারাই তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হন।

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা এবং মানবাধিকার বাস্তবায়নে আমাদের সকলকে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মে দিবসের চেতনাকে ধারণ করে বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর জিন্দাবাজারস্থ নজরুল একাডেমী হলে মহান মে দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগ, জেলা ও মহানগর শাখার যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন তালুকদার এবং জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সবুজ বিশ্বাসের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লি.-এর ডিজিএম ও বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন খন্দকার।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সদর দপ্তর ঢাকার সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও বিএমবিএফ সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর, সিলেট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি এম এ হান্নান, সিলেট জেলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আশরাফুর রহমান চৌধুরী, সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি হাজী মো. আনোয়ার হোসেন, জাতীয় সদর দপ্তরের আন্তর্জাতিক যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব মতিউর রহমান শাহীন।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিলেট বিভাগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ডা. এম এ রকিব, মীর্জা রেজওয়ান বেগ, মো. মুসলেহ উদ্দিন, শালিস বিষয়ক সম্পাদক মো. শফিকুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মির্জা আবুল কাশেস স্বপন, সিলেট জেলার সহ-সভাপতি মধু মিয়া, অর্থ সম্পাদক এস এম বিল্লাহ, প্রচার সম্পাদক ইউসুফ সেলু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আল মামুন খান, দপ্তর সম্পাদক ওদুদুর রহমান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিরিন আক্তার চৌধুরী, আফরোজ মিয়া তালুকদার, সাংবাদিক খালেদ মিয়া, রুনা সুলতানা, সাহেদা বেগম, গোলাম আজম মঞ্জু, হুসনা চৌধুরী, চিত্রনায়ক জহির চৌধুরী প্রমুখ।

» প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফরকে স্বাগত জানিয়ে তাঁতীদলের আনন্দ মিছিল

Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পুণ্যভূমি সিলেটে আগমনকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ।

আগামী ২ মে শনিবার প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে সিলেটে বর্তমানে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও সিলেট জেলার আহ্বায়ক ফয়েজ আহমদ দৌলতের সভাপতিত্বে মিছিল পরবর্তী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন, জেলা তাঁতীদলের সদস্য সচিব আলতাফ হোসেন বিলাল ও মহানগর তাঁতীদলের সদস্য সচিব আমিনুল হক বেলাল।

উপস্থিত ছিলেন, মহানগর তাঁতীদলের আহ্বায়ক কয়েস আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক রাহুল হোসেন সাহেল, নুরুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান, দিলাল আহমদ, জেলা তাঁতীদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মালেক, যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হানিফ, মোহাম্মদ কামরুল হাসান, জামাল উদ্দিন, জিয়াউর রহমান নেওয়ার, মনজুর আহমেদ, সিলেট সদর উপজেলার আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান লোকমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজাদ মিয়া, সদস্য সচিব বাবুল হোসেন, গোয়াইনঘাট উপজেলার আহ্বায়ক এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া রব্বানী, সদস্য সচিব আবদুল মান্নান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক তাজ উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নবী হোসেন, সদস্য সচিব আরিফ চৌধুরী রাজ, শাহপরাণ থানার এনাম, উজ্জ্বল ও মতিন সহ এছাড়া জৈন্তাপুর উপজেলাসহ বিভিন্ন ইউনিটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মিছিলে যোগ দেন।

সভাপতির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ দৌলত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফর সফল করতে তাঁতীদল রাজপথে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।

এই সফর সিলেটের উন্নয়নে এবং গণতন্ত্র সুসংহত করতে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে বলে নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

» সিলেটে নির্মাণশিল্পের ঠিকাদারদের নিয়ে ‘কেএসআরএম’ এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় স্টিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘কেএসআরএম’ এর উদ্যোগে সিলেটের নির্মাণশিল্পের ঠিকাদারদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হযেছে।

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগরীর সোবহানীঘাটস্থ একটি অভিজাত হোটেলের সম্মেলনকক্ষে এর সভার আয়োজন করা হয়।

‘কেএসআরএম’ এর এজিএম (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা মো. মিজানুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ‘কেএসআরএম’ এর জিমএম (বিজনেস ডেভলপম্যান্ট) ইঞ্জিনিয়ার কর্ণেল (অব.) আশফাকুল ইসলাম।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, জিএম (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) আবু মো. মাসুম।

উপস্থিত ছিলেন, ‘কেএসআরএম’ এর অ্যাসিস্ট্যান্ড ম্যানেজার মো. সিরাজুল ইসলাম, জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা হিতাংশু তালুকদারসহ কেএসআরএম কর্মকর্তা ও সিলেটের নির্মাণশিল্পের ঠিকাদারবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের নির্মাণশিল্পে কেএসআরএম অনন্য অবস্থান ধরে রেখেছে।

গ্রাহক ও অংশীদারদের আস্থার প্রতিদান দিয়ে কেএসআরএম ইতোমধ্যে বিশ^স্থতার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

আমরা আমাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে শহর, মফস্বল ও গ্রামের উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছি।

আমাদের এ যাত্রায় সহযোগিতা করায় সকল অংশীদারদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও আমরা সবাইকে সাথে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রেখে যেত চাই।

» আজ আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস মহান মে দিবস; নগরিতে হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ

Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
১৪১-তম আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস মহান মে দিবসে সকল হোটেল শ্রমিকদের খানাদানা বেতন সহ সর্বাত্মক ছুটি বাস্তবায়নের দাবিতে আজ (৩০ এপ্রিল) নগরিতে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন।

সন্ধ্যা ৭টায় কোর্ট পয়েন্টে জমায়েত হয়ে এক বিক্ষোভ পশ্চিম জিন্দাবাজার, জামতালা, লামাবাজার, রিকাবীবাজার  হয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ১নং গেইটের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ জেলা সভাপতি মো. ছাদেক মিয়ার সভাপতিত্বে এবং ক্রীড়া সম্পাদক সুনু মিয়ার সাগরের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সরকার, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি মো. খোকন আহমদ, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেন, সহ-সভাপতি শাহীন আহমদ, জেলা কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, আম্বরখানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রাশেদ আহমদ ভূইয়া, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিন, চন্ডিপুল আঞ্চলিক কমিটির কমিটির সভাপতি মহিদুল ইসলামসহ প্রমুখ।
সমাবেশ থেকে মালিকদের হুশিয়ার করে বলেন, প্রতি বছর আসলে মে দিবসের ছুটি নিয়ে টালবাহানা করা হয় কিছু কিছু ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অর্ধবেলা ছুটি প্রদান করা হয় কিন্তু ১মে ২৪ ঘণ্টা ছুটি ভোগ করা শ্রমিকদের আইনি প্রাপ্য অধিকার।
প্রতিবছর শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে মালিক গোষ্টী নানা টালবাহানা করতে থাকেন। ১মে শ্রমিকদের রক্তে রঞ্জিত ইতিহাস।
১৮৮৬ সালের আমেরিকার শিকাগো শহরের শ্রমিকরা যেমন তাদের অধিকারের জন্য জীবন দিতে পিছপা হয়নি ঠিক তেমনি বর্তমানে এসেও শ্রমিকরা তাদের অধিকার বাস্তবায়নের প্রেক্ষিতে রক্ত দিতে পিছপা হবেনা।
নেতৃবৃন্দ মালিকদের মনে করিয়ে দেন ‘শ্রমিকদের হারানোর কিছু নেই কিন্তু জয় করার জন্য আছে সারা বিশ্ব’।
১মে সারাদিন হোটেল-রেস্টুরেন্ট সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের খানাদানা সর্বাত্মক ছুটি কার্যকরের দাবিতে ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসক, সিসিক প্রশাসক, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠার পরিদর্শন, মালিক সমিতি সহ সকল মালিকদের স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
শ্রমিকরা যাতে তাদের ন্যায়সংগত আইনি পাওনা ভোগ করতে পারে এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহ ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন পাশাপাশি মালিকদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়ে বলেন, শ্রমিকরা সারাবছর প্রতিষ্ঠানে কাজ করে মুনাফা সৃষ্টি করে কিন্তু বছরে একদিন ছুটি ভোগ করা শ্রমিকদের যেমন আইনি অধিকার তদ্রুপ মানবিক ও বটে।
সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, বিশ্ব শ্রমিকশ্রেণির আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসে ১মে শ্রমিক শ্রেণির জন্য এক ঐতিহাসিক ও গৌরবজনক অধ্যায়।
শ্রমিকরা সারা বছর মালিকের প্রতিষ্ঠানে কাজ করে মুনাফা তৈরি করলেও মে দিবস আসলে শ্রমিকদের আইনগত অধিকার প্রদান করতে মালিকরা নানা টালবাহানা করে থাকেন।
শ্রমিকদের যে বেতন দেওয়া হয় তা দিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মাসের অর্ধেক চলাও কষ্টসাধ্য।
নিম্নতম মজরি ঘোষণার দাবিতে শ্রমিকদের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে গত ০৫ মে ২০২৫ হোটেল-রেস্টুরেন্ট শিল্প সেক্টরে সরকারের নিম্নতম মজুরি হার ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
এই নিম্নতম মজুরি বর্তমান বাজারদর এবং ৬ সদস্যদের একটি পরিবারের ভরণপোষণের প্রেক্ষিতে শ্রমিকদের দাবি থেকে অনেক কম।
কিন্তু তারপরও সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ঘোষিত হওয়ার পর প্রায় এক বছর হতে চললেও তা সর্বস্তরে কার্যকর করা হয়নি।
তদোপুরি হোটেল-রেস্টুরেন্ট-সুইটমিট শ্রমিকদের শ্রমআইনের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত করা হয়।
হোটেল-রেস্টুরেন্ট-সুইটমিট শ্রমিকদের চাকুরির নিশ্চয়তা ও জীবনের নিরাপত্তা নেই।
বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ৫ ধারায় নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র, ৬ ধারায় সার্ভিস বই, ২(১০) ধারায় চাকুরীচ্যূতিজনিত ৪ মাসের নোটিশ পে, প্রতিবছর চাকুরীর জন্য ১ মাসের গ্রাচ্যুয়েটি, ১০৩ ধারায় সপ্তাহে দেড়দিন সাপ্তাহিক ছুটি, ১০৮ ধারায় দৈনিক ৮ ঘন্টা সপ্তাহে ৪৮ ঘন্টা কাজ, অতিরিক্ত কাজের জন্য দ্বিগুণ মজুরি প্রদান, ১১৫ ধারায় বছরে ১০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি, ১১৬ ধারায় ১৪ দিন অসুস্থতার ছুটি, ১১৭ ধারায় প্রতি ১৮ দিন কাজের জন্য ১ দিন অর্জিত ছুটি, ১১৮ ধারায় ১৩ দিন উৎসব ছুটি প্রদানের আইন থাকলেও শ্রমিকদেরকে এই সকল আইনগত অধিকার হতে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
অথচ হোটেল মালিকপক্ষ সরকারী আইনের তোয়াক্কা না করলেও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে নির্বিকার।
এমতাবস্থায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও শ্রম প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এর উপস্থিতিতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে উচ্চ পর্যায়ে বৈঠকে হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে নিম্নতম মজুরি বাস্তবায়নের জন্য ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
কিন্ত সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা দেওয়া পরও সিলেট জেলায় হোটেল রেস্তোরাঁ খাতে নিম্নতম মজুরি ও শ্রমআইন বাস্তবায়নের কার্যকর কোনো তৎপরতা দৃশ্যমান নয়।
এমনকি ইউনিয়নের পক্ষ থেকে শ্রমআইন বাস্তবায়নের প্রেক্ষিতে তাগিদ দেওয়া সত্ত্বেও সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রমআইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুযোগ সুবিধা থেকে শ্রমিকরা বঞ্চিত।
শ্রম আইনে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ ও বাসস্থানের বিধান থাকলেও হোটেল শ্রমিকরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করতে ও থাকতে বাধ্য হয়।
দৈনিক ১০/১২ ঘন্টা অমানবিক পরিশ্রম করে অর্ধাহারে-অনাহারে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হতে হয়।
দাবি ও অধিকার আদায়ের প্রশ্নে শ্রমিকদের আন্দোলন সংগ্রাম ব্যতিত আর কোনো পথ নেই তাই মহান মে দিবসের বিপ্লবী চেতনাকে ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলার আহবান জানান।

» সিলেটের ওসমানী মেডিকেলে দালাল ও চোর চক্র খাদিজার দৌরাত্ম্য বেপরোয়া

Published: ২৯. এপ্রি. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ

চল্লিশোর্ধ সালমা বেগমের বাড়ি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায়। গত ২৯ এপ্রিল ২০২৬ বেলা ১১টার দিকে কাঁদ ছিলেন, সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগের সামনে দাঁড়িয়ে।

কারণ জানতে চাইলে বলেন, অর্থোপেডিক বিভাগে ভর্তি কিশোর ছেলের জন্য ওষুধ কিনতে বের হয়ে ছিলেন।

ওষুধের স্লিপ হাতে দেখে এক মহিলা এগিয়ে এসে খাতির জমায়। পরে একটি ফার্মেসিতে নিয়ে তাঁকে সামনে দাঁড় করিয়ে ওষুধের স্লিপ নিয়ে ভেতরে যায়।

দুই মিনিট পর ফিরে এসে দাম জানায় ১ হাজার ৫০০ টাকা। এরপর টাকা নিয়ে ফার্মেসির ভেতর ঢুকে লাপাত্তা হয়ে যায়। এক ঘণ্টা দাঁড়ি থেকেও ওই মহিলাকে না পেয়ে কাঁদতে শুরু করেন তিনি।

সূত্রে খবর নিয়ে যায়, যে মহিলা খাতির জমিয়ে টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে সে ওসমানী মেডিকেল এরিয়ায় নিয়মিত সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঘোরাফেরা করে তার নাম খাদিজা বেগম, তার পিতার নাম মোহাম্মদ আলী তার বাসবাসস্থান হচ্ছে সুবিধবাজার ফাজিল চিশতি এলাকায়।

ওসমানী মেডিকেল এরিয়ায় দালালী ও চোরি করে খাদিজা লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক হয়েছে। মেডিকেল পাড়ায় গড়ে তুলেছে বিশাল চোর সিন্ডিকেট চক্র।

গত ১০ ফেব্রুয়ারী গলার টিউমারের অস্ত্রোপচারের জন্য নাক কান গলা বিভাগে ছেলেকে ভর্তি করান বশির উদ্দিন।

জরুরি বিভাগের সামনে বাপ্পি নামে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে ওষুধ কিনতে মা মণি ফার্মেসি নামে একটি দোকানে নিয়ে যায় তাঁকে।

সেখানে ওষুধের দাম চাওয়া হয় ৩ হাজার ২৬০ টাকা। দাম নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় পরে আরেক ফার্মেসি থেকে  সেই ওষুধই বশির কেনেন ১ হাজার ৩৫০ টাকায়।

এ ছাড়া ৭ আগস্ট হাসপাতালের লিফট থেকে এক গণমাধ্যমকর্মীর মানিব্যাগ চুরি হয়। পরে ১৪ এপ্রিল একটি ওয়ার্ড থেকে আটক করা হয় এক মোবাইল ফোন চোরকে।

এভাবে প্রায় প্রতিদিনই দালাল ও চোরচক্রের কবলে পড়ছেন সিলেটের সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজন।

তাদের খপ্পরে পড়ে খোয়াচ্ছেন টাকা, মোবাইল ফোন সহ বিভিন্ন জিনিস। মাঝে মধ্যে ওয়ার্ড থেকেও  রোগীর ওষুধ চুরির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ওয়ার্ডে চুরির সঙ্গে নার্স, আয়া ও আউটসোর্সিংয়ের লোকজন জড়িত।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ, দালাল ও চোরদের কাছ থেকে মাসিক টাকার ভাগ পান অনেকে।

তাদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ, হাসপাতালে দায়িত্বরত জেলা পুলিশের সদস্য, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ শাখার দায়িত্বশীল ও হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী। দালালরা প্রতিদিন পুলিশকে ৩০০ ও আনসার কমান্ডারকে ২০০ টাকা দিয়ে হাসপাতালে ঢোকে।

চিহ্নিত চোররাও ভাগ দেয়। বর্তমানে হসপাতালকে কেন্দ্র করে এমন অর্ধশত দালাল ও চোর সক্রিয়। পুলিশ, আনসার ও ওয়ার্ডের দায়িত্বশীলরা চিনলেও বাড়তি সুবিধার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেয় না। মাঝে মধ্যে দু-একজনকে আটক করা হলেও চিহ্নিতরা থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

ওসমানী হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ অবশ্য বলেন, প্রায়ই পুলিশ দালাল ও চোরদের আটক করছে। কাউকে তারা  চেনেন না।

দালাল ও চোরচক্রের কারণে স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানটির বদনাম হচ্ছে উল্লেখ করে ওসমানী হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতির দাতা এক সদস্য বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়লে এটি থামানো সম্ভব। আগামী সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করব।

ওসমানী হাসপাতাল সিলেট বিভাগে সরকারি চিকিৎসার প্রধান ভরসাস্থল। সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ছাড়াও প্রতিদিন অনেক জায়গা থেকে রোগী ভর্তি হন এখানে।

৯০০ শয্যার বিপরীতে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যায় থাকে আড়াই হাজারের ওপরে। বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন সমসংখ্যক রোগী।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বলেন, এক রোগীর সঙ্গে তিন থেকে পাঁচজন পর্যন্ত স্বজন দেখা যায়। এতে কে দালাল বা চোর, তা চিহ্নিত করা মুশকিল। আমরা মারধর করে কাউকে বের করে দিতে পারি না।

অভিযোগ রয়েছে, দালালদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় হাসপাতাল এলাকায় গড়ে ওঠা একাধিক ফার্মেসি। এর মধ্যে ২ নম্বর গেটের সামনের মালিপাড়া গলিতে রয়েছে এমন আটটি ফার্মেসি।

কোন রোগীর স্বজন সহযোগিতা চাইলে করেন। কাউকে ঠকান না। চোরদেরও রয়েছে সিন্ডিকেট। বিভিন্ন ওয়ার্ডে সন্ধ্যা ও রাতে এদের বেশি দেখা যায়।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানান, ১, ৩, ৬, ১১, ১৫, ২৬ নম্বর সহ কয়েকটি ওয়ার্ডে বেশি চুরি হয়। এমনকি হাসপাতালের স্টাফদের মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চুরির ঘটনাও ঘটেছে।

ওয়ার্ড থেকে রোগীর স্বজন স্লিপ নিয়ে বের হলেই কম দামে বা বাকিতে ওষুধ কিনে দেওয়ার কথা বলে ভাগিয়ে নিয়ে যায় দালালরা। ৭০০ টাকার ওষুধ সাত হাজার টাকা রাখার নজিরও রয়েছে।

» স্বর্ণ ব্যবসাকে সাদা অর্থনীতিতে আনতে চায় সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির

Published: ২৯. এপ্রি. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশের স্বর্ণ ব্যবসা খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেছেন, সঠিক নীতি, আধুনিক সুবিধা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ খাতকে সাদা অর্থনীতির আওতায় এনে বড় রপ্তানি খাতে পরিণত করা সম্ভব।

আগামী দিনে এ খাত থেকে বছরে ১২ থেকে ১৪ বিলিয়ন ডলার আয় করা যেতে পারে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা দক্ষ হাতে রয়েছে এবং সরকার ব্যবসাবান্ধব নীতি অনুসরণ করছে। আগামী দিনে এর ইতিবাচক ফল ব্যবসায়ীরা দেখতে পাবেন বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই আয়োজিত ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শক কমিটির ৪৬তম সভায়’ তিনি এসব কথা বলেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে ও এফবিসিসিআই প্রশাসক আব্দুর রহিম খানের পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নতুন সরকার একটি প্রতিকূল সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

আগামী বাজেটে বেসরকারি খাতের প্রস্তাবনা কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, সে লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়েছে। দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করা এখন অত্যন্ত জরুরি।

এটি শুধু অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং সামগ্রিক জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গেও জড়িত।

তিনি বলেন, বর্তমানে বেসরকারি খাতের অনেক শিল্পখাত সংকটের মুখে রয়েছে। এসব খাতকে ঘুরে দাঁড় করাতে হলে জ্বালানি সংকট, উচ্চ সুদহার, ব্যাংক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং লজিস্টিক সমস্যার মতো বড় চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এখন নতুন বিনিয়োগের চেয়ে বিদ্যমান ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকিয়ে রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো ছাড়া দেশের উন্নয়নকে টেকসই করা সম্ভব নয়।

কর দেওয়ার বিনিময়ে কিছু পাওয়া যায় না এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কারণ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, অবকাঠামো ও সেবা নিশ্চিত করাও সরকারের দায়িত্ব, যা কর রাজস্বের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়।

তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, প্রস্তাবনা দেওয়ার সময় শুধু নিজ নিজ খাতের সুবিধার কথা নয়, জাতীয় স্বার্থও বিবেচনায় রাখতে হবে।

খাতভিত্তিক স্বস্তি এবং জাতীয় অর্থনীতির সমৃদ্ধি দুই বিষয়কে সমন্বয় করেই প্রস্তাব দিতে হবে।

স্বর্ণ ব্যবসা খাতের প্রসঙ্গ তুলে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এ খাতের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক নীতি, আধুনিক সুবিধা এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই খাতকে সাদা অর্থনীতির আওতায় এনে বড় রপ্তানি খাতে পরিণত করা সম্ভব।

তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ চাইলে আগামী দিনে এ খাত থেকে ১২ থেকে ১৪ বিলিয়ন ডলার আয় করতে পারবে।

Callender

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031