শিরোনামঃ-

» ৪,৫,৬নং ওয়ার্ডবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নাসরিন আক্তার

Published: ১৪. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
৪,৫ ও ৬নংওয়ার্ডবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট স্কুল সহকারী শিক্ষিকা, উদয় সমাজ কল্যান সংস্থা সিলেট মহিলা সম্পাদক ও ৪,৫ ও ৬নং ওয়ার্ড মহিলা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নাসরিন আক্তার।

নাসরিন আক্তার বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের বাঙালির প্রাণের উৎসব অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের এই দিনে গত বছরের সব জরা ও গ্লানি মুছে গিয়ে নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ ও সমৃদ্ধি।

নতুন বছরে ৪,৫,৬নং ওয়ার্ড হবে একটি স্মার্ট ও আধুনিক জনপদ, এটাই আমার অঙ্গীকার।

তিনি আরও বলেন, উৎসবের এই আনন্দ যেন ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার ঘরে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

নববর্ষের এই দিনে এটাই হোক আমাদের বড় প্রত্যাশা। সবশেষে তিনি ৪,৫, ৬ নং ওয়ার্ডবাসীর কল্যাণ কামনায় সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা চেয়েছেন।

» শ্রুতির বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

Published: ১৪. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার

ধ্বনিত হলো নতুন বছরের আবাহন বার্তা শ্রুতির দিনব্যাপী  বর্ষবরণ উৎসবে জনস্রোত

নিউজ ডেস্কঃ
পহেলা বৈশাখ বাঙালির সবচেয়ে বৃহত্তম সর্বজনীন উৎসব। সর্বস্তরের মানুষ হৃদয়ের টানে, বাঙালিয়ানার টানে মিলিত হয় এ উৎসবে। এদিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে।

ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রুতির উদ্যোগে প্রতিবারের মত বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।

তপ্ত রোদের মধ্যেও ১ বৈশাখ ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) ব্লু-বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে সূর্যোদয়ের পর পরেই শুরু হয় নতুন বছরকে আহ্বান।

“আসবে পথে আঁধার নেমে তাই বলেই কি রইবি থেমে” এই  উদাত্ত আহ্বান ধ্বনিত হয়। শতাধিক শিশু কিশোর শিল্পীরা শতকন্ঠে বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানায় গানে গানে।

প্রদীপ প্রজ্জ্বলনে মাধ্যমে অনুষ্ঠানের মাঙ্গলিক উদ্বোধন করেন বাউল আব্দুর রহমান।

দিনব্যাপী আয়োজনের  প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব  প্রমুখ। শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শ্রুতি সিলেটের সদস্যসচিব সুকান্ত গুপ্ত।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বৈশাখের  সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতুনির্ভর।

এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)।

হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

বাংলা নববর্ষ পালনের সূচনা হয় মূলত আকবরের সময় থেকেই। সে সময় বাংলার কৃষকরা চৈত্রমাসের শেষদিন পর্যন্ত জমিদার, তালুকদার এবং অন্যান্য ভূ-স্বামীর খাজনা পরিশোধ করত। পরদিন নববর্ষে ভূস্বামীরা তাদের মিষ্টিমুখ করাতেন।

এ উপলক্ষে তখন মেলা এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো।

ক্রমান্বয়ে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিশে পহেলা বৈশাখ আনন্দময় ও উৎসবমুখী হয়ে ওঠে এবং বাংলা নববর্ষ শুভদিন হিসেবে পালিত হতে থাকে।

দিনব্যাপী আয়োজনের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় সম্মাননা প্রদান। সুমন্ত গুপ্ত পরিচালনায় প্রদান করা হয় শ্রুতি সম্মাননা ১৪৩২ বাংলা। এবারের গুণীজনের লোকসংগীতে শ্যামল কুমার পাল।

উপস্থিত ছিলেন শ্রুতি সম্মাননা প্রাপ্ত গুণীজন রাণা কুমার সিনহা, ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের সেকেন্ড অফিসার রাজেশ ভাটিয়া, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব মোকাদ্দেস বাবুল আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার ২৩ প্রাপ্ত গুণীজন সুমনকুমার দাশ।

দিনব্যাপী আয়োজনে সমবেত সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি পরিবেশন করে অনুষ্ঠান আয়োজক শ্রুতি-সিলেট, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, সিলেট, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা সিলেট, নৃত্যশৈলী, গীতবিতান বাংলাদেশ, স্বরবর্ণ, দ্বৈতস্বর, গীতসূধা, নৃত্যরথ, সংগীত মূকুল, সুর সপ্তক, সুরের ভূবন, সংগীত নিকেতন, অনির্বান শিল্পী সংগঠন, ললিত মঞ্জরি, শ্রুতি কানন।একক পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করবেন, শ্যামল পাল, বাউল সূর্যলাল দাশ, শামীম আহমদ, প্রদীপ মল্লিক, খোকন ফকির, ইকবাল সাই, আশরাফুল ইসলাম অনি, লিংকন দাশ, শিমুল, স্বর্ণা দাশ তৃষা প্রমুখ।

দিনব্যাপী আয়োজনে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবাই নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।

বৈশাখের তীব্র তাপদাহের মধ্যে ও সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখতে পাওয়া যায়।

জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে দিনব্যাপী শ্রুতি বর্ষবরণ উৎসবের একবিংশতম  আয়োজন সমাপ্ত হয়।

» নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত

Published: ১৪. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইইউবি) এ আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি.) বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়, আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

এনইইউবি ক্যাম্পাস প্রাঙ্গনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, স্কুল অব সায়েন্সের ডিন ও পাবলিক হেলথের বিভাগীয় প্রধান, প্রফেসর ডা. রঞ্জিত কুমার দে, স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস এর ডিন ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মুহাম্মদ শামসুল কবির, এনইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. লিয়াকত আলী শাহ ফরিদী, পরিচালক (অর্থ) অশোক রঞ্জন চৌধুরী, আইন ও বিচার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নূর জাহান কাকলী ।

এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির চেতনায় নতুন বছরকে বরণ করে নেন।

অনুষ্ঠানে পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ও তাৎপর্য নিয়ে একটি প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় বাংলা নববর্ষের ইতিহাস, গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য, উৎসবমুখর জীবনধারা এবং আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার নিয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

উপাচার্য প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল তাঁর বক্তব্যে বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব।

তিনি গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী আয়োজন নিয়মিতভাবে উদযাপন করা প্রয়োজন, যাতে আগামী প্রজন্ম আমাদের সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে যথাযথভাবে জানতে পারে এবং ভবিষ্যতে তা গর্বের সঙ্গে ধারণ ও বহন করতে সক্ষম হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের আয়োজন কেবল উৎসব উদযাপনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, লোকজ মূল্যবোধ ও জাতীয় পরিচয় পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

এ ধরনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে এবং আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করে।

নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সবাইকে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান তিনি।

» অসাম্প্রদায়িক সমাজ নির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন : চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র

Published: ১৪. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১লা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয়।

কর্মসূচির মধ্য ছিল ১লা বৈশাখ মঙ্গলবার চৌহাট্টাস্হ ভোলানন্দ নৈশ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র সিলেট জেলা সভাপতি নাজিকুল ইসলাম রানার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মলয় চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর,চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সহ সভাপতি জহর সিংহ,প্রমূখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলা নববর্ষ সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের জাগরণ ঘটিয়েছিল।

১লা বৈশাখ সকল প্রতিক্রিয়াশীল, অনৈতিহাসিক, বিকৃত বয়ানের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির ঐক্যবদ্ধ সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রয়াস। নেতৃবৃন্দ অসাম্প্রদায়িক সমাজ নির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

সবশেষে জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যে দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।

» প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ে বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বর্ষবরণ

Published: ১৪. এপ্রি. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সিলেটের দক্ষিণ সুরমার প্রগতি উপচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ (পহেলা বৈশাখ) উদযাপন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনাসভা ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ।

সকাল ৯টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হয় দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা ও আনন্দ উৎসব।

দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সার্বিক  সহযোগিতা ইকবাল চিশতী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র সভাপতি শাহ ইকবাল চিশতী।

সকাল সাড়ে ১০টায় স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রগতি উপচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. মাছুম আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ৩নং তেতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওলিউর রহমান অলি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহ আলম, বিশিষ্ট সমাজসেবি ও শিক্ষানুরাগী সুইডেন প্রবাসী রেজাউল করিম শিশির, সিলেট জেলা বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক লোকমান আহমদ, মোঃ আব্দুল আহাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাহমুদ হোসেন, বলদী আদর্শ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা আব্দুল আহাদ, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মকসুদুল করিম নুহেল, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী শাহ আলম, রোটারিয়ান গোলাম কিবরিয়া নাইম, প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মনোয়ার আহমদ ও মো. নজরুল ইসলাম, প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক মো. গোলাম মোস্তফা ও রত্না রানী দাস।

বিদালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল জলিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মৃদুল বরণ আচার্য্য।

শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সেলিনা জাহান, পৃথ্বী কুমার ঘোষ, ভানু চন্দ্র পাল, মো. আব্দুল খালিক, মো. ফয়সাল আহম্মেদ, জুবায়ের আহমদ, অখিল দাস, জীবন কৃষ্ণ সরকার, লিপি সেন, সুব্রত কুমার দে, শর্মিষ্ঠা রানী তালুকদার, মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় জীবনের আলোকিত ও আনন্দময় উৎসব।

পহেলা বৈশাখ আমাদের সম্মিলিত ঐক্যের এক অনন্য প্রতিচ্ছবি। আমাদের চিন্তা ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে নতুন প্রজন্মের কাছে তা যথাযথভাবে তুলে ধরতে হবে। তবেই আমরা আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে সামনে এগিয়ে যেতে পারবো।

স্কুল ক্যাম্পসে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন, স্কুলের শিক্ষার্থী ও সিলেটের স্বণামধন্য শিল্পীবৃন্দ।

মেলায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্টলে তুলে ধরা হয় বাংলার লোকঐহিত্য ও সংস্কৃতিকে।

বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষকবৃন্দ ও অভিভাবকদের পদচারণায় বৈশাখী মেলা পরিণত হয় এক মিলন মেলায়।

» শ্রমিকনেতা আনোয়ার হোসেন উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা; অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে হবে

Published: ১৩. এপ্রি. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশন (রেজি নং বি-২০৩৭) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং চট্ট-১৯৩৩)।

আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হোটেল শ্রমিকরা সারাবছর মালিকের প্রতিষ্ঠানে কাজ করে গেলেও তাদের দেওয়া হয়না শ্রমের ন্যায্য পাওনা। শ্রমিকরা তাদের দাবি ও অধিকার আদায়ের প্রশ্নে বরাবরই সোচ্চার ছিলো।

শ্রমিকদের ন্যায়সংগত আন্দোলন দমন করতে শ্রমিকদের শারীরিক-মানসিক নির্যাতন, ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রদান করা নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। প্রতিনিয়ত মালিক-সরকার ও প্রশাসনের ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়।

হোটেল রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরির গেজেট ও শ্রমআইন বাস্তবায়নের চলমান আন্দোলন-সংগ্রাম যখন জোরালো হচ্ছে ঠিক তখনি মালিক গোষ্ঠী অত্যান্ত সুচতুরভাবে গত ১১ মার্চ ঢাকার গুলিস্তানে অবস্থিত স্টার গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রাজধানী রেস্টুরেন্টের ভাড়াটে সন্ত্রাসী আমীন গাজী ধারা বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন শারীরিক নির্যাতন শিকার হন।

এ ধরনের ঘৃন্যতম নেক্কারজনক ঘটনা হোটেল রেস্টুরেন্ট সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য যেমন হুমকিস্বরুপ তদ্রুপ শ্রমিকনেতাদের জীবনের কোন নিরাপত্তা নেই। প্রকাশ্যে শ্রমিকনেতার উপর হামলা পরিচালনা করলেও ঘটনার ২দিন অতিবাহিত হতে চললেও এখন পর্যন্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের প্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হচ্ছেনা।

উপরন্তু নির্যাতিত শ্রমিকনেতাসহ ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়।

নেতৃবৃন্দ দাবি জানান অবিলম্বে মালিকের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী আমীন গাজী সহ তার সহযোগীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং শ্রমিকদের উপর দায়েরকৃত ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

» বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরের বর্ধিত শূরা বৈঠক বুধবার

Published: ১৩. এপ্রি. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার বর্ধিত শূরা বৈঠক আগামী বুধবার (১৫ এপ্রিল) লালদিঘীরপারস্থ মজলিস কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে দলীয় মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

এতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, বায়তুল মাল সম্পাদক সহ সংশ্লিষ্ট সকলের উপস্থিত থাকার আহবান জানিয়েছেন, সিলেট মহানগর সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফার।

» সিলেটে ‘১১ দলীয় ঐক্য’র লিফলেট বিতরণ

Published: ১৩. এপ্রি. ২০২৬ | সোমবার

গণভোটের রায় অমান্য করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বিএনপি সরকার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে লিফলেট (প্রচারপত্র) বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে ‘১১ দলীয় ঐক্য’।

রবিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে মহানগরের চৌহাট্টাস্থ সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

এ কর্মসূচিতে ১১ দলের জেলা ও মহানগরের শীর্ষ নেতা-নেত্রী উপস্থিত ছিলেন।

লিফলেট বিতরণকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের রায় অমান্য করে গণবিরোধী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।

এতে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বিএনপি সরকার।

জনগণের ভোটাধিকার হরণ, গণতন্ত্রকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস এবং রাষ্ট্রকে একদলীয় শাসনে পরিণত করার অপচেষ্টা সহ্য করা হবে না।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সরকার বারবার জনগণের মতামত উপেক্ষা করছে এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করছে। এর মাধ্যমে দেশে কার্যত গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে।

জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে রাজপথই হবে চূড়ান্ত জবাবের মঞ্চ। জনগণকে সাথে নিয়ে সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলবে ১১ দল।

লিফলেট বিতরণকালে আরও উপস্থিত ছিলেন- ‘১১ দলীয় ঐক্য’র অন্যতম শরিক দল এনসিপি-এর সিলেট মহানগর শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান আফজাল, যুগ্ম-আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন, যুগ্ম-সদস্যসচিব তাসনিয়া আক্তার লুবনা ও সাগঠনিক সম্পাদক রিপন মিয়া প্রমুখ।

» দিনব্যাপী আয়োজনে নতুন বছর  বরণ করে নেবে শ্রুতি সিলেট; প্রধান অতিথি মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

Published: ১৩. এপ্রি. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
নিজস্ব সংস্কৃতিকে উপলব্ধি এবং এর নিরন্তর চর্চা করা যে কোনো জাতির জন্যই গৌরবের। এ গৌরব বাঙালি জাতিরও রয়েছে।

হাজার বছরের বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও কৃষ্টি আমাদের ঐতিহ্য বাংলা নববর্ষ। বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত রূপ ফুটে ওঠে বাংলা নববর্ষে।

বাংলা নববর্ষ বাঙালির সমগ্র সত্তা, অস্তিত্ব ও অনুভবের সঙ্গে মিশে আছে। অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে নববর্ষ বরণ বাঙালি জাতিসত্তাকে উজ্জ্বল করে।

প্রতিবারের মতো শ্রুতি সিলেট আগামীকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২৬) সকাল ৭টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজন করেছে বর্ষবরণ উৎসব ১৪৩৩ বাংলা।

নবীন কন্ঠে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নেয়া হবে। দিনব্যাপী আয়োজন মালা উদ্বোধন করবেন, বাউল আব্দুর রহমান।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি।

দিনব্যাপী আয়োজন মালায় থাকবে শতকন্ঠে বর্ষবরণ,প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, একক ও সমবেত পরিবেশনা, নৃত্য, আবৃত্তি, সংগীত,রং তুলিতে বর্ষবরণ এবং বৈশাখী মেলা।

দিনব্যাপী আয়োজনে সমবেত পরিবেশনায় অংশগ্রহন করবেন, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, সিলেট, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা সিলেট, নৃত্যশৈলী, গীতবিতান বাংলাদেশ, সোপান, দ্বৈতস্বর, পাঠশালা, গীতসূধা, নৃত্যরথ, সংগীত মূকুল, সুর সপ্তক, সুরের ভূবন, সংগীত নিকেতন, অনির্বান শিল্পী সংগঠন, ললিত মঞ্জরি, শ্রুতি কানন।

একক পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করবেন, শ্যামল পাল, বাউল সূর্যলাল দাশ, শামীম আহমদ, প্রদীপ মল্লিক, খোকন ফকির, ইকবাল সাই, আশরাফুল ইসলাম অনি, লিংকন দাশ, শিমুল, অরুনিমা দাশ, স্বর্ণা দাশ তৃষা প্রমুখ।

প্রদান করা হবে শ্রুতি সম্মাননা ১৪৩২ বাংলা। এবার শ্রুতি সম্মাননা পাচ্ছেন, লোকসংগীত শিল্পী শ্যামল কুমার পাল।

দিনব্যাপী থাকবে বৈশাখী প্রদর্শনী। দিনব্যাপী আয়োজনে সবার উপস্থিতি কামনা করা হয়েছে।

» বিএনপি নেতা অধ্যাপক মকসুদ আলীর দাফন সম্পন্ন

Published: ১৩. এপ্রি. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক মকসুদ আলীর জানাযার নামাজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ২টায় টিলাগড় আলুরতল শাহ মদনী ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

জানাযা শেষে ঈদগাহ সংলগ্ন কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়।

জানাযার নামাজে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি নেতা অধ্যাপক মকসুদ আলীর জানাযা পূর্বে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ক্ষুদ্র ও ঋণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, নাসিম হোসাইন, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল, মরহুমের সন্তান টিটু, ভাগনা জাকির।

জানাযায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এডভোকেট আশিকুর রহমান আশিক, এডভোকেট শামসুজ্জামান জামান, আমিরুজ্জামান চৌধুরী দুলু, সৈয়দ মঈন উদ্দিন সোহেল, নাজিম উদ্দিন লস্কর, কামরুল হাসান শাহিন, নজিবুর রহমান নজিব, ইসতিয়াক সিদ্দিকী প্রমুখ।

» সিলেটে ইনসি গ্রিন টেকনিক্যাল সামিট অনুষ্ঠিত

Published: ১৩. এপ্রি. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
ইনসিগ্রিন, একটি অঞ্চলভিত্তিক সমাধানধর্মী কম্পোজিট সিমেন্ট, “ইনসি গ্রিন সিমেন্টিং লিগাসী অফস্ট্রেন্থ” শীর্ষক টেকনিক্যাল সামিটের মাধ্যমে গতকাল সিলেটে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচিত করা হয়েছে।

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাটি ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় তৈরি এই সিমেন্ট উচ্চশক্তি, দীর্ঘস্থায়ীত্ব এবং আর্দ্রতা ও রাসায়নিক ক্ষতির বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা প্রদান করে।

এটি বিশ্বেও সেরা ও নিজস্ব ক্লিংকার ও সেরা কাঁচামাল দিয়ে থাইল্যান্ডে অত্যাধুনিক  প্রযুক্তিতে তৈরি একটি সিমেন্ট।

টেকনিকাল সামিটে সিলেটের বিভিন প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক, শিক্ষাবিদ, প্রকৌশলী ও নির্মাণখাতের সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।

আলোচনায় উঠে আসে অঞ্চলের অম্লীয় ও ছিদ্রযুক্তমাটি, সালফেটের প্রভাব,  জলাবদ্ধতা ও উচ্চভূগর্ভস্থ পানির স্তরজনিত সমস্যা।

এসব পরিস্থিতিতে  ইনসি গ্রিন কংক্রিটের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে, পানি প্রবেশ কমায় এবং দীর্ঘমেয়াদে শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে, ফলে বন্যা, অতিবৃষ্টি ও ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় কাঠামোর স্থায়ীত্ব বৃদ্ধি পায়।

অনুষ্ঠানে ইনসিসিমেন্টের এর বিশেষজ্ঞরা টেকনিক্যাল সেশন পরিচালনা করেন। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ঝটঝঞ)-এর অধ্যাপকরা অঞ্চলের মাটি ও নির্মাণ-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে ইনসি সিমেন্টের-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড.  কান্থাসাত বুনতেম, কমার্শিয়াল ডিরেক্টর মো. আবু সাঈদ এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট (অপারেশনস) জিএমজি মোস্তফাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ইনসিগ্রিন বাংলাদেশে প্রথম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ঊহারৎড়হসবহঃধষ চৎড়ফঁপঃ উবপষধৎধঃরড়হ (ঊচউ) সনদপ্রাপ্ত সিমেন্ট, যা পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নির্মাণে প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

এটি সায়াম সিটি সিমেন্ট (বাংলাদেশ) লিমিটেড এর একটি পণ্য যা থাইল্যান্ডের বিখ্যাত ও শীর্ষস্থানীয় সিমেন্ট কোম্পানি, সায়াম সিটি সিমেন্ট পিএলসি এর একটি সাবসিডিয়ারি।

» হযরত শাহজালাল রঃ লাকড়ি তোড়া উরুস বুধবার

Published: ১৩. এপ্রি. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর ৭০৭তম বার্ষিক ওরস উপলক্ষে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী ‘লাকড়ি তোড়া’ উরুস বুধবার (১৫ এপ্রিল)।

এদিন ভক্তদের দ্বারা শুকনা কাঠ সংগ্রহের আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠান। ওরসের শিরনি রান্নার জন্য মাজারের উত্তর পাশে লাক্কাতুরা ও মালনিছড়া চা বাগান থেকে কাঠ সংগ্রহ করা হয় ৭ শত বছরেরও বেশি সময় ধরে ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজনে ভক্তরা ‘লালে লাল শাহজালাল’ ধ্বনি দিয়ে লাকড়ি তোড়া উরসে অংশ নেন।

এটি প্রায় সাতশ বছরেরও বেশি পুরনো একটি ঐতিহ্য। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ এই উৎসবে অংশগ্রহণ করেন, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির।

ওরসের শিরনি রান্নার জন্য শত শত ভক্ত মিলে লাক্কাতুরা চা বাগান থেকে লাকড়ি বা কাঠ ভেঙে মাজার প্রাঙ্গণে নিয়ে আসেন ওরসের কয়েক সপ্তাহ আগে এই উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয়।

এটি হযরত শাহজালালের (র.) সিলেটে পদার্পণ ও সিলেট বিজয় দিবস। এদিন অত্যাচারী শাসক গৌর গোবিন্দকে পরাজিত করে সিলেটকে মুক্ত করে আবাদ হয়েছিলো সত্য ও ন্যায়ের শাসন। এইদিনটির  স্মরণের এটিও একটি অংশ।

এছাড়া রয়েছে ওলিকুল শিরোমনি হযরত শাহজালাল মজররদে ইয়ামনির,মামা ও মুর্শিদ (আধ্যাত্মিক গুরু) সৈয়দ আহমদ কবীর সোহরাওয়ার্দী (রঃ) তিনি ছিলেন, আরবের মক্কায় বসবাসরত একজন বিখ্যাত সুফি সাধক শাহজালাল (রঃ) তাঁর মামার সান্নিধ্যে থেকেই আধ্যাত্মিক শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং মামার নির্দেশেই ইসলাম প্রচারের জন্য ভারতবর্ষে সিলেটে আগমন করেন।

উল্লেখযোগ্য হচ্ছে লাকড়ি তোড়া উৎসবের দিনে ৭২৫ হিজরীর ২৬শে শাওয়াল মামা  আধ্যাতিক গুরু হযরত আহমদ কবীর সোহরাওয়ার্দী  রঃ উফাত দিবস।

এই মহান সাধক  দরবেশের স্মরণে লাক্কাতুড়া টিলায় প্রতিবছরের ন্যায়  আছরের নামাজের  পর মিলাদ ও দোয়া হয়।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) জোহরের নামাজ পড়ে  হাজারো ভক্তরা ‘শাহজালাল বাবা কী জয়’ ‘৩৬০ আউলিয়াকি জয়’ ‘লালে লাল বাবা শাহজালাল’ স্লোগান দিয়ে  লাক্কাতুড়া বাগান অভিমুখে রওয়ানা দেন।

পুনরায় একই শ্লোগান দিয়ে  তারা লাকড়ি নিয়ে দরগাহে ফিরে আসেন।

Callender

April 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930