শিরোনামঃ-

» তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

Published: ০৮. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ

আমরা নাগরিকদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোয় অগ্রাধিকার দিচ্ছি: সিসিক প্রশাসক

তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া দেশে কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এমপি।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ও স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।

মানুষকে ছোটখাটো সেবা নিতে কিংবা প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে রাজধানীতে ছুটে আসতে হলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হয়। জনগণ যেন নিজ নিজ এলাকায় বসেই প্রয়োজনীয় সেবা পায়, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানের গ্র্যান্ড বলরুমে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ‘লোকাল গভর্নমেন্ট কভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকোভারি প্রজেক্ট (এলজিসিআরআরপি)’ আয়োজিত জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে যেকোনো উদ্যোগের সবচেয়ে কঠিন ধাপ হচ্ছে তার বাস্তবায়ন।

এলজিসিআরআরপি প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নে যারা কাজ করেছেন, তাঁদের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক, অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

এ প্রকল্পের সাফল্য ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব প্রকল্প গ্রহণের পথ তৈরি করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, কোনো প্রকল্প গ্রহণ ও শেষ করাই যথেষ্ট নয়। একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং সেই শিক্ষা ভবিষ্যৎ উদ্যোগে কাজে লাগাতে হবে।

একই সঙ্গে যে জনগোষ্ঠীর জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে প্রকল্পটির মালিকানা ও অংশগ্রহণের অনুভূতি তৈরি করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ঢাকামুখী মানুষের চাপ কমাতে হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও ক্ষমতাবান করতে হবে। মানুষ কেন রাজধানীতে আসে, সেই প্রশ্নের গভীরে গিয়ে সমস্যার সমাধান করতে হবে।

জন্মনিবন্ধনের মতো সাধারণ সেবা পেতেও যদি প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে মন্ত্রণালয়ে আসতে হয়, তাহলে তা দেশের শাসনব্যবস্থার কাঠামোগত সমস্যারই বহিঃপ্রকাশ।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, “স্থানীয় সরকার হচ্ছে গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি। গণতন্ত্র শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত হলে হবে না; এর ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে তৃণমূল পর্যায় থেকে।

স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়েই একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি আরও মজবুত করা সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা হচ্ছে।

ভবিষ্যতে এ উদ্যোগ আরও গতিশীল করা হবে। তৃণমূল পর্যায় থেকে গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে আরও জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

নাগরিকদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং নগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেট নগরীর সড়ক, ড্রেনেজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়কবাতি ও অন্যান্য নাগরিকসেবার মান উন্নয়নে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডের সমস্যা সরেজমিনে চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নগর উন্নয়নকে টেকসই করতে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ থাকলে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও আধুনিক সিলেট গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য কবির আহামদ, বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের প্রধান জেন পেসমি এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন।

» সিলেটের ট্রেনের টিকেট অনলাইনে আসা মাত্র হাওয়া, কালোবাজারীদের সনাক্ত করতে মামলা

Published: ০৮. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের ট্রেনের টিকেট অনলাইনে আসা মাত্র হাওয়া হয়ে যায়।

এ যেন মনে হয় ট্রেনের টিকেট সোনার হরিণ। অনলাইনে টিকেট আসার পরপরই হাওয়ার মত উড়ে গিয়ে শেষ হয়ে যায়।

এ অভিযোগ ট্রেন যাত্রী ও ভুক্তভোগী জনসাধারণের।

এমন অভিযোগে ভুক্তভোগী এক যাত্রী সিলেটের চীপ জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল নুমান সুওমোটো মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে সিলেটে ট্রেনের টিকেট নিয়ে এলাহি কান্ড চলে আসছে।

সিলেট-ঢাকা ট্রেনের টিকেট ৫-৬ দিন আগে থেকে পাওয়া যায় না, সিলেট-চট্টগ্রাম ট্রেনের টিকেট ৭-৮ দিন আগে থেকেও পাওয়া যায় না। যে পরিমাণ টিকেট অনলাইনে আসে, তা আসার কয়েক মুহুর্তের মধ্যে হাওয়ায় উড়ে যায়।

অভিযোগ রয়েছে কিছু সংখ্যক দালাল অনলাইনে টিকেট আসার পরপরই নিজেরা তা গিলে ফেলে অবশেষে যাত্রীদের কাছে চড়ামুল্যে বিক্রি করে যাচ্ছে।

সার্বিক ঘটনার প্রেক্ষিতে সিলেটের চীপ জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল নুমান স্বপ্রনোদিত হয়ে সিলেট আদালতে সুওমোটো মামলা দায়ের করেছেন। মিস মামলা নং-০১/২০২৬ ইং।

মামলায় তিনি আদালতের মাধ্যমে বিষয়টির গভীর নিরপেক্ষ তদন্তক্রমে প্রকৃত দায়ীদের সনাক্ত ও আইনানুগ শাস্তি সহ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) কে তদন্তের নির্দেশ দিলে তারা কাজ শুরু করেছেন বলে সুত্রে জানা যায়।

অভিযোগে আরও বলেন, দায়ীদের কারনে অনলাইনে বিপুল সংখ্যক সাধারণ যাত্রী টিকেট পেতে ব্যর্থ হয়ে হয়রানির শিকার হন এবং এর ফলে অধিক ঝুকি নিয়ে ও অর্থ খরচ করে সড়কপথে যেতে হচ্ছে।

অপরদিকে সড়কপথে যেতে জ্যাম ও বিড়ম্বনায় অধিক সময় নষ্ট হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সড়কপথে রাস্তার কাজ চলমান থাকায় বিড়ম্বনা ও জ্যাম সমস্যা এড়াতে সাধারণ মানুষ বাসের চেয়ে ট্রেনের দিকে ঝুকে পড়েছে।

অথচ তাদের বহুল কাঙ্খিত ট্রেনের টিকেট যেন সোনার হরিণ যায় না ধরা অবস্থা।

ট্রেনের টিকেট বিড়ম্বনা কেন? কেন এমন দুঃসহ অবস্থা, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

» সাংবাদিক শাহাব উদ্দিন শিহাবের মায়ের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক

Published: ০৮. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সাংবাদিক শাহাব উদ্দিন শিহাবের মা হুসনবান বিবির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ্ সিদ্দিকী।

এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেন, মায়ের মৃত্যু একজন সন্তানের জন্য গভীর বেদনা ও অপূরণীয় ক্ষতির। হুসনবান বিবির মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।

তাঁর মৃত্যুতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

মহান আল্লাহ তায়ালা মরহুমাকে ক্ষমা করে তার কবরকে নূরে ভরে দিন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।

একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই কঠিন সময়ে শোক ও বেদনা সহ্য করার শক্তি এবং ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন।

তিনি মরহুমার আত্মার শান্তি ও পরিবারের সদস্যদের মানসিক শক্তির জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

» মহানবী (সা.)-এর শিক্ষাই মানবতার মুক্তির সঠিক পথ : মুফতি আহমাদ শরীফ বিন আসাদ

Published: ০৮. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

সিলেটে পাঠানটুলা জামেয়া কামিল মাদ্রাসার সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল

নিউজ ডেস্কঃ
বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ও তরুণ গবেষক মুফতি আহমাদ শরীফ বিন আসাদ বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন মানবতার মুক্তিদূত।

তাঁর শিক্ষা, আদর্শ ও জীবনাদর্শ অনুসরণের মধ্যেই মানবতার প্রকৃত মুক্তি নিহিত।

মহানবী (সা.)-এর শিক্ষাজীবন ও শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলমানদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন, জ্ঞানার্জন, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে মহানবী (সা.) যে শিক্ষার ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন, তা অনুসরণ করেই মুসলমানরা একসময় শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিয়েছে।

তিনি বৃহস্পতিবার (৮ অক্টেবার) দুপুরে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা পাঠানটুলায় তামাদ্দুনিক ও সীরাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। জামেয়া মিলনায়তনে উক্ত মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মুফতি আহমাদ শরীফ বিন আসাদ বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ছিল জ্ঞান, শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবকল্যাণের অনন্য দৃষ্টান্ত।

তিনি মানুষকে অজ্ঞতা ও অন্ধকার থেকে জ্ঞানের আলোয় নিয়ে এসেছেন।

তাঁর শিক্ষায় মানুষে মানুষে ভেদাভেদ, অন্যায় ও অবিচারের পরিবর্তে সাম্য, ন্যায়, মানবিকতা ও কল্যাণের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

তাই একজন আদর্শ মানুষ ও আলোকিত সমাজ গঠনে মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শের চর্চা অপরিহার্য।

জামেয়ার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক মাওলানা ফখরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার, উপাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত) মাওলানা কমর উদ্দীন ও অধ্যাপক মাওলানা আব্দুন নুর।

সভাপতির বক্তব্যে বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী বলেন, মুসলমানদের ইতিহাসে জ্ঞানচর্চা ও শিক্ষার যে সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে, তা নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে।

শিক্ষা শুধু সনদ অর্জনের জন্য নয়; শিক্ষা মানুষের চরিত্র ও নৈতিকতা গঠনের মাধ্যম। মহানবী (সা.)-এর আদর্শে শিক্ষিত প্রজন্মই পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুষ্ঠানে তামাদ্দুনিক ও সীরাত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

এতে জামেয়ার শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

» মশক নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে  সিটির ব্যর্থতায় নগরবাসী উদ্বিগ্ন : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম

Published: ০৮. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

সিলেটে আম্বরখানা পয়েন্টে জামায়াতের ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইন

নিউজ ডেস্কঃ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, মশক নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ব্যর্থতায় নগরবাসী উদ্বিগ্ন। সিসিকের পাশাপাশি জনগণকেও সচেতন হতে হবে।

সম্মিলিতভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করতে হবে। বাসা-বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য এলাকার মতো সিলেটেও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হামে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। কিন্তু ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।

জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, প্রশাসন ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোক বসিয়ে লুটপাট ও পকেট ভারী করার সুযোগ করে দেওয়া হলেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে সরকার ও সিটি কর্পোরেশনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে নগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট এলাকায় বিমানবন্দর থানা জামায়াত আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা ক্যাম্পেইনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।

এসময় স্থানীয়দের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

থানা আমীর শফিকুল আলম মফিকের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ফরিদ আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর নায়েবে আমীর ও আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী ড. নূরুল ইসলাম বাবুল।

এসময় বক্তব্য রাখেন, ৫নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুস সালাম ও ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জাকারিয়া মজুমদার মেহেদী প্রমুখ।

ক্যাম্পেইনে বিমানবন্দর থানা জামায়াত ও বিভিন্ন ওয়ার্ড-ইউনিটের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক স্থানীয় জনতা উপস্থিত ছিলেন।

» আগামীকাল বাদ জুমা সিলেট মহানগর জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল

Published: ০৮. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
আগামীকাল শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাদ জুমা সিলেট মহানগর জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল ফ্যাসিবাদের বিচার কার্যকর,সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সহনীয় মূল্য নির্ধারণের দাবিতে আগামীকাল শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাদ জুমা বিক্ষোভ মিছিল করবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সিলেট মহানগর।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাদ জুমা সিলেট বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
এতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সকল পর্যায়ের দায়িত্বশীল, নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনসাধারণকে বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন, সিলেট মহানগর জমিয়তের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা নেজাম উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী।
নেতৃবৃন্দ কর্মসূচি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানান।

» ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক

Published: ০৮. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী।

এক শোকবার্তায় মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুতে বিএনপি একজন অভিজ্ঞ, নিবেদিতপ্রাণ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদকে হারাল।

দেশের গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রতি তার দীর্ঘদিনের অবদান দলীয় নেতাকর্মী ও দেশের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

তিনি বলেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ছিলেন বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ অভিভাবক ও সুদক্ষ সংগঠক।

তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আদর্শের প্রতি অবিচলতা এবং দেশ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

তাঁর মৃত্যুতে দলের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

মিফতাহ্ সিদ্দিকী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহর কাছে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার দোয়া করেন।

একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, স্বজন, সহকর্মী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

» সিলেটে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে সচেতনতামূলক সেমিনার

Published: ০৮. অক্টো. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

১১৩ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ, নিরাপদ সড়ক ব্যবহারে সচেতনতার আহ্বান

নিউজ ডেস্কঃ

“নিরাপদ সড়ক, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সিলেটে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), সিলেট সার্কেলের উদ্যোগে রাজা গিরিশচন্দ্র মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ, সিলেটে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে ১১৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এতে শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নিরাপদে সড়ক পারাপার, ট্রাফিক সাইন ও সিগন্যাল সম্পর্কে ধারণা, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের হেলমেট ব্যবহার এবং চার চাকার যানবাহনে সিটবেল্ট ব্যবহারের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

এ ছাড়া চলন্ত যানবাহনে হাত ও মাথা জানালার বাইরে না রাখা, রাস্তা ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকা এবং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে নিরাপদ সড়ক গঠনে শিক্ষার্থীদের করণীয় নিয়েও আলোচনা করা হয়।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন, বিআরটিএ, সিলেট বিভাগের উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) প্রকৌ. মো. ডালিম উদ্দীন, রাজা গিরিশচন্দ্র মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. মানিক খান, এসএমপি সিলেটের ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক জাহেদুল ইসলাম এবং বিআরটিএ, সিলেট সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক সফীকুল ইসলাম রাসেল।

বক্তারা বলেন, আজকের সচেতন শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দায়িত্বশীল নাগরিক। ট্রাফিক আইন মেনে চলার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের অন্যদেরও আইন মেনে চলতে উৎসাহিত করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা গেলে ভবিষ্যতে সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব।

তাঁরা আরও বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একার দায়িত্ব নয়; এ জন্য চালক, যাত্রী, পথচারীসহ সমাজের প্রতিটি মানুষের দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।

নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা ও সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

» ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে সড়ক সম্প্রসারণ কাজ উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক

Published: ০৭. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
নাগরিক সুবিধা বাড়াতে সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসীর চলাচল সহজ করা এবং নাগরিকসেবা আরও উন্নত করতে সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নকাজ করা হচ্ছে।

পরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাদারপাড়া ও সবুজবাগ এলাকা পরিদর্শন এবং সড়ক সম্প্রসারণ কাজ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, “নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক সরু হওয়ায় যানবাহন চলাচল ও পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।

একই সঙ্গে অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “আমরা শুধু একটি সড়ক সম্প্রসারণ করছি না; এর সঙ্গে এলাকার সার্বিক যোগাযোগব্যবস্থা ও নাগরিক সুবিধা উন্নত করার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নে এলাকাবাসী সহযোগিতা করলে পরিকল্পিতভাবে কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।”

এ সময় তিনি সাদারপাড়া ৪ নম্বর সড়কের সম্প্রসারণ ও ড্রেন উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন।

সড়ক সম্প্রসারণের জন্য যারা স্বেচ্ছায় নিজেদের ভূমি দিয়ে সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সিসিক প্রশাসক বলেন, “নগর উন্নয়নের স্বার্থে নিজেদের জায়গা স্বেচ্ছায় দিয়ে যারা সহযোগিতা করেছেন, তারা প্রশংসার দাবিদার।

তাঁদের এই সহযোগিতা এলাকার মানুষের চলাচল সহজ করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি সুন্দর ও পরিকল্পিত পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।”

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চলমান উন্নয়নকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং গুণগত মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারী, প্রকৌশলী সুমন চন্দ্র দে, সাবেক কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির সুহিন সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পরে সিসিক প্রশাসক ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কলাপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি বায়তুন নূর কলাপাড়া মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও নাগরিকসুবিধা নিয়ে তাদের কথা শোনেন।

পরিদর্শনকালে সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারী, সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান কামরুল, ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছাব্বির আহমদ, মুরুব্বি সাইদুর রহমান, জালাল উদ্দিন শামীম, আবুল কালাম আজাদ, নাসিরুদ্দিন রব, কালা মিয়া, মুক্তার রাফি, ফারুখ মিয়া, আমিন মিয়া সোহান সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

» সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সিকৃবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Published: ০৭. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শফিউল্লাহ মজুমদার।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে নগর ভবনের সভাকক্ষে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে উপাচার্য সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সিসিক প্রশাসককে অবহিত করেন। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং এসব সমস্যা সমাধানে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা কামনা করেন।

সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, “তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া এবং তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহ সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

সিলেটের উন্নয়নে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি অত্যন্ত আন্তরিক। আমরা সবাই মিলে সিলেটকে আরও এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নেও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।” বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইউট্যাবের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. ছিদ্দিকুল ইসলাম, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুব ইকবাল, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কাওছার হোসেন, সাদা দলের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. এমদাদুল হক, সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. মোজাম্মেল হক, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) প্রফেসর ড. শাহানা বেগম এবং উপাচার্যের একান্ত সচিব মো. বাসির উদ্দিন।

» শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে সিলেট জেলা-মহানগর যুবদলের শ্রদ্ধা

Published: ০৭. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ

ঢাকার জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত এবং শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন নবগঠিত সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতৃবৃন্দ।

বুধবার (৭ অক্টোবর) জিয়া উদ্যানে নেতৃবৃন্দ মাজার জিয়ারত করেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ, সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি মির্জা মোহাম্মদ সম্রাট হোসেন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন দিনার, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কয়েস আহমদ, মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মকসুদুল করিম নুহেল, জেলা যুবদলের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসরুর রাসেল, মহানগর যুবদলের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসিন মেহেদি প্রিন্স, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল বাশার হাবিব এবং মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমদ।

মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নেতৃবৃন্দ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।

» ডেঙ্গু প্রতিরোধে লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট হলি সিটির উদ্যোগে মশা নিধন কর্মসূচি পালন

Published: ০৭. অক্টো. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব রুখতে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট হলি সিটি।

বুধবার (৭ অক্টোবর ) সকালে নগরীর শিবগঞ্জ এলাকায় মশা নিধনের লক্ষ্যে বিনামূল্যে কীটনাশক ও ঔষধ প্রদান এবং ছিটানো কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান প্রধান স্পট ও সাধারণ মানুষের চলাচলের স্থানে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও লার্ভা নিধনের ঔষধ ছিটানো হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট হলি সিটির সভাপতি লায়ন চন্দন সাহা, লায়ন সাজুওয়ান আহমদ, লায়ন কাজী আব্দুল মুকিত, ক্লাবের সেক্রেটারী লায়ন জুমা আহমেদ, ট্রেজারার লায়ন জিল্লুর রহমান, সাবেক সেক্রেটারী লায়ন পার্থ দাস রায়, সদস্য লায়ন আফছার উদ্দিন আহমদ।

এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমানে মশাবাহিত ডেঙ্গু ও অন্যান্য রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

কেবল সরকারি বা সিটি কর্পোরেশনের ওপর ভরসা না করে নাগরিকদেরও নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা ও মশক নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা তৈরিতে লায়ন্স ক্লাবের এ ধরনের সেবা ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031