শিরোনামঃ-

» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে বাংলাবিদ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

Published: ০৯. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার

বাংলা শুধু আমাদের মাতৃভাষা নয়, এটি আমাদের আত্মপরিচয় : অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলা শুধু আমাদের মাতৃভাষা নয়; এটি আমাদের আত্মপরিচয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের এই সময়ে আন্তর্জাতিক ভাষা শেখার পাশাপাশি নিজের মাতৃভাষাকে শুদ্ধভাবে জানা, বলা ও চর্চা করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর দায়িত্ব।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি শিক্ষার্থীদের অনুরাগ বৃদ্ধি, প্রমিত বাংলা চর্চায় উৎসাহিত করা এবং ভাষাভিত্তিক জ্ঞান ও সৃজনশীলতার বিকাশের লক্ষ্যে স্কালার্সহোম মেজরটিলা কলেজে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাবিদ প্রতিযোগিতা।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্কালার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।

বাংলা বিভাগের প্রভাষক প্রিয়াব্রত কৈরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক মীর হোসাইন সরকার।

প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বাংলা বিভাগের প্রভাষক তোফায়েল আহমেদ শিহাব, প্রভাষক মো. আমিনুল হক এবং প্রভাষক সাব্বির আহমেদ।

প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, বাংলা শুধু আমাদের মাতৃভাষা নয়; এটি আমাদের আত্মপরিচয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের এই সময়ে আন্তর্জাতিক ভাষা শেখার পাশাপাশি নিজের মাতৃভাষাকে শুদ্ধভাবে জানা, বলা ও চর্চা করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর-বিশেষ করে ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থীদের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি আরও যুক্ত করেন, ভাষার সৌন্দর্য কেবল শুদ্ধ বানান বা ব্যাকরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; ভাষার মাধ্যমে আমাদের চিন্তা, মূল্যবোধ ও মানবিকতা প্রকাশিত হয়। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বাংলা সাহিত্যচর্চায় যুক্ত হতে হবে।

বাংলাবিদ প্রতিযোগিতার মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতা বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

জুনিয়র গ্রুপ (৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণি): প্রথম স্থান অর্জন করে ৭ম শ্রেণির (ধানসিঁড়ি শাখা) সেঁজুতি দে সৃষ্টি, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে একই শ্রেণির সুস্পিতা সিংহ অর্চি এবং তৃতীয় স্থান লাভ করে ৭ম শ্রেণির (ডেফোডিল শাখা) মুহতাসিম উদদৌলা নাসিত।

ইন্টারমিডিয়েট গ্রুপ (৯ম-১০ম শ্রেণি): প্রথম স্থান অর্জন করে ৯ম শ্রেণির (মাছরাঙা শাখা) ঝিনুক মালা, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ৯ম শ্রেণির (সুরমা শাখা) ফিজা সিদ্দিকি এবং তৃতীয় স্থান লাভ করে একই শ্রেণির আপন পাল।

সিনিয়র গ্রুপ (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি): প্রথম স্থান অর্জন করে ১২শ শ্রেণির (মাছরাঙা শাখা) নাফিসা নুজহাত চৌধুরী, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে একই শ্রেণির জান্নাত জাহান শিমু এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে ১২শ শ্রেণির (রূপসা শাখা) লাবণী আক্তার মিম।

প্রতিযোগিতা চলাকালে মিলনায়তনে উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল বিশেষ ‘তাৎক্ষণিক প্রশ্নোত্তর পর্ব’।

শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও জ্ঞানের আলোয় পুরো অনুষ্ঠানস্থল আনন্দমুখর হয়ে ওঠে।

প্রতিযোগিতা শেষে সকল ক্যাটাগরির বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।

তিনি শিক্ষার্থীদের ভাষাভিত্তিক এ ধরনের সৃজনশীল চর্চা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

» নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মহিলা দল কার্যকর ভূমিকা রাখছে : কয়েস লোদী

Published: ০৯. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, নারীর অধিকার ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ করে আসছে।

বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা মহিলা দলের উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও উৎপাদনমুখী রাষ্ট্রচিন্তার যে ভিত্তি তৈরি করেছিলেন, তাঁর অন্যতম লক্ষ্য ছিল জনগণের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে একটি আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

সেই ধারায় নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার গুরুত্বও বিশেষভাবে উঠে আসে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোষহীননেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের নারী সমাজকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারায় আরও দৃশ্যমান করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

তাঁর নেতৃত্বে নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ দেশের নারী সমাজকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার যে রাজনৈতিক রূপরেখা সামনে এনেছে, সেখানে নারী সমাজের সমঅধিকার ও মর্যাদার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হয়েছে।

নতুন প্রজন্মের নারীদের শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে তাদের রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় উন্নয়নের অংশীদার করতে হবে।

মহিলা দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নারীদের শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে নয়, সমাজ পরিবর্তনের শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

নারীর নিরাপত্তা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিশ্চিত করার দাবিতে মহিলা দলকে আরও সোচ্চার হতে হবে।

বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি ও অর্থনীতির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নারীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা জরুরি।

আগামী দিনের বাংলাদেশে নারীরা শুধু ঘর ও কর্মক্ষেত্রেই নয়, জাতীয় নীতি নির্ধারণ ও রাষ্ট্র পরিচালনাতেও সমানভাবে নেতৃত্ব দেবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

সিলেট জেলা মহিলা দলের সভাপতি (ভাবপ্রাপ্ত) তাহসিন শারমিন তামান্নার সভাপতিত্বে ও মহিলা দল নেত্রী জলি পুরকায়স্থের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বিএনপির সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও  জেলা মহিলা দলের দপ্তর সম্পাদক সুলতানা রহমান দিনা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বিএনপির সহ সভাপতি মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সিলেট জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি সালেহা কবির শেপী, সহ সভাপতি ফেরদৌসী ইকবাল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পলিনা রহনান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সালমা বেগম, মহিলা দল নেত্রী ফাতেমা বেগম সান্দানী, বিলকিস আক্তার, জান্নাত জামান চৌধুরী, রুশনারা বেগম, রিমা বেগম সহ জেলা মহিলা দলের বিভিন্ন স্বরের নেতৃবৃন্দ, জেলার আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

» সিলেটে সিএনজি ফিলিং স্টেশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের জরুরি মতবিনিময় সভা

Published: ০৯. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে মালিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগের জরুরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ‎সকাল ১১টায় নগরীর শাহজালাল উপশহরস্থ সংগঠন কার্যালয়ে উক্ত জরুরি সভার আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং ষ্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগের সভাপতি আমিরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আফছার মো. ফাহিম এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ফয়েজ উদ্দিন আহমদ।

জরুরি মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, প্রফেসর সিরাজুল হক, কাজী মাহবুব হোসেন, জিহাদ আহমেদ, ফরহাদ আলী ইমন, লোকমান আহমদ মাছুম, সঞ্জয় দাস, জাবেদুর রহমান, ওয়ালি মাহমুদ, সাজুওয়ান আহমদ, আনহার উদ্দিন, সাইমুন আলম সেতু ও এস এম মনোয়ার প্রমুখ।

জরুরি সভায় বক্তারা সিলেট বিভাগে সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কনভার্সন ওয়ার্কশপ পরিচালনায় বিরাজমান গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি, মারাত্মক লো-প্রেসার, কমিশন বৃদ্ধি, প্রশাসনিক ও পরিচালনাগত নানাবিধ জটিলতা এবং বর্তমান ব্যবসা পরিচালনার নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এ সময় বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস সরবরাহের চাপ (প্রেসার) স্বাভাবিক রাখা, অহেতুক প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধ করা এবং মালিকদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি দাওয়া মেনে নেওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য অপরিহার্য।

অনতিবিলম্বে এসব সমস্যার সমাধান করা না হলে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য ১২ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচির মাধ্যমে কিংবা পরবর্তীতে সকল বিভাগীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে কঠোর সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

সভায় অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী এবং কনভার্সন ওয়ার্কশপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নিজ নিজ মতামত ও করণীয় তুলে ধরেন।

সভা শেষে উপস্থিত সকলেই সংগঠনের ঐক্য বজায় রেখে সামনের দিনগুলোতে যৌথভাবে সকল সংকট ও সমস্যা মোকাবিলার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

» সিলেটে উলামা মাশায়েখ পরিষদের বিক্ষোভ

Published: ০৯. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার

৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে কুরআন সুন্নাহবিরোধী আইন চলবে না

নিউজ ডেস্কঃ
‘৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে কুরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন চলবে না’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সিলেটের উলামা মাশায়েখবৃন্দ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর বন্দরবাজারস্থ কোর্ট পয়েন্টে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে তারা জাতীয় সংসদে পাস হওয়া কুরআন-সুন্নাহবিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন আইন অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানান।

মিছিলটি কোর্ট পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চৌহাট্টা পয়েন্টে গিয়ে সমাপ্ত হয়।

মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তারা বলেন, ধর্মীয় বিধান উপেক্ষা করে এ আইন পাসের মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে; কোনভাবেই তা মেনে নেওয়া হবে না। ওসিয়ত ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার-বণ্টনের বিধান আল্লাহ নির্ধারণ করে দিয়েছেন।

এসব বিধানকে পাশ কাটিয়ে আইন প্রণয়ন কোটি কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। ২০১৩ সালে পিতা-মাতার ভরণপোষণ ও অধিকার নিশ্চিত করতে আইন করা হয়েছে; সেটি যথাযথভাবে প্রয়োগ করলেই পিতা-মাতার অধিকার রক্ষা সম্ভব।

তারা আরও বলেন, সম্পত্তি ও উত্তরাধিকারসংক্রান্ত আইন করার আগে দেশের আলেম-ওলামা ও ইসলামি চিন্তাবিদদের মতামত নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

কিন্তু সরকার সেই উদ্যোগ না নিয়ে ধর্মীয় বিধানকে অবজ্ঞা করেছে। অথচ ব্রিটিশ শাসকরাও মুসলিম পারিবারিক আইনে হস্তক্ষেপ করেনি।

নির্বাচনের আগে কুরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া দলটি ক্ষমতায় গিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সাথে প্রতারণা করেছে।

পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দীর সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ারের পরিচালনায় সমাবেশে সিলেটের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরামদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আল-মাদানী, উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার, অধ্যক্ষ মাওলানা ফখরুল ইসলাম, মুহাদ্দিস মাওলানা হাবীবুল্লাহ ও হাফিজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান জালালাবাদী।

হাফিজ সৈয়দ আব্দুল আহাদের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সুচীত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ মাওলানা জাকির হোসাইন, হাফিজ মাও. মুশাহিদ আহমদ, মাওলানা খলীলুর রহমান, মাওলানা আব্দুল্লাহ আনসার, মাওলানা মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, মাওলানা শাহ মাহমুদুল হক, মাওলানা জিল্লুর রহমান, হাফিজ মাওলানা মুখলিসুর রহমান, মাওলানা মঈনুল ইসলাম, মাওলানা মাহফুজুর রহমান ও ছাত্রনেতা মাওলানা কাওছার হামিদ প্রমুখ।

» তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মী ও সমর্থকরাই হলেন বিএনপির আসল শক্তি : নাসিম হোসাইন

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেছেন, তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মী ও সমর্থকরাই হলেন বিএনপির আসল শক্তি।

দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে আমাদের কর্মীরা প্রমাণ করেছেন যে তাঁরা দলের জন্য কতটা নিবেদিত। আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় দেশে আজ জনগনের রায়ে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

দেশে গণতান্ত্রিক এই ধারাকে আর সুসংহত করতে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী কতে আমাদের কাজ করতে হবে। এজন্য ঐক্যবদ্ধ থেকে সাংগঠনিকভাবে  আরও শক্তিশালী হতে হবে।

আমাদেরকে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় বিএনপি সরকারের সাফল্যের বার্তা পৌঁছে দিয়ে  জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গিকার করতে হবে।

সিলেট মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় নগরীর ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে গত সোমবার আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশের এই অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে জাতীয়তাবাদী দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার কোন বিকল্প নেই।

এই নতুন আহবায়ক কমিটি ২৮নং ওর্য়ার্ডে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে কাজ করবে বলে আমরা আশাবাদী। আপনাদেরকে সব ধরনের উসকানি ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে শান্ত ও সুশৃঙ্খলভাবে জনগণের পাশে থেেেক কাজ করতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আফজাল উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুর্শেদ আহমদ মুকুল ও আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব ও দেওয়ান জাকির।

বক্তব্য রাখেন, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম এ হক বাবুল, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মফিজুর রহমান জুবেদ, দক্ষিণ সুরমা থানা বিএনপির আহবায়ক ডা. এনামুল হক, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকদলের বিভাগীয় সহ-স্বেচ্ছাবিষয়ক সম্পাদক কামাল হাসান জুয়েল, দক্ষিণ সুরমা থানা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক হোসেন আহমদ রাহুল, সদস্য সচিব নুরুল আমিন প্রমুখ।

এছাড়া সভায় বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মকসুদ আহমদকে আহবায়ক এবং সিনিয়র সদস্য হলেন হাবিবুর রহমান মাছুমকে সিনিয়র সদস্য করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট সিলেট মহানগর ২৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে মহানগর নেতৃবৃন্দ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার আহ্বান জানান।

» রেজাউল করিম নাচনকে সদস্য-সচিব করে সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি অনুমোদন

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার ৭ সদস্যবিশিষ্ট নতুন এডহক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। কমিটিতে পদাধিকারবলে সিলেটের জেলা প্রশাসককে সভাপতি এবং সাবেক ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক রেজাউল করিম নাচনকে সদস্য-সচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

নবগঠিত এডহক কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন, সিলেটের পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক, জেলা ক্রীড়া অফিসার এবং বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মকসুদ আহমদ।

নতুন এডহক কমিটি
– সভাপতি: জেলা প্রশাসক, সিলেট
– সদস্য: পুলিশ সুপার, সিলেট
– সদস্য: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), সিলেট
– সদস্য: উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা অফিস, সিলেট
– সদস্য: জেলা ক্রীড়া অফিসার, সিলেট
– সদস্য: মকসুদ আহমদ, স্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক
– সদস্য-সচিব: রেজাউল করিম নাচন, ক্রীড়া সংগঠক ও সাবেক ক্রীড়াবিদ

রেজাউল করিম নাচন সিলেট জেলা দলের হয়ে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত।

তিনি সিলেট ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া একাধিকবার সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট দলের ম্যানেজারের দায়িত্বও পালন করেছেন।

বর্তমানে তিনি ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনে তার দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

ক্রীড়াঙ্গনের পাশাপাশি রেজাউল করিম নাচন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মহানগর বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন এডহক কমিটি ক্রীড়াঙ্গনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করা এবং খেলাধুলার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা।

নতুন কমিটির অনুমোদনে সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্যম ও গতি সঞ্চার হবে-এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। নতুন কমিটির সকল সদস্যকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন সিলেটের ক্রীড়াপ্রেমীরা।

» চায়না অ্যাম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপে জাতীয় জাজ সম্মাননা পেলেন আরিফ উদ্দিন ওলি

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো ‘৮ম চায়না অ্যাম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬।

প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে জাতীয় বিচারক হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে জাতীয় জাজ, কোচ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মার্শাল আর্টস ইভেন্টে স্বর্ণপদকজয়ী ক্রীড়াবিদ মো. আরিফ উদ্দিন ওলিকে।

চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপনী দিনে বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের সভাপতি ও আশিয়ান গ্রুপের ডিএমডি সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে মো. আরিফ উদ্দিন ওলির হাতে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

সম্মাননা গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় মো. আরিফ উদ্দিন ওলি বলেন, এই স্বীকৃতি আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। একই সঙ্গে এটি আমার দায়িত্ব ও অঙ্গীকারকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একজন বিচারকের সিদ্ধান্ত কেবল একটি প্রতিযোগিতার ফলাফলই নির্ধারণ করে না, বরং একজন উদীয়মান খেলোয়াড়ের আত্মবিশ্বাস, ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যতের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।

তাই বিচারকদের অবশ্যই সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ ও প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে নিখাদ সততা ও নিরপেক্ষতার সাথে যোগ্যতার মূল্যায়ন করতে হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, একজন খেলোয়াড় যতটুকু প্রাপ্য, তাকে ঠিক ততটুকুই মূল্যায়ন করতে হবে। সঠিক ও ন্যায়ভিত্তিক বিচারব্যবস্থা একটি দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে বিশ্বমঞ্চে এগিয়ে নিয়ে যায়। সঠিক মূল্যায়ন পেলে প্রতিভাবানরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য সুসংবাদ ও সম্মান বয়ে আনতে পারে।

নিজের নীতি ও দর্শনের কথা উল্লেখ করে আরিফ উদ্দিন ওলি বলেন, আমি সব সময় সত্য ও সঠিক পথে চলার চেষ্টা করি এবং ভবিষ্যতেও সেই নীতিতেই অটল থাকতে চাই।

ক্রীড়াঙ্গনে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সততা ও ন্যায়পরায়ণতা। তাই সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান আসুন আমরা ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে খেলোয়াড়ের প্রকৃত যোগ্যতাকে সম্মান জানাই।

আন্তর্জাতিক মানের এই উশু প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বিপুলসংখ্যক প্রতিভাবান খেলোয়াড় অংশ নেন। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে বিচারকদের চরম নিরপেক্ষতা, দক্ষ পর্যবেক্ষণ, নিখুঁত মূল্যায়ন এবং দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি সর্বমহলে প্রশংসিত হয়।

উল্লেখ্য, উশু ও বিভিন্ন মার্শাল আর্টস অঙ্গনে সাংগঠনিক দক্ষতা, কঠোর শৃঙ্খলা, ন্যায়পরায়ণতা ও সুশীল ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার প্রসার ঘটাতে দীর্ঘদিন ধরে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন মো. আরিফ উদ্দিন ওলি।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় বিচারক হিসেবে পাওয়া তাঁর এই সম্মাননা দেশের উশু অঙ্গনকে আরও শক্তিশালী ও স্বচ্ছ করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

» চীনে ৫০ দিনের উচ্চতর উশু প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন সিলেটের আন্তর্জাতিক কোচ আনোয়ার হোসেন

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
চীন সরকারের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় চীনে অনুষ্ঠিতব্য ৫০ দিনের উচ্চতর উশু প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের সদস্য, আন্তর্জাতিক উশু কোচ ও জাতীয় জাজ মো. আনোয়ার হোসেন।

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চীনের ঝেংঝৌ শহরে অনুষ্ঠিত হবে ‘তাওলু উশু ক্রীড়াবিদ ও কোচদের’ শীর্ষক এই উচ্চতর প্রশিক্ষণ কোর্স।

এতে বাংলাদেশ থেকে খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তা সহ মোট ৩০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করবে। প্রশিক্ষণে অংশ নিতে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর চীনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন সিলেটের এই উশু কোচ।

মো. আনোয়ার হোসেন সিলেটের চাইনিজ উশু ফাইটার স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি উশু প্রশিক্ষণের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোচ ও জাজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে চীনের ম্যাকাও শহরে ইন্টারন্যাশনাল উশু ফেডারেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক উশু প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নিয়ে সনদ অর্জন করেন তিনি।

এছাড়া চলতি বছর ২০২৬ সালে চীনের তিয়ানজিং শহরে অনুষ্ঠিত ১০ম ওয়ার্ল্ড জুনিয়র উশু চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দলের তাওলু কোচ হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই আসরে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বিশেষ স্বীকৃতি সনদও অর্জন করেন।

চীনে ৫০ দিনের উচ্চতর প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আবারও ৫০ দিনের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত ও গর্বিত।

এই প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার, চীন সরকারসহ বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা বাংলাদেশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের উশু খেলোয়াড় তৈরিতে বিশেষভাবে সহায়ক হবে। সকলের কাছে আমার জন্য দোয়া কামনা করছি।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, চীনে উচ্চতর এই প্রশিক্ষণ শেষে অর্জিত আধুনিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও অভিজ্ঞতা দেশে প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের উশু খেলোয়াড়দের দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

» আইএইচটি সিলেটে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালিত

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সিলেটে পালিত হয়েছে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস। দিবসটি উপলক্ষে ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি), সিলেটের ফিজিওথেরাপি বিভাগের উদ্যোগে র‌্যালি, সেমিনার, আলোচনা সভা ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুর ১টায় আইএইচটি,শাহী ঈদগাহস্ত সিলেট ক্যাম্পাস থেকে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শাহী ঈদগাহ এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আইএইচটি ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

র‌্যালি শেষে আইএইচটি, সিলেট ক্যাম্পাসের মিলনায়তনে দিবসটি উপলক্ষে একটি সায়েন্টিফিক সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

এবারের বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসের প্রতিপাদ্য “হৃদরোগ ও স্ট্রোকের প্রতিরোধ, ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসনে শারীরিক সক্রিয়তা ও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার ভূমিকা।”

তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুহিবুর রহমান ও মিথি ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএইচটি, সিলেটের অধ্যক্ষ ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিফ ফিজিওথেরাপিস্ট মো. জহিরুল ইসলাম, ফিজিওথেরাপিস্ট মো. আলমগীর হোসেন, আল-হারামাইন হাসপাতালের ফিজিওথেরাপিস্ট সুব্রত কুমার সিনহা, প্রয়াস সিলেট ক্যান্টনমেন্টের ফিজিওথেরাপিস্ট সুমন আহমেদ এবং আইএইচটি, সিলেটের লেকচারার (ল্যাব মেডিসিন বিভাগ) মো. আলমগীর আলম।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বুহেল খান ও মেঘলা আক্তার এবং প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রাবেয়া, মিনহাজ ও শুভ আহমেদ।

বক্তারা বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য অত্যন্ত সময়োপযোগী। হৃদরোগ ও স্ট্রোক বর্তমানে বিশ্বব্যাপী অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৯ দশমিক ৮ মিলিয়ন মানুষ কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন, যা মোট বৈশ্বিক মৃত্যুর প্রায় ৩২ শতাংশ। এসব মৃত্যুর একটি বড় অংশ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের কারণে ঘটে।

বক্তারা আরও জানান, বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১২ মিলিয়ন নতুন স্ট্রোকের ঘটনা ঘটে এবং ৭ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ স্ট্রোকে মৃত্যুবরণ করেন। শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধে নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা শুধু রোগের পর পুনর্বাসনে সীমাবদ্ধ নয়; বরং রোগ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্য সংরক্ষণ, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সক্রিয় জীবনযাপন নিশ্চিত করতেও ফিজিওথেরাপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেতাঁরা বলেন, ব্যক্তির শারীরিক সক্ষমতা ও চিকিৎসাগত অবস্থা বিবেচনা করে অ্যারোবিক এক্সারসাইজ, স্ট্রেংথেনিং এক্সারসাইজ, ফ্লেক্সিবিলিটি এক্সারসাইজ ও ফাংশনাল ট্রেনিং পরিকল্পনা করা যায়।

হৃদরোগের পর কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন এবং স্ট্রোকের পর ব্যক্তিকেন্দ্রিক রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে রোগীর কর্মক্ষমতা, স্বাধীনতা ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা সম্ভব।

বক্তারা ফিজিওথেরাপিকে শুধু হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসাসেবার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রিভেন্টিভ হেলথকেয়ার, প্রাইমারি হেলথকেয়ার ও কমিউনিটি-বেইজড রিহ্যাবিলিটেশনের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “ফিজিওথেরাপি শুধু মুভমেন্ট ফিরিয়ে দেয় না; এটি মানুষের স্বাধীনতা, আত্মবিশ্বাস ও উন্নত জীবনযাপনের সক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়।”

সেমিনারে ফিজিওথেরাপি শিক্ষার্থীদের এভিডেন্স-বেইজড প্র্যাকটিস, গবেষণা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

প্রতিরোধে ফিজিওথেরাপি, পুনর্বাসনে ফিজিওথেরাপি-উন্নত জীবনের জন্য ফিজিওথেরাপি।

» অংশীজন সভার দ্বিতীয় দিনে আইএবি-র সঙ্গে মতবিনিময়কালে কয়েস লোদী

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

‘সিলেটের শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণে উদ্যোগ নেবে সিউক’

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটকে একটি আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি শহরের শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক) বিশেষ উদ্যোগ নেবে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় সিউক-এর সভাকক্ষে আয়োজিত চার দিনব্যাপী অংশীজন সভার দ্বিতীয় দিনে ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি)-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান সিউক চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

সভাপতির বক্তব্যে কয়েস লোদী বলেন, “সিলেট আমাদের প্রাণের শহর। এ নগরীকে দৃষ্টিনন্দন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পিত নগর অবকাঠামোর মূল ভিত্তিই হলো নিখুঁত ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিবেশবান্ধব স্থাপত্য নকশা।

সিলেটের ঐতিহ্য রক্ষায় শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক স্থাপত্যসমূহ সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সিউক কাজ করছে। আইএবি-র স্থপতিদের সুচিন্তিত প্রস্তাবনা সমূহকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিউকের মূল মাস্টারপ্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”

সিউক-এর নির্বাহী পরিচালক মো. সাদি উর রহিম জাদিদের সঞ্চালনায় সভায় আইএবি প্রতিনিধিরা সিলেটের ঐতিহাসিক ভবন রক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নান্দনিক নগর বিনির্মাণে বিভিন্ন গঠনমূলক সুপারিশ তুলে ধরেন। সিউক কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে এসব সুপারিশ বাস্তবায়নের আশ্বাস দেয়।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন, সহযোগী অধ্যাপক সুব্রত দাস, সহযোগী অধ্যাপক তানভীর হাসান, সহকারী অধ্যাপক গৌরপদ দে, প্রভাষক ফারহা মুন, লিডিং ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মহসিন আলী, সহকারী অধ্যাপক তানজিমা সিদ্দিকা চাঁদনী, আইএবি ঢাকা-এর কোষাধ্যক্ষ চৌধুরী সাইদুজ্জামান, আইএবি সিলেটের সম্পাদক স্থপতি রাজন দাস, সিউকের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু নাছের এবং আইএবি-র বিভিন্ন পর্যায়ের স্থপতি ও প্রতিনিধিগণ।

» পাসপোর্ট অফিসে সেবাগ্রহীতাদের অভিজ্ঞতা শুনলেন এমদাদ হোসেন

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস পরিদর্শন করে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

পাসপোর্ট সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের ভোগান্তি বা সমস্যায় পড়ছেন কি না, তা জানতে তাদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতার কথা শোনেন তিনি।

পরিদর্শনকালে পাসপোর্ট অফিসের বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এমদাদ হোসেন চৌধুরী। এ সময় পাসপোর্টের আবেদন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই, বায়োমেট্রিকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়ে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে আলাপকালে কয়েকজন নিজেদের অভিজ্ঞতা ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পাশাপাশি পরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

এ সময় এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতি দৌরাত্ম বেড়েছিল। বিএনপি সরকার আসার পর থেকে দুর্নীতি দৌরাত্ম কমতে থাকে। আজকে আমি কথা বলে যা বুঝতে পেরেছি মানুষ এখন আগের থেকে অনেক ভালো সেবা পাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি সরকারের হাত ধরে সকল দুর্নীতি বন্ধ হবে। এদেশে দুর্নীতি চলবে না। দেশকে আমরা সবাই মিলে সুন্দর সমৃদ্ধ করে তুলবে।’

পরিদর্শনের সময় পাসপোর্ট অফিসের সার্বিক কার্যক্রম, সেবার মান এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা নিয়েও আলোচনা হয়। সেবাগ্রহীতারা যাতে কোন ধরনের হয়রানি ছাড়াই সহজ, স্বচ্ছ ও দ্রুত পাসপোর্ট সেবা পান, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মুর্শেদ আহমদ মকুল, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দীন এবং মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা মো. মোতাহার হোসেন (জিহাদ)।

হঠাৎ করে বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে বিএনপি নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি এবং সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে তাদের সরাসরি কথোপকথন সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করে।

সাধারণ মানুষের পাসপোর্ট সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান অভিজ্ঞতা ও ভোগান্তির বিষয়গুলো সরাসরি জানার এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

» সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ১১তম সম্মেলন সফলে প্রচার মিছিল

Published: ০৮. সেপ্টে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ১১-তম সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে ও হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি এবং সম্মেলনে সর্বস্তরের শ্রমিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়ে  আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নগরীতে প্রচার মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রচার মিছিলটি নগরীর জালালাবাদ পার্কের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ১১-তম সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, সভা পরিচালনা করেন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ইমান আলী।

বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আনু মিয়া, কার্যকরী কমিটির সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া, প্রচার সম্পাদক রাশেদ আহমদ ভূইয়া, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিক মিয়া, আম্বরখানা আঞ্চলিক কমিটির সাবেক সভাপতি আবজাল হোসেন বোরহান, ১১তম সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সুনু মিয়া সাগর, আবুল কালাম, শাহপরান থানা কমিটির সহ-সভাপতি আলিম উদ্দিন, জিন্দাবাজার আঞ্চলিক কমিটির প্রচার সম্পাদক মো. নাঈম সহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে কর্মরত শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও আইনানুগ সুযোগ-সুবিধা প্রতিষ্ঠার জন্য সংগঠনকে আরও সুসংহত ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

বক্তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকরা কম মজুরি, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা এবং শ্রম আইনে স্বীকৃত বিভিন্ন অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। এসকল সমস্যা মোকাবিলায় শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে ও সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া বিকল্প নেই।

সভাপতির বক্তব্যে মীর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ১১তম সম্মেলন সফল করতে নগরীর সর্বস্তরের হোটেল-রেস্তেরাঁ শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

তিনি শ্রমিকদের নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে সম্মেলনে অংশগ্রহণের আহবান জানান এবং সম্মেলনকে ঐক্যবদ্ধভাবে সফল ও স্বার্থক করে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য যে, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ১১তম সম্মেলন আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে, ২ নম্বর বার লাইব্রেরি হল, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতি, জজ কোর্ট, সিলেট-এ অনুষ্ঠিত হবে।

Callender

September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930