- জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক
- সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে শেষ ‘ইউথ লিডারশিপ ট্রেনিং’ সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে তরুণ নেতৃত্বের কোন বিকল্প নেই
- ওয়াদুদ-ময়মুন্নেছা ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ হার্ট রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে হৃদরোগ চিকিৎসা সেবা নিলেন ৯০ জন
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের সভায় সিদ্ধান্ত
- ব্যবসায়ীদের অস্তিত্ব রক্ষায় সিলেট শাহী ঈদগাহ মাঠে সৃজনশীল পণ্য প্রদর্শনী মেলা বন্ধের দাবি
- সিলেট মহানগর বিএনপির প্রবাসী ৩ উপদেষ্টার পদ স্থগিত
- ১১ অক্টোবর রেজিস্টারী মাঠে আমিরে মজলিসের নাগরিক সমাবেশ সফল করে তুলুন : আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম
- বৃষ্টিতে ভিজেও থামেনি ভক্তদের পদচারণা, সিলেটে পালিত ভক্তিচারু স্বামী মহারাজের ৮১তম ব্যাসপূজা
- ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের সীরাতুন্নবী (সা.) সেমিনার
- সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত এডহক কমিটিকে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অভিনন্দন
» জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক
Published: ১৮. সেপ্টে. ২০২৬ | শুক্রবার
এক শোকবার্তায় মিফতাহ্ সিদ্দিকী মরহুম জাকির মজুমদারের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি বলেন, জাকির মজুমদার ছিলেন, বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ ও সক্রিয় সংগঠক।
দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে তিনি দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
মিফতাহ্ সিদ্দিকী মরহুমের জীবনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, দলের প্রতি তার নিষ্ঠা ও কর্মীদের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন স্মরণ করবেন।
শোকবার্তায় তিনি মহান আল্লাহর কাছে মরহুম জাকির মজুমদারকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার জন্য দোয়া করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি কামনা করেন।
» সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে শেষ ‘ইউথ লিডারশিপ ট্রেনিং’ সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে তরুণ নেতৃত্বের কোন বিকল্প নেই
Published: ১৮. সেপ্টে. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের গঠনমূলক নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।
তাই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে তরুণদেরই সম্প্রীতির বার্তা সবখানে পৌঁছে দিতে হবে।”
সিলেটে তিন দিনব্যাপী ‘ইউথ লিডারশিপ ট্রেনিং (YLT)- ব্যাচ ১৩১১’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ আহ্বান জানান।
তরুণদের মাঝে বাস্তবমুখী নেতৃত্বের বিকাশ, সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা এবং অহিংস ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনের দৃপ্ত অঙ্গীকার নিয়ে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
‘ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার বাংলাদেশ’ সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে নগরীর সোবহানীঘাটস্থ একটি হোটেলের মিলনায়তনে ১৬ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা নিবিড় এই প্রশিক্ষণে সিলেটের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ জন সম্ভাবনাময় তরুণ প্রতিনিধি অংশ নেন।।
তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে তরুণ নেতৃত্বের প্রভাব ও প্রসার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও বিশ্বাস, সহনশীলতা, সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে ঘৃণামূলক বক্তব্য প্রতিরোধে (Countering Hate Speech) তরুণদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা ও প্রায়োগিক সেশন পরিচালিত হয়।
প্রশিক্ষণে ফেসিলেটর হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন, জাতীয় ফোরাম সদস্য ও আঞ্চলিক সমন্বয়কারী (সিলেট) তামিম রাহমান চৌধুরী, সাবেক জাতীয় ফোরাম সদস্য ও আঞ্চলিক সমন্বয়কারী (ময়মনসিংহ) সোলেমান শেখ, সাবেক যুগ্ম আঞ্চলিক সমন্বয়কারী (সিলেট) দুর্জয় রায়, সাবেক যুগ্ম আঞ্চলিক সমন্বয়কারী (সিলেট) তামান্না আক্তার, ফেসিলেটর তাজকিয়া ফারহানা, জাতীয় ফোরাম সদস্য ও আঞ্চলিক সমন্বয়কারী (সিলেট) মো. এহসান মাজিদ সাদি, সিলেট জেলা সমন্বয়কারী ও ফোর্ব ইয়ুথ নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী তাহসিনা আক্তার রিমা এবং শাবিপ্রবির যুগ্ম জেলা সমন্বয়কারী রুহিল মাদিনি মিম।
প্রশিক্ষণ চলাকালে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের জ্যেষ্ঠ ইয়ুথ লিডাররা উপস্থিত থেকে তরুণদের অনুপ্রাণিত করেন।
পুরো আয়োজনে ট্রেনিং ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার সিলেট জেলার যুগ্ম জেলা সমন্বয়কারী হাবিবুর রহমান তানভির।
প্রশিক্ষণ চলাকালীন বিভিন্ন দিনে বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত হয়ে অংশগ্রহণকারীদের দিকনির্দেশনা দেন।
প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে বক্তব্য রাখেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দা শিরিন আক্তার এবং তৃতীয় দিনে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক মো. আব্দুল মান্নান খান।
শুক্রবার সমাপনী দিনে অতিথিবৃন্দ প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফোর্ব (FoRB) সিলেট জেলা ফোরামের সভাপতি প্রফেসর আবুল কাশেম, ফোর্ব সিলেট জেলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ফয়সল আহমদ বাবলু এবং দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী নাজমুল হুদা মিনা।
» ওয়াদুদ-ময়মুন্নেছা ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ হার্ট রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে হৃদরোগ চিকিৎসা সেবা নিলেন ৯০ জন
Published: ১৮. সেপ্টে. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে ওয়াদুদ-ময়মুন্নেছা ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ হার্ট রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী ফি হার্ট চেক-আপ ও স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বড়লেখা উপজেলার পাকশাইল গ্রামের ওয়াদুদ-ময়মুন্নেছা ফাউন্ডেশন ফ্রি ফ্রাইডে অ্যান্ড কমিউনিটি ক্লিনিকে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার অন্তর্গত পাকশাইলে ক্যাম্পে রক্তচাপ, রক্তের শর্করা ও ইসিজি পরীক্ষাসহ বিনামূল্যে চিকিৎসকের পরামর্শ এবং চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন মোট ৯০ জন রোগী।
এর মধ্যে ৫২ জন নারী এবং ৩৮ জন পুরুষ। নারী রোগীদের তুলনামূলক বেশি অংশগ্রহণ ক্যাম্পটির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে দেখা গেছে।
আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় মানুষের জন্য বিনামূল্যে হৃদরোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিং ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার পাকশাইল গ্রামের কৃতি জন এবং মরহুম এম এ ওয়াদুদ এবং মরহুম ময়মুন্নেছা খাতুনের সুযোগ্য সন্তান স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত প্রখ্যাত শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসর প্রাপ্ত) প্রফেসার ডা. নুরুন নাহার ফাতেমার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং পরামর্শক্রমে এই ফ্রি ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘ডোন্ট মিস এ বিট’ হৃদরোগের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন হন, নিয়মিত হার্ট চেক-আপ করুন’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত ক্যাম্পে চিকিৎসকরা গ্রামের অসহায় রোগীদের রক্তের শর্করা ও রক্তচাপ পরিমাপের পাশাপাশি ইসিজি পরীক্ষা করেন।
পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ ও করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ক্যাম্পে অংশ নেওয়া চিকিৎসক ও আয়োজকরা বলেন, হৃদরোগ বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ।
তবে সচেতনতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সময়মতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসার মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
তাঁরা বলেন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান এবং অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস হৃদরোগের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ কারণ। তাই নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তের শর্করা পরীক্ষা করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরি।
তাঁরা আরও বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দায়িত্ব। অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা কিংবা স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবে অনেক মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান না।
এর ফলে হৃদরোগের মতো অনেক রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত না হয়ে পরবর্তীতে জটিল আকার ধারণ করতে পারে। বিনামূল্যের এ ধরনের ক্যাম্প প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
বিনামূল্যে চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর সুযোগ পেয়ে ক্যাম্পে আসা রোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা জানান, মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
ক্যাম্পটি বাস্তবায়নে ওয়াদুদ-ময়মুন্নেছা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ কে এম ফারুক, অফিস সেক্রেটারি রুবিনা আফরোজ মুনা, প্রজেক্ট সেক্রেটারি মাহমুদা ফারহীন, সবু এবং মেডিক্যাল অফিসার ডা. সিরাজুর রহমান সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা দেন পার্কভিউ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আব্দুল্লাহ ইবনে আমিন চৌধুরী।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, পার্কভিউ হাসপাতালের আরএমও মুফতি মোহাম্মদ সামস এবং ফার্মাকোলজি বিভাগের লেকচারার কে এম হাফিজুর রহমান।
আয়োজকদের মতে, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে ওয়াদুদ-ময়মুন্নেছা ফাউন্ডেশন স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ভূমিকা রেখে চলেছে।
ভবিষ্যতেও সমাজকল্যাণমূলক এ ধরনের কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।
» স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের সভায় সিদ্ধান্ত
Published: ১৭. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সিলেটের পুরোনো কারাগারের স্থানে হবে নান্দনিক পার্ক ও মাহবুব আলী খান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর বুক থেকে এবার সরে যাচ্ছে পুরোনো কারাগারের দেয়াল। সেই জায়গায় গড়ে উঠবে নান্দনিক পার্ক।
পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর প্রচেষ্টায় নগরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হয়েছে। পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের জমি সিসিকের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপি।
সভায় শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, কারা মহাপরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল সহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের আবদ্ধ জায়গা এবার হবে উন্মুক্ত: সিলেট নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এখানে পার্ক নির্মাণের জন্য বাদাঘাটে কেন্দ্রীয় কারাগার নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এখানে পার্ক নির্মাণ না করে উঁচু দেয়ালের ভেতরেই আবদ্ধ করে রাখা হয় বিশাল এই নগরভূমিকে।
এবার সেই জায়গাই উন্মুক্ত হবে নগরবাসীর জন্য। এখানে থাকবে সবুজের সমারোহ। থাকবে হাঁটার পথ। থাকবে নির্মল বাতাসে স্বস্তির পরিসর। নগরীর ব্যস্ত জীবনে কিছুটা প্রশান্তির জায়গা হবে এই পার্ক।
সিলেটকে গ্রিন ও ক্লিন, নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার যে প্রত্যয় নেওয়া হয়েছে, নতুন এই পার্ক সেই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হবে।
নগরবাসীর দীর্ঘদিনের চাহিদাও ছিল এমন একটি উন্মুক্ত স্থান। যেখানে শিশু-কিশোররা সময় কাটাতে পারবে। বয়স্করা হাঁটতে পারবেন। পরিবার নিয়ে মানুষ কিছুটা সময় কাটাতে পারবেন।
উদ্যোগে এমপি ও সিটি প্রশাসক:
পুরোনো কারাগারের স্থানে একটি নান্দনিক বিনোদন পার্ক নির্মাণ ছিল স্থানীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি।
একইভাবে বিভিন্ন সময়ে নগরবাসীকে এই জায়গায় পার্ক নির্মাণের কথা বলেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তাঁর লক্ষ্য ছিল নগরবাসীর জন্য একটি উন্মুক্ত ও সবুজ পরিসর তৈরি করা।
যেখানে মানুষ মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে পারবেন। নির্বিঘ্নে হাঁটতে পারবেন। পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে পারবেন।
এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি এবং সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বরাবর আধা-সরকারি (ডিও) পত্র দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে।
কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে। সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে ভূমিটি সিলেট সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে প্রতিবেদন দেয়।
বৃহস্পতিবারের সভায় সেই প্রতিবেদন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এরপর পার্ক ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নির্মাণের জন্য ভূমিটি সিলেট সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুরোনো কারাগারের এই জায়গায় সিটি করপোরেশন কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারবে না।
অর্থাৎ, নগরবাসীর জন্য নির্ধারিত এই জায়গার মূল উদ্দেশ্য থাকবে জনকল্যাণ ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা। কারাগারের সব বন্দিকে বাদাঘাটে অবস্থিত কারাগারে স্থানান্তর করা হবে। সেখানে ‘সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২’ নামে আরেকটি কারাগার নির্মাণ করা হবে।
এক পাশে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:
নান্দনিক পার্কের পাশাপাশি এখানে নির্মাণ করা হবে রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। ফলে জায়গাটি শুধু বিনোদনের কেন্দ্র হবে না। হয়ে উঠবে ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
একদিকে থাকবে সবুজের প্রশান্তি। অন্যদিকে থাকবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার স্মারক। নতুন প্রজন্ম এখানে বিনোদনের পাশাপাশি দেশের ইতিহাস জানার সুযোগ পাবে। মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে তাদের পরিচয় আরও গভীর হবে।
সিসিক প্রশাসকের কৃতজ্ঞতা:
পুরোনো কারাগারের জায়গায় পার্ক ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নির্মাণের জন্য ভূমিটি সিলেট সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে সিসিক প্রশাসক বলেন, “নগরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। পুরোনো কারাগারের জায়গায় নান্দনিক পার্ক হবে। এক পাশে হবে রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।”
তিনি জানান, অচিরেই পার্ক ও জাদুঘর নির্মাণের কাজ শুরু হবে। কারাগারের সব বন্দিকে বিদ্যমান কারাগারে স্থানান্তরের পর পুরো জায়গাটি ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ পার্কে রূপ দেওয়া হবে।
নগরবাসীর জন্য নতুন এক স্বস্তির ঠিকানা:
পুরোনো কারাগারের এই জায়গাটি এতদিন ছিল উঁচু দেয়ালে ঘেরা। নাগরিক জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও জায়গাটি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। সেই চিত্র এবার বদলাতে যাচ্ছে। কারাগারের দেয়ালের জায়গায় উঠবে সবুজ। বন্দিত্বের জায়গায় তৈরি হবে উন্মুক্ত পরিসর।
ইট-কংক্রিটের নগরীতে যোগ হবে প্রশান্তির নতুন ঠিকানা। সিলেট নগরবাসী সেখানে হাঁটবেন। শিশুরা খেলবে। পরিবার নিয়ে মানুষ সময় কাটাবে। প্রবীণরা পাবেন স্বস্তির পরিসর। আর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর স্মরণ করিয়ে দেবে একটি জাতির আত্মত্যাগের ইতিহাস।
একটি পুরোনো কারাগারের জমি তাই কেবল একটি পার্কে রূপান্তরিত হচ্ছে না। নগরীর একটি আবদ্ধ অধ্যায়ের জায়গায় তৈরি হচ্ছে মানুষের জন্য উন্মুক্ত ভবিষ্যৎ।
» ব্যবসায়ীদের অস্তিত্ব রক্ষায় সিলেট শাহী ঈদগাহ মাঠে সৃজনশীল পণ্য প্রদর্শনী মেলা বন্ধের দাবি
Published: ১৭. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
স্মারকলিপি প্রদান ও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
নিউজ ডেস্কঃ
বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট, তীব্র বিদ্যুৎ বিভ্রাট (লোডশেডিং) ও ব্যবসায়িক মন্দার মধ্যে সিলেটে সৃজনশীল পণ্য প্রদর্শনী মেলার আয়োজনের উদ্যোগকে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অস্তিত্বের জন্য চরম হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।
পৃথক পৃথক ভাবে মেলা বন্ধ এবং বছরে মাত্র একটি আন্তর্জাতিক মেলা আয়োজনের দাবিতে আগামী রবিবার সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনারের নিকট স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অনতিবিলম্বে মেলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না এলে ধর্মঘটসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সিলেট দোকান মালিক সমিতি ও বিভিন্ন মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর বারুতখানাস্থ ফুড প্যারাডাইস হোটেলের হলরুমে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলা ও মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এক জরুরি যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব, সিলেট জেলা শাখার মহাসচিব ও সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান রিপনের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যৌথ পরিচালনা করেন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নিয়াজ মোহাম্মদ আজিজুল করিম এবং মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদি পাভেল।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুল মল্লিক মুন্না।
সভায় বক্তারা বলেন, কর্মচারীদের বেতন ও দোকান ভাড়াসহ আনুষঙ্গিক পরিচালনা খরচ তুলতেই যেখানে ব্যবসায়ীরা হিমশিম খাচ্ছেন, সেখানে পৃথক একাধিক মেলা স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হবে।
ব্যবসায়ী নেতারা স্পষ্ট করেন, তারা মেলার বিরোধী নন। প্রচলিত বাণিজ্য নীতি অনুযায়ী জেলায় বছরে একটি আন্তর্জাতিক মেলা অনুষ্ঠিত হলে সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে।
কিন্তু পৃথক মেলার সিদ্ধান্ত পরিহার করে সিলেট চেম্বার, মেট্রোপলিটন চেম্বার ও উইমেন চেম্বারকে যৌথভাবে বছরে একটি মেলা আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়।
ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, জেলা প্রশাসক এবং এসএমপি কমিশনারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।
আগামী তিন দিনের মধ্যে মেলা বন্ধের সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না এলে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বার্তা দেন তারা।
সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট দোকান মালিক সমিতি জেলার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল আহাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিকুল করিম, কার্যনির্বাহী সদস্য মঈন উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি জেলার সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমীন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক গোলাম আম্বিয়া চৌধুরী নোমান, শুকরিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি শুয়েব আহমদ রশীদ, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহেদ আহমদ, রাসেল আহমদ, সমিরণ দে, মো. মোয়েজ মিয়া শুভ, শুকরিয়া আধুনিক বিপণী বিতান ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমীন, কোর্ট পয়েন্ট ব্যাংক মসজিদ মার্কেট ইনামুল করিম চৌধুরী, ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড শপিং সিটি ব্যবসায়ী সমিতি সভাপতি শুয়েব আহমদ অভি, বৃহত্তর জিন্দাবাজার ব্যবসায়ী সমিতি ফরহাদ উল্লাহ চৌধুরী, জেলা ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক লায়েক মিয়া, আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল নাছির, মধুবন সুপার মার্কেট সাধারণ সম্পাদক মনছুর আহমদ, কুমারপাড়া ব্যবসায়ী সমিতি সাধারণ সম্পাদক নাহিদুর রহমান, বিপণী বিতান মার্কেট সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ, সচেতন ব্যবসায়ী সমাজ মীর মোহাম্মদ জাকারিয়া, সিলেট ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী সমিতি সাধারণ সম্পাদক ইমাম উদ্দিন কামাল, নয়াসড়ক বিএসএ সাধারণ সম্পাদক হুসাইন আহমদ এবং সিলেট ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদ সহ-সভাপতি লুৎফুর রহমান লিলু প্রমুখ।
এদিকে বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক মন্দা, অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতি এবং তীব্র বিদ্যুৎ ঘাটতির বিষয়টিকে বিবেচনায় রেখে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা ব্যতীত সিলেটে যেকোন ধরনের স্থানীয়, পণ্য বা ইনডোর মেলা আয়োজনে অনুমতি না দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এসএমসিসিআই)।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির সভাপতি খায়রুল হোসেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর দাবির প্রতি পূর্ণ একাত্মতা ও সমর্থন প্রকাশ করে এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে এসএমসিসিআই সভাপতি উল্লেখ করেন, সিলেটের স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা বছরজুড়ে চড়া দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, কর্মচারীদের বেতন এবং সরকারি কর ও ভ্যাট পরিশোধ করে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
এমন সংকটময় অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে হঠাৎ স্বল্পমেয়াদি মেলা কিংবা ইনডোর মেলার আয়োজন করা হলে নিয়মিত ও স্থায়ী ব্যবসায়ীরা অসম ও অসাধু প্রতিযোগিতার মুখে পড়েন।
এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিপুল বিনিয়োগ এবং হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে চেম্বার সভাপতি বলেন, বর্তমানে তীব্র বিদ্যুৎ ঘাটতি ও সরবরাহ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে সিলেটের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো এমনিতেই চরম ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
এমন বাস্তবতায় অনাবশ্যক মেলা আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ও স্থানীয় অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা কোনভাবেই যুক্তিযুক্ত বা বাস্তবসম্মত নয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করে সুষ্ঠু ও সমতাভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখতে স্থানীয় যেকোনো মেলার অনুমতি বাতিল ও বন্ধের জোর দাবি জানান তিনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখলেও স্থানীয় বাজার ও ব্যবসায়িক বাস্তবতার বিষয়টিকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করা যাবে না।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি (সিলেট জেলা শাখা), সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যকল্যাণ পরিষদ ও সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্যকল্যাণ পরিষদের যৌথ দাবির প্রতি পুর্ণ সমর্থন জানিয়ে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার।
» সিলেট মহানগর বিএনপির প্রবাসী ৩ উপদেষ্টার পদ স্থগিত
Published: ১৭. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
যথাযথ বিধিসম্মত না হওয়ায় সিলেট মহানগর বিএনপির তিন জন প্রবাসী উপদেষ্টার পদ স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইন ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
পদ স্থগিত হওয়া তিন উপদেষ্টা হলেন, ফয়ছল আহমদ (যুক্তরাজ্য), সাইফুর হারুন (যুক্তরাষ্ট্র), মোহাম্মদ হুমায়ূন মিলাদ (যুক্তরাজ্য)।
» ১১ অক্টোবর রেজিস্টারী মাঠে আমিরে মজলিসের নাগরিক সমাবেশ সফল করে তুলুন : আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম
Published: ১৭. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বি.কে.এম) সিলেট মহানগর শাখার কার্যনির্বাহী পরিষদের জরুরী বৈঠক বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব লালদিঘীরপারস্থ কার্যালয়ে শাখা সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বি.কে.এম সিলেট মহানগর সহ-সভাপতি মাওলানা মুহিবুর রহমান, মাওলানা সানা উল্লাহ, ডা. মাওলানা আব্দুল আহাদ, মাওলানা কমর উদ্দিন, ডা. মাওলানা মোস্তফা আহমদ আজাদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আমিন আহমদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ রিয়াজ উদ্দিন আল মামুন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি মাওলানা আব্দুল সালাম, বায়তুল মাল সম্পাদক অধ্যক্ষ বদরুল আলম, প্রচার ও মিডিয়া সমন্বয়ক মাওলানা মনিরুল ইসলাম চৌধুরী ফুহাদ, সহ-প্রচার সম্পাদক মাওলানা শামসুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাজি আব্বাস জালালী, কারী মাওলানা আবুল হোসাইন, মুহাম্মদ সিকন্দর আলী, হাফিজ তারেক হাসান সাহেদ, মাওলানা আইয়ুব আলী কামালী, হাফিজ মাওলানা তফজ্জুল হক, মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা আব্দুল মুহাইমিন, মুফতি মোস্তফা হোসাইন, মুহাম্মদ সাজ্জাদ খান, মাওলানা বুকাইর আহমদ, মাওলানা জহুরুল হক, মাওলানা আনোয়ারুল হক প্রমুখ।
সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, আমিরে মজলিস শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হকের দেশব্যাপী নাগরিক সমাবেশের অংশ হিসেবে ১১ অক্টোবর সিলেট ঐতিহাসিক রেজিষ্টারী মাঠে বি.কে.এম মহানগর শাখার উদ্যোগে এক বিশাল নাগরিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
এতে সংগঠনের বিভিন্ন ওয়ার্ড শাখা থেকে নেতাকর্মীদের উপস্থিত থেকে সমাবেশকে সফল করে তুলার আহবান জানান।
বৈঠকে প্রায় ৩৫টি ওয়ার্ড সফর করার জন্য নির্বাহী বৈঠকে নেতৃবৃন্দকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পরিশেষে দেশ, জাতি, মুসিলম উম্মাহ ও নাগরিক সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
» বৃষ্টিতে ভিজেও থামেনি ভক্তদের পদচারণা, সিলেটে পালিত ভক্তিচারু স্বামী মহারাজের ৮১তম ব্যাসপূজা
Published: ১৭. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
ভক্তি, শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সিলেটে পালিত হয়েছে শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী মহারাজের ৮১তম শুভ ব্যাসপূজা মহোৎসব।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ইসকন সিলেট মন্দির প্রাঙ্গণে কীর্তনমেলা, মহা-অভিষেক, মহিমা কীর্তন ও মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।
সকাল থেকেই ইসকন সিলেট মন্দিরে ভক্তদের সমাগম শুরু হয়। মহা-অভিষেকের সময় বৃষ্টি শুরু হলেও এতে ভক্তদের উপস্থিতিতে ভাটা পড়েনি।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভক্তরা মন্দিরে এসে মহা-অভিষেকে অংশ নেন। এ সময় পুরো মন্দির প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
পরে অনুষ্ঠিত হয় কীর্তনমেলা ও শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী মহারাজের মহিমা কীর্তন। এতে উপস্থিত ভক্তরা বক্তব্যের মাধ্যমে গুরুমহারাজের আধ্যাত্মিক জীবন, শ্রীল প্রভুপাদের প্রতি তাঁর সেবা-নিষ্ঠা এবং বিশ্বব্যাপী কৃষ্ণভাবনামৃত প্রচারে তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ইসকন সিলেট ইয়ুথ ফোরামের কো-অর্ডিনেটর দেবামৃত নিতাই দাস ব্রহ্মচারী। তাঁর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীলরা বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী মহারাজ ছিলেন শ্রীল প্রভুপাদের একজন নিবেদিতপ্রাণ শিষ্য।
বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে বৈষ্ণব ভাবধারার সাহিত্য পৌঁছে দিতে তাঁর অনুবাদ কার্যক্রম এবং শ্রীল প্রভুপাদের জীবন ও শিক্ষা মানুষের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে স্মরণীয়।
১৯৪৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন ভক্তিচারু স্বামী মহারাজ। উচ্চশিক্ষার জন্য জার্মানিতে অবস্থানকালে বৈদিক শাস্ত্রের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে। পরবর্তীতে শ্রীল প্রভুপাদের সান্নিধ্যে এসে তাঁর জীবন আধ্যাত্মিক সেবায় নিবেদিত হয়।
ইসকনের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ, ‘অভয়চরণ’ ধারাবাহিক নির্মাণ, শিক্ষা, সমাজসেবা ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।
ইসকন সিলেটের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সমাজসেবা বিভাগের সদস্য বুদ্ধি গৌর দাস অধিকারী, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগের সম্পাদক শ্রীধর সুধাম দাস অধিকারী, মন্দিরের প্রধান পূজারি কালচক্র নৃসিংহ দাস ব্রহ্মচারী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের কমিশনার রসিক অদ্বৈত দাস অধিকারী এবং গৃহস্থ কাউন্সিল বিভাগের সভাপতি সুমঙ্গল গৌর দাস অধিকারীসহ বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীলরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ইসকন সিলেটের গৃহস্থ, ব্রহ্মচারী, ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা মহোৎসবে অংশ নেন।
ব্যাসপূজা উপলক্ষে ভক্তরা দুপুর পর্যন্ত উপবাস পালন করেন। পরে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে উপস্থিত সকলের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। মহাপ্রসাদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে ব্যাসপূজা মহোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।
শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী মহারাজ ২০২০ সালের ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দেহত্যাগ করেন। জন্মদিনে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সিলেটের ভক্তরা নানা আয়োজনে দিনটি পালন করেন।
» ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের সীরাতুন্নবী (সা.) সেমিনার
Published: ১৭. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সমাজে শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় রাসুল (সা.) সর্বোত্তম আদর্শ : ড. নূরুল ইসলাম বাবুল
সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর, বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট সমাজসেবী আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী ড. নূরুল ইসলাম বাবুল বলেছেন, সামাজিক অস্থিরতা, অন্যায় ও রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণে রাসুল (সা.)-এর আদর্শ অনুসরনের বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, রাসুল (সা.) কোনো নির্দিষ্ট জাতি বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টায় বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেট আয়োজিত সীরাতুন্নবী (সা.) সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের সভাপতি অ্যাডভোকেট আলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল খালিকের পরিচালনায় সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির ৩ নম্বর বার হলে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট মাসহুদ আহমদ চৌধুরী মহসিন।
অ্যাডভোকেট মো. সালেহ আহমদের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সুচীত সেমিনারে নাতে রাসুল (সা.) পরিবেশন করেন, অ্যাডভোকেট আব্দুল গফ্ফার ও অ্যাডভোকেট আব্দুল কাইয়ূম।
সেমিনারে বক্তব্য রাখেন, ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, অ্যাডভোকেট মো. আজীম উদ্দীন, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সোয়েব আহমদ, সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সফিকুল ইসলাম, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন দীলু, অ্যাডভোকেট সলমান উদ্দিন, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সমাজ ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মইনুল ইসলাম, বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট জুনেদ আহমদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইয়াসিন খান, ব্যারিষ্টার আবুল ফজল চৌধুরী, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট রবিউল ইসলাম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজুর আহমদ, অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট মুমিনুর রহমান টিটু, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম সোহাগ, অ্যাডভোকেট শোয়েব আহমদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান, অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন, অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন শামীম, অ্যাডভোকেট ফারুক আহমদ, অ্যাডভোকেট আব্দুল হাফিজ, অ্যাডভোকেট আবজল মিয়া তালুকদার,অ্যাডভোকেট কাজী আতিকুর রহমান,অ্যাডভোকেট আসাদুর রহমান, অ্যাডভোকেট সেলিমুর রহমান, অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম চৌধুরী,অ্যাডভোকেট মওদুদ ত্বকী বান্না প্রমূখ।
সেমিনারে ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ ছাড়াও সিলেটে কর্মরত আইনজীবীগণ উপস্থিত ছিলেন।
» সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত এডহক কমিটিকে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অভিনন্দন
Published: ১৭. সেপ্টে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির নতুন সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান পাপলু এবং সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা মওদুদকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, সিলেট।
ক্লাবের সভাপতি দানবীর ড. সৈয়দ রাগিব আলী ও সাধারণ সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী এক যৌথ বার্তায় এ অভিনন্দন জানান।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রদত্ত অভিনন্দন বার্তায় ক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটিতে অভিজ্ঞ ও ক্রীড়ানুরাগী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও গতিশীল করবে।
আমরা বিশ্বাস করি, সকলের নেতৃত্বে সিলেটের খেলাধুলার সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হবে এবং নতুন নতুন খেলোয়াড় তৈরির পথ সুগম হবে। নেতৃবৃন্দ নবগঠিত কমিটির সফলতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খাঁন (এনডিসি) স্বাক্ষরিত এক সরকারি প্রজ্ঞাপনে সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার এই নতুন এডহক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
» বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবন বিপর্যস্ত : বাসদ
Published: ১৬. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
নিউজ ডেস্কঃ
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের সমাধান, নিত্যপণ্যের দাম কমানো ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকাল ৫টায় ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে বাসদ সিলেট জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর এর সভাপতিত্বে ও জেলা সদস্য জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন এর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাসদ জেলা সদস্য নাজিকুল ইসলাম রানা, এম এ ওয়াদুদ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট এর সহ সভাপতি শহিদ আহমদ, জাহেদ আহমদ, মাহফুজ রহমান, সংগ্রাম পরিষদের নিজাম উদ্দিন,আসাদ মিয়া,আল আমিন, সামছুল ইসলাম, মাহিন আহমেদ, সাজিদ নূর প্রমূখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের আমদানি-নির্ভরতা, ভুল পরিকল্পনা, অপচয়, দুর্নীতি, অস্বচ্ছ চুক্তি এবং দেশীয় জ্বালানি সম্পদের যথাযথ ব্যবহারে ব্যর্থতা সংকটকে গভীর করেছে।
তাই জনগণের স্বার্থে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পরিকল্পনা পুনর্বিন্যাস করতে হবে।
দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন বাড়ানো, সাশ্রয়ী ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থার অপচয়-দুর্নীতি বন্ধ করার কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
সংকটে দোহাই দিয়ে বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বাড়ানো কিংবা বেসরকারিকরণ সমস্যার সমাধান নয়।
বক্তারা বলেন, নিত্যপণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠছে।দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেই।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে নজরুল বর্ষ উদযাপন
Published: ১৬. সেপ্টে. ২০২৬ | বুধবার
কবিতা, গান ও নাটকে নজরুলের মানবিক চেতনার বন্দনা : অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক
নিউজ ডেস্কঃ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬’।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজ প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা, আবৃত্তি, নাটক, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও সাহিত্য প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নজরুল একাডেমি সিলেটের অধ্যক্ষ ও নজরুল সংগীত শিল্পী পরিষদ সিলেট বিভাগের সভাপতি হিমাংশু বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক ও সিনিয়র প্রভাষক রণজিৎ পুরকায়স্থ।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে নজরুল চর্চার প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রভাষক মীর হোসাইন সরকার ও উপাধ্যক্ষ নাহিদা খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রখ্যাত নজরুল সংগীত শিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল ধ্রুবতারা।
তাঁর সৃষ্টিকর্মে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাম্য ও বিদ্রোহের দীপ্তির পাশাপাশি প্রেম, চরম মানবতা ও অসাম্প্রদায়িকতার গভীর প্রকাশ ঘটেছে।
নতুন প্রজন্মকে নজরুলের সাহিত্য ও সংগীতের সাথে নিবিড়ভাবে পরিচিত করানোর মাধ্যমে তাঁর অমলিন চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, নজরুল কেবল পাঠ্যপুস্তকের পাঠের বিষয় নন, তাঁর মূল আদর্শ ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনকে আলোকিত করার অপার শক্তি রাখে।
নজরুল মানেই তারুণ্যের সাহস, মানবতার কণ্ঠ ও সাম্যের প্রেরণা।
এ ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
বক্তব্যে তিনি জাতীয় কবিকে স্মরণীয় করে রাখতে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উদযাপনের সরকারি উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আলোচনা পর্ব শেষে আয়োজিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পর্বে শিক্ষার্থীরা নজরুলের লেখা বিখ্যাত কবিতা আবৃত্তি, কালজয়ী গান পরিবেশন এবং কবি নজরুলের জীবন ও সাম্যবাদী দর্শনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বিশেষ নাটক মঞ্চস্থ করে।
সাংস্কৃতিক পর্বের প্রধান আকর্ষণ ছিল প্রধান অতিথি ও প্রখ্যাত শিল্পী হিমাংশু বিশ্বাসের খালি গলায় পরিবেশিত কয়েকটি রাগ প্রধান নজরুল সংগীত।
তাঁর নিখুঁত ও প্রাণবন্ত পরিবেশনায় উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক ও হাজারো শিক্ষার্থী মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়েন।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্ব যৌথভাবে সাবলীল ও নান্দনিক ভঙ্গিতে উপস্থাপনা করেন কলেজের প্রভাষক তোফায়েল আহমেদ শিহাব ও তমালিকা তালুকদার।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
কলেজের সর্বস্তরের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে জাতীয় কবির অসাম্প্রদায়িক আদর্শ ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে বর্ণাঢ্য এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।


