শিরোনামঃ-

» কুরবানী সংক্রান্ত কিছু জরুরী মাসায়েল

Published: ২১. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

মাওলানা হারুনুর রশীদঃ
কুরবানী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি আদায় করা ওয়াজিব। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি এই ইবাদত পালন করেনা তার ব্যাপারে হাদিস শরীফে এসেছে, যার সামর্থ্য রয়েছে কিন্তু কুরবানী করেনা সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।
মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস ৩৫১৯

❖ কার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব:
মাসআলাঃ প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী যে ১০ জিলহজ্জ ফজর থেকে ১২ জিলহজ্জ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। টাকা-পয়সা সোনা-রূপা, অলংকার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসেনা এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ী, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কুরবানী নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাব যোগ্য।

আর নেসাব হল স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রূপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি, টাকা পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নেসাব হল-এর মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রূপা কিংবা টাকা পয়সা এগুলোর কোন একটি যদি পৃথক ভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায় তাহলেও তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব।
আলমুহিতুল বুরহানী ৮/৪৫৫ পৃ:

❖ কুরবানী করতে না পারলে
মাসআলাঃ কেউ যদি কুরবানী দিনগুলোতে ওয়াজিব কুরবানী দিতে না পারে তাহলে কুরবানীর পশু ক্রয় না করে থাকলে তার উপরে কুরবানীর উপযুক্ত একটি ছাগলের মূল্য সদকা করা ওয়াজিব। আর যদি পশু ক্রয় করেছিল কিন্তু কোনো কারণে কুরবানী দেওয়া হয়নি তাহলে ঐ পশু জীবিত সদক্কা করে দিবে।
ফত্ওয়ায়ে কাযীখান ৩/৩৪৫

❖ কোন পশু দ্বারা কুরবানী করা যাবে
মাসআলাঃ উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা দ্বারা কুরবানী করা জায়েয। এসব গৃহপালিত পশু ছাড়া অন্যান্য পশু যেমন হরিন, বন্য গরু ইত্যাদি দ্বারা কুরবানী করা জায়েয নয়।
ফত্ওয়ায়ে কাযীখান ৩/৩৪৮ পৃ;

❖ কুরবানীর পশুর বয়সসীমা:
মাসআলাঃ উট কমপক্ষে পাঁচ বছরের হতে হবে। গরু ও মহিষ কমপক্ষে দুই বছরের হতে হবে। আর ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা যদি ১ বছরের কিছু কম হয় কিন্তু এমন হৃষ্টপুষ্ট হয় যে, দেখতে এক বছরের মতো মনে হয় তাহলে তা দ্বারাও কুরবানী করা জায়েয। অবশ্য এক্ষেত্রে কমপক্ষে ছয় মাস বয়সের হতে হবে। উল্লেখ্য ছাগলের বয়স এক বছরের কম হলে কোনো অবস্থাতেই তা দ্বারা কুরবানী জায়েজ হবেনা।
ফত্ওয়ায়ে কাযীখান ৩/৩৪৮ পৃ;

মাসআলাঃ উট, গরু, মহিষ সাত ভাগে এবং সাতের কমে যে কোনো সংখ্যা যেমন দুই তিন, চার, পাঁচ ও ছয় ভাগে কুরবানী করা জায়েয। অর্থাৎ কুরবানীর পশুতে এক সপ্তমাংশ বা এর অধিক যে কোনো অংশে অংশীদার হওয়া জায়েজ।

এক্ষেত্রে ভগ্নাংশ যেমন দেড় ভাগ, আড়াই ভাগ, সাড়ে তিন ভাগ হলেও কোনো সমস্যা নেই।
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩১৮

❖ কোরবানীর পশুতে আকিকার অংশ:
মাসআলাঃ কুরবানীর গরু, মহিষ ও উটে আকিকার নিয়তে শরিক হতে পারবে। এতে কুরবানী ও আকিকা দুটোই সহিহ হবে।
রদ্দুল মুখতার ৬/৩৬২

মাসআলাঃ শরিকদের কারো পুরো বা অধিকাংশ উপার্জন যদি হারাম হয় তাহলে কারো কুরবানী সহিহ হবেনা।

মাসআলাঃ যদি কেউ গরু, মহিষ বা উট একা কুরবানী দেওয়ার নিয়তে কিনে আর সে ধনী হয় তাহলে ইচ্ছা করলে অন্যকে শরীক করতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে একা কুরবানী করা ভালো। শরীক করলে সে টাকা সদকা করে দেওয়া উত্তম।
বাদায়েউস সানায়ে ৪/২১০ পৃ:

❖ রুগ্ন ও দুর্বল পশু কুরবানী:
মাসআলাঃ এমন শুকনো দুর্বল পশু, যা জবাইয়ের স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারেনা তা দ্বারা কুরবানী করা জায়েয নয়।
জামে তিরমিজ ১/২৭৫ পৃ:

❖ দাঁত নেই এমন পশুর কুরবানী
মাসআলাঃ গরু ছাগলের অধিকাংশ দাঁত না থাকলেও যে কয়টি দাঁত আছে তা দ্বারা যদি ঘাস চিবিয়ে খেতে পারে তবে সেটি দ্বারা কুরবানী সহিহ। কিন্তু দাঁত পড়ে যাওয়ার কারণে যদি ঘাস চিবিয়ে খেতে না পারে তবে ঐ পশু কুরবানী করা যাবেনা।
ফতওয়ায়ে আলমগিরী ৫/২৯৮ পৃ:

❖ যে পশুর শিং ভেঙে বা ফেটে গেছে
মাসআলাঃ যে পশুর শিং একবারে গোড়া থেকে ভেঙে গেছে যে কারণে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সে পশু দ্বারা কুরবানী জায়েয নয়। কিন্তু শিং ভাঙ্গার কারণে মস্তিষ্কে যদি আঘাত না পৌঁছে তাহলে সেই পশু দ্বারা কুরবানী করা জায়েয।

আর যে পশুর অর্ধেক শিং বা কিছু শিং ফেটে বা ভেঙে গেছে বা শিং একবারেহী উঠেনি সে পশু দ্বারা কুরবানী করা জায়েজ।
জামে তিরমিজি ১/২৭৬ পৃ:

❖ কান বা লেজ কাটা পশুর কুরবানী
মাসআলাঃ যে পশুর লেজ বা কোন কান অর্ধেক বা তার চেয়ে বেশী কাঁটা সে পশুর কুরবানী জায়েয নয়। আর যদি অর্ধেকের কম হয় তাহলে কুরবানী জায়েয। তবে জন্মগত ভাবে যদি কান ছোট হয় তাহলে অসুবিধা নেই।
জামে তিরমিজি ১/২৭৬ পৃ:

❖ মৃতের পক্ষ থেকে কুরবানী
মাসআলাঃ মৃতের পক্ষ থেকে কুরবানী করা জায়েজ। মৃত ব্যক্তি যদি ওসিয়ত না করে থাকে তবে সেটি নফল কুরবানী হিসাবে গণ্য হবে। কুরবানীর স্বাভাবিক গোশতের মতো তা নিজেরাও খেতে পারবে। আর যদি মৃত ব্যক্তি কুরবানীর ওসিয়ত করে গিয়ে থাকে তবে এর গোশত নিজেরা খেতে পারবেনা গরিব মিসকিনদের মাঝে-সদকা করে দিতে হবে।

❖ কাজের লোককে কুরবানীর গোশত খাওয়ানো
মাসআলাঃ কুরবানীর পশুর কোনো কিছু পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া জায়েজ নয়। অবশ্যই এ সময় ঘরের ও অন্যান্য সদস্যদের মতো কাজের লোকদের কেও গোশত খাওয়ানো যাবে।
ইমদাদুল মুফতিন ৮০২ পৃ:

❖ জবাইকারী কে পারিশ্রমিক দেওয়া
মাসআলাঃ কুরবানীর পশু জবাই করে পারিশ্রমিক দেওয়া নেওয়া জায়েজ। তবে কুরবানীর পশুর কোন কিছু পারিশ্রমিক হিসাবে দেওয়া যাবে না।
কিফায়াতুল মুফতি/২৬৫ পৃ:

লেখকঃ
মাওলানা হারুনুর রশীদ
ইমাম ও খতিব, বড়শলা, নয়াবাজার জামে মসজিদ।

» নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত

Published: ২১. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বেসরকারি জাতীয় উন্নয়ন সংস্থা ‘নকশী বাংলা ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে সিলেটে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২১ মে) সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সুবিদবাজারস্থ হলিসিটি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আন্তর্জাতিক সংস্থা আইপিএএস বাংলাদেশ-এর সার্বিক সহযোগিতায় এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

বৃক্ষরোপণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট উইমেন্স চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভাইস-প্রেসিডেন্ট আলেয়া ফেরদৌসী তুলি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে দেশব্যাপী সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে নকশী বাংলা ফাউন্ডেশন সিলেটে মাসব্যাপী এই চমৎকার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ও তীব্র তাপদাহ মোকাবিলায় গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি, আশঙ্কাজনক বায়ুদূষণ ও নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণকে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে।

এই লক্ষ্যে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

আয়োজকরা বলেন, এই মাসব্যাপী কর্মসূচির আওতায় সিলেট জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফলজ, বনজ এবং ঔষধি গুনাগুণসম্পন্ন বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হবে।

রোপণকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম জয়নাল, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর ও সাংবাদিক মো. হাবিবুর রহমান, পাঠাগার সম্পাদক মো. একরাম হোসেন তালুকদার, হলিসিটি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল শিলা দেবী এবং শিক্ষিকা পূরবী নাথ।

পরিবেশ সুরক্ষার এই সচেতনতামূলক কার্যক্রমে বিদ্যালয়টির শতাধিক শিক্ষার্থী অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয় এবং নিজেদের আঙিনায় গাছ লাগানোর শপথ করে।

» সিলেটে বিমানবন্দরের ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি

Published: ২১. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বেষ্টনী ও নিরাপত্তা টহল সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণের অর্থ দ্রুত পরিশোধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকরা।

বৃহস্পতিবার  (২১ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবরে এই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, সিলেট সদর উপজেলার বিমানবন্দর থানার অন্তর্গত কেওয়াছড়া, ছালিয়া, বড়শালা ও আঙ্গারুয়া মৌজার ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের ৩, ৪ ও ৫নং ওয়ার্ডের ধূপাগোল, ছালিয়া, আটকিয়ারী, লালবাগ, রঙ্গিটিলা, চরচড়িকান্দি ও বাইশটিলা এলাকার জমি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ‘নিরাপত্তা বেষ্টনী ও নিরাপত্তা টহল সড়ক নির্মাণ প্রকল্প’-এর জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে।

ভূমির মালিকরা জানান, এলএ মামলা নং-১/২০২০ এর আওতায় ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে ৪ ধারার নোটিশ জারি ও যৌথ তদন্ত সম্পন্ন হলেও প্রায় ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও তারা ক্ষতিপূরণের অর্থ পাননি।

এমনকি ২০২৬ সালেও পুনরায় যৌথ তদন্ত করা হয়েছে। অথচ অধিগ্রহণ কার্যক্রমের পরও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়নি।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ‘স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইন, ২০১৭’ অনুযায়ী নোটিশ জারির এক বছরের মধ্যে ক্ষতিপূরণ প্রদানের বাধ্যবাধকতা থাকলেও দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

জমি বিক্রি, নামজারি, খাজনা পরিশোধ, ঘরবাড়ি মেরামত, সন্তানদের বিয়ে, বিদেশ গমনসহ নানা প্রয়োজনীয় কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, ২০২৪ সালের ভয়াবহ শিলাবৃষ্টিতে তাদের অধিকাংশ টিনশেড ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় সেগুলো সংস্কার করতে পারছেন না। ক্ষতিপূরণের অর্থ না পাওয়ায় অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।

স্মারকলিপিতে তারা অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার আবেদন ও যোগাযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত শুধু আশ্বাস মিলেছে, কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি।

এ অবস্থায় আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ না করা হলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিয়ে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারী দেখা দেওয়ার কারণে আমাদের প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট শাখার পক্ষ থেকে আমরা জানতে পারি যে, করোনাভাইরাসের

কারণে প্রকল্পটির কাজ কয়েকদিন স্থগিত ছিল। পরবর্তী সময়ে আমরা যোগাযোগ করার পর জানতে পারি যে প্রকল্পটি এখনও সংশোধনী পর্যায়ে রয়েছে।

বারবার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রস্তাবটি সংশোধন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সম্ভবত এগারোবার এই প্রস্তাবের সংশোধনী হয়েছে।

আমরা প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ মানুষ বেড়ার ভেতরে অবস্থান করছিলাম।

বৃষ্টির কারণে আমাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনো পর্যন্ত আমরা বৃষ্টির মধ্যেই দিন কাটাচ্ছি। ছাদ ফুঁড়ে বৃষ্টি পড়ছে, পানি ঢুকছে, ফলে আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি।

আমাদের বর্তমান জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে, ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই তিনি একটি সুরাহা করে দেবেন।

হয় প্রকল্পটি চালু থাকবে, না হলে এটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি আমাদের এ বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আশ্বাস দিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অনুরোধে আমরা আরও প্রায় দেড় মাস সময় দিয়েছি, যাতে রমজান মাসের মধ্যে প্রস্তাবটির সংশোধনের কাজ সম্পন্ন করা যায়। এরপরও কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয়নি।

বক্তারা আরও বলেন, এভাবে গত ছয় বছর ধরে আমাদের শুধু আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা দুর্ভোগের মধ্যেই আছি। আমরা ঠিকমতো খাবার-দাবারের ব্যবস্থা করতে পারছি না।

বাচ্চাদের পড়াশোনা, ঘরবাড়ির মেরামতসহ নানা প্রয়োজন ছয় বছরে তৈরি হয়েছে। কিন্তু আমাদের মৌলিক চাহিদাগুলোর কোনোটিই আমরা পূরণ করতে পারছি না।

একদিকে আইনের বাধার কথা বলে আমাদের সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে নামজারি, খাজনা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশোধনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন অফিসে গিয়ে আমরা কোনো সহযোগিতা পাচ্ছি না। অযথা হয়রানির শিকার হচ্ছি।

সুতরাং আজ আমরা এখানে এসেছি এই দাবি নিয়ে যে, আমরা প্রশাসনকে আরও ৪৫ দিন সময় দিয়েছি।

এই সময়ের মধ্যে হয় আমাদের প্রকল্পের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে, নয়তো প্রকল্পটি বাতিল ঘোষণা করতে হবে। এর বাইরে আর কোনো বিকল্প নেই।’

এ বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্পের অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের আবেদন আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি।

ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রক্রিয়ায় যেসব প্রশাসনিক ও কারিগরি জটিলতা রয়েছে, সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।

আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত ক্ষতিপূরণের অর্থ পান, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

» সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ

Published: ২১. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি অঙ্গিকারাবদ্ধ

নিউজ ডেস্কঃ
জুলাই সনদ নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী গুপ্ত চক্র কর্তৃক বিএনপির বিরুদ্ধে অব্যাহত মিথ্যা প্রচারণার প্রতিবাদে ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নগরীতে লিফলেট বিতরণ করেছে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে নগরীর কোর্ট পয়েন্ট ও বন্দরবাজার এলাকায় লিফলেট বিতরণে নেতৃত্ব দেন, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল ও সদস্য সচিব শাকিল মুর্শেদ।

লিফলেট বিতরণ কর্মসূচীতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, আব্দুর রউফ, কায়সান মাহমুদ সুমন, আহবায়ক কমিটির সদস্য প্রভাষক মাকসুদ আলম, সাইফুল আলম কোরেশী, সেলিম আহমদ, আয়াত আলী প্রিন্স, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নুরুল আমিন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এড. আলা উদ্দিন, জকিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এড. রুহুল আমিন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ফখরুল ইসলাম, ইউসুফ আহমদ, হারুন আহমদ, রুবেল আহমদ, আলম, শাহাদৎ খান, এস কে আলাল, রফিক, ইউসুফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নুরেছ আলী, আব্দুল মুকিত মুকুল, মিনহাজ সামছি, সৈয়দ আক্তার হোসেন ময়না, রেজা, লিমন, আলফাজ, আনসার আহমদ, হোসেন শিকদার প্রমুখ।

লিফলেট বিতরণ শেষে বন্দরবাজারে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল বলেন, সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাজনৈতিক দলগুলো কর্তৃক স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বিএনপি অক্ষরে অক্ষরে মানতে বদ্ধপরিকর।

গণভোটের প্রশ্ন (ক) নির্বাচনকালীন তত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হইবে।

গণভোটের চারটি প্রশ্নের মধ্যে খ নং প্রশ্ন জুলাই সনদে ১৮ ও ১৯ অনুচ্ছেদ পরিপন্থি, যা প্রতারনামূলক।

বিএনপি জুলাই সনদ অনুসারের ১০০ সদস্য বিশিষ্ট উচ্চ কক্ষ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি অত্যন্ত আন্তরিক হলেও একাত্তরের পরাজিত শক্তি জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা অপ্রপচার চালাচ্ছে।

এসব অপ্রপচার, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের স্বোচ্ছার থাকতে হবে।

» স্কলার্সহোম মেজরটিলায় সপ্তাহব্যাপী অভিভাবক সমাবেশ সম্পন্ন

Published: ২১. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সমন্বিত প্রচেষ্টাই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি : অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক

নিউজ ডেস্কঃ
শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক বিকাশ এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অভিভাবকদের কার্যকর যোগাযোগ জোরদারের লক্ষ্যে সিলেট নগরীর অন্যতম শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে সপ্তাহব্যাপী ‘অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা’ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রথম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আন্তরিক পরিবেশে এই ধারাবাহিক সভার আয়োজন করা হয়।

গঠনমূলক মতবিনিময়ের মাধ্যমে পুরো আয়োজনটি শিক্ষক ও অভিভাবকদের এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভবিষ্যৎ শিক্ষাপরিকল্পনা ও করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।

সমাবেশের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন, কলেজ শাখার একাডেমিক ইনচার্জ ও সিনিয়র প্রভাষক কাজী শাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি অভিভাবকদের আন্তরিক উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন শ্রেণির শ্রেণিশিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস, শ্রেণিকক্ষে সক্রিয় অংশগ্রহণ, দৈনিক উপস্থিতি, আচরণগত উন্নয়ন এবং পরীক্ষার ফলাফল আরও সমৃদ্ধ করার কার্যকর কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।

একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় যেকোনো দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে কলেজের গৃহীত বিশেষ পদক্ষেপ, নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শমূলক কার্যক্রমের বিবরণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অভিভাবকরাও সন্তানের মানসিক বিকাশ, নৈতিক শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং শৃঙ্খলাবোধ গড়ে তুলতে পারিবারিক ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে মূল্যবান মতামত ও গঠনমূলক পরামর্শ প্রদান করেন।

এতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থার একটি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সমন্বিত প্রচেষ্টাই সাফল্যের সর্বোত্তম চাবিকাঠি।

তিনি সাম্প্রতিক পরীক্ষার ফলাফলের সার্বিক মূল্যায়ন উপস্থাপন করে বলেন, শতভাগ পাস ও কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের বিশেষ ক্লাস, ধারাবাহিক মূল্যায়ন, একাডেমিক মনিটরিং এবং শিক্ষার্থী কাউন্সেলিং কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও মানবিক গুণাবলির বিকাশে স্কলার্সহোমের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা সবসময় অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে সবাই একসঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে আরও সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি পারস্পরিক আস্থা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধিতে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে।

» সংসদ সদস্য আব্দুল মালিককে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের স্মারকলিপি প্রদান

Published: ২১. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ পরিচালিত ‘মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ (মউশিক) প্রকল্পটিকে দ্রুত রাজস্ব খাতে (স্থায়ী) স্থানান্তরের দাবিতে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিক  এর কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশ’ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি কে.এম. মিনহাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ এই স্মারকলিপি তুলে দেন।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজিজুন্নাহার, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তসনিম আহমদ নেহার, ৪নং উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহমেদ জিলু, বিএনপি নেতা খিজির খান, সনজির আহমদ, মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সভাপতি মাওলানা সৈয়দ মহসিন উদ্দিন, সহ-সভাপতি ক্বারী মাওলানা বাহা উদ্দিন, মাস্টার তাজিম আলী সহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে নিরক্ষরতা দূরীকরণ, শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা এবং ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে মউশিক শিক্ষকরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

অথচ প্রকল্পভিত্তিক হওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এবং এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন।

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শিক্ষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বৃহৎ মানবিক প্রকল্পটিকে অনতিবিলম্বে রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিক অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন এবং শিক্ষকদের এই যৌক্তিক দাবিটি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের মাধ্যমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আশ্বাস প্রদান করেন।

» সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি অঙ্গিকারাবদ্ধ

Published: ২১. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
জুলাই সনদ নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী গুপ্ত চক্র কর্তৃক বিএনপির বিরুদ্ধে অব্যাহত মিথ্যা প্রচারণার প্রতিবাদে ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নগরীতে লিফলেট বিতরণ করেছে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে নগরীর কোর্ট পয়েন্ট ও বন্দরবাজার এলাকায় লিফলেট বিতরণে নেতৃত্ব দেন, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল ও সদস্য সচিব শাকিল মুর্শেদ।

লিফলেট বিতরণ কর্মসূচীতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, আব্দুর রউফ, কায়সান মাহমুদ সুমন, আহবায়ক কমিটির সদস্য খন্দকার ফয়েজ আহমদ, প্রভাষক মাকসুদ আলম, সাইফুল আলম কোরেশী, সেলিম আহমদ, আয়াত আলী প্রিন্স, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নুরুল আমিন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এড. আলা উদ্দিন, জকিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এড. রুহুল আমিন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ফখরুল ইসলাম, ইউসুফ আহমদ, হারুন আহমদ, রুবেল আহমদ, আলম, শাহাদৎ খান, এস কে আলাল, রফিক, ইউসুফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নুরেছ আলী, আব্দুল মুকিত মুকুল, মিনহাজ সামছি, সৈয়দ আক্তার হোসেন ময়না, রেজা, লিমন, আলফাজ, আনসার আহমদ, হোসেন শিকদার প্রমুখ।

লিফলেট বিতরণ শেষে বন্দরবাজারে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল বলেন, সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাজনৈতিক দলগুলো কর্তৃক স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বিএনপি অক্ষরে অক্ষরে মানতে বদ্ধপরিকর।

গণভোটের প্রশ্ন (ক) নির্বাচনকালীন তত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হইবে।

গণভোটের চারটি প্রশ্নের মধ্যে খ নং প্রশ্ন জুলাই সনদে ১৮ ও ১৯ অনুচ্ছেদ পরিপন্থি, যা প্রতারনামূলক।

বিএনপি জুলাই সনদ অনুসারের ১০০ সদস্য বিশিষ্ট উচ্চ কক্ষ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি অত্যন্ত আন্তরিক হলেও একাত্তরের পরাজিত শক্তি জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা অপ্রপচার চালাচ্ছে।

এসব অপ্রপচার, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের স্বোচ্ছার থাকতে হবে।

» বিশ্বনাথের মুফতির বাজারে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিট পুলিশিং ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Published: ২১. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের বৃহত্তর মুফতির বাজারে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এক বিশেষ বিট পুলিশিং ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে মুফতির বাজার পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়।

খাজাঞ্চী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আবুল বশর মো. ফারুকের সভাপতিত্বে এবং বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রানার সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী মাহবুবুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বাজারে যাতে কোনো ধরনের পকেটমার, ছিনতাইকারী বা মলম পার্টির উপদ্রব না ঘটে, সে জন্য পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

বিশেষ করে পশুর হাটে জালনোট ও চাঁদাবাজি রোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে।

তিনি ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের যেকোনো সন্দেহজনক বিষয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করেন এবং বাজার কমিটির সাথে সমন্বয় করে বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করার আশ্বাস দেন।

সভায় আমন্ত্রিত অতিথি ও বাজার পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ আসন্ন ঈদে বাজারের যানজট নিরসন, নৈশকালীন নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং পশুর হাটের সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, বাজার কমিটির উপদেষ্টা খায়রুল আমীন কবির মেম্বার, আমরুশ আলী, ইউনুছ আলী, সফিক মিয়া, খাজাঞ্চী ইউনিয়ন বিট অফিসার এসআই সাইদুর রহমান, এএসআই মাসুদ আহমদ, বাজার পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ আমরুশ আলী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, কমিটির সদস্য সুজন আহমদ, মাসুক আহমদ, বাবুল মিয়া, শাহজাহান আহমদ, আব্দুর রব, আমির আলী, খেলু মিয়া, আরশ আলী, লায়েছ আহমদ, আনোয়ার আলী, আব্দুল কদ্দুস, আজমান আলী ও মইনুল ইসলাম প্রমুখ।

» শরীয়া আইন বাস্তবায়ন না হলে রামিসাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না জমিয়ত মহাসচিব

Published: ২১. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্কঃ
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেছেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতিনিয়ত অবুঝ শিশুদের উপর বর্বর অত্যাচারের ঘটনা ঘটছে। এ বর্বরতা থেকে মুক্তি পেতে শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামী মূল্যবোধ চর্চাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

সেই সাথে ধর্ষন বন্ধ করতে দেশে শরয়ী আইনে ধর্ষনের বিচার করতে হবে। এ জন্য পৃথক শরীয়া আদালত প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছে জমিয়ত।

শরীয়া আইন বাস্তবায়ন না হলে সাম্প্রতিক সময়ে হৃদয়বিদারক হত্যাকান্ডের শিকার রামিসা ও ফাহিমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বন্দরবাজারস্থ জমিয়ত কার্যালয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সিলেট জেলা দক্ষিণ আয়োজিত’ জমিয়তের কর্ম-কৌশল ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সিলেট জেলা দক্ষিণ জমিয়তের সভাপতি শায়খুল হাদীস মুফতি মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী আহমদের পরিচালনায় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, সাহিত্য সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক কাসিমী, সহ-প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা শিব্বীর আহমদ বিশ্বনাথী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব শামছুদ্দীন বানিগ্রামী, জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুশতাক আহমদ চৌধুরী প্রমূখ।

যুব জমিয়ত নেতা আব্দুল খালিকের তেলাওয়াতের মাধ্যমে সূচিত আলোচনা সভায় সিলেট জেলা দক্ষিণ জমিয়ত, যুব জমিয়ত, শ্রমিক জমিয়ত ও ছাত্র জমিয়তের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

» সিলেটের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আলাদা নজর রয়েছে : এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী

Published: ২১. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
৬ ও ৪ লেনের সমন্বয়ে সিলেট থেকে বিয়ানীবাজারের শেওলা স্থলবন্দর পর্যন্ত সড়কটি মহাসড়কে উন্নীতকরণ প্রকল্পের জন্য দুই হাজার ৫০৬ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

এ অনুমোদনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, সিলেট প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুর বাড়ি। তাই সিলেটের প্রতি তাঁর সবসময় আলাদা নজর রয়েছে।

সিলেট-চারখাই-শেওলা মহাসড়কের উন্নয়নকাজের এই মেগা প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে আমূল পাল্টে যাবে পূর্বসিলেট। বৃহত্তর সিলেটের অর্থনীতিতে বইবে জোর হাওয়া। এর দ্বারা লাভবান হবে জাতীয় অর্থনীতি।

এদিকে, বৃহস্পতিবার দিনভর গোলাপগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন সভা-অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন, এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী।

এসবের মধ্যে ছিলো- লক্ষণাবন্দ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মো. আনোয়ার হুসেন ও সহকারী শিক্ষক মস্তোফা উদ্দিন স্মরণে শোকসভা, সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক এবং   জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিবের রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং লক্ষণাবন্দ হুফফাযে কুরআন মহিলা আলিম মাদরাসায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল।

এসব অনুষ্ঠানের বক্তব্যে এমরান আহমদ বলেন, গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের অসংখ্য গুণীজন দেশ-বিদেশে দ্যুতি ছড়িয়েছেন, এখনো ছড়াচ্ছেন।

এদের মধ্যে অনেকেই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। আমরা তাদের জন্য জান্নাতুল ফিরদাউসের প্রার্থনা করছি।

পাশাপাশি তাদের আদর্শময় জীবন থেকে আমাদের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। এতেই তাঁদের প্রতি প্রকৃত সম্মান দেখানো হবে।

বৃহস্পতিবার বাদ আছর সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক ও সিলেট জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিবের রুহের মাগফিরাত কামনায় গোলাপগঞ্জ পৌরবিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পৌর বিএনপির কদমতলীস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন, গোলাপগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মশিকুর রহমান মুহি, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল খালিক, সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক জামিল চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল আহমদ, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক এনামুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল আহমদ, শাহ আলম আহমদ ও রাজু আহমদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক মতিউর রহমান টিটু, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আবুল মিয়া, সহ-সভাপতি আইন উদ্দিন, পৌর শ্রমিকদলের সভাপতি আতাউর রহমান আতা, সাধারণ সম্পাদক শাহ জাহান আহমদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুল মুরসালিন, মুজিবুর রহামনের পরিবারের হাবিবুর রহমান, ছাদিকুর রহমান, নাঈমুর রহমান  ও আব্দুর সত্তার রুহেল।

অপরদিকে, বৃহস্পতিবার দুপুরে গোলাপগঞ্জের লক্ষণাবন্দ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মো. আনোয়ার হুসেন ও সহকারী শিক্ষক মস্তোফা উদ্দিন স্মরণে  ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত শোকসভাটির সভাপতিত্ব করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এনামুল হক।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি এডভোকেট হারুন মিয়া।

অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির বারবার নির্বাচিত সভাপতি, হেদায়েতুল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া, প্রাক্তন ছাত্র কামরুজ্জামান দ্বারা, ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মালেক প্রাক্তন ছাত্র এহছানুল করিম মিশু ও প্রাক্তন ছাত্র মো.রুহেল আহমদ প্রমুখ।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুরে গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষণাবন্দ হুফফাযে কুরআন মহিলা আলিম মাদরাসায় এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীর সম্মানে সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে এ আয়োজনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মহিউস সুন্নাহ চৌধুরী নারজিস, সাবেক উপদেষ্টা, সিরাজুল ইসলাম, যুক্তরাজ্য বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ফেরদৌস আলম, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লিটন আহমদ, উপজেলা সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাবেদ হোসেন, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের নেতা লায়েস আহমদ, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামিম আহমদ, সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন প্রমুখ।

» প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বিজয়ী বালকদলকে  মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীরর অভিনন্দন

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ( বালক ও বালিকা) ২০২৬ এ সিলেট জেলা দল বালক গোয়াইনঘাটের লংলাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীরর অভিনন্দন।

তিনি এক অভিনন্দন বার্তায় বলেন, সিলেট বিভাগের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) ২০২৬-এর আসরে গোয়াইনঘাট উপজেলার লংলাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক দল বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় তাদেরকে প্রাণঢালা অভিনন্দন। বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন দলের এই অনন্য সাফল্য সমগ্র সিলেট বিভাগকে গর্বিত করেছে।

চমৎকার ক্রীড়ানৈপুণ্য, অসাধারণ দলগত বোঝাপড়া এবং মাঠের প্রতিটি মুহূর্তে যে অদম্য ইচ্ছা ও লড়াকু মানসিকতা আপনারা দেখিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

আপনাদের এই গৌরবময় জয় শুধু গোয়াইনঘাট বা সিলেট জেলার নয়, বরং পুরো বিভাগের ক্রীড়াঙ্গনকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

আপনাদের অদম্য এই যাত্রা অদূর ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য বয়ে আনবে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম সেরা তারকা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে আপনাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।

আপনারা আমাদের ভবিষ্যৎ। আশা রাখি, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার এই ধারাবাহিকতা আপনারা বজায় রাখবেন এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশের পতাকাকে আরও উজ্জ্বল করবেন।

আমার নির্বাচনী এলাকার এই স্কুলদলের কোচ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং অগণিত শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতিও রইল বিনম্র শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন।

ভবিষ্যতের প্রতিটি পদক্ষেপে আপনাদের জন্য রইল অফুরন্ত ভালোবাসা ও শুভকামনা।

» ‘মুল্লুক চলো’ আন্দোলন দিবসে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোট সিলেট জেলা শাখার শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন

Published: ২০. মে. ২০২৬ | বুধবার

নিউজ ডেস্কঃ
ঐতিহাসিক ‘মুল্লুক চলো’ আন্দোলনের ১০৫তম বার্ষিকী ও চা শ্রমিক হত্যাকাণ্ডের শিকার শহীদদের স্মরণে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোট সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) সকালে নগরীর ৫নং ওয়ার্ডের দলদলী চা বাগান শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন ও সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংক্ষিপ্ত সভায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোট সিলেট জেলা শাখার সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, ইতিহাসের এক নৃশংসতম অধ্যায় এই ২০ মে।

অথচ আজ পর্যন্ত এই ঐতিহাসিক দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘চা শ্রমিক হত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি এবং এই দিনে শ্রমিকদের ছুটিও দেওয়া হয় না।

চা শ্রমিকদের আত্মত্যাগের ইতিহাস ও তাঁদের অধিকারের মর্যাদার স্বার্থে অনতিবিলম্বে এই দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরোও বলেন, আজ ১০৫ বছর পার হয়ে গেলেও চা শ্রমিকদের ভাগ্যের আমূল পরিবর্তন হয়নি। এখনও তারা দৈনিক নামমাত্র মজুরি, ভূমির অধিকার ও বাসস্থানের অনিশ্চয়তা এবং মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে অমানবিক জীবনযাপন করছেন।

১৯২১ সালের ২০ মে যে ঐতিহাসিক রক্তপাত হয়েছিল, তার চেতনাকে ধারণ করে চা শ্রমিকদের পূর্ণাঙ্গ নাগরিক অধিকার ও ন্যায্য মজুরি আদায়ের সংগ্রাম আগামীতে আরও বেগবান করতে হবে।

এসময় দলদলী চা-বাগান পঞ্চায়িত কমিটির সভাপতি মিন্টু দাশ, সহ-সভাপতি অনিতা দাশ, গৌরি দেবী, বাবু মন্ডল সহ বাগানের চা-শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Callender

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031