- বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের উদ্যোগে সম্প্রীতি র্যালী এবং মাতৃ সম্মাননা অনুষ্ঠান
- শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে ইসলামী শ্রমনীতির বিকল্প নেই : আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম
- প্রধানমন্ত্রীর সিলেট আগমনে মহানগর বিএনপির প্রচার মিছিল
- মহান মে দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বর্ণাঢ্য র্যালী ও সমাবেশ
- মে দিবসের চেতনায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে গেজেট বাস্তবায়নের সংগ্রামকে অগ্রসর করুন
- ৮ ঘন্টা শ্রম দিবসের সংগ্রামকে মজুরি দাসত্বের শৃঙ্খল ভাঙ্গার সংগ্রামে পরিণত করুন
- সিলেটের শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
- বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের সঙ্গে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
- প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরকে স্বাগত জানিয়ে আইনজীবী ফোরামের মিছিল
- প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল
» বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের উদ্যোগে সম্প্রীতি র্যালী এবং মাতৃ সম্মাননা অনুষ্ঠান
Published: ০২. মে. ২০২৬ | শনিবার
সামাজিক এই মেলবন্ধনগুলো একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে : এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম বলেছেন, বাংলাদেশ আবহমান কাল ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এই ধরনের আয়োজন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক এই মেলবন্ধনগুলো একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন এবং জনসাধারণকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে একটি সুন্দর সমাজ আমরা গঠন করতে পারবো।
তিনি শুক্রবার (১লা মে) বিকেলে সিলেট নগরীর দরগাগেইস্থ মুসলিম সাহিত্য সংসদ হলরুমে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ জাতীয় কমিটি ও সিলেট অঞ্চলের উদ্যোগে সর্বধর্মীয় সম্প্রীতি র্যালী এবং মাতৃ সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
অনুষ্ঠানে ৫ জনকে মাতাকে মাতৃ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এবারের শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমার মূল প্রতিপাদ্য ছিল “জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে অহিংসা, মৈত্রী ও সম্প্রীতির মেলবন্ধনে বিশ্বশান্তি কামনায়।
কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার দুপচর তক্ষশিলা বৌদ্ধ বিহার থেকে প্রজ্ঞা ভদ্র এর সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ সিলেট অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক দিলু বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সদর ও প্রশাসন) মুঃ মাসুদ রানা, পিপিএম-সেবা; উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক, অতিরিক্ত দায়িত্বে সদর ও প্রশাসন) সুদীপ্ত রায়, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনিস্টিউট হাসপাত বিশিষ্ট চক্ষু চিকিৎসক ডা.জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী, সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার কমার্স ইন্ডাস্ট্রির ও হাসপাতার পরিচালক আলহাজ্ব কাপ্তান হোসেন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এর সিলেট মহানগরের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার দেব, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট এর সিলেট মহানগর শাখার সদস্য সচিব রাজীব কুমার দে, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলজার আহমেদ হেলাল, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান রকিব আল মাহমুদ, ডক্টর এম এ মোশতাক, এনসিপির জেলা আহবায়ক এড.আব্দুর রহমান আফজাল,ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স এর কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মাওলানা মুফতী ছালিম আহমদ খান, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী ১নং ওয়ার্ড এর সাধারণ সম্পাদক খান মো. কামরুজ্জামান, মূল প্রবন্ধ পাঠ সহ বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ সিলেট অঞ্চলের প্রতিষ্ঠাতা উৎফল বড়ুয়া, উপদেষ্টা তপন কান্তি বড়ুয়া মান্না, সাধন কুমার চাকমা, সভাপতি লিটন বড়ুয়া, সিনিয়র সহসভাপতি তপতী বড়ুয়া, অর্থ সম্পাদক সেবু বড়ুয়া,সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ বড়ুয়া, সাংবাদিক আমীর হোসেন সোহাগ।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্ট এর ট্রাস্টি এড. গোলাম সোবাহান চৌধুরী দীপন, রেজা কিবরিয়া, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সিলেট মহানগরীর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি ডি রুমু, লায়ন মো. আসাদুল হক আসাদ, দীপক কুমার দাশ, সিলেট রক্তের অনুসন্ধানে আমরা সংগঠন প্রতিষ্ঠাতা তারেক আহমদ, যুব ঐক্য পরিষদ সিলেট মহানগরীর আহবায়ক রকি দেব, কোম্পানিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ হাসান, শাকিল খান, হারাধন দেব প্রমুখ।
উৎসবের কর্মসূচিতে আরও অন্তর্ভুক্ত ছিল বিশ্বশান্তি কামনায় সমবেত প্রার্থনা এবং এক ধর্মদেশনা।
একক ধর্মদেশক ছিলেন, রংপুর পীরগঞ্জ সাহাপুর মহাবন বৌদ্ধ বিহার ও তপোবন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত মহানাম ভিক্ষু।
বিকালে উৎসবের মূল আকর্ষণ “সর্বধর্মীয় সম্প্রীতি র্যালি” অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালিতে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিটি কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ হল থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
» শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে ইসলামী শ্রমনীতির বিকল্প নেই : আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলম
Published: ০২. মে. ২০২৬ | শনিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার উদ্যোগে শুক্রবার (১ মে) বাদ মাগরিব লালদিঘীরপারস্থ মজলিস কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা শাখা সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা মুহিবুর রহমান, মুফতি মাওলানা আলী আহমদ, মাওলানা কমর উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিজ কয়েছ আহমদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি আব্দুস সালাম, অফিস ও প্রচার মনিরুল ইসলাম চৌধুরী ফুহাদ, মাওলানা শামসুল ইসলাম, শাব্বির আহমদ, মুহাম্মদ সিকন্দর আলী, হাফিজ তারেক হাসান সাহেদ, মাওলানা আব্দুল মুহাইমিন, শায়খ মাওলানা ফিরোজ আলী, মাওলানা হুসাইন আহমদ, ফখরুল ইসলাম, মুহাম্মদ ইউসুফ, ছাত্রনেতা আবু তাহের মিসবাহ, আক্তার সাদিক চৌধুরী প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা এমরান আলম বলেন, ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরের হে মার্কেটের সামনে দৈনিক ৮ ঘন্টা শ্রমিকদের কাজ করার দাবিতে আন্দোলনরত কয়েকজন নিহত হয়।
পরবর্তীতে প্যারিসে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনের মাধ্যমে পৃথিবীর প্রায় ৯০টি দেশে ১লা মে আন্তর্জাতিক মে দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
তিনি বলেন, ইসলাম শ্রমিকদের ব্যাপারে ঘোষনা তাদের গায়ের ঘাম শুকানোর আগেই তাদের পারিশ্রমিক দিতে হবে। পহেলা মে শুধু পালন করলে হবে না, শ্রমিকদের সকল ন্যায্য দাবি মেনে নিতে হবে।
শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে হবে। চাকরি ও মজুরির নিশ্চয়তা দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, আজকে শ্রমিকরা অনাহারে-অর্ধাহারে আছে, অথচ দেশের অনেকেই সরকারী সুযোগ সুবিধা পায় কিন্ত তা থেকে শ্রমিকরা বঞ্চিত ও অবহেলিত।
শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতের জন্য ইসলামী শ্রমনীতির বিকল্প নেই। আমাদেরকে আল্লাহর জমিনে তাঁর আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে এদেশে ইসলামী শ্রমনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
» প্রধানমন্ত্রীর সিলেট আগমনে মহানগর বিএনপির প্রচার মিছিল
Published: ০১. মে. ২০২৬ | শুক্রবার
তারেক রহমানের সফরসিলেটবাসীর জন্য নতুন দিগন্তের সূচনা করবে
নিউজ ডেস্কঃ
আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিলেট আগমনকে স্বাগত জানিয়ে বিশাল প্রচার মিছিল করেছে সিলেট মহানগর বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে মিছিলটি বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিণ করে। নগরীর রেজিস্টারি মাঠে সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর পরিচালনায় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মানুষের রায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর আগামী ২ মে প্রথমবারের মতো সিলেটে আসছেন। দেশনায়ক তারেক রহমানের এই সফর সিলেটবাসীর জন্য খুবই গুরুত্বপর্ণ।
এই সফরকে ঘিরে সিলেটের মানুষের মধ্যে নতুন আশার জন্ম হয়েছে। এ সফরের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসন ও বঞ্চনার পর সিলেটবাসীর জন্য নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।
বক্তারা আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নিয়ে মানুষের কল্যাণে যেভাবে একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন।
ক্ষমতায় এসে তারেক রহমান জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছেন। তাঁর নেতৃত্বেই দীর্ঘদিনের জঞ্জাল কাটিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধি ও প্রগতির দিকে। প্রিয় এই নেতার হাত ধরে সিলেটবাসীর প্রতি দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বঞ্চনার অবসান ঘটবে বলে আমরা আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে প্রতিটি জাতীয়তাবাদী নেতাকর্মী প্রস্তুত।
বক্তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর সফল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান।
সমাবেশ ও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্ঠা ডা. এনামুল হক চৌধুরী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ-সভাপতি জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর, নজিবুর রহমান নজিব, এটিএম ফয়েজ, শহীদ আহমদ, হুমায়ুন কবির শাহীন প্রমুখ।
» মহান মে দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বর্ণাঢ্য র্যালী ও সমাবেশ
Published: ০১. মে. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে যথাযত মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান মে দিবস। এ উপলক্ষে শ্রমিকের উপর মালিক শ্রেণীর নির্যাতনের প্রতিবাদে জোট বাধুন, শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ৮ ঘন্টা কাজের নিশ্চয়তা বিধানে, শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যোগ দিন, এই শ্লোগানে খানাদানা বেতনসহ মহান মে দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজিঃ নং-চট্টঃ ১৯৩৩) উদ্যোগে সিলেট নগরীতে এক বর্ণাঢ্য র্যালী বের করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১লা-মে) সকালে নগরীর তালতলাস্থ কার্যালয় প্রাঙ্গনে জমায়েত হয়ে এক বর্ণাঢ্য র্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় তালতলাস্থ কার্যালয় পয়েন্টে হিয়ে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রপ্ত সভাপতি ইউসুফ জামিল এর সভাপতিত্বে ও সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এম সফর আলী খাঁন এর পরিচালনায়, এসময় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্ঠা এস এম নুরুল হুদা সালেহ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন সিলেট জেলা শাখার আহবায়ক নজুরুল ইসলাম কমবুল, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন সিলেট জেলা শাখা যুগ্ন আহবায়ক মিনহাজ আহমদ।
এসময় আরোও বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক আকিল হোসেন, মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলোওয়ার হোসেন, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি মো. ছলিম মিয়া, দক্ষিণ সুরমা থানা কমিটির সভাপতি মো. সিরাজ মিয়া, শাহপরান থানা পঞ্চিম অঞ্চল কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক মো. সাব্বির আহমদ, মহানগর কমিটির সহ সভাপতি মো. শিরিন মিয়া, মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হারুর রশিদ, মহানগর কমিটির অর্থ সম্পাদক আমি উল্লিাহ আলামিন, শাহপরান থানা পুর্বঅঞ্চল কমিটির সহ সভাপতি মো. একরাম হোসেন।
আরোও উপস্থিত ছিলেন, শ্রমকি নেতা মো. আকিল হোসেন, মো. রায়হান আহমদ, মো. মহিবুর রহমান, মো. সাদেক মিয়া, মো. সাদেক আহমদ, মো. শিরিন মিয়া, মো. ফয়জুল নুর,মহিলা কমিটির সভাপতি মোছা. লিলি বেগম, সাধারণ সম্পাদক মোছা. রিনা বেগম, মহিলা কমিটির নেত্রী শিউলি বেগম সহ সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ মিছিল সহকারে অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, খানাদানা বেতন সহ মহান মে দিবসে ছুটি কার্যকর করার দাবী ও মে দিবসের সংগ্রামী চেতনায় উজ্জিবীত হয়ে ইস্পাত কঠিন শপথ নিন।
নির্যাতিত নিপীড়িত অধিকার বঞ্চিত মেহনতী মানুষের হাতে ক্ষমতা আনার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দালন গড়ে তুলুন।
শোষণ মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় আসুন জনগণের সরকার-সংবিধান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে শ্রমিক আন্দোলনকে শামিল করি। পুঁজিবাদ নয় সমাজতন্ত্রই মানব মুক্তির পথ। মে দিবস অমর হোক।
» মে দিবসের চেতনায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে গেজেট বাস্তবায়নের সংগ্রামকে অগ্রসর করুন
Published: ০১. মে. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
১৪১তম আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস মহান মে দিবস। সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ১মে সকাল ৯টা হতে কোর্ট পয়েন্টে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, জেলা সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক আনছার আলীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সরকার, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি মো. খোকন আহমদ, সিলেট জেলা স’মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি মীর মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেন, সহ-সভাপতি শাহীন আহমদ, জেলা কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি জয়নাল মিয়া, আম্বরখানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রাশেদ আহমদ ভূইয়াসহ প্রমুখ।
সকাল ৯টা হতে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নেতৃবৃন্দ সভাস্থলে আসতে শুরু করেন যার মধ্যে বন্দর বাজার, দক্ষিণ সুরমা, আম্বরখানা, জালালাবাদ, শাহপরান, জিন্দাবাজার, চন্ডিপুলসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক কমিটির নেতৃবৃন্দ মিছিল সহযোগে শরীক হন।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন বিশ্ব শ্রমিকশ্রেণির আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসে ১মে শ্রমিক শ্রেণির জন্য এক ঐতিহাসিক ও গৌরবজনক অধ্যায়। মহান মে দিবস আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস সারাবিশ্বের শ্রমিক শ্রেণির ঐক্য ও সংহতি প্রকাশের দিন।
হোটেল রেস্টুরেন্টের শ্রমিকরা সারা বছর মালিকের প্রতিষ্ঠানে কাজ করে মুনাফা তৈরি করলেও মে দিবস আসলে শ্রমিকদের আইনগত অধিকার প্রদান করতে মালিকরা নানা টালবাহানা করে থাকেন।
শ্রমিকরা হোটেলে দৈনিক ১০/১২ ঘন্টা অমানবিক পরিশ্রম করে অর্ধাহার-অনাহারে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়।
শ্রম আইনে ৮ঘন্টা কাজ ও অতিরিক্ত কাজের দ্বিগুন মজুরি প্রদানের বিধান থাকলেও বাস্তবিকভাবে হোটেল সেক্টরে তা কার্যকর নেই।
বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ৫-ধারায় নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র, ৬-ধারায় সার্ভিস বই, ২৬-ধারায় চাকুরীচ্যূতি জনিত ৪ মাসের নোটিশ পে, ১০৩-ধারায় সপ্তাহে দেড়দিন সাপ্তাহিক ছুটি, ১০৮-ধারায় দৈনিক ৮ ঘন্টা সপ্তাহে ৪৮ ঘন্টা কাজ এবং অতিরিক্ত কাজের জন্য দ্বিগুণ মজুরি প্রদান, ১১৫-ধারায় বছরে ১০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি, ১১৬-ধারায় ১৪ দিন অসুস্থতাজনিত ছুটি, ১১৭-ধারায় প্রতি ১৮ দিন কাজের জন্য ১ দিন অর্জিত ছুটি, ১১৮-ধারায় ১১ দিন উৎসব ছুটি প্রদানের আইন থাকলেও হোটেল শ্রমিকদেরকে এই সকল আইনগত অধিকার হতে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন গত ০৫ মে ২০২৫ হোটেল-রেস্টুরেন্ট শিল্প সেক্টরে সরকারের নি¤œতম মজুরি হার ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। এই নিম্নতম মজুরি বর্তমান বাজারদর এবং ৬ সদস্যদের একটি পরিবারের ভরণপোষণের প্রেক্ষিতে শ্রমিকদের দাবি থেকে অনেক কম।
কিন্তু তারপরও সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ঘোষিত হওয়ার পর এক বছর হলেও তা সর্বস্তরে কার্যকর করা হয়নি। তদোপুরি হোটেল-রেস্টুরেন্ট-সুইটমিট শ্রমিকদের শ্রমআইনের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত করা হয়। হোটেল-রেস্টুরেন্ট-সুইটমিট শ্রমিকদের চাকুরির নিশ্চয়তা ও জীবনের নিরাপত্তা নেই।
দাবি ও অধিকার আদায়ের প্রশ্নে শ্রমিকদের আন্দোলন সংগ্রাম ব্যতিত আর কোনো পথ নেই তাই মহান মে দিবসের বিপ্লবী চেতনাকে ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলার আহবান জানান।
সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ লাল পতাকা র্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির ২নং বার লাইব্রেরী হলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
» ৮ ঘন্টা শ্রম দিবসের সংগ্রামকে মজুরি দাসত্বের শৃঙ্খল ভাঙ্গার সংগ্রামে পরিণত করুন
Published: ০১. মে. ২০২৬ | শুক্রবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির উদ্যেগে ১৪১তম আর্ন্তজাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস মহান মে দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত।
১মে দুপুর ২টা হতে সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির ২নং বার লাইব্রেরী হলে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সরকার-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ছাদেক মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) সিলেট জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক আবুল ফজল।
বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি খোকন আহমদ, জেলা কমিটির যুগ্ন সম্পাদক মো. সুজন মিয়া, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা কমিটির আহবায়ক শুভ আজাদ (শান্ত), সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী, সিলেট জেলা স’মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি সিলেট জেলা আহবায়ক মিনারা বেগম, চা শ্রমিক সংঘ সিলেট জেলা কমিটির সহ-সভাপতি কমলা বেগম, সিলেট জেলা প্রেস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নোয়াব আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইমরান আলী রিমন, সিলেট জেলা রাইস মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহজাহান মিয়া, কালীঘাট চাউলবাজার শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাঈনুল ইসলাম, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, স’মিল শ্রমিক সংঘ সিলেট সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি হজর আলী, মীরের চক শ্রমজীবী সংঘের আহবায়ক আলী আহমদ।
সমাবেশ স্থলে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের বেসিক ইউনিয়ন, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন, সিলেট জেলা স’মিল শ্রমিক ইউনিয়ন, সিলেট জেলা প্রেস শ্রমিক ইউনিয়ন সহ শরীক সংগঠন জাতীয় ছাত্রদল, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি সহ বিভিন্ন থানা/উপজেলা ও বেসিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশের পূর্বে এক লাল পতাকা র্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কোর্ট পয়েন্ট, জিন্দাবাজার, মির্জাজাঙ্গাল,তালতলা হয়ে সমাবেশ শুরু হয়।
» সিলেটের শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
মেধা, মনন ও নৈতিকতার সমন্বয়ে আলোকিত মানুষ হতে হবে : অধ্যক্ষ লুৎফুর রহমান হুমায়দী
ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা পাঠানটুলা, সিলেটের অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী বলেছেন, মেধা, মনন ও ˆনতিকতার সমন্বয়ে আলোকিত মানুষ হতে হবে।
» বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের সঙ্গে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার বৈঠক করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির বাংলাদেশে ডেনিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ একটি বিনিয়োগবান্ধব দেশ এবং দক্ষ জনশক্তি, বৃহৎ বাজার ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।
তিনি বলেন, প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক তরুণ কর্মশক্তি শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে, যা শিল্প ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মন্ত্রী আরও বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, লজিস্টিকস দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা সহজীকরণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
এটি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে। খন্দকার মুক্তাদির ডেনমার্কের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ-ডেনমার্ক সম্পর্ক উন্নয়ন সহযোগিতা থেকে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বে উত্তরণের একটি সফল উদাহরণ।
তিনি বলেন, দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং ডেনমার্ক বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ডেনমার্কের বিভিন্ন কোম্পানিÑবিশেষ করে মায়েরস্কÑবাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে।
তিনি আরও জানান, ডেনমার্ক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সংস্কার কার্যক্রমকে সমর্থন করে এবং এসব উদ্যোগ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।
তিনি বাংলাদেশে প্রাণি সম্পদ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ডেইরি ভ্যালু চেইন কার্যক্রম পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আব্দুর রহিম খান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
» প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরকে স্বাগত জানিয়ে আইনজীবী ফোরামের মিছিল
Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিলেট সফরকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সিলেট ইউনিটের স্বাগত মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে স্বাগত মিছিলটি শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আদালত প্রাঙ্গণে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
আইনজীবী ফোরামের আহবায়ক এডভোকেট শাহ আশরাফুল ইসলাম আশরাফের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এডভোকেট আহমেদ ওবায়দুর রহমান ফাহমির পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পিপি এডভোকেট আশিক উদ্দিন আশুক।
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সিলেটের যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট মোহাম্মদ এজাজ উদ্দিন, এডভোকেট খালেদ জোবায়ের, এডভোকেট তানভীর আক্তার খান, এডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিব, সদস্য এডভোকেট শামীম সিদ্দিকী, এডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারি, এডভোকেট বদরুল আহমদ চৌধুরী, এডভোকেট কামাল হোসেন, এডভোকেট এখলাছুর রহমান, এডভোকেট সাঈদ আহমদ, এডভোকেট আরিফা সুলতানা পপি, এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, এডভোকেট জাফর ইকবাল তারেক, এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, এডভোকেট ইকবাল আহমেদ, এডভোকেট লিয়াকত আলী, এডভোকেট মোশতাক আহমদ, এডভোকেট সাজেদুল ইসলাম সজীব, এডভোকেট নজরুল ইসলাম, এডভোকেট আলী হায়দার ফারুক, এডভোকেট নূর আহমেদ, এডভোকেট মোবারক হোসেন রনি, এডভোকেট আব্দুল হাই রাজন ও এডভোকেট মনজুর ইলাহী সামি প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে আছে। ফ্যামেলি কার্ড, কৃষি কার্ড, হেলথ কার্ড দিয়ে তিনি জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন।
বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে সিলেটের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সাধিত হবে ইনশাআল্লাহ।
» প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল
Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
নিউজ ডেস্কঃ
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগামী ২ মে সিলেট সফরকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল ও সমাবেশ করেছে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।
বৃহসম্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর দরগাহ গেইট সংলগ্ন সুলেমান হলের সামন থেকে মিছিল শুরু করে কোর্ট পয়েন্টে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল আহাদ খান জামাল। সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক শাকিল মুর্শেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মিছিল ও সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মিফতাউল কবির মিফতা, যুগ্ম আহবায়ক আলী মোঃ নুরুল হুদা দিপু, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, তোফায়েল চৌধুরী উজ্জল, আব্দুর রউফ, এমদাদ বক্স, কায়সান মাহমুদ সুমন, জাহাঙ্গীর মিয়া, আহবায়ক কমিটির সদস্য মিছবাউর রহমান, শেখ আব্দুল মনাফ, সালেক আহমদ, খন্দকার ফয়েজ আহমদ, সাইদ মাহমুদ ওয়াদুদ, মো. আশিক মিয়া, প্রভাষক মাকসুদ আলম, সাইদুল এনাম চৌধুরী লাহিন, সাইফুল আলম কোরেশী, সেলিম আহমদ, নুরুল ইসলাম রুহুল, আয়াত আলী প্রিন্স, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আমিনুল ইসলাম আমিন, সদস্য সচিব জুয়েল আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলা উদ্দিন মনাই, দক্ষিন সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নুরুল আমিন, গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আহমদ হুমায়ুন জামাল, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এড. আলা উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মনির আহমদ, জৈন্তাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ শাহজাহান, সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ ইলিয়াছ, বিশ^নাথ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশিকুর রহমান রানা, জকিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শামসুল ইসলাম লেইছ, সদস্য সচিব এড. রুহুল আমিন, কানাইঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম আমিন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল বলেন, সিলেটের জামাতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে সিলেটবাসী অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
আমরা বিশ্বাস করি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই হাঁটছেন তাদের সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ইনশাআল্লাহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফরের মধ্য দিয়েই উন্নয়নের নবদিগন্তের সূচনা হবে।
সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিবস শাকিল মুর্শেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের সফলতায় দিশেহারা হয়ে একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও চব্বিশের পরাজিত শক্তিরা নানামুখী ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা প্রচারনায় লিপ্ত রয়েছে।
এসমস্ত অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের স্বোচ্ছার থাকতে হবে।
» শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ‘শান্তি শোভাযাত্রা’
Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
সিলেট সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ : আবুল কাহের চৌধুরী শামীম
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেছেন, সিলেট সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। এদেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, আদিবাসী, মুসলমান আমরা মিলেমিশে বসবাস করি।
ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে এই মাতৃভূমি সবার, এখানে সবার সম অধিকার রয়েছে।
প্রত্যের ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে নিজেদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে। তাই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত।
তিনি আরো বলেন, আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করে যে, আমরা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এক ও অভিন্ন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা-২৫৭০ বুদ্ধাব্দ বরণ উপলক্ষে সিলেট বৌদ্ধ সমিতির উদ্যোগে ‘শান্তি শোভাযাত্রার’ শুভ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো।
শান্তি শোভাযাত্রাটি নগরীর ক্বীনব্রিজ এলাকা থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামন গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত সভায় শেষ হয়।
সিলেট বৌদ্ধ সমিতির সভাপতি চন্দ্র শেখর বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ও বৌদ্ধ পূর্ণিমা-২৫৭০ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক পলাশ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, হিন্দুবৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি এডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, বিশ্বনাগরিক ড. ধর্মকীর্তি মহাথেরো, সিলেট বিহাবের অধ্যক্ষ শ্রীমথ সংজ্ঞানন্দ মহাথেরো, পূজা উযাপন পরিষদ মহানগর শাখার আহ্বায়ক উজ্জল ঘোষ, সিলেট বৌদ্ধ সমিতির উপদেষ্টা পিপলু বড়ুয়া, নিশুতোষ বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক সুজন বড়ুয়া, চট্রগ্রামের দমদমা নবাবপুর ধর্মকীর্তি বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ, বিচিত্র ধর্মকথিক প্রমুখ।
শোভাযাত্রায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ ও শিশু অংশগ্রহণ করেন।
এসময় অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ব শান্তি ও মানবজাতির কল্যাণ কামনায় বিভিন্ন স্লোগান ও ব্যানার প্রদর্শন করেন।
শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে শোভাযাত্রাটি সম্পন্ন হওয়ায় আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।
» দুর্গাকুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা
Published: ৩০. এপ্রি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সেগুপ্তা কানিজ আক্তার’র ভূমিকা অনবদ্য ছিল : সাখাওয়াত এরশেদ
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশেদ বলেছেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মনের।
আজ আমরা এমন একজন মানুষকে বিদায় জানাতে সমবেত হয়েছি, যিনি এই বিদ্যালয়টিকে শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং একটি পরিবার হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন।
আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় প্রধান শিক্ষক সেগুপ্তা কানিজ আক্তার আজ পেশাগত জীবনের এক রঙিন অধ্যায় শেষ করে অবসরে যাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সেগুপ্তা কানিজ আক্তার এর ভূমিকা অনবদ্য ছিল।
তিনি কেবল একজন দক্ষ শিক্ষক ছিলেন না, ছিলেন শিক্ষার্থীদের জন্য মমতাময়ী মা এবং সহকর্মীদের জন্য একজন পথপ্রদর্শক।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নগরীর বন্দরবাজারস্থ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সিলেট সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দুর্গাকুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেগুপ্তা কানিজ আক্তারের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে সেগুপ্তা কানিজ আক্তার দীর্ঘ কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আজ আমার জন্য এক মিশ্র অনুভূতির দিন। দীর্ঘ এক কর্মজীবনের পথচলা শেষে আজ আমি আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি।
এই বিদায় শুধু একটি কর্মস্থল থেকে নয়, বরং আমার জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ থেকে বিদায়। তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ের আঙিনাকে সুন্দর ও মনোরম রাখার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করেছি, কারণ আমি বিশ্বাস করি সুন্দর পরিবেশ মনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে এবং শিক্ষার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়।
আজ পেছনে ফিরে তাকালে যখন দেখি আমাদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল হচ্ছে এবং এই প্রাঙ্গণটি ফুলে-ফলে সুশোভিত হয়ে আছে, তখন মন এক অদ্ভুত তৃপ্তিতে ভরে ওঠে।
আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া আমার এই দীর্ঘ পথচলা কখনোই সম্ভব হতো না। আমরা একটি পরিবারের মতো কাজ করেছি। আমার কাজে কখনো কোনো ভুল হয়ে থাকলে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
সবশেষে, এই বিদ্যাপীঠের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করছি। আমি শারীরিকভাবে বিদায় নিলেও আমার মন ও দোয়া সবসময় এই বিদ্যালয়ের সাথেই থাকবে।
উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার কাজী মো. জাফর এর সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মৌসুমী মহারত্ন এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শরীফ মো. নিয়ামত উল্লাহ, ইউ আর সি ইনস্ট্রাক্টর আনিসুজ্জামান ভূইয়া, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সায়মা সুলতানা, সানাউল হক সানি।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক সামসুননূর, শুক্লা দাস, সুপ্রীতি চৌধুরী, লক্ষী রানী পাল, বর্তমান সহকারি শিক্ষক মৌসুমী মহারত্ন, শিপ্রা রানী নাথ, লাকী রানী দে, রীতা রানী তালুকদার, স্বর্ণালী দাস, তৃপ্তি রানী দাস, বিপ্লব মোদক, বিভা মজুমদার, সুদীপ্ত দত্ত চৌধুরী প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সচেতন অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরিশেষে, ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদানের মাধ্যমে প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানানো হয়।

