শিরোনামঃ-

» অ্যাডভোকেট মুজিবুরের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকী শোক

Published: ১৫. মে. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী।
শুক্রবার (১৫ মে) ভোর ৩টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তার মৃত্যুতে এক শোকবার্তায় মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেন, অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান ছিলেন একজন দক্ষ আইনজীবী, সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। আইন অঙ্গন ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তাঁর মৃত্যুতে সিলেটবাসী একজন অভিজ্ঞ ও মানবিক মানুষকে হারালো।
তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তাঁর পরিবারকে এই শোক সহ্য করার তাওফিক দান করেন।

» অ্যাডভোকেট মুজিবুরের মৃত্যুতে হুমায়ুন কবিরের শোক

Published: ১৫. মে. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
শুক্রবার (১৫ মে) ভোর ৩টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
এক শোকবার্তায় হুমায়ুন কবির বলেন, অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান ছিলেন একজন সৎ, দক্ষ ও জনবান্ধব আইনজীবী এবং রাজনৈতিক অঙ্গনের নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি।
আইন পেশা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার অবদান সিলেটবাসী দীর্ঘদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

» সিলেট মহানগর শ্রমিক কল্যাণের দায়িত্বশীল শিক্ষাশিবির

Published: ১৫. মে. ২০২৬ | শুক্রবার

শ্রমিকদের উপর এদেশে আর জুলুমতন্ত্র কায়েম করতে দেয়া হবে না :  এডভোকেট আতিকুর রহমান

নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট আতিকুর রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পুর্বে ফ্যাসিস্ট সরকারের শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকদের উপর জুলুমতন্ত্র কায়েম করেছিল। তারা শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে চিনিমিনি খেলতো।
শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের নামে নিজেরা সুবিধা ভোগ করত। বর্তমান সরকারের শ্রমিক সংগঠন নতুন করে জুলুমতন্ত্র কায়েমের চেষ্টা করছে।
এদেশে শ্রমিকদের উপর আর জুলুমতন্ত্র কায়েম করতে দেয়া হবে না। এ ব্যাপারে শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ ও স্বোচ্ছার থাকতে হবে।
তিনি শুক্রবার (১৫ মে) শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সিলেট মহানগর আয়োজিত দিনব্যাপী ট্রেড ইউনিট দায়িত্বশীল শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
শিক্ষাশিবিরে মহানগর শ্রমিক কল্যাণের আওতাধিন সকল ইউনিটের সভাপতি ও সেক্রেটারীগণ অংশ নেন।

ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট মহানগর সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজুর সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারী আব্দুল্লাহ আল ফারুকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফেডারেশনের সিলেট মহানগরের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সহ-সেক্রেটারী এডভোকেট আলমগীর হোসাইন ও মহানগর উপদেষ্টা মোহাম্মদ শাহজাহান আলী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, বিগত সরকার গুলো শ্রমিকদের ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করলেও তাদের ন্যুনতম অধিকার প্রতিষ্ঠা করেনি।

কারখানার শ্রমিকরা ন্যায্য আন্দোলন করতে গেলে হয়রানির শিকার হয়েছে। বকেয়া বেতন ও মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন করতে গেলে পুলিশী হয়রানি, হুমকি ধামকী ও জেল জুলুমের শিকার হয়েছে।
২০২৩ সালের গাজীপুরে ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে গুলিতে অনেক শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছে।
রানা প্লাজা বিধ্বস্তের ঘটনায় ১১ শত  শ্রমিক নিহতের পরও তাদের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। যা জাতির জন্য দুঃখজনক।

তিনি বলেন, শ্রমিক সংগঠনগুলো সঠিক দায়িত্ব পালন করলে আজকে শ্রমিকদের এই অবস্থার সৃষ্টি হতো না।

শ্রমিক ময়দানে সবচেয়ে বেশি অভাব সৎ নেতৃত্বের। শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সেই অভাব পুরনের চেষ্টা করছে। ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন ছাড়া শ্রমিকদের প্রকৃত সমস্যা সমাধান হবে না।
তাই শ্রমনীতি বাস্তবায়নের আন্দোলনকে জোরদার করার জন্য কাজ করতে হবে। মালিক শ্রমিকদের মধ্যে সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।
যখন তখন শ্রমিক ছাটাই বন্ধ, বকেয়া মজুরি প্রদান ও ঈদের আগে বোনাসসহ সকল পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান তিনি।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ফেডারেশনের সিলেট মহানগর সহ-সভাপতি মিয়া মো. রাসেল, সহ-সেক্রেটারী কফিল উদ্দিন আলমগীর, আক্কাস আলী, নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক দিলশাদ মিয়া, মুহিবুর রহমান শামীম ও প্রচার সম্পাদক নাজমুল ইসলাম প্রমূখ।

» এডভোকেট মুজিবের ইন্তেকালে ড. এনামুল হক চৌধুরীর শোক

Published: ১৫. মে. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিবের ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী। মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।

এক শোক বার্তায় ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী বলেন, জেলা বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান জেলা বারের সিনিয়র আইনজীবীর পাশাপাশি একজন পরোপকারি ও সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন।

তিনি রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলনে অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীর শোকাহত। আল্লাহ পাক তাঁকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন ও পরিবারবর্গকে এই শোক সইবার শক্তি দিন। আমীন।

» সিলেটে ৪৭তম বিভাগীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও মেলা শুরু

Published: ১৫. মে. ২০২৬ | শুক্রবার

গবেষণার প্রতিটি ধাপই নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার জন্ম দেয় : খন্দকার মুক্তাদির

নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বিজ্ঞান গবেষণায় ব্যর্থতা বলে কিছু নেই। গবেষণার প্রতিটি ধাপই নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার জন্ম দেয়, যা ভবিষ্যতের উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেয়।

তিনি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় আরও উৎসাহিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

শুক্রবার (১৫ মে) সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে আয়োজিত ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, একটি দেশের অগ্রগতির মূল শক্তি হলো জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও গবেষণা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক জ্ঞানচর্চার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবনই একটি দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

তিনি বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সাহস, উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীল মানসিকতার প্রশংসা করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের নানা সমস্যার সমাধান দেশীয় গবেষণা থেকেই আসতে হবে। ডায়রিয়া প্রতিরোধে খাবার স্যালাইনের উদ্ভাবন কিংবা পেঁয়াজ ও আলু সংরক্ষণে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব উদ্ভাবন দেশের বাস্তব চাহিদা থেকেই এসেছে এবং এগুলোই গবেষণার সফল প্রয়োগ।

এসময় তিনি দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বিজ্ঞানচর্চা এবং বিজ্ঞান মেলার আয়োজন অব্যাহত রাখলে নতুন নতুন উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটবে বলে উল্লেখ করেন।

বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য এম এ মালিক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. এসএম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. মো. আলিমুল ইসলাম, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট মেট্রেপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি মো. আনোয়ারুল হক বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আশরাফুর রহমান, এসময় সরকারি- বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রী সিলেট জেলা পর্যায়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন।

» জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম সিলেট মহানগরী বিশাল মিছিল

Published: ১৫. মে. ২০২৬ | শুক্রবার

পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের উপর নির্যাতন,  ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নীরবতা, বিশ্বের মানবতাবাদীরা শংকিত

নিউজ ডেস্কঃ

ওয়া শিংটনের সাথে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করুন। ””’ জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সিলেট মহানগরী।

পশ্চিমবঙ্গের প্রাদেশিক নির্বাচন কে কেন্দ্র করে, বিজেপি সরকার বিজয়ী হওয়ার পর, মুসলমানদের বাড়িঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, ভেঙ্গে দেওয়া জ্বালিয়ে দেওয়া মুসলিম মেয়েদের কে ঘর থেকে তুলে  নেয়া, চরম মানবতা বিরোধী।

উপমহাদেশের জাতি হিসেবে আমরা অত্যন্ত লজ্জিত মর্মাহত। ভারত উপমহাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য, মুসলমানরা ৭০০ বছর শাসন করেছিল, কোন ধর্মীয় বৈষম্য হয়নি।

বরং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদেরকে বিতাড়িত করতে মুসলমানরা যখন আত্মাহুতি দিয়েছে, মুসলিম নেতৃবৃন্দ হিন্দু মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীরা ভারত থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছিল।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক সত্য আজ ভারতের মুসলমানরা যে কোন ইস্যুতে নির্যাতিত হয় , খুবই দুঃখজনক এবং আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পৃথিবীর যেখানে আক্রান্ত হবে মানবজাতি, জমিয়ত সেখানেই প্রতিরোধের ডাক দিবে।

জমিয়ত কখনো হিন্দু-মুসলমান খ্রিস্টান বদ্ধ কোন সম্প্রদায়ের উপর আগ্রাসী ভূমিকা বা যেকোনো অজুহাত অকারণে নির্যাতন, জমিয়ত কখনো মেনে নিবে না,  বা সমর্থন করবে না বরং মজলুম মানবতার পাশে দাঁড়াবে।

তাই ভারতের মুসলমানদের উপর জুলুম নির্যাতনের প্রতিবাদে আমরা বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, সাথে সাথে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অনুরোধ ভারতকে এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া ভারত মুসলমানদের পক্ষে সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকার আমরা আশাবাদী ।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দুদিন আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ওয়াশিংটনের সাথে বাণিজ্য চুক্তি জন সম্মুখে প্রকাশ না করে তড়িঘড়ি করে সম্পাদন করায় জমিয়ত এই চুক্তিকে দেশবিরোধী দেশের স্বার্থ বিরোধী সার্বভৌমত্ব বিরোধী মনে করে।

দুঃখজনক হলেও সত্য সংসদে  বিরোধী দল, এবং রাজপথের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শক্ত আন্দোলন করলেও রহস্যজনক কারণে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বাণিজ্য চুক্তির ব্যাপারে বিরোধী দল নিরব এবং সংসদে কোন বক্তব্য বা বিবৃতি না দেওয়ায়  জাতি হিসেবে আমরা মর্মাহত হয়েছি।

সরকার এবং বিরোধী দলের নীরবতা জাতিকে শংকিত করে তুলছে দেশপ্রেমিক জনতা শঙ্কিত দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়েজমিয়ত এই বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত বাতিল করার জন্য সরকারের প্রতি আজকের এই বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে জোরদাবি জানাচ্ছে।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির বংশ হিসেবে শুক্রবার (১৫ মে) বাদ জুম বন্দরবাজার জামে মসজিদ থেকে  জমিয়ত উলামায়ে  ইসলাম  সিলেট মহানগরী শাখার ডাকে এক বিশাল মিছিল নগরীর বিভিন্ন রোড পদক্ষিণ করে  চোহাট্টা পয়েন্টেমহানগর শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা নিজাম উদ্দিন সাহেবের সভাপতিতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, মহানগর জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালেক চৌধুরী, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আখতারুজ্জামান এর পরিচালনায়, বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা খলিলুর রহমান, কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক জননেতা এডভোকেট মোহাম্মদ আলী,কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্পাদ, দক্ষিণ জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা নজরুল ইসলাম, উত্তর জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা অলিউর রহমান, মহানগর সহ-সভাপতি মাওলানা মজিবুর রহমান কাসেমী, মাওলানা সৈয়দ শামীম আহমদ, মহানগর যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা সদরুল আমিন, মহানগর সহ সম্পাদক মাওলানা সলিম কাসেমী, সাবেক ছাত্রনেতা মাওলানা হাসান আহমদ, মাওলানা আব্দুল আহাদ, মাওলানা এমাদুদ্দিন সালিম, মাওলানা লুৎফুর রহমান, এম বেলাল আহমদ চৌধুরী, যুব নেতা মাওলানা আসাদুদ্দিন হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার মাওলানা মনসুর আহমদ, ছাত্রনেতা হাফিজ জামিল আহমেদ, নুরুল ইসলাম, আবু হানিফা সাদী।

» মহান কমিউনিস্ট বিপ্লবী কমরেড আব্দুর রউফ মুকুল’র স্মরণে শোকসভায় বক্তারা

Published: ১৫. মে. ২০২৬ | শুক্রবার

বিশ্বের দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলুন

নিউজ ডেস্কঃ
বিশ্ব শ্রমিক শ্রেণি, নিপীড়িত জাতি ও জনগণের মহান আন্তর্জাতিক সংহতির স্লোগানকে ধারণ করে বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পলিটব্যুরোর সদস্য, উপমহাদেশের কিংবদন্তিতুল্য কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা কমরেড আব্দুর রউফ মুকুল’র স্মরণে সিলেটে শোকসভা অনুষ্ঠিত।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেল ৫টায় সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির ৩নং বার লাইব্রেরী হলে শোকসভা আয়োজক কমিটির আহবায়ক এডভোকেট কুমার চন্দ্র রায়’র সভাপতিত্বে এবং আয়োজক কমিটির সদস্য ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. আবুল ফজলের পরিচালনায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কমরেড আব্দুর রউফ মুকুল এর শোকসভা পালন জাতীয় কমিটির সদস্য ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, কমরেড আব্দুর রউফ মুকুল’র শোকসভা পালন জাতীয় কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রমিকনেতা রজত বিশ্বাস, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি রত্নাকুর দাস জহুর, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ছাদেক মিয়া, গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি সিলেট জেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ মনির হেলাল এডভোকট, সাধারণ সম্পাদক ও শোকসভা আয়োজক কমিটি, সিলেট-এর অন্যতম নেতা মোহাম্মদ মনির উদ্দিন এডভোকেট, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ সোয়েব এডভোকেট, শওকত উসমান জুবের, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা আহবায়ক শুভ আজাদ শান্ত, গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি সিলেট জেলা আহবায়ক মিনারা বেগম, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি সিলেট জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহাবয়ক সুজন মিয়া।
সভার শুরুতে প্রয়াতের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ (এক) মিনিট শোক নিরবতা পালন করা হয় এবং কমরেড আব্দুর রউফ মুকুল’র শোকসভা আয়োজক কমিটি সিলেট জেলা কর্তৃক প্রকাশিত লিখিত প্রবন্ধ পাঠ করেন শোকসভা আয়োজক কমিটির সদস্য আব্দুস সালাম।
শোকসভায় বক্তারা বলেন, কমরেড আব্দুর রউফ মুকুল’র মৃত্যু কোনো ব্যক্তির মৃত্যু নয়। এটি শোষিত মানুষের মুক্তির সংগ্রামে এক অগ্নিযোদ্ধার সাময়িক বিদায়।
তিনি ছিলেন এদেশের আপোসহীন মার্কসবাদী-লেনিনবাদী আন্দোলনের ইস্পাত কঠিন সংগঠক, সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ-আমলা মুৎসুদ্দি পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে নিরলস শ্রেণিযুদ্ধের এক অমর সৈনিক।
আজ ইউক্রেন, ফিলিস্তিন, ইরান, লেবানন, সিরিয়া, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসী যুদ্ধের শিকার হয়ে অকাতরে প্রাণ দিতে হচ্ছে নিরিহ শিশু কিশোর ও নরনারীকে।
বাজার ও প্রভাব বলয় পুর্ণবন্টন নিয়ে পুঁজি ও শক্তির অনুপাত পরিবর্তিত হওয়ায় মার্কিনের নেতৃত্বে পাশ্চাত্যের সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে প্রতিপক্ষ সাম্রাজ্যবাদী চীন-রাশিয়ার দ্বন্দ্ব তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে।
ভূরাজনৈতিকভাবে সামগ্রিক গুরুত্বের নয়াউপনিবেশিক আধাসামন্তবাদী বাংলাদেশকে সাম্রাজ্যবাদী উভয়পক্ষ স্ব স্ব পক্ষে যুদ্ধে সম্পৃক্ত করার ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করছে।
আজ প্রয়োজন কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল)’র জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সাম্রাজ্যবাদী অন্যায় যুদ্ধের বিরুদ্ধে জনগণের ন্যায় সঙ্গত প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন ১৯৭১ সালের রণাঙ্গনে গুলিবিদ্ধ হয়ে দেহের নিম্নাংশ চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেলেও কমরেড মুকুল কখনো পরাজয় স্বীকার করেননি।
শারীরিকভাবে পঙ্গু হলেও তিনি রাজনৈতিকভাবে ছিলেন হিমালয়ের মতো অটল, বজ্রের মতো কঠোর এবং দাবানলের মতো তেজস্বী। দু’টি ক্রাচ ছিল তাঁর চলার অবলম্বন, কিন্তু তাঁর চিন্তা, চেতনা ও সংগ্রামী সাহস কোটি মানুষের প্রেরণার উৎসে পরিণত হয়েছিল।
তিনি প্রমাণ করে গেছেন একজন প্রকৃত বিপ্লবীর শক্তি তার দেহে নয়, তার আদর্শে।
বক্তারা বলেন, আজকের রাষ্ট্রব্যবস্থা শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি মানুষের নয়; এটি লুটেরা ধনিকশ্রেণির রাষ্ট্র। এ রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের নামে চলছে প্রতারণা, উন্নয়নের নামে চলছে লুটপাট, স্বাধীনতার নামে চলছে সাম্রাজ্যবাদী গোলামী।
জনগণের রক্ত-ঘামে অর্জিত সম্পদ একদিকে যেমন বিদেশে পাচার হচ্ছে, অন্যদিকে কোটি কোটি মানুষ বেকারত্ব, ক্ষুধা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্র্দ্ধগতি ও রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের শিকার হচ্ছে।
এই শোষণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে উচ্ছেদ করে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের রাষ্ট্র, সরকার ও সংবিধান প্রতিষ্ঠাই ছিল কমরেড মুকুলের আজীবনের লড়াই।
সংশোধনবাদ, সুবিধাবাদ, নির্বাচনমুখী সুবিধাবাদী বাম রাজনীতি ও বিপ্লববিরোধী নৈরাজ্যবাদী প্রবণতার বিরুদ্ধে কমরেড মুকুল ছিলেন আপসহীন।
তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন সাম্রাজ্যবাদ ও শাসকশ্রেণির দালাল শক্তির সাথে আপস করে জনগণের মুক্তি সম্ভব নয়।
সংগঠিত শ্রেণিসংগ্রাম, বিপ্লবী রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং শ্রমিক-কৃষকের ঐক্যবদ্ধ শক্তিই পারে ইতিহাসের গতিধারা বদলে দিতে।
আজ কমরেড মুকুলকে স্মরণ করার অর্থ তাঁর অসমাপ্ত বিপ্লবী দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া। আজ প্রয়োজন কারখানা, গ্রাম, শিক্ষাঙ্গন ও শ্রমিক মহল্লায় সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
প্রয়োজন সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন, পুঁজিবাদী শোষণ ও স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিরুদ্ধে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলা।

???????????????

» ঈদকে সামনে রেখে সিলেটের হলি বাজার পরিদর্শনে বানিজ্য মন্ত্রী

Published: ১৫. মে. ২০২৬ | শুক্রবার

বাজার দর থেকে হলি বাজারে কম মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রী মহতি উদ্যোগ : মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

নিউজ ডেস্কঃ
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা বিবেচনা করে বাজার দর থেকে হলি বাজারে কম মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করা মহতি উদ্যোগ। এখান থেকে বাজার করে নিম্ন আয়ের মানুষ স্বস্তি পাবেন।

হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির হলি বাজারের মাধ্যমে জনসাধারণ ন্যায্য ও কম দামে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রয়ের বিষয়টি ক্রেতাদের জন্য আনন্দের।

তিনি বলেন, সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বাজার মনিটরিং জোরদারের পাশাপাশি স্বল্পমূল্যে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।

তিনি বলেন, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকারের পাশাপাশি হলি বাজারের উদ্যোক্তাদের এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি ব্যবসায়ীদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সিলেট নগরীর লালবাজারস্থ আল-ফালাহ কমপ্লেক্সের ৪র্থ তলায় হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সর্বনিম্ন মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠান হলি বাজার পরিদর্শন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির লিমিটেডের সভাপতি মোহাম্মদ আলী আকিক এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মোঃ আজিজুল করিম এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা উপজেলা সমবায় অফিসার মনির হোসেন।

উপস্থিত ছিলেন, হলি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির উপদেষ্টা হাজী মো. রইছ আলী, আব্দুর রহমান রিপন, আব্দুল মুনিম মল্লিক মুন্না, আব্দুল হাদী পাবেল, আব্দুল কাইয়ুম, জেলা সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি সুসেন্দ্র চন্দ্র নমঃ খোকন, সমিতির সহ সভাপতি আব্দুল খালিক খান রহিম, সহ সাধারণ সম্পাদক শুয়াইবুর রহমান রিয়াদ ও সাহেদ বক্স, সমিতির সদস্য শিমুল আহমদ, আখতার হোসেন, ব্যবসায়ী খন্দকার কাওসার আহমদ রবি, রাসেল আলী, এনামুল কবির চৌধুরী, তারেক আহমদ খান, অফিস সহকারী প্রণয় বিশ্বাস, ব্যবস্থাপক ইমরান আহমদ প্রমুখ।

এছাড়াও সমিতির নেতৃবৃন্দ সহ  বিশিষ্ট ব্যবসায়ীগণ উপস্থিত ছিলেন।

» সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) স্মরণে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে পীর মাশায়েখবৃন্দ

Published: ১৫. মে. ২০২৬ | শুক্রবার

সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) আমাদের ঈমানী চেতনার বাতিঘর

নিউজ ডেস্কঃ
আযাদী আন্দোলনের অকুতোভয় সিপাহসালার, ঈমানী চেতনার প্রাণপুরুষ, আমীরুল মু’মিনীন, ইমামুত তরীকত, শহীদে বালাকোট হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.)-এর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে তাঁর স্মরণে শুক্রবার (১৫ মে, ২০২৬) রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে|
বালাকোট-চেতনা উজ্জীবন পরিষদের সদস্য সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বক্তারা বলেন, উপমহাদেশে ইসলামের প্রকৃত আকীদা-আদর্শ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে যেসকল মহামনীষী অনন্য অবদান রেখেছেন তাদের অন্যতম সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.)|
তিনি শরীয়াত ও তরীকতের অপূর্ব সমন্বয়ের মাধ্যমে উপমহাদেশের মানুষের মধ্যে যে দ্বীনি জাগরণ সৃষ্টি করেছিলেন নিকট অতীতে তার তুলনা বিরল|
তিনি মানুষের তাযকিয়ায়ে নাফস তথা আত্মার পরিশুদ্ধির পাশাপাশি তাদেরকে জিহাদী জযবায় উদ্ধুদ্ধ করেছিলেন| তাই, তিনি এই উপমহাদেশের মুসলমানদের প্রেরণার উৎস|
তিনি আমাদের ঈমানী চেতনার বাতিঘর| তার ঈমানী চেতনা, তাযকিয়া-তাসাউফ ও দ্বীনী আদর্শকে ধারণ করে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা প্রচার-প্রসারে আমাদের কাজ করতে হবে|
বাদেদেওরাইল ফুলতলী কামিল মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা নজমুল হুদা খান, বালাকোট চেতনা উজ্জীবন পরিষদের সদস্য মাওলানা নজীর আহমদ হেলাল ও বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাদ উদ্দীন তালুকদারের যৌথ পরিচালনায় সম্মেলনে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন,  দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক আলহাজ্ব এএমএম বাহাউদ্দীন, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন দৈনিক ইনকিলাবের নিবাহী সম্পাদক মাওলানা কবি রূহুল আমিন খান, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী, ছারছীনা দরবারের প্রতিনিধি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের অধ্যাপক ড. রূহুল আমীন, কদমচালের পীর ছাহেব মাওলানা মো. আবুল কাশেম, কুমিল্লার দারুল আমানের পীর ছাহেব মাওলানা শাহ মাহমুদ সিদ্দিকী আল কুরেশি, ফেনীর সিরাজিয়া দরবারের পীর ছাহেব মাওলানা মোহাম্মদ মহিব্বুল ইসলাম চৌধুরী, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মুফতি মাওলানা আবু নসর জিহাদী, গাজীপুর শামসাবাদের পীর ছাহেব মাওলানা মুফতি মাহবুবুর রহমান, হবিগঞ্জের এখতিয়ারপুরের পীর ছাহেব মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান, কিশোরগঞ্জের আব্দুল আওয়াল দরবারের পীর ছাহেব মাওলানা শাহ ফজলুল করিম, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছিনের সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মোহাম্মদপুর গাউছিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুফতি এজহারুল হক, সোবহানীঘাট হজরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু সালেহ মো. কুতবুল আলম, দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসার প্রধান মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল লতিফ শেখ, মাসিক পরওয়ানার সম্পাদক মাওলানা রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী ফুলতলী, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন, ইমাম আযম ফাউন্ডেশন নওগাঁ‘র পরিচালক মুফতি মাওলানা শাহ আলম, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, আন নূর জামে মসজিদ বাসাবোর খতিব মাওলানা মুফতি মনজুর হোসাইন খন্দকার প্রমুখ|
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কেরানীগঞ্জের জহুরীয়া দরবারের পীর ছাহেব আলহাজ্ব মো. আজহারুল ইসলাম, সুন্দাদিলের পীর ছাহেব মাওলানা কাজী আলাউদ্দিন আহমদ, মোহাম্মদপুর গাউছিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আ ন ম মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এ এস এম মনোয়ার হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলী রাব্বী রতন, ঢাকা মহানগর সভাপতি আতিকুর রহমান বাপ্পী, বিশিষ্ট আলোচক মাওলানা আব্দুল আউয়াল ফয়সল, মাওলানা নূরুল হাসান তাওহীদ, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম, ফুলতলী কমপ্লেক্স জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা শাহিদ আহমদ প্রমুখ|
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ সিলেট মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা জিয়াউল ইসলাম মুহিত, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার সিলেট মহানগর সভাপতি হোসাইন আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি আবু হেনা মো. ইয়াসিন, হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি ফয়েজ আহমদ, মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি জামাল আহমদ, সিলেট পূর্ব জেলা সভাপতি হোসাইন আহমদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক সরকার মো. নাসির উদ্দীন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি জুবেল আহমদ, ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি মাহদি হাসান প্রমুখ|
দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক আলহাজ্ব এএমএম বাহাউদ্দিন বলেন, আমাদের দেশ শতকরা ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশ| যারা এই দেশ শাসন করবেন তাদেরকে এই ৯২ ভাগ মুসলমানের চিন্তা-চেতনাকে বুঝতে হবে এবং সে অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করতে হবে|
এ দেশের অধিকাংশ মানুষ তাসাউফ পন্থী| তারা রাজনীতির ক্ষেত্রে  পীর মাশায়েখদের কথা অনুস্মরণ করে| তাদের কথাও বিবেচনায় রাখতে হবে|
মাওলানা রূহুল আমীন খান বলেন, হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.)-এর জীবনী যদি আমরা পাঠ করি তাহলে দেখতে পাই যে, তিনি খেদমতে খালক তথা অনাথ, অসহায়, গরীব ও নিঃস্ব মানুষের খেদমত করেছেন, সমাজ থেকে বিদআ’তকে দূরীভূত করার চেষ্টা করেছেন এবং আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর সুন্নাতকে সর্বক্ষেত্রে জিন্দা করার জন্য সারাজীবন চেষ্টা করেছেন|
ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও তিনি এই উপমহাদেশে খেলাফতে আলা মিনহাজুন নবুওয়াত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন| আমরা যারা তাসাউফপন্থী—জৈনপুর, ফুরফুরা, ছারছীনা, ফুলতলী, এমনকি দেওবন্দী ধারাও আমিরুল মু’মিনীন হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.)-এর সাথে সম্পর্কিত| তিনি যেসব কাজ ও খেদমত করে গেছেন— গরীব-দুঃখী, অনাথ-অসহায়ের সহযোগিতা— এসব ক্ষেত্রে সাধ্যমত আমরা চেষ্টা করবো|
এছাড়া সমাজ থেকে বিদআ’ত উচ্ছেদ এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাতকে সর্বক্ষেত্রে জিন্দা করার সর্বাত্মক চেষ্টা করবো|
মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী বলেন, বালাকোট সম্মেলনের কাজ হলো, হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.)-এর চেতনাকে জাগিয়ে দেওয়া, পুনরুজ্জীবিত করা।
আমরা হযরত হোসাইন (রা.)-এর শাহাদাত নিয়ে যেমন গৌরব করে থাকি, তেমনি হযরত সায়্যিদ আহমদ (র.)-এর শাহাদাত নিয়েও গৌরব করে থাকি। আমাদের সন্তান-পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তাঁর আদর্শ ও চেতনাকে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে।
দারুল আমানের পীর ছাহেব মাওলানা শাহ মাহমুদ সিদ্দিকী আল কুরেশী বলেন, হযরত সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) এই উপমহাদেশে কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক খেলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।
তার ত্যাগ, সংগ্রাম ও চেতনাকে ধারণ করে আমাদেরকেও রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করতে হবে।

» দিরাই-শাল্লা সম্প্রীতি পরিষদ সিলেটের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

Published: ১৫. মে. ২০২৬ | শুক্রবার

নিউজ ডেস্কঃ
দিরাই-শাল্লা সম্প্রীতি পরিষদ সিলেটের উদ্যোগে পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত সুধীর দাস, উপদেষ্টা ও শিক্ষক নিরঞ্জন দাস, নির্বাহী সদস্য জ্যোতিরিন্দ্র নারায়ন চৌধুরী ও চারু সামন্ত স্মরনে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ মে) নগরীর মদিনা মার্কেটের কালীবাড়ীস্থ  দিশারী স্কুল এন্ড কলেজে এ সভার আয়োজন করা হয়।

দিরাই-শাল্লা সম্প্রীতি পরিষদ সিলেটের সভাপতি অঞ্জলি প্রভা চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রাণ কান্ত দাসের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল ফতেহ ফাত্তাহ্।

স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা জুয়েল চক্রবর্তী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন চৌধুরী, গুলজার আহমদ, ভূপেন্দ্র তালুকদার, প্রবাল ভট্টাচার্য, ধীরেন্দ্র দাস, গণদাবী পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, হাওর উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খালেদ মিয়া, আফিকুল আসফিয়া, অধ্যাপক রনি দাস, শিক্ষক ওসিত চৌধুরী, বিজয় দাস, অমিত সামন্ত, মহিতোষ মজুমদার, হরিপদ দাস, যতীন্দ্র তালুকদার, বিমল দাস, জ্যোতিষ দাস, পান্ডব মজুমদার।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ডাক্তার সুভাষ দাস। সভায় প্রয়াতদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি পাঠ করা হয়।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, প্রয়াত ৪ গুনীজন স্ব স্ব অবস্থান থেকে সমাজের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তারা ছিলেন, আমাদের জন্য বাতিঘর।

প্রয়াত সুধীর দাস মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবনবাজি রেখে লড়াই করে আমাদের লাল-সবুজের পতাকা উপহার দিয়েছেন।

শিক্ষক নিরঞ্জন দাস, জ্যোতিরিন্দ্র নারায়ন চৌধুরী ও চারু সামন্ত ছিলেন অন্যায়ের প্রতিবাদী ও আলোকিত মানুষ।

তাদের প্রত্যেকেই স্বপ্ন ছিল সাম্য ও ন্যায়ের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। আমাদেরকে তাদের পথ অনুসরণ করে সাম্য ও ন্যায়ের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যেতে হবে।

» দক্ষিণ সুরমা ইউএনও-কে প্রেসক্লাবের বিদায়ী সংবর্ধনা

Published: ১৪. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম অনীক চৌধুরী বলেছেন, দক্ষিণ সুরমা একটি সম্ভাবনাময় উপজেলা এখানের মানুষের কর্মস্পৃহা হৃদ্যতাপূর্ণ।

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব গ্রহণ ও পাঁচ মাস এই উপজেলায় কাজ করে অনেক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি। এখানের পরিধি ব্যাপক। এই উপজেলার উন্নয়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।

তিনি বলেন, স্বল্প সময়ে এই উপজেলার গণমাধ্যম কর্মীদের যে সহযোগিতা পেয়েছি তা হৃদয়ে অম্লান থাকবে। এখানের মানুষ আত্মীয়তাপরায়ন তাদের আচরণ বন্ধুত্বপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম অনিক চৌধুরীর সম্মানে দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব সিলেট আয়োজিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম ইমরানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, এনটিভি ইউরোপের স্পেন ব্যুরো প্রধান সেলিম আলম।

বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হাজি এম আহমদ আলী, সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুসিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাশেদুল হোসেন শোয়েব, সহ-সভাপতি আব্দুল হাছিব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক রফিক আহমদ, কার্যনির্বাহী সদস্য শরীফ আহমদ, কার্যনির্বাহী সদস্য খায়রুল আমিন রাফসান।

» সিলেটে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স সম্পন্ন

Published: ১৪. মে. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

শিক্ষার্থীদের ক্ষুদ্র সঞ্চয়ই ভবিষ্যতের মূলধন; বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধি, সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নিরাপদ ক্যাশলেস লেনদেনে উদ্বুদ্ধ করতে “স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং লিড ব্যাংক হিসেবে ট্রাস্ট ব্যাংকের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের আয়োজনের বিশেষ দিক ছিল স্টুডেন্ট ব্যাংকিং এ প্রথমবারের মতো কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তি।
“আর্থিক সাক্ষরতায় সূচিত হোক নিরাপদ ক্যাশলেস লেনদেন” স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিলেটের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলা শিল্পকলা একাডেমি এলাকায় একটি র‍্যালি বের হয়। র‍্যালি শেষে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।
সুকান্ত গুপ্ত ও রোহেনা সুলতানার যৌথ সঞ্চালনায় ট্রাস্ট ব্যাংকের ডিএসডি ও সিআরও আখলাসুর রহমান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শেষ আবু এহতেশাম এবং গীতা পাঠ করেন দিশারী স্কুল এন্ড কলেজের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী পরমা প্রকৃতি ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, ট্রাস্ট ব্যাংকের ভিপি এবং হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং ডিভিশন মো. ওয়াহেদ ইবনে শাহেদ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক খালেদ আহমদ বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্ষুদ্র সঞ্চয়ই ভবিষ্যতের মূলধন।
প্রত্যেক শিক্ষার্থী যদি টিফিনের টাকা থেকে সামান্য সঞ্চয় করে, তাহলে এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়ই ভবিষ্যৎ জীবনের সফলতার চাবিকাঠি হবে।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের জীবনেও যদি এরকম ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সঞ্চয়ের সুযোগ থাকত, তাহলে আমরা আরও আর্থিক সফলতা অর্জন করতে পারতাম। অনেক টাকা সঞ্চয় থাকত।”
তিনি জানান, ক্রমান্বয়ে সিলেটের শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বাড়ছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
খালেদ আহমদ বলেন, দেশে প্রায় ৫ কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। সকল শিক্ষার্থী যদি ক্যাশলেস লেনদেনের আওতায় আসে, তাহলে দেশের বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হবে। আগামী পহেলা জুলাই থেকে সকল ব্যবসায়িক লেনদেন ক্যাশলেস করার উদ্যোগের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সরকার কম সুদে কৃষি ঋণের ব্যবস্থা করেছে, যাতে দেশে সব ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয় এবং বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির প্রয়োজন কমে। এতে দেশের অর্থ সাশ্রয় হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. ইকবাল মহসিন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেটের উপ-পরিচালক (কলেজ) ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদির।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. ইকবাল মহসিন বলেন, ২০৩১ সালের মধ্যে নিরাপদ ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ৪৯ লাখ ৩০ হাজার সক্রিয় স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যেখানে জমা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ব্যাংক গ্রাহক। তাই এখন থেকেই তাদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে হবে।”
তিনি জানান, ২০১০ সালে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু হয় এবং ২০২৫ সালে গাইডলাইন হালনাগাদ করা হয়েছে।
পূর্বে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত স্টুডেন্ট ব্যাংকিং সুবিধা থাকলেও এখন তা বাড়িয়ে ২৫ বছর পর্যন্ত করা হয়েছে।
১৮ বছর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে আয়ের উৎস ছাড়াই হিসাব পরিচালনা করতে পারবে। আর ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে আয়ের উৎস দেখাতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদির বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষার্থীরা ব্যাংকিং সেবার বাইরে ছিল।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় একসময় বৃহৎ আকার ধারণ করবে এবং এতে শিক্ষার্থী, পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-সকলেই উপকৃত হবে।
অনুষ্ঠানে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং গাইডলাইন্স প্রেজেন্টেশন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালক মো. মাহাবুব উল আলম।
বক্তব্য রাখেন সোনালী ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার ড. খোকন চন্দ্র বিশ্বাস, বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষিকা সুমা দত্ত এবং সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার সন্তোষ চন্দ্র দেবনাথ।
অনুভূতি প্রকাশ করেন, জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা রহমান, ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সপ্তক রায়, সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী পুষ্পিতা প্রশান্ত।
শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বক্তব্য, কুইজ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং, ডিজিটাল আর্থিক সেবা এবং সঞ্চয়ের গুরুত্ব সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্টুডেন্ট হিসাব খোলায় বিভিন্ন ব্যাংকের সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রথম স্থান অর্জন করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক, দ্বিতীয় স্থান পূবালী ব্যাংক এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে সোনালী ব্যাংক।
এছাড়া কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কনফারেন্সের সমাপ্তি ঘটে।

Callender

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031