শিরোনামঃ-

» জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভা

Published: ২৬. মে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিমকে সাময়িক বহিস্কার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং বি-১৪১৮) এর কার্যকরী কমিটির জরুরী সভা সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে সভাটি দক্ষিণ সুরমা বাবনা পয়েন্টস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি সাহেব আলী, সহ-সভাপতি মানিক মিয়া, সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া, প্রচার সম্পাদক হারিছ, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ, কার্যকরী সদস্য আজিজ, আতিক মিয়া, সাইফুল ইসলাম, শাহাব উদ্দিন ও শেখ ফরিদ।
সভায় জানানো হয়- গত ২৭ এপ্রিল কদমতলী বাস টার্মিনালে সংঘর্ষে নেতৃত্ব দেয়ায় ও সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং বি-১৪১৮) এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিমকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে।
সংগঠন থেকে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে শোকজের নোটিশ প্রদান করা হলেও তিনি যথাসময়ে জবাব না দেয়ায় তাকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্তটি গৃহিত হয়।
সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলাম বলেন, ঈদ উপলক্ষে নিরাপদ যাত্রীসেবা নিশ্চিতে চালক ও সর্বস্তরের পরিবহন শ্রমিকদেরকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
দুর্ঘটনা এড়াতে সঠিকভাবে যানবাহন পরিচালনা করতে হবে। সিলেটের পরিবহন শ্রমিকদেরকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে আমরা বদ্ধ পরিকর।
গত ২৭ এপ্রিল কদমতলী বাস টার্মিনালে একটি অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুইজন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এই সংঘর্ষের পেছনে সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিমের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে।
এ ব্যাপারে সংগঠনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক আমরা তাকে একটি শোকজ নোটিশ দিয়েছি। কিন্তু তিনি যথাসময়ে জবাব না দেয়ায় তাকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। আজ থেকে তিনি আর এই পদের দায়িত্বে নেই।

» জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রাজন

Published: ২৬. মে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নিউজ ডেস্কঃ
সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং বি-১৪১৮) এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিমকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে।
এর প্রেক্ষিতে গঠনতন্ত্র অনুসারে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন। এটি আজ থেকে কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং বি-১৪১৮) এর সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলামের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে অবহিত করে প্রশাসন সহ সকল শ্রমিক সংগঠনের কাছে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।
এখন থেকে যে কোন প্রয়োজনে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজনের সাথে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মজলুম শ্রমিক নেতা আলী আকবর রাজন দীর্ঘদিন থেকে সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং বি-১৪১৮) এর ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া তিনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সিলেট বিভাগীয় যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সিলেট জেলার পরিবহন শ্রমিকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন ‘সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং বি-১৪১৮)’এর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজনের সাথে যে কোন প্রয়োজনে মোবাইল নাম্বার (০১৭১১৯৮৩৯৫০) যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

» সিলেটে গরীব ও দুস্থদের মাঝে সরকারী ঈদ সহায়তা বিতরণ

Published: ২৬. মে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

নাগরিকের আমানত তাদের কাছে পৌছে দেয়া জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব  অধ্যাপিকা মাহফুজা হান্নান এমপি

নিউজ ডেস্কঃ
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য অধ্যাপিকা মাহফুজা সিদ্দিকা হান্নান এমপি বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে|

রাষ্ট্র প্রদত্ত জনগণের আমানত তাদের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা অঙ্গিকারাবদ্ধ| পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে গরীব ও দুস্থদের মাঝে সরকার থেকে বরাদ্দকৃত অর্থ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে দেয়া হচ্ছে| এক্ষেত্রে শতভাগ ¯^চ্ছতা নিশ্চিত করা হয়েছে|

জনগণের কল্যাণে কাজ করাই জামায়াতের মুল লক্ষ্য| কারণ জামায়াত মানবতার কল্যাণ সাধন করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চায়| জনগণের আমানত তাদের হাতে পৌঁছে দিতে চায়| আজকের এই অর্থ সহায়তা তারই প্রমাণ|

তিনি বলেন, আমার সংসদীয় এলাকা হচ্ছে সিলেটের ৬টি আসন| প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ খুবই অপ্রতুল| তবুও কিছু মানুষের মাঝে এই অনুদান তুলে দিতে পেরে আমি আনন্দিত|

আমরা এমন একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই| যে রাষ্ট্রে ধনী ও গরিবের কোন ˆবষম্য থাকবেনা| ঘুষ-দুর্নীতি,খুন, গুম, ধর্ষন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজী থাকবেনা| মানুষ নির্বিঘ্নে ও শান্তিতে বসবাস করতে পারবে| এজন্য জামায়াতে ক্ষমতায় পাঠানোর বিকল্প নেই|

তিনি মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে গরীব ও দুস্থ মানুষের মাঝে সরকারি বরাদ্দকৃত নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন|

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারী অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হয়|

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, মহিলা জামায়াতের সিলেট অঞ্চল সেক্রেটারী সাহিমা খানম হেপি, মহানগর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারী ফৌজিয়া রহমান শিউলী ও মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জাহেদুর রহমান চৌধুরী|

এছাড়া অনুষ্ঠানে সিলেট মহানর মহিলা জামায়াতের দায়িত্বশীলাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন|

সভাপতির বক্তব্যে মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর গণতান্ত্রিক সরকারের আমলেও দেশের মানুষ ভালো নেই|

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে|

মাদকসেবীর হাতে র্যাব সদস্যকেও জীবন দিতে হচ্ছে| প্রশাসন থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সর্বত্র নগ্ন দলীয়করণ চলছে|

ইসলামী ব্যাংককে লুটেরাদের হাতে তুলে দেয়ার মাধ্যমে ব্যাংকটিকে লুটপাটের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া হচ্ছে| যা আইনের শাসনের পরিপন্থী|

জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা মাহফুজা হান্নান এমপি ঈদ উপলক্ষে সরকার থেকে যে অর্থ সহায়তা পেয়েছেন|

আমরা মাঠ পর্যায়ে যাচাই বাছাই করে মহানগর এলাকার প্রকৃত ৩০০ সুবিধাভোগী গরীব ও দুস্থ নারী-পুরুষের মধ্যে ৩ হাজার টাকা করে মোট ৩ লক্ষ টাকা তুলে দেয়া হয়েছে| শতভাগ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এই তালিকা করা হয়েছে|

এই তালিকা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হবে| জনগণের আমানত জনগণের হাতে তুলে দেয়াকে জামায়াত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মনে করে|

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে প্রতিটি নাগরিককে তাদের অধিকার বুঝিয়ে দিবে|

» দক্ষিণ সুরমায় জুলাই শহীদ শাহাজাহানের পরিবারের পাশে জামায়াত

Published: ২৬. মে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

জুলাই শহীদদের আকাঙ্খা পূরণে জামায়াতের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্কঃ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্ন পূরণে জামায়াত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে|

দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদকে উপেক্ষার মাধ্যমে জুলাই শহীদ ও আহতদের সাথে প্রতারণা করেছে|

গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে জামায়াত সারাদেশে জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে, ইনশাআল্লাহ|

তিনি বলেন, ঈদুল আযহা সামনে| কিন্তু শহীদ শাহজাহান সহ সহস্রাধিক শহীদ পরিবারে এবারও আনন্দ নেই| কারণ যারা হারায় তারাই স্বজন হারানোর বেদনা অনুভব করতে পারে|

আজ রাষ্ট্র ও সরকারের উচিত ছিল জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে দাঁড়ানো| কিন্তু এক্ষেত্রে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে| জামায়াত সবসময় জুলাই শহীদের পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে|

তিনি মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও নিখোঁজ শহীদ শাহাজাহানের পরিবারের সাথে মতবিনিময় ও ঈদ উপলক্ষে নগদ অর্থ উপহার প্রদানকালে উপরোক্ত কথা বলেন|

এসময় সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, দক্ষিণ সুরমা থানা সেক্রেটারী মাওলানা ফয়জুল ইসলাম জায়গীরদার সহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন|

» বারবার কারা নির্যাতিত বিএনপি নেতা সামছুল ইসলাম টিটুকে দক্ষিণ সুরমায় সংবর্ধনা প্রদান

Published: ২৬. মে. ২০২৬ | মঙ্গলবার

দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
বিগত স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে বারবার কারা নির্যাতিত ও রাজপথের ত্যাগী বিএনপি নেতা সামছুল ইসলাম টিটু’র স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল পয়েন্টে এক বিশাল গণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও জেলা যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইকবাল বাহার চৌধুরী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হাসান জুয়েল।

সিলেট জেলা শ্রমিকদলের সিনিয়র যুুগ্ম আহবায়ক, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি শাহ আব্দুল মুকিত এর সভাপতিত্বে ও মোগলাবাজার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন বারবার কারা নির্যাতিত ও রাজপথের ত্যাগী বিএনপি নেতা সামছুল ইসলাম টিটু।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক কাওছার আহমদ নামর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম রাসেল ও জুবায়ের আহমদ, জেলা সেচছাসেবক দল নেতা আব্দুল হান্নান, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আলী আহমদ, আনহার আহমদ মারনুছ, রাসেল আহমদ সহ দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিকদল, ছাত্রদল সহ বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিগত স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে বারবার কারাবরণ ও নির্মম নির্যাতনের শিকার হন সামছুল ইসলাম টিটু।

এতো নির্যাতন সত্ত্বেও পিছপা না হয়ে তিনি রাজপথে থেকে জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষে সাহসীকতার সাথে আন্দোলন-সংগ্রামে আগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পরবর্তীতে প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে প্রবাসে পাড়ি জমিয়ে সেখানেও তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ লালন করে সাবেক  প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করতে জোরালো ভূমিকা রেখেছিলেন।

বক্তারা আরও বলেন, দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আজ তিনি নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছেন।

তাঁর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দক্ষিণ সুরমা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনকে আরও বেশি সুসংগঠিত, শক্তিশালী এবং গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে কারা নির্যাতিত ত্যাগী বিএনপি নেতা সামছুল ইসলাম টিটু বলেন, শত নির্যাতন করেও আমার আদর্শ ও মনোবল ভেঙে দিতে পারেনি ফ্যাসিস্ট হাসিনা।

দীর্ঘ লড়াইয়ের পর আজ দেশের মানুষ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছেন এবং দেশের মানুষের রায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন- এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সান্ত্বনা।

আমরা কোন প্রতিশোধ চাই না, তবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সত্যিকারের ন্যায়বিচার দেখতে চাই।

এদিকে বিকেলে দক্ষিণ সুরমার সিলাম ইউনিয়নের নিজ মঞ্জলাল গ্রামে জিয়া পরিবারের আস্থাভাজন, বার বার কারানির্যাতিত ত্যাগী নেতা, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, সমাজসেবী সামছুল ইসলাম টিটুর পরিবারের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিশ্বের সকল কবরবাসী মুসলমানদের রুহের মাগফেরাত কামনায় এবং সামছুল ইসলাম টিটুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সিলাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল মালিক মল্লিক এর সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় জমিয়তে উলামায়ে  ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও সিলেট মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক, জেলা বিএনপির সদস্য আতাউর রহমান কাচা মিয়া, আসাদ উদ্দিন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক আব্দুস সামাদ।

উপস্থিত ছিলেন, সিলাম ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনসুর আহমদ, সহ-সম্পাদক জুনেদ আহমদ, কামাল বাজার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আমিনুর রহমান সারো, সিলাম ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মুক্তার আহমদ, সাধারণ সম্পাদক শাহ লাহিন অলি, ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি তাজিদুর রহমান তাজুল, সাধারণ সম্পাদক বদরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন আহমদ, মোল্লারগাও ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আহমদ সিরাজী, বালাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সেলিম আহমদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম ও ফখরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম, বালাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মারুফ আহমদ, সিলাম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নাসির আলী, সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমদ প্রমুখ।

দোয়া মহফিলে দলীয় নেতাকর্মী সহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া মাহফিলে সাবেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিশ্বের সকল মরহুমদের রুহের মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনু্িষ্ঠত হয়।

» সিলেটবাসীকে মহানগর জামায়াতের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা

Published: ২৫. মে. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ঈদ মুবারক জানিয়েছেন সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

এক শুভেচ্ছা বার্র্তায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল ও সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী সিলেটবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ত্যাগই হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহার মহাত্ম।

ঈদুল আযহা আমাদেরকে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ, শোষণমুক্ত ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কুরবানীর অনুপ্রেরণা দেয়।
ত্যাগ ও কুরবানীর মানসিকতা নিয়ে ব্যক্তিগত, সমাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ন্যায় এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে। আর এর মাধ্যমেই কেবল মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব।

তারা বলেন, এবছর আমার এমন একটি পরিবেশে ঈদ উদযাপন করছি, যখন সারাদেশে অরাজকতা বিরাজমান। ছোট্ট শিশুরা ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে। চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতনের পর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এমন দৃশ্য কোনভাবেই কাম্য ছিলনা।
ঈদুল আযহার এই দিনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো ও তাদের ঈদ আনন্দে শামিল করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে সবাইকে ঈদ আনন্দে শামিল করার মহৎ কাজে এগিয়ে আসুন। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

» সিলেটবাসীকে মাওলানা হাবিবুর রহমানের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা

Published: ২৫. মে. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সিলেট-১ আসন ( মহানগর ও সদর) এর বাসিন্দা ও সর্বস্তরের সিলেটবাসীকে শুভেচ্ছা ঈদ মুবারক জানিয়েছেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান।

এক শুভেচ্ছা বার্র্তায় তিনি বলেন, ত্যাগের সুমহান মহিমা নিয়ে মুসলিম উম্মাহর দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আযহা।

এবছর আমরা এমন সময় ঈদ উদযাপন করছি যখন বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে।

দেশে চুরি ছিনতাই খুন রাহাজানি চাঁদাবাজি বেড়ে গেছে। ছোট্ট শিশুরা ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে। রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে নগ্ন দলীয়করণের মাধ্যমে সরকার পতিত ফ্যাসিবাদের পথে হাটঁছে।

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এটা প্রত্যাশিত ছিলনা। পবিত্র ঈদুল আযহার কোরবানীর ত্যাগ থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারসহ সবাই সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার শপথ নিবেন বলে আমি প্রত্যাশা করছি।

ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যায়দীপ্ত কাফেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় আর্তমানবতার কল্যানে ছিল আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ।

সামর্থবানদের উচিত ঈদ আনন্দে অসহায় মানুষের কল্যানে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করা। যাতে তারাও ঈদের আনন্দে শামিল হতে পারে।

পবিত্র ঈদুল আযহায় আল্লাহর নামে প্রিয় পশু কুরবানীর মাধ্যমে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ত্যাগের নজির স্থাপনের শিক্ষা নিতে হবে।

ব্যক্তিগত, সমাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ন্যায় এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার শপথ নিতে হবে। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

» জিলহজ মাসের ফজিলত ও করণীয়; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকপাত

Published: ২৫. মে. ২০২৬ | সোমবার

কারী মাওলানা নূরুজ্জামান নোমানীঃ
ইসলামি বর্ষপঞ্জির সর্বশেষ মাস জিলহজ অত্যন্ত বরকতময় ও মর্যাদাপূর্ণ। বিশেষ করে এই মাসের প্রথম দশকটি মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনন্য নিয়ামত। মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে এই দিনগুলোর শপথ করে এর গুরুত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন। সূরা আল-ফজরের শুরুতে ইরশাদ হয়েছে,”শপথ ভোরের, এবং শপথ দশ রাতের।” (সূরা আল-ফজর, আয়াত: ১-২)।

জুমহুর মুফাসসিরদের মতে, এখানে ‘দশ রাত’ বলতে জিলহজের প্রথম দশ দিনকেই বোঝানো হয়েছে। রাসূলে কারিম (সা.) এই দিনগুলোর আমলকে বছরের অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ঘোষণা করেছেন। হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, “জিলহজের প্রথম দশ দিনের নেক আমল আল্লাহর কাছে অন্য যেকোনো সময়ের আমলের চেয়ে অধিক প্রিয়।” (সহীহ বুখারী, হাদিস: ৯৬৯)।

ইবাদতের শ্রেষ্ঠ সময় ও জিকির
জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময়। এ দিনগুলোতে বেশি বেশি ‘সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার’ পাঠ করা সুন্নাত। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন, “যাতে তারা নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে। (সূরা আল-হজ, আয়াত-২৮)। নবীজি (সা.) ইরশাদ করেন, “তোমরা এই দিনগুলোতে বেশি বেশি তাহলিল, তাকবির ও তাহমিদ পাঠ করো।” (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ৫৪৪৪)।

হজ ও আরাফার অনন্য মহিমা
সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ওপর পবিত্র হজ পালন করা এ মাসের প্রধান ফরজ ইবাদত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিষ্কলুষভাবে হজ করল, সে তার মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে ফিরে এলো।” (সহীহ বুখারী, হাদিস: ১৫২১)।

৯ জিলহজ আরাফার ময়দানে অবস্থান করা হজের প্রধান রকন। যারা হজে যেতে পারেননি, তাদের জন্য আরাফার দিনের রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আরাফার দিনের রোজা বিগত এক বছর এবং আগামী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস: ১১৬২)।

কোরবানি, তাকওয়া ও নখ-চুল কাটার বিধান
ঈদুল আজহার দিন পশু কোরবানি করা সামর্থ্যবানদের জন্য ওয়াজিব। কোরবানি হলো হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সুন্নাহ এবং তাকওয়া অর্জনের মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, “আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না ওগুলোর গোশত এবং রক্ত, বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।” (সূরা আল-হজ, আয়াত: ৩৭)। হাদিস শরিফে এসেছে, “কোরবানির পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি করে নেকি রয়েছে।” (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩১২৭)।

নখ ও চুল না কাটা: জিলহজের চাঁদ দেখার পর থেকে কোরবানি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত নিজের নখ, চুল বা চামড়ার অংশ না কাটা মুস্তাহাব। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যখন তোমরা জিলহজের চাঁদ দেখতে পাবে এবং তোমাদের কেউ কোরবানি করার ইচ্ছা করবে, সে যেন তার চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৭৭)।

তাকবীরে তাশরিক: ৯ জিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একবার উচ্চৈঃস্বরে তাকবিরে তাশরিক—‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ’ বলা ওয়াজিব।

নফল আমল ও বর্জনীয় বিষয়
এ মাসে বেশি বেশি নফল নামাজ ও দান-সদকা করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। তবে মনে রাখতে হবে, ১০ জিলহজ (ঈদের দিন) এবং এর পরবর্তী তিন দিন (১১, ১২ ও ১৩ জিলহজ) রোজা রাখা সম্পূর্ণ হারাম। রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, “আরাফার দিন, কোরবানির দিন এবং তাশরিকের দিনগুলো আমাদের মুসলমানদের জন্য ঈদের দিন। আর এগুলো পানাহারের দিন।” (সুনানে আবু دাউদ, হাদিস: ২৪১৯)। কোরবানির মাংস নিজে খাওয়া, আত্মীয় ও গরিবদের মধ্যে বণ্টন করা সুন্নাত।

পরকালীন পাথেয়
জিলহজ মাস আমাদের মাঝে ত্যাগের চেতনা জাগ্রত করে। এই পবিত্র দিনগুলোতে খাঁটি অন্তরে তওবা ও ইস্তেগফারের মাধ্যমে নিজের গুনাহ মাফ করিয়ে নেওয়া উচিত। জিলহজ মাসের প্রতিটি মুহূর্তই পরকালীন পাথেয় সংগ্রহের বিশেষ সুযোগ। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

লেখক:

সাধারণ সম্পাদক, ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদ, সিলেট মহানগর।

» ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের নাথপাড়ায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়

Published: ২৫. মে. ২০২৬ | সোমবার

সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপি সরকার বদ্ধপরিকর : ইমদাদ হোসেন চৌধুরী

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে বসবাসকারী সকল ধর্মের মানুষের অধিকার সমান।

সনাতন ধর্মাবলম্বী সহ আমরা সবাই এদেশেই জন্ম নিয়েছে, তাই এদেশ আমাদের সবার। এখানে কেউ কারো চেয়ে কম বা বেশি নাগরিক নয়। এই মাটি ও মানুষের ওপর আপনাদের সমান অধিকার রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সবসময় সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকারে বিশ্বাসী। দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিপুল ভোটে এবং সমর্থনে বিএনপি আজ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে।

তাই সনাতন ধর্মালম্বী সহ সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপি সরকার বদ্ধপরিকর। অতীতের আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, অতীতের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে কেবল রাজনৈতিক গুটি হিসেবে ব্যবহার করেছে।

তারা মুখে অসাম্প্রদায়িকতার কথা বললেও বাস্তবে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের অধিকার হরণ করেছে। আওয়ামী লীগের আমলেই সবচেয়ে বেশি সাম্প্রদায়িক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, যা তারা রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ব্যবহার করত।

ইমদাদ হোসেন চৌধুরী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বর্তমান বিএনপি সরকারের নেওয়া নানা সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি নাগরিকের সম-অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।

যেকোন ধরনের উগ্রবাদ কঠোর হস্তে দমন করা হচ্ছে। পাশাপাশি বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

তিনি গতকাল সোমবার মহানগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের নাথপাড়ার ঐতিহ্যবাহী সুনীল মরিলের বাড়ীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি সংখ্যালঘুদের আশ্বস্ত করে বলেন, আপনারা নিজেদের কখনো সংখ্যালঘু বা দুর্বল ভাববেন না। এই দেশ আমাদের সবার। যেকোনো সমস্যায় বিএনপি এবং বর্তমান সরকার আপনাদের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়াবে।

মতবিনিময় সভায় অসিত বরণ দাশ, ঝন্টু বর্মন, মাছুমুর রহমান.  মো. অমিনুল ইসলাম,  অলক রঞ্জন পাল, বেলাল আহমেদ, রাজিব পুরকায়স্থ, সুমন চন্দ্রনাথ, মলয় পুরকায়স্থ, আল-আমিন, রায়হান উদ্দিন, মোর্শেদ আলম, লায়লা বেগম, হাবিবুর রহমান, সন্তোষ দেব, অপূর্ব কুমার দাশ, অভিজিৎ দে সুমন, চয়ন কান্তি রায়, লিটন চন্দ্র কর, মো. কায়ছার আহমদ, বিষ্ণু দেবনাথ , বিশ্বদেব নাথ, সুজন বৈশ্য, মোহাম্মদ শাহজাহান-সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

» সিলেটে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু ফাহিমার পরিবারের পাশে জামায়াত

Published: ২৫. মে. ২০২৬ | সোমবার

শিশু ফাহিমা ও র‌্যাব সদস্য ইমন হত্যার বিচার ১ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলায় পাশবিক নির্যাতন ও নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার চার বছরের শিশু ফাহিমার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

সোমবার (২৫ মে) দুপুরে ফাহিমার বাড়ীতে গিয়ে পরিবারে প্রতি সমবেদনা জানান এবং ঈদ উপলক্ষে নগদ আর্থিক উপহার তুলে দেন।

আর্থিক উপহার গ্রহন করেন, নিহত ফাহিমার বাবা রায়ছুল হক ও মা রুবেনা বেগম।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে মহানগর জামায়াতের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মো. শাহজাহান আলী, সদর  উপজেলা জামায়াতের আমীর নাজির উদ্দিন, নায়েবে আমীর আব্দুল লতিফ লালা, সেক্রেটারী প্রিন্সিপাল আল ইমরান, ৮নং কান্দিগাও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মনাফ, কান্দিগাও ইউনিয়ন জামায়াতের  সেক্রেটারী আব্দুল কাইয়ুম।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় মুরব্বী হাজী কলমদর আলী, আনসার আহমদ, মাওলানা আব্দুল্লাহ ও রহিম উল্লা প্রমূখ।

এসময় সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, শিশু ফাহিমার প্রতি নৃশংসতায় গোটা জাতি শোকে স্তব্দ ও বিক্ষুব্ধ। একটি ছোট্ট শিশুর উপর এমন বর্বরতা কোন সভ্য সমাজে মেনে নেয়া যায়না।

সিলেটের ফাহিমা, ঢাকার রামিসা সহ দেশব্যাপী শিশুদের উপর পাশবিক নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় জড়িত প্রায় সকলেই মাদকসেবী।

কিন্তু মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর ভুমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। ফাহিমা হত্যাকান্ডের এতদিন পরও এখনো অভিযোগপত্র দাখিল না হওয়া দুঃখনজনক।

আদালত খোলার প্রথম কার্যদিবসে অভিযোগপত্র দাখিলের জোর দাবী জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে মেহেরপুরে প্রথমবারের মতো শিশু ধর্ষন ও খুনের বিচার ২৯ দিনে সম্পন্ন হয়েছে।

এটি একটি ইতিবাচক দিক। অল্প সময়ে ঢাকার রামিসা হত্যা মামলার চার্জশীট দাখিল হয়ে গেছে। ফাহিমার চার্জশীট দাখিলে ধীরগতি কেন সিলেটবাসী জানতে চায়।

দুঃখনজক হলেও সত্য যে, সিলেটে মাদকসেবীর ছুরিকাঘাতে একজন র‌্যাব সদস্য খুন হয়েছেন। হত্যায় জড়িত ছেলেটি বিএনপির প্রভাবশালী নেতার ছেলে।

তার বিরুদ্ধে ছিনতাই, মাদক সহ নানা মামলা থাকলেও এতদিন গ্রেফতার করা হয়নি। যার ফলে একজন্য র‌্যাব সদস্যকে জীবন দিতে হয়েছে।

ইতোপূর্বে গ্রেফতারী অপহরনকারী চক্রের সদস্য হিসেবে এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার ছেলেকে গ্রেফতার হয়।

সিলেট-১ আসনের সরকারদলীয় এমপি নির্বাচনের আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবেন।

কিন্তু এর দৃশ্যমান অ্যাকশন সিলেটবাসী দেখতে পায়নি। সিলেটে দিন দিন ছিনতাই ও রাহাজানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে জনগণ আতংকিত।

সিলেটবাসী এই অবস্থা থেকে মুক্তি চায়। সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতির ৫০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা প্রমাণ করে সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কত অবনতি ঘটছে।

এভাবে কোন রাষ্ট্র ও সমাজ চলতে পারেনা। মাদক নির্মুল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

শিশু ফাহিমার বিচার ১ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

» দেশে নারী-শিশু নির্যাতন বৃদ্ধি ও সিলেটে র‌্যাব সদস্য খুনের প্রতিবাদে ‘সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর মানববন্ধন

Published: ২৫. মে. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সারাদেশে রামিসা, ফাহিমা সহ ক্রমাগত নারী ও শিশু ধর্ষণ, নৃশংস হত্যা, সিলেটে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় র‌্যাব সদস্য ইমন আচার্য খুন এবং হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মানববন্ধন করেছে সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।

একই সাথে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি রুখতে ধর্ষক ও পেডোফাইলদের সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) এবং দেশের সকল মা-বোনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার (২৫ মে) বাদ আছর ঐতিহাসিক সিলেট কোর্ট পয়েন্টে ‘সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

নগরীর সর্বস্তরের জনসাধারণ, ওলামায়ে কেরাম এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন।

সিলেট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মুফতি ফয়জুল হক জালালাবাদী এর সভাপতিত্বে ও মওলানা হুসাইন আহমদ ও কামাল আহমদের যৌথ পরিচালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট গণদাবি পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক শফিকুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা আসলাম রাহমানী, সিলেট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এম কিউ মইনুল ইসলাম আশরাফী, সাংবাদিক উৎপল বড়ুয়া, সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মওলানা হুসাইন আহমদ মাদানি, উপদেষ্টা মওলানা রফিকুল ইসলাম, দুনীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ, সিলেট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হাফিজ হাবিব আহমদ, কেন্দ্রীয় সদস্য কবি কামাল আহমদ, সিলেট ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মওলানা খায়রুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সদস্য মির নাজিম উদ্দীন, রুবেল আহমদ, মোহাম্মদ মামুন আহমদ, মওলানা তাজুল ইসলাম, হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি মওলানা জালালউদ্দিন জালালী, সিলেট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় সদস্য মো. ময়না মিয়া, সিলেট ফাউন্ডেশন মহানগর সভাপতি মওলানা মনিরুজ্জামান, কাজি শরিফ আহমদ, সোহেল আহমদ, ইমরান আহমদ, কুদ্দুস মিয়া, সরুয়ার আহমদ চৌধুরী, মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আজকে আমাদের মা-বোন ও শিশুরা নিজের ঘরেও নিরাপদ নয়। রামিসা ও ফাহিমার মতো নিষ্পাপ শিশুদের যারা ধর্ষণ ও হত্যা করে, তারা মানুষ নামের কলঙ্ক। এই পেডোফাইল ও ধর্ষকদের কোনো মানবাধিকার থাকতে পারে না।

সমাজ থেকে এই পচন দূর করতে হলে এদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে এবং তা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে কার্যকর করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, সিলেটে যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে র‌্যাব সদস্য ইমনকে খুন করা হয়েছে, তা প্রমাণ করে অপরাধীদের দুঃসাহস কতটা বেড়েছে।

আমরা সিলেটে আর কোনো নৈরাজ্য দেখতে চাই না। অবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে।

» সুনামগঞ্জ জেলাবাসী সহ সবাইকে মিজান চৌধুরীর ঈদ শুভেচ্ছা

Published: ২৫. মে. ২০২৬ | সোমবার

ছাতক প্রতিনিধিঃ

ছাতক-দোয়ারাবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা সহ সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, বিএনপি জাতীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী।

সোমবার (২৫ মে) প্রেরিত শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সুনামগঞ্জ জেলাবাসী সহ দেশ ও প্রবাসের সকলের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এছাড়া তিনি বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

শুভেচ্ছা বার্তায় মিজান চৌধুরী বলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে ত্যাগের সুমহান শিক্ষা নিয়ে আসছে পবিত্র ঈদুল আযহা।

এবার আমরা এমন সময় ঈদুল আযহা উদযাপন করছি, যখন দেশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে দেশে এবারের ঈদে ভিন্নমাত্রা যোগ হয়েছে।
অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে আমার সুনামগঞ্জ জেলায় হাজার হাজার কৃষকের ফসল তলিয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারে এবার ঈদের আনন্দ ম্লান হয়েছে।
এরপরও ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩ মাসের খাদ্য সহায়তা কিছুটা হলেও কৃষকের পরিবারে ঈদ আনন্দের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে।

পবিত্র ঈদুল আযহায় প্রিয় পশুর সাথে মনের পশুবৃত্তিরও যেন কুরবানী হয়।

ঈদুল আযহার কুরবানীর শিক্ষা নিয়ে ব্যক্তিগত, সমাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে জীবনে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সকলের এগিয়ে আসা উচিত।
সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

Callender

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031