শিরোনামঃ-

» সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারীদের রাজস্বকরণের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধনের ডাক

Published: ১৫. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সরকারি কলেজে কর্মরত বেসরকারি কর্মচারীদের চাকরি রাজস্বকরণের (সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় আনা) দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।

আগামী ২৭ জুন শনিবার সকাল ১১টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

‘সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন, সিলেট বিভাগ’-এর ব্যানারে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

আয়োজক সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের অবহেলা, বৈষম্য ও বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারীদের চাকরির রাজস্বকরণের এক দফা দাবি আদায়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

আন্দোলনের মূল স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে- “বৈষম্য দূর করো, ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করো; চাকরির রাজস্বকরণ এখনই চাই, এখনই চাই।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, দেশের সরকারি কলেজগুলোতে বছরের পর বছর ধরে বহু কর্মচারী অত্যন্ত স্বল্প বেতনে এবং মানবেতর উপায়ে বেসরকারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেবা দিয়েও তারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

এই দীর্ঘস্থায়ী বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে এক দফা দাবি আদায়ে আগামী ২৭ জুনের মানববন্ধনকে সফল করতে সিলেট বিভাগের সকল সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারীদের যথাসময়ে শহীদ মিনারে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আন্দোলনকারী কর্মচারীরা জানান, এক দাবি এক সুর, রাজস্বকরণ এখনই দরকার”-এই প্রত্যয় নিয়ে তারা মাঠে নামছেন।

চাকরি স্থায়ীকরণ ও রাজস্বকরণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই শান্তিপূর্ণ ও ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

শনিবারের এই মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করতে এবং আন্দোলনকে বেগবান করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছে, সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন, সিলেট বিভাগ।

» সিলেটে জামেয়া নাজিরেরগাঁও শাখায় দোয়া মাহফিল

Published: ১৫. জুন. ২০২৬ | সোমবার

অধ্যক্ষ ফরিদ চৌধুরী (রহ.) ছিলেন নিবেদিত প্রাণ দাঈ, সংগঠক ও সমাজসেবক : মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার

নিউজ ডেস্কঃ
শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা নাজিরেরগাঁও শাখা সিলেটের ইনচার্জ মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেছেন, অধ্যক্ষ ফরীদ চৌধুরী (রহ.) নিবেদিত দাঈ, সংগঠক ও সমাজসেবক ছিলেন। শিক্ষাক্ষেত্রে তিনি অসামান্য অবদান রেখে গিয়েছেন।
অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান ছিল অনন্য। তিনি কম ও আস্তেধীরে কথা বলা পছন্দ করতেন। তিনি স্থিরতা, গাম্ভীর্য, বিনয়ের গুণে গুণান্বিত ছিলেন।
তিনি ছিলেন, ভালো একজন এমপি। মেপে মেপে কথা বলতেন। টু দ্যা পয়েন্ট কথা বলা পছন্দ করতেন।

সোমবার দুপুরে শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসার সাবেক রেক্টর অধ্যক্ষ মাওলানা ফরীদ উদ্দিন চৌধুরী (রহ.) স্মরণে জামেয়া নাজিরেরগাঁও শাখা আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

জামেয়ার শিক্ষক মাওলানা হানীফ হোসাইনের পরিচালনায় স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান, আজিজুর রহমান, হাফিজ ইমরান আহমদ ও মাওলানা হোসাইন আহমদ।

উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক ওবায়দুল হক, খোরশেদ আলম মহসিন, মো. শাহীন আলম, মাওলানা আবদাল হোসাইন, মাওলানা মেহেদী হাসান, মাওলানা আব্দুল খালিক, মাওলানা আমীর হোসাইন, মাওলানা কায়েস আহমদ ও আব্দুল লতিফ প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেন, কঠিন সময়ে অধ্যক্ষ ফরীদ চৌধুরী (রহ.) অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দ্বীনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি সত্যের পথে অবিচল ছিলেন। যেকোন কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত ছিলেন।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা! তাঁকে ক্ষমা ও জান্নাতুল ফিরদাউসের আ’লা মাক্বাম দান করুন।
পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন এবং দ্বীনের পথের সহযাত্রীদের সাবরে জামিল ও হায়াতে তাইয়্যিবাহ দান করুন। হেফাযতে রাখুন। আমীন।

» গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সাথে মতবিনিময় সভায় কয়েস লোদী সহ ৭ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

Published: ১৫. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
দেশের সুষম ও পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সাথে নবনিযুক্ত বিভিন্ন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদের এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় দেশের নবগঠিত ও বর্তমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানরা অংশ নেন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস. এম. শফিকুল আলম, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শামসুজ্জামান সামু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উতবাতুল বারী আবু এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাসুকুল ইসলাম রাজিব।

মন্ত্রী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের বলেন, “উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলোকে জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে হবে, যাতে প্রতিটি অঞ্চলে সুষম ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।”

সভায় দেশের পরিকল্পিত নগরায়ণ, আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিবেশসম্মত নগর ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নের বিভিন্ন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দক্ষতা ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করে মাননীয় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীলতা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নবগঠিত ও পুনর্গঠিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের কার্যকর উদ্যোগ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

পরিশেষে, “পরিকল্পিত নগর, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ” এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সভা সমাপ্ত করা হয়।

» নদী সংরক্ষণে জনসম্পৃক্ততা জোরদার করতে হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

Published: ১৫. জুন. ২০২৬ | সোমবার

সিলেটে নদী মেলা অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্কঃ

 “নদীর জন্য মানুষ, মানুষের জন্য নদী” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নদী মেলা ২০২৬– অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) সিলেট বিমানবন্দর এলাকার গ্রান্ড সিলেটের হলরুমে সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস) আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ।

এ দেশের মানুষের জীবন-জীবিকা, অর্থনীতি, কৃষি ও সংস্কৃতি নদীকেন্দ্রিক। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, নদীভাঙন, নাব্যতা সংকট, দূষণ ও অবৈধ দখলের কারণে দেশের নদীগুলো বর্তমানে নানা হুমকির মুখে রয়েছে।

তিনি বলেন, “নদী রক্ষায় সরকার ইতোমধ্যে পুনঃখনন, তীর সংরক্ষণ, পানি প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বৃক্ষরোপণ সহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তবে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়।

নদী সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নদী মেলা ২০২৬ নদী বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারে একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।”

অনুষ্ঠানে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিএনআরএস-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার নাদিম হোসেন আদর।

তিনি বলেন“এই মেলা শুধু একটি উৎসব নয়; এটি জ্ঞান বিনিময়, সংলাপ এবং সম্মিলিত উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভেরোনিকা বারকো জোরামস, প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট লিড, অক্সফাম নেদারল্যান্ডস; পেত্রিকেলা ইয়োহানা ফ্রান্সিস্কা মারিয়া, পলিসি লিড (ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স), অক্সফাম নেদারল্যান্ডস; রাজন সুবেদি, প্রোগ্রাম ম্যানেজার, অক্সফাম নেপাল; ড. মো. সিবলী সাদিক, সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার (ওয়াটার), নেদারল্যান্ডস দূতাবাস, ঢাকা; সংঘা শ্রেষ্ঠা, রিসার্চ অ্যাডভাইজার, অক্সফাম নেপাল এবং এনামুল মজিদ খান সিদ্দিকী, প্রোগ্রাম ম্যানেজার, অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল-এশিয়া।

এছাড়াও নেদারল্যান্ডস দূতাবাস, অক্সফাম, টিআরওএসএ প্রোগ্রাম, সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যমকর্মী এবং নদীনির্ভর জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা নদী সংরক্ষণে জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

নদী, প্রকৃতি ও মানুষের পারস্পরিক নির্ভরশীল সম্পর্ক তুলে ধরা এবং নদী রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক আন্দোলনকে শক্তিশালী করাই এ মেলার মূল লক্ষ্য।

আয়োজকরা জানান, দ্যা পিপলস রিভারস্কেপপ্রকল্পের আওতায় পিয়াইন, সারি ও ধলাই নদীর অববাহিকায় অংশগ্রহণমূলক নদী  ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

স্থানীয় জনগণের অভিজ্ঞতা এবং বৈজ্ঞানিক তথ্যের সমন্বয়ে টেকসই নদী ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

» লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রি কলেজে অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন

Published: ১৫. জুন. ২০২৬ | সোমবার

দক্ষিণ সুরমা নিউজঃ
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ঐতিহ্যবাহী লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রি কলেজে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে (২০২৫-২৬) শিক্ষাবর্ষের অনার্স ১ম বর্ষ রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন-২০২৬) কলেজের হলরুমে লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক শেখ মোহাম্মাদ আব্দুর রশিদ এর সভাপতিত্বে ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক রীমা চৌধুরীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আমিরুল আলম খান।

প্রধান অতিথি নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত হলেই চলবে না, বরং দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধে বলীয়ান হয়ে আদর্শ নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

শিক্ষার্থীদেরকে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। স্বপ্ন ও বাস্তবিক জ্ঞান মানুষকে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে যায়।

লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রি কলেজ এই অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াতে অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে এবং নতুন শিক্ষার্থীরা সেই ধারাকে আরও বেগবান করবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার প্রাণকেন্দ্র হউক লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রি কলেজ। সবার সম্মেলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কলেজকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক নাসরীন আরা নার্গিস, প্রভাষক বর্নালী দাস।

আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রভাষক আরাফাত আলী, প্রভাষক এপা রায়, প্রভাষক টপি রাণী পাল, প্রভাষক লিটন চন্দ্র শর্মা, প্রভাষক নিজামুল হক, প্রভাষক অভিজিৎ চক্রবর্তী।

এছাড়াও অভিভাবক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মর্তুজা বাচ্চু, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক শেখ আব্দুল মজিদ।

ছাত্রীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া বেগম, ব্যবস্থাপনা বিভাগের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষাথী তাসলিমা আশরাফ মাহবুবা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী যাকিয়া ইয়াসমিন রুমা ও গীতাপাঠ করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী দিপিকা চন্দ্র দিয়া।

আলোচনা সভা শেষে কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

এতে শিক্ষার্থীরা গান, কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করে উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেন।

পুরো কলেজ ক্যাম্পাস জুড়ে নতুন শিক্ষার্থীদের মাঝে এক উৎসবমুখর আমেজ বিরাজ করছিল।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক এবং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

» সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সংবর্ধনা

Published: ১৫. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নবগঠিত কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতি।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুর ১২টায় নগরীর কালীঘাটস্থ আমজাদ আলী রোডের হয়রত শাহগাজী (রহ.) জামে মসজিদ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত সমিতির প্রধান কার্যালয়ে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সুদৃঢ় ঐক্য ও ব্যবসায়িক পরিবেশের সার্বিক উন্নয়নে নবনির্বাচিত কমিটির ভূমিকার কথা উল্লেখ করে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নতুন নেতৃত্ব সিলেটের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সাধারণ ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষায় আরও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে।

তারা সিলেটের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ীদের যেকোনো সমস্যা সমাধানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি হাজী মো. বাবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন সামন এবং সমিতির সচিব মনোজ কুমার দাসের যৌথ পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাহিদ উদ্দিন।

সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুল মুনিম মল্লিক মুন্না, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাবেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, এনামুল হক বেলাল, কোষাধ্যক্ষ তাহমিদুল হাসান জাবেদ।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি হাজী মোহাম্মদ সাদেক, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাজী খুবেব হোসেন, এম এ মতিন, কোষাধ্যক্ষ মো. আমিনুর রহমান ইমন, দপ্তর সম্পাদক মো. আব্দুল হক, প্রচার সম্পাদক মো. ইমতিয়ার হোসেন আরাফাত, কার্যকরি কমিটির সদস্য হাজী আব্দুল মকছিন নাছির, মো. হুরায়ারা ইফতার হোসেন, নীল মণি কর্মকার, সুজন চন্দ্র দাস (সুমন দাস), হাজী মো. আব্দুল গফ্ফার মিন্টু, হাজী মো. রহমত মিয়া, হাজী মো. খালেদ হোসেন, জেবুল আহমদ, মাহবুবুর রহমান জনি, মারুফ আহমদ, হাজী মো. আলাউদ্দিন, হাজী তফাজ্জুল হোসেন খাঁন, দিলওয়ার হোসেন রাসেল, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ সমন্বয় পরিষদের কার্যকরি কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর খাঁন, আনোয়ার হোসেন শিমুল।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত পাঠ করেন, ফাতিন আনোয়ার।

সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম মুনিমের সুস্থতা কামনা সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন এবং শেষ মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসায়ী সংগঠনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

» সিলেটে অনূর্ধ্ব-১৫ জেলা অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

Published: ১৫. জুন. ২০২৬ | সোমবার

নিউজ ডেস্কঃ
‎‎‎’ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২০২৬-এর আওতায় সিলেট জেলায় অ্যাথলেটিক্স (অনূর্ধ্ব-১৫) প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‎

‎সোমবার (১৫ জুন) সিলেট জেলা স্টেডিয়াম ভেন্যুতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

‎‎সিলেট জেলা ক্রীড়া অফিসার ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মো: নূর হোসেন-এর সভাপতিত্বে ও জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অফিস সেক্রেটারি বিপুল চন্দ্র তালুকদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও সিনিয়র অ্যাথলেটিক্স প্রশিক্ষক দীপাল কুমার সিংহ, ক্রীড়া সংগঠক ও রেফারি আব্দুল মুকিত রাজন, প্রমীলা কোচ তানিয়া রহমান এবং ক্রীড়া প্রশিক্ষক আলী হোসেন মোল্লা।

‎‎পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেলা ক্রীড়া অফিসার ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মো. নূর হোসেন বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে দক্ষ ক্রীড়াবিদ তৈরি করতে এ ধরনের প্রতিযোগিতার বিকল্প নেই।

খেলাধুলাকে কেবল বিনোদন নয়, পেশা হিসেবে বেছে নেয়ার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম যেমন স্বাবলম্বী হতে পারে, তেমনি তাদের পরিবারও পেতে পারে অর্থনৈতিক ভরসা।

প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অনূর্ধ্ব-১৫ বয়সের অ্যাথলেটরা অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ নেয়।‎

প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী ক্ষুদে অ্যাথলেটদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

» মোহাম্মদ আবুল ফজল অ্যাডভোকেট আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত

Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ

অদ্য রবিবার (১৪ জুন) তারিখে ইস্যুকৃত আউবিক/২০২৬(৩৮) তারিখ-২১/০৫/২০২৬ সূত্রবলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট (নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্ণিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) প্রবিধানমালা, ২০২৪’ এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী অত্র শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সদস্যগণ সমন্বয়ে গঠিত তাঁর প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটিকে পত্র ইস্যুকৃত তারিখ হতে পরবর্তী ০৬ (ছয়) মাসের জন্য মোহাম্মদ আবুল ফজল অ্যাডভোকেটকে আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে অনুমোদন দেয়া হয়।

মোহাম্মদ আবুল ফজল অ্যাডভোকেট এর বিভিন্ন পরিচয়ের মধ্যে অন্যতম হলো- তিনি জেলা ও দায়রা জজ আদালত, সিলেট এর অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি, বাংলাদেশ ট্যাক্স ল’ইয়ার্স এসোসিয়েশন (বিটিএলএ)’র সহ-সভাপতি (সিলেট বিভাগ), সাবেক সভাপতি, সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের প্যানেল ল’ইয়ার-সিলেট জোন, নবীগন্জ কল‍্যাণ সমিতি সিলেটের সাধারণ সম্পাদক, সিলেট মহানগর বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক।

এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও মানবিক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

 

» বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী ও ম্যাগাজিন প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত

Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্ক:
বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ এর উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী, ম্যাগাজিন প্রকাশনা উৎসব, ফ্যামেলী ডে, র‌্যাফেল ড্র ও খেলাধুলার পুরস্কার বিতরণী এবং সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) সিলেট নগরীর আলী বাহার চা বাগানে দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সামাজিক সংগঠন বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বেতার সিলেটের পরিচালক ও বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্ঠা আব্দুল্লাহ মো. তারিক।

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোহাম্মদ  কাপ্তান হোসেন এর সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মো. সাহেদ আহমদ শান্ত।

পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক আফজল হোসেন উজ্জ্বল এবং সদস্য সুস্মিতা সরকার ও ইতি রানী মালাকার এর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্ঠা যথাক্রমে বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী, বিশিষ্ট  সাংবাদিক-কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী,  যুক্তরাজ্য প্রবাসী আমির আহমদ মানিক, শাহেদ মোশারফ (কটাই মিয়া), শাহ  আলী রব, শিপন আহমদ (মদরিছ) ও  বাউল মনিবুর রহমান সরকার।

বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের সহ-সভাপতি মুক্তাতারুজ্জামান মুক্তার, মির্জা বাপ্পি, সাধারণ সম্পাদক মো. মইনুল ইসলাম ইরণ, অর্থ সম্পাদক সোহেল আহমদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল আহমদ দিপু, সহ-অর্থ সম্পাদক শিপল আহমদ, কার্যকারী সদস্য জাহেদ আহমদ, আব্দুল মুতলিব, হুশিয়ার আলী, শামিম আহমদ, উপদেষ্টা রফিক য়িয়া, রোকনে আলম চৌধুরী, কামাল আহমদ, উদাসী লাল মিয়া, রাজা মিয়া, কবি দেওয়ান মতিউর রহমান খান, সাংবাদিক এম এ ওয়াহিদ চৌধুরী, রেহান আহমদ রায়হান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশ ও সমাজকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে তরুণদের সৃজনশীল কাজের সাথে যুক্ত রাখা জরুরি।

বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ তরুণদের যেভাবে ঐক্যবদ্ধ করে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চায় উদ্বুদ্ধ করছে, তা সত্যিই অনুকরণীয়।

ম্যাগাজিন প্রকাশের মাধ্যমে স্থানীয় সুপ্ত প্রতিভাদের যেমন বিকাশের পথ তৈরি হয়েছে, তেমনি খেলাধুলার আয়োজন যুবসমাজকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে দারুণ ভূমিকা রাখবে।

এই ধরণের পারিবারিক মিলনমেলা আমাদের যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা ভুলিয়ে আত্মীয়তার বন্ধনকে নতুন করে সতেজ করে তোলে।

বক্তারা আরও বলেন, সামাজিক উন্নয়ন ও যুবসমাজের মেধা বিকাশে বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ দীর্ঘ দিন ধরে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

তরুণ সমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে সুস্থ ধারার সংস্কৃতি এবং খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতে এই সংগঠনের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

বক্তারা বলেন, বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদ আগামীতে ও দেশ জাতি,  সামাজিক, মানবিক, সমাজসেবামূলক কার্যক্রম এবং এলাকার উন্নয়ন ও কল্যাণে আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের ম্যাগাজিন ‘প্রত্যাশা’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে মেধা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের সংবর্ধনা প্রদান এবং বিশিষ্ট  শিল্পীবৃন্দের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

» ফ্যাসিস্ট সরকারের মেয়র সিলেট নগরীর উন্নয়ন না করে লুটপাটের মহোৎসব করেছে : ইমদাদ হোসেন চৌধুরী

Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট মহানগরীর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কল্লোলগ্রাম এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ সিস্টেম পরিদর্শন করেছেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

রবিবার (১৪ জুন) পরিদর্শন  শেষে তিনি এলাকার মুরুব্বীয়ান ও স্থানীয় যুবসমাজের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র ৪ মাসেই দেশজুড়ে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে।

প্রশাসন ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। এই জনগণের সরকার জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে বদ্ধপরিকর।

আমাদের নেতা তারেক রহমান এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চান যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না, মেধার মূল্যায়ন হবে এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে।

তারেক রহমানের মূল লক্ষ্যই হলো জনগণের হাতের ক্ষমতা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠন করা।

তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের মেয়র সিলেট নগরীর কোনো প্রকৃত উন্নয়ন করেনি, বরং উন্নয়নের আড়ালে দলীয়করণ ও লুটপাটের মহোৎসব করেছে।

দেশে এখন জনগণের সরকার রয়েছে, সিলেট নগরবাসী সহ দেশবাসী নাগরিক অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

কল্লোলগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ সিস্টেমের দুর্দশা নিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন এই কল্লোলগ্রামের মানুষ ছিলেন উন্নয়নবঞ্চিত।

ফ্যাসিবাদী শাসনামলে কল্লোলগ্রামের রাস্তাঘাট সংস্কার না করে বছরের পর বছর দুর্ভোগে রাখা হয়েছে।

কল্লোলগ্রাম আর অবহেলিত থাকবে না, সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এই এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর সমাধান করা হবে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার ঘোষিত বাজেটকে দেশের শোষিত, বঞ্চিত এবং সাধারণ মেহনতি মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির এক যুগান্তকারী দলিল হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, বাজেটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল সহ প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সরকারের এই গণমুখী ও সাহসী পদক্ষেপ দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিত্যপণ্যের বাজারমূল্য সহনীয় রাখতে ভূমিকা রাখবে।

দেশের প্রতিটি খেটে খাওয়া মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং একটি বৈষম্যহীন, কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ার সুদূরপ্রসারী রূপরেখার অংশ হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকার এই বাজেট প্রণয়ন করেছে।

সমাজসেবী আমির উদ্দিন এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জামাল উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, হান্নু মিয়া, রজি মিয়া, আমিন উদ্দিন, .দুলা আহমদ, হিমেল আহমেদ শাহবুদ্দিন, নাবিল আহমদ, মাসুম আহমদ, আলেখ মিয়া, জসিম উদ্দিন, তাহমিদ আহমদ, আব্দুস সামা, ফরহাদ আহমদ, ফখর উদ্দিন, রফিক উদ্দিন, তাজ উদ্দিন, আব্দুন নুর, নুর, সুবেদ আহমদ, জুবেদ আহমদ, মুহিন আহমদ, সালাউদ্দিন, এমদাদ আহমদ সাফওয়ান আহমদ, আরিয়ান আহমদ, রাইয়ান আহমদ, জেনাম আহমদ, আশুর মিয়া-সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মুরুব্বীয়ান এবং বিপুল সংখ্যক যুবসমাজ।

» সিম কোম্পানীগুলোর অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে গণজমায়েত, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান

Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে গ্রাহকদের সাথে মেয়াদের বাহানা বন্ধ না করলে
সিম কোম্পানীগুলোর সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচীর ঘোষণা

নিউজ ডেস্কঃ
বৃহত্তর সিলেটের অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা, সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে রবিবার (১৪ জুন ২০২৬) সিম কোম্পানীগুলোর মেয়াদের বাহানায় গ্রাহকদের জিম্মি করে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে প্রচন্ড বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে বেলা ১১টায় জিন্দাবাজার পয়েন্টে গণজমায়েত, বেলা ১১.১৫ মিনিটে জিন্দাবাজার পয়েন্ট হতে বন্দরবাজার ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্ট, সিটি পয়েন্ট হয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পর্যন্ত পদযাত্রা ও বেলা ১১.৩০ মিনিটে সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী সহ ৩৫০ জন সংসদ সদস্য বরাবর (মাধ্যমঃ জেলা প্রশাসক, সিলেট) স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

গণজমায়েত থেকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সিম কোম্পানীগুলো গ্রাহকদের সাথে মেয়াদের বাহানা বন্ধ না করলে সিম কোম্পানীগুলোর অফিসের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচীর ঘোষণা করা হয়।

জাতীয় যুব দিবস ২০১০ এ জাতীয় যুব পুরস্কার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক পদকপ্রাপ্ত, সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে ও সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর পরিচালনায় গণজমায়েতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আজিজুর রহমান আজিজ।

বক্তব্য রাখেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্জ মুখতার আহমেদ তালুকদার, সিলেট মহানগর কমিটির সভাপতি জাকারিয়া মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সাকের।

গণজাগরণ, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি দ্বীপক রঞ্জন রায় তালুকদার, হাজী মো. আশরাফ উদ্দিন, সহ-সভাপতি অবিনাশ চন্দ্র দাস, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়াজী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কবি কামাল আহমদ, মো. আলী হোসেন, মো. জালাল উদ্দিন, মো. মহিবুর রহমান মুহিব, জামাল আহমদ, সহ-অর্থ সম্পাদক পিযোষ মোদক, মো. ইকবাল হোসেন, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহীন আহমদ, মো. সাহেদ আহমদ শান্ত, সহ-দপ্তর সম্পাদক সুধাংশু শেখর দাস, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আলী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. আল-আমিন আহমদ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক শাওন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. জহিরুল হক জাকির, যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক শংকর বিশ্বাস, সহ-যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক মো. পিকুল হোসেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক কবি মকসুদ আহমদ লাল, সহ-সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক ফয়সল আহমদ, সিলেট মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুব ইকবাল মুন্না, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক বিজিত চন্দ, সহ-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইব্রাহীম, দিপক কুমার মোদক বিলু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, মহানগর কমিটির সদস্য মো. জুয়েল মিয়া, সমাজ সচেতন নাগরিকদের মধ্য থেকে নুর আহমদ, সমসু মিয়া, কুমোদ হাজরা, হীরেন্দ্র তালুকদার, মো. মোসাদ্দেক উল হাসান, মানবেন্দ্র সরকার, তাপস কুমার সরকার, মাহবুবুর রহমান ও মো. সালিম।

প্রচন্ড বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে গণজমায়েত, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচীতে প্রায় শতাধিক নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপির বিষয়বস্তুঃ প্রায় ১২ কোটি গ্রাহকের মধ্য থেকে মোবাইল ব্যবহারকারী হিসেবে গভীর উদ্বেগের সাথে জানাচ্ছি যে, দেশের কয়েকটি সিম কোম্পানী কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই প্যাকেজের দাম বৃদ্ধি ও মেয়াদের বাহানায় গ্রাহকদের টাকায় কেনা এমবি, মিনিট কেটে নিয়ে অবৈধভাবে মুনাফা অর্জন করে যাচ্ছে।

দেশের বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর কোম্পানী গ্রাহকদের বঞ্চিত করে অর্থ আত্মসাৎ এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার অজুহাতে অব্যবহৃত ব্যালেন্স, ইন্টারনেট ডাটা, মিনিট ও অন্যান্য সেবা বাতিল করে দিচ্ছে।

এর ফলে গ্রাহকরা তাদের ক্রয়কৃত সেবার পূর্ণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

গ্রাহকদের কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি প্যাকেজের এমবি, মিনিট ও ম্যাসেজ মেয়াদবিহীন করা সিম ব্যবহারকারীদের প্রধান দাবী।

দেশের প্রায় ১২ কোটি সিম ব্যবহারকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

আপনার বলিষ্ট নেতৃত্বে টেলিকম সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

সিম কোম্পানীগুলো মেয়াদ শেষ হওয়ার অজুহাতে অব্যবহৃত ডাটা, মিনিট ও এসএমএস বাজেয়াপ্ত করে। গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া বিভিন্ন প্রোমোশনাল বা ভ্যালু-অ্যাডেড সার্ভিস চালু করে।

প্যাকেজের শর্তাবলি অনেক সময় অস্পষ্ট থাকে, যা সাধারণ গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে। অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অনেক গ্রাহক কাঙ্খিত প্রতিকার পান না।

গ্রাহকের অর্থের বিনিময়ে কেনা সেবা নির্ধারিত সময়ের আগে বা অযৌক্তিক শর্তে সীমিত করে।

সিম কোম্পানীগুলোর মেয়াদের অজুহাতে অর্থ আত্মসাৎ ও গ্রাহক স্বার্থবিরোধী কার্যক্রম দূর করতে আপনি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।

উপরোক্ত বিষয়ে বিচেনায় নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ পূর্বক ১২ কোটি গ্রাহকদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দিতে আপনার যেন মর্জি হয়।

» ‘ঘাটতি ও চমকে ভরা বাজেট সফল করতে ওয়াদা পূরণ জরুরি’-দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম

Published: ১৪. জুন. ২০২৬ | রবিবার

নিউজ ডেস্কঃ
প্রস্তাবিত নতুন বাজেটকে ঘাটতি, চমক ও স্বপ্নে ভরা আখ্যা দিয়ে এটি সফল করতে হলে জাতির সাথে দেওয়া ওয়াদাগুলো পূরণ করার জোর দাবি জানিয়েছে ‘দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম’।

অন্যথায় এই বাজেট জনগণের সাথে একটি গণপ্রতারণার দলিল হিসেবে থেকে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

রবিবার (১৪ জুন) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য নেছারুল হক চৌধুরী (বুস্তান) এবং সাধারণ সম্পাদক জননেতা মকসুদ হোসেন এই প্রতিক্রিয়া জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রস্তাবিত এবারের বাজেটে আপাতত কালো টাকা সাদা করার সুযোগ না রাখাটা নিঃসন্দেহে একটি সাধুবাদ যোগ্য সিদ্ধান্ত।

তবে অতীতের মতো বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের অজুহাতে যদি অর্থ বিল পাসের সময়ে আবারও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ফিরিয়ে আনা হয়, তবে এই বাজেট হবে কালো টাকা সাদা করার বাজেট এবং দুর্নীতিবিরোধী জনগণের সাথে প্রতারণার শামিল।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল বাজেটে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোন সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই।

জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সামনে রেখে নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করার উদ্যোগ ভালো, তবে এই পে-স্কেল যদি সামঞ্জস্যপূর্ণ করা না যায়, তাহলে দুর্নীতিমুক্ত কর্মসম্পাদন অসম্ভব হয়ে পড়বে।

যেসব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব নিয়মিত হালনাগাদ করবেন, কেবল তাদেরকেই নতুন পে-স্কেলের আওতাভুক্ত করা উচিত।

রাজস্ব বিভাগের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে তাদের অবিলম্বে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।

করদাতাদের হয়রানিমুক্ত কর প্রদানের সুযোগ নিশ্চিত করতে কর ব্যবস্থায় আরও বেশি স্বচ্ছতা আনতে হবে।

বাজেটকে ঋণ নির্ভরতা থেকে মুক্ত করে ক্রমান্বয়ে রাজস্ব নির্ভর বাজেটের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই ঘাটতি ও চমকপ্রদ বাজেটকে সফল করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওয়াদাগুলো পূরণ করতে হবে।

তবেই এ বাজেট হবে জনবান্ধব, আন্তরিক ও মানবিক; অন্যথায় এটি সাধারণ মানুষের কোনো কল্যাণে আসবে না।

Callender

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930