- শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও নৈতিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : মিফতাহ্ সিদ্দিকী
- মূল্যস্ফীতি, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠী সামাজিক সুরক্ষার প্রকৃত সুফল থেকে বঞ্চিত
- নগরীতে জালালাবাদ ইমাম সমিতির মানববন্ধন; হাফিজ নাঈমকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে
- দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
- কর্তৃপক্ষের অফিসে যেতে যেতে আমরা ক্লান্ত, জিন্দা লাশ হয়ে গেছি
- কিডনী ফাউন্ডেশন হাসপাতাল সিলেটে ২০০ রোগীকে ১ কোটি টাকার অনুদান
- বিশিষ্ট সমাজসেবক দেওয়ান মসুদ রাজা চৌধুরী আর নেই, দাফন সোমবার
- কল্লগ্রামে ‘শিক্ষার মান উন্নয়নে তরুণদের ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনাসভা
- সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু
- “আমরা জুলাই যোদ্ধা” সিলেট মহানগর শাখার পরিচিতি সভায় দুর্নীতি ও দেশদ্রোহিতার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি
» শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও নৈতিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : মিফতাহ্ সিদ্দিকী
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাইফুর রহমান ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেছেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন নয়, বরং নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান।
রোববার (২৮ জুন) দুপুরে রাজা গিরিশচন্দ্র প্রাথমিক স্কুল এন্ড কলেজে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে আজকের শিক্ষার্থীদের ওপর।
তাই শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি সততা, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।
প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি আদর্শ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
মাদক, সন্ত্রাস, সহিংসতা ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা উচিত।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, তোমরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তাই নিজেকে যোগ্য, দক্ষ ও সৎ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলো।
ভালো ফলাফলের পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়াই শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য।
রাজা গিরিশচন্দ্র প্রাথমিক স্কুল এন্ড কলেজের গর্ভনিং বডি সভাপতি মো ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে সুলেমান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ আবদুল মুমিত।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ বেগম, সিনিয়র শিক্ষক মো. মানিক খান,বণ্যা চক্রবর্তী, সুলতানা বেগম, শিল্পী রাণী সরকার, গাউসিয়া চৌধূরী, অন্যান দেব, জয় দ্বীপ প্রমূখ।
» মূল্যস্ফীতি, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠী সামাজিক সুরক্ষার প্রকৃত সুফল থেকে বঞ্চিত
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
সিআইপিজি আয়োজিত সেমিনারে বক্তাদের অভিমত
নিউজ ডেস্কঃ
গবেষণাভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইনক্লুসিভ পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্স (সিআইপিজি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকারিতা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং উপকারভোগী নির্বাচনে অনিয়মের কারণে দেশের দরিদ্র কৃষক, শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রত্যাশিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন।
সাবেক সিনিয়র সচিব মো. শফিউল্লাহ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু আহমেদ।
মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, সাবেক সিনিয়র সচিব ড. খ. ম. কবিরুল ইসলাম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফোয়াদ, সাবেক সচিব ড. আবুল হোসেন প্রমূখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ড. খুরশীদ আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু আহমেদ বলেন, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সুদের হার যৌক্তিক পর্যায়ে না আনলে প্রণোদনা কার্যকর হবে না এবং প্রকৃত উদ্যোক্তারা কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাবেন না।
তিনি ব্যাংকিং খাতে অপ্রয়োজনীয় সরকারি হস্তক্ষেপ পরিহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতিরিক্ত অর্থ ছাপিয়ে সরকারের ঋণ গ্রহণ মূল্যস্ফীতি আরও বাড়াবে, যার সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে নিম্নআয়ের মানুষের ওপর।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতের মোট বরাদ্দের প্রায় ৬১ শতাংশ পেনশন, কৃষি ভর্তুকি ও অন্যান্য খাতে ব্যয় হয়; দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরাসরি বরাদ্দ থাকে মাত্র ৩৯ শতাংশ।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রকৃত উপকারভোগীদের নির্ভুল তালিকা না থাকায় রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতির কারণে অনেক দরিদ্র ব্যক্তি তালিকাভুক্ত হতে পারেন না, আবার অযোগ্য ব্যক্তিরা সুবিধা ভোগ করেন।
তিনি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও স্বচ্ছ উপকারভোগী তালিকা প্রণয়ন এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, সরকার বাজেট ঘোষণার আগেই জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে।
একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নিয়ে বাজেট বাস্তবায়নের উদ্যোগ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে প্রয়োজনের তুলনায় অপর্যাপ্ত বরাদ্দ উদ্বেগজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।
দুর্নীতিকে তিনি এ খাতের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ বলেন, মূল্যস্ফীতি বর্তমানে দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।
আয় বৈষম্যের কারণে এর সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করতে হয় দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে।
কার্যকর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এ জনগোষ্ঠীকে আংশিক সুরক্ষা দিতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপনকালে প্রফেসর ড. ওয়ারেসুল করিম বলেন, জনগণের করের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের সর্বোচ্চ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
বিলাসী ব্যয়ের পরিবর্তে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং কার্যকর সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার।
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফোয়াদ বলেন, বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কার্যকারিতা নিয়ে পর্যাপ্ত মূল্যায়ন বা গবেষণা হয়নি।
এসব কর্মসূচির ফলে দারিদ্র্য কতটা কমেছে কিংবা উপকারভোগীদের ক্রয়ক্ষমতা কতটা বেড়েছে সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের অভাব রয়েছে।
তিনি বলেন, একদিকে সামাজিক সহায়তা দেওয়া হলেও অন্যদিকে জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সেই সহায়তার প্রকৃত সুফল অনেকাংশে নষ্ট হয়ে যায়।
সাবেক সিনিয়র সচিব ড. খ. ম. কবিরুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে দারিদ্র্যের হার কমলেও আয় ও সম্পদের বৈষম্য বেড়েছে।
বিশেষ করে চরাঞ্চলে এখনও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও শিক্ষা অবকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান বয়স্ক ভাতার পরিমাণ জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।
» নগরীতে জালালাবাদ ইমাম সমিতির মানববন্ধন; হাফিজ নাঈমকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
ফ্যাসীবাদী আমলের দায়ের করা ষড়যন্ত্রমূলক সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যার চেস্টা মামলায় হাফিজ সৈয়দ নাঈম আহমদকে মৃত্যুদন্ড রায় দেওয়ার প্রতিবাদে জালালাবাদ ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর শাখার উদ্যোগে রবিবার (২৮ জুন) নগরীর কোর্টপয়েন্টে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
সমিতির সিলেট মহানগর সভাপতি হাফিজ মাওলানা মুফতি রশিদ আহমদের সভাপতিত্বে ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ওলীউর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তাগণ বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অন্য সকল আসামীকে এই ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি দিলেও কেবল একজন আলেম হওয়ার কারণে কোনো সাক্ষী ছাড়াই হাফিজ মাওলানা নাঈম আহমদকে মৃত্যুদন্ড রায় দেওয়া হয়েছে।
বক্তাগণ বলেন, ফ্যাসীবাদী আমলের ষড়যন্ত্রমূলক এই মামলার ফ্যাসীবাদী রায় হয়েছে, এই রায়ে ন্যায় বিচারের প্রতিফলন হয় নাই।জনগণ এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বক্তাগণ হাফিজ নাঈম আহমদকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, জালালাবাদ ইমাম সমিতির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুস সুবহান, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা মুফতি সাঈদ আহমদ, প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান, সৈয়দ সালিম কাসেমী, কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা শরিফ উদ্দিন, মুফতি মাওলানা মাহফুজ আহমদ, হাফিজ মাওলানা আব্দুল হামীদ, মাওলানা ইবরাহীম আলী, মাওলানা ইসমত উল্লাহ, মাওলানা আফতাবুজ্জামান, মাওলানা আব্দুল মতিন, মাওলানা নুরুল ইসলাম সুরাইঘাটী, মাওলানা ফখর উদ্দিন প্রমুখ।
» দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই : কয়েস লোদী
দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধিঃ
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র (সিউ) চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
এ সময় তিনি বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।
প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি চারা রোপণের এই মহৎ উদ্যোগকে সফল করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব সাংবাদিকতার পাশাপাশি সামাজিক ও পরিবেশগত দায়িত্ববোধ থেকে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”
দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম ইমরানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান ফয়েজ, মোগরাবাজার থানা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত, সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমদ, জেলা বিএনপির সহ-তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক সামসুর রহমান শামীম, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি নাসির উদ্দিন এবং জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মিনার হোসেন লিটন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক সুলতান সুমন, কোষাধ্যক্ষ জাবেদ এমরান, কার্যনির্বাহী সদস্য জাহাঙ্গীর আলম মুসিক, শরীফ আহমদ, খায়রুল আমিন রাফসান প্রমুখ।
কর্মসূচি শেষে অতিথিরা উপজেলা প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থানে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন।
» কর্তৃপক্ষের অফিসে যেতে যেতে আমরা ক্লান্ত, জিন্দা লাশ হয়ে গেছি
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
৬ বছরেও মেলেনি ক্ষতিপূরণ; বিমানবন্দর সড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি ভুক্তভোগীদের
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তাবেষ্টনী ও নিরাপত্তা টহল সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের জন্য ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রায় ১৫১ একর জমি অধিগ্রহণ করতে নোটিশ দেয় কর্তৃপক্ষ।
নোটিশের পর থেকে একে একে কেটে গেছে ৫ বছরের অধিক সময়। কিন্তু এখনো জমির ক্ষতিপূরণের টাকা বুঝে পাননি জমির মালিকেরা।
এ অবস্থায় রোববার (২৮ জুন) বেলা ১১টায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সিলেট কর্তৃক অধিগ্রহণকৃত ভূমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ বর্তমান বাজার মূল্যে দ্রুত প্রাপ্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভূমির মালিকরা।
বিমানবন্দর অধিগ্রহণ বাস্তবায়ন কমিটি সিলেটের আয়োজনে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন, সিলেট সদর উপজেলার ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দিলওয়ার হোসেন।
মো.আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে ও বুলবুল মিয়ার পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিতি ছিলেন, নাজিম উদ্দিন ইমরান, বিমানবন্দর অধিগ্রহণ বাস্তবায়ন কমিটির উপদেষ্টা মন্তাজ আলী, ফিরোজ আলী, রাজিব হোসেন লিটু, আব্দুল হাকিম, শাহনুর আহমদ, শায়েস্তা মিয়া, রাজন আহমদ রাজু, লোকমান আহমদ, জামাল আহমদ, সোহেল মিয়া, হাজী সুনু মিয়া, সাজু মিয়া ও আব্দুল হক।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আজ অত্যন্ত ক্ষোভ এবং গভীর দুঃখের সাথে আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।
আশা দিতে দিতে কর্তৃপক্ষ আজ আমাদের ‘জিন্দা লাশ’ বানিয়ে ফেলেছে। জমি অধিগ্রহণের নামে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে আমাদের সাথে যে প্রহসন চলছে, তা আর সহ্য করার মতো নয়।
২০২০ সালে ৪ ধারা নোটিশ জারির পর থেকে আমরা জমির মালিকরা এক প্রকার গৃহবন্দী জীবন যাপন করছি।
আমরা আমাদের নিজেদের জমিতে কোনো উন্নয়ন করতে পারছি না, বিক্রি করতে পারছি না, আবার ন্যায্য পাওনাও পাচ্ছি না।
এর মধ্যে ২০২৩ সালের শিলাবৃষ্টিতে আমাদের ঘরবাড়িগুলো ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে।
আজ আমাদের বহু পরিবার মাথার ওপর ছাদ হারিয়ে ত্রিপাল টানিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অথচ এই দুর্যোগেও প্রশাসনের কোনো হেলদোল নেই।
বক্তারা বলেন, কর্তৃপক্ষের অফিসে যেতে যেতে আমরা আজ ক্লান্ত ও নিঃস্ব। সিলেটের বিগত দুইজন জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে আমরা শুধু মিথ্যা আশ্বাস ছাড়া বাস্তবসম্মত কিছুই পাইনি।
সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ এক জায়গার ১১ বার সংশোধনী দিয়েছে, কিন্তু আমাদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
যে নামমাত্র ক্ষতিপূরণের কথা বলা হচ্ছে, তা দিয়ে বর্তমান বাজারে আমাদের পক্ষে নতুন করে কিছুই করা সম্ভব নয়।
আমাদের স্পষ্ট দাবি-বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী আমাদের জায়গার সঠিক মূল্য দিতে হবে।
তারা বলেন, গত ২১ মে আমরা আমাদের দাবি জানিয়ে সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছিলাম।
আমরা বেঁধে দেওয়া ৪৫ দিনের আলটিমেটাম শেষ হবে ৪জুলাই। দিন বাকি আছে ৮দিন।
আমরা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই, এই ৮ দিনের মধ্যে যদি আমাদের সমস্যার কোন সুষ্ঠু ও চূড়ান্ত সমাধান না হয়, তবে আমাদের আর ঘরে ফিরে যাওয়ার পথ থাকবে না।
নিজেদের অধিকার আদায়ের স্বার্থে আমরা বিমানবন্দর সড়কে অবস্থান নিতে বাধ্য হব।
আমরা আর কোন মিথ্যা আশ্বাস চাই না, অনতিবিলম্বে আমাদের জমির মূল্য বুঝিয়ে দেওয়া হোক আর না হয় এই অধিগ্রহণ বাতিল করে আমাদের বাঁচতে দেন।
» কিডনী ফাউন্ডেশন হাসপাতাল সিলেটে ২০০ রোগীকে ১ কোটি টাকার অনুদান
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
কিডনী ফাউন্ডেশন হাসপাতাল সিলেটের চিকিৎসাধীন ২০০ জন সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র রোগীর মাঝে মোট ১ কোটি টাকার চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা-১ শাখার ‘ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি’-এর আওতায় এ এককালীন সহায়তা প্রদান করা হয়।
রবিবার (২৮ জুন ২০২৬) দুপুর সাড়ে ১২টায় কিডনী ফাউন্ডেশন হাসপাতাল সিলেটের সেমিনার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রত্যেক রোগীকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ২০০ জনের হাতে ১ কোটি টাকার অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সিলেট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রফিক বলেন, সরকারের এই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় উল্লিখিত ছয়টি রোগে আক্রান্ত যে কেউ জেলা সমাজসেবা কার্যালয় অথবা নিজ নিজ উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
তবে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও মেডিকেল সার্টিফিকেটের নামের মধ্যে অবশ্যই মিল থাকতে হবে।
নামের অসঙ্গতির কারণে অনেক আবেদন বাতিল বা বিলম্বিত হয়।
তাই তিনি আবেদনকারীদের সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করার আহ্বান জানান।
কিডনী ফাউন্ডেশন হাসপাতাল সিলেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুস সালাম (অব.) বীর প্রতীক সরকারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, সরকারি অনুদানের অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবার ই-গভর্নেন্স পদ্ধতির মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, অল্প সময়ে ২০০ রোগীর তথ্য সংগ্রহ ও ডাটাবেজে সংযুক্ত করা হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হলেও তারা সফলভাবে কাজটি সম্পন্ন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, এই অনুদানের ফলে একজন কিডনী রোগী অন্তত তিন মাস বিনামূল্যে ডায়ালাইসিস সেবা গ্রহণ করতে পারবেন, যা দরিদ্র পরিবারের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি।
ভবিষ্যতে সরকারি এ সহায়তার পরিমাণ বাড়ানো হলে আরও বেশি রোগী উপকৃত হবেন।
কিডনী ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, সিলেটের ট্রেজারার জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী বলেন, অনেক অসচ্ছল কিডনী রোগী ডায়ালাইসিসের ব্যয় বহন করতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েন।
তাঁদের জন্য হাসপাতালটি বর্তমানে কিডনী ফাউন্ডেশন সিলেট, ব্র্যাক স্যার ফজলে হাসান আবেদ ফাউন্ডেশন, সমাজ সেবা অধিদপ্তর, এফআইভিডিবি-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং দেশ-বিদেশের দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় ৫১% রোগীকে বিনামূল্যে ডায়লাইসিস সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
ভবিষ্যতে সকল কিডনী রোগীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডায়ালাইসিস সেবা দিতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কিডনী ফাউন্ডেশন হাসপাতাল সিলেটের প্রশাসন পরিচালক সৈয়দ সাদেক হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক (কল্যাণ ও সেবা) ফরিদা নাসরিন, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. মা’আয রেজা চৌধুরী এবং মানবসম্পদ ও প্রশাসন ব্যবস্থাপক মো. মহিবুর রহমান রাসেল।
অনুদানপ্রাপ্ত রোগীরা সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তাদের ভাষ্য, সংকটময় সময়ে এই আর্থিক সহায়তা চিকিৎসা ব্যয় বহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সফলভাবে চেক বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
» বিশিষ্ট সমাজসেবক দেওয়ান মসুদ রাজা চৌধুরী আর নেই, দাফন সোমবার
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
বিশিষ্ট সমাজসেবক ও বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান সিলেটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মসুদ রাজা চৌধুরী (৭৭) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রোববার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নগরীর আম্বরখানা বড়বাজারস্থ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি ছাতক থানা সিংচাপইড় জমিদার বাড়ি।
মরহুমের জানাজার নামাজ সোমবার বাদ যোহর হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে তাকে দরগা কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে বড় ছেলে মুফতী দেওয়ান আব্দুল্লাহ রাজা চৌধুরী ও ছোট ছেলে দেওয়ান আসাদ রাজা চৌধুরী ও পাঁচ মেয়ে সহ আত্মীয়-স্বজন এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
উল্লেখ্য, মরহুম দেওয়ান মসুদ রাজা চৌধুরী দীর্ঘদিন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
এছাড়া তিনি বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি সিলেটের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নিয়াজ মোহাম্মদ আজিজুল করিমের শ্বশুর ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে বিভিন্ন সামাজিক, ব্যবসায়ী ও সুধী মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে।
» কল্লগ্রামে ‘শিক্ষার মান উন্নয়নে তরুণদের ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনাসভা
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী ভাবনা তরুণ সমাজের আকাক্সক্ষার প্রতিফলন : ইমদাদ চৌধুরী
নিউজ ডেস্কঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাষ্ট্রনায়কোচিত ও আধুনিক ভাবনা এদেশের তরুণ সমাজের চিন্তা-চেতনার সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তরুণদের মেধা ও মেহনতকে কাজে লাগিয়ে একটি মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে চান।
তাঁর প্রতিটি পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা তরুণদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণীত।
রবিবার (২৮ জুন) সিলেট নগরীর ৩৩নং ওয়ার্ডের কল্লগ্রামের বক্তটিকর পাড়ায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ‘শিক্ষার মান উন্নয়নে তরুণদের ভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইমদাদ হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতের আধুনিকায়নে যুগান্তকারী সব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ঝরে পড়া রোধ, কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
তরুণ প্রজন্ম যদি এই সুযোগগুলো সঠিকভাবে কাজে লাগায়, তবেই আমাদের শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত হবে।
তিনি পরীক্ষার্থীদের আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের জন্য কঠোর অধ্যবসায়ের পরামর্শ দেন এবং মাদকমুক্ত, সুস্থ ও জ্ঞাননির্ভর সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও তরুণ শিক্ষার্থীরা তাদের নিজস্ব মতামত ও অনুভূতি প্রকাশ করেন।
শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শাসনশৈলী ও নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকেও তিনি যেভাবে অতি সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাচ্ছেন এবং তৃণমূলের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়ে দেশ পরিচালনা করছেন, তা এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই অমায়িক ও গণমুখী আচরণ তরুণ সমাজকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করছে।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও শিক্ষানুরাগীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভাটি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
সভায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আদনান মাহমুদ, ফারহান জাহাঙ্গীর, আরমান এ রহমান, রাকিব আহমদ, সাব্বির হোসেন, নাহিদ আহমদ প্রমুখ।
» সিলেটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নগরবাসীর সহযোগিতা চাইলেন সিসিক প্রশাসক
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) সকালে নগরীর বিনোদিনী নগর মাতৃসদন কেন্দ্রে এক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
এ সময় সিসিক প্রশাসক ক্যাম্পেইন সফল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন এবং অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, শিশুর সুস্থ বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একটি সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে এ ধরনের জাতীয় কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন প্রয়োজন। তাই কোন শিশু যেন এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এ বছর মোট ৭৬ হাজার ৩৯০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ক্যাম্পেইন উদ্বোধনকালে সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে দেশে নিয়মিতভাবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়ে থাকে।
সাধারণত বছরে দুইবার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।
তিনি জানান, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সিসিক এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
কোন শিশু নির্ধারিত দিনে ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরবর্তী এক সপ্তাহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে তা গ্রহণ করতে পারবে।
ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
তিনি আরও জানান, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সিসিকের ৪২টি ওয়ার্ডে ৮৪ জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধানে মোট ৩৬৮টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে ১টি স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ২৫৯টি অস্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ৮৩টি ভিটামিন ‘এ’ অস্থায়ী কেন্দ্র এবং ২৫টি অতিরিক্ত কেন্দ্র।
এ কার্যক্রমে মোট ৭৩৬ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করছেন।
লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশুদের মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৮ হাজার ১১৪ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৬৮ হাজার ২৭৬ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এর মধ্যে ৭৬ হাজার ৩৩০ জন সাধারণ শিশু এবং ৬০ জন প্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে।
» “আমরা জুলাই যোদ্ধা” সিলেট মহানগর শাখার পরিচিতি সভায় দুর্নীতি ও দেশদ্রোহিতার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
“আমরা জুলাই যোদ্ধা” সিলেট মহানগর শাখার উদ্যোগে পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সিলেট মহানগর জুলাই যোদ্ধা কমিটির আহবায়ক আব্দুল সালাম টিপুর সভাপতিত্বে ও সমন্নয়ক বৃন্দের উপস্থিতি তে নগরীর লা ভিস্তা হোটেলে পরিচিতি সঙ্গে সভা অনুষ্ঠিত হয়৷
সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর জুলাই যোদ্ধা কমিটির সমন্নয়ক আফছর খান সদস্য সচিব- সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল এবং স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সিলেট মহানগর বিএনপি, সুদীপ জ্যোতি এষ, সভাপতি- সিলেট মহানগর ছাত্রদল এবং সদস্য সচিব- জালালাবাদ থানা বিএনপি, জুবের আহমদ, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি- সিলেট জেলা ছাত্রদল, ফজলে রাব্বি আহসান সাধারণ সম্পাদক- সিলেট মহানগর ছাত্রদল।
বক্তব্যের শুরুতেই আহবায়ক আব্দুস সালাম টিপু, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভূতপূর্ব দেশপ্রেমের প্রশংসা করে বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ আজ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে।
তবে এই অর্জনকে ধরে রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি। দৃঢ়তার সাথে তিনি আরও বলেন , “আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য হবে দেশে দুর্নীতি ও দেশদ্রোহী কার্যক্রম রুখে দেওয়া।”
ফ্যাসিবাদী দোসরদের সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনোভাবেই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার চেষ্টা করা যাবে না।
অস্থিতিশীলতা তৈরির যেকোন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নিয়ে আবারও রাজপথে নামতে জনগণ প্রস্তুত রয়েছে।
রোববার (২৮ জুন ২০২৬) বিকেল ৪টায় সিলেট মহানগর এর হোটেল লা ভিস্তায় অনুষ্ঠিত পরিচিতি সভায় “আমরা জুলাই যোদ্ধা” সিলেট মহানগর শাখার আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভায় অংশগ্রহণ করেন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এম এ হাসান সাগর, যুগ্ন আহবায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাফিজ, মাহবুব হোসেন, খান মোহাম্মদ সামি, সুজন আহমদ, ফজলু মিয়া, মুস্তাকিম, সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান সাগর, আসাদুজ্জামান, সুমন রায় প্রমূখ।
উল্লেখ্য যে, “আমরা জুলাই যোদ্ধা” কেন্দ্রীয় কমিটি সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম ইমন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আল মিরাজ গত ২০ জুন ২০২৬ এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।
» কাজিরবাজার গরুর হাটের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজিরবাজার গরুর হাট এলাকায় নির্মাণাধীন আরসিসি সড়ক ও ড্রেন নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
রোববার (২৮ জুন) বিকেলে তিনি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে চলমান কাজের অগ্রগতি ও নির্মাণমান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
‘এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।
পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর জন্য টেকসই ও মানসম্মত অবকাঠামো নির্মাণে সিটি কর্পোরেশন অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রতিটি উন্নয়নকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করে সম্পন্ন করতে হবে। কাজের গুণগত মানের সঙ্গে কোন ধরনের আপস করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, যান চলাচল সহজ করা এবং নাগরিক সেবা উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সড়ক ও ড্রেন নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।
এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।
এ সময় সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রাজি উদ্দিন খান, সহকারী প্রকৌশলী বিজিত দে’সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
» স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা সম্পন্ন
Published: ২৮. জুন. ২০২৬ | রবিবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে এইচএসসি-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার (২৮ জুন) কলেজের অডিটোরিয়ামে উৎসবমুখর, আবেগঘন ও অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দীর্ঘ দুই বছরের শিক্ষাজীবনের অসংখ্য স্মৃতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর আন্তরিক সম্পর্ক এবং সহপাঠীদের সঙ্গে কাটানো সোনালি মুহূর্তের স্মৃতিচারণে বিদায়ের ক্ষণটি হয়ে ওঠে আবেগে ভরপুর।
কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্কলার্সহোমের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরাই স্মার্ট বাংলাদেশের আগামী দিনের নির্মাতা।
স্কলার্সহোম তোমাদের যে শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও বিশ্বমানের শিক্ষা দিয়েছে, তা বাস্তব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে হবে।
প্রতিকূলতাকে জয় করে সততা, আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং বিশ্বদরবারে দেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদায় দেওয়া যেমন আবেগের, তেমনি তাদের নতুন যাত্রার সূচনা আমাদের জন্য গর্বের।
আমি বিশ্বাস করি, তোমরা পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে কলেজের সুনাম আরও সমৃদ্ধ করবে।
জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ ধারণ করে এগিয়ে যাবে-এই প্রত্যাশাই আমাদের।
পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
পবিত্র আল-কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক ফয়সাল আহমেদ এবং পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন হিন্দু ধর্ম শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক জুই তালুকদার।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কলেজের একাডেমিক ইনচার্জ প্রভাষক কাজী শাখাওয়াত হোসেন।
অনুষ্ঠানে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আফরিন বিনতে হাসিব ও জান্নাত জাহান শিমু বিদায়ীদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বক্তব্য দেন।
জবাবে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কাজী রাশেদা এবং তাসফিয়া চৌধুরী কলেজজীবনের স্মৃতিচারণ করে শিক্ষকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ।
একাদশ শ্রেণির মানতুহা আক্তার ও আজহারুল আম্বিয়া নাদিম যৌথভাবে মানপত্র পাঠ করার পর একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বিদায়ীদের হাতে স্মারক মানপত্র তুলে দেন।
এছাড়া পরীক্ষার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ও নৈতিক মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হাসান শাহরিয়ার মজুমদার এবং অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রাজন সরকার।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পরীক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলাম শিক্ষা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক উসমান গণি।
মোনাজাত শেষে বিদায়ী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে একটি স্মারক গ্রুপ ফটো তোলা হয়।
এরপর পরীক্ষার্থীদের হাতে দাপ্তরিকভাবে পরীক্ষা উপকরণসহ এইচএসসি পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র (এডমিট কার্ড) ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড তুলে দেন, অধ্যক্ষ জনাব মো. ফয়জুল হক।
পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সাবলীলভাবে যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন একাদশ শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী নুজহাত তাসফিয়া চৌধুরী ও আশফাকুল ইসলাম।
তাদের দক্ষ উপস্থাপনা অনুষ্ঠান শেষ পর্যন্ত উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে রাখে।

