শিরোনামঃ-

» জৈন্তাপুরে ১৪৮ বস্তা জিরা ভর্তি কাভার্ডভ্যান ডাকাতি, ওসির বিরুদ্ধে ডাকাতদের মদদ ও টালবাহানার অভিযোগ

প্রকাশিত: ০৪. আগস্ট. ২০২৬ | মঙ্গলবার

Manual2 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটের জৈন্তাপুরে নিলামকৃত ১৪৮ বস্তা ভারতীয় জিরা ভর্তি একটি কাভার্ডভ্যান ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

একই সাথে ঘটনা ধামাচাপা দিতে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা (মাহবুবুল আলম মোল্লা) টালবাহানা করছেন ও ডাকাতদের সরাসরি মদদ দিচ্ছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিএমজেএ) সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও ‘মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক মো. তরিকুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম জানান, গত ১ আগস্ট সকালে জৈন্তাপুর উপজেলার ঘাটেরচটিস্থ ‘মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ’-এর গোডাউন থেকে নিলামে পাওয়া ১৪৮ বস্তা (মোট ৪,৪৩৯ কেজি) জিরা নিয়ে একটি কাভার্ডভ্যান (ঢাকা মেট্রো অ-১১-৪৫২০) ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। গোডাউন থেকে মাত্র ১০০ গজের মতো সামনে পৌঁছামাত্র পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ৫ চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং তাদের আরও ৭-১০ জন সহযোগী কাভার্ডভ্যানের পথ আটকায়।

পরবর্তীতে অস্ত্রের মুখে ড্রাইভার মনির হোসেন, হেলপার সুভাষ রঞ্জন দাস ও ম্যানেজার শামীম মিয়াকে জিম্মি করে গাড়িটি চিকনাগুল বাজারের পাশের খীন টি-বাগান এলাকায় নিয়ে যায় ডাকাতরা। সেখানে তাঁদের বেধড়ক মারধর করে জিরার চালান সহ পুরো কাভার্ডভ্যানটি ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া হয়।

Manual5 Ad Code

ডাকাতদের হামলায় গুরুতর আহত ড্রাইভার মনির হোসেনকে বর্তমানে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

Manual6 Ad Code

এছাড়া ঘটনার সময় ম্যানেজার শামীম মিয়ার নিকট থেকে যাতায়াত খরচের নগদ ৫৩ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় ডাকাত দল।

Manual4 Ad Code

এ ঘটনায় ৫ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত আরও ৭-১০ জনকে আসামি করে জৈন্তাপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

এজাহারনামীয় অভিযুক্তরা হলেন, ঠাকুরের মাটি গ্রামের জুবের আহমেদ শিকদার, উত্তরলারপার গ্রামের আব্দুস শুকুর ওরফে কবীর, কাইছর গ্রামের আলাল উদ্দিন, উমনপুর গ্রামের কাউছার আহমেদ এবং একই গ্রামের মোহাম্মদ আলী।

সংবাদ সম্মেলনে তরিকুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনার পর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও জৈন্তাপুর থানার ওসি মামলা নিতে টালবাহানা করছেন এবং আসামিদের গ্রেপ্তার না করে উল্টো তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী দ্রুত লুণ্ঠিত জিরা উদ্ধার, জড়িত ডাকাতদের গ্রেপ্তার এবং নিষ্ক্রিয় ও মদদদাতা ওসির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সার্বিক ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১০ বার

Share Button

Callender

August 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31