শিরোনামঃ-

» কাউন্সিলর রেজওয়ান ও তার ভাইয়ের জামিন নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিষয়ে মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপির বিবৃতি

প্রকাশিত: ০২. ফেব্রুয়ারি. ২০২৫ | রবিবার

Manual4 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ
বিগত ৩০ জানুয়ারি সিলেটের অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে পাঁচটি রাজনৈতিক মামলায় সাবেক কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ ও তার ভাই কামরান আহমদের জামিন পাওয়া নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিষয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি বদরুল আহমদ চৌধুরী।

Manual1 Ad Code

রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ফ্যাসিজমের কোন দোসর রাজনৈতিক মামলায় এভাবে জামিন পাওয়া সত্যিই দুঃখজনক। এতে করে সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের মনে সংশয়, গণহত্যাকারী এবং তাদের দোসরদের যথাযথ বিচার হয় কী না।

Manual8 Ad Code

বদরুল আহমদ চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক জি আর মামলা পরিচালনার দায়িত্ব পুলিশের জামিন চাওয়ার আগ অবধি এ বিষয়টি পিপিশিপের জানার সুযোগ নেই। এদিনও পাঁচটি মামলায় জামিন চাওয়ার খবর জানার সাথে সাথে পাঁচ/ ছয় জন পিপি জামিনের আপত্তি জানান।

পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে আদালত প্রাঙ্গণে বিপুল সংখ্যক সংক্ষুব্ধ জনতা জড়ো হন,তারা পাঁচটি মামলায় জামিনের বিরোধিতা করতে থাকেন।

Manual6 Ad Code

এসময় পূর্ব থেকে কোর্টে অবস্থান করে আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন পরিদর্শনে থাকা মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কয়েস লোদী ও সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী সংক্ষুব্ধ জনগণকে শান্ত করতে প্রচেষ্টা চালান।

Manual4 Ad Code

একথা দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে,তারা যদি উপস্থিত সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনতেন তাহলে খুন খারাবিসহ নানান অপ্রীতিকর ঘটনা কোর্ট প্রাঙ্গণে ঘটতে পারতো। সেটা হলে সিলেটের মানুষ এবং আইন আদালত নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হতো,যাতে দেশের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হতো।

বদরুল আহমদ চৌধুরী তার বিবৃতিতে আরো বলেন, একসঙ্গে পাঁচটি রাজনৈতিক মামলায় জামিন পাওয়া নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারকের সঙ্গে দেখা করে সাথে সাথে প্রতিবাদ জানানো হয়। পরবর্তীতে পিপি অফিসে এক সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে,আইনি প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক মামলায় পাওয়া জামিন বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

এ বিষয়ে মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি হিসেবে আমি ইতোমধ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।

পিপি অফিসে অনুষ্ঠিত সভায় মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কয়েছ লোদী এবং জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এড এমরান আহমদ চৌধুরী ছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন, সিলেটের জিপি এডভোকেট শামীম আহমদ সিদ্দিকী, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এডভোকেট আশিক উদ্দিন আশুক, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি এডভোকেট বদরুল আহমদ চৌধুরী, বার কাউন্সিলের সদস্য এডভোকেট এটিম ফয়েজ উদ্দিন, সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট এখলাছুর রহমান ও সাইবার ট্রাইবুনালের পিপি এডভোকেট মোহাম্মদ এজাজ উদ্দিন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৬৪ বার

Share Button

Callender

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031