শিরোনামঃ-

» বন্যার্তদের ত্রাণ সহায়তা নিয়ে সিসিকের জরুরি সভা পানি নেমেছে, পর্যবেক্ষণ করছে সিসিক

প্রকাশিত: ০৫. জুন. ২০২৪ | বুধবার

Manual2 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর বন্যা এলাকার তলিয়ে যাওয়া প্রায় রাস্তা থেকে পানি নেমেছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতি হলে প্লাবিত সকল এলাকা থেকে পানি নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Manual5 Ad Code

বুধবার (৫ জুন) রাত থেকে টানা বর্ষনে সিলেট নগরীর সুরমা নদীতে কিছুটা পানি বৃদ্ধি পেলেও ভয়াবহ কোন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। দিনের বেলা পানি কমলেও রাতভর টানা বর্ষণে আবারও বৃদ্ধি পায় সুরমা নদীর পানি। সুরমা নদীর পানি আশানুরূপ ভাবে কমছে না।

তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বন্যায় সার্বিক পরিস্থিতি গভীর ভাবে পর্যবেক্ষন করছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। আকস্মিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতিও রয়েছে সিসিকের।

সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বুধবার (৫ জুন) রাতে ১১০ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে। তবে দিনের বেলা বৃষ্টি না হওয়ায় সুরমা নদীর পানি পুনরায় কমতে শুরু করে। ধীরে ধীরে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, সুরমা নদীর পানি বিকাল ৩ টা পর্যন্ত ১০.৭২ সেন্টিমিটারে রয়েছে। গত সোমবার সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ১০.৯৪ পর্যন্ত উঠেছিল এবং ২১৪ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছিল।

এদিকে, বন্যার্তদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে আসা ত্রাণ সহায়তা নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Manual3 Ad Code

সিসিকের ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. মখলিছুর রহমান কামরানের সভাপতিত্বে বুধবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় সভাকক্ষে এ জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Manual1 Ad Code

সভায় ৩৩টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলরদের ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের মাধ্যমে  চাল বিতরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের মাধ্যমে জানা গেছে, সিসিকের বেশির ভাগ এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে।

বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাই নেওয়া মানুষ অনেকেই নিজি নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন।

সিসিকের পক্ষ থেকে প্রতিদিনের মত এখনো আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে রান্না করা খাবরসহ বিভিন্ন ওষুধ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর জানান, গতরাত টানা বর্ষণে সুরমা নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পায় তবে দিনের বেলা সে পানি নেমে যাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়নি।

নগরীর বন্যা কবলিত সড়কগুলো থেকে পানি নেমে গেছে। বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তার জন্য ৩৩টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের মাধ্যমে ত্রাণ বরাদ্দ করা হয়েছে।

আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত রান্না করা খাবার ও ওষুধ সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে।ৎবে অনেক আশ্রয় কেন্দ্র থেকে অনেকে বাসা বাড়িতে ফিরে গেছেন।

উল্লেখ্য, আকশ্মীক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর নির্দেশে ব্যাপক কর্মতৎপর ছিলো সিসিক কতৃর্পক্ষ।

ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. মখলিছুর রহমান কামরান সহ স্থানীয় কাউন্সিলর ও বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কর্মতৎপরতা চালায়।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র রক্ষায় বস্তাদিয়ে বাধ নির্মাণ সহ বন্যায় আক্রান্তদের মাঝে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, রান্না করা খাবার, পানি বিশুদ্ধ করণ ট্যাবলেট ও ওষুধ সামগ্রী বিতরণ করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

Manual5 Ad Code

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২২৬ বার

Share Button

Callender

August 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31