শিরোনামঃ-

» সিলেটে বৃদ্ধ মায়ের পেনশনের টাকা আত্মাসাৎ করলো মেয়ে, থানায় জিডি

প্রকাশিত: ২৩. অক্টোবর. ২০২১ | শনিবার

Manual4 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টারঃ

Manual7 Ad Code

সিলেটে অসুস্থ্য বৃদ্ধ মায়ের পেনশনের টাকা আত্মাসাতের অভিযোগ উঠেছে মেয়ের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে কোতোয়ালী মডেল থানায় আত্মসাতকারীর বোন রাশেদা খাতুন লাভলী বাদী হয়ে জিডি করেছেন। জিডি নং-৭০৩, তারিখ-০৭-১০-২০২১।

Manual8 Ad Code

জিডি সুত্রে জানা যায়, সিলেট নগরীর নরসিংটিলা একতা/৫৪ নং বাসার বাসিন্দা মৃত আব্দুল বারি বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের সরকারী কর্মকর্তা ছিলেন। প্রায় ৩২ বছর আগে তিনি মারা যান।

আব্দুল বারি মারা যাওয়ার পর তার পেনশনের টাকা স্ত্রী মোছা: সামছুর নাহারের নামে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা জমা হয়। সামছুর নাহার দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ্য থাকায় তার মেয়ে রাশেদা খাতুন লাভলীর সাথে বসবাস করে আসছেন। ছেলেরা প্রবাসে থাকায় তার আরেক মেয়ে সাহেদা খাতুন হেপী, স্বামী রায়হান আহমদ চৌধুরী, সাং-পশ্চিম কাজলশাহ, বাগবাড়ীতে বসবাস করে। মায়ের অসুস্থতার ফাকে মায়ের নামীয় পিপিআর কার্ড সহ অন্যান গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সাহেদা খাতনু হেপী নিয়ে যায়।

Manual3 Ad Code

সামছুর নাহারের পেনশনের ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আত্মাসাত করেন সাহেদা খাতুন হেপী। সামছুর নাহারের চিকিৎসার জন্য টাক উত্তোলন করতে গিয়ে রাশেদা খাতুন লাভলী দেখেন তার বোন সাহেদা খাতুন হেপী ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করে নিয়ে গেছেন।

Manual5 Ad Code

অন্য ভাইবোন মিলে টাকা উত্তোলনের কথা সাহেদা খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ সহ মিথ্যা মামলা মোকদ্দমায় জড়াইয়া হয়রানী ও ক্ষতিগ্রস্থ করা সহ গুম খুন করিয়া ফেলিবে বলিয়া ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং বিবাদীর হেফাজতে থাকা মায়ের পেনশনের পি.পি.আর কার্ড সহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ফেরত দেবে না এবং পেনশনের বাকী টাকাও উত্তোলন করে নিবে বলে হুমকি প্রদান করে।

এর আগেও প্রবাসী ভাইদের পরিবারের সদস্যদের সাথে বিবাদে লিপ্ত হইয়া বিশৃঙ্খলা সৃষ্ট সহ আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। যার কারণে সাহেদা খাতুন হেপীর বিরুদ্ধে গত ৪-৮-২০২০ ইং তারিখে কোতোয়ালী মডেল থানায় জিডি করা হয়, জিডি নং-১৫৯।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫১৫ বার

Share Button

Callender

August 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31