- রক্তদাতা মানবতার শ্রেষ্ঠ সৈনিক
- সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিনের মৃত্যুতে মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের শোক
- সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিনের মৃত্যুতে সিলেট মহানগর বিএনপির শোক প্রকাশ
- সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিনের মৃত্যুতে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের শোক
- মউশিক কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মিনহাজ উদ্দিনকে সুয়েবুননেছা আইডিয়াল একাডেমির সংবর্ধনা
- পরিবেশ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে : আবুল কাহের চৌধুরী শামীম
- সিলেটে সবুজ সাথী সম্মাননা পেলো সিসিকের ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ’
- সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিনের মৃত্যুতে ‘দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম’-এর শোক
- গোলাপগঞ্জে কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করলেন এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী
- জাগরণী বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংঘের উদ্যোগে রবীন্দ্র-নজরুল জন্মজয়ন্তী ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
» কক্সবাজারের উখিয়ার আশ্রয়শিবির পরিদর্শন করেন নোবেল বিজয়ী তিন নারী
প্রকাশিত: ২৭. ফেব্রুয়ারি. ২০১৮ | মঙ্গলবার
গণহত্যা, গণধর্ষণ ও শিশুহত্যার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন রোহিঙ্গা নারীরা। শব্দ তাঁদেরই। রোহিঙ্গা নারীদের মুখে নিষ্ঠুরতার বর্ণনা শুনে কেঁদেছেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী তিন নারী—মারেইড ম্যাগুয়ার, শিরিন এবাদি ও তাওয়াক্কল কারমান।
রোহিঙ্গাদের মুখ থেকে সরাসরি ঘটনা জানার জন্যই তাঁরা বাংলাদেশে এসেছেন।
১৯৭৬ সালে নোবেল বিজয়ী ম্যারেইড ম্যাগুয়ার একাধিকবার বললেন, মিয়ানমারে পরিষ্কার গণহত্যা হয়েছে।
২০০৪ সালে নোবেল বিজয়ী শিরিন এবাদি বলেছেন, মিয়ানমার সরকার নিজের মানুষের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, আন্তর্জাতিক আদালতে এর বিচার হতেই হবে।
আর ২০১১ সালে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইয়েমেনের সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী তাওয়াক্কল কারমান বলেছেন, সু চি যদি রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করতে না পারেন, তবে তাঁর উচিত হবে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানো।
এই তিন নারী আরও বলেন- মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, তার তুলনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাড়া অপ্রতুল। তাঁরা কয়েকটি মুসলিম দেশের ভূমিকারও তীব্র সমালোচনা করেন।
দেড় ঘণ্টার মতো সময় পার হওয়ার পর ভেজা চোখে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন দলের প্রবীণতম সদস্য উত্তর আয়ারল্যান্ডের মারেইড ম্যাগুয়ার।
অশ্রুসিক্ত ও বেদনাহত কণ্ঠে তিনি বললেন- সাতজন নারী তাঁদের ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন। কেউ মিয়ানমার সেনাদের হাতে স্বামীকে হত্যা, কেউবা ভাই হত্যার, কেউ কেউ গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
একজন মা তাঁর ছয় মাসের শিশু হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক আদালতে এই গণহত্যার অবশ্যই বিচার হতে হবে—এমন মত দেন তিনি।
রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে আসা নোবেল পুরস্কার বিজয়ীরা বলেছেন- মিয়ানমার সরকারের মদদে সে দেশের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে এর বিচার না হলে পৃথিবীতে এ ধরনের গণহত্যার ঘটনা আরও ঘটবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অবশ্যই এর বিচার হতে হবে।
সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কক্সবাজারের সরকারি শরণার্থীবিষয়ক দপ্তরে বৈঠকে ও উখিয়া উপজেলার একাধিক শিবিরে রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের সঙ্গে কথা বলার পর বিভিন্ন পর্যায়ে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় তাঁরা এসব কথা বলেন।
সকালে দলটি প্রথমে যায় সরকারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ে। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম রোহিঙ্গাদের আবাসন, খাদ্য, স্বাস্থ্য, পয়োব্যবস্থা—এসব ক্ষেত্রে সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থা কী করেছে, তার বিবরণ তুলে ধরেন।
তিনজন নোবেল বিজয়ী বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে মহানুভবতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
শিরিন এবাদি বলেন, মিয়ানমার সরকারকে আন্তর্জাতিক আদালতে নিতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশের কাছ থেকে তথ্য ও দালিলিক সহায়তার প্রয়োজন হবে।
ওই দপ্তর থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের প্রথমে প্রতিক্রিয়া জানান তাওয়াক্কল কারমান।
তিনি বলেন- ‘আমরা ঘটনাটিকে গণহত্যা হিসেবেই দেখছি। দুঃখজনকভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখানে ভূমিকা রাখার ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। এটা আমাদের সবার জন্য লজ্জার। এই হত্যার ব্যাপারে নীরব থাকা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্যও লজ্জার।’
তিনি বলেন, নোবেল উইমেনস ইনিশিয়েটিভ এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে নেবে।
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নারীদের একটি উদ্যোগ নোবেল উইমেনস ইনিশিয়েটিভ। তিনজনই এর সদস্য। মিয়ানমারের অং সান সু চিও এ উদ্যোগের সদস্য।
দুপুরে এই তিনজন যান থাইংখালী তানজিমারখোলা রোহিঙ্গা শিবিরে। স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় শিরিন এবাদি বলেন, মুসলমানদের ওপর নির্যাতন হয়েছে। অথচ কয়েকটি মুসলিম দেশ কিছুই করছে না।
তিনি বলেন, ‘ইরান কোথায়? সৌদি আরব কোথায়? কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত কোথায়?’ তিনি আরও বলেন, এসব দেশ অস্ত্র কিনে মুসলমানদেরই হত্যা করছে।
এরপর তাঁরা যান বার্মাপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরে। এই শিবিরে নির্যাতনের শিকার নারীদের সঙ্গে কথা বলার ব্যবস্থা আগেই করে রাখা হয়েছিল। এখানে নোবেল বিজয়ীদের কাছে এক নারী কীভাবে তাঁর ছয় মাসের শিশুকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী নদীতে ছুড়ে ফেলে তাঁকে ধরে নিয়ে যায়, সেই নিষ্ঠুর বর্ণনা দেন।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৮৫ বার
সর্বশেষ খবর
- রক্তদাতা মানবতার শ্রেষ্ঠ সৈনিক
- সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিনের মৃত্যুতে মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের শোক
- সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিনের মৃত্যুতে সিলেট মহানগর বিএনপির শোক প্রকাশ
- সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিনের মৃত্যুতে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের শোক
- মউশিক কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মিনহাজ উদ্দিনকে সুয়েবুননেছা আইডিয়াল একাডেমির সংবর্ধনা
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক
এই বিভাগের আরো খবর
- দেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হোন: সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট
- আমেরিকার সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করুন : সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট
- জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম সিলেট মহানগরী বিশাল মিছিল
- আমেরিকার সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করুন : সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট
- বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস ২০২৬


