- সিলেটে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
- জাতীয় পুরস্কার অর্জন করায় গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা
- সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা
- আমেরিকার সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করুন : সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট
- দক্ষিণ সুরমায় জিএপি সার্টিফিকেশন বিষয়ক কৃষক/কৃষাণী প্রশিক্ষণ
- মৌলভীবাজারে দুগ্ধ ব্যবস্থাপনা ও লাভজনক খামার গঠন বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
- মৃত ২৬ শ্রমিক পরিবারকে জেলা ট্রাক পিকাপ শ্রমিক ইউনিয়নের আর্থিক অনুদান
- সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সাবেক সভাপতি হাজী দিলওয়ার হোসেনের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল
- সিলেটের মধুবন সুপার মার্কেটে জান্নাত ফেব্রিক্স এর উদ্বোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- জাতীয় যুব দিবস ১ নভেম্বর তারিখে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবীতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের স্মারকলিপি প্রদান ২৪ মে রবিবার
» আমেরিকার সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করুন : সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট
প্রকাশিত: ১৮. মে. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করার দাবিতে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণসংযোগ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (১৮ মে) বিকাল সাড়ে ৪টায় আম্বরখানা পয়েন্টে লিফলেট বিতরণ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাসদ (মার্ক্সবাদী) জেলা সমন্বয়ক সঞ্জয় কান্ত দাসের সভাপতিত্বে ও সিপিবি জেলা নেতা মাশরুখ জলিলের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সিলেট মহানগর বাংলাদেশ জাসদ সভাপতি এডভোকেট জাকির আহমদ, নাগরিক আন্দোলনের আব্দুল করিম কিম,বাসদ সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পাল, সাম্যবাদী আন্দোলনের সমন্বয়ক এডভোকেট মহীতোষ দেব মলয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর, সিপিবি জেলা সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান, বাংলাদেশ জাসদ সাধারণ সম্পাদক নাজাদ কবির, বাসদ (মার্ক্সবাদী) নেতা পিনাক রঞ্জন দাস প্রমূখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, একটি অনির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এখতিয়ার কেবল রুটিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় সীমাবদ্ধ।
কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সেই সীমা লঙ্ঘন করে দেশবাসীকে না জানিয়ে এমন একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যার মেয়াদ আগামী ১৫ বছর পর্যন্ত বিস্তৃত।
এই চুক্তিটি মোট ১৭৭ পৃষ্ঠার, কিন্তু মার্কিন পক্ষ মাত্র ৩২ পৃষ্ঠা জনসমক্ষে প্রকাশ করেছে। আর বাংলাদেশ সরকারতো দেশবাসীকে জানানোর প্রয়োজনই বোধ করছেনা।
সেই ৩২ পৃষ্ঠার মধ্যেই বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে অসংখ্য অসম শর্ত প্রকাশিত হয়েছে। বাকি ১৪৫ পৃষ্ঠায় কী লেখা আছে তা বাংলাদেশের জনগণ তো দূরের কথা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও প্রকাশ করেনি।
এই গোপনীয়তা একটি বিপজ্জনক সংকেত। আগামী ১৫ বছরে আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে কমপক্ষে ১,৫০০ কোটি ডলার (প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা) মূল্যের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনতে বাধ্য থাকবে বাংলাদেশ।
প্রতি টনে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে ৭৫ ডলার বা ৯০০০/- টাকা বেশি মূল্যে আগামী পাঁচ বছর প্রতি বছর ৭ লাখ টন গম বাধ্যতামূলকভাবে কিনতে হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারদরের চেয়ে অনেক বেশি দামে ২৬ লাখ টন সয়াবিন ও সয়াবিনজাত পণ্য আমদানি করতে হবে, যার মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ১২৫ কোটি ডলার। তুলা, ফলমূল ও কৃষিপণ্য বাজারদরের বাইরে ৩৫০ কোটি ডলার বা ৪২ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মার্কিন বেসামরিক কোম্পানি বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিনা দরপত্রে ৪৫ হাজার কোটি টাকায় ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি ইতিমধ্যে গত ৩০ এপ্রিল করে ফেলেছে। যা সরকারি ক্রয়বিধির সরাসরি লঙ্ঘন।
বাংলাদেশের বাজারে যুক্তরাষ্ট্র ৬,৭১০টি পণ্যে শুল্কছাড় পাবে; বিপরীতে বাংলাদেশ পাবে মাত্র ১,৬৩৮টি পণ্যে যার অধিকাংশই রফতানির সামর্থ্য বাংলাদেশের নেই।
গত বছর মার্কিন পণ্য থেকে বাংলাদেশ পেয়েছে ১,২০০ কোটি টাকার শুল্ক। চুক্তি কার্যকর হলে মাত্র ১০ কোটি টাকা আদায় হবে; হারাতে হবে ১,১৯০ কোটি টাকা।
সবচেয়ে বিধ্বংসী দিকটি হলো: চুক্তিতে মাছ, মাংস, মুরগি, দুধসহ সব কৃষিপণ্যের অবাধ আমদানির বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এতে বাংলাদেশের পোলট্রি, মৎস্য, ডেয়ারি ও দুগ্ধ খাতে কর্মরত কোটি মানুষের জীবিকা ধ্বংসের মুখে পড়বে।
তৈরি পোশাক শিল্পও বিপন্ন হবে মার্কিন তুলা ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা পরিবহন খরচ বাড়াবে, প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে বাংলাদেশ।
চুক্তির শর্তানুযায়ী, মার্কিন বাণিজ্য স্বার্থের পরিপন্থী কোনো দেশ—অর্থাৎ চীন, রাশিয়া-এর সাথে বাংলাদেশ কোন বাণিজ্যচুক্তি করতে পারবে না।
ইতোমধ্যে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনতে মার্কিন ‘ছাড়পত্র’ চাইতে হচ্ছে। একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য এটি অপমানজনক।
সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়েও নির্ভরশীলতা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ বর্তমানে ৮০% প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম চীন থেকে আনে। এই চুক্তি বাংলাদেশকে একটি নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক শিবিরে ঠেলে দিচ্ছে। এতে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বাধীনতা বিপন্ন হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য যে, চীন তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে এবং এই অঞ্চলে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে মার্কিন নিরাপত্তা কাঠামোর অধীনে টেনে নেওয়ার যে প্রচেষ্টা এই চুক্তিতে দৃশ্যমান, তা বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক সংঘাতের ঘূর্ণিপাকে ফেলে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।
বক্তারা দেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৭ বার
সর্বশেষ খবর
- সিলেটে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
- জাতীয় পুরস্কার অর্জন করায় গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা
- সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা
- আমেরিকার সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করুন : সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট
- দক্ষিণ সুরমায় জিএপি সার্টিফিকেশন বিষয়ক কৃষক/কৃষাণী প্রশিক্ষণ
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক
এই বিভাগের আরো খবর
- সিলেটে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
- জাতীয় পুরস্কার অর্জন করায় গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা
- সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা
- আমেরিকার সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করুন : সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট
- দক্ষিণ সুরমায় জিএপি সার্টিফিকেশন বিষয়ক কৃষক/কৃষাণী প্রশিক্ষণ


