- সিলেট মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
- পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের পুনর্মিলনী উপলক্ষে রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম এর উদ্বোধন
- সৈয়দ লায়েক দ্বিতীয় উন্মুক্ত একক ক্যারম প্রতিযোগীতা শুরু
- শ্রমজীবীদের জন্য কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ করুন : সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট
- জল্লারপার জামে মসজিদের নানা প্রকার অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান
- সিলেটে মাসব্যাপী অনূর্ধ্ব-১৫; সাঁতার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
- বিশিষ্ট সাংবাদিক আবু তাহেরের সম্মানে সিলেট জেলা পরিষদে চা-চক্র
- বিদ্যুতের দাম বাড়ানো গণবিরোধী, সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি বাসদের
- এই নিদানে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি অগ্রহণযোগ্য, দ্রুত দাম বৃদ্ধি স্থগিত করুন : গ্যাস-বিদ্যুৎ গ্রাহক কল্যাণ পরিষদ
- সিলেটে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের পৃথক অবস্থান কর্মসুচী পালন
» কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট ও শব্দময় পৃথিবী
প্রকাশিত: ২০. জুলাই. ২০১৬ | বুধবার
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ডেভলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট গ্রোগ্রাম ইন বিএসএমএমইউ’ এর কর্মসূচি পরিচালক ও ইমপ্লান্ট সার্জন অধ্যাপক ডা. আবুল হাসনাত জোয়ারদারের নেতৃত্বে একটি টিম ২০১০ সাল থেকে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি ব্যবস্থাপনা করে আসছে।
দেশের দরিদ্র ও সাধারণ শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে প্রতি পর্যায় তিনবছর মেয়াদী মোট দু’টি পর্যায়ে ছয় বছর যাবত্ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ডেভলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট গ্রোগ্রাম ইন বিএসএমএমইউ’ নামক কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।
এই কর্মসূচির আওতায় জুন ২০১৬ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক, কান ও গলা বিভাগে মোট ১১০ জন শ্রবণ প্রতিবন্ধীকে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট ডিভাইস প্রদান ও সার্জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯০টি কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট ডিভাইস সরকারি খরচে দেওয়া হয়েছে।
সরকারি সহায়তার বাইরে বাকি ২০টি ডিভাইস সামর্থ্যবান রোগীরা নিজ খরচে ক্রয় করেছে। সর্বশেষ ৩০ জুন সরকারি খরচে আরো ৪১ জন শিশুকে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট বরাদ্দ দিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শহীদ ডা. মিলন হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এসব শিশুর বাবা ও মায়েদের হাতে এই বরাদ্দপত্র তুলে দেন।
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই যন্ত্রের এক একটির দাম ১০ লাখ টাকারও বেশি। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় দরিদ্র ও সাধারণ পরিবারের শিশুদের ঈদের উপহার হিসেবে এই যন্ত্র দেওয়া হয়। ‘ডেভলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট গ্রোগ্রাম ইন বিএসএমএমইউ’ কর্মসূচির পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল হাসানাত জোয়ারদার বলেন, এই যন্ত্র বিদেশে গিয়ে স্থাপনে আনুমানিক খরচ পড়ে দেশ ভেদে প্রায় ৩০-৫০ লাখ টাকা।
যা বাংলাদেশের সাধারণ দরিদ্র, স্বল্প আয়ের এমনকি মধ্যবিত্তদেরও সামর্থ্যের বাইরে। সেখানে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট ডিভাইস প্রদানে বর্তমান সরকারের এই আর্থিক সহযোগিতা শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি অনন্য ও যুগান্তকারী ঘটনা এবং এটি সরকারের একটি মহত্ কর্মসূচি।
তাঁর মতে, জন্মগত বধিরদের ক্ষেত্রে ২ থেকে ৩ বছর বয়সে ইমপ্লান্ট করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। অন্যদিকে জন্মের পরে ভাষা আয়ত্ত করা ব্যক্তিরা জীবনের যে কোন সময়ে কোনো কারণে সম্পূর্ণ বধির হয়ে গেলে তাদেরকে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি করলে তারাও কানে শুনতে সক্ষম হয়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্বচ্ছ বরাদ্দ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই যন্ত্রটি দেওয়া হয়। প্রথমে বরাদ্দের আবেদন চেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য, প্রার্থীর বয়স, অভিভাবকের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ভাষা প্রশিক্ষণ নেওয়ার আগ্রহসহ অন্যান্য নীতিমালার আলোকে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়।
জাদুকরী বিষয় এই যে, একেবারেই কানে শুনতে না পাওয়া শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তি যারা উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন হিয়ারিং এইড ব্যবহার করেও কানে শুনতে পায় না, তারা কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট এর মাধ্যমে শ্রবণের জগতে প্রবেশ করতে এবং নিয়মিত ভাষা শিক্ষার প্রশিক্ষণ নিয়ে কথা বলতে পারে। কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট গ্রহীতারা স্বাভাবিক জীবন আচরণে অভ্যস্ত হয়ে উঠে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট স্থাপনের পর অনেক শিশু মূল ধারার স্কুলে যেতে পারছে। এমন শিশুর অভিভাবকগণ নতুন আলোয় জীবনের স্বপ্ন রচনা করছেন মানসিক ও সামাজিক স্বস্তির মাঝে অবস্থান করে।
কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জন অধ্যাপক ডা. আবুল হাসনাত জোয়ারদার বলেন, আমাদের সমাজে অনেক বিত্তবান ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠান আছে যারা মানুষকে সহায়তা দিতে ইচ্ছুক কিন্তু অনেক সময় সঠিক জায়গা খুঁজে পায় না।
আমি তাদেরকে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রার্থীদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে অনুরোধ করব। কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশ সরকারের মহত্ উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি শব্দময় পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭২৪ বার
সর্বশেষ খবর
- সিলেট মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
- পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের পুনর্মিলনী উপলক্ষে রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম এর উদ্বোধন
- সৈয়দ লায়েক দ্বিতীয় উন্মুক্ত একক ক্যারম প্রতিযোগীতা শুরু
- শ্রমজীবীদের জন্য কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ করুন : সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট
- জল্লারপার জামে মসজিদের নানা প্রকার অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক
এই বিভাগের আরো খবর
- সিলেট মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
- পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের পুনর্মিলনী উপলক্ষে রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম এর উদ্বোধন
- সৈয়দ লায়েক দ্বিতীয় উন্মুক্ত একক ক্যারম প্রতিযোগীতা শুরু
- শ্রমজীবীদের জন্য কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ করুন : সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট
- জল্লারপার জামে মসজিদের নানা প্রকার অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান


