শিরোনামঃ-

» সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

প্রকাশিত: ৩০. জুলাই. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার


Manual7 Ad Code

সিলেটের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সংস্কৃতিচর্চা অব্যাহত রাখতে হবে

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সঙ্গীত, নৃত্য ও শিল্পকলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, অনেকের জন্য এটি একটি সফল পেশা ও জীবন গড়ার ক্ষেত্র।

Manual5 Ad Code

আর যারা পেশা হিসেবে গ্রহণ না করেন, তাদের জন্যও সংস্কৃতি চর্চা একটি সুন্দর, মানবিক ও রুচিশীল সমাজ গঠনে সহায়ক।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে বেসরকারি সাংস্কৃতিক ও সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিলেট ললিতকলা একাডেমি আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিলেট শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেট বরাবরই সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের জনপদ।

এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ধর্মীয় চর্চার পাশাপাশি সঙ্গীত, সাহিত্য ও শিল্পকলারও সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে।

যুগে যুগে অসংখ্য গুণীজন, শিল্পী ও সংস্কৃতিসেবী এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

Manual7 Ad Code

তিনি বলেন, দেশভাগের আগে, মুক্তিযুদ্ধের আগে এবং স্বাধীনতার পর—প্রতিটি সময়েই সিলেটের সাংস্কৃতিক অঙ্গন নিজস্ব বৈশিষ্ট্য নিয়ে এগিয়ে গেছে।

সিংহবাড়িতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেমন এসেছিলেন, তেমনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামও এসেছেন।

উপমহাদেশের বহু খ্যাতিমান সাহিত্যিক, সংগীতশিল্পী ও সংস্কৃতিসেবী সিলেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এই সমৃদ্ধ ঐতিহ্য আজও বহমান।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সংস্কৃতি চর্চা এবং শিল্পীদের পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে এসেছেন, যা অত্যন্ত ইতিবাচক।

নগরবাসীর সেবক হিসেবে আমি চাই সমাজের সব পেশার মানুষ যেমন এগিয়ে আসবেন, তেমনি শিল্প-সংস্কৃতির চর্চাও নির্বিঘ্নে চলবে।

তিনি আরও বলেন, সিলেট ললিতকলা একাডেমি অল্প সময়ে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি পর্যায় থেকেও সহযোগিতা করা প্রয়োজন।

সিলেট সিটি কর্পোরেশন সংস্কৃতি বিকাশে ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি পৃথক রাষ্ট্র হলেও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের দিক থেকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।

তিনি বলেন, মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সংস্কৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই চর্চা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

সিলেট ললিতকলা একাডেমির সভাপতি মোহাম্মদ কবির আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, একাডেমির অধ্যক্ষ বিপ্রদাস ভট্টাচার্য।

Manual8 Ad Code

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, ভারতের সহকারী হাই কমিশনের দ্বিতীয় সচিব রাজেশ ভাটিয়া এবং সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট বদরুল ইসলাম চৌধুরী, জ্যোতির্ময় সিংহ মজুমদার চন্দন, সংগীতশিল্পী রানা কুমার সিনহা, সংস্কৃতিকর্মী আমিনুল ইসলাম চৌধুরী লিটন, আমিরুল ইসলাম চৌধুরী বাবু, সঞ্জয় নাথ সঞ্জু সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, সিলেট ললিতকলা একাডেমির শিক্ষার্থী সামিহা সালসাবিল ইকরা।

শেখ মাহজাবিন তারানা স্নেহা সহ শিক্ষার্থীরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করেন।

Manual7 Ad Code

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১১০ বার

Share Button

Callender

September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930