শিরোনামঃ-

» সম্প্রসারিত ওয়ার্ডে আধুনিক নাগরিক সুবিধা করতে কাজ করছে সিসিক : সিসিক প্রশাসক

প্রকাশিত: ১৮. জুন. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার


Manual7 Ad Code

হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোতে আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন নিরলসভাবে কাজ করছে।

তবে উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নগরবাসীকেও হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের মাধ্যমে সহযোগিতা করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে নগরীর আরামবাগস্থ আমানউল্লাহ কনভেনশন সেন্টারে ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, টেকসইকরণ এবং হোল্ডিং ট্যাক্স কার্যক্রম চালুকরণ বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, ২০০২ সালে ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে এর পরিধি বৃদ্ধি পেয়ে ৪২টি ওয়ার্ডে উন্নীত হয়েছে। নতুন সংযুক্ত ১৫টি ওয়ার্ডে সড়ক, ড্রেন, সড়কবাতি, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও জলাবদ্ধতা নিরসন সহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সম্প্রসারিত এলাকাগুলোর অধিকাংশ স্থাপনা ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদনে নির্মিত হওয়ায় অনেক সড়ক প্রয়োজনীয় প্রশস্ততা পায়নি। ফলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

এ অবস্থায় অনেক সচেতন নাগরিক স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে দিয়ে সড়ক প্রশস্তকরণ কাজে সহযোগিতা করেছেন। তাদের প্রতি সিটি কর্পোরেশন কৃতজ্ঞ।

যেসব স্থানে দেয়াল অপসারণ করতে হয়েছে, সেখানে সিটি কর্পোরেশন নিজ উদ্যোগে পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

Manual8 Ad Code

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয়ের প্রধান উৎস হলো হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স ফি এবং বিভিন্ন ইজারা।

কিন্তু সম্প্রসারিত ১৫টি ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হলেও সেখান থেকে এখনো কোন হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় করা হয়নি। এমনকি আইন অনুযায়ী কর নির্ধারণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়নি।

Manual6 Ad Code

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক স্বনির্ভরতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করছে।

সিটি কর্পোরেশন যত বেশি নিজস্ব রাজস্ব আয় করতে পারবে, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নেও তত বেশি সরকারি সহায়তা পাওয়া যাবে।

তাই নগর উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধে এগিয়ে আসতে হবে।

Manual4 Ad Code

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিটি কর্পোরেশন কোনোভাবেই জোরপূর্বক কর আদায়ে বিশ্বাসী নয়। আমরা আলোচনার মাধ্যমে নাগরিকদের মতামত গ্রহণ করে সমস্যার সমাধান করতে চাই।

উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোতেও দ্রুত আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার।

বক্তব্য দেন, সিসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর।

মতবিনিময় সভায় ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পক্ষে বক্তব্য দেন মো. মোকাদ্দেম চৌধুরী, ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী, সেলিম আহমদ চৌধুরী, সফি উদ্দিন আহমদ, মো. আব্দুস সামাদ, অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান, কাজী মুহিবুর রহমান, মনজুর আহমদ, মো. আফরাফ হোসেন, মো. বজলুর রহমান, মো. এজাজুল হক, মো. জুবের আহমদ, বদরুল হক, সফিকুর রহমান, আব্দুল বাছিত চৌধুরী, মো. কলিম উদ্দিন, ইকবাল আহমদ বাদল, খবীর আহমদ, আব্দুস সালাম, শহীদ আহমদ ও মো. শাহাব উদ্দিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম, প্রধান অ্যাসেসর আবদুল বাছিত, কর কর্মকর্তা জামিলুর রহমান, অ্যাসেসর আখতার সিদ্দিকী বাবলু সহ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

Manual3 Ad Code

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২০৩ বার

Share Button

Callender

August 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31