শিরোনামঃ-

» শ্রুতির বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

প্রকাশিত: ১৪. এপ্রিল. ২০২৬ | মঙ্গলবার


Manual7 Ad Code

ধ্বনিত হলো নতুন বছরের আবাহন বার্তা শ্রুতির দিনব্যাপী  বর্ষবরণ উৎসবে জনস্রোত

নিউজ ডেস্কঃ
পহেলা বৈশাখ বাঙালির সবচেয়ে বৃহত্তম সর্বজনীন উৎসব। সর্বস্তরের মানুষ হৃদয়ের টানে, বাঙালিয়ানার টানে মিলিত হয় এ উৎসবে। এদিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে।

ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রুতির উদ্যোগে প্রতিবারের মত বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।

তপ্ত রোদের মধ্যেও ১ বৈশাখ ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) ব্লু-বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে সূর্যোদয়ের পর পরেই শুরু হয় নতুন বছরকে আহ্বান।

“আসবে পথে আঁধার নেমে তাই বলেই কি রইবি থেমে” এই  উদাত্ত আহ্বান ধ্বনিত হয়। শতাধিক শিশু কিশোর শিল্পীরা শতকন্ঠে বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানায় গানে গানে।

প্রদীপ প্রজ্জ্বলনে মাধ্যমে অনুষ্ঠানের মাঙ্গলিক উদ্বোধন করেন বাউল আব্দুর রহমান।

দিনব্যাপী আয়োজনের  প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব  প্রমুখ। শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শ্রুতি সিলেটের সদস্যসচিব সুকান্ত গুপ্ত।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বৈশাখের  সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতুনির্ভর।

এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)।

হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

বাংলা নববর্ষ পালনের সূচনা হয় মূলত আকবরের সময় থেকেই। সে সময় বাংলার কৃষকরা চৈত্রমাসের শেষদিন পর্যন্ত জমিদার, তালুকদার এবং অন্যান্য ভূ-স্বামীর খাজনা পরিশোধ করত। পরদিন নববর্ষে ভূস্বামীরা তাদের মিষ্টিমুখ করাতেন।

এ উপলক্ষে তখন মেলা এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো।

ক্রমান্বয়ে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিশে পহেলা বৈশাখ আনন্দময় ও উৎসবমুখী হয়ে ওঠে এবং বাংলা নববর্ষ শুভদিন হিসেবে পালিত হতে থাকে।

দিনব্যাপী আয়োজনের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় সম্মাননা প্রদান। সুমন্ত গুপ্ত পরিচালনায় প্রদান করা হয় শ্রুতি সম্মাননা ১৪৩২ বাংলা। এবারের গুণীজনের লোকসংগীতে শ্যামল কুমার পাল।

উপস্থিত ছিলেন শ্রুতি সম্মাননা প্রাপ্ত গুণীজন রাণা কুমার সিনহা, ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের সেকেন্ড অফিসার রাজেশ ভাটিয়া, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব মোকাদ্দেস বাবুল আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার ২৩ প্রাপ্ত গুণীজন সুমনকুমার দাশ।

Manual5 Ad Code

দিনব্যাপী আয়োজনে সমবেত সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি পরিবেশন করে অনুষ্ঠান আয়োজক শ্রুতি-সিলেট, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, সিলেট, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা সিলেট, নৃত্যশৈলী, গীতবিতান বাংলাদেশ, স্বরবর্ণ, দ্বৈতস্বর, গীতসূধা, নৃত্যরথ, সংগীত মূকুল, সুর সপ্তক, সুরের ভূবন, সংগীত নিকেতন, অনির্বান শিল্পী সংগঠন, ললিত মঞ্জরি, শ্রুতি কানন।একক পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করবেন, শ্যামল পাল, বাউল সূর্যলাল দাশ, শামীম আহমদ, প্রদীপ মল্লিক, খোকন ফকির, ইকবাল সাই, আশরাফুল ইসলাম অনি, লিংকন দাশ, শিমুল, স্বর্ণা দাশ তৃষা প্রমুখ।

Manual1 Ad Code

দিনব্যাপী আয়োজনে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবাই নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।

Manual7 Ad Code

বৈশাখের তীব্র তাপদাহের মধ্যে ও সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখতে পাওয়া যায়।

জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে দিনব্যাপী শ্রুতি বর্ষবরণ উৎসবের একবিংশতম  আয়োজন সমাপ্ত হয়।

Manual4 Ad Code

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৮৫ বার

Share Button

Callender

July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031