শিরোনামঃ-

» সিলেটে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

প্রকাশিত: ০৮. জুন. ২০২৪ | শনিবার

Manual2 Ad Code

দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে শহীদ জিয়া দূরদর্শী অবদান রেখেছিলেন

নিউজ ডেস্কঃ
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহন করেছিলেন। যার সুফল আজও বাংলাদেশের মানুষ ভোগ করছেন।

১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলা গরিব জনগোষ্ঠী কথা চিন্তা করে গর্ভকালীন সময় মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমাতে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেন যা পরবর্তীতে প্রসংশনীয় হয়ে উঠে।

Manual4 Ad Code

প্রেসিডেন্টের এক অধ্যাদেশে ১৯৭৯ সালে নবজাতকের মৃত্যুর হার নিয়ে (আইসিডিডিআরবি)’র গবেষণায় তৈরী হয় ‘টিটেনাস টিকা’। এই টিকায় নবজাতকের মৃত্যুর হার ৭৫ শতাংশে কমে আসে।

Manual1 Ad Code

বাংলাদেশে কার্যকর উদ্যোগের ফলে ১৯৯১ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা ‘টিটেনাস টিকা’ কর্মসূচী গ্রহণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা ও ইউনিসেফের উদ্যোগে বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১২০টি দেশে এর কার্যক্রম আছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে স্বাস্থ্য অর্থনীতি খাতে সার্কভোক্ত দেশের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা খাতে সবচেয়ে কম বজেট বরাদ্দ। হাসপাতালগুলোতে বড়-বড় ভবন হচ্ছে, কিন্তু সেবা আর চিকিৎসার মান বাড়ছে না। স্বাধীনার পর তলাবিহীন ঝুড়ি রাষ্ট্রকে স্ব-নির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে তিনি (৮ জুন) শনিবার বিকালে নগরীর শহীদ সুলেমান হলে ‘সফল রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীরউত্তম’র রাজনীতি ও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা’’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।

সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন বলেন, শহীদ জিয়ার ঐতিহাসিক ১৯ দফার মধ্যে ১০ দফা হল ‘দেশবাসীর জন্য নূন্যতম চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা’ যা তিনি বাস্তবে করে দেখিয়েছেন। স্বাধীনতার পরপরই অপুষ্টি, জন্মহার বৃদ্ধি, গুটি বসন্ত, ডায়রিয়া, কলেরা ও অন্যান্য জলবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাবে জনস্বাস্থ্য কাঠামো ভেঙে পরেছিল যার প্রতি দ্রুত মনোযোগ দিয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়া।

মুখ্যলোচকের বক্তব্যে সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ সিলেট জেলার সভাপতি ডা. শামীমুর রহমান বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গৃহীত বাংলাদেশের প্রযোজ্য সকল পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ এই স্লোগানটি নিয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়া বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি উজ্জ্বল মডেল সৃষ্টি করেন।

Manual5 Ad Code

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী স্বাগত বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা ড. এনামুল হক চৌধুরী, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক হবিগঞ্জের সাবেক মেয়র জি কে গৌছ, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন।

Manual5 Ad Code

সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর যৌথ পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, অধ্যাপক ড. কামাল আহমদ চৌধুরী, ড. সাজেদুল করিম, ডা. শিব্বির আহমদ শিবলী, অধ্যাপক মোজ্জামেল হক।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২১১ বার

Share Button

Callender

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930