- মোহাম্মদ আবুল ফজল অ্যাডভোকেট আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত
- বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী ও ম্যাগাজিন প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত
- ফ্যাসিস্ট সরকারের মেয়র সিলেট নগরীর উন্নয়ন না করে লুটপাটের মহোৎসব করেছে : ইমদাদ হোসেন চৌধুরী
- সিম কোম্পানীগুলোর অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে গণজমায়েত, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান
- ‘ঘাটতি ও চমকে ভরা বাজেট সফল করতে ওয়াদা পূরণ জরুরি’-দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম
- বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে সিলেটে ২৬ জন বীর রক্তদাতাকে বিশেষ সম্মাননা
- অন্যান্য ৭টি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদেরও দায়িত্ব গ্রহণ
- জেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
- সিটির পরিচ্ছন্ন কর্মীদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা প্রশিক্ষণ ও পিপিই বিতরণ
- উৎসবমুখর পরিবেশে সিলেটে জেলা পর্যায়ের সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
» খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬. মে. ২০১৮ | বুধবার
সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্কঃ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে থাকা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।
আজ বুধবার (১৬ মে) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় দেন।
খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আপিল করেছিল। দু’টি আপিলই খারিজ করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ফলে খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রইল।
আদেশে আপিল বিভাগ বলেন- জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে পেপারবুক প্রস্তুত। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চকে আপিল (দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল) আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বহাল থাকলেও আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে জামিন নিতে হবে। সে জন্য তাঁর কারামুক্তিতে কিছু সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।
দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের পৃথক আপিলের ওপর শুনানি শেষে ৯ মে আপিল বিভাগ রায়ের জন্য ১৫ মে দিন রেখেছিলেন। এদিন (১৫ মে) অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ফের যুক্তিতর্ক করার জন্য আদালতে আবেদন করেন। পরে তাঁর যুক্তিতর্ক শুনে আজ (১৬ মে) রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেন আপিল বিভাগ।
মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। বয়স ও সামাজিক মর্যাদার কথা বিবেচনা করে আদালত তাঁকে এই দণ্ডাদেশ দেন। এরপর থেকে খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।
রায়ের পর আপিল করে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। শুনানি নিয়ে গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন। এই জামিনের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক লিভ টু আপিল করে, যা আপিল বিভাগ মঞ্জুর করেন। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিনও স্থগিত হয়। স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা, যা সেদিন চেম্বার বিচারপতির আদালতে ওঠে। আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। এর ধারাবাহিকতায় ৮ ও ৯ মে আপিল বিভাগে খালেদা জিয়ার জামিন প্রশ্নে দুদক, রাষ্ট্রপক্ষ ও খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। ১৫ মে অ্যাটর্নি জেনারেল ফের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।
এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশে বিদেশ থেকে পাঠানো ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করার অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই দুদক এই মামলা করে।
তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া, তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমান সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন দুদকের উপপরিচালক হারুন অর রশীদ। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আদালত খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ১০৯ ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ গঠন করেন।
মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিলে ইউনাইটেড সৌদি কমার্শিয়াল ব্যাংক থেকে ১২ দশমিক ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার আসে, যা বাংলাদেশি টাকায় তৎকালীন ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮১ হাজার ২১৬ টাকা। তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ১৯৯১ সালের ৯ জুন থেকে ১৯৯৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই অর্থ দেশের প্রতিষ্ঠিত কোনো এতিমখানায় না দিয়ে অস্তিত্ববিহীন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট গঠন করেন।
অথচ কোন নীতিমালা তিনি তৈরি করেননি, করেননি কোন জবাবদিহির ব্যবস্থাও। অথচ খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিল থেকে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা অস্তিত্ববিহীন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে পাঠান। পরে ওই টাকা আত্মসাৎ করেন, যার জন্য তিনি দায়ী।
তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে বলেন, খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় থেকে নিজের পদমর্যাদা বলে সরকারি এতিম তহবিলের আর্থিক দায়িত্ববান বা জিম্মাদার হয়ে বা তহবিল পরিচালনার ভারপ্রাপ্ত হয়ে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে দণ্ডবিধির ৪০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারার অপরাধ করেছেন।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৭৮ বার
সর্বশেষ খবর
- মোহাম্মদ আবুল ফজল অ্যাডভোকেট আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত
- বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী ও ম্যাগাজিন প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত
- ফ্যাসিস্ট সরকারের মেয়র সিলেট নগরীর উন্নয়ন না করে লুটপাটের মহোৎসব করেছে : ইমদাদ হোসেন চৌধুরী
- সিম কোম্পানীগুলোর অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে গণজমায়েত, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান
- ‘ঘাটতি ও চমকে ভরা বাজেট সফল করতে ওয়াদা পূরণ জরুরি’-দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক
এই বিভাগের আরো খবর
- সিম কোম্পানীগুলোর অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে গণজমায়েত, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান
- জেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
- জল্লারপার জামে মসজিদের নানা প্রকার অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান
- ব্যবসায়ী খগেন্দ্র চন্দ্র দাস উপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করুন : গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট
- সিলেটে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু ফাহিমার পরিবারের পাশে জামায়াত


