- আগামীকাল সিলেট সফরে আসছেন মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
- ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টার ও হাজী নওয়াব আলী সবজি মার্কেটের যৌথ ‘সাল পরবর্তী আলোচনা সভা’
- বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে কানাডার হাইকমিশনারের বৈঠক
- সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী
- কবি শেরাম নিরঞ্জনের মাতা আর নেই
- সিটি মডেল স্কুলে শিক্ষক ও অভিভাবক সমাবেশ
- বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের উদ্যোগে সংবর্ধনা
- ৫৫ বছর আশ্বাসে আটকে থাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এমপি এমরান চৌধুরীর
- সিলেটে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস পালিত
- রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আটকে পড়া বড়চক বিদ্যালয় জাতীয়করণ সময়ের দাবি
» উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সামনে থেকে কাজীর পলায়ন
প্রকাশিত: ১৯. আগস্ট. ২০১৬ | শুক্রবার
সিলেট বাংলা নিউজঃ দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহেদ মোস্তফা এক কাজীর বৈধতা বিষয়ে তদন্তে গেলে ঘটনাস্থল থেকে কাজী পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
গত ১৭ আগস্ট বুধবার কাজী মোহাম্মদ আবু বকরের অবৈধ কার্যকলাপ সরেজমিনে তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসর ২৬নং ওয়ার্ডের ভার্থখলার স্টেশন রোড অবস্থিত কাজী টেইলার্সে যান।
এ সময় কাজী মোহাম্মদ আবু বকর ও তার ভাই আলতাফুর রহমান আনছার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিত টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান।
তাদের দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখে আশপাশে দোকানের লোকজন কাজী টেইলার্সের সামনে জড় হন। উপস্থিত লোকজনদের কাছ থেকে কাজী মোহাম্মদ আবু বকর সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন।
পরে লোকজনদের সামনে কিছু কাগজপত্র জব্ধ করে নিয়ে যান। তিনি জানান, কাগজপত্র দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে ২৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাজী মোহাম্মদ তৌফিক বকস লিপন জানান, বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। হাতেনাতে ধরে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
উল্লেখ্য, বরইকান্দির ইউনিয়নে পিরোজপুরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে গত ৯ আগস্ট এক বাল্য বিবাহ সম্পন্ন হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহেদ মোস্তফা সেন্টারে পৌছার আগেই কাজী সটকে পড়েন।
যে সকল কাজী বাল্যবিবাহ রেজিস্ট্রা করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
এরপর গত ১৪ আগস্ট উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় কাজী মোহাম্মদ আবু বকর ২৬নং ওয়ার্ডে অবৈধভাবে কাজী অফিস স্থাপন করে দীর্ঘ দিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এমন তথ্য উত্থাপিত হলে এমপি মাহমুদ উস-সামাদ চৌধুরী কয়েছ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
মাহমুদ উস-সামাদ চৌধুরী এমপি’র নির্দেশের প্রেক্ষিতে গতকাল ১৭ আগস্ট বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহেদ মোস্তফা সরেজমিনে ঘটনা তদন্তের জন্য ২৬নং ওয়ার্ডের ভার্থখলার স্টেশন রোড অবস্থিত কাজী টেইলাইস যান।
এ সময় কাজী মোহাম্মদ আবু বকর ও তার ভাই আলতাফুর রহমান দৌড়ে পালিয়ে যায়।
জানা যায়, ২০০৫ সালে কাজী মোহাম্মদ আবু বকর এর লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পরও ভুয়া লাইসেন্স এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজীর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি নগরীর ২৬নং ওয়ার্ডে কাজী অফিস স্থাপন করে ওয়ার্ডের মধ্যে অবস্থিত সেন্টারগুলোতে প্রভাব খাটিয়ে বিবাহ রেজিস্ট্রারীর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ অবস্থায় কাজী অফিস সরানোর জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করলে, বিগত ২০০৫ সালে চতুরতার আশ্রয় নিয়ে কাজী অফিসরে নাম কাজী টেইলার্স লিখে এখন কাজী’র কাজ করছেন।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪৯৮ বার
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক
এই বিভাগের আরো খবর
- ছিনতাই সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ কর : বাসদ
- ভূইফোঁড় সাংবাদিক জহিরুলের বিরুদ্ধে বড় ভাইয়ের চাঁদাবাজির মামলা, সমন জারি
- গোলাপগঞ্জে দুই ভূয়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
- সিলেটে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন
- নগরীর বাদাম বাগিচায় বাসায় ঢুকে ৮টি মোবাইল চুরি, থানায় জিডি


