- সিলেটের শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
- বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের সঙ্গে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
- প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরকে স্বাগত জানিয়ে আইনজীবী ফোরামের মিছিল
- প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল
- শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ‘শান্তি শোভাযাত্রা’
- দুর্গাকুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা
- মহান মে দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফরকে স্বাগত জানিয়ে তাঁতীদলের আনন্দ মিছিল
- সিলেটে নির্মাণশিল্পের ঠিকাদারদের নিয়ে ‘কেএসআরএম’ এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- আজ আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস মহান মে দিবস; নগরিতে হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ
» আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় ১১আসামির খালাসের রায় স্থগিত
প্রকাশিত: ২১. জুন. ২০১৬ | মঙ্গলবার
সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্কঃ গাজীপুরের জনপ্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় ১১ আসামিকে খালাস করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় ১৪ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর আদালত স্থগিত করে বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।
আদালতে স্থগিত আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাসুদ হাসান চৌধুরী পরাগ।
এর আগে সোমবার ১১ আসামির খালাসের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।হাইকোর্টের রায়ে খালাস পাওয়া ১১ আসামি হলেন- আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল (পলাতক), লোকমান হোসেন ওরফে বুলু, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির (পলাতক), খোকন (পলাতক), দুলাল মিয়া, রাকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু, আইয়ুব আলী, জাহাঙ্গীর (পিতা মেহের আলী) ও মনির।
গত ১৫ জুন আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড ও আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। অপরদিকে ১১ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দিপু, মাহবুবুর রহমান, কানা হাফিজ, সোহাগ, শহিদুল ইসলাম শিপু।
যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আট আসামির মধ্যে রয়েছেন- মোহাম্মদ আলী, সৈয়দ আহমদ হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন আনু, বড় রতন, ছোট জাহাঙ্গীর, আব্দুস সালাম, মশিউর মিশু। অন্যদেরকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। তার সঙ্গে খুন হন ওমর ফারুক রতন নামের আরেকজন।
মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মাস্টার ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে টঙ্গী থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি গাজীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
ঘটনার পরদিন নিহতের ভাই মতিউর রহমান টঙ্গী থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে এই মামলায় ওই বছরের ১০ জুলাই ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। একই বছরের ২৮ অক্টোবর ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ৩৪ জন এবং আসামিপক্ষে দুজন সাক্ষ্য দেন।
এই মামলায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান অন্য দুজন।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬১২ বার
সর্বশেষ খবর
- সিলেটের শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
- বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের সঙ্গে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
- প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরকে স্বাগত জানিয়ে আইনজীবী ফোরামের মিছিল
- প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের মিছিল
- শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ‘শান্তি শোভাযাত্রা’
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক
এই বিভাগের আরো খবর
- প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে সিলেটবাসী প্রস্তুত : মিফতাহ্ সিদ্দিকী
- শ্রমিকনেতা আনোয়ার হোসেন উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা; অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে হবে
- ছিনতাই সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ কর : বাসদ
- ভূইফোঁড় সাংবাদিক জহিরুলের বিরুদ্ধে বড় ভাইয়ের চাঁদাবাজির মামলা, সমন জারি
- ষাট বছর বয়সি কিংবা এর ঊর্ধ্বে ব্যক্তিরা প্রবীণদের আওতাধীন, সমাজে তাদের অবস্থান সর্বাপেক্ষা উঁচুতে : মো. সারওয়ার আলম


