শিরোনামঃ-
- বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক
- বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক
- সিসিক প্রশাসককে সংবর্ধনা জানালেন ব্যবসায়ীরা
- সিলেটে জেলা প্রশাসকের সাথে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- সিসিক প্রশাসকের সাথে জেলা ও মহানগর জামায়াতের মতবিনিময়
- যে শিক্ষাঙ্গনে স্বপ্নের বীজ বপন, সেই ক্যাম্পাসেই নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন এমপি এমরান
- সিলেট মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুর রহিমকে মহানগর হর্কাস ঐক্য কল্যাণ সমবায় সমিতির সংবর্ধনা
- কর্ণেল তাহের দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাসদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এআই-বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- খোজারখলা পুকুরে শুরু উদ্ধার অভিযান
» আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে ৪০ দলকে চিঠি দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)
প্রকাশিত: ১৪. জুন. ২০১৬ | মঙ্গলবার
সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্কঃ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার তাগিদ দিয়ে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে হিসাব জমাদানের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়ে এ সপ্তাহেই এ চিঠি পাঠানো হচ্ছে। সম্প্রতি কমিশন সভায় বিষয়টি অনুমোদন দেয়ায় সোমবার চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি শেষ করেছে ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা। তবে বরাবরের মতো উচ্চ আদালতে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় দলটিকে চিঠি দেয়া হচ্ছে না। এ ছাড়া বাকি ৪০টি দলের সাধারণ সম্পাদক/মহাসচিব বরাবর চিঠি দেয়া হচ্ছে বলে ইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আইন অনুযায়ী প্রতিবছরই নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হয়।
ইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোর কোন খাত থেকে কত টাকা আয় হয়েছে, কত টাকা ব্যয় হয়েছে, বিল-ভাউচারসহ তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য কমিশনের নির্ধারিত একটি ছকে জমা দিতে হবে।
কমিশন থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাবের ফরম দেয়া হয়। রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি খাত অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট তথ্য তারিখসহ উল্লেখ করতে হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ও রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা অনুযায়ী, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের আর্থিক লেনদেনের হিসাব প্রতিটি নিবন্ধিত দলকে জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই একটি রেজিস্টার্ড চার্টার্ড অ্যাকাউন্টিং ফার্ম দ্বারা দলের হিসাব অডিট করাতে হবে।
এ হিসাবে সদস্য সংগ্রহসহ কোন খাত থেকে কত টাকা আয় হয়েছে, কত টাকা ব্যয় হয়েছে বিল-ভাউচারসহ তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য কমিশনে জমা দিতে হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ১৯৭২-এর ৯০-এইচ (১) (সি) ধারা অনুযায়ী নিবন্ধিত কোনো দল পরপর তিন বছর কমিশনে তথ্য প্রদান করতে ব্যর্থ হয় তবে সে দলের নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে।
নিবন্ধন অবৈধ থাকায় চিঠি দিচ্ছে না জামায়াতকে: আদালতের রায়ে নিবন্ধন অবৈধ ঘোষিত থাকা জামায়াতে ইসলামীকে এ চিঠি দেয়া হচ্ছে না। নির্বাচনে অংশ নিতে ২০০৮ সালে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হওয়ার পর ৩৯টি দল তালিকাভুক্ত হয়।
পরে সংশোধিত গঠনতন্ত্র দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ২০০৯ সালে ফ্রিডম পার্টি নিবন্ধন বাতিল করা হয়। দশম সংসদ নির্বাচনের আগে তিনটি দল নিবন্ধিত তালিকায় যোগ হলেও নিবন্ধন অবৈধ ঘোষিত হওয়ায় বাদ পড়ে জামায়াত।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৪২ বার
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক


