- আমরা প্লাস্টিক দূষণমুক্ত আধুনিক নগর গড়তে চাই, দেশের প্রথম প্লাস্টিক দূষণমুক্ত শহর হবে সিলেট : সিসিক প্রশাসক
- প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষার সব স্তরের শিকড় : সিসিক প্রশাসক
- সিলেট নগরীর যানজট নিরসন ও হকার সমস্যা সমাধানে প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন
- জিয়া মঞ্চের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করার লক্ষ্যে সিলেট জেলা শাখার আহ্বান
- শামসুল নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ছিলেন : কাইয়ুম চৌধুরী
- বিমানবন্দর থানা কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মতবিনিময় ও প্রার্থনা
- দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
- সিলেট চেম্বারের নির্বাচন স্থগিত ও নতুন প্রশাসক নিয়োগ, দ্রুত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবি সিলেট ব্যবসায়ী ফোরামের
- সিলেটে নানা কর্মসূচিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত
- প্রজন্মকে মেধাবীর পাশাপাশি ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : ড. মো. দিদার চৌধুরী
» আমরা প্লাস্টিক দূষণমুক্ত আধুনিক নগর গড়তে চাই, দেশের প্রথম প্লাস্টিক দূষণমুক্ত শহর হবে সিলেট : সিসিক প্রশাসক
প্রকাশিত: ২৮. সেপ্টেম্বর. ২০২৬ | সোমবার
নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটকে দেশের প্রথম প্লাস্টিক দূষণমুক্ত শহরে পরিণত করার লক্ষ্যে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনে (সিসিক) দেশের প্রথম ‘বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট’ স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সিসিককে সহযোগিতা করবে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ।
সোমবার নগরীর একটি হোটেলে ‘জিওসাইকেল সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘এ রোডম্যাপ টু বিকাম এ প্লাস্টিক পল্যুশন ফ্রি সিটি’ শীর্ষক সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “আমরা প্লাস্টিক দূষণমুক্ত একটি আধুনিক নগর গড়ে তুলতে চাই।
সিলেটকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীতে পরিণত করতে স্থানীয় সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক অংশগ্রহণ এবং বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধানের কার্যকর বাস্তবায়ন প্রয়োজন।”
সিসিক প্রশাসক বলেন, নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
তারপরও সিসিক এ ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর গড়ে তুলতে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে।
যত্রতত্র প্লাস্টিক ও বর্জ্য না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, কৌশলগত অংশীদারত্ব, আধুনিক অবকাঠামো এবং জনসচেতনতার সমন্বয়ের মাধ্যমে সিলেটকে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সিটি কর্পোরেশন।
সেমিনারের শুরুতে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখা ‘জিওসাইকেল’-এর কার্যক্রম নিয়ে অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রদর্শন করা হয়।
পরে সিলেট নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নিয়ে উপস্থাপনা করেন, সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন।
জিওসাইকেলের পৌর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তুলে ধরেন হেড অব জিওসাইকেল লতিফুর রহমান।
সেমিনারে নগরীর লালমাটিয়া ডাম্পিং গ্রাউন্ডে অবস্থিত মেটেরিয়াল রিকভারি ফ্যাসিলিটি (এমআরএফ)-এর অগ্রগতি ও কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা করা হয়।
২০২৪ সালে সিসিক ও লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত এ প্ল্যান্টে নগরীর বর্জ্য থেকে প্লাস্টিক ও অন্যান্য অপচনশীল উপাদান পৃথক করা হচ্ছে।
পৃথক করা প্লাস্টিক নিরাপদ কো-প্রসেসিংয়ের জন্য লাফার্জহোলসিমের ছাতকস্থ জিওসাইকেল প্ল্যান্টে পাঠানো হয়।
এমআরএফের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় সিসিক ও লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ বায়োড্রায়িং প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে।
সেমিনারে জানানো হয়, বায়োড্রায়িং প্রযুক্তিতে অণুজীবের প্রাকৃতিক বিপাকীয় তাপ ও নিয়ন্ত্রিত বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করে বর্জ্যের অতিরিক্ত আর্দ্রতা কমানো হয়।
এতে বর্জ্যকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার সুযোগ তৈরি হয়।
সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, নগরায়নের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান প্রয়োজন।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিলেটকে দেশের একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে সিসিক কাজ করছে। এমআরএফ আধুনিকায়নের মাধ্যমে নগরীকে প্লাস্টিক দূষণমুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী বলেন, জিওসাইকেলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি টেকসই উন্নয়ন ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে কাজ করছে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য ল্যান্ডফিল ও নদীতে পড়া থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি নিরাপদ কো-প্রসেসিংয়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
সেমিনারে মূল আলোচক হিসেবে আরও বক্তব্য দেন, উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক সামা হক চৌধুরী, পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর সিলেটের উপমহাপরিদর্শক শিপন চৌধুরী এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের প্রধান ড. মো. সালাতুল ইসলাম মজুমদার।
সেমিনারে সিসিক, পরিবেশ অধিদপ্তর সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, পরিবেশবিদ, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী ও তরুণ সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৯ বার
সর্বশেষ খবর
- আমরা প্লাস্টিক দূষণমুক্ত আধুনিক নগর গড়তে চাই, দেশের প্রথম প্লাস্টিক দূষণমুক্ত শহর হবে সিলেট : সিসিক প্রশাসক
- প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষার সব স্তরের শিকড় : সিসিক প্রশাসক
- সিলেট নগরীর যানজট নিরসন ও হকার সমস্যা সমাধানে প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন
- জিয়া মঞ্চের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করার লক্ষ্যে সিলেট জেলা শাখার আহ্বান
- শামসুল নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ছিলেন : কাইয়ুম চৌধুরী
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক
এই বিভাগের আরো খবর
- আমরা প্লাস্টিক দূষণমুক্ত আধুনিক নগর গড়তে চাই, দেশের প্রথম প্লাস্টিক দূষণমুক্ত শহর হবে সিলেট : সিসিক প্রশাসক
- প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষার সব স্তরের শিকড় : সিসিক প্রশাসক
- সিলেট নগরীর যানজট নিরসন ও হকার সমস্যা সমাধানে প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন
- জিয়া মঞ্চের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করার লক্ষ্যে সিলেট জেলা শাখার আহ্বান
- শামসুল নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ছিলেন : কাইয়ুম চৌধুরী


