শিরোনামঃ-

» সিলেটে রাজনৈতিক কর্মী সেলিমের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ০৯. মে. ২০২৬ | শনিবার

Manual4 Ad Code

ষড়যন্ত্রমূলক অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেটে চাঁদাবাজ চক্রের প্রতিবাদ করায় এক রাজনৈতিক কর্মীকে পরিকল্পিতভাবে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৯ মে) জিন্দাবাজারস্থ বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিএমজেএ) সিলেট বিভাগীয় কমিটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে উত্তর পীর মহল্লার বাসিন্দা ও রাজনৈতিক কর্মী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া এই অভিযোগ করেন।

Manual5 Ad Code

তিনি দাবি করেন, একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্র পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করতে এই সাজানো নাটক সাজিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সেলিম মিয়া জানান, গত ২৫ এপ্রিল পীর মহল্লা এলাকার বাসিন্দা মোছা. তাহেরা আক্তার জনৈক নাছির উদ্দিন রহিম এবং তার সহযোগী এনামুল হক সোহেল, জনি বক্স ও রনি বক্সের বিরুদ্ধে এয়ারপোর্ট থানায় চাঁদাবাজির লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, রহিম নিজেকে রাজনৈতিক নেতা পরিচয় দিয়ে তাহেরা আক্তারের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে মাসিক ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন এবং চাঁদা না দেওয়ায় তার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়।

সেলিম মিয়া বলেন, “তাহেরা আক্তারের ছেলে আমার রাজনৈতিক সহকর্মী হওয়ায় আমি এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করি এবং তাদের আইনি সহায়তার চেষ্টা করি। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে নাছির উদ্দিন রহিম ও তার চক্র আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে।”

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গত ২৭ এপ্রিল হাসান আহমদ নামে এক তরুণকে কথিত অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায় সেলিম মিয়া ও তাহেরা আক্তারের ছেলে রাফিকে পলাতক আসামি করা হয়েছে। সেলিম মিয়ার দাবি, এটি সম্পূর্ণ সাজানো।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, কথিত অস্ত্র উদ্ধারের সময় চাঁদাবাজি মামলার আসামি জনি বক্স ওই তরুণকে জেরা করছেন।

পুলিশ দাবি করছে এলাকাবাসী হাসানকে ধরেছে, কিন্তু মামলায় কোনো স্থানীয় ব্যক্তি বাদী না হয়ে পুলিশ কেন বাদী হলো? রহস্যজনকভাবে সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে হওয়া প্রতিটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এসআই বিধান কুমারকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সেলিম মিয়া নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, “চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় আজ আমাকে ঘরছাড়া করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

Manual2 Ad Code

তিনি সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

বিশেষ করে এসআই বিধান কুমার এবং নাছির উদ্দিন রহিম চক্রের মধ্যকার কোনো যোগসাজশ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানান তিনি।

Manual2 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং মিথ্যা মামলা থেকে নিষ্কৃতি পেতে গণমাধ্যম ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

Manual8 Ad Code

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৫ বার

Share Button

Callender

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031