শিরোনামঃ-

» নীলফামারীতে যৌথবাহিনীর গুলিতে গার্মেন্টস শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে সিলেটে ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশিত: ০৫. সেপ্টেম্বর. ২০২৫ | শুক্রবার

Manual4 Ad Code

নিউজ ডেস্খঃ

নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক শ্রমিক হত্যার ঘটনায় সিলেটে ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টার সময় সিলেট জজ কোর্টের সামনে থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুণরায় কোর্ট প্রাঙ্গনে এসে  সমাপ্ত হয়।
কোর্ট প্রাঙ্গণে মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সরকার।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. ছাদেক মিয়ার পরিচালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম ছদরুল, সিলেট জেলা কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী পটু, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) সিলেট জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক আবুল ফজল, সিলেট জেলা স’মিল শ্রমিক সংঘের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা কমিটির আহবায়ক শুভ আজাদ শান্ত, চা-শ্রমিক সংঘ সিলেট জেলা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম সহ প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, নীলফামারি উত্তরা ইপিজেডের এভারগ্রিন লিমিটেডের শ্রমিকরা ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের পুর্ণবহাল, শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ, উৎপাদন টার্গেট কমানো, ওভারটাইমের মজুরি পরিশোধ সহ ২০ দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও কর্মবিরতি পালন করছিলেন।
পরবর্তীতে তাদের সাথে ইপিজেডের অন্যান্য কারখানার শ্রমিকরাও যোগ দেন। এ পরিস্থিতিতে মালিক ও প্রশাসন কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে হঠাৎ করে মালিকপক্ষ মজুরি পরিশোধ না করে কারখানা বন্ধ করে দেয়।
গত ২ সেপ্টেম্বর শ্রমিকরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করলে  যৌথবাহিনী গুলি চালিয়ে হাবিব নামে এক শ্রমিককে হত্যা করে এবং অনেক শ্রমিককের হতাহতের ঘটনা ঘটে।
বক্তারা বলেন, বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগ সরকারের মতই ক্ষমতাসীন অন্তবর্তী সরকারও স্বৈরতান্ত্রিক পন্থায় ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্রীয় পেটুয়া বাহিনী দিয়ে শ্রমিক হত্যার ঘটনা সংগঠিত করছে। ব্যবসা মন্দার অজুহাত দেখিয়ে মালিকরা শ্রমিকরা বকেয়া পাওনাদি পরিশোধ না করে বেআইনিভাবে কারখানা বন্ধ করেন।
শ্রমিকরা তাদের কষ্টার্জিত শ্রমের মূল্য চেয়ে আন্দোলনে নামলে গুলি খেয়ে মৃত্যুবরণ করতে হয়।
বক্তারা অবিলম্বে শ্রমিক হত্যার সাথে যুক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের চিহ্নিত করে বিচার ও শাস্তির নিশ্চয়তা এবং নিহত শ্রমিকের পরিবারকে একজীবন আয়ের সমপরিমান ক্ষতিপূরণ এবং আহত শ্রমিকদের উপযুক্ত সুচিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ প্রদানসহ সকল বন্ধ কলকারাখানা চালু ও শ্রমিকদের সমুদয় বকেয়া প্রদানের দাবি জানান।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৪৬১ বার

Share Button

Callender

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930