শিরোনামঃ-

» এমসি কলেজের ধর্ষকদের দ্রুতবিচার ট্রাইবুনালে বিচার ও মদদদাতাদের গ্রেফতারের দাবি

প্রকাশিত: ০৩. অক্টোবর. ২০২০ | শনিবার

স্টাফ রিপোর্টারঃ

এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ট্রাইবুনালে ধর্ষকদের বিচার, ধর্ষকদের প্রশ্রয়দাতাদের গ্রেফতার এবং ক্যাম্পাসের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের উদ্যোগে এমসি কলেজ অভিমুখে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু করে নগরীর জিন্দাবাজার, জেলরোড, শিবগঞ্জ, টিলাঘর হয়ে এমসি কলেজেরর সম্মুখে সমাবেশে মিলিত হয়। পথ পথে বিভিন্ন পয়েন্টে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গতিশীল ছাত্রজোট পদযাত্রা নিয়ে দুপুর সাড়ে বারটায় এমসি কলেজের মেইন গেইটে সমাবেশ করেন।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক সঞ্জয় শর্মার সভাপতিত্বে ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সিলেট নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদিয়া নোশিন তাসনিমের পরিচালনায় এমসি কলেজের সম্মুখে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সিলেট নগর শাখার সভাপতি সঞ্জয় কান্ত দাস, ছাত্র ইউনিয়ান সিলেট জেলার সভাপতি সরোজ কান্তি, সাধারণ সম্পাদক নাবিল হোসেন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী ঢাবি সংসদের সংগঠক জাবির হোসেন, ছাত্র ইউনিয়ন সিলেট জেলার সহসম্পাদক মনীষা ওয়াহিদ, ছাত্র ফ্রন্ট সিলেট নগরের প্রচার সম্পাদক নিশাত কর সানী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণী গণধর্ষণের ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছি। ঐতিহ্যবাহী ক্যাম্পাসের মতো স্থানে এই ধরণের ঘটনা গোটা জাতিকে স্তম্ভিত করেছে। এই গণধর্ষণের ঘটনায় সারাদেশের মতো আমরাও মর্মাহত। কলেজ প্রশাসনের দায়হীন মন্তব্যেও আমরা ক্ষুব্ধ। দীর্ঘদিন থেকেই এম সি কলেজে ক্যাস্পাসে ও ছাত্রাবাসে ক্ষমতাসীদের ছত্র ছায়ায় দখলদারিত্ব চলছে।এসব বিষয়ে কলেজ প্রশাসনও দায় এড়াতে পারে না।বিগত সময়ের দিকে তাকলেও আমরা দেখতে পাই যে এম সি কলেজে দলীয় কোন্দলে বহুসংখ্যক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে,ছাত্রাবাস পুড়নোর ,খদিজাকে কুপিয়ে আহত করা ইত্যাদি ঘটনায় যুক্ত থাকার ব্যপারে যাদের নাম এসেছে,তাঁরা প্রায় প্রত্যেকেই বাংলাদেশ ছাত্র লীগের রাজনীতির সাথে ছিলেন। কিন্তু কোন ঘটনারই সুষ্ঠু বিচার হয় নি।এসব কোনো ঘটনার বিচার না হওয়াই এসব সন্ত্রাসীদের গণধর্ষণের মত পৈশাচিক ঘটনা ঘটানোর সাহস যুগিয়েছে বলে আমরা মনে করি।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করলেও তাদেরকে বিচার কিংবা শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। তাই এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের সঙ্গে জড়িতদের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে হবে। এছাড়া এসব সন্ত্রাসীদের মদদদাতাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।

এ সময় তারা কলেজ প্রশাসনের সমালোচনা করে বলেন, কলেজ বন্ধ থাকার পরেও কেন ছাত্রাবাস খোলা থাকবে? এ ঘটনার মধ্য দিয়ে ছাত্রাবাসে ঘটা নানা অপকর্মের কথা বের হয়ে এসেছে। অধ্যক্ষ, হোস্টেল সুপাররা কি এসব জানতেন না? তাই এ ঘটনার দায় কলেজ প্রশাসন এড়াতে পারেন না। আমরা কলেজের অধ্যক্ষ ও হোস্টেল সুপারের পদত্যাগের দাবি জানাই।

সমাবেশ থেকে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর’২০ সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫০ বার

Share Button

Callender

October 2020
M T W T F S S
« Sep    
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031