শিরোনামঃ-

» আজাদ কাপের ফাইনালে ফুটবল উন্মাদনা দেখলো সিলেট

প্রকাশিত: ০৯. মার্চ. ২০২০ | সোমবার

স্পোর্টস নিউজঃ
পর্দা নামলো ‘কাউন্সিলর আজাদ কাপ ৩য় ফুটসাল টুর্নামেন্ট’র। দীর্ঘ দুইমাস চারদিন পর গত শনিবার রাতে টিলাগড়ে অনুষ্ঠিত হয় টুর্নামেন্টের জমকালো ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। ফাইনাল খেলা দেখতে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে আসেন হাজার হাজার দর্শক আসেন টিলাগড় পয়েন্ট সংলগ্ন মাঠে। রাত ৯টায় ফাইনাল খেলা শুরু হলেও বিকেল ৩টা থেকে দর্শকরা আসতে থাকেন মাঠে। সন্ধ্যার পর থেকে তিল ধারণেরও কোন ঠাঁই ছিল না মাঠের চারপাশে। টুর্নামেন্ট ঘিরে ফুটবলপ্রেমী দর্শকদের এই উন্মাদনা মুগ্ধ করেছে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন সহ অন্যান্য অতিথিদের। ফাইনালে কল্যানপুর সমাজ কল্যান সংস্থাকে ৪-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান হয় বাঘা ফাইটার্স গোলাপগঞ্জ। এবার আজাদ কাপ টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছিল ৫১২টি দল।

ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, সিলেটে খেলাধুলার জন্য মাঠ নেই। আগে যেসব স্থানে মাঠ ছিল এখন সেসব স্থানে বাসা-বাড়ি হয়ে গেছে। মাঠ না থাকায় শহরের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলার সুযোগ পায় না। ফলে এখন জাতীয় দলে যারা খেলছেন তাদের বেশিরভাগই দেখা যায় গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন। শহরের ভেতর কয়েকটি মাঠ করার জন্য চিন্তাভাবনা চলছে। শাহীঈদগাহর কালাপাথর মাঠ কিভাবে খেলাধুলার কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

সিলেট শহরের বাইরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক ট্রেড সেন্টার নির্মাণের আগ্রহ ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ট্রেড সেন্টার হলে সারাবছর সেখানে নানারকম মেলার আয়োজন করা যাবে। এতে খেলার মাঠে মেলা আয়োজনও বন্ধ হবে। এছাড়া দক্ষিণ সুরমা এলাকায় একসাথে কয়েকটি খেলার মাঠ করা গেলে মাঠ সংকট দূর হবে বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

টুর্নামেন্টের প্রবর্তক কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, আজাদের মতো খেলাধুলায় সবাই এগিয়ে আসলে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন আরও সমৃদ্ধ হতো। খেলাধুলার অনেক সংকট কেটে যেত। মন্ত্রী আজাদ কাপে তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এক লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ছমর উদ্দিন মানিকের সভাপতিত্বে এবং চ্যানেল এস’র সিলেট ব্যুরো প্রধান মঈন উদ্দিন মনজু ও অধ্যাপক লাহিন উদ্দিনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- টুর্নামেন্টের প্রবর্তক কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, রূপালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আহমদ আল কবীর, সিলেট মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার সোহেল রেজা পিপিএম, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সহধর্মিনী সেলিনা মোমেন, বাফুফের কার্যনির্বাহী সদস্য ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম, মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার জেদান আল মুসা, শাহপরাণ থানার সহকারি কমিশনার মাইনুল আফসার, টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষক ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আতাউল্লাহ সাকের, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকরামুল কবীর, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ্ দিদার আলম নবেল, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস চৌধুরী রুহেল, দৈনিক সিলেটের ডাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার এ কে এম ফজলুর রহমান, সিলেট জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, শাহপরাণ থানার ওসি আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী, যুক্তরাজ্যের লেবারপার্টির কাউন্সিলর নাজমা রহমান স্বপ্না, সিসিক কাউন্সিলর আবদুর রকিব তুহিন, ছয়ফুল আমিন বাকের, এসএম শওকত আমিত তৌহিদ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হেলেন আহমদ, টিলাগড় পঞ্চায়েত কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ মকসুদ আলী, টিলাগড় ক্লাবের সাবেক সভাপতি সারোয়ার আহমদ, সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কবীর খান, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মামুন আহমদ, দি এইডেড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. শমশের আলী, রসময় মেমোরিয়াল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল আলম, রাজা জিসি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল মোমিত প্রমুখ।

ফাইনাল খেলায় রেফারিংয়ে দায়িত্বে ছিলেন আক্কাস উদ্দিন আক্কাই, শামীম আহমদ ও গিয়াস উদ্দিন। ধারাভাষ্যে ছিলেন কামরান আহমদ, শামসুল ইসলাম শিপু, মুনিম মল্লিক মুন্না ও আবদুর রাজ্জাক।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭২ বার

Share Button

Callender

June 2020
M T W T F S S
« May    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930