শিরোনামঃ-

» বালাগঞ্জে ১৪৪ ধারা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ; এলাকায় উত্তেজনা

প্রকাশিত: ১০. নভেম্বর. ২০১৯ | রবিবার

বালাগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বালাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়নের মুসলিমাবাদ এলাকায় চৌধুরী বাজারে একটি পক্ষ ১৪৪ ধারা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থাপনা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দু’টি পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছেন। এনিয়ে যেকোন সময় রক্তারক্তির আশঙ্কা রয়েছে।

রবিবার (১০ নভেম্বর) বালাগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

বিরোধপূর্ণ ভুমি নিয়ে উপজেলার মুসলিমাদ গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে সুহেল উদ্দিন বাদি হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। বালাগঞ্জ বিবিধ মোকদ্দমা নং-১৭/১৯।

মামলায় একই গ্রামের আলা উদ্দিন বেগের ছেলে সিরাজ উদ্দিন বেগকে বিবাদি করা হয়। মামলা দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ অক্টোবর সংশ্লিষ্ঠ আদালত বিরোধপূর্ণ ওই ভুমিতে ফৌজদারী কার্য বিধি মোতাবেক ১৪৪ ধারা জারি করেন। যার প্রসেস নং-১৬১৯। আদালতের আদেশক্রমে বালাগঞ্জ থানার এসআই মোহাম্মদ বদিউজ্জামান স্বাক্ষরিত ২৯ অক্টোবর বাদি ও বিবাদি পক্ষ নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে- কায়স্থঘাট মৌজার অন্তর্ভুক্ত জেএল নং- ২৩৭, খতিয়ান নং- ১৫০০, দাগ নং- ৭৩১৭ চারা রকম ১৩ শতক, দাগ নং- ৭৩১৮ চারা রকম ৭ শতক, দাগ নং- ৭৩১৯ চারা রকম ৫ শতক, দাগ নং- ৭৩২০ দোকান রকম ২৫ শতকসহ মোট ৫০ শতক ভুমি মামলায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে মামলা নিষ্পত্তির না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ এই ভুমিতে অনুপবেশ, হস্তক্ষেপ ও কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে। বৈধ কাগজপত্রসহ উভয় পক্ষ ২ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশে নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকার পরও ১০ নভেম্বর সকালে সিরাজ উদ্দিন বেগ ওই ভুমির উপর নির্মিত মার্কেটের ২য় তলায় স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

মামলার বাদি সুহেল উদ্দিন বলেন- আদালতে মামলা দায়েরের পর বিজ্ঞ আদালত এই ভুমিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। সিরাজ বেগ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তার লোকজনকে নিয়ে মার্কেটের দু’তলায় নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাই আমি আইনী প্রক্রিয়া গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে সিরাজ উদ্দিন বেগের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে তিনি কথা বলতে চাননি।

বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী আতাউর রহমান বলেন- ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়েছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৫৪ বার

Share Button

Callender

December 2019
M T W T F S S
« Nov    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031