শিরোনামঃ-

» জঙ্গিরা এখন কোণঠাসা

প্রকাশিত: ০১. জুলাই. ২০১৭ | শনিবার

Manual3 Ad Code

সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্কঃ রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পরই দেশে জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রম আমূল বদলে যায়। এক বছর আগে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ওই জঙ্গি হামলার পর নড়েচড়ে বসে সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দেশজুড়ে জঙ্গিবিরোধী অনেকগুলো অভিযান চালিয়ে তাদের নেটওয়ার্ক তছনছ করে দেয় তারা।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক তত্পরতার পাশাপাশি তাদের সচেতনতামূলক প্রচারে সাধারণ মানুষও সতর্ক হয়। কোণঠাসা হয়ে পড়ে জঙ্গিরা।

Manual1 Ad Code

পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, হলি আর্টিজানের ঘটনায় একের পর এক অভিযানে শীর্ষ জঙ্গিরা নিহত হয়েছে, ধরা পড়েছে অনেকে। তা ছাড়া ওই হামলার পর দেশে জঙ্গিবিরোধী সচেতনতা তৈরি হয়েছে।

জঙ্গিরা এখন আর সহজে বাসা ভাড়া নিয়ে আস্তানা গড়তে পারছে না। শনাক্ত হয়ে যাচ্ছে পরিবার ছেড়ে জঙ্গিদলে যোগ দেওয়া তরুণরা। সন্দেহজনক কিছু দেখলেই পুলিশ ও র‌্যাবকে মোবাইল ফোনের অ্যাপসে বা ফোন করে খবর দিচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন স্থানে গঠন করা হয়েছে জঙ্গিবিরোধী কমিটি। এ কারণে জঙ্গিরা এখন কোণঠাসা হয়ে পড়েছে।

Manual8 Ad Code

kalerkantho_com-01-07-17-62পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গত এক বছরে ২৪টি আস্তানায় সফল অভিযানে ৫৬ জন সহ ৭০ জঙ্গি নিহত হয়েছে। জনসচেতনতা এবং সমন্বিত কার্যক্রমের কারণে এক বছরের মধ্যেই হলি আর্টিজান হামলার নেপথ্যের পুরো ঘটনা উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সফলতায় সন্তুষ্টিতে না ভুগে জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। কারণ দেশে জঙ্গিদের অপতত্পরতা এখনো আছে। সাময়িক হয়তো সীমিত হয়েছে।

Manual2 Ad Code

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদ সাংবাদিককে বলেন, ‘এখন দেশে জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রম চলছে জনগণের প্রত্যক্ষ সমর্থনে। মানুষ এখন প্রশাসনকে সহায়তা করছে। সঠিক সময় সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজটি করতে পেরেছে।

Manual1 Ad Code

এ কারণেই সাফল্য আসছে। তবে এটি ধরে রাখতে হবে। কারণ এখানে সালাফিস্ট গোষ্ঠী সক্রিয়, তা দেখা গেছে।’ তিনি বলেন, ‘গুলশান হামলার পর মানুষ স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল। ভয় ছিল। সে ভয় জয় করে মানুষ শোককে এক নতুন শক্তিতে রূপান্তরিত করেছে।’

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি হয়েছে।

অভিযানে অপারেশনাল জঙ্গিরা নির্মূল হচ্ছে। তবে এদের পেছনে কারা আছে তাও বের করা উচিত। সব কাজই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে করলে তা সফল হয়—এরই প্রমাণ জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রম।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫০৯ বার

Share Button