- ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী
- সিলেটে অপরাধ দমনে কঠোর নির্দেশনা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- জিন্দাবাজারে পানি নিষ্কাশনের নালায় ময়লা-আবর্জনা ও পয়োবর্জ্য ফেলার অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা
- ভয়াল ২৮ অক্টোবর; রক্তাক্ত কোর্টপয়েন্ট জামায়াতের বিক্ষোভ আগামীকাল
- জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে সুমন ও সুইট প্রেরণার উৎস : বাসদ
- তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে যুবদল : মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
- চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে সিলেট এনডিএফের সমাবেশ
- সিলেট সোসাইটির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা
- সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা দলের পলাশের পদ অব্যাহতি
- সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল স্পিকার মুস্তাক আহমদের সাক্ষাৎ
» পাহাড়ে মৃত্যুর মিছিলে সংখ্যা বেড়ে ১৪৪; ফের উদ্ধার অভিযান শুরু
প্রকাশিত: ১৪. জুন. ২০১৭ | বুধবার
সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্কঃ টানা প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম বিভাগের তিন জেলায় পাহাড় ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। আজ উদ্ধার করা হয়েছে ১১টি লাশ। আরো বহু আহত এবং নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজে আবারো উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে বুধবার (১৪ জুন) সকাল থেকে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৩ জুন) রাতে দুযোর্গপূর্ণ আবহাওয়া ও আলো স্বল্পতার কারণে উদ্ধার কাজ স্থগিত রাখা হয়।
জানা যায়- বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে গত রবিবার থেকেই ভারী বৃষ্টির শুরু হয়। সোমবার রাত থেকে এই তিন জেলার বিভিন্ন পাহাড়ে ধস নামে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা বৃষ্টির মধ্যেই মঙ্গলবার ভোর থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
এদিকে পাহাড়ি ঢলে মঙ্গলবার থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দেখা দেয় ভয়াবহ বিপর্যয়।
এর মধ্যে রাঙামাটিতে ১০০ জন, চট্টগ্রামে ২৭ জন ও বান্দরবানে ৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সব জায়গায় মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে রাঙামাটিতে। সেখানে সর্বশেষ ১০০ জন নিহত হবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটির পুলিশ সুপার। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে। এ ছাড়া নিহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর চার জন সদস্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাঙামাটির পুলিশ সুপার। তারা মানিকছড়ি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।
এদিকে তিন জেলায় এই হতাহত এবং নিখোঁজের ঘটনায় স্বজন হারানো মানুষের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। স্বজনদের আর্তনাতে অন্যরকম বেদনাবিদুর দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে।
ঢাকায় আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআর জানায়- রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসের উদ্ধার কার্যক্রম চালানোর সময় মঙ্গলবার দুজন সেনা কর্মকর্তাসহ চারজন সেনাসদস্য নিহত হন।
রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে একটি পাহাড় ধসে মাটি ও গাছ পড়ে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে রাঙ্গামাটি জোন সদরের নির্দেশে মানিকছড়ি আর্মি ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল ওই সড়কে চলাচল স্বাভাবিক করতে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। উদ্ধার কার্যক্রম চলাকালীন আনুমানিক বেলা ১১টায় উদ্ধার কাজের সংলগ্ন পাহাড়ের একটি বড় অংশ উদ্ধারকারীদলের সদস্যদের ওপর হঠাৎ ধসে পড়ল তারা মূল সড়ক থেকে ৩০ ফুট নিচে পড়ে যান।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে একই ক্যাম্প থেকে আরো একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজন সেনা কর্মকর্তাসহ চার জন সেনাসদস্যের লাশ এবং ১০ জন সেনাসদস্যকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক মঙ্গলবার বিকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং উদ্ধার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি হতাহত সকল সেনাসদস্য ও তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
আইএসপিআর আরো জানায়- গত তিন দিনের প্রবল বর্ষণের ফলে সোমবার থেকেই পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস শুরু হয়। এতে করে পাহাড়ি এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং পাহাড় ধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য বিভিন্ন সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা সোমবার থেকেই উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
আহত সেনা সদস্যদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়।
অন্যদিকে উদ্ধার কার্যক্রম চালানোর সময় ভূমিধসে সেনা সদস্য সৈনিক মো. আজিজুর রহমান এখনো পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন বলে আইএসপিআর জানিয়েছে।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার জানিয়েছেন- সেখানে মঙ্গলবারও প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
ফলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে পায়ে হেঁটে বিভিন্ন এলাকায় যেতে হচ্ছে। পরিস্থিতি সস্পর্কে পরিষ্কার চিত্র পেতে আরো অপেক্ষা করতে হবে।
বান্দরবানের পুলিশ সুপার সঞ্চিত কুমার বলেন- প্রবল বর্ষণে ভূমি ধসের সাথে গাছপালা ভেঙ্গে পড়েছে।
জেলার অধিকাংশ জায়গায় কোনো বিদ্যুৎ নেই। উদ্ধারকাজের জন্য বিভিন্ন জায়গায় সেনাবাহিনীর সদস্যরাও যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সঞ্চিত কুমার।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন- রবিবার এবং সোমবার টানা ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন জায়গায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। ফলে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী অনেক বাড়ি মাটি চাপা পড়েছে।
তবে চট্টগ্রামে পাহাড় ধসের ঘটনা নতুন নয়। ২০১২ সালের জুন মাসের অন্য একটি পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে যাতে প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৫২ বার
সর্বশেষ খবর
- ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী
- সিলেটে অপরাধ দমনে কঠোর নির্দেশনা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- জিন্দাবাজারে পানি নিষ্কাশনের নালায় ময়লা-আবর্জনা ও পয়োবর্জ্য ফেলার অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা
- ভয়াল ২৮ অক্টোবর; রক্তাক্ত কোর্টপয়েন্ট জামায়াতের বিক্ষোভ আগামীকাল
- জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে সুমন ও সুইট প্রেরণার উৎস : বাসদ
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক


