শিরোনামঃ-

» ফুটপাত নয়, নিজের ফ্ল্যাটেই উঠছেন ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদ

প্রকাশিত: ০৮. জুন. ২০১৭ | বৃহস্পতিবার

Manual4 Ad Code

সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্কঃ তিন দশকের আবাস বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পর অভিমান করে মওদুদ আহমদ বলেছিলেন- তিনি রাতে ফুটপাতে থাকবেন। তবে এই বক্তব্যের কিছুক্ষণ পরই জানা যায়- গুলশানেই একটি ফ্ল্যাটে উঠছেন তিনি। এই ফ্ল্যাটটির মালিক মওদুদ নিজেই বলে জানা গেছে।

বুধবার (৭ জুন) দুপুরে গুলশান-২ এর ১৫৯ নম্বর বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয় মওদুদকে। তার বাড়ির মালামাল ট্রাকে তোলার পর রাজউকের ম্যাজিস্ট্রেট অলিউর রহমান জানিয়েছিলেন, মওদুদ যেখানে বলবেন সেখানেই মালামাল নিয়ে যাবেন তারা।

এই বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পর কোথায় উঠবেন সাংবাদিকরা জানতে চাইলে অভিমান করে মওদুদ বলেন- ‘কি আর করবো? রাতে ফুটপাতে শুয়ে থাকবো।’

Manual8 Ad Code

তবে কিছুক্ষণ পর গুলশান-২ এর ৫১ নম্বর সড়কের ২ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে মালামাল নিয়ে যেতে দেখা যায়। রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অলিউর রহমান জানান, এই বাড়িতেই উঠছেন মওদুদ।

Manual5 Ad Code

রাজউকের কর্মীরা জানান, ‘কনকর্ড প্যানারোমা’ নামে ৬ তলা ভবনের পঞ্চম তলায় মওদুদ আহমেদের মালামাল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বাড়ির পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটের মালিক মওদুদ। তবে তিনি ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন না। তবে ১৫৯ নম্বর বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়ার পর এখন ওই ফ্ল্যাটেই উঠছেন তিনি।

indexতবে এসব বিষয়ে একটি কথাও বের করা যায়নি মওদুদ আহমদের কাছ থেকে। বারবার জিজ্ঞেস করা হলেও তিনি এড়িয়ে গেছেন সব প্রশ্ন।

Manual2 Ad Code

মওদুদ যে বাড়িটিতে ৮০ দশক থেকে থাকতেন, সেটির মালিকানা অবৈধ ঘোষণা করেচ্ছে উচ্চ আদালত।

গত ৪ জুন আপিল বিভাগ মওদুদের রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেয়। আর ৩ দিনের মাথায় বুধবার উচ্ছেদ অভিযান চালায় রাজউক।

বাড়িটির প্রকৃত মালিক ছিলেন পাকিস্তানি নাগরিক মো. এহসান। ১৯৬০ সালে তৎকালীন ডিআইটির কাছ থেকে এই বাড়ির মালিকানা এহসান পান। ১৯৬৫ সালে বাড়ির মালিকানার কাগজপত্র এহসানের স্ত্রী অস্ট্রিয়ার নাগরিক ইনজে মারিয়া প্লাজের নামে নিবন্ধন করা হয়।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এহসান স্ত্রীসহ ঢাকা ত্যাগ করেন। তারা আর ফিরে না আসায় ১৯৭২ সালে এটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হয়।

Manual2 Ad Code

ওই বছরই মওদুদ ওই বাড়ির দখল নেন। এরপর ১৯৭৩ সালের ২ অগাস্ট তারিখে মওদুদ ইনজে মারিয়া প্লাজের নামে একটি ‘ভুয়া’ আমমোক্তারনামা তৈরি করান এবং নিজেকে তার ভাড়াটিয়া হিসেবে দেখিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করতে থাকেন।

দুদকের মামলায় বলা হয়, জিয়া সরকারের উপ প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে মওদুদ প্রভাব খাটিয়ে বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করেন। এর ধারাবাহিকতায় ১০০ টাকা মূল্য দেখিয়ে ১৯৮০ সালে প্লটটি তিনি বরাদ্দ নেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৭৫ বার

Share Button

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031