- আগামীকাল সিলেট সফরে আসছেন মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
- ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টার ও হাজী নওয়াব আলী সবজি মার্কেটের যৌথ ‘সাল পরবর্তী আলোচনা সভা’
- বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে কানাডার হাইকমিশনারের বৈঠক
- সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী
- কবি শেরাম নিরঞ্জনের মাতা আর নেই
- সিটি মডেল স্কুলে শিক্ষক ও অভিভাবক সমাবেশ
- বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের উদ্যোগে সংবর্ধনা
- ৫৫ বছর আশ্বাসে আটকে থাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এমপি এমরান চৌধুরীর
- সিলেটে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস পালিত
- রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আটকে পড়া বড়চক বিদ্যালয় জাতীয়করণ সময়ের দাবি
» ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি ত্বককে দ্বিগুণ ফর্সা করে বিজ্ঞাপনের সত্যতা প্রমাণের নির্দেশ
প্রকাশিত: ২১. অক্টোবর. ২০১৬ | শুক্রবার
২০১৪ সালের অক্টোবর থেকে মার্চ ২০১৫ সাল পর্যন্ত ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি ‘৫ কোটি টাকার চ্যালেঞ্জ চ্যালেঞ্জ’ ক্যাম্পেইনের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় বলে দাবি করছে ইউনিলিভার।
বিজ্ঞাপনে দাবি করা হয় দুবাই, সিঙ্গাপুর আর জাপানের কিছু বিখ্যাত ক্রিমকে হারিয়ে ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি প্রথম হয়েছে।
বিজ্ঞাপনে বলা হয়, দুবাই, সিঙ্গাপুর ও জাপানের বিখ্যাত সব ক্রিমকে হারিয়ে ‘আনবিটাবল’ ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি। এই ক্রিম ত্বককে দ্বিগুণ ফর্সা করে বলেও দাবি করা হয় বিজ্ঞাপনে।
বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিচালক তার অভিযোগে বলছেন, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির বিজ্ঞাপনে প্রচারিত তথ্যগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তার যথার্থতা যাচাই করা প্রয়োজন, যাতে জনগণ প্রতারিত হতে না পারে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদক প্রতিষ্ঠানকে তার পণ্যের বিজ্ঞাপনে প্রচারিত তথ্যের সপক্ষে প্রমাণ দিতে বলা যেতে পারে।
এই দাবি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হলে সেটি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য বলেও মনে করেন এই সরকারি কর্মকর্তা।
শুনানিতে অভিযোগকারী মাহবুব কবীর এবং ইউনিলিভারের ৩ জন আইনজীবি অংশ নেন। শুনানি গ্রহণ করেন ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল মজিদ।
অভিযোগকারী সরকারি কর্মকর্তা মাহবুব কবীর বলেন, ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি কীভাবে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ করে চ্যাম্পিয়ান হল, সেই চ্যাম্পিয়ান অনুষ্ঠানে বিচারক কারা ছিল, এটা কী ইনডোর প্রোগ্রাম ছিল নাকি আউট ডোর, বিশ্বকে তারা কীভাবে চ্যালেঞ্জ দিল সেই প্রমাণাধিসহ সকল তথ্য-প্রমাণ হাজির করার জন্য শুনানি কর্মকর্তা ইউনিলিভারকে নির্দেশ দিয়েছে। তারা হয়তো ১৫ দিন সময় পাবে তথ্য-প্রমাণ জমা দেয়ার।’
জানতে চাইলে শুনানি কর্মকর্তা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-সচিব আব্দুল মজিদ বলেন, ‘ইউনিলিভারকে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ এবং বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ করে যে বিজ্ঞাপন দিয়েছে সেটির সপক্ষে সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি চাওয়া হয়েছে।’
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিলিভারি এর আইনজীবিদের বক্তব্য নিতে চাইলেও তারা কথা বলতে রাজি হননি। একজন বলেছেন, ‘কোন মন্তব্য নয়।’ এমনকি নিজের নাম বা পরিচয়ও বলেননি।
ইউনিলিভারের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী সরকারি কর্মকর্তা মাহবুব কবীর সাংবাদিকদেরকে জানান, ইউনিলিভারের কর্মীরা নানা সময় দম্ভোক্তি করে বলেছেন, তাদের নিয়ে কেউ সংবাদ প্রচার করবে না।
তিনি বলেন, ‘এসব কথা শুনে আমি একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আমাকে তিনি বলেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে যে লিখবো, তারা তো আমাদের বড় বিজ্ঞাপনদাতা।’
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭০৮ বার
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক


