শিরোনামঃ-

» ইত্যাদির সেই রিকশাচালক কণ্ঠশিল্পী ‘আকবর’ কেমন আছেন?

প্রকাশিত: ০৩. মে. ২০১৬ | মঙ্গলবার


Manual8 Ad Code

সিলেট বাংলা নিউজ মিডিয়া ডেস্কঃ ‘একদিন পাখি উড়ে যাবে যে আকাশে, ফিরবে না সেতো আর কারও আকাশে’– কিশোর কুমারের এ গানটি হানিফ সংকেতের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে গেয়ে সারা দেশে আলোড়ন তুলেছিলেন আকবর।

এরপর পুরো জীবনই যেন বদলে যায় তার। রিকশা শ্রমিক থেকে নিয়মিত সংগীতশিল্পীতে পরিণত হন তিনি। হানিফ সংকেত তার ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অসংখ্য প্রতিভাই হাজির করেছেন। কিন্তু তার মধ্যে আকবর ছিলেন অন্যতম আলোচিত একজন।

‘ইত্যাদি’তে নিজের প্রতিভা দেখিয়ে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি আকবরকে। এরপর হানিফ সংকেতের তত্ত্বাবধানেই প্রকাশ পায় তার প্রথম মৌলিক গানের একক অ্যালবাম।

আড়াল হওয়ার কারণ কি? আকবর বলেন, দেখেন আমি একবেলা খেয়ে না খেয়ে থাকতাম। সেখান থেকে স্যার আমাকে তুলে এনেছেন। আমার জীবনটাই বদলে গেল। আমি আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত ঘুরেছি। এটা আমার কাছে স্বপ্ন ছিল কেবল। এখনও স্টেজে গাওয়ার জন্য মানুষ আমাকে ডাকে। এর চেয়ে বেশি আর কি প্রত্যাশা করা যায়! সব মিলিয়ে বলতে পারি, আমি খুব ভালো আছি। যতদিন বেঁচে আছি শ্রোতাদের গান শুনিয়ে যেতে চাই।

Manual7 Ad Code

তাহলে নতুন গান কি সহসাই আসবে? আকবর বলেন, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সংগীতা থেকে আমাকে অ্যালবাম করার জন্য বলা হয়েছে। আমি স্যারকেও জানিয়েছি বিষয়টি। এখন সামনে হয়তো একটি অ্যালবাম করবো। কারণ, আরেকটি অ্যালবাম আমার স্বপ্নও। আপনি অনেকটাই আড়ালে ছিলেন দীর্ঘদিন।

Manual4 Ad Code

আপনার কি মনে হয় শ্রোতারা আপনাকে মনে রেখেছে? হেসে আকবর বলেন, গরম এলেই মানুষ কিন্তু গুনগুন করে ‘তোমার হাতপাখার বাতাসে প্রাণ জুড়িয়ে আসে’ গানটি গায়। এটাই আমার অর্জন। আমার মতো ছোট মানুষকে শ্রোতারা এভাবে স্মরণ করেন, এটা আমার ভাগ্য।

Manual2 Ad Code

আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি? আমার একটাই পরিকল্পনা। সারা জীবন গান গেয়ে গেয়ে যেতে চাই। আর এ গান দিয়ে আমার এখন ভালোই চলে যাচ্ছে। গান পবিত্র একটি বিষয় আমার কাছে। এ পবিত্রতা নিজের ভেতর আজীবন লালন করতে চাই।

আপনার পরিবার সম্পর্কে কিছু বলুন? আমার ১ মেয়ে ঢাকার আইডিয়াল স্কুলে পড়ে। আর ২ ছেলে যশোর থাকে। ১ জন পড়াশোনা করে। অন্যজন কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

Manual1 Ad Code

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭৪৫ বার

Share Button

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031