শিরোনামঃ-

» ধানের শীষের পক্ষে ব্যবসায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রচারণা

প্রকাশিত: ০৫. ফেব্রুয়ারি. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

Manual4 Ad Code

সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের দেশে যারা বেহেশতের লোভ দেখিয়ে
ভোট চায়, তাদের মনে আল্লাহর ভয় নেই : খন্দকার মুক্তাদির

‘আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব সিলেট গড়তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে’

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়্যারম্যানের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, একটি দল সব ধরনের শালীনতা বিসর্জন দিয়ে ক্রমাগত মিথ্যাচার করে যাচ্ছে।
ঐ দলের নেতাদের মুখ থেকে দেশ পরিচলনার অথবা সিলেটের উন্নয়নের বিষয়ে কোন কথা আমরা শুনতে পাইনা। এদের রাজনীতির মধ্যে নিজস্ব এজেন্ডা ছাড়া দেশ বা দেশের মানুষের জন্য কিছু নেই।
এই দলের মধ্যে যদি ন্যুনতম রাজনৈতিক সততা থাকতো, তাহলে এদেশের সব কটি রাজনৈতিক দলের সাথে তারা সময় সময় আাঁতাত করতো না।
তারা এমনই ইসলামী দল, যারা নিজেদের দলের লোগো থেকে আল্লাহর নামটি বাদ দিয়ে দিয়েছে। এই দল এবং এই দলের নেতাদের দ্বিচারিতা এদেশের জন্য একটি কলঙ্কের ইতিহাস।
সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের এই দেশে এরা বেহেশতের লোভ দেখিয়ে ভোট চায়, তাদের মনে কি আল্লাহর কোন ভয় নাই? আল্লাহর ভয় যদি এদের মনে থাকতো তাহলে তারা ইসলামকে এভাবে বিকৃতি করতো না।
তিনি বলেন, জান্নাতের টিকেট বিক্রিকারী এই দলটি নানা আজগুবি কথা বলেই চলেছে। তারা মেয়েদের কর্মঘন্টা ৮ ঘন্টা থেকে কমিয়ে আনার মত অবান্তর কথাবার্তা বলে ভোট টানার চেষ্টা করছে।
দীর্ঘ দেড় দশক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে রক্তের বিনিময়ে এদেশের মানুষ তাদের ভোটের অধিকার আদায় করেছে।
তিনি বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মেজরটিলায় ৩২ ও ৩৫নং ওয়ার্ডে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসতিয়াক আহমদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে ও জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি কবির উদ্দিন ও ৩৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম হিল্টনের যৌথ পরিচালনায় এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি মাজহারুল ইসলাম ডালিম, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল ওয়াহিদ সুহেল, মাহবুবুল হক চৌধুরী প্রমুখ।
এদিকে সকালে সিলেট সচেতন ব্যবসায়ী ফোরামের উদ্যোগে ধানের শীষের পক্ষে স্বতঃস্ফুর্ত এই প্রচারণা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
এতে সর্বস্তরের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয় প্রচারণা।
চৌহাট্টা, জিন্দাবাজার, কোর্টপয়েন্ট, বন্দরবাজার, সিটি সুপার মার্কেট, হকার্স মার্কেট, লালদিঘীরপাড়, করিমউল্লাহ মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকা ও বড় বড় বিপণিবিতানে দুপুর অবধি চলে বিরামহীন প্রচারণা।
গণসংযোগে অংশগ্রহণ করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সিলেটকে একটি আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সিলেটের ভৌগোলিক অবস্থান, প্রবাসী সংযোগ ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এখানে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়নি। নির্বাচিত হলে এই চিত্র বদলানো হবে।
সিলেটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।
ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় হয়রানি, অব্যবস্থাপনা ও জটিলতা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেবে বিএনপি।
প্রচারণাকালে সাধারণ ব্যবসায়ীরা স্বোৎসাহে খন্দকার মুক্তাদিরের সাথে কথা বলেন, নিজেদের সমস্যার কথা জানান। তাদের কথা ধৈর্য্য ধরে শুনে নির্বাচিত হলে তা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।
অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে ধানের শীষের পক্ষে থাকবেন বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
প্রচারণাকালে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বিএনিপ চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাজার, বিপণিবিতান ও শিল্প এলাকার উন্নয়ন করা হবে, যাতে ব্যবসায়ীরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন।
সিলেটে নতুন বিনিয়োগ আনতে প্রবাসী ব্যবসায়ীদের বিশেষভাবে সম্পৃক্ত করা হবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করা হবে।
অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ডিজিটাল সেবার প্রসার ব্যবসাবান্ধব নগরী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের বিকাশ মানেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি। এর মাধ্যমে তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে এবং সিলেটের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিলেটকে একটি প্রাণবন্ত ও ব্যবসাবান্ধব নগরীতে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট চেম্বারের সাবেক সিনিয়ন সহ-সভাপতি জিয়াউল হক জিয়া, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার মহাসচিব আব্দুর রহমান রিপন, সাবেক কাউন্সিলর মজিবুর রহমান শওকত, মোহাম্মদ আমিজুজ্জামান চৌধুরী দুলু, মো. হোসেন আহমদ, মোহাম্মদ জলিল মিয়া, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, জিয়াউদ্দিন জিয়া, মো. মনজুর আহমদ, মো. জাকারিয়া, মহিবুর রহমান মহিব, মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, মো. জাহাঙ্গীর আলম, আতাউর রহমান রজব, অ্যাডভোকেট সাঈদুর রহমান জিবেব, মোহাম্মদ লায়েক মিয়া, রুমেল আহমদ, মোহাম্মদ রিয়াজ আহমেদ, জামিল আহমেদ, মোহাম্মদ জায়েদ মিয়া, মো. আবুল হোসেন, মো. সাদ মিয়া, মোহাম্মদ রুপন আহমেদ, মোহাম্মদ আনোয়ার মিয়া, সাজান মিয়া, এনামুল কুদ্দুস এনাম, মোহাম্মদ রবি খন্দকার, সুয়েব আহমদ অভি, মো. আনিস মিয়া, মো. রাজন আহমদ প্রমুখ।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৯ বার

Share Button

Callender

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031