শিরোনামঃ-

» সিলেটে চার্জশিটে নাম ঢুকিয়ে হয়রানি, এসি মতিয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

প্রকাশিত: ১০. মার্চ. ২০২০ | মঙ্গলবার

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টারঃঃ

Manual1 Ad Code

সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন একটি চাঁদাবাজি মামলায় নিরীহ লোকদের চার্জশিটে ঢুকিয়ে হয়রানি করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে জালালাবাদ থানার এসি মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তু শুরু হয়েছে। গত ৮ মার্চ রবিবার সকালে এসএমপির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ উত্তর) বিভূতি ভূষন ব্যানার্জি হয়রানির শিকার লোকজনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

এসএমপির গোপন শাখা সূত্র জানায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি জালালাবাদ থানা এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা বোরহান উদ্দিনসহ এলাকাবাসী এসএমপির পুলিশ কমিশনারের কাছে পুলিশি হয়রানির ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। ওই অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ১১ই জুলাই একটি অপহরণের ঘটনায় ক্বারী মনির উদ্দিনের চাচাতো ভাই জালালাবাদ থানার খাশেরগাঁও গ্রামের আকবর আলীর ছেলে আরশ আলী বাদী হয়ে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৪ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলাটি আদালত তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। পিবিআই এই মামলার ঘটনার সত্যতা পায়। বিগত ২০১৯ সালের ২৪শে নভেম্বর পিবিআই অপহরণের ঘটনার সত্যতা পেয়েছে মর্মে বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। কিন্তু গত ২৯শে জানুয়ারি আসামিদের প্ররোচনায় জালালাবাদ থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মতিয়ার রহমান গোপন আঁতাত করে কোনো তদন্ত ছাড়াই একটি চাঁদাবাজি মামলার (নং জিআর ১৫৪/১৯) চার্জশিটে এই নিরীহ লোকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। ভুক্তভোগীরা হলেন- পুরান কালারুকা গ্রামের মৃত হাজী আছলম খানের ছেলে আজমান খান, মৃত আবদাল খানের ছেলে আব্দুল লতিফ খান, অপহরণ মামলার বাদী খাশেরগাঁওয়ের আকবর আলীর ছেলে আরশ আলী ও ক্বারী মনির উদ্দিন। অথচ মামলার মূল এজাহারে তাদের নাম নেই। এই হয়রানির বিচার দাবি করেন তারা।

Manual1 Ad Code

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এসএমপির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ উত্তর) বিভূতি ভূষন ব্যানার্জি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ এলাকার কিছু লোক অভিযোগ করেছিলেন। এ ঘটনার অনুসন্ধান চলছে। ইতোমধ্যে অভিযোগকারীদের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তী কার্যক্রম আইনত এগিয়ে যাবে।’

Manual8 Ad Code

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫০৯ বার

Share Button

Callender

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031