শিরোনামঃ-

» ওরা আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিল

প্রকাশিত: ০৯. এপ্রিল. ২০১৮ | সোমবার

Manual1 Ad Code
সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্কঃ হত্যার উদ্দেশ্যেই মুখোশধারীরা বাসভবনে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘প্রশিক্ষিত’ হামলাকারীরা মুখোশ পড়ে এসেছিল; তারা এসেছিল ‘প্রাণনাশের’ জন্য।
সোমবার (৯ এপ্রিল) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন উপাচার্য।
তিনি বলেন, রবিবার (৮ এপ্রিল)  রাতে যে তাণ্ডব চালানো হয়েছে, এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট নয়, একটি প্রশিক্ষিত ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী লাশের রাজনীতির জন্য এ তাণ্ডব চালিয়েছে। এই হামলা স্বাভাবিক নয়। হত্যার উদ্দেশেই এ হামলা চালানো হয়েছে।
আখতারুজ্জামান বলেন, এই প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার মতো মুখোশ বেঁধে সরকার পতন, রাষ্ট্রপতন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পতনের চেষ্টা চালিয়েছিল। এক্ষেত্রে সরকারের আইন-কানুন আছে, সে অনুযায়ী নিশ্চয় ব্যবস্থা নেবে সরকার।
উপাচার্য বলেন, ‘আমি উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের কোটার বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য তাঁদের জানানো হয়েছে। এরপরও আমার বাসায় তাণ্ডব পরিচালিত হয়েছে। এটি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সেখানে আমার পরিবার ছিল। তাদের জীবন ঝুঁকিতে ছিল। সবাইকে মেরে ফেলার চেষ্টা ছিল। কিছু ছাত্র আমার প্রাণ রক্ষা করেছে। এখানে লাশের রাজনীতি ছিল। এখানে আমাকে হত্যার পরিকল্পনা থেকে এ হামলা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘হামলার ঘটনায় অনেক প্রাণহানি ঘটতে পারত। আন্দোলনরত ব্যক্তিরা ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট চেষ্টার মাধ্যমে দরজা ভেঙেছে। আমি নিজের নিরাপত্তার কথা ভুলে শিক্ষার্থীদের অবস্থা দেখার জন্য বারান্দায় এসে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ জন্য বেঁচে গেছি। বেডরুমে থাকলে আমি মারা যেতাম।’
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে রবিবার দিবাগত রাত ১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ঢাবি উপাচার্যের বাসভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় আন্দোলনকারীরা। তার বাসভবনের শোবার ঘর থেকে বাথরুম, রান্নাঘরসহ সবখানে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৭৯ বার

Share Button

Callender

July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031