শিরোনামঃ-

» ঈশ্বরদী-কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের খানাখন্দে ভরা ৫০ কিলোমিটার

প্রকাশিত: ০৫. আগস্ট. ২০১৭ | শনিবার

Manual4 Ad Code

সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্কঃ ঈশ্বরদী-কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের ৫০ কিলোমিটার অংশ খানাখন্দে ভরে গেছে। সড়ক বিভাগের কর্মীরা ইট ফেলে গর্ত ভরাট করছে। ছবিটি কুষ্টিয়া অংশ থেকে তোলা।

Manual7 Ad Code

কয়েক দিনের টানা বর্ষণে ঈশ্বরদী-কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের ৫০ কিলোমিটার অংশ খানাখন্দে ভরে গেছে। বর্তমানে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও প্রতিদিন এ সড়কে হাজার হাজার যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এদিকে সড়কটি সংস্কারের নামে গত দুই বছরে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়- দেশের উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ৩২ জেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগের একমাত্র পথ এটি। সড়ক বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে, এ মহাসড়কে প্রতিদিন ১০ হাজারের বেশি যানবাহন চলাচল করে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ওই সড়কজুড়ে শুধু বড় বড় খানাখন্দ।

Manual7 Ad Code

বিশেষ করে কুষ্টিয়া শহরের বারোখাদা ত্রিমোহনী থেকে শুরু করে ভেড়ামারা ১২ মাইল পর্যন্ত এবং শহরের মজমপুর গেট থেকে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক। এসব এলাকায় সড়কের বেশির ভাগ কার্পেটিং উঠে গেছে।

এতে রাস্তায় সৃষ্ট গর্তে বৃষ্টির পানি জমে যান চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও মানুষ এ সড়কে যাতায়াত করছে। তাতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, প্রাণহানিও হচ্ছে।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২ বছরে ঈশ্বরদী-কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়ক সংস্কারে প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। সর্বশেষ কয়েক মাস আগেও এটি সংস্কার করা হয়।

এ ছাড়া জরুরি মেরামতের কাজ তো সারা বছর লেগেই আছে। এত অর্থ ব্যয় করার পরও মাত্র এক সপ্তাহের বৃষ্টিতে এমন ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় এ সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

Manual6 Ad Code

এ সড়কে চলাচলকারী ট্রাকচালক আইয়ুব আলী বলেন, এ রাস্তায় গাড়ি চালানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ভাঙা রাস্তার কারণে গাড়ির ক্ষতি হচ্ছে। ভাড়া যা পাওয়া যায়, তার বেশির ভাগই গাড়ি মেরামতে চলে যাচ্ছে।

Manual7 Ad Code

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, প্রতিবছর সড়কটি সংস্কার করা হয়। মাস খানেক আগেও সড়কের বিভিন্ন অংশে সিল কোট করা হয়। কিন্তু এখন তার চিহ্নও নেই।

এসব কাজে প্রায় অর্ধকোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। ২/৩ দিন ধরে বিধ্বস্ত সড়কটি মেরামত করছে কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগ। বড় বড় গর্তে ইট-বালু ফেলে গর্ত ঢাকার চেষ্টা করা হচ্ছে। বড় গর্তগুলোতে ইট-বালু ফেললেও ছোট গর্তগুলো সেভাবেই থেকে যাচ্ছে।

তদারককারী সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম জানান, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সংস্কার করে সড়ক ভালো রাখা যাচ্ছে না। ভারী যানবাহন চলায় সড়ক লোড নিতে পারছে না। বৃষ্টিতে গাড়ির চাকার আঘাতে সড়কে বড় বড় গর্ত হয়ে যাচ্ছে।

কুষ্টিয়ার সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান লাকী বলেন, টেন্ডার হয়, কাজ হয় কিন্তু সড়কের চেহারার পরিবর্তন হয় না। কাজে অনিয়মের কারণেই কয়েক মাস যেতে না যেতে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আবার ভারী যানবাহনের ভার নিতে পারছে না সড়ক। দুর্ভোগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের।

কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, অতিবৃষ্টিতে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আপাতত সড়কটি চলাচলের জন্য সংস্কারকাজ চলছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫৬২ বার

Share Button

Callender

September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930