- রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও এভারগ্রীন ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ
- সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের ৭ নেতা বহিষ্কৃত, নতুন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন
- হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের অবসানই আমাদের প্রত্যাশা : সিসিক প্রশাসক
- যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাবু নেওয়াজকে বিমান বন্দরে সংবর্ধনা
- সিলেটে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় মানবাধিকার কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কাশ্যপ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে বস্ত্র বিতরণ
- সিলেটে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি
- ইমদাদ হোসেনল চৌধুরীর মধ্যস্থতায় মাউন্ট এডোরা হাসপাতালের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সামাজিক নিষ্পত্তি
- পল্লবী কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া নেয়া থেকে বিরত থাকতে আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী দুই অংশীদার
- শেফ পেশায় শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মোচিত হবে : সিসিক প্রশাসক
» বিএনপি সিসিক নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী বাছাইয়ে চমক দেখাতে পারে
প্রকাশিত: ০৮. জুন. ২০১৭ | বৃহস্পতিবার
দলের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির ভবিষ্যত কান্ডারি ও যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেটসহ দেশের সব ক’টি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রার্থী বাছাই শুরু করেছেন। দল এবং দলের বাইরে পেশাজীবীদের নিয়ে গড়ে তোলা একাধিক মনিটরিং টিমের প্রতিবেদন সামনে রেখেই প্রার্থীতা চূড়ান্ত করছেন তিনি। প্রার্থী তালিকায় প্রতিটি সিটি করপোরেশনে দলের সম্ভাব্য তিন থেকে চারজন মেয়র প্রার্থী রাখা হয়েছে। তালিকায় রাখা প্রার্থীদের বয়স, ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্যতাসহ নানা খুটিনাটি বিষয়ে মনিটরিং টিমের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত খোঁজ রাখছেন তিনি। বয়সের দিক দিয়ে অপেক্ষাকৃত তরুণদেরকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান।
যদিও খন্দকার আবদুল মুক্তাদির সিলেট-১ আসনে বিএনপির টিকিটে নির্বাচন করতে কয়েক বছর ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কখনো তিনি মাঠ ছাড়েননি। বিএনপির নিখোঁজ সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী এবং দলত্যাগী সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরীর বলয়ের সঙ্গে মিলেমিশে থাকার চেষ্ঠা করছেন।
একই অবস্থা এডভোকেট সামসুজ্জামানের ক্ষেত্রেও। সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় তাকে (সামসুজ্জামান) সিলেট-৪ আসনে রেখেছে দলের হাইকমান্ড। দীর্ঘদিন ধরে সিলেট-৪ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতিও রয়েছে সামসুজ্জামানের। দলের ভেতরে অপেক্ষাকৃত এই তরুণ নেতার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে।
এদিকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বপদে ফিরার পর তিনি জনসংযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদেরও ডাকছেন, পাশে রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু দলের দু:সময়ে সরকারদলীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে তার সুসম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে দলীয় হাইকমান্ড ক্ষুব্ধ বলে জানিয়েছে বিএনপির একাধিক সূত্র।
উদাহরণস্বরূপ এই সূত্র জানিয়েছে, আরিফুল হক কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে গিয়েছিলেন তার কার্যালয়ে। অনেক তদ্বিরের পর খালেদা জিয়া সাক্ষাতের অনুমতি দিলেও তাকে ভালোভাবে বরণ করেননি। খালেদা জিয়া বসে থেকে বাম হাত দিয়ে আরিফুল হকে নেয়া ফুল গ্রহণ করেন। যা পরদিন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।
সূত্রমতে, মেয়র প্রার্থীদের সম্ভাব্য তালিকায় তিন নম্বারে আরিফুল হক চৌধুরীর নাম থাকলেও তার দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির সম্ভাবনা খুবই কম।
এছাড়া বিএনপি নেতাদের মধ্যে যারা মেয়র পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা হলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সাবেক আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট পৌরসভার সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুম জালালি পংকি, বর্তমান সহ-সভাপতি ও প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, বর্তমান সহ-সভাপতি ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম।
এ প্রসঙ্গে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন, ‘সিলেট সিটি করপোরেশ নির্বাচন নিয়ে বিএনপিতে প্রস্তুতি চলছে। মেয়র পদে কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে- তা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।
নির্বাচন করার প্রস্তুতির কথা জানান মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিমও। তিনি বলেন, ‘গত নির্বাচনেও আমি প্রার্থী ছিলাম। কিন্তু দলীয় চেয়াপার্সনের নির্দেশনার কারণে দল নির্বাচন করতে পারিনি। এবার দল আমাকে মূল্যায়ণ করবে।’ মেয়র পদে নতুন আসার যে গুঞ্জণ রয়েছে- সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এমন আলোচনাতো চলছে।’
উল্লেখ্য, সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালের ১৫ জুন। এ নির্বাচনে বিএনপি তথা ১৮ দলীয় জোট সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে ৩৫ হাজার ১শ’ ৫৭ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন। আরিফের প্রাপ্ত ভোট ১লাখ ৭হাজার ৩শ’৩০। আর কামরান পান ৭২হাজার ১শ’ ৭৩ ভোট।
এবারও আওয়ামী লীগ থেকে মেয়র পদে মনোনয়ন পেতে পারেন দলটির সিলেট মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। যদিও আলোচনায় রয়েছেন আরও দু’জন।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৩১১ বার
সর্বশেষ খবর
- রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও এভারগ্রীন ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ
- সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের ৭ নেতা বহিষ্কৃত, নতুন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন
- হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের অবসানই আমাদের প্রত্যাশা : সিসিক প্রশাসক
- যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাবু নেওয়াজকে বিমান বন্দরে সংবর্ধনা
- সিলেটে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় মানবাধিকার কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক
এই বিভাগের আরো খবর
- রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও এভারগ্রীন ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ
- সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের ৭ নেতা বহিষ্কৃত, নতুন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন
- হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের অবসানই আমাদের প্রত্যাশা : সিসিক প্রশাসক
- যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাবু নেওয়াজকে বিমান বন্দরে সংবর্ধনা
- সিলেটে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় মানবাধিকার কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত


