শিরোনামঃ-

» মুফতি হান্নানের ফাঁসি; কাশিমপুর কারাগার কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাঁকা

প্রকাশিত: ১২. এপ্রিল. ২০১৭ | বুধবার


Manual6 Ad Code
ডেস্ক সংবাদঃ গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বুধবার সন্ধ্যায় প্রধান ফটক দিয়ে ২টি অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করেছে। ডিআইজি প্রিজন তৌহিদুল ইসলাম বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে কারাগারে ঢুকেছিলেন। তিনি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন।
গাজীপুরের এসপি হারুনুর রশিদ কারাগারে উপস্থিত হয়েছেন আজ সন্ধ্যা পৌণে ৭টার দিকে। এদিকে রাত ৮টার দিকে আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন কারাগারে প্রবেশ করেছেন।
ফাঁসির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। আজ বুধবার (১২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ফাঁসি কার্যকর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কারা মসজিদের পেশ ইমাম হেলাল উদ্দিন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের তওবা পড়াবেন বলে জানা গেছে। এদিকে জেলখানা রোডে যানবাহন চলাচল ও আশেপাশের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কোন সাধারণ মানুষের চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে।
এর আগে বুধবার (১২ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে ২ ভাইয়ের সঙ্গে মুফতি হান্নানের সাক্ষাৎ করানো হয়। এরা হলেন- একই মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা বন্দি মো. মহিবুল ও গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের বন্দি মো. আনিস।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সকালে মুফতি হান্নানের বড় ভাই আলি উজ্জামান মুন্সি, মুফতি হান্নানের স্ত্রী জাকিয়া পারভিন রুমা, বড় মেয়ে নিশি খানম ও ছোট মেয়ে নাজরিন খানম তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটের হযরত শাহজালালের (র.) মাজারে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। এতে পুলিশের দুই কর্মকর্তা সহ ৩ জন নিহত এবং অর্ধ শতাধিক আহত হন।
এ মামলার রায়ে ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর আদালত ৫ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৫০ বার

Share Button

Callender

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930