শিরোনামঃ-

» রপ্তানিপণ্যের মান ঠিক রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ২০. জুলাই. ২০১৬ | বুধবার

Manual4 Ad Code

সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্কঃ রপ্তানিযোগ্য পণ্যের মান ঠিক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Manual8 Ad Code

বুধবার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় এসে দেখি ইউরোপীয় ইউনিয়নে চিংড়ি রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে। চিংড়ির মধ্যে লোহা দিয়ে ওজন ভারী করা হতো। আমরা ক্ষমতায় এসে চিংড়ির উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের উন্নতির জন্য ৪০ কোটি টাকা দিয়েছি। এখন আবার চিংড়ি রপ্তানি হচ্ছে।’

Manual1 Ad Code

তিনি বলেন, ‘পণ্য রপ্তানি করে আন্তর্জাতিকভাবে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে হবে। আমরা যেকোন জিনিসই বিদেশে রপ্তানি করি না কেন, তা যেন মানসম্মত হয়। সামান্য মুনাফা করতে গিয়ে দেশের ক্ষতি যেন না হয়। দাম বেশি নেন কিন্তু পণ্যটা যেন খাঁটি থাকে। গুণগত মান ধরে রাখুন। এতে ব্যবসায়ীদেরই লাভ হবে।’

Manual7 Ad Code

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা মৎস্য সম্পদের সঙ্গে জড়িত। কৃষিজ আয়ের প্রায় ২৪ ভাগ আসে এ খাত থেকে। জিডিপিতে মৎস্যসম্পদের অবদান প্রায় ৪ শতাংশ। প্রাণিজ আমিষের ৬০ ভাগ যোগান দেয় মৎস্য খাত। আমাদের যে পরিমাণ নদী-নালা, হাওর-বিল আছে তাতে আমরা মৎস্য উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ নয়, প্রথম স্থান অর্জন করতে পারি।’

Manual5 Ad Code

তিনি বলেন, ‘মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বহুমূখী পদেক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ৪০ লাখ মেট্রিক টন মাছের চাহিদা রয়েছে আমাদের, যা আগামীতে পূরণ করা সম্ভব হবে। আমাদের জাতীয় মাছ ইলিশ। এর উৎপাদন বৃদ্ধিতেও কাজ হচ্ছে। দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গবেষণা করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘একটা সময় ফরমালিন নিয়ে অনেক সমস্যা ছিল। যা এখন সমাধান করা হয়েছে। পুষ্টিমান নিশ্চিত করা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল। আমরা তা পূরণে কাজ করছি। এখন বর্ষাকালেও এতো সবজি পাওয়া যায় যা আগে ছিল না। এসব কিন্তু গবেষণার ফল। আমরা এখন অনেক এগিয়ে গেছি।’

তিনি বলেন, ‘ আমরা বিশাল সমুদ্রসীমা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। এর সম্পদ কাজে লাগাতে হবে, এগুলো আহরণ করতে হবে। আরো কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মধুমতি, গড়াইসহ বেশ কয়েকটি নদী ড্রেজিং করেছি। ড্রেজিংয়ের ফলে নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা সব নদী ড্রেজিং করব। তাহলে মাছের চিন্তা করতে হবে না। এতে নদীপথে চলাচলেও সুবিধা হবে। অর্থনৈতিক উন্নতি হবে। এতে সুন্দরবন রক্ষা পাবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কথায় আছে, মাছে-ভাতে বাঙালি। আমরা যেখানেই যাই, যতো কিছুই খাই, শেষ পর্যন্ত মাছ-ভাত না খেলে আত্মতৃপ্তি আসে না। সুতরাং আমরা যারা মাছ খাই তারা নিজেরা খাবো, যারা খেতে পারে না তাদেরও খাওয়ার ব্যবস্থা করবো।’

দেশে মৎস্য খাতে অনন্য অবদানের জন্য অনুষ্ঠানে ২০ জন মৎস্য চাষিকে পুরস্কৃত করা হয়। এদের মধ্যে পাঁচজনকে দেওয়া হয় স্বর্ণপদক এবং ১৫ জনকে দেওয়া হয় রৌপ্য পদক।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৭৮৮ বার

Share Button

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031