- আগামীকাল সিলেট সফরে আসছেন মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
- ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টার ও হাজী নওয়াব আলী সবজি মার্কেটের যৌথ ‘সাল পরবর্তী আলোচনা সভা’
- বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে কানাডার হাইকমিশনারের বৈঠক
- সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী
- কবি শেরাম নিরঞ্জনের মাতা আর নেই
- সিটি মডেল স্কুলে শিক্ষক ও অভিভাবক সমাবেশ
- বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের উদ্যোগে সংবর্ধনা
- ৫৫ বছর আশ্বাসে আটকে থাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এমপি এমরান চৌধুরীর
- সিলেটে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস পালিত
- রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আটকে পড়া বড়চক বিদ্যালয় জাতীয়করণ সময়ের দাবি
» পররাষ্ট্রমন্ত্রী হচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়
প্রকাশিত: ০১. মে. ২০১৬ | রবিবার
সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্কঃ বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ কিংবা পরিবর্তন নিয়ে গুঞ্জন আছে রাজনৈতিক মহলে।
আওয়ামী লীগসহ ক্ষমতাসীন জোটের শরীকদের মধ্যেও মন্ত্রিসভার ‘হাওয়া থেকে পাওয়া’ এ সম্প্রসারণ নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।
তবে এ প্রক্রিয়া কবে হবে এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই নেতাদের কাছে। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদেরও জানা নেই এ সম্পর্কে। শুধু তারা বলছেন, এটা অনুমাননির্ভর কথা।
এ নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের হিসাব অবশ্য ভিন্ন। সর্বোচ্চ আদালত নিয়ে ২ মন্ত্রীর ‘অতিকথনে’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরক্তি প্রকাশ নিয়ে গণমাধ্যমে যে সংবাদ ছাপা হয়েছে সেটাকে ভিত্তি ধরেই এ হিসাব-নিকাশ।
এছাড়া অনিয়ম-দুর্নীতি জড়িয়ে পড়া মন্ত্রীদের নিয়েও সময়ে সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসন্তুষ্টির বিষয়ও হিসাবে নিচ্ছেন নেতাকর্মীরা। সব মিলিয়ে আগামী বছরের প্রথম দিকে মন্ত্রিসভার এ সম্প্রসারণ কিংবা পরিবর্তন হতে পারে বলে ধরে নেয়া হচ্ছে।
যোগ-বিয়োগের এ প্রক্রিয়ায় কারা নতুন ‘যুক্ত’ হবেন, কারা ‘মুক্ত’ হবেন তা নির্ভর করে সরকার প্রধানের (আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) পছন্দ-অপছন্দের ওপর।
সরকার প্রধান ইচ্ছে করলে বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন নেতাদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। কেবল তখনই নিশ্চিত হওয়া যাবে ‘যুক্তের’ তালিকায় কারা থাকছেন। তারা সবাই আওয়ামী লীগের হবেন, না কি শরীকদের প্রতিনিধিও নতুনদের তালিকায় থাকবেন।
তবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিশ্বাস ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণে মন্ত্রী হিসেবে দেখা যাবে দলের সভানেত্রীর ছেলে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে। মন্ত্রিত্বের জায়গাটি হতে পারে পররাষ্ট্র।
নেতাকর্মীদের ধারণা, আওয়ামী লীগের ভাবী নেতা হিসেবে বিশ্বজুড়ে জয়কে পরিচিত করে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অগ্রাধিকার দেয়া হতে পারে।
শেখ হাসিনা চাইবেন, দলের কাণ্ডারি হিসেবে গড়ে উঠুক ছেলে। এতে দলের এবং বিশ্ব রাজনীতির বাস্তবতা ভালোভাবে বুঝতে পারবেন জয় এবং দলের নেতা হিসেবেও নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোলার সুযোগ পাবেন।
বিশ্ব রাজনীতি বিশ্লেষণে সজীব ওয়াজেদ জয়ের কার্যকর পরামর্শকের ভূমিকায় দেখা যেতে পারে তার মার্কিন নাগরিক স্ত্রী ক্রিস্টিনা ওভারমায়ারকে। জয় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের রাজনীতি, ওইসব দেশের শীর্ষ নেতাদের দৃষ্টিভঙ্গির অনেক খুঁটিনাটি বিষয় আগেভাগেই বুঝে নিতে পারবেন স্ত্রীর সহায়তায়। এতে দায়িত্ব পালনে পরিপক্কতাও বাড়বে।
আর এ বিষয়টি বেশ কয়েকদিন ধরেই জোর গুঞ্জন চলছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে। এমনকি ছড়িয়েছে প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যেও।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৩৪ বার
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক


