শিরোনামঃ-

» ভিক্ষুক ও হিজড়াদের চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বরাবরে সিলেট কল্যাণ সংস্থার স্মারকলিপি প্রদান

প্রকাশিত: ১১. ফেব্রুয়ারি. ২০২৪ | রবিবার

ডেস্ক নিউজঃ

বৃহত্তর সিলেটের অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিকস’র অঙ্গ সংগঠন সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা (সিবিযুকস) ও বাংলাদেশী প্রবাসীদের সবধরনের দাবি উপস্থাপনের বলিষ্ঠ সংগঠন সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা (সিপ্রকস) এর যৌথ উদ্যোগে রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪) বেলা ১১.৩০ ঘটিকায় সিলেট মহানগরীর ভিক্ষুক ও হিজড়াদের অনাকাংখিত ও জোরপূর্বক চাঁদাবাজির বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বরাবরে (মাধ্যমঃ জেলা প্রশাসক, সিলেট) স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক পদকপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্জ মুখতার আহমেদ তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, প্রচার সম্পাদক মোঃ ফুজায়েল আহমদ, জেলা কমিটির সভাপতি হাজী মোঃ আশরাফ উদ্দিন, সহ-সভাপতি তোফায়েল আহমদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুহেল আহমদ, সিলেট মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম শিতাব, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রাসেল, সচেতন নাগরিকদের মধ্য থেকে সাবেক মেয়র পদপ্রার্থী শাহজাহান মাস্টার, আব্দুস সোবহান আজাদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার যুবনেতা মোহাম্মদ সাজ্জাদুজ্জামান বাবলু, হাফিজ মোঃ আং সত্তর, মিল্লাত আহমদ, মির্জা রেজওয়ান বেগ, সুনামগঞ্জের যুবনেতা শাহীন আহমদ, মোঃ সাব্বির হোসেন, সাহিদুল ইসলাম ও মোঃ হুসেন মিয়া।

স্মারকলিপির বিষয়বস্তুঃ হযরত শাহজালাল (রহঃ) ও হযরত শাহপরাণ (রহঃ) এর আধ্যত্মিক স্মৃতি বিজড়িত পূর্ণভূমি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর বৃহত্তর সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় আপনাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন। নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী পরিষদের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করায় আপনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ভিক্ষুক ও হিজড়াদের চাঁদাবাজিতে সিলেট মহানগরবাসী অতিষ্ঠ। সিলেট মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ সব পয়েন্টে ভিক্ষুক ও হিজড়াদের উৎপাত মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়েই চলছে। সিলেট মহানগরীর বন্দরবাজার, বৃহত্তর জিন্দাবাজার, জল্লারপার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা, সুবিদবাজার, রিকাবীবাজার, লামাবাজার, কাজলশাহ, শিবগঞ্জ, হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গন, হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজার প্রাঙ্গন, মেজরটিলা, বৃহত্তর উপশহর, ভার্থখলা, কদমতলী বাসস্ট্যান্ড, রেলষ্টেশন সহ বিভিন্ন জায়গায় ভিক্ষুকদের দৌরাত্ম সিলেটে আসা পর্যটক, সিলেটের প্রবাসী ও নগরে বসবাসরত নাগরিকদের বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়। অনেক সময় ভিক্ষুকরা পথচারীদের শরীরে হাত দিয়ে জোর করে টাকা দেয়ার জন্য বাধ্য করে। পাশাপাশি হিজড়ারা নগরীর প্রায় পয়েন্টে দলবেঁধে বরযাত্রার গাড়ি, বিদেশ যাত্রীদের গাড়ি সহ যেকোনো অনুষ্ঠানের সাজানো গাড়ি আটকিয়ে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে চাঁদা না দেওয়া পর্যন্ত জোরজবরদস্তী করে। চাঁদার নির্দিষ্ট পরিমান টাকা না পেলে বা গাড়ির যাত্রীদের মধ্য থেকে কেউ কোনরূপ কথা বলতে গেলেই তারা বিবস্ত্র হয়ে যায়। যা গাড়িতে থাকা পুরুষ ও নারীদের অসম্ভব লজ্জায় ফেলে দেয়। বাধ্য হয়ে তাঁদের চাহিদার টাকা দিতে হয়। ভিক্ষুক ও হিজড়াদের বাসাবাড়িতে উৎপাততো বেড়ে গেছে। এরমধ্যে হিজড়াদের অনাকাঙ্খিত আচরণ ও উশৃঙ্খলতার মাত্রা সীমানার বাহিরে পৌছে গেছে। যেকোন অনুষ্ঠানের খবর পেলেই দলবেঁধে হিজড়ারা পৌঁছে যায় সেই বাসায়। সেখানে গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি হইচই শুরু করে বড় অংকের চাঁদার টাকা দাবি করে। চাঁদার টাকার পাশাপাশি মারাত্বক উশৃঙ্খলতা সৃষ্টি করে। মানসম্মান বাঁচাতে বাধ্য হয়ে অনেকেই তাদের হাতে তুলে দেন চাঁদার টাকা।

বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ভিক্ষুক ও হিজড়াদের শনাক্ত করে পূর্ণবাসন সহ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে আমরা সিলেটবাসী আশা করি।সিলেট মহানগরীর ভিক্ষুক ও হিজড়াদের জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের অবস্থা থেকে নগরবাসী ও নগরে আসা অতিথিদের রক্ষা করতে আপনার যেন মর্জি হয়।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৮ বার

Share Button

Callender

June 2024
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930