ডেস্ক সংবাদঃ পণ্য ও সেবায় ভোক্তা অসন্তোষ বাড়ছে। পণ্য ক্রয়ে কিংবা যেকোন সেবার বিপরীতে প্রতিনিয়ত অজস্র অভিযোগ জমা পড়ছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে। গত ৫ বছরে এ-সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা বেড়েছে ২২ গুণের বেশি। আর এর মধ্যেই আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগের সংখ্যা ছিল মাত্র ৬৯, যার সবই নিষ্পত্তি হয়। ২০১৩ সালে অভিযোগ জমা পড়ে ৩২টি। ২০১৪ সালে এসে এ-সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা একলাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৫৩৭।
২০১৫ সালে এটি কিছুটা কমে ২২৫টি হলেও পরের বছরই তা বেড়ে হয় ১ হাজার ৬২২টি। চলতি বছরে এ-সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে। প্রথম দুই মাসেই জমা পড়েছে ১ হাজার ৬৮২টি অভিযোগ।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শফিকুল ইসলাম লস্কর বলেন, অধিদপ্তর ২ সপ্তাহের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এজন্য ১৩ কর্মকর্তাকে নিয়োজিত করা হয়েছে। লোকবলস্বল্পতা দ্রুত পদক্ষেপের ক্ষেত্রে এখনো একটি বড় বাধা।
বর্তমানে সারা দেশে আমাদের অনুমোদিত পদ রয়েছে ২৪০টি। এর মধ্যে ৯৫টিই শূন্য। এতো অল্প জনবল নিয়ে কর্মকাণ্ড পরিচালনা কঠিন। এজন্য অধিদপ্তরের জনবল ৮০০ করতে একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
নিজেদের অধিকার সম্পর্কে ভোক্তাদের সচেতনতা আগের তুলনায় অনেকাংশে বাড়ায় অভিযোগের সংখ্যাও বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ সচেতনতা আরো বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এবার ভোক্তা অধিকার দিবসে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হবে।
এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘ভোক্তার আস্থাশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ি’। দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ কাওরান বাজার টিসিবি ভবনের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে বাণিজ্যমন্ত্রী, বাণিজ্য সচিব ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত থাকবেন।


