- ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী
- সিলেটে অপরাধ দমনে কঠোর নির্দেশনা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- জিন্দাবাজারে পানি নিষ্কাশনের নালায় ময়লা-আবর্জনা ও পয়োবর্জ্য ফেলার অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা
- ভয়াল ২৮ অক্টোবর; রক্তাক্ত কোর্টপয়েন্ট জামায়াতের বিক্ষোভ আগামীকাল
- জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে সুমন ও সুইট প্রেরণার উৎস : বাসদ
- তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে যুবদল : মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
- চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে সিলেট এনডিএফের সমাবেশ
- সিলেট সোসাইটির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা
- সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা দলের পলাশের পদ অব্যাহতি
- সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল স্পিকার মুস্তাক আহমদের সাক্ষাৎ
» ‘হাকিমপুরী জর্দা’র কাউছ মিয়া বাংলাদেশের শীর্ষ করদাতা
প্রকাশিত: ০১. নভেম্বর. ২০১৬ | মঙ্গলবার
সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশে শীর্ষ ১০০ জনের যে করদাতার তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সেখানে শীর্ষ স্থান দখল করেছেন তামাক পণ্য ব্যবসায়ী মো. কাউছ মিয়া।
গত বছর যে শীর্ষ ১০ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল, সেটির প্রথম স্থানেও ছিলেন তিনি। এর আগেও তিনি শীর্ষ করদাতার পুরস্কার পেয়েছেন।
হাকিমপুরী জর্দা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. কাউছ মিয়া তার ব্যবসা শুরু করেছিলেন মাত্র আড়াই হাজার টাকা নিয়ে, পঞ্চাশের দশকে।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, এখন তার বিভিন্ন ব্যবসা আর জায়গাজমি মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।
তিনি ব্যবসা শুরু করেছিলেন চাঁদপুরে, সেখানে ছিল তার স্টেশনারী দোকান। এর পরের ২০ বছরে ধীরে ধীরে তার ব্যবসা বাড়তে থাকলে তিনি চলে আসেন নারায়ণগঞ্জে। তখন থেকে শুরু করেন তামাকের ব্যবসা।
“তখন তামাক বাংলাদেশে চাষ হতো না। পাকিস্তানের মারদান থেকে আসতো।” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন কাউছ মিয়া।
তামাকের ব্যবসা থেকেই তার মাথায় আসে জর্দা উৎপাদনের কথা।
প্রথমে একটা ছোট কারখানা দিয়ে বাজারে ছাড়লেন ‘শান্তিপুরী জর্দা’, পরে সেটা নকল হতে থাকায় নতুন করে চালু করলেন ‘হাকিমপুরী জর্দা’ এই নাম দিয়ে, ১৯৯৬ সাল থেকে।
কাউছ মিয়া বলছিলেন, ‘শান্তিপুর’ বা ‘হাকিমপুর’ এসব নামকরণের পেছনে বিশেষ কোন কারণ নেই। তবে হাকিমপুর নামটা লোকের মুখে সহজে আসে, সহজে বলতে পারে – এ জন্যই এই নাম রাখা।
৬৬ বছর ধরে ব্যবসা করছেন কাউছ মিয়া।। তার মধ্যে তামাক ও জর্দার ব্যবসা থেকেই তিনি লাভ করেছেন ৪ থেকে ৫ শ’ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, করদাতা হিসেবে তিনি পাকিস্তান আমল থেকেই পুরস্কৃত হয়ে আসছেন। এতবার সর্বোচ্চ করদাতা হতে পেরে তিনি খুবই খুশি।
অন্য ব্যবসায়ীরা কেন তার মতো এত বার সর্বোচ্চ করদাতা হতে পারেননি – এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্য ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে। কিন্তু তিনি জীবনে ব্যাংকের টাকা নেননি।
তিনি বলেন, “বরং ব্যাংকই আমার রাখা টাকা খাটিয়েছে”।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৯৮৭ বার
সর্বশেষ খবর
- ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী
- সিলেটে অপরাধ দমনে কঠোর নির্দেশনা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- জিন্দাবাজারে পানি নিষ্কাশনের নালায় ময়লা-আবর্জনা ও পয়োবর্জ্য ফেলার অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা
- ভয়াল ২৮ অক্টোবর; রক্তাক্ত কোর্টপয়েন্ট জামায়াতের বিক্ষোভ আগামীকাল
- জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে সুমন ও সুইট প্রেরণার উৎস : বাসদ
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক
এই বিভাগের আরো খবর
- ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী
- সিলেটে অপরাধ দমনে কঠোর নির্দেশনা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- জিন্দাবাজারে পানি নিষ্কাশনের নালায় ময়লা-আবর্জনা ও পয়োবর্জ্য ফেলার অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা
- ভয়াল ২৮ অক্টোবর; রক্তাক্ত কোর্টপয়েন্ট জামায়াতের বিক্ষোভ আগামীকাল
- জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে সুমন ও সুইট প্রেরণার উৎস : বাসদ


