শিরোনামঃ-

» ‘হাকিমপুরী জর্দা’র কাউছ মিয়া বাংলাদেশের শীর্ষ করদাতা

প্রকাশিত: ০১. নভেম্বর. ২০১৬ | মঙ্গলবার


Manual6 Ad Code

সিলেট বাংলা নিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশে শীর্ষ ১০০ জনের যে করদাতার তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সেখানে শীর্ষ স্থান দখল করেছেন তামাক পণ্য ব্যবসায়ী মো. কাউছ মিয়া।

Manual3 Ad Code

গত বছর যে শীর্ষ ১০ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল, সেটির প্রথম স্থানেও ছিলেন তিনি। এর আগেও তিনি শীর্ষ করদাতার পুরস্কার পেয়েছেন।

হাকিমপুরী জর্দা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. কাউছ মিয়া তার ব্যবসা শুরু করেছিলেন মাত্র আড়াই হাজার টাকা নিয়ে, পঞ্চাশের দশকে।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, এখন তার বিভিন্ন ব্যবসা আর জায়গাজমি মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

10তিনি ব্যবসা শুরু করেছিলেন চাঁদপুরে, সেখানে ছিল তার স্টেশনারী দোকান। এর পরের ২০ বছরে ধীরে ধীরে তার ব্যবসা বাড়তে থাকলে তিনি চলে আসেন নারায়ণগঞ্জে। তখন থেকে শুরু করেন তামাকের ব্যবসা।

“তখন তামাক বাংলাদেশে চাষ হতো না। পাকিস্তানের মারদান থেকে আসতো।” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন কাউছ মিয়া।

তামাকের ব্যবসা থেকেই তার মাথায় আসে জর্দা উৎপাদনের কথা।

Manual4 Ad Code

প্রথমে একটা ছোট কারখানা দিয়ে বাজারে ছাড়লেন ‘শান্তিপুরী জর্দা’, পরে সেটা নকল হতে থাকায় নতুন করে চালু করলেন ‘হাকিমপুরী জর্দা’ এই নাম দিয়ে, ১৯৯৬ সাল থেকে।

Manual4 Ad Code

কাউছ মিয়া বলছিলেন, ‘শান্তিপুর’ বা ‘হাকিমপুর’ এসব নামকরণের পেছনে বিশেষ কোন কারণ নেই। তবে হাকিমপুর নামটা লোকের মুখে সহজে আসে, সহজে বলতে পারে – এ জন্যই এই নাম রাখা।

৬৬ বছর ধরে ব্যবসা করছেন কাউছ মিয়া।। তার মধ্যে তামাক ও জর্দার ব্যবসা থেকেই তিনি লাভ করেছেন ৪ থেকে ৫ শ’ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, করদাতা হিসেবে তিনি পাকিস্তান আমল থেকেই পুরস্কৃত হয়ে আসছেন। এতবার সর্বোচ্চ করদাতা হতে পেরে তিনি খুবই খুশি।

Manual6 Ad Code

অন্য ব্যবসায়ীরা কেন তার মতো এত বার সর্বোচ্চ করদাতা হতে পারেননি – এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্য ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে। কিন্তু তিনি জীবনে ব্যাংকের টাকা নেননি।

তিনি বলেন, “বরং ব্যাংকই আমার রাখা টাকা খাটিয়েছে”।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৯৮৭ বার

Share Button

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031