শিরোনামঃ-

» আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটির ২ ছাত্রের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

প্রকাশিত: ২৬. অক্টোবর. ২০১৬ | বুধবার


Manual8 Ad Code

সিলেট বাংলা নিউজঃ আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ৭ম সেমিস্টারের ছাত্র সুবীর চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় তার ২ সহপাঠীর মৃত্যুদণ্ড ও দু’জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছে। সোমবার ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম কুদ্দুস জামান এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক এ হত্যাকাণ্ডকে ‘ঠাণ্ডা মাথার খুন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হল- ফরহাদ হোসেন ওরফে সিজু ও মো. হাসান।

Manual1 Ad Code

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হল- মো. সফিক আহমেদ ওরফে রবিন ও শাওন ওরফে কামরুল হাসান। রায়ে একই সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দু’জনের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া তথ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় মামলার চার্জশিটভুক্ত অপর আসামি লুৎফা আক্তার ওরফে সনিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর খোন্দকার আবদুল মান্নান যুগান্তরকে বলেন, ‘দ্রুত এ রায় পেয়ে আমরা সন্তুষ্ট। এখন যত দ্রুত সম্ভব পলাতক আসামিদের গ্রেফতার করে মামলার রায় কার্যকর করাই আমাদের দাবি।’

Manual8 Ad Code

আদালত সূত্র জানায়, পূর্বশত্রুতার জের ধরে ২০১৩ সালের ১০ জানুয়ারি মো. হাসানের বাসায় সুবীর চন্দ্র দাসকে হত্যার পরিকল্পনা করে তার সহপাঠীরা। পরিকল্পনা মোতাবেক ১২ জানুয়ারি সুবীর চন্দ্র দাসকে সাভার উপজেলা কমপ্লেক্সের সরকারি কোয়ার্টার থেকে দুপুর ১২টার দিকে ডেকে নিয়ে যায় তারা।

Manual1 Ad Code

সন্ধ্যা ৬টার আগে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বুড়িগঙ্গা নদীতে ফেলে দেয়া হয়। পরে সাভার থানার ভাকুর্তা ইউনিয়নের কোটালীপাড়া সাকিন এলাকার হাজী মোহাম্মদ আলীর ব্রিক ফিল্ডের পূর্ব পাশে নদীর পাড় থেকে সুবীবের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে সাভার থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৮ অক্টোবর ওই পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

চলতি বছরের ১১ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। আসামি ফরহাদ হোসেন ওরফে সিজু ও মো. শফিক আহমেদ ওরফে রবিন এ মামলায় ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখিত ২৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

Manual4 Ad Code

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৫০৬ বার

Share Button

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031