- আগামীকাল সিলেট সফরে আসছেন মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
- ভেজিটেবল মার্কেট ট্রেড সেন্টার ও হাজী নওয়াব আলী সবজি মার্কেটের যৌথ ‘সাল পরবর্তী আলোচনা সভা’
- বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে কানাডার হাইকমিশনারের বৈঠক
- সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী
- কবি শেরাম নিরঞ্জনের মাতা আর নেই
- সিটি মডেল স্কুলে শিক্ষক ও অভিভাবক সমাবেশ
- বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেটের উদ্যোগে সংবর্ধনা
- ৫৫ বছর আশ্বাসে আটকে থাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এমপি এমরান চৌধুরীর
- সিলেটে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস পালিত
- রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আটকে পড়া বড়চক বিদ্যালয় জাতীয়করণ সময়ের দাবি
» উইমেন্স হসপিটালের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু, কোর্টে মামলা দায়ের
প্রকাশিত: ২৯. আগস্ট. ২০১৬ | সোমবার
সিলেট বাংলা নিউজঃ সিলেট উইমেন্স মেডিকেলের চেয়ারম্যান, পরিচালক, ডাক্তারসহ ৮ জনকে আসামী করে মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে মামলা দায়ের করেছেন সিলেট নগরীর লোহারপাড়া এলাকার বাসিন্দা শেখ মোহাম্মদ আলমগীরের স্ত্রী ইয়াসমীন আক্তার শাবানা (৩৩)। গত ২৩ আগস্ট তিনি মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নম্বর সি আর ১০১৩/১৬।
হাসপাতালের ভুল চিকিৎসার কারণেই তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেন শাবানা।
মামলায় আসামী করা হয়েছে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ওয়ালি তছর উদ্দিন (৫২), ভাইস চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন (৫০), পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. মো. তোজাম্মেল (৫০), মেডিসিন বহির্বিভাগের ডা. শাহীন (৩৩), ডা. ইমদাদুল হক চৌধুরী (৩৩), ডা. ইশরাক তাসমিন ঈশা (২৫), ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. শান্ত, শম্পা রাণী দাস (৩০)।
মামলার অভিযোগে শাবানা উল্লেখ করেছেন, ‘২০১৬ সালে ২৫ এপ্রিল দুপুরে তার স্বামীকে উইমেন্স মেডিকেলের ইমার্জেন্সী বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে কোন ডাক্তার না পাওয়ায় মেডিসিন বিভাগের ডা. শাহীনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
ডা. শাহীন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি দেন। ভর্তির পর দুপুরে ডা. ইমদাদুল হক, ইসরাত ঈশা রোগীকে দেখে বিভিন্ন পরীক্ষা দেন।
রাত ৯ টার দিকে রিপোর্ট আসে। নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে আমাদের কাছে পৌঁছানো হয় রিপোর্ট। রিপোর্ট দেখে ডিউটিরত ডাক্তার ডা. ইমদাদ ও ডা. ঈশার কাছে গেলে তারা বলেন রোগীর মাথার একটি রগ শুকিয়ে গেছে। ঔষধ দিলে ভালো হয়ে যাবে।
শাবানা জানান- এসময় তারা রিপোর্টটির বিষয়বস্তু প্রফেসর ডা. শহিদুল ইসলাম হকের সাথে আলাপ করার অনুরোধ করলেও ডাক্তাররা শোনেননি। তারা প্রয়োজন নেই বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
পরদিন ডা. শহীদুল ইসলাম এসে দায়িত্বরত ডাক্তারদের বলেন- এ রোগীকে এখানে কে ভর্তি করেছে? এর চিকিৎসা তো এখানে নেই। ‘নিউরো মেডিসিন’ বিভাগের চিকিৎসা প্রয়োজন এ রোগীর।
পরে অভিযুক্তদের ছাড়পত্রে ২৬ এপ্রিল রোগীকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নেওয়া হলে তারা বলেন অনেক দেরি হয়ে গেছে। রোগীকে বাঁচানো যাবে কি না সন্দিহান হয়ে পড়েন ওসমানীর হাসপাতালের চিকিৎসকরা।
পরে ওইদিন দুপুরে পৌণে ২ টায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন শেখ মোহাম্মদ আলমগীর।
মামলার অভিযোগে ইয়াসমীন আক্তার শাবানা দাবি করেছেন, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চরম গাফিলতির কারণে আর ডাক্তারদের ভূল চিকিৎসার কারণেই তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৬৪৩ বার
সর্বাধিক পঠিত খবর
- হত্যা না করেও ২৬ জনের উপর হত্যা মামলার করলো আওয়ামী লীগ
- সুনামগঞ্জ জেলায় নির্বাচনী হাওয়া; সরেজমিন প্রতিবেদন
- তালাকনামা জালিয়াতির দায়ে বিশ্বনাথে কাজী গ্রেফতার; ৭ জন আসামীর উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী
- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন আলী গ্রেফতার; উত্তাল দক্ষিণ সুরমা
- কিডনী রোগীদের জরুরী তথ্য কণিকা জানা আবশ্যক
এই বিভাগের আরো খবর
- ছিনতাই সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ কর : বাসদ
- ভূইফোঁড় সাংবাদিক জহিরুলের বিরুদ্ধে বড় ভাইয়ের চাঁদাবাজির মামলা, সমন জারি
- গোলাপগঞ্জে দুই ভূয়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
- সিলেটে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন
- নগরীর বাদাম বাগিচায় বাসায় ঢুকে ৮টি মোবাইল চুরি, থানায় জিডি


