শিরোনামঃ-

» সম্প্রসারিত নগর আধুনিকায়ন করতে চাই : সিসিক প্রশাসক

প্রকাশিত: ১৪. অক্টোবর. ২০২৬ | বুধবার

Manual4 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সম্প্রসারিত নগরকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সিসিকের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আগে এসব এলাকা ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে থাকাকালে এলজিইডি সর্বোচ্চ ৬ থেকে ৮ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করেছে।

বর্তমানে নগরের অংশ হওয়ায় এসব এলাকায় ড্রেনসহ কমপক্ষে ২০ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।

Manual5 Ad Code

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও টেকসইকরণের লক্ষ্যে হোল্ডিং ট্যাক্স চালুকরণ সহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, নতুন ওয়ার্ডগুলোতে নগরের অন্যান্য এলাকার মতো সব ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে এসব এলাকায় অনেক সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিটলাইট স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। কিছু কাজ চলমান রয়েছে এবং আরও কিছু কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আছে।

Manual1 Ad Code

ধারাবাহিকভাবে এসব উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমানে ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ১১০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।

Manual1 Ad Code

তিনি বলেন, আমরা টেকসই উন্নয়ন চাই। সড়কগুলো আরসিসি দিয়ে এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে, যাতে দীর্ঘদিন যানবাহন চলাচলের উপযোগী থাকে।

এ জন্য সড়কের প্রশস্ততা কমপক্ষে ২০ ফুট করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তেমুখী এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সভায় আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের অংশ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এসব এলাকার বাসিন্দারাও নগরের অন্যান্য এলাকার মতো সব ধরনের নাগরিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন।

সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।

Manual1 Ad Code

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

বর্তমানে এর সঙ্গে আরও ১৫টি ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে। কিন্তু ওয়ার্ডের সংখ্যা বাড়লেও সে অনুযায়ী সিসিকের নিজস্ব আয় বাড়েনি।

অথচ সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় থেকেই উন্নয়ন কার্যক্রম ও নাগরিক সেবা পরিচালনা করতে হয়।

তাই নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা আরও সম্প্রসারণের জন্য সিসিকের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

সিসিক প্রশাসক নগরবাসীকে নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

সিসিকের সচিব মো. আশিক নূরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি শহিদ আহমদ এবং সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ হোসেন সুমন ও ফাতেমা বেগম।

সভায় ৩৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি রাজু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক কাহির মিয়া, ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক শাহজাহান মিয়া ও সদস্য সচিব রিয়াজ আহমদ সুমন, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এনামুল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ফখর উদ্দিন সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩১ বার

Share Button

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031