শিরোনামঃ-

» সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত

প্রকাশিত: ০৬. আগস্ট. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার


Manual5 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ৩৩ বছর পূর্তিতে লাল পতাকা র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট ২০২৬) বিকেল ৫টায় সুরমা পয়েন্টে জমায়েত হয়ে এক বিক্ষোভ লাল পতাকা র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্ট হয়ে পুণরায় সুরমা পয়েন্টে এসে জেলা সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া’র সভাপতিত্বে এবং সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের  ১১তম সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ইমান আলী’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, শাহপরান থানা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আনু মিয়া, ১১তম সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মীর মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, জেলা কমিটির অন্যতম নেতা আনোয়ার হোসেন, বন্দর বাজার আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিক মিয়াসহ প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন ১৯৯৩ সালের ৬ আগস্ট সংগঠনের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শ্রমিকদের আইনি সুযোগ সুবিধা আদায় ও অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

হোটেল সেক্টরের শ্রমিকদের যেমন নেই চাকরির নিশ্চয়তা, তেমনি নেই জীবনের নিরাপত্তা। হোটেল-রেস্টুরেন্ট মালিকরা দেশে প্রচলিত শ্রমআইনের তোয়াক্কা না করে তাদের মনগড়া ইচ্ছামাফিক স্বেচ্ছাচারী কায়দায় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন।

কাগজে-কলমে প্রচলিত শ্রমআইনে নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র, সার্ভিসবুক প্রদান, দৈনিক ৮ ঘন্টা কর্মদিবস, অতিরিক্ত কাজে দ্বিগুণ মজুরি ও বছরে ২ টি উৎসব বোনাস প্রদান, মজুরিসহ সাপ্তাহিক দেড় দিন ছুটি, বছরে ১০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি, ১৩ দিন উৎসব ছুটি, ১৪ দিন চিকিৎসা ছুটি, প্রতি ১৮ দিন কাজে ১ দিন অর্জিত ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি ১২০ দিন ইত্যাদি অধিকার থাকলেও হোটেল সেক্টরে মূলতঃ তা বাস্তবায়ন করা হয় না।

Manual6 Ad Code

সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এসকল দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য মালিক শ্রেণী, সরকার প্রশাসন ও প্রতিক্রিয়াশীল মহলের কাছে সংগঠন ও তার নেতৃত্ব চক্ষুশোল হয়ে হামলা-মামলা, আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের শিকার হতে হয়।

Manual4 Ad Code

সংগঠনের ধারাবাহিক আন্দোলনের ফলে ২০২৫ সালের  ৫ মে হোটেল রেস্টুরেন্ট সেক্টরে শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি ঘোষণা করা হলেও অদ্যবধি তা কার্যকর হচ্ছেনা।

এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে হোটেল রেস্টুরেন্ট সেক্টরে একমাত্র ক্রিয়াশীন সংগঠন বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশন একাধিকবার সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে চিঠি/স্মারকলিপি প্রদান করলেও কার্যকর কোন পদক্ষেপ গৃহীত হয়নি।

Manual7 Ad Code

সংগঠনের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে হোটেল-রেস্টুরেন্ট সেক্টরের শ্রমিকদের বাঁচার মত মজুরি, শ্রমআইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা আদায়ের সংগ্রামের পাশাপাশি শ্রমিক শ্রেণির সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে হোটেল-রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদেরকে দেশের অপরাপর সেক্টরের শ্রমিকদের ও জনগণের আন্দোলন-সংগ্রামে একাত্ম হতে হবে।

Manual3 Ad Code

সেই সাথে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ বিরোধী জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অগ্রসর করা ছাড়া হোটেল-শ্রমিকসহ শ্রমিক-কৃষক-জনগণের সার্বিক মুক্তি অর্জনের বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বৃহত্তর আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তোলার আহবান জানান।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৯৯ বার

Share Button

Callender

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031