» সিসিক নির্বাচনে ১৫নং ওয়ার্ডে ভোট জালিয়াতি, কারচুপি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগ : ৩ কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রতিবাদ

প্রকাশিত: ০৬. আগস্ট. ২০১৮ | সোমবার

নিজস্ব রিপোর্টারঃ সদ্য সমাপ্ত অনুষ্ঠিতব্য সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৫নং ওয়ার্ডে ব্যাপক ভোট জালয়াতি, ভোট কারচুপি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

অত্র ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান, ইফতেখার আহমদ সোহেল ও মো. আব্দুল গাফ্ফার ফাহিম এ অভিযোগ করেন এবং পাশাপাশি এর তীব্র প্রতিবাদ জানান।

সোমবার (৬ আগস্ট) সিলেট বাংলা নিউজ ডটকম’র সাথে আলাপকালে তাঁরা অভিযোগ করে বলেন- নির্বাচনের পূর্বের রাতে একটি কুচক্রী মহল ব্যালট পেপারে সিল মেরে অন্যত্র লুকিয়ে রাখে। ভোটের দিন অর্ধদিবস খুব সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলে এবং ভোটাররাও খুব উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ভোট কেন্দ্রে আসেন ও ভোট প্রদান করেন।

কিন্তু দিনশেষে ভোট গণনার প্রায় আড়াই ঘন্টা আগে নির্বাচনী কেন্দ্রে প্রশাসন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের প্রভাবে বাঁধার কারণে ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা তাঁদের ভোট দিতে পারেন নাই।

এসময় উল্লেখিত প্রার্থীরা এই অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে প্রশাসনের লোক ও প্রভাবশালী নেতারা তাঁদেরকে লাঞ্চিত করেন। তার কিছুক্ষণ পরে প্রার্থীদের নিয়োগকৃত এজেন্টদের কেন্দ্রের ভিতর থেকে বাহির করে দেয়া হয়। গণনার প্রায় আধঘন্টা আগে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার কাউন্সিলর প্রার্থী ও এজেন্টদের ডেকে নেয়া হয়। তখন প্রার্থীগণ দেখতে পান যে, ব্যালট বাক্স খোলা এবং বন্দরবাজারস্থ দুর্গাকুমার পাঠশালা কেন্দ্রে ৬টা ব্যালট বাক্সের স্থলে ৮টা, মিরাবাজারস্থ শাহজালাল জামিয়া ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ৮টা ব্যালট বাক্সের স্থলে ১০টা ব্যালট বাক্স পাওয়া যায়।

তাঁরা আরো দেখেন- দুর্গাকুমার পাঠশালা কেন্দ্রে প্রায় ৫ শতাধিক ব্যালট কোন ভাঁজ ছাড়া টিফিন ক্যারিয়ার চিহ্নে সীল মারা। তা দেখে তৎক্ষণাৎ তাঁরা এর প্রতিবাদ করলে তাদেরকে কেন্দ্র থেকে বাহির করে দেয়া হয়।

অনুরুপভাবে মিরাবাজারে শাহজালাল জামিয়া ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ব্যালট পেপার বাঁছাইয়ের সময় একজন মহিলা পোলিং অফিসার প্রিজাইডিং অফিসারকে জানায় যে, ৭/৮টি ব্যালট একসাথে ভাঁজ করা, যা টিফিন ক্যারিয়ার প্রতিকে সীল মারা। তখন প্রিজাইডিং অফিসার ঐ মহিলা পোলিং অফিসারকে ধমক দিয়ে বলেন- “এতো কথা বলার দরকার নাই, কাজ কর।” তখন তাৎক্ষণিকভাবে উল্লেখিত ৩ কাউন্সিলর প্রার্থীগণ এর প্রতিবাদ জানালে প্রিজাইডিং অফিসার তাঁদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং গ্রেফতারের হুমকি প্রদান করেন।

উপয়ান্তর না দেখে তাঁরা তখন কেন্দ্র থেকে বের হয়ে আসেন।

তাঁরা আরো অভিযোগ করেন- ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং অফিসার উল্লেখিত প্রার্থীবৃন্দের নিয়োগকৃত এজেন্টদের কোন প্রকার স্বাক্ষর না নিয়ে ফলাফল ঘোষনা করা হয়।

উল্লেখ্য, এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ৩৭৯ জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪ জন প্রার্থী।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২১৫৯ বার

Share Button

Callender

August 2018
M T W T F S S
« Jul   Sep »
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031